একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে মঙ্গলবার (১৭ মে) নানা কর্মসুচীর মধ্যদিয়ে বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিত হয়েছে। সকালে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গন হতে জেলা আওয়ামী লীগের আয়োজনে আনন্দ শোভাযাত্রা বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন করে।
এ সময় টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামীলীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ( গোপালপুর -ভূয়াপুর-০৩) আসনের সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনির, টাঙ্গাইলের পৌর মেয়র আলমগীর হোসেন, জেলা আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক পৌর মেয়র জামিলুর রহমান মিরন, শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ রৌফ, টাঙ্গাইল জেলা যুবলীগের সভাপতি রেজাউর রহমান চঞ্চল, বিল্পবী সাধারণ সম্পাদক ফারুক হোসেন মানিক, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আবু সাইম তালুকদার বিপ্লব, সাধারণ সম্পাদক, রেজাউল করিম সাগর, শহর যুবলীগের আহবায়ক মেহেদী হাসান ইমু, যুগ্ম-আহবায়ক নূর মোহাম্মদ সিকদার মানিক, সদর উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম রাজীব, সোহেল রানা বাবু সহ জেলা যুবলীগ নেতা রবিন তালুকদার, আতিকুর রহমান আতিকসহ, জেলা ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা এতে অংশ নেন।
এর আগে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে আলোচনা সভা অনুষ্টিত হয়।
একতার কন্ঠ: অনেক সময় এমন হয় যে কাউকে ভালোবেসে ফেলেছেন নাকি শুধুই বন্ধুত্বের টান বা পছন্দ, সেটা নিয়ে দ্বিধার সৃষ্টি হয়। নিজের মনে এই দ্বিধার কারণে সেই মানুষটিকে ভালোবাসার কথা জানাতেও সাহস হয়ে ওঠে না। অনেক সময় পাশ দিয়ে হেঁটে যাওয়া কোনো ছেলে বা মেয়েকে দেখে প্রথম দর্শনেই ভালোবেসে ফেলা যায়। যাকে বলে প্রথম দেখায় প্রেম। আবার অনেক দিনের চেনা জানা বন্ধুর প্রতিও হঠাৎ ভালোবাসার অনুভূতি তৈরি হতে পারে। একজনকে ভালো লাগার পর নিজের মনে শুধুই প্রশ্ন জাগে, এই অনুভূতি কি শুধুই ভালো লাগা, নাকি ভালোবাসা।
কিভাবে বুঝবেন আপনি প্রেমে পড়েছেন-
১. ‘বাটারফ্লাইস ইন স্টোমাক’ : প্রেমে পড়লে ছেলে-মেয়ে সবারই শরীরের ভেতরে এক ধরনের অস্থিরতা সৃষ্টি হয়। যাকে ভালোবেসে ফেলেছেন তাকে দেখলে পেটে ও বুকের ভেতর এক অদ্ভুত চাপ অনুভূত হয়। তার সাথে কথা বলার সময় কিংবা তাকে ফোন করার আগে প্রচণ্ড আবেগের একটি অনুভূতির সৃষ্টি হয়। এই অনুভূতিকেই ইংরেজিতে বলা হয় ‘বাটারফ্লাইস ইন স্টোমাক’ বা পাকস্থলীতে প্রজাপতি। এই অনুভূতির কারণ ব্যাখ্যা করেছেন বিজ্ঞানীরা। তারা বলছেন, নার্ভাস হয়ে যাওয়ার কারণে শরীর থেকে একটি বিশেষ হরমোন নিঃসৃত হয়। আর এই হরমোনের কারণে পাকস্থলীর এই অনুভূতি সৃষ্টি হয়।
২. হঠাৎ আনন্দের অনুভূতি: প্রেমে পড়লে মনের স্থিরতা থাকে না। হঠাৎ করেই মন ভালো হয়ে যায় এই সময়ে। বাঁধভাঙ্গা সেই হাসির অনুভূতিতে আপনি হয়তো নিজেও জানবেন না আপনি আনমনে হাসছেন। প্রিয় মানুষটির কথা মনে পড়লেই নিজের অজান্তেই আপনার মুখে হাসি ফুটে উঠবে। এই সময়ে নিজের ভেতরে একটি অন্যরকম ভালোলাগার অনুভূতি সৃষ্টি হয়। তখন আপনার কাছে সবকিছুই ভালো লাগবে।
৩. সহজেই মন খারাপ: প্রেমে পড়লে হঠাৎ করেই মন ভালো হওয়ার মতোই সহজেই মন খারাপ হয়ে যায়। পছন্দের মানুষটি ফোন না ধরলে কিংবা তার সাথে দেখা না হলে মনের ভেতর খারাপ লাগার অনুভূতি সৃষ্টি হয়। একটুখানি দূরত্বকেই তখন অবহেলা মনে হতে থাকে।
৪. সারাক্ষণ একজনকে নিয়েই ভাবা: কিছুটা দিবাস্বপ্ন দেখার মতোই পরিস্থিতি হয় প্রেমে পড়লে, চিন্তা ভাবনা সারাক্ষণ একজনকে ঘিরেই ঘুরপাক খায়। যাকে পছন্দ, আপনার মন কিছুতেই যেন তার কথা ভুলতে পারে না।
৫. শারীরিক আকর্ষণ অনুভব করা: যার প্রেমে পরেছেন তার প্রতি স্বাভাবিক ভাবেই শারীরিক আকর্ষণ বোধ করবেন আপনি। আর এ কারণেই তার সান্নিধ্য উপভোগ করবেন। তার পাশে বসা, হাতের একটু খানি ছোঁয়া কিংবা সামান্য ধাক্কাতেও শিহরিত হয়ে ওঠাই তখন স্বাভাবিক।
৬. হারিয়ে ফেলার ভয়: প্রেমে পড়লে প্রতিমুহূর্তে আপনার প্রিয় ব্যক্তিটিকে হারিয়ে ফেলার ভয় পাবেন। সর্বক্ষণ আপনার মনে এই সংশয় ঘুরপাক খাবে। আপনি এমন কিছু করবেন না বা চাইবেন না মানুষটি এমন কিছু করুক, যাতে আপনি তাকে হারিয়ে ফেলেন। এই হারানোর ভয় যদি আপনার মধ্যে থাকে, তাহলে সত্যি সত্যি আপনি প্রেমে পড়েছেন।
৭. মনের কথা একজনকেই বলতে ইচ্ছা হয়: এ কথা সত্য যে, সব কথা সবাইকে বলা যায় না। কিন্তু কেউ কি আছে, যার সঙ্গে আপনি নির্দ্বিধায় সব কথা বলতে পারছেন। আপনি দেখবেন, কোনো প্রকার জড়তা ছাড়াই কোনো একজনের সঙ্গে গোপন বা মনে লুকানো কথাগুলো বলতে পারছেন। আপনি আপনার কাজে তার সাহায্য আশা করবেন আর চাইবেন এই মুহূর্তে আপনার করণীয় কী হতে পারে, তা-ও বলে দেবে আপনার প্রিয় এই মানুষটি।
এ লক্ষণগুলোর সাথে যদি আপনার মিলে যায় তাহলে আর কিছুই নয়, প্রেমে পড়েছেন আপনি। ধীরে সুস্থে ভালবাসার মানুষটিকে জানান মনের কথা। তবে প্রেমে পড়ার শুরুর দিকে একটা দোটনা থাকা খুবই সাধারণ ও স্বাভাবিক একটি বিষয়। মনের মধ্যে বারবার একটি প্রশ্ন উঁকি দেয়, আমি যাকে ভালোবাসি সেও কি আমাকে ভালোবাসে?
এবার তাহলে জেনে নিন সে-ও আপনাকে ভালবাসে কি না-
১. আপনার শত্রু মানে তারও শত্রু। যখন দেখবেন কোনো কারণ ছাড়াই আপনার পছন্দের মানুষটি আপনার শত্রুকে নিজেরও শত্রু ভাবতে শুরু করেছে, শুধু আপনি তাকে পছন্দ করেন না বলে সেও তাকে ঘৃণা করতে শুরু করেছে, তখন বুঝবেন সে-ও আপনার প্রেমে পড়েছে।
২. খুব সাধারণ বিষয়েও সে আপনার প্রতি তার আবেগ প্রকাশ করবে, যাতে আপনি বুঝতে পারেন আপনার প্রতি সে কতটা দুর্বল।
৩. আপনার সঙ্গে দেখা হওয়ার কোনো সুযোগই সে হাতছাড়া করতে চায় না। যত ঝামেলাই থাকুক না কেন ঠিক সে কোনো না কোনো উপায় খুঁজে বের করে।
৪. যেকোনো সমস্যার কথা সবার আগে আপনাকে বলার চেষ্টা করে। হয়তো আপনি কোনো সমাধানই দিতে পারেন না, তবুও সে আপনাকে বলে শান্তি পায়।
৫. কেমন জীবনসঙ্গী চায় সেই বিষয়গুলো যদি বারবারই আপনাকে বলে এবং আপনার কাছ থেকে কোনো উত্তর আশা করে, তাহলে বুঝবেন সে আপনাকে বোঝাতে চাচ্ছে যে, তার আপনার মতোই সঙ্গী প্রয়োজন।
৬. আপনি অনেক আনন্দে থাকলেও সে বুঝতে পারে, আবার খুব কষ্টে থাকলেও সে বুঝতে পারে। আপনার সব আচরণ সে যখন আয়ত্ব করে ফেলছে, আর আপনিও তার কাছে কিছু লুকিয়ে রাখতে পারছেন না, বুঝবেন সে প্রেমে পড়েছে।
৭. সে আপনার সম্বন্ধে সবই জানে। আপনার কী ভালো লাগে, কী অপছন্দ, কোন খাবার পছন্দ, কিসে বিরক্ত হন সবই সে জানে। এটাই তার প্রেমে পড়ার অনেক বড় একটা লক্ষণ।
৮. তার কাছে আপনার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ আর কোনো বিষয় নেই। আপনি যখন কথা বলতে আসেন তখন আপনার কথাকে বেশ মূল্যায়ন দিয়েই সে শোনে।
৯. ভালোলাগার মানুষটিকে অকারণে ফোন করতে ইচ্ছা করে। আর যদি দেখেন আপনার পছন্দের মানুষটি আপনাকে অকারণেই ফোন করে তাহলে বুঝবেন সে আপনার প্রতিই আকর্ষিত হচ্ছে।
সংগৃহীত
একতার কণ্ঠ:টাঙ্গাইলে অজ্ঞানপার্টি চক্রের ৩ সদস্যকে আটক করেছে র্যাব।শুক্রবার(১৩ মে) সকালে শহরের নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে তাদেরকে আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলেন, মধুপুর উপজেলার বেকারকোনার গ্রামের মৃত মীর আলী শেখের ছেলে আব্দুর রাজ্জাক (৫০), নাটোরের কৃষ্ণপুর এলাকার মৃত মোবারক হোসেনের ছেলে সানোয়ার হোসেন (৫৩) এবং ঢাকার খিলক্ষেত এলাকার মাহফুজুল হকের ছেলে মাসুদুল হক আপেল (৪৫)।
এ সময় তাদের কাছ থেকে ২টি বিস্কুটের প্যাকেট, ৫টি মোবাইল ফোন এবং নগদ ৭ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।
এ বিষয়ে, র্যাব-১২, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইলের কোম্পানী কমান্ডার মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে আটক করা হয়। তারা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন গণপরিবহনে উঠে অসহায় যাত্রীদের সাথে আলাপ-আলোচনা করতো। পরে তাদের পাশের সিটে বসতো এবং তাদের সাথে বিভিন্ন ধরণের বন্ধুসুলভ কথা বলে চেতনানাশক ঔষধ মিশ্রিত বিস্কুট খেতে দিয়ে অজ্ঞান করতো। পরবর্তীতে তারা যাত্রীদের সর্বস্ব লুট করে নিয়ে যেতো।
এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল সদর মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠ: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী এবং স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে মুজিববর্ষ ঘোষণা করা হয়। মুজিববর্ষে কেউ গৃহহীন থাকবে না- এ লক্ষ্য বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে আশ্রায়ন প্রকল্পের আওতায় সারাদেশের মতো টাঙ্গাইলের ঘাটাইলেও ভূমিহীন-গৃহহীন পরিবারকে প্রধানমন্ত্রীর উপহার ঘর দেওয়া হয়। সেই ঘরগুলো বেহাল দশায় পরিণত হয়েছে। এ ছাড়াও পানি ও পয়ঃনিস্কাশন সমস্যাসহ রয়েছে নানাবিধ সমস্যা। ফলে ঘরগুলো দিন দিন বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়ছে।
উপজেলার গৌরিশ্বর এলাকায় আশ্রয়ন প্রকল্পের ৪৪টি ঘর রয়েছে। ঘর নির্মাণের কিছুদিন না যেতেই বেশির ভাগ ঘরগুলোতে দেখা দেয় ফাটল। পরে সেই সময় তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশ্রয়ন কেন্দ্র পরিদর্শন করে তা মেরামতের ব্যবস্থা করেন। কিন্তু কিছুদিন পরেই বর্তমানে আবারও ঘরগুলোতে বড় বড় ফাটলের সৃষ্টি হয়। খসে পড়ছে ঘরের পলেস্তা। ফলে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন অসহায় পরিবারগুল।
ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর অভিযোগ, নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের কারণেই এমন দশা হয়েছে।
এদিকে গণমাধ্যমের খবরে তড়িঘড়ি করে ফাটল মেরামতের কাজে হাত দেয় উপজেলা প্রশাসন। তবে এমন কাজে নানা আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
জানা যায়, উপজেলার মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে আশ্রয়ণ প্রকল্পের অধীনে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্যায়ে ২৭৬টি ঘর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তার মধ্যে প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ে গৌরিশ্বর এলাকায় ভূমিহীনদের মাঝে বরাদ্দ দেওয়া হয় ৪৪টি ঘর। বর্তমানে বেশিরভাগ ঘরে বড় বড় ফাটল দেখা দিয়েছে। খসে পড়ছে পলেস্তার। ঝড় আসলে আতঙ্কে দিন কাটে বাসিন্দাদের। এতে করে যেকোনও সময় ঘটতে পারে অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা।
উপজেলার গৌরিশ্বর আশ্রয় প্রকল্প কেন্দ্রের ১ নম্বর ঘরের মাজেদা, ৫ নম্বর ঘরের পারভিন, ৬ নম্বর ঘরের শিল্পী ও ১১ নম্বর ঘরের বাসিন্দা লিজাসহ আরও অনেকে বলেন, মুজিব বর্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর পেয়ে আমরা অনেক খুশি। কিন্তু ঘর নির্মাণে অনিয়ম ও নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করায় বড় বড় ফাটল দেখা দিয়েছে। পলেস্তার খসে খসে পড়ছে। ঝড়ের সময় শিশু সন্তান নিয়ে আতঙ্কে দিন পার করতে হচ্ছে।
তারা আরও বলেন, যে খুশিতে ঘরে উঠছিলাম তা আতঙ্কে রূপ নিয়েছে। মাঝে মধ্যে ফাটল মেরামত না করে স্থায়ী মেরামত ও ঘর পুনঃনির্মাণের দাবি জানিয়েছেন তারা। আশ্রয়ন প্রকল্পে রাস্তার সমস্যা। আশেপাশে কোনও মসজিদ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নেই। অনেক দূরবর্তি স্থানে স্কুলে ছেলে-মেয়েদের নিয়ে যেত হয়। এতে আমাদের সংসারে কাজের ক্ষতি হয়।
এ ব্যাপারে ঘাটাইল উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এনামুল হক বলেন, মাটির কারণে কয়েকটি ঘরে সমস্যা দেখা দিয়েছে। ঠিকাদারদের বলে তা মেরামত করে দেওয়া হবে।
ঘর নির্মাণে আগে মাটি পরীক্ষা করে নেওয়া হয়েছিল কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে কোন সদুত্তর দিতে পারেননি এই কর্মকর্তা।
একতার কণ্ঠ: টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে বিড়ি চাওয়াকে কেন্দ্র করে শ্রমিকের ধারালো কাচির কোপে ডান হাত বিচ্ছিন্ন হয়েছে সেলিম নামের অপর শ্রমিকের। বৃহস্পতিবার (১২ মে) সকালে উপজেলার ডুবাইল ইউনিয়নের বর্ণি গ্রামে ঘটেছে ঘটনাটি।
জানা যায়, বর্ণি গ্রামের শফিকুল ইসলাম নামের কৃষক তার জমির ধান কাটতে বিভিন্ন অঞ্চলের ৯জন শ্রমিক নিয়োগ করেন। সকালে তারা জমিতে ধান কাটতে যায়। ধান কাটা অবস্থায় অপর জমিতে কাজ করতে আসা বর্ণি গ্রামের মতিয়ার রহমানের ছেলে সেলিম নামের শ্রমিক শফিকুলের নিয়োগকৃত শ্রমিকদের নিকট বিড়ি চায়। এ নিয়ে তাদের মধ্যে উত্তপ্ত বাকবিতন্ডা হয়। একপর্যায়ে মাসুদ রানা ও আবদুল লতিফ নামের শ্রমিক সেলিমের ডান হাত কুপিয়ে বিচ্ছিন্ন করে ফেলে। খবরটি বর্ণি গ্রামে পৌছলে গ্রামের লোকজন শ্রমিকদের ঘেড়াও করে মারধর শুরু করে। স্থানীয়রা থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে ৬ শ্রমিককে আটক করেন। এ সময় জনরোষে পড়ে এক পুলিশ সদস্য আহত হন। পুলিশ ৬ শ্রমিককে আটক করলেও বাকি ৩ শ্রমিক পালিয়ে যায়।
আটককৃত শ্রমিকরা হলেন , সিরাজগঞ্জ জেলার চৌহালি থানার আবদুল আজিজ মিয়ার ছেলে মাসুদ রানা (৩৭), একই জেলার বেলকুচি এলাকার মো. মজিদ সরকারের ছেলে আবদুল লতিফ (৩০), টাঙ্গাইল সদর থানার ভবানিপুর গ্রামের মোঃ আছান মিয়ার ছেলে মোঃ জাহিদুল ইসলাম (৩০), সিরাজগঞ্জ জেলার বেলকুচি এলাকার মোঃ ময়নাল মিয়ার ছেলে মোঃ সাহাব উদ্দিন (২৭), গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ থানার বেলকা নবাবগঞ্জ গ্রামের মোজাম্মেল মিয়ার ছেলে নুরুজ্জামান (২৫) ও সিরাজগঞ্জ জেলার চৌহালী এলাকার আবদুল আওয়াল মিয়ার ছেলে নূর আলম (২২)।
দেলদুয়ার থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মো. সাজ্জাদ হোসেন জানান, বিড়ি চাওয়া নিয়ে বাকবিতন্ডায় বর্ণি গ্রামের সেলিম নামের এক শ্রমিকের উপর বিভিন্ন অঞ্চল থেকে কাজ করতে আসা শ্রমিকরা হামলা চালায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌছে ৬ শ্রমিককে আটক করা হয় বাকি ৩ শ্রমিক পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় সেলিম নামের শ্রমিকের ডান হাত প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়েছে। ভিকটিমের বড় ভাই দেলোয়ার হোসেন বাদি হয়ে দেলদুয়ার থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
একতার কণ্ঠ: টাঙ্গাইল শহরস্থ আদি টাঙ্গাইল প্রবীণ কল্যাণ সমিতি ও মসজিদ নুরের নেত্রীবৃন্দ মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর মাজার ও তাঁর স্মৃতি বিজরিত মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পরিদর্শন করেছে। বৃহস্পতিবার(১২ মে) সকালে মওলানা ভাসানীর মাজারে দোয়া ও মোনাজাত শেষে তাঁরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল ও বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পরিদর্শন করেন। (more…)
একতার কণ্ঠ: টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে কু-প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় প্রবাসীর স্ত্রীকে গাছে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে নাগবাড়ী ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোশারফ মিয়ার বিরুদ্ধে।বুধবার (১১ মে) উপজেলার নাগবাড়ী ইউনিয়নের মরিচা পাইকপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নির্যাতন চলাকালে ৯৯৯ ফোন দিলে পুলিশ এসে ওই গৃহবধূকে কাঁঠাল গাছে বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করে। নির্যাতিত গৃহবধূ ওই গ্রামের প্রবাসী আলহাজ মিয়ার স্ত্রী।
ভুক্তভোগী ওই নারী জানান, তার স্বামী প্রবাসে থাকায় দীর্ঘদিন ধরে ইউপি সদস্য মোশারফ সম্পর্কে আমার মামা হয়েও তাকে বিভিন্ন সময় কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় মোশারফ ভয়ভীতি ও বাড়ি থেকে জোরপূর্বক একাধিকবার উচ্ছেদের চেষ্টা করেন। সম্প্রতি রমজান মাসে সেহরি রান্না করার সময় মোশারফ ও তার এক বন্ধুকে নিয়ে এসে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। তখন চিৎকারে তারা পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় টাঙ্গাইল আদালতে মামলা দায়ের করলে মোশারফ ক্ষিপ্ত হয়ে এ ঘটনা ঘটায়।
এদিকে এলাকাবাসী জানায়, ইউপি সদস্য মোশারফ মিয়া এলাকায় অনেক প্রভাবশালী। তাদের বিরুদ্ধে কেউ কথা বলার সাহস পায় না। ওই প্রবাসীর স্ত্রীকে বিভিন্ন সময় কুপ্রস্তাব দেয়া নিয়ে এলাকায় সালিশি বৈঠকও হয়েছিল। আজকে যেভাবে মধ্যযুগীয় কায়দায় গৃহবধূকে নির্যাতন করা হয়েছে তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া দরকার।
এ বিষয়ে ইউপি সদস্য মোশারফ মিয়া বলেন, আমার পরিবারের ওপর হামলা করায় তাকে গাছে বেঁধে রাখা হয়। তবে তিনি কু-প্রস্তাবের বিষয়টি অস্বীকার করেন।
কালিহাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান বলেন, ঘটনাটি শোনা মাত্রই আমাদের অফিসার ও ফোর্সরা তাকে উদ্ধার করেন। অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
একতার কন্ঠ: টাঙ্গাইলে বিপুল পরিমান গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারীকে আটক করেছে র্যাব। বুধবার(১১ মে) সকালে সদর উপজেলার করটিয়া ইউনিয়নের তারটিয়া-ভাতকুড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলো, নওগা জেলার মহাদেবপুর থানার ভালাইন গ্রামের রইছ উদ্দিনের ছেলে মো. জুয়েল আকন্দ (২৮), একই উপজেলার চকগোড়া গ্রামের আবুল কালাম আজাদের ছেলে কামরুজ্জামান(২২)।
র্যাব-১২, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইল’র কোম্পানী কমান্ডার মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান ও স্কোয়াড কমান্ডার এএসপি এরশাদুর রহমান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাবের একটি চৌকশ দল বুধবার সকালে অভিযান চালিয়ে ভাতকুড়া ও তারটিয়া এলাকা থেকে ১০ কেজি গাজাসহ ওই দুই মাদক কারবারীকে আটক করা হয়।
র্যাব আরো জানান, তাদের বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনের একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে গুলিতে মো. শাহজাহান মিয়া নামের এক ধানকাটা শ্রমিক আহত হয়েছেন। আহত শাহজাহানকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১০ মে) সকালে উপজেলার দিঘলকান্দি ইউনিয়নের কাগমারি বৈলতৈল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহত শাহজাহান কুরমুশি গ্রামের মৃত কোরবান আলীর ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, কাগমারি বৈলতৈল গ্রামের আব্দুল কাদেরের পৈত্রিক ২৫ শতাংশ জমি কেনেন আব্দুল কাদেরের বন্ধু হাসেম আলী। কিন্তু জমির দলিল না করায় জমির মালিকানা দাবি করেন আব্দুল কাদেরের ভাই ইঞ্জিনিয়ার সোহরাব। হাসেম আলী মারা গেলে ওই জমি দীর্ঘদিন ধরে চাষাবাদ করছিলেন তার স্ত্রী মাজেদা বেগম। মঙ্গলবার সকালে মাজেদা বেগম ৮জন শ্রমিক নিয়ে ওই জমিতে ধান কাটতে যান। এ সময় সোহরাব তার কাছে থাকা একনালা বন্দুক (এসবিবিএল) দিয়ে শ্রমিকদের লক্ষ্য করে গুলি চালান। এতে ধান কাটা শ্রমিক শাহজাহান ডান হাতে গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে।
গুলিবিদ্ধ শাহজাহান জানান, তিনিসহ ৮ জন শ্রমিক আট হাজার টাকা চুক্তিতে সকালে ধান কাটতে যান। ধান কাটা শেষের দিকে সোরহাব তিনটি গুলি করলে দুটি গুলি তার শরীরে লাগে। এ ঘটনায় তিনি অভিযুক্ত সোরহাবের শাস্তি দাবি করেন।
মাজেদা বেগম জানান, সোহরাবের ভাই আব্দুল কাদেরের কাছ থেকে প্রায় ৪০ বছর আগে জমি কিনে চাষাবাদ করছিলেন তারা। কিন্তু জমির এখনো দলিল হয়নি। যার কাছ থেকে জমি কিনেছি তিনি মারা যাওয়ায় তার ভাই জমি দলিল করে দিচ্ছে না। জমিতে রোপনকৃত ধান কাটতে ৮জন শ্রমিককে চুক্তি দিয়েছিলাম। কিন্তু সোহরাব বন্দুক দিয়ে শ্রমিকদের গুলি করেন। তিনবার গুলির শব্দ পাই।
ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজহারুল ইসলাম সরকার জানান, ‘সোহরাব তার লাইসেন্স করা শর্টগান দিয়ে গুলি চালান। এতে একজন শ্রমিক আহত হয়েছেন। তদন্ত করে এই ঘটনার আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
একতার কণ্ঠ: টাঙ্গাইলের নাগরপুরে জমিজমা নিয়ে বিরোধের জের ধরে সৎ ভাই সুমন মিয়াকে (২৫) হত্যা করেছেন বড় ভাই আতোয়ার মিয়া (৫৫) নামে এক ব্যক্তি।
সোমবার (৯ মে) সকালে নাগরপুর উপজেলার মোকনা ইউনিয়নের ডাকাতিপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত সুমন ও অভিযুক্ত আতোয়ার ওই গ্রামের কলিম উদ্দিনের দুই স্ত্রীর সন্তান।
নাগরপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে সকালে ছোট ভাই সুমনকে ফলা দিয়ে আঘাত করেন বড় ভাই আতোয়ার মিয়া।
এতে গুরুতর আহত হন সুমন। এ অবস্থায় তাকে মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠ: টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণের পর ধর্ষণের অভিযোগে ফারুক নামে এক ব্যক্তি ও তার সহযোগী বিশালকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।রোববার (৮ মে) ভোরে সিরাজগঞ্জ থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
জানা গেছে, গত ৫ মে (বৃহস্পতিবার) সকালে ওই ছাত্রী দাদাবাড়ি যাওয়ার পথে অপহরণের পর ধর্ষণ করে বখাটেরা। এ ঘটনায় ওই স্কুলছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে ৭ মে (শনিবার) সকালে ভূঞাপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করলে পুলিশ ফারুক ও তার সহযোগীকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারকৃত ফারুক ভূঞাপুর উপজেলার বানিয়াবাড়ি গ্রামের নাজমুল প্রধানের ছেলে এবং মো. বিশাল সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার হোসেনপুর উত্তরপাড়া গ্রামের সাইফুল ইসলামের ছেলে।
মামলা ও স্কুলছাত্রীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, মেয়েটি স্কুলে যাওয়ার আসার পথে ফারুক বিভিন্ন সময়ে প্রেমের প্রস্তাব ও নানাভাবে উত্যক্ত করত। প্রতিবাদ করলে তুলে নেওয়ার হুমকি দেওয়া হতো তাকে। গত ৫ মে (বৃহস্পতিবার) ঈদের তৃতীয় দিন সকালে সকালে স্কুলছাত্রী একা তার দাদার বাড়ি যাচ্ছিল। এ সময় তাকে প্রেমের প্রস্তাব দেয় ফারুক। সে প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ফারুক তার দলবল নিয়ে অপহরণ করে নিয়ে যায় মেয়েটিকে। এরপর নৌকাযোগে প্রথমে সিরাজগঞ্জের তার এক বন্ধুর বাসায় নিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করে ফারুক। তারপর সেখান থেকে ফারুক তার খালার বাসায় নিয়ে ফের ধর্ষণের পর শারীরিক নির্যাতন করে বিয়ের চাপ সৃষ্টি করে। এতকিছুর পরও বিয়েতে রাজি না হওয়ায় তার এক সহযোগী অপহরণকারীর বাড়িতে সন্ধ্যার দিকে স্কুলছাত্রীকে নিয়ে আসে ফারুক ও তার অন্যান্য সহযোগীরা।
এরপর এ বিষয়টি মেয়েটির বাবা জানতে পেরে ওইদিন রাতেই ফারুকের বন্ধুর বাড়ি থেকে আত্মীয়-স্বজন ও স্থানীয় মাতব্বরদের সঙ্গে নিয়ে স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করেন। পরে শনিবার সকালে মেয়েটির বাবা বাদী হয়ে ফারুককে প্রধান আসামি করে মামলা দায়ের করেন। পরে এসআই ফাহিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে সিরাজগঞ্জ থেকে প্রধান অভিযুক্ত ফারুক ও তার সহযোগী বিশালকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
এ ব্যাপারে ভূঞাপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ফাহিম ফয়সাল বলেন, অভিযুক্ত প্রধান আসামি ফারুক ও তার সহযোগী বিশালকে সিরাজগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।