মোঃ আরমান কবীর সৈকত (সম্পাদক)

টাঙ্গাইল সড়ক দুর্ঘটনায় শিশুসহ নিহত ২ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল সড়ক দুর্ঘটনায় শিশুসহ নিহত ২

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সদর উপজেলার রাবনা বাইপাস এলাকায় এস আই পরিবহনের বাসের সঙ্গে সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে শিশুসহ ২ জন নিহত হয়েছে। মঙ্গলবার (১২জুলাই) দুপুরে ওই দুর্ঘটনাটি ঘটে।

নিহতরা হলেন-নাটোর জেলার নলডাঙ্গা থানার কাঠুয়াজানি গ্রামের কুদ্দুস মিয়ার মেয়ে মৌসুমী (৩৫) ও তার ভাগ্নি জামালপুর জেলার চেকিং কি মারি গ্রামের রেজাউলের মেয়ে রিয়া মনি(৫)।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এএসআই নবীন জানান,সিএনজিটি এলেঙ্গা থেকে গাজিপুরের দিকে যাচ্ছিলো। পরে সিরাজগঞ্জের এসআই পরিবহনের বাস টি সিএনজিকে ধাক্কা মারে ফলে ঘটনাস্থলে রিয়া নামে ৫ বছরের শিশু নিহত হয়। মৌসুমীকে হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন। মৌসুমি ও রিয়া সম্পর্কে ভগ্নি।
এই দূর্ঘটনায় ২ জন আহত রয়েছে। আহতরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১২. জুলাই ২০২২ ১১:৪২:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত ১, আহত ১২ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত ১, আহত ১২

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে সড়ক দূর্ঘটনায় সৌরভ(১২) নামে এক কিশোর নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরও ১২ জন।সোমবার(১১ জুলাই) ভোরে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়কের উপজেলার দেউলাবাড়ি ইউনিয়নের পোড়াবাড়ি নামক স্থানে ওই দূর্ঘটনা ঘটে।

নিহত সৌরভ মধুপুর উপজেলার ব্রাক্ষমবাড়ী গ্রামের শফিকুলের ছেলে। ঘাটাইল থানার এস আই পলাশ মাহমুদ মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, গাজীপুর থেকে ১৪ জন যাত্রী নিয়ে মধুপুরের উদ্দেশ্য একটি পিকআপ ভ্যান যাত্রা শুরু করে। পথিমধ্যে পিকআপটি ঘাটাইলের পোড়াবাড়ি পৌঁছলে রাস্তার পাশে থাকা একটি বিদ্যূতের খুঁটিকে ধাক্কা দিলে পিকআপটি যাত্রীসহ ১০ থেকে ১২ ফুট নিচে খাদে পড়ে যায়।

পরে স্থানীয়রা গাড়িতে থাকা যাত্রী ও ড্রাইভারকে উদ্ধার করে ঘাটাইল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। এ সময় হাসপাতালে নেয়ার পথে সৌরভ নামে এক কিশোরের মৃত্যূ হয়। এ ঘটনায় পিকআপ এ থাকা ১২ জন যাত্রী গুরুতর আহত হয়।

আহতরা হলেন, মধুপুর উপজেলার ঘোড়ারটিকি গ্রামের সিদ্দিক আলীর মেয়ে মোসাঃ শিল্পি আক্তার(৮),বড়দিঘী গ্রামের ছাদেক আলীর ছেলে মোঃ সাইফুল ইসলাম(২৬),বাক্ষমবাড়ি গ্রামের ফজর আলীর স্ত্রী সাবিনা আক্তার(২৫),একই গ্রামের সাইফুল ইসলামের স্ত্রী বুলবুলি বেগম(২৫),সাদিয়া আক্তার(১২),ধামাবাসুরী গ্রামের রফিকুল ইসলামের মেয়ে শিশু রুপা আক্তার(৬),ব্রাক্ষমবাড়ি গ্রামের সফিকুল ইসলাম(৩৫),একই গ্রামের শফিকুলের স্ত্রী শরিফা বেগম(২৫),লেংড়াবাজার গ্রামের সিদ্দিক আলীর স্ত্রী মিনারা বেগম(৩৫),ব্রাক্ষমবাড়ি গ্রামের জাফর আলীর মেয়ে রীনা আক্তার(২১),ধামাবাসুরী গ্রামের শফিকুলের মেয়ে শিশু সানজিদা আক্তার(৬) ও পিকআন চালক আব্দুল মিয়া(৩৫)।

ঘাটাইল থানার এস আই পলাশ মাহমুদ জানান, আহতদের মধ্যে ৭ জনকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ ও টাঙ্গাইল শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্য রেফার্ড করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে অনেকের অবস্থাই আশংকাজনক বলে জানিয়েছেন হাসপাতাল কতৃপক্ষ।পিক-আপ চালকের ঠিকানা জানা সম্ভব হয়নি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. জুলাই ২০২২ ০৮:৫৭:পিএম ৪ বছর আগে
শিশু শিহাবের সঙ্গে বিদায় নিয়েছে পরিবারের ঈদের আনন্দও - Ekotar Kantho

শিশু শিহাবের সঙ্গে বিদায় নিয়েছে পরিবারের ঈদের আনন্দও

একতার কণ্ঠঃ এবার শিহাবের পরিবারের সদস্যদের ঈদ আনন্দ নেই। শিহাব এর এই পৃথিবী থেকে বিদায় নেওয়ার সাথে সাথে শিহাবের পরিবারের ঈদ আনন্দ বিদায় নিয়েছে।
রোববার(১০ জুলাই) ঈদের দিন শিহাবের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, সন্তান ও নাতির কথা মনে করে বারান্দায় বিলাপ করে কাঁদছেন শিহাবের মা ও দাদি।

 

কাঁদতে কাঁদতেই শিহাবের মা আসমা বেগম বলেন, ‘৩ বছর আগে একবার দেশে আসছিল শিহাবের বাপে। সেবারেই শিহাবের সঙ্গে ওর বাপের শেষ দেখা। গত কোরবানির ঈদে শিহাব ফোনে বাপেরে কইছিল যে সে একটা বড় গরু কোরবানি দিতে চায়। সেজন্য এইবার ওর বাপে আগেই ট্যাকা পাঠায়া দিছিলো। এইবার আমার শিহাব নাই, আমাগো ঈদও নাই।’

এই ঘটনায় গত ২৭ জুন আসমা বেগম সৃষ্টি স্কুলের ৬ আবাসিক শিক্ষককে আসামি করে টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

শিহাবের মৃত্যুর পরের দিনই সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরে আসেন শিহাবের প্রবাসী বাবা ইলিয়াস হোসেন। তার অভিযোগ, শুরু থেকেই সৃষ্টি স্কুলের প্রভাবশালী মালিকপক্ষ তদন্তকাজে প্রভাব খাটাচ্ছে।

এদিকে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের খুঁজে বের করে তাদের শাস্তির দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে শিহাবের সহপাঠী, সৃষ্টি স্কুলের বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থী এবং টাঙ্গাইলের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। দাবি আদায়ে আমরা এবার কঠোর আন্দোলনে নামব।’

মামলার অগ্রগতি সম্পর্কে তদন্তকারী কর্মকর্তা টাঙ্গাইল সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) দেলোয়ার হোসেন জানান, মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তারের পর রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, ‘তদন্ত চলছে। প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করে বিচারের মুখোমুখি করা হবে।’

(more…)

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. জুলাই ২০২২ ১২:৫২:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বাস-অটোরিকশা সংঘর্ষে সহোদরসহ নিহত ৪ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বাস-অটোরিকশা সংঘর্ষে সহোদরসহ নিহত ৪

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে অটোরিকশার চালকসহ চারজন নিহত হয়েছেন।

শুক্রবার (৮ জুলাই) দিনগত রাত পৌনে ১২টার দিকে জয়দেবপুর-টাঙ্গাইল-জামালপুর মহাসড়কের বানিয়াজান বাসস্ট্যান্ডের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- জামালপুর সদর উপজেলার তুলসীপুর গ্রামের প্রাণকৃষ্ণ কর্মকারের ছেলে অটোরিকশাচালক বাবুল কর্মকার (৫০), রামনগর গ্রামের শহিদ মিয়ার ছেলে মো. সাইফুল ইসলাম (২২) তার ছোট ভাই মৃদুল হাসান (১৫) ও একই গ্রামের বজলুল মিয়ার ছেলে হাসান মিয়া (১৯)।

শনিবার (৯ জুলাই) সকালে ধনবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) চান মিয়া জানান, রাতে শেরপুর থেকে ছেড়ে আসা এস কে জননী পরিবহন নামের একটি যাত্রীবাহী বাস ঢাকার দিকে যাচ্ছিল। অপরদিকে, ধনবাড়ী বাসস্ট্যান্ড থেকে তিনজন অটোরিকশার যাত্রী নিয়ে জামালপুর সদরে উপজেলায় যাচ্ছিলেন চালক। রাস্তা ফাঁকা পেয়ে বেপরোয়া গতিতে টানছিল বাসটি। এ সময় বাস আর অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই চালক বাবুল কর্মকার ও সাইফুল ইসলাম নিহত হন। গুরুতর আহতাবস্থায় মৃদুল ও হাসানকে ধনবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

ওসি চান মিয়া আরও জানান, নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরিবারের লোকজনের কোনো অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে। ঘাতক বাসটি ঘটনাস্থল থেকে জব্দ করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। তবে চালক ও তার সহকারী পলাতক। এ বিষয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. জুলাই ২০২২ ০৫:৪৩:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে চাল চুরির ঘটনায় দুই মেম্বারকে গণপিটুনি;পালালেন চেয়ারম্যান - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে চাল চুরির ঘটনায় দুই মেম্বারকে গণপিটুনি;পালালেন চেয়ারম্যান

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে ভিজিএফের চাল চুরির অভিযোগে দুই ইউপি সদস্যকে গণপিটুনি দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার (৮ জুলাই) বিকেলে উপজেলার দেওপাড়া ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে।

গণপিটুনির শিকার ওই দুই ইউপি সদস্য হলেন মো. রেজাউল করিম ও আব্দুস ছালাম।

স্থানীয়রা জানান, সকাল থেকে দেওপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ ভবন থেকে ঈদ উপলক্ষে হতদরিদ্রদের মধ্যে ভিজিএফের চাল বিতরণ চলছিল।

কিন্তু ৭, ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডের চাল বিতরণ শেষ না করেই বিকেলে ১২৫ বস্তা চাল অটোরিক্সায় তুলে বিক্রি করতে যান ইউপি সদস্য রেজাউল করিম ও আব্দুস ছালাম। এ সময় বিক্ষুব্ধ জনতা রাস্তা আটকে দিয়ে চালসহ দুই ইউপি সদস্যকে ঘেরাও করে রাখে।
পরে উত্তেজিত জনতা তাদের দুজনকে গণপিটুনি দেয়। এ সময় স্থানীয় জনগণের তোপের মুখে ইউপি চেয়ারম্যান রুহুল আমিন হেপলু দৌড়ে পালিয়ে যান। পরে ঘাটাইল থানার পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের লোকজন গিয়ে চালসহ জনতার হাতে আটক দুই ইউপি সদস্যকে উদ্ধার করে।

ইউপি সদস্য আব্দুস ছালাম বলেন, চাল চুরির কোনো ঘটনা ঘটেনি। ইউপি চেয়ারম্যান রুহুল আমিন হেপলুর নির্দেশে তারা চালের বস্তাগুলো সরিয়ে নিয়ে দেলুটিয়া থেকে বিতরণ করতে চেয়েছিলেন।

ইউপি চেয়ারম্যান রুহুল আমিন হেপলু বলেন, চাল চুরির ঘটনা সঠিক নয়। বিতরণের সুবিধার জন্য চালগুলো দেলুটিয়া গ্রামে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। একটি পক্ষ ভুল বুঝিয়ে জনতাকে উত্তেজিত করে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটিয়েছে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এনামুল হক বলেন, চালগুলো উদ্ধার করে ইউনিয়ন পরিষদ ভবনে সিলগালা করে রাখা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. জুলাই ২০২২ ০৩:৩৩:এএম ৪ বছর আগে
বঙ্গবন্ধু সেতুতে টোল আদায়ের নতুন রেকর্ড - Ekotar Kantho

বঙ্গবন্ধু সেতুতে টোল আদায়ের নতুন রেকর্ড

একতার কণ্ঠঃ বঙ্গবন্ধু সেতুতে টো‌ল আদায়ের নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টয় এই সেতু দিয়ে ৪৩ হাজার ৫৯৫টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে ৩ কোটি ৩৪ লাখ ৭ হাজার ৭০০ টাকা।

এর আগে, গত ঈদুল ফিতরে সর্বোচ্চ ৩ কোটি ১৯ লাখ ৬৭ হাজার ২ শত টাকার টোল আদায় হয়েছিল।

বঙ্গবন্ধু সেতু কর্তৃপক্ষ জানায়, স্বাভাবিক সময়ে ১২ থেকে ১৩ হাজার যানবাহন বঙ্গবন্ধু সেতু পারাপার হয়। কিন্তু ঈদকে কেন্দ্র করে এই সংখ্যা কয়েক গুণ বেড়ে যায়।

বুধবার (৬ জুলাই) রাত ১২টা থেকে বৃহস্পতিবার (৭ জুলাই) রাত ১২টা পর্যন্ত সেতুর উপর দিয়ে ঢাকা থেকে উত্তরবঙ্গগামী পরিবহনের সংখ্যা ছিল ২৫ হাজার ১১৩টি। এতে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৭৩ লাখ ৮৯ হাজার ৯ শত টাকা।
অপরদিকে উত্তরবঙ্গ থেকে ঢাকাগামী পরিবহনের সংখ্যা ছিল ১৮ হাজার ৪৮২টি। এতে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৬০ লাখ ১৭ হাজার ৮ শত টাকা।

এর আগে, মঙ্গলবার (৫ জুলাই) রাত ১২টা থেকে বুধবার (৬ জুলাই) রাত ১২টা পর্যন্ত ৩৪ হাজার ৪০৭টি যানবাহন সেতু দিয়ে পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে ২ কোটি ৭২ লাখ ৩৩ হাজার ৫০ টাকা।
বঙ্গবন্ধু সেতুর সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান মাসুদ বাপ্পি জানান, ‘ছোটবড় ৪৩ হাজার ৫৯৫টি যানবাহন পারাপার হওয়ার মধ্য দিয়ে সেতু কর্তৃপক্ষ এ রেকর্ড অর্জন করেছে।’
প্রসঙ্গত, ১৯৯৮ সালে সেতুটি চালু হওয়ার পর থেকে কর্তৃপক্ষ টোল আদায় করে আসছে। বর্তমানে সেতুর টোল আদায় করছে কমিউটার সিস্টেম নেটওয়ার্ক (সিএনএস)।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. জুলাই ২০২২ ০১:৩৪:এএম ৪ বছর আগে
শিহাব হত্যা: আসামিদের গ্রেপ্তারে ৭২ ঘন্টার আল্টিমেটাম শিক্ষার্থীদের - Ekotar Kantho

শিহাব হত্যা: আসামিদের গ্রেপ্তারে ৭২ ঘন্টার আল্টিমেটাম শিক্ষার্থীদের

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী শিহাবের মৃত্যুর ঘটনা সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ এবং মানববন্ধন করেছেন শিক্ষার্থীরা। একইসঙ্গে এ ঘটনার রহস্য উদঘাটন ও জড়িতদের বিচারের আওতায় আনতে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেন শিক্ষার্থীরা।

বুধবার (৬ জুলাই) সকালে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অনুষ্ঠিত সমাবেশে শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘প্রশাসনের আশ্বাসে আমরা আন্দোলন স্থগিত করে ঘরে ফিরে গিয়েছিলাম, কিন্তু ঘটনার পর ১৬ দিন পেরিয়ে গেলেও তদন্তে কোনো অগ্রগতি দেখাতে পারেননি তারা।’

তারা আরও বলেন, ‘আমরা জানতে চাই শিহাব হত্যা মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারের পর কেন শিহাবের পরিবারকে থানায় প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। আটক করার পরও কেন আসামিদের ছেড়ে দেওয়া হলো।’

এ ছাড়াও, শিহাবের মৃত্যুর ঘটনকে আত্মহত্যা বলে চালানোর জন্য যারা বা যেসব মহল পায়তারা করেছে এবং প্রচার-প্রচারণা চালিয়েছে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান শিক্ষার্থীরা।

শিহাবের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেন শিক্ষার্থীরা।

সমাবেশে শিহাবের বাবা ইলিয়াস হোসেন বলেন, ‘আমি একজন সাধারণ মানুষ। প্রবাসে পরিশ্রম করে রোজগার করা টাকায় ভাল লেখাপড়ার আশায় সন্তানকে তাদের কাছে পড়তে দিয়েছিলাম। কিন্তু বিনিময়ে আমি আমার সন্তানের লাশ পেয়েছি।’

জানতে চাইলে শিহাব হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এবং টাঙ্গাইল সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হাবিবুর রহমান বলেন, ‘মামলায় গ্রেপ্তার এক আসামি রিমান্ডে পুলিশকে যেসব তথ্য দিয়েছেন সেগুলো যাচাই-বাছাই করে দেখা হচ্ছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ঘটনার রহস্য উদঘাটনে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ এবং আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে।’

প্রকাশ, গত ২০ জুন টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার বেরবাড়ি গ্রামের প্রবাসী ইলিয়াস হোসেনের পুত্র শিহাবকে (১১) সৃষ্টি স্কুলের ছাত্রাবাসে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। তবে, স্কুল কর্তৃপক্ষের দাবি শিহাব ছাত্রাবাসের বাথরুমে গলায় ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করেছে। তবে, শিহাবের মরদেহের ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে শ্বাসরোধে মৃত্যু হয়েছে বলে উল্লেখ করা।

ওই ঘটনার ছয়দিন পর গত ২৭ জুন শিহাবের মা আসমা আক্তার বাদী হয়ে আবু বক্করসহ সৃষ্টি স্কুলের ৬ আবাসিক শিক্ষককে আসামি করে টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এরপর পুলিশ গ্রেপ্তার শিক্ষক আবু বক্করকে ৫ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠান।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. জুলাই ২০২২ ০২:৩২:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মেয়াদোত্তীর্ণ ভ্যাকসিনে ১৪শ’ হাঁসের মৃত্যুর অভিযোগ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মেয়াদোত্তীর্ণ ভ্যাকসিনে ১৪শ’ হাঁসের মৃত্যুর অভিযোগ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের ডাকপ্লেগ রোগের মেয়াদোত্তীর্ণ ভ্যাকসিন প্রয়োগের পর রিপন সিকদার নামের এক ক্ষুদ্র উদ্যোক্তার প্রায় ১৪০০ হাঁসের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা রিপন সিকদার দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। ক্ষতিগ্রস্ত রিপন জেলার বাসাইল উপজেলার ফুলকী ইউনিয়নের ময়থা উত্তরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের  প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গেছে।

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় এক বছর আগে বেকার অবস্থায় থাকা যুবক রিপন সিকদার ৪২ শতাংশ জমি লিজ নিয়ে ঘর তৈরি করে হাঁসের খামার করেন। প্রথম অবস্থায় তিনি এক হাজার হাঁস নিয়ে খামার শুরু করেন। প্রথমে তার বেশ কিছু টাকা লাভ হয়। এরপর দ্বিতীয়বারে তিনি নাগেশ্বরী জাতের ডিমের জন্য ১৭৩০টি হাঁসের বাচ্চা ও মাংসের জন্য বেলজিয়াম জাতের ৭০টিসহ মোট ১৮০০টি হাঁসের বাচ্চা খামারে তুলেন। বাচ্চাগুলোর এক মাস বয়সে গত ৫ জুন রিপন সিকদার বাসাইল উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ে ভ্যাকসিনের দায়িত্বে থাকা উপসহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (সম্প্রসারণ) জাহিরুল ইসলামের কাছে ডাকপ্লেগ রোগের ভ্যাকসিনের জন্য যান। ওই সময় জাহিরুল ইসলাম তাকে ১৯টি ভ্যাকসিনের বোতল দেন। এরপর ৭ জুন রিপন হাঁসগুলোকে ওই ভ্যাকসিন প্রয়োগ করেন। ভ্যাকসিন প্রয়োগের একদিন পর থেকে হাঁসগুলো মারা যেতে শুরু করে। ক্রমেই মৃত্যুর সংখ্যা বাড়তে থাকে। কয়েকদিনের ভেতরে প্রায় ১৪০০ হাঁসের মৃত্যু হয়। ওই সময় ভ্যাকসিনের বোতল চেক করলে দেখা যায় চলতি বছরের ২০ মে ভ্যাকসিনটির মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে গেছে।

রিপনের স্ত্রী তানিয়া আক্তার জানান, ‘উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় থেকে ভ্যাসকিন আনার পর প্রায় ১৭০০ হাঁসকে প্রয়োগ করা হয়। আর বাকিহাঁসগুলোকে একটি কোম্পানির ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের ভ্যাকসিন প্রয়োগের পরেরদিন থেকে হাঁস মারা যাওয়া শুরু হয়। একদিনেই প্রায় ৫০০ হাঁসের মৃত্যু হয়। এভাবেই প্রায় ১৪০০ হাঁস মারা গেছে। এরপর বাকি প্রায় ৪০০ হাঁসকে বিলে ছেড়ে দেওয়া হয়। সেখানেও হাঁস মারা যাচ্ছে। ঋণ নিয়ে এই খামারটি করেছিলাম। আমরা এখন নিঃস্ব হয়ে গেলাম।’

ক্ষতিগ্রস্ত রিপন সিকদার জানান, ‘গত ৫ জুন আমি উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ে ভ্যাকসিনের দায়িত্বে থাকা জাহিরুল ইসলামের কাছে হাঁসের ডাকপ্লেগ রোগের ভ্যাকসিন আনতে যাই। তিনি আমাকে ১৯টি ভ্যাকসিনের বোতল দেন। এরপর আমি ৭ জুন প্রায় ১৭০০ হাঁসকে ওই ভ্যাকসিন প্রয়োগ করি। ভ্যাকসিন প্রয়োগের পরেরদিন থেকে হাসগুলো মারা যেতে শুরু করে। একদিনে ৫০০ হাঁসের ওপরেও মারা গেছে। এভাবে কয়েকদিনের মধ্যে আমার খামারের প্রায় ১৪০০ হাঁস মারা গেছে। মৃত হাঁসগুলো মাটিতে পুতে রাখা হয়েছে। এরপর বাকি জীবিত হাঁসগুলো বিলে ছেড়ে দেওয়া হয়। সেগুলোও মারা যাচ্ছে।’

তিনি আরও জানান, ‘হাঁসগুলো মারা যেতে থাকলে ভ্যাকসিনের বোতল চেক করে দেখি প্রায় এক মাস আগে ভ্যাকসিনের মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে গেছে। জাহিরুল ইসলামের ভুলের কারনে আমার প্রায় ৭ লাখ টাকা ক্ষতি হয়েছে। এ ঘটনার পর আমি উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ে গেলে জাহিরুল ইসলাম, তার ভুল হয়েছে বলে জানায়। তবে আমি ঋণ নিয়ে এই হাঁসের খামারটি করেছি। এই ক্ষতি আমার জীবন শেষ করে দিয়েছে। এই ক্ষতি পোষানোর মতো আমার ক্ষমতা নেই। এ কারণে আমি ক্ষতিপূরণ দাবি করছি। এ ঘটনায় আইনের আশ্রয় নেওয়া হবে।’

স্থানীয় বাসিন্দা শামছুল হক জানান, ‘রিপন ঋণ করে এই খামারটি করেছিল। প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের কর্মকর্তার ভুলের কারণে রিপনের অনেক ক্ষতি হয়ে গেলো। অভিযুক্ত কর্মকর্তার শাস্তি ও পাশাপাশি রিপনকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবী জানান তিনি।’

স্থানীয় ইউপি সদস্য সুমন সরকার জামাল জানান, ‘একজন কর্মকর্র্তার ভুলের কারনে রিপনের ১৪০০ থেকে ১৫০০ হাঁসের মৃত্যু হয়েছে। রিপনের অনেক টাকা ক্ষতি হয়ে গেলো। এলাকাবাসী হিসেবে রিপনের ক্ষতিপূরণের দাবি জানাচ্ছি।’

এ বিষয়ে উপসহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (সম্প্রসারণ) অভিযুক্ত জাহিরুল ইসলাম জানান, ‘রিপন নামের ওই ছেলেটা আমার কাছে গত ৬ জুন এসেছিল। পরে তাকে ২০টি ডাকপ্লেগ রোগের ভ্যাকসিন দেয়া হয়। কয়েকটি হাঁস মারা যাওয়ার পর রিপন আমার কাছে এসে ১০টি ভ্যাকসিন ফেরত দিয়ে গেছে। পরে চেক করে দেখি ২০ মে ভ্যাকসিনের মেয়াদ শেষ হয়েছে। মেয়াদোত্তীর্ণ ওই ভ্যাকসিন গুলো দেখে আমাদের অফিসে থাকা বাকিগুলো ফেলে দিয়েছি। হঠাৎ করে আবার এসে সে বলছেন তার সর্বমোট ১৪০০ হাঁস মারা গেছে। ভ্যাকসিন গুলো তাকে দেওয়ার সময় আমি মেয়াদটি খেয়াল করিনি,এটাই আমার ভুল হয়েছে। তবে ভ্যাকসিনের মেয়াদ না থাকলে উপকার না হলেও ক্ষতি হবার কোন কারণ নেই বলে দাবি করেন তিনি।’

বাসাইল উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্র্তা ডা. ফারুক আহাম্মদ জানান, ‘আমি এখানে নতুন এসেছি। এখানে এসেই হাঁসগুলোর মৃত্যুর ঘটনাটি জেনেছি। মেয়াদোত্তীর্ণ ভ্যাকসিন বিতরণ করে থাকলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়াও ভুক্তভোগীকে প্রণোদনার মাধ্যমে সহায়তা করা হবে।’

এ বিষয়ে জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. রানা মিয়া জানান, ‘এ ঘটনায় ওই কর্মকর্তার কোনও গাফিলতি থাকলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. জুলাই ২০২২ ০২:৫১:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকার অনশন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকার অনশন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার চরপাড়া গ্রামে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অনশন করছে এক কিশোরী। বুধবার (৬ জুলাই) সকালে ফাজিলহাটি ইউপি চেয়ারম্যান শাহাদাৎ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

জানা গেছে, শনিবার (২ জুলাই) বিকেলে প্রেমিক পায়েলের বাড়িতে গিয়ে ওঠেন ওই কিশোরী। এ সময় বাড়িতে প্রেমিকার অবস্থানের কথা শুনে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান প্রেমিক পায়েল। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা ফাজিলহাটি ইউনিয়নের চরপাড়া গ্রামের খোরশেদ আলমের ছেলে পায়েলের সঙ্গে চলাফেরার সুবাদে পরিচয় হয় ওই কিশোরীর। এরপরে দু’জনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে প্রেমিক পায়েল ওই কিশোরীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হয়।কিছুদিন আগে মেয়েটি পায়েলকে বিয়ের কথা বললে, সে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। পরে শনিবার বিকেল থেকে কিশোরী প্রেমিক পায়েলের বাড়িতে বিয়ের দাবিতে অনশন শুরু করে।

অনশনরত এই কিশোরী জানান, পায়েল আমার সঙ্গে প্রতারণা করেছে। সে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে আমার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করেছে।এখন বিয়ের কথা বললে, তালবাহানা করছে। অনশন অবস্থায় আমাকে জোর করে কয়েকবার বাড়ি থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল।

অনশন প্রসঙ্গে, স্থানীয় ইউপি সদস্য সেকান্দার আলী জানান, বিষয়টি শুনেছি। তবে ওই বাড়িতে যাওয়া হয়নি।

এ প্রসঙ্গে, ফাজিলহাটি ইউপি চেয়ারম্যান শাহাদাৎ হোসেন জানান, বিষয়টি শুনেছি। দু’পক্ষের লোকজনকে ডেকে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. জুলাই ২০২২ ০১:২৪:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যার দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদন্ড - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যার দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদন্ড

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে দেড় লাখ টাকা যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার দায়ে স্বামীকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক খালেদা ইয়াসমিন। মঙ্গলবার(৫জুলাই) দুপুরে আসামীর উপস্থিতিতে তিনি ওই রায় ঘোষনা করেন তিনি।
দন্ডিত ব্যক্তি টাঙ্গাইল পৌর শহরের আদি টাঙ্গাইল এলাকার মৃত আ: সালামের ছেলে মো: সুজন মিয়া (৩৫)।

টাঙ্গাইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের এপিপি মোহাম্মদ আব্দুল কুদ্দুস জানান, প্রায় ১৪ বছর পূর্বে মো: সুজন মিয়ার সাথে আদি টাঙ্গাইল দাসপাড়া (মাঝিপাড়া) শিউলী আক্তারের (২৭) বিয়ে হয়। বিয়ের পর দেড় লক্ষ টাকা যৌতুকের দাবিতে তার স্বামী বিভিন্ন সময় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতো। ২০১৪ সালের ১৭ জুন সকাল ১১ টার দিকে তার স্বামী ঘরের দরজা বন্ধ করে যৌতুকের টাকার জন্য মারপিট করে। পরে পরিকল্পিতভাবে সেভেনআপের বোতল ভর্তি কেরোসিন তেল ঢেলে তার স্ত্রীর শরীলে আগুন ধরিয়ে দেয়। এসময় তার ডাক চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। ঘটনার পরের দিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিউলী আক্তারের মৃত্যু ঘটে। পরে তার ভাই মো: শিবলু মিয়া বাদী হয়ে ২০১৪ সালের ১৮ জুন টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৫. জুলাই ২০২২ ০৯:৪১:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে অটোরিকশার ধাক্কায় মাদ্রাসা ছাত্র নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে অটোরিকশার ধাক্কায় মাদ্রাসা ছাত্র নিহত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুরে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় আব্দুল্লাহ (৭) নামে এক মাদ্রাসাছাত্র নিহত হয়েছে।

রোববার (৩ জুন) দুপুরের উপজেলার আলমনগর বাজার এলাকায় ওই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত আব্দুল্লাহ আলমনগর গ্রামের আফাজ উদ্দিনের ছেলে। সে আলমনগর দাখিল মাদরাসার নুরানী শাখার প্রথম শ্রেণির ছাত্র ছিল।

আলমনগর দাখিল মাদরাসার সুপার আমিনুল ইসলাম মারুফি জানান, আব্দুল্লাহ মাদ্রাসা ছুটির পর সড়কের পাশ দিয়ে সহপাঠী বন্ধুর সঙ্গে বাড়ি ফিরছিল। পথে বাজার এলাকায় একটি অটোরিকশা আসতে দেখে সহপাঠী ও আব্দুল্লাহ দু’দিকে দৌড় দেয়।

তিনি আরো জানান, এ সময় অটোরিকশার চালক একজনকে বাঁচাতে গাড়ি ঘোরানোর সময় আবদুল্লাহকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়। আহতাবস্থায় স্থানীয়রা শিশুটিকে উদ্ধার করে গোপালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. জুলাই ২০২২ ০২:৩৩:এএম ৪ বছর আগে
শিহাব হত্যা: তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে পরিবারের অসন্তোষ - Ekotar Kantho

শিহাব হত্যা: তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে পরিবারের অসন্তোষ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে স্কুল ছাত্রাবাসে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী শিহাবের মৃত্যুর দুই সপ্তাহ পার হলেও তদন্তের অগ্রগতি ও তদন্তকারীদের আচরণ নিয়ে তীব্র অসন্তোষ জানিয়েছে নিহত শিহাবের পরিবার।

রোববার (৩ জুলাই) এ ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় একমাত্র গ্রেপ্তারকৃত আসামি স্কুলের আবাসিক শিক্ষক আবু বক্করকে ৫ দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠিয়েছেন বিজ্ঞ-আদালত।

রোববার সকালে সদর থানা পুলিশ ৫ দিনের রিমান্ড শেষে আবু বক্করকে টাঙ্গাইলের সিনিয়ার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রট শামছুল আলমের আদালতে উপস্থাপন করলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন বলে জানিয়েছেন আদালত পরিদর্শক তানভীর আহম্মেদ।

শিহাবের বাবা ইলিয়াস হোসেন জানান, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মামলার এজহারভুক্ত বাকি ৫ আসামির কাউকে এখনো গ্রেপ্তার করেনি।

তিনি আরো জানান, স্কুলের মালিকপক্ষ ধনাঢ্য ও প্রভাবশালী হওয়ায় একইসঙ্গে তদন্তকারীদের আচরণে আমি এখন সন্তান হত্যার ঘটনায় ন্যায়বিচার না পাওয়ার আশঙ্কা করছি।

উল্লেখ্য, গত ২০ জুন সখীপুর উপজেলার বেরবাড়ি গ্রামের প্রবাসী ইলিয়াস হোসেনের ছেলে শিহাবকে (১১) টাঙ্গাইল সৃষ্টি একাডেমী স্কুলের হোস্টেলে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে স্কুল কর্তৃপক্ষ দাবি করেন, শিহাব হোস্টেলের সপ্তম তলার একটি বাথরুমে ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করেছে।

পরে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে শিহাবের মৃত্যু শ্বাসরোধ বা গলা টিপে হত্যা করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।

ঘটনার ৬ দিন পর গত ২৬ জুন শিহাবের মা আসমা আক্তার আবু বক্করসহ ওই স্কুলের ৬ আবাসিক শিক্ষককে আসামি করে টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এ প্রসঙ্গে, টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মোশারফ হোসেন জানান, রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃত শিক্ষকের দেওয়া তথ্যগুলো যাচাই বাছাই করা হচ্ছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. জুলাই ২০২২ ০১:৫০:এএম ৪ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।