একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুরে মসজিদের ওয়াকফ্কৃত জমি নিয়ে বিরোধের জেরে মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদকসহ দু’জনকে পিটিয়ে আহত করা হয়েছে।
শুক্রবার(১৪ অক্টোবর) দুপুরে মধুপুর উপজেলার আলোকদিয়া ইউনিয়নের লুচিয়ানগর গ্রামে জুমার নামাজের পরপরই এই হামলার ঘটনাটি ঘটে।
আহত মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক আঃ বারী খান বর্তমানে মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।
এ ঘটনায় আহত সাধারণ সম্পাদক আঃ বারী খানের ভাই আব্দুর রাজ্জাক খান মধুপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ।
স্থানীয় এলাকাবাসী ও লিখিত অভিযোগের বিবরণ থেকে জানা যায়, একটি মহল মধুপুর উপজেলার আলোকদিয়া ইউনিয়নের লুচিয়ানগরবাড়ী দক্ষিণপাড়া জামে মসজিদের উন্নয়নমূলক কাজসহ মসজিদের জমির দলিল সংক্রান্ত বিষয়াদি নিয়ে মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদকসহ কমিটির সাথে বিরোধ সৃষ্টি করে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ভাবে সাধারণ সম্পাদক ও তার পরিবারকে হুমকি দিয়ে আসছে।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুক্রবার দুপুর আনুমানিক দুইটার সময় জুমার নামাজ শেষে মসজিদের জমির দলিল ও উন্নয়নমূলক কাজ নিয়ে আলোচনার এক পর্যায়ে প্রতিপক্ষরা ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন। এ সময় একই গ্রামের মজিবর রহমানের ছেলে শাহীন আলম (৩০), আঃ গফুরের ছেলে শামছুল হক (৪০), মৃত দারোগ আলীর ছেলে মজিবুর রহমান (৬০) ও আঃ গফুর মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক আঃ বারী ও আঃ রাজ্জাককে এলোপাথারী কিলঘুষি মেরে শরীর জখম করে ।
লিখিত অভিযোগ থেকে আরো জানা যায়, এক পর্যায়ে মসজিদ কমিটির সম্পাদক আঃ বারীকে ইটের আঘাতে রক্তাক্ত করা হয়। এতে সে মাথায় ও ঠোটে আঘাত পেলে তাকে মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
এ ব্যাপারে মসজিদ কমিটির সহ-সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান জানান, জুমার নামাজ শেষে মসজিদের জমির দলিল সম্পর্কে আলোচনা করা হয়। জমির রের্কড নিয়ে সমস্যা ও বিরোধ ছিল। এ নিয়ে আলোচনার এক পর্যায়ে মসজিদ কমিটির সম্পাদক প্রতিপক্ষের মারপিটে আহত হয় বলে তিনি জানান।
মসজিদের কোষাধ্যক্ষ জাহাঙ্গীর আলম জানান, তার বাবাকেও এ সময় পিটিয়ে আহত করা হয়েছে । তার বাবার হাতে আঘাত পেয়েছে।
আলোকদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু সাইদ খান সিদ্দিক বলেন, এ ঘটনা যতদূর শুনেছি জায়গা জমি নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে ঘটেছে। তবে তিনি পুরো বিষয়টি জানেন না বলে জানান।
মধুপুর থানার এস আই নুরুল আমিন জানান, তিনি ঘটনার স্থলে গিয়েছিলেন। মসজিদের জমি নিয়ে বিরোধ। ঘটনার আগের দিন দু’পক্ষের মধ্যে তর্কাতর্কি হয়। পরের দিন শুক্রবার জুমার নামাজ শেষ হতে না হতেই এ ঘটনা ঘটে বলে তিনি জানান।
তিনি আরো জানান,এ ঘটনায় আহত আঃ বারী খানের ভাই আঃ রাজ্জাক খান মধুপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভুঞাপুর উপজেলার ভুঞাপুর-তারাকান্দি আঞ্চলিক মহাসড়কের অর্জুনা ইউনিয়নের তারাই কবরস্থানের পাশ থেকে মঙ্গলবার (১৮ অক্টোবর) গভীর রাতে রক্তাক্ত ও অচেতন অবস্থায় মালা(৩২) নামে এক নারীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরে পুলিশ তাকে চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন।
নিহত মালা বেগম উপজেলার অর্জুনা ইউনিয়নের জগৎপুরা গ্রামের তারা খানের মেয়ে।
স্থানীয়রা জানান,রাতে কবরস্থানের পাশে সড়কে অচেতন ও রক্তাক্ত অবস্থায় ওই নারীকে পড়ে থাকতে দেখতে পায়। পরে পুলিশকে খবর দিলে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পর তার মৃত্যু হয়।
এ ব্যাপারে ভুঞাপুর থানার উপ-পরিদর্শক(এসআই) মাহমুদুল হক জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মুমুর্ষু অবস্থায় মালা বেগমকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন।
ভুঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম জানান, নিহতের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ধারনা করা হচ্ছে, তাকে হত্যার উদ্দেশ্য আঘাত করা হয়েছে। নিহতের মরদেহ সুরতহাল শেষে ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা পরিষদ নির্বাচনে ১১ নম্বর ওয়ার্ডে সদস্য পদে ভোট কিনেও হেরেছেন রফিকুল ইসলাম সংগ্রাম নামে এক আওয়ামী লীগ নেতা। নির্বাচনে ভোট না দেওয়া জনপ্রতিনিধিদের কাছে টাকা ফেরত চেয়েছেন তিনি। এমনকি, ভবিষ্যতে আর কোনও নির্বাচনে না দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন এই প্রার্থী।
মঙ্গলবার (১৮ অক্টোবর) নিজের ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে টাকা ফেরতের আহ্বান জানান তিনি। পরে নেতাকর্মীদের তোপের মুখে পোস্টটি সরিয়ে নেন। রফিকুল ইসলাম সংগ্রাম বাসাইল সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক।
রফিকুল ইসলাম সংগ্রাম ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘জেলা পরিষদ নির্বাচনে ১১ নম্বর ওয়ার্ডে আমরা চার জন প্রার্থী ছিলাম। ভোটার ছিলেন ৯৪ জন। দিন শেষে জানা গেলো, প্রত্যেক প্রার্থী ৫০-৬০ জন ভোটারকে টাকা দিয়েছেন। এর মধ্যে আমাকে ৬০ জন ভোটার কথা দিলেও ৫৫ জন আমার কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন। ভোট দিলেন মাত্র সাত জন। এই হলো ভোটারদের আসল চরিত্র। পৃথিবীর সবকিছু একবার দেখলে চেনা যায়, শুধু মানুষ বাদে। আমাকে যারা ভোট দেননি মনে হয় আপনাদের নামের তালিকা হওয়ার আগে টাকা ফেরত দেওয়া উচিত। আপনারা না জনপ্রতিনিধি। ভোট আপনি যাকে খুশি তাকে দেন, এটা আপনার অধিকার। তাই বলে টাকা নেবেন চার জনের কাছ থেকে, ভোট দেবেন একজনকে। এটা কেমন চরিত্র আপনাদের? আপনাদের কাছ থেকে জনগণ কি সেবা পেতে পারে?’

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, টাঙ্গাইল জেলা পরিষদ নির্বাচনে টাকার ছড়াছড়ি ছিল। অনেক ভোটার একাধিক প্রার্থীর কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন। টাকা নেওয়ার বিষয়টি এখন সর্বমহলে শোনা যাচ্ছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে রফিকুল ইসলাম সংগ্রাম বলেন, ‘প্রত্যেক প্রার্থী ৫০-৬০ জন ভোটারকে টাকা দিয়ে ভোট কিনেছেন। একজন ভোটারকে সর্বনিম্ন ২০ হাজার করে টাকা দিতে হয়েছে। আবার অনেক ভোটারকে ৪০-৫০ হাজার টাকা দিতে হয়েছে। আমাকেও কিনতে হয়েছে টাকা দিয়ে ভোট। হয়তো সম্পর্কের কারণে আমার কম টাকা লেগেছে। তবে সর্বনিম্ন ২০ হাজারের নিচে কেউ টাকা নেননি। একজন ভোটার আমার সামনে খাম খুলে টাকা গুনে নিয়েছেন। টাকা কম থাকায় আরও পাঁচ হাজার টাকা চেয়ে নিয়েছেন। একজন ভোটার চার বার বিক্রি হয়েছেন। এমন হলে নির্বাচন কীভাবে করবো। তবে ভবিষ্যতে আর কোনও নির্বাচনে দাঁড়াবো না।’
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ভোটার বলেন, ‘প্রত্যেক ভোটার টাকা নিয়েছেন। আমি নিয়েছি একজনের কাছ থেকে। এ ছাড়া আরও দুজন আমাকে জোর করে টাকা দিয়েছেন। নির্বাচনে হেরে এখন টাকা ফেরত চাচ্ছেন তারা।’
বাসাইল সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সোহানুর রহমান সোহেল বলেন, ‘ভোটারদের টাকা দেওয়ার বিষয়টি এখন প্রার্থীরা বলছেন। এক প্রার্থী টাকা ফেরত চেয়ে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন। অবশ্য পরে তিনি সেটি ডিলিট করে দিয়েছেন। তারা কেন ভোট কিনলেন বুঝলাম না।’
উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মনি শংকর রায় বলেন, ‘নির্বাচনের আগে কেউ টাকা লেনদেনের বিষয়ে অভিযোগ করেনি। এখন পরাজিত হয়ে গুজব ছড়াচ্ছেন। ভোটারদের টাকা দিয়ে থাকলে তিনি এটা অন্যায় করেছেন।’
এ বিষয়ে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. উমর ফারুক বলেন, ভোট কেনা জঘন্য অপরাধ। এটা অন্যের অধিকার টাকা দিয়ে কিনে নেওয়া। একজন মানুষের মানবিক সত্ত্বাকে হরণ করার অপরাধ। সাময়িক রাজনৈতিক অবস্থা যে পর্যায়ে পৌঁছেছে, এটি নীতি-নৈতিকতা মানবিক বর্জিত ও মানবিক বিসর্জিত। যার ফলে এখন এই বিষয়গুলো প্রকাশ্যেই ঘটে। এক সময় যারা ভোট কিনতো বা বিক্রি করতো- তারা এটাতে লজ্জাবোধ করতো। এখন ওই মূল্যবোধগুলো অবক্ষয় বা নষ্ট হয়ে গেছে। এটা একটা স্বাভাবিক সহনশীল মাত্রায় এটা মানুষ বিবেচনা করছে। এতে একজন ব্যক্তি তার আত্মমর্যাদা এবং সামাজিক মূল্যবোধ মানুষ এখন আর বুঝতে পারে না। ভোট কেনা-বেচায় আইনের যথাযথ প্রয়োগ করতে হবে। যারা রাজনৈতিক ব্যক্তি বা ভোটদাতা রয়েছেন- তাদের মানবিক, সামাজিক ও নৈতিকভাবে সচেতন এবং সতর্ক হতে হবে। এ ছাড়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনী শক্তিশালীভাবে আইনের যে প্রয়োগ, সেটা করতে হবে। এটার ব্যাপারে আইন আছে। তবে আইনের প্রয়োগটা সেই অর্থে ব্যবহার হয় না। নিয়মিত নজরদারির পাশাপাশি যদি দৃষ্টান্ত স্থাপন করা যায়, তাহলে মানুষ এটা থেকে বিরত থাকবে।
উল্লেখ্য, টাঙ্গাইল জেলা পরিষদ নির্বাচনে ১১ নম্বর ওয়ার্ডে (বাসাইল) সদস্য পদে সোমবার (১৭ অক্টোবর) বাসাইল উপজেলা হলরুমে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে নাছির খান টিউবওয়েল প্রতীকে ৫৫ ভোট পেয়ে সদস্য পদে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী অটোরিকশা প্রতীকের প্রার্থী হোসাইন খান সবুজ পান ২১ ভোট। এছাড়া উটপাখি প্রতীকের প্রার্থী রফিকুল ইসলাম সংগ্রাম সাত ভোট, মিজানুর রহমান খান হাতি প্রতীকে ১১ ভোট ও আতিকুর রহমান তালা প্রতীকে কোনও ভোট পাননি। সংরক্ষিত ৪ নম্বর ওয়ার্ডে নারী সদস্য পদে দোয়াত-কলম প্রতীকে খালেদা সিদ্দিকী পান ৪১ ভোট, ফুটবল প্রতীকের প্রার্থী রওশন আরা আক্তার রিতা ২১ ভোট ও হরিণ প্রতীকের প্রার্থী রুমা খান পান ৩১ ভোট।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুর ও সখীপুরে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় দুজন নিহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৮ অক্টোবর) সকালে মির্জাপুর উপজেলার ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের পাকুল্যা বাসস্ট্যান্ড ও সখীপুর উপজেলার বেড়বাড়ী কলাবাগান এলাকায় এ হতাহতের ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন-মির্জাপুর পৌরসভার বাওয়ার কুমারজানী পূর্বপাড়ার বদর সিকদারের ছেলে এলিম সিকদার (৪২) ও সখীপুর উপজেলার বেড়বাড়ী বটতলা এলাকার ফজল হকের স্ত্রী মনোয়ারা বেগম (৫৪)। নিহত এলিম সিকদার পেশায় নির্মাণ শ্রমিক ও মনোয়ারা বেগম পেশায় গৃহিণী।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, এলিম সিকদার ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের পাকুল্যা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় রাস্তা পার হচ্ছিল। এ সময় ঢাকাগামী দ্রুতগতির একটি বাস তাকে চাপা দিলে তিনি গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা উদ্ধার করে কুমুদিনী হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
অন্যদিকে, মনোয়ারা বেগম সখীপুর উপজেলার বেড়বাড়ী কলাবাগান এলাকায় রাস্তা পাড় হচ্ছিলেন। একপর্যায়ে একটি অটোরিকশা তাকে চাপা দেয়। এ সময় মনোয়ারা বেগমকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে বাসাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
গোড়াই হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোল্লা টুটুল দুই জন নিহতের তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে শালিয়ারা আহম্মদিয়া বাজলুল উলুম দাখিল মাদ্রাসার সুপার মোঃ আনোয়ার হোসেনকে চাকুরির প্রলোভন দেখিয়ে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে জেল হাজতে পাঠিয়েছেন বিজ্ঞ আদালত।
তিনি নাগরপুর উপজেলার বাটরা গ্রামের সোনা উল্যাহ মিয়ার ছেলে।
রবিবার ( ১৬ অক্টোবর) বিজ্ঞ আদালত উভয় পক্ষের শুনানি শেষে ও তদন্তকারী কর্মকর্তার তদন্ত প্রতিবেদন বিশ্লেষণ পূর্বক এ আদেশ প্রদান করেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, বিগত ২৩ জুলাই ২০২০ সালে স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকায় নিরাপত্তা কর্মী পদে লোক নিয়োগের ব্যাপারে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে শালিয়ারা আহম্মদিয়া বাজলুল উলুম দাখিল মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ। তখন অভিযোগকারী শাররীক প্রতিবন্ধী মোঃ আরজু সিকদারের(৭০) পুত্র মোঃ ইয়ামিন মিয়া উক্ত পদের প্রার্থী হিসেবে আবেদন করেন। আবেদনের পর অত্র মাদ্রাসার সুপার অভিযোগকারীকে আশ্বস্ত করে বলেন যে, তিনি তার সন্তানকে চাকুরী দিতে পারবেন। তবে তাকে ৩ লক্ষ ২০ হাজার টাকা দিতে হবে। প্রতিবন্ধী কৃষক বাবা গোয়ালের চাষের গরু বিক্রি করিয়া তার সন্তানের ভবিষ্যতের জন্য সরল মনে তার হাতে প্রথম পর্যায়ে ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা তুলিয়া দেয়। এ সময় মামলার ২ নাম্বার আসামি মোঃ হাবিবুর রহমান (অত্র মাদ্রাসার শিক্ষক) সহযোগিতায় মামলার স্বাক্ষীগণের সামনে অভিযুক্ত মাদ্রাসা সুপার অভিযোগকারীর বাড়ি হতে টাকা গুনিয়া ব্যাগে ভরে নিয়ে যায়। অভিযোগকারীকে আশ্বস্ত করে যে, অল্প কিছু দিনের মধ্যেই নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ও বাকী ১ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা নিয়োগ পরীক্ষা শেষে প্রদান পূর্বক তার চাকুরী নিশ্চিত করা হবে। পরবর্তীতে ২৮ ডিসেম্বর ২০ তারিখে স্বাক্ষাতকারের প্রবেশ পত্র পান ও ৮ জানুয়ারী ২১ তারিখে সাক্ষাতকার বোর্ডে উপস্থিত হইয়া সবগুলো প্রশ্নের সঠিক উত্তর প্রদান করেন।
সাক্ষাতকার পর্ব সন্তোষজনক হওয়ায় অভিযোগকারী অতি কষ্টে বাকি ১ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা সংগ্রহ করে অভিযুক্ত মাদ্রাসা সুপারের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি নানা টালবাহানা শুরু করেন। উল্লেখিত পদে চাকুরী বা প্রদেয় ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা ফেরৎ দিবে না বলে অস্বীকার করেন। অভিযুক্ত মাদ্রাসা সুপার মোঃ আনোয়ার হোসেন বিশ্বাস ভঙ্গ, টাকা আত্মসাৎ করেছে।
এতদ বিষয়ে মোকাম টাঙ্গাইল বিজ্ঞ সিনিঃ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আমলী (নাগরপুর) আদালতে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা চলমান রয়েছে। মামলা নং ১৫৩/২০২২ সি.আর (নাগরপুর)।
অভিযোগকারী মোঃ আরজু মিয়া জানান, আমি ও আমার পরিবার আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আমার সন্তানের চাকুরির প্রলোভন দেখিয়ে মাদ্রাসা সুপার ঘুষ নিয়ে চাকুরীও দিচ্ছে না আবার টাকাও ফেরত দিচ্ছে না। বাধ্য হয়েই বিজ্ঞ আদালতে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছি।
আমি একজন শাররীক প্রতিবন্ধী কৃষক। পালের গরু ছাগল বিক্রি করে তাকে সন্তানের ভবিষ্যৎ চিন্তা করে টাকা দিয়েছিলাম।
মামলার ২ নং আসামি মোঃ হাবিবুর রহমান জামিনে মুক্ত হওয়ায় আমি চিন্তিত। তবে বিজ্ঞ আদালতের প্রতি আমার দৃঢ় আস্থা ও বিশ্বাস আছে আমি ন্যায় বিচার পাবো।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা পরিষদ নির্বাচনে সদস্য পদে ধনবাড়ী থেকে তোফাজ্জল হোসেন, গোপালপুরে এসএম রফিকুল ইসলাম, ভূঞাপুরে খায়রুল ইসলাম, ঘাটাইলে রোকনুজ্জামান ঠান্ডু, কালিহাতীতে আয়নাল হক, টাঙ্গাইল সদরে মাসুরুল ইসলাম, দেলদুয়ারে মোশারফ হোসেন, নাগরপুরে শহিদুল ইসলাম, বাসাইলে নাসির খান, সখীপুরে আনোয়ার হোসেন তালুকদার ও মির্জাপুরে তাহেরুল ইসলাম বিজয়ী হয়েছেন।
সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে মাহমুদা বেগম (ধনবাড়ী, মধুপুর, গোপালপুর), রাজিয়া সিদ্দিকী (ঘাটাইল, কালিহাতী, ভূঞাপুর), শিমু খান (সদর, নাগরপুর, দেলদুয়ার) ও খালেদা সিদ্দিকী (মির্জাপুর, বাসাইল, সখীপুর)।
প্রসঙ্গত, টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে ফজলুর রহমান খান ফারুক এবং মধুপুরের সদস্য পদে খন্দকার শফিউদ্দিন মনি বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে বোনের বাড়ি বেড়াতে এসে ধর্ষণের শিকার হয়েছে এক কিশোরী (১৪)। শনিবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার লাউহাটি এলাকার একটি পরিত্যাক্ত বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় ওই দিন রাতেই ভুক্তভোগী কিশোরী বাদী হয়ে দেলদুয়ার থানায় তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। তবে এখনও কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।
ওই কিশোরী জানায়, শনিবার দুপুরে বোনের বাড়ি বেড়াতে আসে সে। পরে সেখান থেকে একাই ঘুরতে বের হয়। এসময় স্থানীয় তিন বখাটে তাকে একটি নির্জন বাড়িতে নিয়ে যায়। একপর্যায়ে দুই বখাটের পাহারায় একজন তাকে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়।
এ বিষয়ে দেলদুয়ার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাছির উদ্দীন মৃধা জানান, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের অভিযান অব্যাহত আছে। ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ওই কিশোরীকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসহাতালে পাঠানো হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অসুস্থ বোনকে দেখেতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক তরুণী (১৯)।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত আব্দুল হাইকে (২৫) গ্রেপ্তার করেছে ধনবাড়ী থানার পুলিশ। ধর্ষণে অপর সহযোগী আল-আমিন পলাতক রয়েছেন। তাঁরা উভয়েই ওই হাসপাতালের নৈশপ্রহরী পদে কর্মরত।
রোববার (১৬ অক্টোবর) ভুক্তভোগী তরুণী বাদী হয়ে ধনবাড়ী থানায় মামলা দায়ের করেছে। তাঁকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
অভিযুক্ত আব্দুল হাই উপজেলার ধোপাখালী ইউনিয়নের নরিল্যা গ্রামের আবু হানিফের ছেলে, অপর অভিযুক্ত আল-আমিন একই গ্রামের বাসিন্দা।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১৩ অক্টোবর) ধনবাড়ী হাসপাতালে ধর্ষণের ঘটনাটি ঘটে।
ভুক্তভোগী তরুণী জানান, গত বুধবার (১২ অক্টোবর) বড় বোন অসুস্থ হলে তাঁকে ধনবাড়ী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাতপাতালে বোনকে দেখতে এসে আ. হাইয়ের সঙ্গে পরিচয় হলে তিনি কৌশলে মোবাইল নম্বর নেন। তারপর তিনি নানাভাবে সহযোগিতার কথা বলেন। এরপর গত বৃহস্পতিবার হাসপাতালের একটি কক্ষে নিয়ে ধর্ষণ করেন আব্দুল হাই। তাঁকে সহযোগিতা করেন আল-আমিন। পরদিন আবারও ধর্ষণ করেন আব্দুল হাই।
উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শাহানাজ সুলতানা জানান, ‘এ ব্যাপারে থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। আইনের প্রতি আমরা সবাই শ্রদ্ধাশীল।’
ধনবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এইচএম জসিম উদ্দিন জানান, ‘মেয়েটি বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছে। অভিযুক্ত আ. হাইকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সহযোগী আল-আমিনকেও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে বাড়ির পাশের ডোবার পানিতে পড়ে সুজন দেবনাথ (৩৫) নামে এক এনজিওকর্মীর মৃত্যু হয়েছে। তিনি মৃগী রোগে আক্রান্ত ছিলেন।
শনিবার (১৫ অক্টোবর) সকালে উপজেলার জামুরিয়া ইউনিয়নের হেলনাপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আজহারুল ইসলাম সরকার।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, সুজন দেবনাথ উপজেলার জামুরিয়া ইউনিয়নের হেলনাপাড়া গ্রামের কানসেন দেবনাথের ছেলে। তিনি স্থানীয় একটি এনজিওতে কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে কাজ করতেন। তিন মাস আগে তিনি বিয়ে করেন। স্ত্রী বাবার বাড়িতে যাওয়ায় গত রাতে তিনি বাড়িতে একাই ছিলেন। শনিবার সকালে প্রতিবেশীরা সুজনের থাকার ঘরের দরজা খোলা দেখতে পেলেও তাকে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে প্রতিবেশীরা তার পায়ের স্যান্ডেল বাড়ির পাশের ডোবায় ভাসতে দেখে সুজনের আত্মীয়-স্বজন, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যদের জানায়। খবর পেয়ে দুপুরে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিদল এসে ডোবা থেকে সুজনের মৃতদেহ উদ্ধার করে।
সুজনের চাচাতো ভাই প্রবীর দেবনাথ জানান, সুজনের মৃগী রোগ ছিল। এ রোগের কারণে ডোবার পানিতে পড়ে গিয়ে পানিতে ডুবে তার মৃত্যু হতে পারে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে আনোয়ারা বেগম (২৭) নামের এক গৃহবধূকে হত্যা মামলায় স্বামী মুফাজ্জল হোসেন ওরফে মুবাজকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১৩ অক্টোবর) রাতে ঘাটাইল উপজেলার মুরাদ গ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানায়, আনোয়ারা বেগম ও মুফাজ্জল হোসেন দম্পতি উপজেলার আজচগানা ইউনিয়নের বেলতৈল হাটুভাঙ্গা বাজারের শাহিদের বাড়িতে তাদের সাত বছরের পুত্র আশিককে নিয়ে ভাড়া থাকতেন। বুধবার সকালে ওই গৃহবধূর ঘরের বাইরে থেকে দরজার শিকল আটকানো ছিলো।
ঘরের ভেতর বাচ্চার কান্নার শব্দ শুনে বাড়ির মালিকের স্ত্রী দরজার শিকল খুলে ঘরের ভেতর গিয়ে দেখেন বাচ্চাটি বসে কান্না করছে আর গৃহবধূর নিথর দেহ পড়ে আছে। খবর পেয়ে মির্জাপুর থানা ও বাশহৈতল ফাঁড়ি পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
এই ঘটনায় নিহতের বড় ভাই আবুল হোসেন বাদী হয়ে ওইদিনই মির্জাপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। দুইদিন ধরে অভিযান চালিয়ে পুলিশ বৃহস্পতিবার রাতে মুবাজকে তার গ্রামের বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে।
স্থানীয়রা জানায়, আনোয়ারা তার প্রথম স্বামী ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা এলাকার পলাশ মিয়াকে মাদক সেবন থেকে ফেরাতে না পেরে কয়েক বছর আগে ডিভোর্স দেন।
মির্জাপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম জানান, বৃহস্পতিবার অভিযুক্ত মুফাজ্জল হোসেন ওরফে মুবাজকে গ্রেপ্তার করা হয়। শুক্রবার (১৪ অক্টোবর) সকালে তাকে আদালতের মাধ্যমে টাঙ্গাইল জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গইল জেলা পরিষদ নির্বাচনে দেলদুয়ারে (৯ নং ওয়ার্ড) সদস্য পদে স্থানীয় সংসদ সদস্য তার পছন্দের প্রার্থীকে বিজয়ী করার জন্য প্রভাব বিস্তার করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ আসনের সদস্য পদের প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো. মোশারফ হোসেন জেলা পরিষদের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকের কাছে এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ করেছেন।
মোশারফ হোসেন “তালা প্রতীক” নিয়ে প্রতিদ্বন্দিতা করছেন।
স্থানীয় সংসদ সদস্য আহসানুল ইসলাম ওরফে টিটু সমর্থন করছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এস প্রতাব মুকুলকে।
প্রতাব মুকুল “টিউবওয়েল প্রতীক” নিয়ে প্রতিদ্বন্দিতা করছেন।
এছাড়াও এই আসনে সদস্য পদে আরো দুই প্রার্থী প্রতিদ্বন্দিতা করছেন। তারা হচ্ছেন, গোলাম কিবরিয়া (হাতী প্রতীক) ও প্রভাংশু রঞ্জন সোম (ঘুরি প্রতীক)।
মো. মোশারফ হোসেনের লিখিত অভিযোগ থেকে জানা যায়, নির্বাচনী প্রচারণা করতে গিয়ে তিনি বাধাগ্রস্ত হচ্ছেন। স্থানীয় সংসদ সদস্য তার মনোনীত প্রার্থীকে বিজয়ী করার জন্য নানা রকম প্রদক্ষেপ গ্রহণ করছেন। তিনি ইতিমধ্যে, আটটি ইউনিয়নের ভোটারদের (ইউপি চেয়ারম্যান ও সদস্য) নিয়ে দুটি সভা করেছেন। সে সভায় তার মনোনীত প্রার্থী বিজয়ী হলে প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে টিআর দিবেন। তাদের নিকট থেকে প্রকল্পের তালিকাও জমা নিয়েছেন।
সভায় সংসদ সদস্য বলেছেন, তিনি ভোট কেন্দ্রে অবস্থান করে যে কোন মূল্যে ভোটারদের কাছ থেকে ভোট আদায় করবেন। ভোটারদের তার প্রার্থীকে ভোট দিয়ে মুঠোফোনে তাকে দেখাতে হবে বলে জানিয়েছেন। সংসদ সদস্য প্রত্যেকটি ইউনিয়নে ঘুরে ঘুরে ভোটারদের প্রলোভন দেখাচ্ছে বলে ওই আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে সংসদ সদস্য আহসানুল ইসলাম টিটু জানান, লিখিত অভিযোগ দেয়ার বিষয়টি তিনি জানেন না। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন যে ব্যবস্থা নেয় নিক।
দেলদুয়ার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক লায়ন এম শিবলী সাদিক জানান, জেলা পরিষদের সদস্য পদে দলীয়ভাবে মনোনয়ন দেয়া হয়নি। দেলদুয়ার থেকে দলের দুই জন সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দিতা করছেন। নেতা কর্মীরা আশা করেছিলো সংসদ সদস্য সবার অভিভাবক। তিনি নিরপেক্ষ থাকবেন। কিন্তু একজন প্রার্থীর পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন তিনি। নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে ভোট নেয়ার জন্য প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ব্যাপারে রিটার্নিং কর্মকর্তাকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে যমুনা নদীতে মা ইলিশ ধরার অপরাধে ১৪ জেলেকে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় জেলেদের কাছ থেকে উদ্ধার করা এক লাখ মিটার জাল পুড়িয়ে দেয়া হয়।
বৃহস্পতিবার (১৩ অক্টোবর) ভূঞাপুর উপজেলার গোবিন্দাসী, নিকরাইল, গাবসারা ও অর্জুনা ইউনিয়নের যমুনা নদীতে অভিযান চালিয়ে ১৪ জেলেকে ইলিশ ধরার জালসহ আটক করা হয়।
পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোছা. ইশরাত জাহান ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে প্রত্যেককে ৫ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেন।
অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত জেলেরা হলেন – শহীদ, শাহ আলম, আব্দুল হাকিম, আলিমুদ্দিন, সাইফুল, হযরত আলী, সাইফুল, আলমগীর, জসিম, মুঞ্জর আলী, সুরুজ্জামান, মজিদ, আব্দুল্লাহ ও কামরুল। তারা সবাই উপজেলার গাবসারা ইউনিয়নের বাসিন্দা।
এ বিষয়ে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সুদীপ ভট্টাচার্য্য জানান, সরকারি নির্দেশ অমান্য করে জেলেরা যমুনা নদীতে মা ইলিশ ধরছিল। খবর পেয়ে যমুনা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে পুলিশের সহায়তায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ইলিশ ধরার জালসহ ১৪ জেলেকে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাদের অর্থদণ্ড প্রদান করেন। এ সময় এক লাখ মিটার উদ্ধার হওয়া জাল পুড়িয়ে দেয়া হয়।