মোঃ আরমান কবীর সৈকত (সম্পাদক)

টাঙ্গাইলে দুস্থদের মাঝে সেনাবাহিনীর ঈদ সামগ্রী বিতরণ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে দুস্থদের মাঝে সেনাবাহিনীর ঈদ সামগ্রী বিতরণ

একতার কন্ঠঃ  টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে গরীব অসহায় দুস্থদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার( ৩ মে)  সকাল ১১টার দিকে শহীদ সালাউদ্দিন সেনানিবাসের উদ্যোগে উপজেলার সন্ধানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এ উপহার  সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

এ সময় শহীদ সালাউদ্দিন সেনানিবাসের বিগ্রেডিয়ার জেনারেল তৌহিদুল আহমেদসহ সেনাবাহিনীর অন্যন্য অফিসারবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় শতাধিক পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী হিসেবে চাল, ডাল, তেল, চিনি, সেমাই, সাবান, নগদ টাকা এবং মাস্ক বিতরণ করা হয়।

 

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. মে ২০২১ ০২:১০:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু

একাতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুরে পানিতে ডুবে  দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। রবিবার (২ মে) সন্ধায় মধুপুর উপজেলার মির্জাবাড়ী ইউনিয়নের ভবানীটেকী লেংরা বাজার এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে।

পানিতে ডুবে মৃত্যুবরণকারী শিশুরা হলোঃ ভবানীটেকী লেংরা বাজার এলাকায় সেলিম রানার মেয়ে সাফা মনি (৬) এবং জামাল উদ্দিনের ছেলে হোসাইন (৫)। শিশুদুটি সম্পর্কে চাচাতো  ভাই-বোন।

স্থানীয়দের সূত্রে জানা যায়, নিহতরা ভবানীটেকী লেংরা বাজার এলাকার একটি পুকুরে গোসল করতে নেমেছিল। একপর্যায়ে তারা পানিতে ডুবে যায়। এরপরে স্থানীয় এক ব্যক্তি ওই পুকুরে গরুকে গোসল করাতে গেলে প্রথমে তিনি হোসাইনকে  মৃত অবস্থায়  ভেসে থাকতে দেখেন। এরপর হোসাইনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

অন্যদিকে, অপর শিশু সাফা মনিকে না পেয়ে পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন। পরে স্থানীয়রা সন্ধ্যায় ওই পুকুরে নেমে সাফা মনি’র মরদেহ উদ্ধার করেন।

মির্জাবাড়ী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাজাহান তালুকদার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এটি খুবই মর্মান্তিক ঘটনা। গভীর শোক ও সমবেদনা জানাচ্ছি। ইতোমধ্যেই নিহত দুইজনের মরদেহ দাফন করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. মে ২০২১ ০২:৪২:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ৪ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ১ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ৪ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ১

একতার কণ্ঠঃ  টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ৪ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে নসু মন্ডলকে (৬৫) নামে একজন বৃদ্ধকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৯ এপ্রিল) বিকালে এই  দিকে ধর্ষণের  ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত নসু মন্ডল উপজেলার নারান্দিয়া ইউনিয়নের মালতী গ্রামের মৃত আব্দুল মন্ডলের ছেলে।  আহত শিশুটিকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, ভূক্তভোগী শিশুটি সাথীদের নিয়ে মসজিদ প্রাঙ্গণে খেলছিল। খেলার সাথীরা চলে গেলে একা পেয়ে নসু মন্ডল ওই শিশুকে ঘরে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করে। শিশুটি শারীরিক যন্ত্রণায় চিৎকার করলে তার পরিবার ও স্থানীয়রা গিয়ে তাকে উদ্ধার করে। বিষয়টি স্থানীয় মাতাব্বরা ধামাচাঁপা দেয়ার চেষ্টা করলেও তা ব্যর্থ হয়।

অপরদিকে, অভিযুক্ত ব্যক্তির স্ত্রী ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। সেইসাথে তার শাস্তি দাবী করেছেন।
নারান্দিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শুকুর মাহমুদ বলেন, স্থানীয় মাদ্রাসার সেক্রেটারী বিষয়টি আমাকে জানিয়েছেন। অভিযুক্ত নসু মন্ডল ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছে। আমি বিষয়টি থানায় অবগত করেছি। পরে পুলিশ এসে তাকে গ্রেফতার করে।

এ বিষয়ে সার্কেল এএসপি রাসেল মনির বলেন, মালতী গ্রামের এক বৃদ্ধ ৪ বছরের শিশু ধর্ষণ করে। স্থানীয়রা শিশুটিকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে এবং নসু মন্ডলকে আটকে রেখে খবর দিলে পুলিশ গিয়ে তাকে গ্রেফতার করে। থানায় মামলা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০১. মে ২০২১ ০১:৩৭:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের নবনির্বাচিত কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের নবনির্বাচিত কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত

একতার কণ্ঠঃ  টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছ।    শুক্রবার(৩০শে এপ্রিল) বাদ জুম্মা টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ প্রাঙ্গনে এই পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়।
 কার্যনির্বাহী কমিটির নবনির্বাচিত সভাপতি ও টাঙ্গাইল পৌর মেয়র এস,এম সিরাজুল হক আলমগীরের সভাপতিত্বে পরিচিতি সভায় উপস্থিত ছিলেন টাংগাইল-২( গোপালপুর- ভূঞাপুর) আসনের  সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনির এমপি, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাজাহান আনসারী,জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আশরাফুজ্জামান স্মৃতি, দপ্তর সম্পাদক রফিকুল ইসলাম,টাঙ্গাইল  প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট জাফর আহমেদ, টাঙ্গাইল জেলা বাস কোচ -মিনিবাস মালিক সমিতির মহাসচিব গোলাম কিবরিয়া বড় মনি ও নবনির্বাচিত কমিটির সদস্যবৃন্দ।
 এই পরিচিতি সভাটি সঞ্চালনা দায়িত্বে ছিলেন নবনির্বাচিত  সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান খান পাঠান( জুয়েল)।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০১. মে ২০২১ ১২:৫৩:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মামলার ফাঁদেই বন্দি মামলাবাজ আশরাফ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মামলার ফাঁদেই বন্দি মামলাবাজ আশরাফ

একতার কণ্ঠঃ   টাঙ্গাইলের সখীপুর পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা হাফেজ খানের ছেলে মো. আশরাফুল ইসলাম (৫৫)। তিনি কারণে-অকারণে সাধারণ মানুষের নামে মামলা করেন। কেউ তার কাছে টাকা পান, সেই টাকা চাইতে গেলে মামলা, তাকে কিছু বলতে গেলে মামলা, তার সঙ্গে কথা কাটাকাটি হলেও মামলাসহ অনেকটা অকারণেই তার মামলার শিকার হয়েছেন উপজেলার অর্ধশতাধিক মানুষ।

এ কারণে আশরাফুল ইসলাম এলাকায় ‘মামলাবাজ আশরাফ’ নামে পরিচিত। সেই মামলাবাজ আশরাফ এবার মামলার জালেই আটক হয়েছেন। বৃহস্পতিবার(২৯ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৯টার দিকে পৌরসভার কাঁচা বাজার এলাকা থেকে সখীপুর থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছে। শুক্রবার(৩০ এপ্রিল) দুপুরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অর্থ আত্মসাৎ মামলায় আশরাফুলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

পুলিশ জানায়, ২০২০ সালের ৪০৬ ও ৪২০ ধারার মামলায় মো. আশরাফুল ইসলামের বিরুদ্ধে আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। ওই পরোয়ানার ভিত্তিতেই বৃহস্পতিবার রাতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সখীপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ওমর ফারুক ও মনিরুজ্জামান বলেন, সে সখীপুরের একজন চিহ্নিত মামলাবাজ লোক। তার মেয়ের জামাই, জামাই বাড়ীর লোকজন ও স্থানীয় লোকজনের নামে বিভিন্ন সময় থানায় ও আদালতে মামলা করে আসছে। সে প্রায় ৩০টি মামলার বাদী।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে তার মামলার শিকার এক ভুক্তভোগী জানান, মামলাবাজ আশরাফ অন্যের মামলা ক্রয় করে পরিচালনা করে। টাকার বিনিময়েও অন্যের পক্ষে মামলা করে দেয়। ওই ভুক্তভোগী আরও বলেন, আমি আমার ভায়রার পাওনা টাকা ফেরত দিতে বলায় সে একটি মামলায় আমার নাম ঢুকিয়ে দিয়েছিল। ওই মামলায় আমি ২১ দিন জেল খেটেছি। ওই মামলাবাজ বহু মানুষকে হয়রানি করেছে। এবার নিজেই মামলার ফাঁদে পড়েছে।

সখীপুর থানার ওসি একে সাইদুল হক ভূঁইয়া বলেন, আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা মূলে মো. আশরাফুল ইসলাম নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। সে একজন মামলাবাজ লোক, কম করে হলেও সে উপজেলার বিভিন্ন মানুষের বিরুদ্ধে ২০টি মামলার বাদী।

 

সর্বশেষ আপডেটঃ ০১. মে ২০২১ ১২:১৩:এএম ৫ বছর আগে
ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘করোনা কালে স্বাস্থ্য সুরক্ষা’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত - Ekotar Kantho

ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘করোনা কালে স্বাস্থ্য সুরক্ষা’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ  টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী কল্যান ও পরামর্শ দান কেন্দ্রের উদ্যোগে ‘করোনা কালে স্বাস্থ্য সুরক্ষা’ শীর্ষক অনলাইন আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আলোচনা সভাটি বৃহস্পতিবার (২৯ এপ্রিল) বিকাল ৩ টায় শুরু হয়ে  বিকাল ৫টা পর্যন্ত চলে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এর উদ্বোধন করেন ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আলাউদ্দিন ।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ আর এম সোলাইমান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন শিক্ষার্থী কল্যান ও পরামর্শদান কেন্দ্রের পরিচালক প্রফেসর ড এ, এস, এম সাইফুল্লাহ। সরকারী কর্মচারী হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ডাঃ গোলাম মোর্শেদ করোনাকালে স্বাস্থ্য সমস্যা নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা করেন এবং আলোচনায় অংশগ্রহনকারীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। এসময় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক সবাইকে সুষম খাবার গ্রহন এবং শারীরিক সক্ষমতা বাড়ানোর তাগিদ দেন।তিনি বলেন, হয়তো করোনাকে নিয়েই আমাদের দীর্ঘদিন বসবাস করতে হবে, তাই স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়ানোর সাথে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর দিকে নজর দিতে হবে। আলোচনায় অংশ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর এবং প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সকলের সুস্থ্যতা কামনা করে বিভিন্ন পরামর্শ দেন।

আলোচনা থেকে সকলে একমত হন যে, স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়ে আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সকল স্তরে পাঠদানের ব্যবস্থা থাকা উচিত। আলোচনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, রেজিষ্ট্রার, প্রক্টর, বিভিন্ন অফিসের প্রধান, শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ শতাধিক অংশগ্রহনকারী উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, শিক্ষার্থী কল্যান ও পরামর্শদান কেন্দ্র ছাত্র-ছাত্রীদের উচ্চ শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও দক্ষতা অর্জন বিষয়ক বিভিন্ন কর্মশালা ও পরামর্শ বিষয়ক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকে। কেন্দ্রের পরিচালক জানান, এমন আয়োজনের ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে।অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনা করেন ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আওরঙ্গজেব আকন্দ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. এপ্রিল ২০২১ ০৫:০৮:পিএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ফেন্সিডিল সহ আটক ২ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ফেন্সিডিল সহ আটক ২

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ  টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে ৯০ বোতল ফেন্সিডিলসহ ২ যুবককে আটক করেছে গোড়াই হাইওয়ে থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার(২৯ এপ্রিল) ভোরে উপজেলার  গোড়াই ইউনিয়নের ধেরুয়া এলাকায় অবস্থিত নাসির গ্লাস অ্যান্ড ফ্যাক্টরি  সংলগ্ন ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক থেকে তাদের আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলেন- ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গি উপজেলার মাশাইলডাঙ্গি গ্রামের আমির হোসেনের ছেলে মো. আ. গফুর (২৮) একই গ্রামের নুরুল আমিনের ছেলে রাকিব হোসেন (২২)।

পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার ভোর পৌনে ৬টার দিকে মহাসড়কের ওইস্থানে অভিযান পরিচালনা করে ৯০ বোতল ফেন্সিডিলসহ ২ জনকে আটক করা হয়।

গোড়াই হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ মোজাফফর হোসেন জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে মির্জাপুর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।শুক্রবার( ৩০ এপ্রিল) তাদের কোর্টে হাজির করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. এপ্রিল ২০২১ ০৩:৫৪:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে দরিদ্র মানুষের পাশে ইফতার নিয়ে ‘শিশুদের জন্য ফাউন্ডেশন’ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে দরিদ্র মানুষের পাশে ইফতার নিয়ে ‘শিশুদের জন্য ফাউন্ডেশন’

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলে শিশুদের জন্য ফাউন্ডেশন পবিত্র রমজানে প্রতিদিন প্রায় তিন শতাধিক  দরিদ্র মানুষের মধ্যে ইফতারি বিতরণ করছে। গত ৭ বছর ধরে টাঙ্গাইল ছাড়াও দেশের আরও ১১ জেলায় প্রায় পাঁচ শতাধিক স্বেচ্ছাসেবীর মাধ্যমে বিভিন্ন মানবিক কাজে অংশ নিয়ে আসছে সংগঠনটি।এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার(২৯ এপ্রিল)  বিকালে  টাঙ্গাইল সদরে ঘুরে ঘুরে  প্রায়  তিন শত জন দরিদ্র মানুষের মাঝে ইফতার বিতরন করেন সংগঠনের  সেচ্ছাসেবীরা।

শিশুদের জন্য ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা মঈদ হাসান তড়িৎ জানান, গত ৭ বছর ধরে টাঙ্গাইল ছাড়াও দেশের আরও ১১ জেলায় প্রায় পাঁচ শতাধিক স্বেচ্ছাসেবীর মাধ্যমে বিভিন্ন মানবিক কাজে অংশ নিয়ে আসছে সংগঠনটি। তারই ধারাবাহিকতায় নিজেরা রান্না করে টাঙ্গাইলের রাস্তায় ছিন্নমূল অসহায় ও দরিদ্র মানুষকে খুঁজে খুঁজে ইফতার সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। ১১টি জেলায় প্রায় ৯ হাজার মানুষের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে।

টাঙ্গাইল জেলা সদর বস্তির বাসিন্দা শাহিদা বেগম (৫০)। প্রায় ৩৫ বছর আগে বিয়ে হয়। স্বামী রিকশা চালক। বিয়ের পর থেকেই সংসারে সুখের টানাটানি।

একে একে তাদের সংসারে এলো তিন মেয়ে ও এক ছেলে। মেয়েদের বিয়ের পর তারা স্বামীর বাড়িতে বসবাস করেন। ছেলেও বিয়ের পর পৃথক হয়েছে। এদিকে প্রায় ১৫ বছর ধরে স্বামী ভরণপোষণ দেন না।

অন্যের বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করে কোনো রকমে সংসার চলে তার। টানাটানির সংসারে ভালো মানের খাবার জোটানো স্বপ্নের মতো লাগে। কোনো রকম সেহেরি ও ইফতার খেয়ে রোজা রাখেন।

এ অবস্থা দেখে তার পাশে দাঁড়িয়েছে ‘শিশুদের জন্য ফাউন্ডেশন’ সংগঠন। প্রতিদিন তাকে ভাল মানের ইফতার সামগ্রী দেওয়া হয়।

শুধু শাহিদা বেগম নয়, তার মতো প্রতিদিন টাঙ্গাইল শহরের অসহায়  তিন শতাধিক দরিদ্র মানুষকে খুঁজে খুঁজে ইফতার সামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছে ‘শিশুদের জন্য ফাউন্ডেশন’ নামের এই সংগঠনটি।

শাহিদা বেগম বলেন, ‘আমার স্বামী আমাকে দেখাশোনা করেন না। ছেলেও খোঁজ খবর নেয় না। নিজে অন্যের বাড়িতে কাজ করে চলি। ভালো মানের ইফতার কখনও তৈরি করতে পারি না। শিশুদের জন্য ফাউন্ডেশন আমাকে প্রতিদিন অনেক ভালো মানের ইফতার সামগ্রী দেয়। তাদের জন্য দোয়া করি। তারা যেনো আমার মতো মানুষের পাশে সবসময় এভাবেই দাঁড়াতে পারে।’

ইফতার সামগ্রী পাওয়া বস্তিবাসী রত্না বেগম বলেন, ‘রোজার শুরু থেকে তারা ইফতার সামগ্রী দিচ্ছে। এমন ইফতার সামগ্রী বানানো আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়। তাদের দেওয়া ইফতার সামগ্রী দিয়ে পরিবারের সবাই মিলে আমরা ইফতার করি।’

হাসনা বেগম বলেন, ‘লকডাউনের মধ্যে আয় রোজগার বন্ধ। অনেকের ঘরে খাবার নেই। আবার অনেকেই খাবার পায় না। এই খাবার পেয়ে আমরা অনেক আনন্দিত। খাবার পেয়ে অনেকেই খুশিতে কেঁদে ফেলেছে।’

কদবানু বেগম বলেন, ‘আমি রাস্তায় ঘুরে ঘুরে টাকা তুলি। কিনে ইফতার খেতে হয়। আজ বানানো ইফতার পেয়ে খুব আনন্দিত।

রিকশা চালক হারুন মিয়া বলেন, ‘সারাদিন রিক্সা চালিয়ে শহরের শহীদ মিনারে এসে বসলে শিশুদের জন্য ফাউন্ডেশনের লোকেরা ইফতার দিয়ে যান। কোনো দিন বিরিয়ানি আবার কোনো দিন খিচুড়ি দিয়ে থাকেন। আবার কোনো দিন ছোলা, মুড়ি, খেজুর দেন।’

স্বেচ্ছাসেবক কাজী সিনথিয়া জেরিন বলেন, ‘শিশুদের জন্য ফাউন্ডেশনের স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করতে খুব ভাল লাগছে। মানুষের মাঝে ইফতার বিতরণ করাও মানবতা। ছিন্নমূল মানুষকে ইফতার করিয়ে নিজেদের ইফতার করার মধ্যে এক আত্মতৃপ্তি থাকে। ছিন্নমূল মানুষের জন্য কিছু করতে পেরে নিজেকে গর্বিত মনে হয়।’

অপর স্বেচ্ছাসেবক তানজিলা ইসলাম সেমন্তি বলেন, ‘এই কাজটা করতে আমাদের অনেক ভাল লাগে। মানুষের পাশে দাঁড়ালে তারাও আমাদের ভালবাসে এবং আমাদের জন্য দোয়া করেন। তারা দোয়া পাওয়াই অনেক বড় ব্যাপার।’

স্বেচ্ছাসেবক তাহমিদ সাম্য বলেন, ‘আমরা যখন ইফতার বিতরণ করি ছিন্নমূল মানুষগুলো অনেক খুশি হয়। মন থেকেই আমাদের জন্য তারা দোয়া করেন। মানুষের ভালবাসা পেয়ে আমরা অনুপ্রাণিত হচ্ছি। নিজ বাসায় ইফতার করা বাদ দিয়ে ছিন্নমূল মানুষের সাথে ইফতার করি। তাদের সাথে ইফতার করতে আমাদেরও ভাল লাগে। সারাদিন রোজা রাখার পর আমাদের ইফতার পেয়ে তারা যে হাসি দেয়। সেই হাসি দেখার জন্য বাড়ি থেকে তাদের কাছে ছুটে আসি।’

মুঈদ হাসান তড়িৎ বলেন, ‘লকডাউন উঠে গেলে মার্কাস  মসজিদ ও এতিমখানায় ইফতারের আয়োজন করা হবে। এ ছাড়াও ঈদের আগের দিন ছিন্নমূল মানুষের বাড়িতে বাড়িতে চাল, ডাল, সেমাই, মাংস, দুধ চিনিসহ ঈদ বাজার পৌঁছে দেওয়া হয়। এ বছরও দেওয়া হবে। ছিন্নমূল শিশুদের জন্য ঈদের নতুন পোশাক দেওয়া হয়। এ বছর প্রায় এক হাজার শিশুকে ঈদের নতুন পোশাক দেওয়া হবে। সবার সহযোগিতায় আগামী বছরগুলোতেও এমন আয়োজন করা হবে। এমন কাজে সামর্থ অনুযায়ী সবার সহায়তায় এই মানুষগুলির পাশে দাঁড়াতে আহ্বান জানাই।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. এপ্রিল ২০২১ ০২:২০:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে পঁচা খেজুর বিক্রির দায়ে দেড় লক্ষাধিক টাকা জরিমানা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে পঁচা খেজুর বিক্রির দায়ে দেড় লক্ষাধিক টাকা জরিমানা

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ পবিত্র রমজান মাসে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে পঁচা খেজুর বিক্রির অপরাধে ৫ জনকে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত।

বুধবার(২৮ এপ্রিল) বিকেল ৫ টায় উপজেলার এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে টাঙ্গাইল র‌্যাব-১২ এর সহযোগীতায় ভ্রাম্যমান আদালতের এ অভিযান পরিচালনা করেন কালিহাতী উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. কামরুল হাসান।

এ সময় র‌্যাব-১২, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইল এর ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী কমান্ডার সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ এরশাদুর রহমান সহ  আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য উপস্থিত ছিল।

এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. কামরুল হাসান জানান, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ অনুযায়ী মাহে রমজান মাসে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে পঁচা খেজুর বিক্রির অপরাধে ভ্রাম্যমান আদালতের এ অভিযান পরিচালনা করে উপজেলার এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ডের দোকান ব্যবস্যায়ী সবুজকে ৩০ হাজার, ফয়সালকে ৩০ হাজার, খুশি মোহন দাসকে ৩০ হাজার, সাইফুলকে ২০ হাজার ও দ্বীপকে ৫০ হাজার টাকা সহ মোট ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করে আদায় করা হয়েছে।

তিনি আরো জানান, পবিত্র রমজান মাসে প্রশাসন সার্বক্ষনিকভাবে বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার স্বার্থে মনিটরিং করে থাকে। তারই অংশ হিসাবে এই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে দোষীদের শাস্তির আওতায় আনা হলো।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. এপ্রিল ২০২১ ০৪:০২:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ৮টি চোরাই গরু সহ ট্রাক জব্দ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ৮টি চোরাই গরু সহ ট্রাক জব্দ

একাতর কণ্ঠ ডেস্কঃ  বঙ্গবন্ধুসেতু-ঢাকা মহাসড়কে টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার করাতিপাড়া বাইপাসে মঙ্গলবার (২৭ এপ্রিল) ভোরে অভিযান চালিয়ে ৮টি চোরাই গরু সহ একটি ট্রাক জব্দ করেছে পুলিশ।বাসাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হারুনুর রশিদ এতথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বাসাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হারুনুর রশিদ  জানান, বঙ্গবন্ধুসেতু-ঢাকা মহাসড়কে মোবাইল ডিউটি করার সময় ঢাকাগামী একটি ট্রাক দেখে ট্রাকটিতে তল্লাসী চালালে তিনটি বাছুরসহ মোট আটটি গরু পা বাধা অবস্থায় রেখে চালক ও জড়িতরা পালিয়ে যায়। গরুগুলো ত্রিপল দিয়ে ঢাকা ছিল।তবে এ ঘটনায় জড়িত কাউকে আটক করা যায়নি।

ধারণা করা হচ্ছে- পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে গরুসহ ট্রাক(ঢাকা মেট্রো-ড-১২-২৮৯৯) পরিত্যক্ত অবস্থায় ফেলে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। পরে গরুসহ ট্রাকটি উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হয়।

উদ্ধারকৃত গরুগুলো থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। ট্রাক ও গরুর মালিকের এখনও খোঁজ পাওয়া যায়নি বলেও তিনি জানান।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. এপ্রিল ২০২১ ০২:৪৭:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ইন্টার্ন চিকিৎসক‌দের ধর্মঘট - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ইন্টার্ন চিকিৎসক‌দের ধর্মঘট

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলে বকেয়া  সম্মানী ভাতার  দাবি‌তে চি‌কিৎসা‌ সেবা বন্ধ‌ ক‌রে ধর্মঘট পালন কর‌ছেন ইন্টার্ন চি‌কিৎসকরা। বুধবার (২৮ এপ্রিল) বেলা ১১টা থেকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা হাসপাতা‌লে অবস্থান ধর্মঘট কর্মসূচি পালন করছেন।এদি‌কে চি‌কিৎসক‌দের এমন ধর্মঘটে হাসপাতা‌লে সেবা নি‌তে আসা রোগীরা চি‌কিৎসাসেবা থে‌কে ব‌ঞ্চিত হ‌চ্ছেন।

আন্দোলনরত চিকিৎসকরা জানান, গত জানুয়ারি মাস থেকে তারা তাদের সম্মানী ভাতা পাচ্ছেন না। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে বারবার জানানোর পরও এ বিষয়ে তারা কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছেন না। তাই বাধ্য হয়ে তারা এ অবস্থান ধর্মঘট পালন করছেন। যতক্ষণ পর্যন্ত সম্মানী ভাতার টাকা প‌রি‌শোধ হ‌বে না ততক্ষণ পর্যন্ত কর্মসূচি চলবে।

টাঙ্গাইল জেনা‌রেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. খন্দকার সাদেকুর রহমান বলেন, হাসপাতা‌লে তত্ত্বাবধায়ক হি‌সে‌বে নতুন যোগদান করেছে তিনি। বিষয়‌টি জানার পরই আন্দোলনরত‌দের সঙ্গে আলোচনা করা হ‌য়ে‌ছে। হাসপাতালের ফান্ডে টাকা নেই।    তিনি আরো জানান,  খুব দ্রুতই তারা তাদের প্রাপ্য সম্মানী ভাতা পেয়ে যাবেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. এপ্রিল ২০২১ ০২:১৭:এএম ৫ বছর আগে
মধুপুরে কেজিপ্রতি ৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে  তরমুজ, বাজার মনিটরিংয়ের দাবি - Ekotar Kantho

মধুপুরে কেজিপ্রতি ৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে তরমুজ, বাজার মনিটরিংয়ের দাবি

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ তরমুজ কেবল খেতেই সুস্বাদু নয়, শরীর-স্বাস্থ্যের জন্যও ভালো। এতে চর্বি নেই। প্রচুর ভিটামিন এ, বি৬, সি, পটাশিয়াম, লাইকোপেন ও সিট্রুলিনের মতো উপাদান থাকে।মৌসুমী রসালো ফল তরমুজ এখন টাঙ্গাইলের মধুপুরে কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা তাদের ইচ্ছামতো দাম হাকিয়ে তরমুজ বিক্রি করছেন বলে অভিযোগ জানিয়েছেন ক্রেতা ও জন সাধারণ। নিম্ন আয়ের মানুষের এবছরের তরমুজের স্বাদই নিতে খুবই হিমশিম খাচ্ছেন বলে জানা গেছে।

রমজান মাস এলেই বাঙালীদের প্রতিটি পরিবারেই ইফতারে থাকে তরমুজসহ হরেক রকমের মৌসুমী ফলের সমাহার। কিন্তু এবছর সেই তরমুজের দাম এখন আকাশ ছোঁয়া। তবে দাম বৃদ্ধির কারনে অনেক রোজাদারসহ নিম্ন আয়ের মানুষ আজও তরমুজের স্বাদ নিতে পারেনি। গেল বছর মধুপুরের সর্বত্রই তরমুজের ছড়াছড়ি এবং পিচ হিসেবে বিক্রি হতে দেখা গেছে। কিন্তু এবার চিত্রটা ভিন্ন! চলতি মৌসুমে বাজারে পর্যাপ্ত তরমুজের দেখা গেলেও এ বছর তরমুজ কেজিতে বিক্রি হচ্ছে এবং তাও কেজিপ্রতি আবার ৫০ থেকে ৬০ টাকায়।

শনিবার (২৪ এপ্রিল) মধুপুরের মোটের বাজার হাট এবং শুক্রবার জলছত্র বাজার ঘুরে দেখা গেছে, কেজি দরে তরমুজ বিক্রি হচ্ছে। অনেক ক্রেতা এসে বিক্রেতার সাথে দাম নিয়ে রীতিমতো বিবাদে জড়িয়ে পড়ছেন। আবার অনেক ক্রেতা যেহেতু কেজিতে বিক্রি হচ্ছে তাই কেটে ১ কেজি তরমুজ চাচ্ছেন দোকানির কাছে। এ নিয়েও চলছে বাক বিতন্ডতা।

অটোচালক ফরিদ, হীরা মিয়া, আসাদুজ্জামান আসাদ সহ আরও অনেকেই বলেন, লকডাউন চলছে। ভয় নিয়ে সড়কে আসি, দিন শেষে যা আয় হচ্ছে কোনো রকমে পরিবার পরিজন নিয়ে বেঁচে আছি। এই রোজগারে এ বছর তরমুজ খাওয়া সম্ভব হবে না।

বাজারে আসা রোজাদারসহ নানা শ্রেনী পেশার মানুষের প্রশ্ন তরমুজ কেজিতে বিক্রি হওয়ার কারন কি? যে তরমুজ গত বছরও মানুষ পিচ হিসেবে কিনেছে, সেই তরমুজ এ বছর কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। তবে কেজিতে যদি ১৫/২০ টাকা হতো তাহলে সাধ্যের মধ্যে থাকতো ; অথচ ৫০/৬০ টাকা কেজি দরে তরমুজ বিক্রি হতে দেখা গেছে। ভোক্তাদের প্রশ্ন এই টাকা কি প্রকৃতপক্ষে ওই চাষি, যে মাথার ঘাম পায়ে ফেলে তরমুজ উৎপাদন করেছে তার পকেটে যাচ্ছে নাকি অন্য কারও পকেটে? কৃষকের তরমুজের ক্ষেত থেকে শুরু করে বাজারে বিক্রেতা পর্যন্ত যারা ভোক্তার পকেট খালি করে চলেছে তাদের খুজে বের করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।

বাজারের কয়েকজন খুচরা ব্যবসায়ী জানান, বড় ব্যবসায়ীরা তরমুজ পাইকারী বাজার হতে শ’ হিসেবে কিনে তা কেজিতে বিক্রি করছেন। আমরাও কেজিতে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছি। বাজার মনিটরিং করলে কেজি কাহিনী উন্মোচন হবে বলে তারা মনে করছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৬. এপ্রিল ২০২১ ১২:৩৬:এএম ৫ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।