একতার কণ্ঠঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্পর্কে কটূক্তি করার কারণে টাঙ্গাইল পৌরসভার প্যানেল মেয়র হাফিজুর রহমান স্বপনকে আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।রোববার(১৩ জুন) দুপুরে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম এমপি স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে ওই বহিষ্কারের বিষয়টি জানানো হয়।তিনি টাঙ্গাইল শহর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি পদে ছিলেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ৫ জুন প্যানেল মেয়র হাফিজুর রহমান শহরের আকুরটাকুর পাড়ায় একটি জমি পরিমাপকে কেন্দ্র করে ওই জমির মালিকের জামাতার সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বলেন।
কথা বলার একপর্যায়ে তিনি তাঁকে বলেন, ‘আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকেও মানি না’। তা ছাড়া তিনি নানা অশ্লীল বক্তব্য দেন।
তাঁর ওই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়।অনেকেই তাঁকে বহিষ্কারের দাবি জানান।

এ বিষয়ে শহর আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আহমদ মজিদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ঘোষণা দেন হাফিজুর রহমান স্বপনকে দল থেকে বহিষ্কার করা না হলে তিনি পদত্যাগ করবেন।
এর আগে গত ৯ জুন প্রধানমন্ত্রী সম্পর্কে কটূক্তির কারণে ১৬ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর হাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল সদর থানায় পৌরসভার ১৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আতিকুর রহমান মোর্শেদ বাদী হয়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের করেন।
এ ছাড়া মুঠোফোনে হুমকি দেওয়ার ঘটনায় শহরের আকুরটাকুর পাড়ার প্রয়াত আশরাফ চৌধুরীর জামাতা মফিজুর রহমান টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, হাফিজুর প্রথমে ছাত্রদল ও পরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ২০১৪ সালের জুন মাসে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে আওয়ামী লীগে যোগদান করেন।
যোগদানের পরই তিনি প্রথমে পৌর আওয়ামীলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও পরে সহ-সভাপতির দায়িত্ব পান। তিনি টাঙ্গাইল পৌরসভার ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে পর পর চার বার কাউন্সিলর নির্বাচিত হন।
সর্বশেষ, গত ৩০ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত পৌরসভা নির্বাচনে কাউন্সিলর নির্বাচিত হওয়ার পর প্যানেল মেয়রের দায়িত্ব পান।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার পারখী ইউনিয়নের ভিয়াইল মৌজায় অবস্থিত কড়িল(কুমরী) বিলের বাংলা ড্রেজার বন্ধের জন্য জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে এলাকাবাসী।
জানা যায়, ভিয়াইল মৌজার কুড়িল বিলের সরকারি খাস খতিয়ানের ভূমিতে কতিপয় দুস্কৃতকারী দুইটি বাংলা ড্রেজার বসিয়ে দিন-রাত বালু উত্তোলন করছে। পারখী ইউনিয়নের ভিয়াইল গ্রামের পশ্চিমে কুড়িল(কুমরী) বিলে বাংলা ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বীর বাসিন্দা ইউনিয়নের কস্তুরি পাড়ায় বসবাসকারী ঘাটাইল উপজেলার আশারিয়া চালা গ্রামের সিদ্দিক হোসেনের ছেলে মো. আব্দুল লতিফ। তাকে সহযোগিতা করছেন ভিয়াইল গ্রামের মৃত কাজীম উদ্দিনের ছেলে আব্দুস সাত্তার, নুর মোহাম্মদের ছেলে মজনু মিয়া ও নজরুল ইসলাম। অবৈধভাবে বাংলা ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলনের ফলে আশপাশের ব্যক্তি মালিকানাধীন আবাদী জমি ভেঙে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে। স্থানীয় পর্যায়ে তারা অত্যন্ত দুর্ধর্ষ ও দাঙ্গা-হাঙ্গামাকারী হিসেবে পরিচিত। স্থানীয়রা বাঁধা দিতে গেলে উল্লেখিত ব্যক্তিরা নানা ধরণের হুমকি দিয়ে থাকে। এজন্য এলাকার জমির মালিকরা দিশেহারা হয়ে পড়েছে। তাদের ভয়ে ভীত হয়ে স্থানীয় প্রায় অর্ধশত ব্যক্তি এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসকের কাছে গত ৭ জুন(সোমবার) লিখিত আবেদন করেছেন।
এ বিষয়ে কালিহাতী উপজেলা সহকারী কমিশন(ভূমি) কমরুল হাসান জানান, ওই বিলে ইতোপুর্বে একাধিকবার বাংলা ড্রেজারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে দাখিলকৃত অভিযোগটি হাতে পেলে তিনি দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করবেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বৈরাণ নদীর উপর নির্মিত ফুট ওভার ব্রিজটি ভেঙে গোপালপুরে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। শুক্রবার( ১১ জুন) সকালে গোপালপুর পৌরসভার কোনাবাড়ি এলাকায় বৈরাণ নদীর উপর নির্মিত ফুটওভার ব্রিজটি ভেঙে পৌরসভার পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে পূর্বাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। তবে কেউ হতাহত হয়নি।
জানা গেছে, টানা দুই দিনের বৃষ্টিতে দুটি পিলারসহ ব্রিজের একপাশ ভেঙে পড়ে। পরে ক্রমশ:ই ব্রিজের ভাঙা অংশ বাড়তে থাকে। অনেক আগেই ব্রিজটি ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করা হয়েছিল। তারপরও সংস্কারে কোন উদ্যোগ গ্রহণ করেনি কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয়রা জানায়, ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণার পরও জনগুরুত্বপূর্ণ ব্রিজটি সংস্কার বা পুননির্মাণে কর্তৃপক্ষ উদ্যোগ নেয়নি। ব্রিজটি ভেঙে যাওয়ায় মানুষের চলাচলের ব্যাপক দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে।
গোপালপুর পৌরসভার মেয়র রকিবুল হক ছানা জানান, ফুট ওভার ব্রিজটি ভেঙে পড়ার পর দ্রুত তিনি পরিদর্শন করেন। ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজটি টানা দুই দিন ভারি বৃষ্টির ফলে দুর্বল হয়ে ভেঙে পড়েছে। খুব দ্রুত চলাচলের জন্য তিনি বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহন করবেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল শহরের বিশ্বাস বেতকা এলাকার বাসিন্দা মৌসুমী মাহমুদা নামে এক নারী উচ্চ শিক্ষার জন্য বিদেশে যেতে জমি বিক্রির চেষ্টায় বাঁধা ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। শনিবার (১২ জুন) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে পৌরসভার ১৭ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আতিকুর রহমান মোর্শেদের বিরুদ্ধে তিনি ওই সংবাদ সম্মেলন করেন। মৌসুমী মাহমুদা শহরের ১৭ নং ওয়ার্ডের বিশ্বাস বেতকা এলাকার মোহাম্মদ আলী শাহাজাদার মেয়ে।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মৌসুমী মাহমুদা জানান, উচ্চ শিক্ষার জন্য তিনি দেশের বাইরে যাওয়ার জন্য বিশ্বাস বেতকা মৌজায় নিজের ৬ শতাংশ বাড়ি বিক্রির চেষ্টা করেন। বাড়ি কেনার আগ্রহী ক্রেতারা তার সাথে কথা বলে চলে যাওয়ার পর বর্তমান কাউন্সিলর তাদের হুমকি-ধমকি দেন। ওই জমি কিনলে তাদের হাত-পা কেটে ফেলবে বলে হুমকি দেওয়ায় ক্রেতারা তার বাড়ি কিনতে আসেন না। কাউন্সিলর মোর্শেদ তার প্রায় কোটি টাকা মূল্যের বাড়িটি মাত্র ২০-২৫ লাখ টাকায় তার কাছে বিক্রি করতে বলেন। আতিকুর রহমান মোর্শেদকে বাড়ি দিতে অস্বীকার করায় তিনি অন্য কারও কাছে বাড়ি বিক্রি করলে তাকে মোটা অংকের চাঁদা দিতে হবে। অন্যথায় তাকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেন।
সংবাদ সম্মেলনে মৌসুমী মাহমুদা আরও জানান, কাউন্সিলর মোর্শেদের হুমকিতে নিজের বাড়িতে তিনি বসবাস করতে পারছেন না। শহরে অন্যের ভাড়া বাসায় থাকতে হয়। তিনি নিজের জীবনের নিরাপত্তা চান।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- মৌসুমী মাহমুদার মা মাহমুদা আলী, ভাবি সুমাইয়া আক্তার তৃষা ও তার দুই কন্যা শিশু।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে গত ২৪ ঘণ্টায় ২১৩টি নমুনা পরীক্ষায় নতুন করে জেলায় ৭০জনের করোনা পজেটিভ শনাক্ত হয়েছে। নমুনা পরীক্ষার আক্রান্তের শতকরা হার ৩২.৮৬ শতাংশ- যা গত এক মাসে সর্বোচ্চ। এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে আরও এক জনের মৃত্যু হয়েছে। তার বাড়ি টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলায়। এ পর্যন্ত জেলায় মৃত্যুবরণ করেছে ৯২ জন। টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন শনিবার( ১২ জুন) দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, আক্রান্তদের মধ্যে টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় ৩৯জন, নাগরপুরে একজন, দেলদুয়ারে পাঁচজন, মির্জাপুরে একজন, কালিহাতীতে ২১ জন, ঘাটাইলে একজন, মধুপুরে একজন ও ভূঞাপুর উপজেলায় একজন রয়েছে।
তিনি আরও জানান, টাঙ্গাইল সদর ও কালিহাতী উপজেলা উত্তরাঞ্চল সহ দেশের বিভিন্ন জেলার যোগাযোগ ব্যবস্থার ট্রানজিট পয়েণ্ট হওয়ায় এ দুই উপজেলায় করোনা শনাক্তের হার অন্য উপজেলাগুলোর তুলনায় অনেক বেশি। ইতোমধ্যে কালিহাতী উপজেলায় দুই দফায় ৩৩টি বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে। টাঙ্গাইল সদর উপজেলা কড়া নজরদারীতে রাখা হয়েছে।
সিভিল সার্জর কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, এ নিয়ে জেলার ১২টি উপজেলায় করোনা আক্রান্তের মোট সংখ্যা দাঁড়াল পাঁচ হাজার ৪৩২ জন। আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ্য হয়েছে চার হাজার ৩০৮ জন। টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের করোনা আইসোলেশন ইউনিটে এ যাবৎ ৩৪০জন রোগী ভর্তি হয়। তাদের মধ্যে সুস্থ্য হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২৪৪ জন। উন্নত চিকিৎসার জন্য স্থানান্তর(রেফার্ড) করা হয়েছে ৬০ জন। টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের আইসিউ বেডে বর্তমানে ৬জন ও জেনারেল বেডে ১১জন নিয়ে মোট ১৭ জন করোনা ডেডিকেডেট ইউনিটে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে গত ২৪ ঘন্টায় করোনা আক্রান্ত হয়ে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে। তার বাড়ি টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায়। টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জেলা সিভিল সার্জন অফিসের সুত্র মতে, গত ২৪ ঘন্টায় ১৩০টি নমুনা পরীক্ষায় জেলায় সর্বোচ্চ ৪০জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় ২০জন, দেলদুয়ারে ৬জন, সখীপুরে ৩জন, বাসাইলে ১জন, কালিহাতী ৯জন ও ঘাটাইলে ১জন নিয়ে মোট ৪০জন করোনায় আক্রান্ত।
এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৫ হাজার ২৭৬ জন। আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ্য হয়েছে ৪ হাজার ২৭৪ জন। এ পর্যন্ত জেলায় মোট মৃত্যুবরণ করেছে ৯০ জন।
এদিকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের করোনা আইসোলেশন ইউনিটে সর্বমোট ৩২৭ জন রোগী ভর্তি হয়। এদের মধ্যে সুস্থ্য হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২২৭জন। উন্নত চিকিৎসার জন্য রেফার্ড করা হয়েছে ৬০জন। বর্তমানে টাঙ্গাইল জেনালে হাসপাতালে আইসিউ বেডে ৬জন ও জেনারেল বেডে ১৭জন নিয়ে মোট ২৩জন চিকিৎসাধীন রয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর স্মৃতি বিজরিত নানা প্রজাতির গাছ কাটার প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচি ও সমাবেশ করেছে বিভিন্ন সংগঠন। বুধবার(৯ জুন) দুপুরে বৃষ্টি উপেক্ষা করে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের(মাভাবিপ্রবি) ভিসি প্রফেসর ড. মো. আলাউদ্দিনের বিরুদ্ধে গাছ কাটা সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভূমি সমস্যা সমাধান না করার অভিযোগ তুলে ওই মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
মানববন্ধনে অংশ নেয়- মওলানা ভাসানী ফাউন্ডেশন, মওলানা ভাসানী অনুসারী পরিষদ, খোদা-ই-খেদমতগার, মওলানা ভাসানী আদর্শ অনুশীলন পরিষদ, মওলানা ভাসানী মুরিদানও অনুসারী সংঘ, মওলানা ভাসানী স্মৃতি সংসদ, মওলানা ভাসানী স্মৃতি পরিষদ, মওলানা ভাসানী পরিষদ, মওলানা ভাসানী আদর্শ কলেজ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় হাই স্কুল, ইসলামী
বিশ্ববিদ্যালয় সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, ইসলামী বিশ্বদ্যিালয় সরকারি শিশু স্কুল, রাণী দীনমনি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ইসলামী বিশ্বদ্যিালয় সূচী শিল্প স্কুল, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় তালিমাতে কোরআন ও সুন্নাহ।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) ভিসি প্রফেসর ড. মো. আলাউদ্দিন অনিয়মতান্ত্রিকভাবে মওলানা ভাসানীর প্রতিষ্ঠিত অন্যান্য ৭টি প্রতিষ্ঠানের ৪ লাখ ৫ হাজার টাকা মূল্যের ৫১টি গাছ কেটে বিক্রি করেছেন। আরও গাছ কাটার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন।
বক্তারা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য নষ্ট করে এসব গাছ কাটা বন্ধের দাবি জানান। যেসব গাছ কাটা হয়েছে সেগুলো বিক্রির টাকা সরকারের কোষাগারে জমা দেওয়ার দাবি করেন। নতুন করে আর কোন গাছ কেটে যেন স্থানীয় পরিবেশ নষ্ট না করতে পারে এজন্য সরকারের হস্তক্ষেপও কামনা করেন বক্তারা।
মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন, ভাসানী পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা বুলবুল খান মাহবুব, টাঙ্গাইল জেলা সিপিবি’র সভাপতি অধ্যক্ষ আবদুর রাজ্জাক, সাধারণ সম্পাদক ওয়াহেদুজ্জামান মতি, ভাসানী ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হক সানু,
ইসলামিক বিবি শিশু স্কুলের প্রধান শিক্ষক আফরোজা বেগম, রাণী দীণমনি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শামিমা ইসলাম, মওলানা ভাসানী আদর্শ কলেজের অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন, ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয় বালক হাই স্কুলের সহকারী শিক্ষক
মামুনুর রহমান, মওলানা ভাসানী মুরিদান অনুসারী সংঘের সাধারণ সম্পাদক আবু সাইদ আজাদ, মানবাধিকার কর্মী আবদুল গনি আলরুহি, ভাসানী স্মৃতি সংসদের সাধারণ সম্পাদক এনায়েত করিম, ভাসানী অনুসারী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শোভা খানসুর প্রমুখ ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার সিংহটিয়া গ্রামে জুয়ার আসর থেকে বুধবার (৯ জুন) সকালে ছয় জুয়াড়িকে ২৫ হাজার ৬০০ টাকাসহ গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
বুধবার দুপুরে র্যাব-১২, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইলের কোম্পানী কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার মোহাম্মদ ইলিয়াস খান প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
গ্রেপ্তারকৃতরা হচ্ছেন- কালিহাতী উপজেলার কোকডহরা ইউনিয়নের হাওড়াপাড়া গ্রামের মৃত আদুর ছেলে সায়েদ আলী(৪৫), গোপালপুর গ্রামের মৃত আসক আলীর ছেলে জুলহাস(৪৪), শিহরাইল গ্রামের মৃত বিশার ছেলে ফজলু মিয়া(৩৫), একই গ্রামের মৃত
শাহজাহানের ছেলে মঞ্জুরুল(৪৫), বানিয়াফৈর গ্রামের মৃত আয়েদ আলীর ছেলে মুক্তার হোসেন(৫২) এবং নারান্দিয়া ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামের আ. খালেকের ছেলে মেছের আলী(২৬)।
এসময় জুয়া খেলার আসর থেকে নগদ ২৫ হাজার ৬০০ টাকা এবং এক বান্ডিল তাসসহ তাদের হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব কমন্ডার আরও জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার সিংহটিয়া গ্রামের বটতলা রোড সংলগ্ন পাটক্ষেতে অভিযান চালিয়ে জুয়ার আসর থেকে ২৫ হাজার ৬০০
টাকা এবং এক বান্ডিল তাস সহ হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের নামে কালিহাতী থানায় ১৮৬৭ সালের প্রকাশ্য জুয়া আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে দিন দিন করোনা আক্রান্তর সংখ্যা বাড়ছে। গত ২৪ ঘন্টায় ১১৪টি নমুনা পরীক্ষায় ২৪ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। এদের মধ্যে টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় ১৩জন, বাসাইলে ২জন, কালিহাতী ৫জন, ঘাটাইল ১জন, মধুপুর ১ ও মির্জাপুরে ২জন নিয়ে মোট ২৪জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ।টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এ নিয়ে জেলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাড়ালো ৫ হাজার ৭৯ জন। আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ্য হয়ে বাড়ী ফিরেছেন ৪ হাজার ২০৮ জন। এ পর্যন্ত জেলায় মোট মৃত্যুবরণ করেছে ৮২ জন।
এদিকে, টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে করোনা আইসোলেশন ইউনিটে সর্বমোট ৩০১জন রোগী ভর্তি হয়। এদের মধ্যে সুস্থ্য হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২১৪জন। উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রেফার্ড করা হয়েছে ৬০জন। বর্তমানে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের আইসিউ বেডে ৩জন ও জেনারেল বেডে ১৩জন নিয়ে মোট ১৬জন চিকিৎসাধীন রয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বংশাই নদীর বাসাইল উপজেলার কাউলজানী ইউনিয়নের সুন্যা পূর্বপাড়া অংশে পানিতে ডুবে আব্দুল্লাহ(৩) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩ জুন) সকালে বংশাই নদী থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।নিহত আব্দুল্লাহ ওই গ্রামের প্রবাসী আব্দুস সামাদের ছেলে।
স্থানীয়রা জানায়, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শিশু আব্দুল্লাহকে খুঁঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে বাড়ির পাশে বংশাই নদীতে শিশুটিকে ভেসে থাকতে দেখা যায়। পরে শিশুটির পরিবার স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করে।
বাসাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মো. আরিফ জানান, শিশুটিকে হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়। পরে নিহতের পরিবার তার লাশ বাড়িতে নিয়ে গেছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার কলিয়া পূর্বপাড়া গ্রামে হুরমুজ আলী(৬০) নামে এক কৃষকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (০৩ জুন) সকালে ঘরের ধর্ণার(আড়ার) সাথে ঝুলন্ত মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। পরিবারের অভিযোগ জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে হুরমুজ আলীকে দুই ভাই আমজাদ ও জবেদ আলী এবং ভাতিজা আমিনুর রহমান আমীন ও ফায়েজ তাকে হত্যা করে লাশ ঘরের ধর্ণার সাথে ঝুলিয়ে রাখে। নিহত হুরমুজ আলী ওই গ্রামের মৃত চাঁন মাহমুদের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, পৈত্রিক ১০ শতাংশ ভূমি নিয়ে তিন ভাই আমজাদ, জবেদ আলী ও হুরমুজ আলীর মধ্যে বিরোধ চলছিল। প্রায় দেড় বছর আগে বিষয়টি নিয়ে আদালতে মামলা হলে হুরমুজের সাথে তার ভাই আমজাদ আলী ও জবেদ আলীর বিরোধ আরও বেড়ে যায়। গত রোববার৩০ মে) বিষয়টি নিয়ে গ্রাম্য সালিশের আয়োজন করা হয়। সালিশে হুরমুজ আলীকে সাড়ে ৪ লাখ টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমজাদ আলী আগামি সোমবার(৭ জুন) হুরমুজ আলীকে টাকা পরিশোধ করার কথা ছিল। এর আগেই বৃহস্পতিবার (৩ জুন) নিজ ঘরের ধর্ণার সাথে গলায় গামছা পেঁচানো অবস্থায় হুরমুজের ঝুলন্ত লাশ পাওয়া যায়। খবর পেয়ে পুলিশ নিহতের লাশটি উদ্ধার করে।
নিহতের স্ত্রী সুরিয়া বেগম জানান, জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে তাদের সাথে বিরোধ চলছিল। বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন সময় তার স্বামী হুরমুজ আলীকে আমজাদসহ তার ছেলেরা হত্যার হুমকি দিচ্ছিল। তার স্বামী নতুন বাড়িতে তিনি একাই থাকতেন। তারা পুরাতন বাড়িতে ছিলাম। এ সুযোগে তার স্বামীকে হত্যা করে লাশ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।
অভিযুক্ত আমজাদ আলী বলেন, পৈত্রিক ১০ শতাংশ জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে মামলা হলে গত রোববার গ্রাম্য সালিশে মিমাংসা করা হয়। হুরমুজ আলী অভিমানে আত্মহত্যা করেছে।
বাসাইল থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) হারুনুর রশিদ জানান, নিহতের লাশ ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে অনুর্ধ্ব-১৭ গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্ণামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে সিলিমপুর ইউনিয়ন। বুধবার(২ জুন) বিকালে টাঙ্গাইল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত তীব্র প্রতিদ্বন্দীতাপূর্ন ফাইনাল মাচে ট্রাইব্রেকারে সিলিমপুর ইউনিয়ন ৬-৫ গোলে কাতুলী ইউনিয়নকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সার্বিক সহযোগিতায় জেলা ক্রীড়া সংস্থা টাঙ্গাইল এই জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্ণামেন্ট(অনুর্ধ্ব-১৭) এর আয়োজন করে।
খেলার শুরু থেকে দু’দলই আক্রমন পাল্টা আক্রমন করে খেলে কাঙ্খিত গোল বের করার চেষ্টা করতে থাকে। সিলিমপুর ইউনিয়নের স্টাইকার আকাশ খেলার ১৩ মিনিটের সময় চমৎকার দুরপাল্লার শটে কাতুলী জালে বল পাঠিয়ে দিয়ে (১-০) দলকে এগিয়ে নেয়। খেলায় পিছিয়ে পড়ে কাতুলী ইউনিয়ন গোল করে খেলার সমতার আনার চেষ্টা করতে থাকে। দ্বিতীয়ার্ধের ১০ মিনিটের সময় কাতুলী ইউনিয়নের রিফাতকে সিলিমপুর ইউনিয়নের ডিবক্স্রে মারাত্বক ফাউল করলে পেনাল্টি পেলে রেজাউল তার থেকে গোল করে(১-১) খেলায় সমতা আনে। এরপর খেলার ১৬ মিনিটের সময় সিলিমপুরের ডিবক্স্রে রানাকে ফাউল করলে আবারো কাতুলী আবারো পেনাল্টি পায়। পেনাণ্টি থেকে রেজাউল গোল করে(২-১) দলকে এগিয়ে নেয়।
সিলিমপুর ইউনিয়ন গোল পরিশোধের জন্য একচেটিয়া আক্রমন করতে থাকলে খেলার শেষ মুর্হুতে সিলিমপুরের শামীম চমৎকার শটে কাতুলীর জালে বল পাঠিয়ে (২-২) সমতা আনলে নির্ধারিত সময়ের খেলা ড্র হয়ে যায়। শিরোপা নির্ধারনী পেনাল্টি শুটআউটে সিলিমপুর ইউনিয়ন ৬-৫ গোলে কাতুলী ইউনিয়নকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়।
সিলিমপুর ইউনিয়নের পক্ষে জাহিদ, শান্ত, শাওন, জাহিদুল, জাফর ও সাব্বির গোল করে। আর কাতুলী ইউনিয়নের পক্ষে সুজন, রেজাউল , রিফাত হাসান, রানা ও মুন্না আহমেদ গোল করে।
খেলা শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রানুয়ারা খাতুনের সভাপতিত্বে পুরষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ শাহাজান আনছারী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলার মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শামীমা আক্তার, কাতুলী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ ইকবাল হোসেন, টাঙ্গাইলের সাবেক তারকা ফুটবলার বজলুর রহমান ও গোবিন্দ চন্দ্র।
খেলা আয়োজনে সহযোগিতা করেছেন উপজেলা ক্রীড়া পরিষদের সাধারন সম্পাদক জাহিদ তারেক খান জুয়েল। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেছেন ধারা ভাষ্যকার অনিক রহমান বুলবুল।