বন্ধুকে জড়িয়ে ধরলে দূর হয় দুশ্চিন্তা, বলছে গবেষণা


০১:০০ পিএম, ৭ অগাস্ট ২০২২
বন্ধুকে জড়িয়ে ধরলে দূর হয় দুশ্চিন্তা, বলছে গবেষণা - Ekotar Kantho

একতার কণ্ঠঃ বন্ধুত্ব আমাদের মন ভালো রাখার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কারণ একাকিত্ব আমাদের টেনে নিয়ে নিয়ে যায় বিষণ্নতার দিকে। আমাদের ভালো রাখতে এবং ভালো থাকতে সাহায্য করে বন্ধুত্ব। আমাদের মানসিক স্বাস্থ্যে বন্ধুত্বের প্রভাব নিয়ে বিভিন্ন সময়ে হয়েছে গবেষণাও।

২০১৮ সালে বন্ধুত্বের ওপর একটি গবেষণা করা হয়েছিল। যেখানে দেখা যায়, বন্ধুকে জড়িয়ে ধরলেই দুশ্চিন্তা ও অ্যাংজাইটি অনেকটা কমে যায়। অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে, প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পরেও কি আমাদের জীবনে বন্ধুত্ব একইভাবে প্রভাব ফেলে? চলুন জেনে নেওয়া যাক-

বন্ধু কেন প্রয়োজন?

বন্ধুত্ব তৈরি হলে আমাদের অনুভূতি নিয়ন্ত্রণ করা অনেকটাই সহজ হয়। এটি নিজের প্রতি বিশ্বাস তৈরি করে। কমে যায় হতাশা কিংবা বিষণ্নতার উপসর্গও। বিষণ্নতা ও হতাশা কিন্তু অনেক বড় ক্ষতির কারণ হতে পারে। এক গবেষণায় দেখা গেছে, ২৭ শতাংশ মানুষ যাদের জীবনে ভালো বন্ধু ছিল, তাদের জীবনে অ্যাংজাইটি কম। তাই জীবনে ভালো থাকতে হলে বন্ধুত্ব করা জরুরি।

গবেষণায় উঠে এসেছে যে তথ্য

ফোর্বসের তরফে বন্ধুত্ব নিয়ে একটি গবেষণা করা হয়েছিল। সেখানে দেখা গেছে, যাদের তেমন ভালো কোনো বন্ধু নেই বা যাদের সামাজিক যোগাযোগ অনেকটা কম, বেশিরভাগ সময়ে তারা একাকিত্বে ভোগেন। যাদের জড়িয়ে ধরার মতো একজন বন্ধু আছেন, তাদের জীবনে দুশ্চিন্তা জায়গা পায় না। যখন আপনার নিজেকে ভীষণ একা লাগে বা আপনি একাকিত্বে ভোগেন, নিজেকে তা থেকে মুক্তি দিন। মন ভালো রাখে এমন কাজ করুন। আপনার জীবনে যদি ভালো বন্ধু থাকে তবে তাদের সঙ্গে সময় কাটানোর চেষ্টা করুন। এতে সমস্যা অনেকটাই মিটে যাবে।

নিজেকে ভালো রাখতে

আপনার প্রতিদিনের কাজগুলোই আপনার মনে প্রভাব ফেলে সবচেয়ে বেশি। সম্প্রতি দ্য এশিয়া পেসিফিক জার্নাল অফ ম্যানেজমেন্ট রিসার্চ অ্যান্ড ইনফর্মেশনে একটি স্টাডি প্রকাশ করা হয়। সেখানে উল্লেখ করা হয় এমনই একটি বিষয়। যেখানে বলা হয়, যখন কেউ তার সমস্যার কথা বন্ধুদের সঙ্গে ভাগাভাগি করেন, তখন জীবনে তার পজিটিভ প্রভাব পড়ে। নিজেরাই নিজেদের সমস্যা মিটিয়ে নেওয়া সহজ হয়। এ কারণে ভালো বন্ধু তৈরি করা জরুরি।

আড্ডা দিন

আড্ডা দেওয়াটাকে হালকা ভেবে উড়িয়ে দেবেন না। কারণ এই আড্ডার ফলে কমে যেতে পারে আপনার খারাপ লাগা, বিষণ্নতা। কমে যেতে পারে অস্বস্তি। অনেক বন্ধু থাকেন যারা বন্ধুর জন্য নানাভাবে কষ্ট করেন, সঠিক পথ দেখান। অনেক সমস্যার সমাধান করে দেন। বন্ধু, সে যে বয়সীই হোক না কেন, সে তো আপনার বন্ধুই! তাই মন খুলে তার সঙ্গে কথা বলুন, আড্ডা দিন। এতে ভালো থাকবে মানসিক স্বাস্থ্য।


পাঠকের মতামত

-মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

নিউজটি শেয়ার করুন

কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।