একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে বিভিন্ন মৌসুমী ফল সম্পর্কে বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদেরকে নিয়ে ফল পরিচিতির অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। (more…)
একতার কণ্ঠ: টাঙ্গাইলে বিপুল পরিমাণ গাঁজাসহ পাঁচ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র্যাব। বুধবার (০৮ জুন) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১২, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইলের কোম্পানী কমান্ডার মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান ও স্কোয়াড কমান্ডার এএসপি মোঃ এরশাদুর রহমান এর নেতৃত্বে সদর উপজেলার হুগড়া ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের পশ্চিম পাশে রাস্তার ওপর অভিযান পরিচালনা করে র্যাব । এসময় ১৬ কেজি ৩০০ গ্রাম গাঁজাসহ পাঁচ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলো, ইউনিয়নের নরসিংহপুর গ্রামের তায়েজ উদ্দিনের ছেলে শাহীন আলম (৩৪), উত্তর হুগড়া গ্রামের আয়নালের ছেলে কালাচান (২৭), চর হুগড়ার মকতেল মিয়ার ছেলে মনির হোসেন (২৪), রফিকুল ইসলামের ছেলে খোরশেদ আলম(২৩) ও সাতানি হুগড়া গ্রামের মৃত আব্দুল হালিমের ছেলে হাসান আলী (১৮)।
এ ব্যাপারে , র্যাব-১২, সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের কোম্পানী কমান্ডার মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান বলেন, আটককৃত আসামীগণ জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার কার করে তারা মাদকদ্রব্য গাঁজা অবৈধভাবে জেলার সদর উপজেলার সহ বিভিন্ন উপজেলায় মাদক সেবীদের নিকট তাদের চাহিদা অনুযায়ী বিক্রি করে আসছিলো তারা।
তিনি আরো বলেন, আটককৃত আসামী ও পলাতক আসামীর বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন মামলা দায়ের করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদান রাখায় টাঙ্গাইলের ৩ জন বিশিষ্ট সাংবাদিককে সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে।
বুধবার (০৮ জুন) সকালে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ও প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক।
জেলা প্রশাসক আতাউল গণির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাহজাহান আনসারী, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট জাফর আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক কাজী জাকেরুল মওলা, সংবর্ধিত অতিথি অধ্যাপক জয়নাল আবেদীন, এডভোকেট আতাউর রহমান আজাদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধা দুর্লভ বিশ্বাস প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে ৩ জন সংবাদিককে ফুলেল শুভেচ্ছা, ক্রেস্ট দিয়ে সংবর্ধনা দেয়া হয়। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দপ্তরের সরকারী কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহণ করায় দৈনিক সমকালের মির্জাপুর প্রতিনিধি দুর্লভ বিশ্বাস, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সাংবাদিকতায় দৈনিক ইত্তেফাকের নিজস্ব প্রতিবেদক জয়নাল আবেদীন এবং মানবাধিকার বিষয়ক সাংবাধিকতায় বাংলাভিশনের জেলা প্রতিনিধি আতাউর রহমান আজাদকে সংবর্ধনা দেয়া হয়। প্রথম বারের মতো টাঙ্গাইলে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ সংবর্ধনা দেয়া হলো।
এ বিষয়ে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ড. আতাউল গণি জানান, ভালো কাজের স্বীকৃতি হিসেবে ভবিষ্যতেও সাংবাদিকদের এ ধরনের সংবর্ধনা দেয়া অব্যাহত থাকবে। সাংবাদিকদের সংবর্ধনা দিতে পেরে আমরা যেমন খুশি, তেমনি গর্বিত।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ব্যবসায়ী মনিরুজ্জামান ভূইয়াকে হত্যার দায়ে একজনকে আমৃত্যু ও চার জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বুধবার (৮ জুন) দুপুরে টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. মাসুদ পারভেজ এ রায় ঘোষণা করেন। আমৃত্যু দণ্ডপ্রাপ্ত রেজাউল ইসলাম রেজা ব্যবসায়ী মনিরুজ্জামানের ভায়রা। তিনি দেলদুয়ার উপজেলার ডুবাইল গ্রামের শামছু মিয়ার ছেলে।
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলো—রেজাউলের স্ত্রী আলো বেগম, বাসাইল উপজেলার খাটোরা গ্রামের মৃত নাসিম উদ্দিনের ছেলে লাল মিয়া, যশিহাটি গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে রেজভী ও দেলদুয়ার উপজেলার ডুবাইল গ্রামের ফজল মিয়ার ছেলে আলমগীর হোসেন।
টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত সরকারি পিপি মনিরুল ইসলাম খান জানান, বাসাইল উপজেলার কাউলজানী গ্রামের আবু বক্কর ভূইয়ার ছেলে মনিরুজ্জামান ২০১০ সালের ১২ সেপ্টেম্বর নিখোঁজ হন। তিন দিন পর পার্শ্ববর্তী মহেশখালী গ্রামের জমির আইল থেকে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই বছরের ১৫ সেপ্টেম্বর নিহতের বাবা আবু বক্কর ভূইয়া অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে বাসাইল থানায় মামলা করেন। মামলার তদন্তে হত্যাকাণ্ডে মনিরুজ্জামানের ভায়রা রেজাউল ও শ্যালিকা আলো বেগমসহ দণ্ডিতদের জড়িত থাকার বিষয়টি বের হয়ে আসে।
তিনি আরও জানান, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বাসাইল থানার তৎকালীন উপ-রিদর্শক (এসআই) শ্যামল দত্ত ২০১১ সালের ৩০ এপ্রিল আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। আসামিদের মধ্যে আলমগীর, আলো বেগম ও লাল মিয়া আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষণার পর তাদের জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। রেজাউল ও রেজভী জামিনে মুক্ত হওয়ার পর থেকে পলাতক।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সন্তোষে মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর মাজার প্রাঙ্গনে মৌসুমী ফলের উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ জুন) বাদ আসর এ মৌসুমী ফলের উৎসবে মওলানা ভাসানীর অনুসারী, ভক্ত ও মুরিদানগণ অংশগ্রহণ করেন।

মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী তাঁর জীবদ্দশায় ভক্ত-মুরিদানদের নিয়ে প্রতি বছরই এ মৌসুমী ফল উৎসবের আয়োজন করতেন বলে জানা যায়।

অনুষ্ঠানে ন্যাপ ভাসানী ও খোদা-ই-খেদমতগারের সভাপতি হাসরত খান ভাসানী, ভাসানী পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য-সচিব আজাদ খান ভাসানীসহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুরে কলেজ ছাত্রী সুনিকা খাতুনের হত্যার বিচার চেয়ে মানববন্ধন করেছেন তার সহপাঠীরা।
মঙ্গলবার (৭ জুন ) দুপুরে উপজেলার হেমনগর ডিগ্রী কলেজের সামনে এই মানববন্ধন কর্মসূচী পালিত হয়।
এতে কলেজের দুই শতাধিক শিক্ষার্থী, নিহত সুনিকার পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসী অংশগ্রহণ করেন।
মনববন্ধনে হেমনগর ডিগ্রী কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. নুরুল ইসলাম, প্রভাষক সোহেল রানা, আজমত হোসেন, স্থানীয় ইউপি সদস্য মাহবুব হাসান টুটুল, কলেজ শাখা ছাত্র লীগের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক শাকিল আহমেদ, ইউনিয়ন ছাত্র লীগের সাবেক সম্পাদক সবুজ আহমেদ, সুনিকার বাবা দুলাল হোসেন প্রমুখ বক্তব্য দেন।
বক্তারা সুনিকার হত্যাকারী তার স্বামী সুমনের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি কার্যকরের দাবি জানান।
উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ২০ এপ্রিল হেমনগর ডিগ্রি কলেজর শিক্ষার্থী সুনিকার সঙ্গে সুমনের বিয়ে হয়। সুনিকা সুমনের দ্বিতীয় স্ত্রী হওয়ায় তাদের সংসার প্রায়ই ঝগড়া-বিবাদ হতো। গত ২১ মে টাঙ্গাইলের গোপালপুরের নতুন শিমলা পাড়া গ্রামের শ্বশুর বাড়িতে এসে স্ত্রী সুনিকা খাতুনকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন তার স্বামী সুমন (৩১)। ঘটনার পর সুনিকার বাবা গোপালপুর থানায় মেয়ের স্বামী সুমনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ে করেন। এরপরই পুলিশ সুমনকে গ্রেপ্তার করে জেল হাজতে পাঠায়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলায় বুড়িগঙ্গা নদী পানি প্রবাহ বৃদ্ধি প্রকল্পে উত্তোলনকৃত সরকারি বালু রাতের আঁধারে বিক্রি করছে একটি চক্র।
সরকারি বিধি নিষেধ তোয়াক্কা না করে দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী মহলের ছত্রছাঁয়ায় ওই মহলটি সরকারি বালু বিক্রির এই হরিলুট চালাচ্ছে। প্রশাসনের তৎপরতার কারনে বর্তমানে বালু বিক্রি বন্ধ থাকলেও, চক্রটি আবার বালু বিক্রির জন্য তৎপর হয়ে উঠছে।
জানাগেছে, এলেঙ্গা পৌরসভার কুড়িঘুড়িয়া ও ধলাটেঙ্গর নামকস্থানে স্থানীয় আশরাফ আলী, জহিরুল ইসলাম, আব্দুল বারেক, কালিহাতী উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ও দশকিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক ভুইয়ার ছেলে যুবলীগ নেতা রাসেল ভুইয়া, দেলোয়ার হোসেন, অছিমুদ্দিন, ফজল হক, হারুন , জাহাঙ্গীর, সোহেল রানা, রিপন মিয়া, অমিত ও জাকির মিয়া খননকৃত বালু রাতের আঁধারে ট্রাক দিয়ে দেদারছে বিক্রি করছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখাযায়, উপজেলার এলেঙ্গা পৌরসভার কুড়িঘুড়িয়া ও দশকিয়া ইউনিয়নের ধলাটেঙ্গর নামকস্থানে নিউ ধলেশ্বরী নদীর পাশে খননকৃত সরকারি বালু রশিদের মাধ্যমে বিক্রি করছে। মাঝে মধ্যে প্রশাসনের ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করলে কিছুদিন বন্ধ রাখার পর আবার তৎপর হয়ে উঠে প্রভাবশালী এই চক্রটি। কোন ভাবেই সরকারি এই বালু বিক্রি বন্ধ করা যাচ্ছে না। ফলে সরকার বিপুল পরিমান আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানান, রাতের আঁধারে বালু বিক্রি করলে প্রশাসনের চোখকে অতি সহজেই ফাঁকি দেওয়া যায়। তাই রাতের আঁধারে ড্রাম ট্রাকের মাধ্যমে সরকারি উত্তোলনকৃত বালু বিক্রি করছে একটি চিহ্নিত চক্র। চক্রটি প্রভাবশালী হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দারা প্রতিবাদ করার সাহস পাচ্ছেনা।সারারাত বালু ভর্তি ট্রাক চলাচলের কারনে স্থানীয় বাসিন্দাদের ঘুমসহ জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। তারা দ্রুত এ অবৈধ বালু বিক্রি বন্ধের দাবি জানান।

এই অবৈধ বালু বিক্রি চক্রের হোতা আশরাফ আলীর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, প্রশাসনের কড়া নজরদারীর কারনে দুদিন ধরে অবৈধ বালু বিক্রি বন্ধ আছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আবার বালু বিক্রি শুরু হবে।
এ বিষয়ে কালিহাতী উপজেলা নির্বাহী অফিসার( ইউএনও) নাজমুল হোসাইন জানান, অবৈধভাবে সরকারি উত্তোলনকৃত বালু বিক্রি চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত আছে। ধলাটেঙ্গর ও কুড়িঘুড়িয়া নামকস্থানে যদি অবৈধভাবে বালু বিক্রি করা হয়ে থাকে, দ্রুত তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে তিনি অবগত। সরকারি উত্তোলনকৃত বালু রাতের আঁধারে বিক্রিকারীদের নাম উল্লেখ করে ইতোমধ্যে কালিহাতী উপজেলা প্রশাসনকে মামলা করতে বলা হয়েছে। আশাকরি, উপজেলা প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহন করবেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে সাবেক পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী, বিএনপি কেন্দ্রীয় পল্লী উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় কৃষক দলের সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট গৌতম চক্রবর্তী’র আদ্য শ্রাদ্ধানুষ্ঠান সোমবার (৬ জুন) অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ অনুষ্ঠান নাগরপুর উপজেলা সদর চৌধুরী বাড়ি এলাকায় অবস্থিত প্রয়াতের নিজ বাড়িতে নানা ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আয়োজন করা হয়েছে। এসময় প্রয়াতের স্ত্রী, পুত্র, কন্যা ও আত্মীয়-স্বজন সহ শুভানূধ্যায়ীরা উপস্থিত থেকে পরলোকের আত্মার শান্তি কামনা করেন।
বিএনপি কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, নির্বাহী কমিটি সদস্য অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরী এবং আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক উপ-কমিটি সদস্য তারেক শামস খান হিমু শ্রাদ্ধানুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে প্রয়াত এই কেন্দ্রীয় নেতার মৃত্যুতে গভীর শোক ও আত্মার শান্তি কামনা করেছেন।
এছাড়াও সাবেক মন্ত্রী নূর মোহাম্মদ খান, টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি আহ্বায়ক আহমেদ আযম খান, সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, যুগ্ম আহ্বায়ক এড. ফরহাদ ইকবাল, সদস্য আলী ইমাম তপন, সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রবিউল আওয়াল লাভলু, নাগরপুর উপজেলা বিএনপি সদস্য সচিব হাবিবুর রহমান হবি, সদস্য শরিফ উদ্দিন আরজু, সহবতপুর ইউপি চেয়ারম্যান তোফায়েল আহমেদ মোল্লা সহ জেলা-উপজেলা বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন ও বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা তার আত্মার শান্তি কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, এড. গৌতম চক্রবর্তী গত ২৭ মে দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে শেষ নিঃস্বাস ত্যাগ করেন। গৌতম চক্রবর্তী ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০১, ২০০৬ মেয়াদ কালে তিনি পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও ২০০৮ ও ২০১৮ সালের সাধারণ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৬ সংসদীয় আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন পেয়েছিলেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৬৮ বছর। দীর্ঘ সংসার জীবনে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও দুই মেয়ে সন্তান সহ অসংখ্য রাজনৈতিক সহকর্মী, আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
একতার কণ্ঠঃ কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, করোনা, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ ও আন্তর্জাতিক বাজারে দামবৃদ্ধিসহ নানা কারণে চালের দাম কিছুটা বেড়েছে।
শীঘ্রই চালের বাজার স্বাভাবিক হয়ে আসবে। এ বছরও পর্যাপ্ত চাল উৎপাদন হয়েছে। দেশে খাদ্য নিয়ে কোনো হাহাকার হবে না, খাদ্যের কোনো সংকট থাকবে না।
সোমবার (৬ জুন) দুপুরে টাঙ্গাইলের ঘাটাইলের গণ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে কৃষিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, আজকের আওয়ামী লীগ যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক সুসংহত, শক্তিশালী ও সচেতন। যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় সক্ষম। দলের এই অবস্থাকে ধরে রাখতে হবে। সেজন্য যারা বিভিন্ন অপকর্মে জড়িত ও শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দলের সুনাম ক্ষুণ্ন করছে, তাদেরকে দলের নেতৃত্বে আনা যাবে না। দলের বিপদে-আপদে সব আন্দোলন-সংগ্রামে যারা সামনে থাকবে তাদেরকে নেতা নির্বাচন করতে হবে, দলে জায়গা দিতে হবে।
তিনি বলেন, গত ১৪ বছরে আজকের দিন পর্যন্ত আওয়ামী লীগের আমলে একজন মানুষও না খেয়ে মারা যায়নি। কোনো মানুষ না খেয়ে থাকার কষ্ট করেনি। আমাদের যে সম্পদ রয়েছে, বৈদেশিক মুদ্রার যে রিজার্ভ রয়েছে, তাতে যেকোনো পরিস্থিতি আমরা মোকাবিলা করতে পারব।
উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম ওরফে লেবুর সভাপতিত্বে সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, শিক্ষা ও মানবসম্পদ সম্পাদক শামসুন নাহার চাঁপা, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মেহের আফরোজ চুমকি, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য রিয়াজুল কবীর কাওছার, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা জোয়াহেরুল ইসলাম (ভিপি জোয়াহের) এমপি প্রমুখ।
একতার কণ্ঠঃ চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে সোনাইছড়ী ইউনিয়নে বিএম কনটেইনার ডিপোতে আগুন লাগার ২২ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও সেই আগুন এখনো নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে বেশ বেগ পেতে হচ্ছে দমকল বাহিনী কর্মীদের। আগুন নেভাতে গিয়ে কনটেইনার বিস্ফোরণে ইতোমধ্যে ফায়ার সার্ভিসের ৮ কর্মী প্রাণ হারিয়েছেন। আহত হয়েছেন ১৫ জন।
রোববার (৫ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত আগুন নেভাতে চেষ্টা করছে ২৬টি ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের টিম।এ ছাড়া চট্টগ্রাম, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, কুমিল্লা, ফেনী, লক্ষ্মীপুর ও নোয়াখালী থেকে অফিসাররা যোগ দিয়েছেন। পাশাপাশি সেনাবাহিনীর ২৫০ জন সদস্য সেখানে উদ্ধার অভিযানে কাজ করছে বলে জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।
ফায়ার সার্ভিস জানায়, কনটেইনার ডিপোটিতে বিপুল পরিমাণ রাসায়নিক ‘হাইড্রোজেন পার অক্সাইড’ ছিল। হাইড্রোজেন পার অক্সাইড একটি রাসায়নিক যৌগ। এ কারণে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হচ্ছে না।
সূত্রে জানা যায়, কেমিক্যাল কনটেইনার থেকে আগুনের সূত্রপাত বলে ধারণা করা হচ্ছে। আগুন লাগার পর পর কন্টেইনারগুলো একের পর এক বিস্ফোরিত হতে থাকে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিস্ফোরণের সঙ্গে সঙ্গে কন্টেইনার ডিপোর আশে পাশের ৪-৫ কিলোমিটার এলাকায় ব্যাপক কম্পনের সৃষ্টি হয়। প্রায় এক কিলোমিটার এলাকায় শতাধিক বিভিন্ন বাড়ি-ঘর ও মসজিদের দরজা এ জানালার কাঁচ ভেঙে যায়। এ ঘটনায় জনমনে আতংকের সৃষ্টি হয়।
বিস্ফোরণে পুরো এলাকায় রাসায়নিকের বিষাক্ত ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়েছে। এতে উদ্ধারকর্মীরা অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাদের নিরাপদে নিয়ে ফায়ার সার্ভিসের আরও ইউনিট আগুন নেভানোর কাজে যোগ দেয়। তবে ডিপোতে হাইড্রোজেন পার অক্সাইড থাকায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক (ডিজি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাইন উদ্দিন।
রোববার ( ৫ জুন) চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের বিএম কনটেইনার ডিপোতে ভয়াবহ আগুনের ঘটনায় ঘটনাস্থল পরিদর্শনকালে চট্টগ্রাম বিস্ফোরক অধিদপ্তরের পরিদর্শক তোফাজ্জল হোসেন বলেছেন, হাইড্রোজেন পার অক্সাইড একটি রাসায়নিক যৌগ। এটি যদি উত্তপ্ত করা হয়, তাহলে তাপীয় বিয়োজনে হাইড্রোজেন পার অক্সাইড ভয়ংকর বিস্ফোরক রূপ নেয়। কর্তৃপক্ষ লোকালয়বেষ্টিত ডিপোর ভেতরে কোনো ধরনের অনুমোদনের তোয়াক্কা না করে বিপজ্জনক রাসায়নিক মজুত করে রেখেছিল, যার ফলে বিস্ফোরণে ঘটেছে বড় ধরনের দুর্ঘটনা।
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, শনিবার (৪ জুন) দিবাগত রাত সাড়ে ৯টায় উপজেলার সোনাইছড়ী ইউনিয়নে বিএম কনটেইনার ডিপোতে আমদানিকৃত একটি কন্টেইনার থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এ ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৯ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় সাড়ে ৪ শতাধিক মানুষ দগ্ধ ও আহত হয়েছেন।
এখন পর্যন্ত ফায়ার সার্ভিসের আটজন কর্মী প্রাণ হারিয়েছেন। এ ছাড়াও গুরুতর অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন আরও অন্তত ১৫ জন। তাদের মধ্যে কুমিরা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের কর্মী গাউসুল আজম ও সীতাকুণ্ডু স্টেশনের রবিউলকে হেলিকপ্টারে ঢাকায় শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে আনা হয়েছে। গাউসুলের শরীরের ৮০ শতাংশ এবং রবিউলের ৫০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে বলে জানা গেছে।
সংবাদ সূত্র- যুগান্তর অনলাইন
একতার কণ্ঠঃ ভোক্তা পর্যায়ে সিএনজি ছাড়া সব ধরনের গ্যাসের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।
মিটার যুক্ত গ্রাহকের গ্যাসের দাম প্রতি ঘনমিটার ১২ টাকা ৬০ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১৮ টাকা করা হয়েছে। আর মিটার বিহিন এক চুলার জন্য ৯২৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৯৯০ টাকা এবং দুই চুলা ৯৭৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০৮০ টাকা করা হয়েছে। বর্ধিত গ্যাসের দাম জুন থেকেই গুণতে হবে গ্রাহকদের। রোববার অনলাইনে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে গ্যাসের দাম বৃদ্ধির ঘোষণা দেয় কমিশন।
কমিশন জানায়, এবার ভোক্তাদের জন্য ২২ দশমিক ৭৮ ভাগ গ্যাসের দাম বাড়ানো হয়েছে। তবে সার উৎপাদনে সর্বোচ্চ ২৫৯ ভাগ বেড়েছে। বিদ্যুৎ উৎপাদনে গ্যাসের দাম ১২ দশমিক ৮০ ভাগ বা ৪ টাকা ৪৫ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৫ দশমিক ০২ টাকা বাড়োনো হয়েছে। এতে বিদ্যুতের দামও বাড়ানো হবে বলে কমিশন শুনানিতে ইঙ্গিত দিয়েছে।
এদিকে ক্যাপটিভ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ১৩ টাকা ৮৫ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১৬ টাকা, সার উৎপাদনে ৪ টাকা ৪৫ পয়সো থেকে ১৬ টাকা, বৃহৎ শিল্পে ১০ টাকা ৭০ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১১ টাকা ৯৮ পয়সা, মাঝারি শিল্পে ১০ টাকা ৭৮ পয়সা থেকে ১১ টাকা ৭৮ পয়সা, ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পে গ্যাসের দাম কমেছে। এখাতে আগে গ্যাসের দাম ছিল ১৭ টাকা ০৪ পয়সা থেকে ১০ টাকা ৭৮ পয়সা করা হয়েছে। বণিজ্যিক (হোটেল রেস্টুরেন্টে) ২৩ টাকা থেকে ২৬ টাকা, চা শিল্পে ১০ টাকা ৭০ পয়সা থেকে ১১ টাকা ৯৩ পয়সা করা হয়েছে। সিএনজির গ্যাসের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
কমিশনের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আবু ফারুক গ্যাসের এই বর্ধিত দাম ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, কমিশন আইনের ৩৪ এর ৬ ধারা অনুযায়ী পেট্রোবাংলার সঙ্গে বিতরণ এবং সঞ্চালন কোম্পানি গত জানুয়ারির প্রথম দিকে আবেদন করে। গত ২১ থেকে ২৪ মার্চ শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এই শুনানিতে বিইআরসির কারিগরি কমিটি সব ধরনের গ্যাসের দাম বৃদ্ধির সুপারিশ করে। তবে কমিশন আইনের ধারা ২২ (খ) এবং ধারা ৩৪ অনুযায়ী এই গ্যাসের দাম বাড়ানো হয়েছে।
গ্যাসের দাম বৃদ্ধির সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এ খাতে ১১ হাজার ৬০০ কোটি টাকা ঘাটতি হবে। এই টাকার মধ্যে ৬৮০০ কোটি টাকা ভর্তুকি হিসেবে বাজেটে দেবে সরকার। অন্যদিকে জ্বালানি নিরাপত্তা তহবিল এবং কোম্পানিগুলোর লভ্যাংশ ৪ হাজার ৮০০ কোটি টাকা দেয়া হবে। সরকার উৎপাদন পর্যায়ে কোন ভর্তুকি দেবে না বলেই সারে এতটা দাম বাড়ানো হয়েছে। তবে সারে ভোক্তা পর্যায়ে এই ভর্তুকি দেবে সরকার।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে চারা গাছ বিতরণ ও বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপন করা হয়েছে। টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে রবিবার(৫ জুন) সকালে শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে বেলুন উড়ানোর মধ্য দিয়ে দিবসের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পর একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের গুরত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা শিল্পকলা একাডেমীতে গিয়ে শেষ হয়।
এরপর শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক। টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, পৌরসভার মেয়র এস.এম. সিরাজুল হক আলমগীর, পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক জমির উদ্দিন, টাঙ্গাইলের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাজ্জাদুজ্জামান, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনসারী ও টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি বেলার বিভাগীয় কর্মকর্তা গৌতম চন্দ্র চন্দ, পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক তুহিন আলম, তাপস চন্দ্র পাল ও পরিদর্শক বিপ্লব কুমার সূত্রধর।
অনুষ্ঠানে সরকারী-বেসরকারী বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, সাংবাদিক, মানবাধিকার কর্মী, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।