একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়ায় ট্রাকের ধাক্কায় সৈয়দ আসাদুল্লাহ(৫০) নামে এক মোটরসাইকেলআরোহী নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (১ জুন) দুপুর আড়াইটার দিকে বঙ্গবন্ধুসেতু- ঢাকা মহাসড়কের করটিয়া বাইপাস এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক রেজাউল করিম এই তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।
দুর্ঘটনায় নিহত মোটরসাইকেল আরোহী সৈয়দ আসাদুল্লাহ জেলার মির্জাপুর উপজেলার বাসিন্দা বলে জানা গেছে। তিনি মেডিকন ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিতে রিপ্রেজেন্টেটিভ হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক রেজাউল করিম জানান, মোটরসাইকেলটি টাঙ্গাইলের দিকে যাচ্ছিল। পরে মোটরসাইকেলটি করটিয়া বাইপাস এলাকায় পৌঁছালে পেছন দিক থেকে একটি ট্রাক এসে মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দেয়। এ সময় মোটরসাইকেলটির চালক ছিটকে পড়ে গিয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। নিহতের লাশটি হাইওয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে আবারোও করোনা আক্রান্তর সংখ্যা বাড়ছে। গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে ২৪ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে।টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো সাহাবুদ্দিন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সিভিল সার্জন অফিসের তথ্য সুত্রে জানা যায়, টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় ১২জন, বাসাইল ২জন, কালিহাতী ৪জন, ঘাটাইল ৪জন, গোপালপুর ২জন করোনা আক্রান্ত হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাড়ালো ৫ হাজার ১৬ জন। আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ্য হয়েছে ৪ হাজার ২০১ জন। এ পর্যন্ত জেলায় মোট মৃত্যুবরণ করেছে ৮১ জন। ১২৭টি নমুনা পরীক্ষায় ২৪জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। এদিকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে করোনা আইসোলেশন ইউনিটে সর্বমোট ২৮৮জন রোগী ভর্তি হয়।
এদের মধ্যে সুস্থ্য হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২০৯জন। উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রেফার্ড করা হয়েছে ৬০জন। বর্তমানে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের আইসিইউ বেডে ৩জন ও জেনারেল বেডে ৬জন নিয়ে মোট ৯জন চিকিৎসাধীন রয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় অভিযান চালিয়ে রেজিস্ট্রেশনবিহীন ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রাখার দায়ে তিনটি ফার্মেসীকে দুই লাখ ৩০ হাজার টাকা অর্থদন্ড করেছে ভ্রাম্যমান আদালত।
সোমবার (৩১ মে) দুপুরে সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. খায়রুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন ভ্রাম্যান আদালত ওই জরিমানা করেন।
এ সময় র্যাব-১২ সিপিসি-৩’র ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী কমান্ডার সহকারী পুলিশ সুপার মো. এরশাদুর রহমান ও র্যাব সদস্যরা অভিযানে অংশ নেন।
অভিযানে টাঙ্গাইল শহরের পূর্ব আদালত পাড়ার স্বর্গীয় মনিন্দ্র চন্দ্রের ছেলে অরুণ চন্দ্রের রিমু সিমু ফার্মেসীকে এক লাখ টাকা, আদালত পাড়ার মৃত সজল আলীর ছেলে মো. আনিছুর রহমানের মধুবন ফার্মেসীকে এক লাখ টাকা এবং সদর উপজেলার পিচুরিয়ার আবুল কাশেমের ছেলে আ. মজিদের কশেম ফার্মেসীকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এ প্রসঙ্গে সহকারী কমিশনার(ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. খায়রুল ইসলাম জানান, ফার্মেসীগুলোতে রেজিস্ট্রেশনবিহীন ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রাখার দায়ে ঔষধ আইন ১৯৪০ এর ১৮(গ) ধারায় জরিমানা পূর্বক সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে। পরে জব্দকৃত মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধগুলো পুড়িয়ে ফেলা হয়।
একতার কন্ঠঃ টাঙ্গাইলে অনুর্ধ্ব-১৭ জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে কাতুলী ইউনিয়ন ২-০ গোলে করটিয়া ইউনিয়নকে হারিয়ে নকআউট ভিত্তিক এই টুর্নামেন্টের ফাইনালে উঠেছে। রবিবার (৩০ মে) বিকালে টাঙ্গাইল জেলা স্টেডিয়ামে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে উপজেলা পর্যায়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বরণে এই ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করা হয়।এই টুর্নামেন্টের আয়োজক হলো উপজেলা প্রশাসন ও জেলা ক্রীড়া সংস্থা টাঙ্গাইল।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকতা রানুয়ারা খাতুনের সভাপতিত্বে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন টাঙ্গাইল পৌর মেয়র এস.এম সিরাজুল হক আলমগীর। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার চেয়ারম্যান মোঃ শাহজাহান আনছারী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মির্জা মঈনুল হোসেন লিন্টু, করটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খালেকুজ্জামান মজনু এবং কাতুলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন।
কাতুলী বনাম করটিয়া মধ্যকার খেলায় ১৪ মিনিটের সময় করটিয়া ইউনিয়নের ডি-বক্স্রের জটলা থেকে কাতুলী ইউনিয়নের মধ্যমাঠের খেলোয়ার রিফাত হাসান প্লেসিং শটে গোল করে (১-০) দলকে এগিয়ে নেয়।করটিয়া ১ গোল খেয়ে খেলায় পিছিয়ে পড়ে বিক্ষিপ্ত ভাবে পাল্টা আক্রমণ করে খেলতে থাকে। ১৭ মিনিটের সময় পাল্টা আক্রমণে কাতুলী ইউনিয়নের লেফট উইংগার রিফাত মিয়া প্রায় ৩০ গজ দুর থেকে গোল বারে শট নিলে, বলটি বাঁক খেয়ে ক্রস বারে লেগে জালে ঢুকে যায়। ফলে কাতুলী ইউনিয়ন ২-০ গোলে এগিয়ে যায়।
দ্বিতীর্য়াধে করটিয়া ইউনিয়ন তুলনামূলক ভাল খেলেও কোন গোল না করায় খেলায় ফিরতে পারেনি। কাতুলী ইউনিয়ন পাল্টা আক্রমণ করে আর গোল করতে না পারলে করটিয়া ইউনিয়ন ২-০ গোলে পরাজিত হয়ে মাঠ ত্যাগ করে।কাতুলী ইউনিয়ন ম্যাচে জয়লাভ করে নকআউট ভিত্তিক এই টুর্নামেন্টের ফাইনালে উঠেছে।
আগামীকাল সোমবার (৩১ মে) দ্বিতীয় ম্যাচে কাকুয়া ইউনিয়ন ও সিলিমপুর ইউনিয়ন মুখোমুখি হবে।
একতার কণ্ঠঃ কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে স্কুল-কলেজ, ব্রিজ-কালভার্ট, রাস্তা-ঘাট, অবকাঠামোর উন্নয়নসহ কৃষির উন্নয়নে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে। এসব উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে কোনো প্রকার অনিয়ম-দুর্নীতি সহ্য করা হবে না।
রবিবার ( ৩০ মে) টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী ও মধুপুরে বিভিন্ন উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন এবং নিরাপদ সবজি প্রকল্প পরিদর্শন শেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও দলীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময়কালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় মন্ত্রী যার-যার অবস্থানে থেকে স্বচ্ছতার সঙ্গে এসব উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়নে অর্পিত দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করারও আহ্বান জানান।
মন্ত্রী বলেন, কার্যকর গবেষণা করে ধান, গম, ভুট্টা, শাকসবজি, ফলমূল, পোল্ট্রি ও প্রাণিসম্পদের উন্নত জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন করতে হবে। এ জন্য আমাদের দেশের বিজ্ঞানীরা কাজ করে যাচ্ছেন।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনা কৃষিতে বিপ্লব এনেছেন। সব রকম সহযোগিতা দিয়ে কৃষকের পাশে থেকেছেন। তার লক্ষ্য শুধু খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনই নয়, বরং কৃষির উন্নয়নের মাধ্যমে কৃষকের জীবনমানকে উন্নত করা। তার স্বপ্ন হলো সারা পৃথিবীতে আমাদের দেশে উৎপাদিত নিরাপদ শাকসবজি, ফলমূল, মাছ-মাংস, হাঁস-মুরগি রপ্তানি করা।
ধনবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ শামছুল আরেফিনের সভাপতিত্বে সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউর রহমান গণি, ধনবাড়ী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হারুনার রশিদ হীরা, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মীর ফারুক আহমাদ, মধুপুর-ধনবাড়ী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার শাহিনা আক্তার, মহিলা ভাইস চেয়ারমান জেব-উন-নাহার লিনা, বীর মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন কালু, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আনছার আলী, ইউপি চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম প্রমুখ।
একতার কণ্ঠঃ স্বাস্থ্যবিধি মেনে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার দাবিতে টাঙ্গাইলে বৃষ্টিতে ভিজে সমাবেশ করেছে সাধারন শিক্ষার্থীরা রবিবার( ৩০ মে) দুপুরে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে এ সমাবেশ ও গণস্বাক্ষর গ্রহন অনুষ্ঠিত হয়।
শিক্ষার্থী রিসা হায়দারের নেতৃত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখে, ইভানা জামান খান ঐশী,নওরীন নুসরাত,তাওহিদা ইসলাম স্বপ্নীল,ইফতি হাসান প্রমুখ।
সমাবেশে শিক্ষার্থীরা বলেন, তাদের দাবী একটাই, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা চাই। দেশে সব কিছু খোলা থাকলেও শুধুম মাত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ। সমাবেশে শিক্ষার্থীরা আরো বলেন ‘শিক্ষা একটি জাতির মস্তিষ্কের খোরাক। অবিলম্বে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার জোর দাবি জানান তারা। অন্যথায়, সারা দেশের সাধারন শিক্ষার্থীরা একত্রিত হয়ে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলবেন।
একাতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার মগড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ মগড়ায় সেচ পাম্পের মালিকদের ধান ভাগাভাগি নিয়ে চরম উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। যেকোন সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে। এ বিষয়ে দক্ষিণ মগড়ার ধানু মন্ডলের ছেলে টাঙ্গাইল জুডিসিয়াল ম্যাজিঃ সদর আলমী আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা দক্ষিন মগড়া মৌজায় ৫০ বিঘা জমি নিয়ে প্রায় ১৫ বছর পূর্ব হইতে ইরি স্ক্রীম আমির হামজা ও মোজাফর আলী পরিচালনা করিয়া আসিতেছে। পরবর্তীতে একই এলাকার আবুল কাশেম, মজনু, আঃ রহিম কে অংশিদার হিসেবে নিয়ে এই ইরি স্ক্রীম পরিচালনা করেন। উক্ত স্ক্রীম পরিচালনায় সকলে সমান হারে বিদ্যুৎ বিলসহ যাবতীয় খরচাদি পরিশোধ করিবে বলে চুক্তি নামা স্বাক্ষর করে। পরবর্তীতে আবুল কাশেম, মজনু, আঃ রহিম,আমীর হামজার নামে ইরি স্ক্রীমের যাবতীয় বিদ্যুৎ বিল না দিয়া উপরন্তু উৎপাদিত ফসলাদি জোরপূর্বক ভাগ-বাটোয়ারা করে নেয়ার পাঁয়তারা করে। এতে দুই পক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পরে আমীর হামজা আরও একটি অভিযোগ টাঙ্গাইল সদর থানায় দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে উৎপাদিত ধান জমিতেই রাখতে বলে। কিন্তু পুলিশের কথায় কোন কর্ণপাত না করে আবুল কাশেম, মজনু, আঃ রহিম জোরবলে ধান নিয়ে যায়।
এ বিষয়ে আমীর হামজা বলেন, তিনি দীর্ঘ ১৫ বছর যাবৎ এই স্ক্রীম চালিয়ে আসছেন। উক্ত স্ক্রীমের ব্যবহৃত বিদ্যুৎ বিল তার নামে হওয়ায় অন্য ভাগিরা বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ না করিলে বিদ্যুৎ বিভাগ হতে তার নামে মামলা হয়। বহু কষ্টে নিজ উপার্জিত অর্থ জরিমানা দিয়ে মামলা নিষ্পত্তি করি। অংশিদারগণ প্রভাবশালী হওয়ায় এ বছরও ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে আমার ভাগের হিস্যা বুঝিয়ে না দিয়ে তিন ভাগি মিলে জোরপূর্বক স্ক্রীমে উৎপাদিত ধান নিয়ে যায়। বুধবার (২৬ মে) তার নিজ দখলীয় ৯০ শতাংশ জমির উৎপাদিত ধান কেটে বাড়ি নেয়ার পথে রাস্তা থেকে তাও ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এ ব্যাপারে পুলিশের নিকট অভিযোগ করেও কোন ফল পাইনি তিনি।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সালাউদ্দিন বলেন, এ ঘটনা তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এ ঘটনায় মগড়া ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আজহারুল ইসলাম জানান, বিষয়টি নিয়ে আমি ইতিপূর্বে কয়েকবার সালিশ করেছি। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সালিশের তারিখ নির্ধারণ করেও ওই তারিখে বিবাদীগণ উপস্থিত হননি। এ কারণেএলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
একাতার কণ্ঠঃ ঢাকা-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ভাতকুড়া নামকস্থানে বাসের ধাক্কায় লরি চালক ও তার সহকারী নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৫ মে) দিনগত রাত ১০টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হচ্ছেন- টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলা সদরের লরি চালক আব্দুল মোমিন (২৮) ও সহকারী বাঁধন মিয়া (২৪)।
টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের সহকারী স্টেশন অফিসার রেজাউল করিম জানান, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ভাতকুড়া নামক স্থানে টাঙ্গাইলগামী যাত্রীবাহী একটি বাস (ঢাকা মেট্রো-ব ১৪-৬০৩৪) নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি লরির পেছনে ধাক্কা দেয়। এতে লরিটি মহাসড়কের মাঝের আইল্যান্ডের সঙ্গে ধাক্কা খায়। এসময় আঘাত পেয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান লরি চালক ও তার সহকারী।
খবর পেয়ে টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মোহাম্মাদ ইদ্রিসের নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিম নিহতদের উদ্ধার করে হাইওয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।
হাইওয়ে পুলিশের উপ পরিদর্শক (এসআই) মো. আফজাল হোসেন জানান, নিহতদের মরদেহ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। বাস ও লরিটি আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর সুস্থ হয়েছেন দেশে এমন অন্তত দুজনের শরীরে ‘ব্ল্যাক ফাঙ্গাস’ শনাক্ত হয়েছে। সম্প্রতি ভারতে বিরল ছত্রাকজনিত এই রোগটি ছড়িয়ে পড়ার পর বাংলাদেশে এ নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে দুজন আক্রান্ত হওয়ার কথা জানা গেল।
চলতি মাসে রাজধানীর বারডেম জেনারেল হাসপাতাল থেকে তাদের শরীরে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস শনাক্ত করা হয়।বারডেম হাসপাতালের কর্মকর্তারা জানান, গত ৮ মে ৪৫ বছর বয়সী এক রোগীর শরীরে মিউকরমাইকোসিস বা ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়। এরপর গত ২৩ মে ৬০ বছর বয়সী আরেক জনের শরীরেও ছাত্রাকজনিত রোগটি শনাক্ত হয়।
বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানান, যাদের অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস ও রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা দুর্বল তাদের মিউকরমাইকোসিস বা ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে।
এ বিষয়ে বারডেম হাসপাতালের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. লাভলি বাড়ৈ বলেন, ‘আমাদের ল্যাবে দুজনের শরীরে মিউকরমাইকোসিস শনাক্ত হয়েছে। আমরা তাদের চিকিৎসা দিচ্ছি এবং ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছি।’
বারডেম হাসপাতালের ল্যাবরেটরিতে কোভিড-১৯ রোগীর শরীরে এবারই প্রথম ব্ল্যাক ফাঙ্গাস শনাক্ত হওয়ার কথা জানান তিনি।
আমরা সতর্কভাবে তাদের পর্যবেক্ষণ করছি’ উল্লেখ করে ডা. লাভলি বাড়ৈ বলেন, ‘ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত রোগীর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকলে অবস্থা গুরুতর হতে পারে। তাই, তাদের সতর্কভাবে চিকিৎসা দিতে হয়।’
তিনি আরও জানান, করোনা আক্রান্ত রোগীকে মাত্রা না বুঝে স্টেরয়েড দিলে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যেতে পারে, যার ফলে রোগীর ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের (সিডিসি) মতে, মিউকরমাইসিটিস ছত্রাক থেকে মিউকরমাইকোসিস হয়ে থাকে। এটি বাতাসের চেয়ে মাটিতে এবং শীত ও বসন্তকালের চেয়ে গ্রীষ্ম ও শরৎকালে বেশি দেখা যায়। বেশিরভাগ মানুষই প্রতিদিন এই আণুবীক্ষণিক ছত্রাকের স্পোরের সংস্পর্শে আসে। সুতরাং এই মিউকরমাইসিটিসের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলা প্রায় অসম্ভব।
তবে, বেশিরভাগ মানুষের ক্ষেত্রে এই ছত্রাক ক্ষতিকর নয়। যাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম, শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে তাদের শরীরে মিউকরমাইসিটিসের স্পোর প্রবেশ করলে ফুসফুস ও সাইনাস আক্রান্ত হতে পারে। যা পরে শরীরের অন্যান্য অংশেও ছড়িয়ে পড়ে।
সিডিসি’র মতে, এই বিরল ছত্রাকে আক্রান্তদের মৃত্যুহার ৫০ শতাংশ। তবে, ৯২৯টি ঘটনা নিয়ে করা ২০০৫ সালের একটি গবেষণায় দেখা গেছে মৃত্যুহার ৫৪ শতাংশ।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, সব বয়সী মানুষের এই ছত্রাকে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি না থাকায় এ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার তেমন কিছু নেই।
তারা আরও জানান, কোভিড-১৯ ও ডায়াবেটিস আক্রান্ত রোগী, যারা স্টেরয়েড নিচ্ছেন, ক্যান্সার আক্রান্ত অথবা যারা অঙ্গ প্রতিস্থাপন করেছেন, তারা সবচেয়ে বেশি ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে আছেন।
বিশেষজ্ঞরা আরও জানান, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায় তাই নয়, কোভিড-১৯ চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধের কারণেও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়।
ডা. লাভলি বাড়ৈ বলেন, ‘যখন একজন বয়স্ক ব্যক্তি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন, তখন যথেচ্ছভাবে স্টেরয়েডের ব্যবহারের কারণেও তার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। এর ফলে তিনি ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত হতে পারেন।’
ব্ল্যাক ফাঙ্গাস ভারতের স্বাস্থ্যখাতে নতুন হুমকি হিসেবে আবির্ভূত হওয়ার পর বাংলাদেশের স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা গত রোববার জানান, ব্ল্যাক ফাঙ্গাস প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় তারা খুব শিগগিরই একটি নীতিমালা তৈরি করবেন।
স্বাস্থ্যসেবা অধিদপ্তরের (ডিজিএইচএস) রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক ডা. নাজমুল ইসলাম বলেন, ‘কোভিড-১৯ প্রতিরোধে ন্যাশনাল টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজারি কমিটি কিছু সুপারিশ তৈরি করছে। একইসঙ্গে স্বাস্থ্যসেবা অধিদপ্তরের স্বাস্থ্যসেবা উপদেষ্টা কমিটিও এই রোগ প্রতিরোধে কিছু বিধিবিধান তৈরি করছে। ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের সংক্রমণের চিকিৎসায় এগুলো খুব শিগগিরই প্রকাশ করা হবে।’
ডা. নাজমুল আরও জানান, এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের কোনো অস্বাভাবিক সংক্রমণ শনাক্ত হয়নি।
তবে, ভারতে এখন পর্যন্ত ৭ হাজার ২০০ জনের শরীরে মিউকরমাইকোসিস শনাক্ত হয়েছে, তাদের মধ্যে ২১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ বিষয়ে ভারতের স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, যেসব কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় অতিরিক্ত স্টেরয়েড ব্যবহার করা হয়েছে, তাদের মধ্যে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের সংক্রমণ বাড়ছে।
ভারতের তামিলনাড়ু, গুজরাট, ওডিশা, রাজস্থান ও তেলেঙ্গানা- এই পাঁচ রাজ্যে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসকে মহামারি হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পরিচালক অধ্যাপক তাহমিনা শিরিন বলেন, ‘রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকা রোগীরা সবচেয়ে বেশি ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে আছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার রোগীরা ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত হলে তাদের অবস্থা গুরুতর হতে পারে। তাই, তাদের সতর্কভাবে চিকিৎসা দেওয়া উচিত।’
সিডিসি’র গাইডলাইন বলছে, অ্যান্টি ফাঙ্গাল মেডিসিন ব্যবহার করে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস চিকিৎসা করা হয়। এসব ওষুধের বেশিরভাগই শিরা পথে দেওয়া হয়। ব্ল্যাক ফাঙ্গাস চিকিৎসায় সবচেয়ে প্রচলিত ওষুধের মধ্যে আছে অ্যাম্ফোটেরিসিন বি। এই ওষুধটি সম্প্রতি ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস চিকিৎসায় ব্যবহার করা হচ্ছে।
সেরে উঠতে রোগীকে ছয় সপ্তাহ পর্যন্ত এই ওষুধ দিতে হতে পারে। তবে, কত তাড়াতাড়ি রোগ শনাক্ত ও চিকিৎসা আরম্ভ করা হয়েছে তার ওপরও এটা নির্ভর করে।
সম্প্রতিকালে ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, প্রায় ক্ষেত্রেই অস্ত্রোপচার করে রোগীর ছত্রাক আক্রান্ত কোষ ফেলে দেওয়ার প্রয়োজন পড়ে। এতে কিছু রোগী তাদের ওপরের চোয়াল ও চোখ হারিয়ে থাকেন।
সংবাদ সূত্র- ডেইলি স্টার অনলাইন
একতার কণ্ঠঃ গাভি দুধ দেয়—এটা আমাদের সবার জানা আছে। কিন্তু ১০ মাস বয়সের বকনা বাছুর দুধ দেয়, এটা অস্বাভাবিক ঘটনা। ব্যতিক্রমী এই ঘটনাটি ঘটেছে টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার গড়গোবিন্দপুর গ্রামের খোরশেদ আলমের বাড়িতে। বকনা বাছুরটি এখন দিনে তিন লিটার করে দুধ দিচ্ছে। বাছুরটির মা দুধ দিচ্ছে ছয় লিটার। এ ঘটনা শুনে প্রতিদিন উৎসুক মানুষ ভিড় করছে ওই বাড়িতে।
সরেজমিনে খোরশেদ আলমের বাড়িতে গিয়ে দেখা গেল, তাঁর স্ত্রী মর্জিনা খাতুন ১০ মাস বয়সের বকনা গরুর ওলান থেকে দুধ সংগ্রহ করছেন। এমন দৃশ্য দেখতে উৎসুক জনতা ওই বাড়িতে ভিড় করছে। সংগ্রহ শেষে দেখা গেল, প্রায় দেড় লিটার দুধ জমেছে। তিনি সকালেও দেড় লিটার দুধ সংগ্রহ করেছেন বলে জানান। একটা দিন দুধ সংগ্রহ না করলে ওলান থেকে এমনি এমনি দুধ ঝরে পড়ে। তিনি গত ১৫দিন ধরে এই বাছুর গরু থেকে এভাবে দুধ সংগ্রহ করছেন।
খোরশেদ আলমের স্ত্রী মর্জিনা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তিনি গাভি পালন করছেন। ১০ মাস আগে তাঁর পালিত গাভির বাছুর হয়। আর সেই বাছুরকে লালন-পালন করে আসছেন তিনি। ১৫ দিন আগে তিনি ১০ মাস বয়সী বাছুরকে গোসল করাতে গেলে গরুটির দুধের বাঁট ফোলা দেখে ধারণা করেন, এর বাঁটে দুধ জমেছে। তিনি তাৎক্ষণিক গরুটির ওলান থেকে দুধ সংগ্রহ করেন। প্রথম কয়েক দিন আধা লিটার দুধ পান তিনি। এখন দুধের পরিমাণ বেড়েছে। পরিবারের সদস্যরা এই দুধ পান করছেন। মাঝেমধ্যে এলাকার লোকজনকেও বিনামূল্যে দিচ্ছেন তিনি।
খোরশেদ আলমের চাচা আবদুল হাই তালুকদার বলেন, সাধারণত যে গাভী বাচ্চা জন্ম দেয়, সেই গাভীই দুধ দিয়ে থাকে। অল্প বয়সী বাছুরটি দুধ দেয় এটা একটা ব্যতিক্রমী ঘটনা। অনেকেই বিষয়টি শুনে আশ্চর্য হয়েছেন। তাই প্রতিবেশীরা এ দৃশ্য দেখতে বাড়িতে ভিড় জমাচ্ছে।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আবদুল জলিল বলেন, হরমনের কারণে এমনটা হয়। ঘটনাটি ভিন্ন রকম মনে হলেও ওই দুধ পুরোপুরি স্বাস্থ্যসম্মত। এ ধরনের ঘটনা দেশে আগেও ঘটেছে। অতএব আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার পাথরাইল ইউনিয়নের কুমুরিয়া গ্রামে মঙ্গলবার(২৫ মে) ভোরে একটি চায়ের দোকানে জুয়ার আসরে অভিযান চালিয়ে পাঁচ জুয়াড়িকে আটক ও তিন হাজার ২৯০টাকা জব্দ করা হয়েছে। গোপনে খবর পেয়ে র্যাব-১২’র সিপিসি-৩’র ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী কমান্ডার সহকারী পুলিশ সুপার মো. এরশাদুর রহমানের নেতৃত্বে ওই অভিযান চালানো হয়।
আটককৃতরা হচ্ছেন- দেলদুয়ার উপজেলার কুমুরিয়া গ্রামের মৃত আব্দুল লতিফের ছেলে মো. শওকত আকবর(৪৫), মো. জামাল উদ্দিনের ছেলে মো. সুমন মিয়া(২৫), মৃত মনতাজ মন্ডলের ছেলে মো. শাহীন মন্ডল(২৮), মৃত ফয়েজ উদ্দিনের ছেলে মো. হুমায়ুন কবির(৫০) ও মো. জালাল উদ্দিনের ছেলে মো. বাবুল মিয়া(২৯)।
র্যাব-১২’র সিপিসি-৩’র ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী কমান্ডার সহকারী পুলিশ সুপার মো. এরশাদুর রহমান জানান, গোপনে খবর পেয়ে কুমুরিয়া গ্রামের জনৈক মো. হারুন অর রশিদের চায়ের দোকানের ভেতরে জুয়ার আসরে অভিযান চালিয়ে উল্লেখিত জুয়াড়িদের আটক করা হয়। এ সময় জুয়ার আসর থেকে এক বান্ডেল তাস ও নগদ তিন হাজার ২৯০ টাকা জব্দ করা হয়। পরে দেলদুয়ার থানায় ১৮৬৭ সালের বঙ্গীয় প্রকাশ্য জুয়া আইনের ৪ ধারায় নিয়মিত মামলা দায়ের করে আটককৃতদের পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ চাকুরী স্থায়ী করণের দাবীতে টাঙ্গাইলের সন্তোষে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে এডহক ভিত্তিতে নিয়োগ প্রাপ্ত তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারীবৃন্দ। সোমবার( ২৪ মে) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে এ অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়।
এ অবস্থান কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন মোঃআব্দুল্লাহ আল মামুন ও এস এম মাহফুজুর রহমান। এ সময় বক্তাগণ বলেন, দীর্ঘ ২২ মাস যাবৎ এডহক ভিত্তিতে চাকুরীতে কর্মরত আছি। বিভিন্ন সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের কাছে আমাদের চাকুরী স্থায়ী করণের দাবী জানিয়ে আসলেও বিশ্ববিদ্যলয় প্রশাসন বারবার আমাদের শুধু আশস্থ করেছেন, কিন্তু উল্লেখ্যযোগ্য কোন পদক্ষেপ নেন নি। তাই অনেকটা বাধ্য হয়েই এই অবস্থান কর্মসূচি নিয়েছি।
উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন অফিসের জনবলের চাহিদার উপর ভিত্তিকরে বিভিন্ন পদে এডহক ভিত্তিতে ২২ জনকে নিয়োগ দেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।