মোস্তাফিজুর রহমান মারুফ (প্রকাশক)

টাঙ্গাইলে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশের লাঠিচার্জের অভিযোগ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশের লাঠিচার্জের অভিযোগ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশ লাঠিচার্জ করেছে বলে অভিযোগ করেছেন দলটির নেতাকর্মীরা। সোমবার (১৬ জানুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

বিএনপি নেতাদের দাবি, শান্তিপূর্ণ মিছিলে পুলিশ লাঠিচার্জে চালিয়ে তাদের চার নেতাকর্মীকে আহত করেছে। তবে লাঠিচার্জের বিষয়টি নাকচ করেছেন ঘাটাইল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) পলাশ আহমেদ।

উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শাহীনুর রহমান শাহীন বলেন, ‘তেল, গ্যাস, বিদ্যুৎসহ নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদ এবং খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করে উপজেলা বিএনপি। মিছিলটি ঘাটাইল কলেজ মোড় এলাকায় পৌঁছালে পেছন থেকে এলোপাথাড়ি লাঠিচার্জ করে পুলিশ। এতে আমাদের চার নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।’

ঘাটাইল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) পলাশ আহমেদ বলেন, ‘কোনো প্রকার লাঠিচার্জ করা হয়নি। বিএনপির নেতাকর্মীরা উপজেলার ভেতরে একত্রিত হওয়ার চেষ্টা করছিল। তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেওয়া হয়েছে।’

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৭. জানুয়ারী ২০২৩ ১২:১৬:এএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ইয়াবাসহ এক তরূণ গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ইয়াবাসহ এক তরূণ গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে ৪৭ পিস ইয়াবাসহ লাবিব বিন বিল্লালকে (২০) গ্রেপ্তার করেছে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। গ্রেপ্তার হওয়া লাবিব বিন বিল্লাল ইয়াবা ব্যবসায়ের সঙ্গে জড়িত। শুক্রবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার জেলখানা মোড়ের কুঁড়েঘর কফি হাউজ থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। লাবিব উপজেলার অবিভক্ত কালিয়া ইউনিয়নের (আড়াইপাড়া গ্রাম) ২নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য বিল্লাল হোসেনের ছেলে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ময়মনসিংহের মুক্তাগাছার আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) এর নয় সদস্যসের একটি বিশেষ দল সখীপুর উপজেলা থেকে এক ইয়াবা ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে। এই চক্রের আরও একজন সুমন মিয়া (৩০) পালিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, লাবিব দীর্ঘদিন ধরে সখীপুর উপজেলাসহ টাঙ্গাইলের বিভিন্ন অঞ্চলে ইয়াবা বিক্রি ও সরবরাহ করে আসছে।

সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মো. রেজাউল করিম বলেন, ইয়াবা ব্যবসায়ীর নামে থানায় মামলা হয়েছে। শনিবার সকালে তাকে আদালতে প্রেরণ করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪. জানুয়ারী ২০২৩ ০৭:০৯:পিএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ট্রেনের ধাক্কায় আহত শিশুটি এখন ঢাকা মেডিক্যালে - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ট্রেনের ধাক্কায় আহত শিশুটি এখন ঢাকা মেডিক্যালে

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে ট্রেনের ধাক্কায় গুরুতর আহত শিশুটির পরিচয় মিলেছে। শিশুটির নাম তাওহীদ। সে পশ্চিম ভূঞাপুর গ্রামের লাল মিয়ার ছেলে।

বুধবার (১১ জানুয়ারি) মায়ের সাথে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় মামার বাড়ি মোমিনপুর গ্রামে যাচ্ছিলো। ট্রেনের ধাক্কায় অটোরিকশার তিন আরোহী মারা যান। নিহতদের মধ্যে শিশু তাওহীদের মা নার্গিস বেগম (২৫) রয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১২ জানুয়ারি) ভোরে আহত তাওহীদকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তার চিকিৎসার ব্যয় বহন করা হবে।

এরআগে অজ্ঞাত শিশু হিসেবে তাওহীদকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মাথায় আঘাত পাওয়া তাওহীদকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানোর পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। কিন্তু তার কোনো স্বজন না থাকায় ঢাকায় নেওয়া যাচ্ছিলো না। রাতে তাওহীদের পরিচয় পাওয়া যায়। তার চাচা তারা মিয়া রাত ১২ টার দিকে ঢাকার নিউরো সায়েন্স হাসপাতালের উদ্দেশ্যে রওনা হন।

তারা মিয়া বৃহস্পতিবার সকালে জানান, নিউরো সায়েন্স হাসপাতালে পরীক্ষা নিরিক্ষার পর চিকিৎসকরা ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন। পরে ভোর চার টার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এ দিকে শিশু তাওহীদকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে বুধবার রাতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ওলিউজ্জামান ও ডেপুটি নেজারত কালেক্টর (এনডিসি) মো. খায়রুল ইসলাম দেখতে যান। খায়রুল ইসলাম জানান শিশু তাওহীদের চিকিৎসার ব্যয় জেলা প্রশাসন বহন করবে।

এ দিকে বৃহস্পতিবার সকালে ভূঞাপুরের মোমিনপুর গ্রামে তাওহীদের মা নার্গিস বেগমের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। দাফনের পর তাওহীদের বাবা লাল মিয়া ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. জানুয়ারী ২০২৩ ০৬:৫১:পিএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে আট বছর পর যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি আটক - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে আট বছর পর যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি আটক

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে প্রায় আট বছর পর হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত এক আসামিকে আটক করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) সদস্যরা।

শুক্রবার (১৩ জানুয়ারি) সকালে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার সূত্রাপুর এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

আটক ওই আসামির নাম নুরু (৬৫)। তিনি টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার কাঞ্চনপুর ইউনিয়নের সাকনাইর চর গ্রামের মৃত আব্দুল আলী ঠাণ্ডুর ছেলে।

র‌্যাব-১৪ এর ৩ নম্বর কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিউদ্দীন মোহাম্মদ যোবায়ের জানান, ১৯৯৪ সালের মির্জাপুর উপজেলার একটি হত্যা মামলায় নুরু আসামি ছিলেন। ওই মামলায় ২০১৫ সালের ১৫ অক্টোবর টাঙ্গাইল অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতে তার যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ হয়।

ওই মামলার বিচার চলাকালীন সময় থেকেই আসামি নুরু পলাতক ছিলেন।
র‌্যাব জানায়, নুরু কালিয়াকৈরের সূত্রাপুর এলাকায় নিজেকে নাজমুল নামে পরিচয় দিতেন। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে তাকে আটক করা হয় এবং জিজ্ঞাসাবাদে তিনি নিজের প্রকৃত পরিচয় নুরু বলে জানান। তাকে বাসাইল থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪. জানুয়ারী ২০২৩ ০৭:১৮:এএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ‘শাশুড়ির পিটুনিতে’ জামাতার মৃত্যুর অভিযোগ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ‘শাশুড়ির পিটুনিতে’ জামাতার মৃত্যুর অভিযোগ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে পারিবারিক কলহের জেরে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।

বৃহস্পতিবার (১২ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার পৌলী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত ওই ব্যক্তির নাম আবুল মাজম (৫০)। তিনি ওই গ্রামের মৃত আক্কেল আলীর ছেলে।

স্থানীয়রা জানায়, ওই গ্রামের আজাহার মিয়ার ছেলে বাবুল মন্ডলের সাথে পাশ্ববর্তী স্বরপপুর গ্রামের আব্দুল বারেকের মেয়ের বিয়ে হয়। বুধবার রাতে বাবুলের সাথে তার স্ত্রীর ঝগড়া হয়। বিষয়টি জানতে পেরে বাবুলের শ্বশুর আব্দুল বারেক, শ্বাশুরী আনোয়ারা বেগম ও মামা শ্বশুর আফসার আলী বৃহস্পতিবার সকাল ৯ টার দিকে তাদের বাড়িতে যান।

এ সময় বাবুল ঘরে বসে খাবার খাচ্ছিল। পেছন থেকে তার শ্বাশুরী আনোয়ারা বেগম তাকে লাঠি দিয়ে পেটাতে থাকে। বাবুলের আত্মচিৎকার তার চাচাতো ভাই আবুল মাজম এগিয়ে আসলে তাকেও লাঠি দিয়ে আঘাত করে। এতে মাজম মাটিতে লুটিয়ে পড়লে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়ার সময় তার মৃত্যু হয়। পরে স্থানীয়রা আনোয়ারা বেগম, বারেক ও আফসারকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।

স্থানীয় কাউন্সিলর শুকুমার ঘোষ জানান, পারিবারিক কলহের জেরে বাবুলকে পেটানো হয়। মাজম এগিয়ে গেলে তাকে পেটানো হলে তিনি নিহত হন।

কালিহাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান জানান, লাশটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।। তবে প্রাথমিক জিজ্ঞাসার জন্য ৪ জনকে আটক করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. জানুয়ারী ২০২৩ ০১:৫৩:এএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ট্রেনের ধাক্কায় অ‌টো‌রিকশার ৩ যাত্রী নিহত, আহত ৫ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ট্রেনের ধাক্কায় অ‌টো‌রিকশার ৩ যাত্রী নিহত, আহত ৫

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে অরক্ষিত রেল ক্রসিংয়ে ট্রেনের ধাক্কায় অ‌টো‌রিকশার তিন যাত্রী নিহত হ‌য়েছেন। এই ঘটানায় গুরুত্বর আহত হয়েছে দুই শিশুসহ পাঁচজন।

বুধবার (১১ জানুয়া‌রি) সকাল ১১টার দিকে তারাকা‌ন্দি-বঙ্গবন্ধু সেতু রেললাই‌নের উপ‌জেলার ফলদা ইউ‌নিয়নের ঢেপাকা‌ন্দি এলাকায় রেলক্রসিং‌য়ে এই ঘটনা ঘ‌টে।

নিহতদের মধ্যে দুই জনের পরিচয় পাওয়া গেছে।

তারা হচ্ছেন- ভূঞাপুর উপজেলার ফলদা গ্রামের আগতেরিল্লা গ্রামের আলমগীর হোসেনের স্ত্রী লাবনী আক্তার (২৫) ও একই গ্রামের সংগ্রাম আলীর মেয়ে জান্নাতি (১)। নিহত অপর নারীর পরিচয় পাওয়া যায়নি।
আহতদের উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। নিহতদের মধ্যে দুইজনের মরদেহ ভূঞাপুর থানায় ও অপর একজনের মরদেহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রয়েছে।

এ বিষয়ে ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম জানান, জামালপুরের তারাকান্দি থেকে ছেড়ে আসা বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব রেলস্টেশনগামী একটি ট্রেন ভূঞাপুর উপজেলার ঢেপাকা‌ন্দি রেলক্রসিং পার হওয়ার সময় একটি অটোরিকশাকে ধাক্কা দেয়। এতে অটোরিকশায় থাকা তিন যাত্রী ঘটনাস্থলেই নিহত হয়। ওই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও পাঁচ যাত্রী।

তিনি আরো জানান,অটোরিকশাটি ভূঞাপুর থেকে যাত্রী নিয়ে ফলদা বাজারে যাচ্ছিল। গুরুতর আহতাবস্থায় পাঁচজনকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. জানুয়ারী ২০২৩ ০৯:০৪:পিএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলের সখীপুরে ঐতিহ্যবাহী ঘোড়দৌড়ে হাজারো জনতার ঢল - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলের সখীপুরে ঐতিহ্যবাহী ঘোড়দৌড়ে হাজারো জনতার ঢল

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে গ্রামীণ ঐতিহ্যবাহী ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা দেখতে হাজারো মানুষের ঢল নামে। সোমবার (৯ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলার ইছাদিঘী গ্রামের পাথার বাইদে এ প্রতিযোগিতা হয়।

আগের দিনই স্থানীয়দের বাড়ি ভরে যায় আত্মীয়-স্বজনে। শীত আর ঘনকুয়াশার মধ্যেও প্রতিযোগিতা উপভোগ করতে হাজার হাজার নারী-পুরুষ ভিড় জমান।

ইছাদিঘী গ্রামবাসীর উদ্যোগে আয়োজিত ১৬তম ঘোড়দৌড় প্রতিযোগীতা উদ্বোধন করেন সখীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শওকত শিকদার।

প্রধান অতিথি ছিলেন ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য শিল্পপতি আলহাজ্ব এমএ ওয়াহেদ।

আলহাজ্ব এম এ হাকিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য অনুপম শাহজাহান জয়, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি আতিকুর রহমান বুলবুল, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক শিক্ষা ও মানব সম্পদ বিষয়ক শেখ চান মাহমুদ, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম কাজী বাদল, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জাহানারা লুৎফা, বিআরডিবির চেয়ারম্যান কে বিএম রুহুল আমিন, গজারিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নূরুল আমিন গজারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এড. আনোয়ার হোসে প্রমুখ।

দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা ৪৮টি ঘোড়া ছয়টি গ্রুপে এ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে হয়। প্রতিযোগিতা দেখতে টাঙ্গাইলের সখীপুর ও ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলাসহ আশপাশের কয়েকটি উপজেলার প্রায় ৫০ হাজার দর্শনার্থী সমবেত হয়। চাঁপাইনবাবগঞ্জের মেয়ে সোনিয়া আক্তার দর্শনার্থীদের মণ জয় করেন।

অনুষ্ঠান শেষে অতিথিরা বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. জানুয়ারী ২০২৩ ০৩:৪৬:এএম ১ বছর আগে
শীতকালে ৫ কারণে ত্বক হয়ে যেতে পারে শুষ্ক - Ekotar Kantho

শীতকালে ৫ কারণে ত্বক হয়ে যেতে পারে শুষ্ক

একতার কণ্ঠঃ শীতকালে সাধারণত তাপমাত্রা অনেকটাই কম থাকে এবং আবহাওয়া থাকে শুষ্ক। আর এ সময়টায় দেখা দেওয়া সমস্যাগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি হচ্ছে— ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়া।

এ সময়টায় অনেকের উজ্জ্বল ত্বকও গ্রীষ্মের রোদের মতো শুকনো ও খিটখিটে ত্বকে রূপান্তরিত হয়। আর এমন ক্ষেত্রে ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়ার পাশাপাশি তাতে চুলকানি এবং লালভাবও দেখা দিতে পারে।

ত্বকের শুষ্কতা দূর করতে অনেকেই অনেক ধরনের ক্রিম ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু শুধু এটুকুতেই যথেষ্ট নয়। ত্বককে ভালো রাখতে জানুন কেন ত্বক শুষ্ক হয় আর সেই অনুযায়ী কিছু অভ্যাসের পরিবর্তনেই আপনার ত্বক আরও ভালো থাকতে পারে। শীতকালে যে ৫ কারণে ত্বক হয়ে যেতে পারে শুষ্ক তা নিয়েই রইল আজকের টিপস—

১. অতিরিক্ত ত্বক ধোয়ার কারণে
আপনার মুখ অতিরিক্ত পরিমাণে ধোয়ার কারণে ত্বকের প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজিং ফ্যাক্টর হারিয়ে যায়। আর এটি পরবর্তী ছয় ঘণ্টা ত্বকে আর ফিরে আসে না। ত্বক ধোয়ার পরে ময়েশ্চারাইজ না করা হয়, তা হলে আপনার ত্বক তার সব প্রাকৃতিক তেল হারিয়ে ফেলতে পারে, যা এটিকে টানটান ও শুষ্ক করে তোলে।

তাই আপনার যখন প্রয়োজন শুধু তখনই ত্বক পরিষ্কার করুন। আর ত্বক পরিষ্কারের পরে অবশ্যই ত্বক ময়েশ্চারাইজ করে নিতে হবে।

২. গরম পনি দিয়ে গোসল করলে
শীতকালে গরম পানি দিয়ে গোসল করা আরামদায়ক হলেও এটির একটি খারাপ দিক রয়েছে। আর তা হচ্ছে অত্যধিক গরম পানি আপনার ত্বকের ক্ষতি করতে পারে এবং শীতকালে ত্বক শুষ্ক রাখতে পারে। এ ছাড়া এটি আপনার ত্বককে লাল, ফ্ল্যাকি এবং সংবেদনশীল করে তুলতে পারে। তাই অতিরিক্ত পরিমাণে গরম পানি দিয়ে গোসল করা থেকে বিরত থাকতে পারেন।

৩. ত্বকে রাসায়নিকের ব্যবহার
ত্বকের মৃত কোষ ও ময়লা দূর করতে এক্সফোলিয়েশন গুরুত্বপূর্ণ হলেও বেশি পরিমাণে স্ক্রাব বা রাসায়নিক ব্যবহারের কারণে ত্বক শুষ্ক হতে পারে। তাই ত্বকে যতটা সম্ভব কম রাসায়নিক ব্যবহার করতে হবে আর স্ক্রাব বা পরিষ্কার করার পরেই ময়শ্চারাইজ করতে ভুলবেন না।

৪. পর্যাপ্ত পানির অভাবে
শীতকালে আপনি কী পরিমাণে পানি পান করছেন তার ওপর নজর রাখতে হবে। কারণ সঠিক হাইড্রেশন না হলেও ত্বকের শুষ্কতা বেশি দেখা দিতে পারে ও ত্বক ক্র্যাক করতে থাকে। তাই ত্বকের সুরক্ষার জন্য হলেও পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করতে হবে।

৫. ত্বকে সঠিক ময়শ্চারাইজিং
শীতকালে ত্বকের প্রাকৃতিক তেল অনেক সময় কমে যেতে পারে। তাই এ সময় ত্বকে সঠিক ময়শ্চারাইজিং অনেক গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক ময়শ্চারাইজিং করলে তা ত্বকের প্রাকৃতিক তেলকে লক করতে সাহায্য করতে পারে ও ত্বকের শুষ্কতা দূর করতে পারে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৬. জানুয়ারী ২০২৩ ০৫:২৪:এএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে রেল সেতুর স্লিপার ক্লিপে নাট-বল্টুর পরিবর্তে কাঠের কুচি - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে রেল সেতুর স্লিপার ক্লিপে নাট-বল্টুর পরিবর্তে কাঠের কুচি

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে রেল সেতুর স্লিপার ক্লিপে নাট-বল্টুর (ডগ ক্লিপ) পরিবর্তে ব্যবহার হচ্ছে কাঠের কুচি। এমটাই ঘটেছে ঢাকা-উত্তরবঙ্গ রেলপথের কালিহাতী উপজেলার কয়েকটি রেল সেতুতে। সেতুগুলোর নষ্ট হওয়া লোহার ক্লিপে নাট-বল্টুর পরিবর্তে দেওয়া হয়েছে কাঠের কুচি।

তবে, ঝুঁকিপূর্ণ এই রেলপথ মেরামতে থাকা শ্রমিকদের দাবি, নাট-বল্টু চুরি আর মরিচা ধরে নষ্ট হয়ে যায়। এ অবস্থায় রেল চলাচলে সুবিধায় কাঠের ওই কুচি লাগানো হচ্ছে। কাঠের কুচির কারণে ট্রেন চলাচলে কোনো অসুবিধা হবে না বলেও দাবি তাদের।

রেলওয়ে সূত্র জানায়, ঈশ্বরদী থেকে থেকে ঢাকার জয়দেবপুর পর্যন্ত ৩০৪ কিলোমিটার রেলপথের বঙ্গবন্ধু সেতু থেকে কালিহাতীর এলেঙ্গা পর্যন্ত ছোট-বড় ছয়টি রেল সেতু রয়েছে। এর মধ্যে প্রত্যেকটি সেতুর স্লিপার আটকানো লোহার ক্লিপ দিয়ে। সম্প্রতি কিছু ক্লিপ চুরি ও মরিচা ধরে নষ্ট হলে লোহার ক্লিপের পরিবর্তে কাঠের কুচি লাগানো হয়েছে।

বঙ্গবন্ধু সেতু রেলপথের কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা এলাকায় দেখা যায়, রেলপথ মেরামতে কাজ করছেন শ্রমিকরা। প্রতিটি রেল সেতুতেই স্লিপার আটকানো হয়েছে কাঠের কুচি দিয়ে। এছাড়া কাচের ওই কুচিগুলো স্লিপারের ভেতরে ঠুকাতে হাতুড়ি দিয়ে পেটানো হচ্ছে।

টাঙ্গাইল ঘারিন্দা স্টেশনের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, কোনোভাবেই স্লিপার আটকানোর জন্য নাট-বল্টুর (ডক পিন) পরিবর্তে কাঠের কুচি বা অন্যকিছু ব্যবহার করা যাবে না। কারণ যখন ট্রেন চলে তখন স্লিপারগুলো ওঠানামা করে। এজন্য এটি স্থির রাখতে ডক পিন বা নাট-বল্টু ব্যবহার করা হয়। স্লিপারে কাঠের কুচি ব্যবহার করলে যেকোনো সময় ছুটে গিয়ে রেল দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

তবে এ বিষয়ে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের বিভাগীয় প্রকৌশলী-২ (পাকশী) বীরবল মণ্ডল বলেন, স্লিপার রেলের লোড বহন করে না। একটি স্লিপার অন্যটির সঙ্গে যেন না লাগে সে কারণে এখানে নাট-বল্টু (ডক পিন) ব্যবহার করা হয়। নাট-বল্টু বা ডক পিন নষ্ট হলে সেখানে কাঠের কুচি ব্যবহার করা যায়। অনেক সময় চুরি রোধে ডক পিনের পরিবর্তে কাঠের কুচি ব্যবহার করা হচ্ছে।

এতে রেল চলাচলে কোনোরকম ঝুঁকি নেই বলেও দাবি করেছেন এ কর্মকর্তা।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০১. জানুয়ারী ২০২৩ ১২:৩৯:এএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলের লৌহজং নদীতে ভাসছিল মর‌দেহ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলের লৌহজং নদীতে ভাসছিল মর‌দেহ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কা‌লিহাতী‌ উপজেলায় লৌহজং নদী থে‌কে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব‌্যক্তির মর‌দেহ উদ্ধার ক‌রে‌ছে পু‌লিশ। তার বয়স আনুমানিক ৪০ বছর।

বুধবার (২৮ ডি‌সেম্বর) রাত ৮টার দি‌কে উপ‌জেলার জোকারচর সংলগ্ন লৌহজং নদী‌ থে‌কে মর‌দে‌হটি উদ্ধার ক‌রা হয়।

বৃহস্প‌তিবার (২৯ ডিসেম্বর) সকা‌লে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব নৌ-পু‌লিশ ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ম‌নিরুল ইসলাম জানান, লৌহজং নদী‌তে রাতে একটি মর‌দেহ ভাসতে দেখে পু‌লি‌শে খবর দেন স্থানীয়রা।

প‌রে পু‌লিশ গি‌য়ে মরদেহ উদ্ধার ক‌রে। প‌রে সকালে মরদেহ ময়নাতদ‌ন্তের জন‌্য টাঙ্গাইল‌ জেনা‌রেল হাসপাতাল ম‌র্গে পাঠানো হয়।

তার প‌রিচয় জানার চেষ্টা চলছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. ডিসেম্বর ২০২২ ০৭:৪৫:এএম ১ বছর আগে
বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলা: জামিন পাননি টাঙ্গাইলের সাবেক মেয়র মুক্তি - Ekotar Kantho

বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলা: জামিন পাননি টাঙ্গাইলের সাবেক মেয়র মুক্তি

একতার কণ্ঠঃ আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যার ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি হাইকোর্টে জামিন পাননি। তার জামিন আবেদনটি ফেরত দিয়েছেন আদালত।

এ সংক্রান্ত বিষয়ে শুনানি নিয়ে বুধবার (২৮ ডিসেম্বর) হাইকোর্টের বিচারপতি মো. সেলিম ও বিচারপতি মো. আতাবুল্লাহ’র সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ তার জামিন আবেদন ফেরত দেন।

আদালতে এদিন রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শাহীন আহমেদ খান। জামিন আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী এম এ মুনতাকিম।

পরে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শাহীন আহমেদ খান জানান, রাষ্ট্রপক্ষ জামিন আবেদনের বিরোধিতা করেছে। আদালত জামিন না দিয়ে আবেদন ফেরত দিয়েছেন।

মুক্তি এ মামলার আসামি টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানার ভাই। তার বাবা আতাউর রহমান খান এ আসনের বর্তমান আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য।

দীর্ঘ ছয় বছর পলাতক থাকার পর ২০২০ সালের ২ ডিসেম্বর সহিদুর রহমান খান মুক্তি আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। আদালত তার জামিন আবেদন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠিয়ে দেন।

২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদের গুলিবিদ্ধ মরদেহ তার কলেজপাড়ার বাসার কাছ থেকে উদ্ধার হয়। এ ঘটনার তিন দিন পর তার স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ২০১৪ সালের আগস্টে গোয়েন্দা পুলিশ আনিসুল ইসলাম রাজা ও মোহাম্মদ আলী নামে দুজনকে গ্রেফতার করে। আদালতে এ দুজনের দেওয়া স্বীকারোক্তিতে হত্যার সঙ্গে তৎকালীন সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানা, তার তিন ভাই টাঙ্গাইল পৌরসভার তৎকালীন মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাকন ও ছাত্রলীগের তৎকালীন কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পার জড়িত থাকার বিষয়টি উঠে আসে।

এরপর অভিযুক্তরা আত্মগোপনে চলে যান। ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে গোয়েন্দা পুলিশ আদালতে তৎকালীন সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান ও তার অপর তিন ভাইসহ ১৪ জনের নামে আদালতে অভিযোগপত্র দেন। আমানুর রহমান খান রানা ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে আত্মসমর্পণ করেন। প্রায় তিন বছর হাজতবাসের পর তিনি জামিন পেয়ে মুক্ত আছেন।

গত ১০ ফেব্রুয়ারি মুক্তিকে জামিন দেন টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা দায়রা জজ মাসুদ পারভেজ। পরে ২৮ ফেব্রুয়ারি তার অন্তর্বর্তী জামিন বাতিল করেন আদালত।

এরপর তিনি হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করেন। গত ২৭ এপ্রিল বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার কাজলের হাইকোর্ট বেঞ্চ মুক্তিকে জামিন দিয়ে রুল জারি করেন। পরে রাষ্ট্রপক্ষ জামিন স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করে। ২৮ এপ্রিল হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত করেন আপিল বিভাগ।

পরে হাইকোর্টে রুল শুনানি হয়। গত ১ সেপ্টেম্বর রুল শুনানি শেষে তার জামিন আবেদন খারিজ হয়। এরপর টাঙ্গাইল জেলা জজ আদালতে জামিন আবেদন করেন মুক্তি। গত ২৪ অক্টোবর তার জামিন আবেদন না মঞ্জুর করা হয়। পরে হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. ডিসেম্বর ২০২২ ০৪:৪১:এএম ১ বছর আগে
নদীভাঙনের শিকার ৩৩২ জন পেলেন ১ কোটি ৬৬ লাখ টাকা - Ekotar Kantho

নদীভাঙনের শিকার ৩৩২ জন পেলেন ১ কোটি ৬৬ লাখ টাকা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় ‘নদীভাঙন কবলিত এলাকার অতি দরিদ্র ও দুঃস্থদের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আর্থিক সহায়তায় কার্যক্রম বাস্তবায়ন নিমিত্তে’ ৫০ হাজার টাকা করে ৩৩২ জন অসহায় ও দুঃস্থদের মাঝে ১ কোটি ৬৬ লাখ টাকার চেক বিতরণ করা হয়েছে।

রবিবার (২৫ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে ৩টার দিকে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন হিসেনে ছিলেন টাঙ্গাইল-২ (ভূঞাপুর-গোপালপুর) আসনের সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনির।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. বেলাল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম বাবু, আলিফ নুর মিনি, ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফরিদুল ইসলাম, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জহুরুল ইসলাম উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি নুরুল ইসলাম তালুকদার মোহন, ইউপি চেয়ারম্যান মো. দুলাল হোসেন চকদার, দিদারুল আলম খান মাহবুব, শাহ আলম আকন্দ শাপলাসহ উপজেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলাটি যমুনা নদীর চরাঞ্চল বিধৌত। বর্ষা মৌসুমে প্রতিবছর এ চরাঞ্চলে অসংখ্য ঘরবাড়ি-বসতভিটা, ফসলি জমি, মসজিদ-মন্দির ও রাস্তাঘাটসহ নানা স্থাপনা ভাঙনের মুখে পড়ে। এতে করে দিশেহারা হয়ে পড়ে নদী তীরবর্তী এলাকার ভাঙনকবলিত অসংখ্য মানুষ। ভাঙনকবলিত ক্ষতিগ্রস্তদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আর্থিক সহায়তায় কার্যক্রম বাস্তবায়ন নিমিত্তে মানবিক সহায়তার আওতায় উপজেলার নিকরাইল, গাবসারা, অর্জুনা ও গোবিন্দাসীর ৩১২ জন ভাঙনকবলিতদের মাঝে এ চেক বিতরণ করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৬. ডিসেম্বর ২০২২ ০৫:৫৬:এএম ১ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।