একতার কণ্ঠ: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের আংশিক কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৭মে) দুপুরে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
নতুন কমিটিতে সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সুলতান সালাউদ্দীন টুকুকে ও সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে মোনায়েম মুন্নাকে।
অন্যরা হলেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি-মামুন হাসান, সহ-সভাপতি-নুরুল ইসলাম নয়ন, ১নং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক-শফিকুল ইসলাম মিল্টন, ২নং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক-গোলাম মওলা শাহীন, সাংগঠনিক সম্পাদক-ইসাহাক সরকার ও দফতর সম্পাদক-কামরুজ্জামান দুলাল (সহ-সভাপতির পদ মর্যাদায়।
একতার কণ্ঠ: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) কেন্দ্রীয় কমিটির পল্লী উন্নয়ন-সমবায় বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট গৌতম চক্রবর্তী আর নেই।
শুক্রবার (২৭ মে) দুপুর দেড়টার দিকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের জরুরি বিভাগে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
প্রথমে অসুস্থ হওয়ার পর তাকে ধানমন্ডি ইবনে সিনা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।সেখান থেকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এখানেই তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তার মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন।
এছাড়া, তার মৃত্যুতে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি’র আহবায়ক অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান ও সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু শোক জানিয়েছেন।
প্রকাশ,গৌতম চক্রবর্তী টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি শিক্ষাজীবনে এলএলবি পর্যন্ত পড়াশোনা করেছিলেন।
তিনি ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার) থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রার্থী হিসেবে দু’বার আওয়ামী লীগের প্রার্থী খোন্দকার আবদুল বাতেনকে পরাজিত করেন।
একতার কণ্ঠ: সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ মে) সকালে শহরের ভিক্টোরিয়া রোডস্থ জেলা বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ের সামনে ওই বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
বিক্ষোভ সমাবেশ জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক হাসানুজ্জামিল শাহীন এর সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানুর সঞ্চালনায় বক্তব্যে রাখেন, জেলা বিএনপি’র যুগ্ম-আহবায়ক এডভোকেট ফরহাদ ইকবাল, কাজী শফিকুর রহমান লিটন, দেওয়ান শফিকুল ইসলাম, জেলা যুব দলের সদস্য সচিব তৌহিদুল ইসলাম বাবু, জেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব এমএ বাতেন প্রমুখ।
সমাবেশে বক্তারা সরকারের সমালোচনা করে ঢাকায় ছাত্র দলের নেতা কর্মীদের হামলার তীব্র নিন্দা জানান। ভবিষ্যতে এইসব সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে বলেও জানান তারা।
এসময় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠ: টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে মা ক্লিনিক এন্ড হাসপাতালে ভুল চিকিৎসায় প্রসূতিসহ নবজাতক মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর ক্লিনিকের ডাক্তার, নার্স, কতৃপক্ষ সহ সবাই পলাতক রয়েছে।
মৃত লাইলী বেগম (৩০) উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের খানুরবাড়ি গ্রামের আতোয়ার হোসেনের স্ত্রী।
বুধবার (২৫ মে ) রাতে ভুঞাপুর বাজারস্থ অনুমোদনবিহীন মা ক্লিনিক এন্ড হাসপাতালে এই ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, লাইলী বেগমের প্রস্রব যন্ত্রণা হলে তার স্বজনরা ভুঞাপুর স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়ে যান। হাসপাতালের কর্মরত চিকিৎসক রোগীকে টাঙ্গাইল রেফার্ড করেন। এতে সেখানে থাকা ক্লিনিকের দালাল শামছুর খপ্পরে। পরে দালালের কথামত মা ক্লিনিক এন্ড হাসপাতালে নিয়ে যায়। ক্লিনিকের অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যায়। পরে ওই ক্লিনিকে সার্জারি চিকিৎসক ও ভুঞাপুর স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার এনামুল হক সোহেল ও অ্যানেস্থেশিয়া চিকিৎসক ডা. আল মামুন অস্ত্রপ্রচার শুরু করেন। পরে এক পর্যায়ে রোগী অপারেশন টেবিলেই মারা যায়। পরে স্বজনদের না জানিয়ে লাশ অ্যাম্বুলেন্সে উঠিয়ে টাঙ্গাইলে পাঠিয়ে দেয়ার সময় স্বজন ও স্থানীয়রা বাঁধা দেয়।
রোগীর স্বজনরা জানান, প্রস্রব যন্ত্রণা শুরু হলে সরকারি হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে দালালের খপ্পরে পরে ক্লিনিকে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসা দুই ঘন্টা ধরে অপারেশন থিয়েটারে রাখে। পরে রোগী মারা গেলে ক্লিনিকের সামনে রেখে চিকিৎসক, নার্স ও মালিকরা পালিয়ে যায়।
ভুঞাপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. আল মামুন বলেন, মা ক্লিনিকে আনার পর তার উচ্চ রক্ত চাপ (পেসার ) দেখা দেয়। পরে অপারেশনের আগেই রোগী বমি করার পরই মারা যায়।
ভুঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি ) মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে ক্লিনিকে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তবে ক্লিনিকের চিকিৎসক, নার্স ও মালিকরা পালিয়ে গেছে। আইনী প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ তার স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
একতার কণ্ঠ: টাঙ্গাইলে প্রেমিকাকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় মাধব চন্দ্র পাল (৩৩) নামে এক যুবকের পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ছয় মাসের কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২৫ মে) দুপুরে চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সাউদ হাসান এই রায় দেন। মাধব চন্দ্র পাল টাঙ্গাইল পৌরসভার এনায়েতপুর এলাকার সুশীল চন্দ্র পালের ছেলে।
টাঙ্গাইলের সরকারি কৌসুলি (পিপি) এস আকবর খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার বিবরণে জানা যায়, নবম শেণিতে পড়ুয়া এক স্কুলছাত্রীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে মাধব পালের। একপর্যায়ে ওই ছাত্রীকে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান তিনি। এতে ক্ষোভে ঘুমের ট্যাবলেট খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন ওই স্কুলছাত্রী।
চিকিৎসার পর সুস্থ হলে স্থানীয় সালিশ বৈঠকের পর মাধবের সঙ্গে তার বিয়ের দিন ধার্য হয়। বিয়ের তারিখ ঠিক হওয়ার পরে ওই ছাত্রীকে ফোনে মাধব জানান, তিনি চাপে পড়ে বিয়েতে রাজি হয়েছেন। বিয়ের পর তাকে শান্তিতে থাকতে দেবেন না। ওই ছাত্রীকে আত্মহত্যা করতে বলেন তিনি।
মাধবের কাছ থেকে ফোন পাওয়ার পর ওই স্কুলছাত্রী আত্মহত্যা করেন। এ ঘটনার পর ওই স্কুলছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে মাধব, তার বাবা সুশীল পাল, মা আলো রানী পালসহ নয় জনকে আসামি করে টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা করেন।
একতার কণ্ঠ: টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার অরণখোলা ইউনিয়নের জলছত্র এলাকায় অভিযান চালিয়ে মঙ্গলবার(২৪ মে) ভোরে ২৮ বোতল বিদেশি মদ সহ জলছত্র এলাকার মৃত নিহার দফোর ছেলে তুষার রেমা(৩৫) নামে এক আদিবাসীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ(ডিবি- দক্ষিণ)।
টাঙ্গাইল পুলিশ সুপারের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, জেলা গোয়েন্দা পুলিশ(ডিবি) দক্ষিণের অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মো. দেলোয়ার হোসেনের নির্দেশে ডিবির একটি দল মধুপুরের জলছত্র এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানে ২৮ বোতল বিদেশি মদ সহ তুষার রেমাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সূত্র আরও জানায়, গ্রেপ্তারকৃত তুষার রেমা চোরাই পথে বিদেশি মদ সংগ্রহ করে মাদকসেবীদের কাছে সরবরাহ করছিল।
এ বিষয়ে মধুপুর থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠ: টাঙ্গাইল শহরের দেওলা এলাকায় রিনা আক্তার মায়াকে আত্মহত্যা প্ররোচনা মামলায় স্বামী ওয়াহেদুল ইসলাম প্রান্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার(২৪ মে) দুপুরে তিন দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে সপর্দ করলে টাঙ্গাইল সদর আমলী আদালতের বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রট সামছুল আলম একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করন। তথ্যটি নিশ্চিত করেছে আদালত পরিদর্শক মা. তানভীর আহম্মদ।
এ ঘটনায় নিহত কলেজ ছাত্রীর পিতা কালিহাতী উপজলার মহেলা গ্রামের মো. হাবেল উদ্দিন বাদী হয়ে রোববার(২২ম) রাতে টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন ।
প্রকাশ, নিহতের বাবা হাবিল উদ্দিন জানান,গত দেড় বছর আগে শহরের বিশ্বাসবেতকা মুন্সিপাড়া এলাকার সামাল খাঁনর ছেলে ওয়াহেদুল ইসলাম প্রান্তর সাথে রিনা আক্তার মায়ার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে শাররীক ও মানুষিকভাব নির্যাতন করত। এ বিষয়ে মেয়ের বাবা হাবিল উদ্দিন মেয়ের জামাতার বাবার কাছে অভিযাগ করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে দেওলার ভাড়াটিয়া বাসায় যায়। বাসা ফাঁকা পেয়ে মায়ার উপর চড়াও হয় শান্ত। ধস্তাধস্তির একপর্যায় মায়াকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। পরে মায়ার মরদেহ গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফ্যানর সাথে ঝুলিয়ে রেখে ডাকচিৎকার করেন স্বামী। প্রতিবশীরা পুলিশকে খবর দিলে মরদহ উদ্ধার করে এবং স্বামী প্রান্তকে আটক করে কোর্ট হাজতে প্রেরণ করে।
একতার কণ্ঠ: টাঙ্গাইল ও কালিহাতীতে পৃথক অভিযানে ৩১০ গ্রাম হিরোইন ও ১৫২ পিস ইয়াবাসহ তিনজনকে আটক করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ান (র্যাব-১২)।
মঙ্গলবার (২৪ মে) সকালে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার রুপসী যাত্রা এলাকা ও কালিহাতী উপজেলার রাজাবাড়ী সিএনজি স্ট্যান্ড থেকে তাদের আটক করা হয়।র্যাব-১২, সিপিসি-৩ এর কোম্পানী কমান্ডার মেজর মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আটককৃতরা হলেন,ঢাকা জেলার সাভার উপজেলার চান্দু শেখের ছেলে মো. নান্নু শেখ (৩৫) , টাঙ্গাইল সদর উপজেলার রুপসী গ্রামের লুৎফর রহমানের ছেলে মো. শফিকুল ইসলাম (৩৮),দেলদুয়ার উপজেলার বেতরাইল গ্রামের শহিদুল মিয়ার ছেলে লুৎফর মিয়া(৩৪)।
র্যাব-১২ টাঙ্গাইলের কোম্পানী কমান্ডার মেজর মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান জানান, আটককৃতদের কাছ থেকে ১৫২ পিস ইয়াবা, ২টি মোবাইল এবং নগদ দুই হাজার ৬০ টাকা এবং ৩১০ গ্রাম হেরোইন (মূল্য অনুমানিক ৩১,০০,০০০ , টাকা)সহ জব্দ করা হয়।
তিনি আরো জানান, আটককৃতরা ইয়াবা ও হিরোইন অবৈধভাবে সংগ্র করে জেলার বিভিন্ন জায়গায় সরবরাহ করত। এ ঘটনায় র্যাব বাদি হয়ে টাঙ্গাইল সদর ও কালিহাতী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক দু’টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠ: টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার আজগানা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বর্তমান চেয়ারম্যান রফিক সিকদারের নির্বাচনী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৩ মে) বিকেলে ইউনিয়নের এম আর আইডিয়াল কিন্ডারগার্টেন স্কুল মাঠে ওই নির্বাচনী মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।
অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আব্দুর রশিদ খানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাখেন চেয়ারম্যান প্রার্থী রফিক সিকদার।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রাখেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোস্তাফিজুর রহমান, খরশু খান, ছানোয়ার হোসেন, সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা ছিদ্দিকুর হোসেন মোল্লা, আবুল হোসেন প্রমুখ।
মতবিনিময় সভায় সহস্রাধিক কর্মী-সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ মুখ থুবড়ে পড়েছে টাঙ্গাইল শহরের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া লৌহজং নদীটির উদ্ধার ও দূষণমুক্ত কার্যক্রম। তৎকালীন জেলা প্রশাসক ২০১৬ সালে নদীর দুই পাশে অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে আংশিক দখল মুক্ত করলেও পর্যাপ্ত বাজেট না থাকায় উদ্ধার অভিযান বন্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘদিনেও কর্তৃপক্ষ আর এ ব্যাপারে কোনো উদ্যোগ নিচ্ছে না। ফলে হতাশায় টাঙ্গাইলবাসী। দ্রুত নদীটি দখল ও দূষণের কবল থেকে মুক্ত করার দাবি তাদের। এদিকে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক দখল-দূষণের কথা স্বীকার করে আবারও কাজ শুরু করার আশ্বাস দিয়েছেন।
টাঙ্গাইল শহরের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া লৌহজং নদীটি একসময়ে খরস্রোতা থাকলেও বর্তমানে অবৈধ দখলদারদের কবলে পরে নদীটি মৃত খালে পরিণত হয়েছে। একসময় টাঙ্গাইল শহরের পাশেই ছিল নৌবন্দর। দেশ-বিদেশে থেকে লঞ্চ, স্টিমার, জাহাজ ও বড় বড় নৌকা বাণিজ্যে আসত এ নৌবন্দরে। মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক পরিবেশ ছিল এখানে। আর এখন এসব কিছুই যেন শুধুই রূপকথার গল্প। বিশ্বাস করতেও কষ্ট হয় একসময় এ নদী দিয়েই চলত এসব ভারী ভারী নৌযানগুলো।
দীর্ঘদিন ধরে নদীটি ড্রেজিং না করায় আর নদীর দু’পাশে অবৈধভাবে বাড়ি তৈরি করায় বর্তমানে এটি একটি মরা খালে পরিণত হয়েছে। অন্যদিকে বিভিন্ন মিল কারখানা, বাড়ি আর শহরের সব ময়লা আবর্জনা নদীতে গিয়ে দূষিত হচ্ছে পানি। বর্তমানে নদীর পানি আর ব্যবহার উপযোগী নেই। নদীর স্বাভাবিক গতি হারিয়ে সরু খালে পরিণত হয়েছে। এ ছাড়া অনেক জায়গায় পানিপ্রবাহ বন্ধ হয়ে আছে।
২০১৬ সালে তৎকালীন জেলা প্রশাসক নদীটি পুনঃখনন ও দূষণমুক্ত করতে কাজ শুরু করে। আংশিক অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ করলেও পর্যাপ্ত বাজেট না থাকায় কাজটি বন্ধ হয়ে যায়। এরপর আর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না। অতিদ্রুত নদীটি পুনঃখনন এবং অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ না করা হলে মানচিত্র থেকে এই নদী হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয় জনসাধারণ।
এদিকে টাঙ্গাইল পরিবেশ অধিদফতরের উপপরিচালক জমির উদ্দিন জানান, কারখানার বর্জ্যে নদী দূষণরোধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হয়। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ড. আতাউল গনি দখল দূষণের কথা স্বীকার করে জানান, নদীরক্ষা করা আমাদের সবার দায়িত্ব। এ নদী রক্ষা করা না হলে টাঙ্গাইলবাসী ভয়াবহ সমস্যায় পড়বে। নদী উদ্ধার কার্যক্রমসহ বেশকিছু প্রকল্প দেওয়া আছে। অনুমোদনসাপেক্ষে বাজেট বরাদ্দ হলে আবারও কাজ শুরু করা হবে।
টাঙ্গাইল সদর উপজেলার জুগনী থেকে বুড়িগঙ্গা পর্যন্ত ৭৫ কিলোমিটার লৌহজং নদী প্রথম পর্যায়ে পৌর এলাকার ৩ কিলোমিটার এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার কাজ শুরু করা হলেও পর্যাপ্ত বাজেট না থাকায় কাজটি দীর্ঘদিন ধরে মুখ থুবড়ে পড়ে আছে।
একতার কণ্ঠ: টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার সাগরদীঘি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হেকমত সিকদারকে নিয়ে ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে ইউনিয়নবাসী।
রোববার(২২ মে) দুপুরে সাগরদিঘী বাজারে সিকদার মার্কেটের সামনে ঘন্টাব্যাপী এই কর্মসূচী পালন করেন তারা।
সভায় বক্তারা বলেন, সাগরদীঘি ইউনিয়নের হতদরিদ্রদের নিয়ে চল্লিশ দিনের কর্মসৃজন প্রকল্প নিয়ে গুটিকয়েক মেম্বার ও একটি কুচক্রী মহল সাগরদীঘির সফল চেয়ারম্যান হেকমত সিকদারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রে মেতেছে। মহলটি একটি রাজনৈতিক পক্ষের ইন্ধনে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে কতিপয় মানববন্ধনসহ নানা অপপ্রচারের মাধ্যমে জনগনের মাঝে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। এ ধরনের অপপ্রচার বন্ধ না করা হলে ভবিষ্যৎ এ ইউনিয়নের মানুষ উপযুক্ত জবাব দিবে বলেও হুশিয়ারি প্রদান করেন বক্তারা। এসময় এই চক্র থেকে সাবধান থাকার জন্যও ইউনিয়নবাসীর প্রতি আহবান জানান তারা।
সাগরদীঘি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের আহবায়ক জিন্নত আলীর সভাপতিত্বে কর্মসূচীতে উপস্থিত ছিলেন, সাগরদীঘি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হেকমত সিকদার, ইউপি সদস্য মোজাম্মেল হোসেন, মো. লিয়াকত হোসেন, ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক কবীর হোসেন, শ্রমিকলীগের সভাপতি মো. টিটু মিয়া,ওয়ার্ড আ’লীগের সভাপতি সামসুল হক,যুগ্ম আহবায়ক আব্দুর রহমান মাস্টার,ছাত্রলীগ নেতা আলভিসহ আরও অনেকে।
সভাশেষে কুচক্রী মহলের বিরুদ্ধে এক বিক্ষোভ মিছিল করেন সহাস্রাধীক নারী-পুরুষ ।
একতার কণ্ঠ: টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে সরকার নির্ধারিত ও প্রস্তাবিত ‘শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টার’ মধুপুরে স্থানান্তরের প্রতিবাদে ১৫ কিমি এলাকাজুড়ে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে ঘাটাইল শেখ কামাল আইটি পার্ক রক্ষা কমিটি।
রোববার (২২ মে) সকালে ঘাটাইল উপজেলার হামিদপুর থেকে দেওলাবাড়ি পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিমি এলাকাজুড়ে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। ঘণ্টাব্যাপী এ কর্মসূচিতে উপজেলার সর্বস্তরের জনগণ একযোগে অংশগ্রহণ করেন।
এসময় মানববন্ধন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা বলেন, ২০১৯ সালের ২৫ জুন ঘাটাইল উপজেলার গৌরিশ্বরে ১২ দশমিক ৭৭ একর জমিতে শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টারের জন্য জমির লিজ হিসেবে এক লাখ টাকা নির্ধারণ করে ভূমি মন্ত্রণালয়। পরে ওই বছরের ২৯ ডিসেম্বর জমির নির্ধারিত প্রতীকী মূল্য পরিশোধ করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি সরকারের পক্ষে জেলা প্রশাসক ওই জমিটি হস্তান্তর করেন। লিজ দলিল সম্পাদন প্রক্রিয়ায় গ্রহীতা হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধি উপস্থিত থেকে দলিলে স্বাক্ষর করেন।
বক্তারা বলেন, এই উন্নয়নমূলক প্রতিষ্ঠানটি মুজিববর্ষে তাদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর একটি উপহার। জেলা প্রশাসন যাচাই-বাছাই করে প্রতিষ্ঠানের জন্য ঘাটাইলের এই স্থানটি নির্ধারণ করে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বরাবর পাঠানো হয়।
‘পরবর্তীতে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করা হলে তারা জানায় কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাকের হস্তক্ষেপে আইটি সেন্টারটি ঘাটাইল থেকে মধুপুরে স্থানান্তর করা হয়েছে। যা অত্যন্ত দুঃখজনক।’
পুনরায় ঘাটাইলেই আইটি সেন্টারটি বাস্তবায়নের দাবি জানান বক্তারা। অতি দ্রুত পুনরায় আইটি সেন্টারটি ঘাটাইলে স্থানান্তর করা না হলে আগামীতে আরও কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তারা।