একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির একাংশের উদ্যোগে করোনাকালীন সংকটে অসহায় ও দুস্থদের মাঝে রান্না করা খাবার বিতরণ করা হয়েছে।
বুধবার (১১ আগস্ট) দুপুরে নিয়মিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে টাঙ্গাইল শহরের পশ্চিম আকুর টাকুর হাউজিং এলাকায় জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন স্থানীয় তিন ৩ শতাধিক ব্যক্তির মাঝে ওই প্যাকেটজাত খাবার বিতরণ করেন।
রান্না করা খাবার বিতরণ কর্মসূচিতে জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট আজিজুর রহমান দুলাল, সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক কাজী শফিকুর রহমান লিটন, সাবেক প্রচার সম্পাদক অমল ব্যনার্জী, সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোমিনুল হক খান নিক্সন, সাবেক সহ-প্রচার সম্পাদক রফিকুল ইসলাম স্বপন, জেলা শ্রমিকদলের সাবেক সভাপতি বেল্লাল চৌধুরী, সিনিয়র সহ-সভাপতি শফিকুর ইসলাম শফি, অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুবুর রহমান রিপন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় জেলা বিএনপির ও সহযোগী সংগঠনের একাংশের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রকাশ, জেলা বিএনপির কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জের ধরে প্রায় তিন বছর ধরে জেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা পৃথকভাবে দলীয় কর্মসূচি পালন করছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে করোনাকালীন (দ্বিতীয় পর্যায়) ক্ষতিগ্রস্ত ৩২ জন সাংবাদিককে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ আর্থিক সহযোগিতার চেক প্রদান করা হয়েছে। বুধবার (১১ আগস্ট) বেলা ১১ টার দিকে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে ওই চেক প্রদান করা হয়।
টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ডক্টর আতাউল গণি। বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আমিনুল ইসলাম, জেলা সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা সত্যেন্দ্র পাল।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কাজী জাকেরুল মওলা। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের যুগ্ম-সম্পাদক ইফতেখারুল অনুপম, কোষাধক্ষ্য আব্দুর রহিম, দপ্তর ও পাঠাগার সম্পাদক অরণ্য ইমতিয়াজ।
পরে সাংবাদিকদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ আর্থিক সহযোগিতার চেক প্রদান করা হয়। দ্বিতীয় পর্যায়ে টাঙ্গাইলে কর্মরত ৩২ জন সাংবাদিক ১০ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা পেয়েছেন।
আর্থিক সহায়তা পাওয়া সাংবাদিকগণ হচ্ছেনঃ সাপ্তাহিক গণবিপ্লব পত্রিকার বার্তা সম্পাদক মাসুম ফেরদৌস, সময় মিডিয়ার চিত্র সাংবাদিক রাশেদ খান, বাংলাদেশ সমাচারের স্টাফ রিপোর্টার মনিরুজ্জামান মনির, আজকের দর্পণ জেলা প্রতিনিধি দেলোয়ার হোসেন, সাপ্তাহিক পাপিয়ার প্রধান সম্পাদক সেলিম তরফদার, সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন ও তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক রাকিব আদনান, আজকের দেশবাসীর স্টাফ রিপোর্টার নিলুফা ইয়াসমিন, কালের বার্তার চীফ রিপোর্টার খোরশেদ আলম, বনিক বার্তার জেলা প্রতিনিধি পারভেজ হাসান, ডেল্টা টাইমস জেলা প্রতিনিধি এম কবির, সাম্প্রতিক দেশকাল জেলা প্রতিনিধি নওশাদ রানা সানভী, ফিনান্সিয়াল এক্স্রপ্রেস জেলা প্রতিনিধি শাহাব উদ্দিন মানিক, বাংলা টিভি জেলা প্রতিনিধি খন্দকার হাবিবুল্লাহ কামাল, বাংলাদেশের আলো জেলা প্রতিনিধি শামীম আল মামুন, একুশের বানী জেলা প্রতিনিধি মোস্তাক হোসেন, মাতৃভমির খবর জেলা প্রতিনিধি মোহাম্মদ হোসেন, বাংলাদেশ নিউজ জেলা প্রতিনিধি মাসুদুল হক, ভোরের পাতা জেলা প্রতিনিধি আব্দুস সাত্তার, দেশের কন্ঠ জেলা প্রতিনিধি আব্দুল লতিফ তালুকদার, নবচেতনা জেলা প্রতিনিধি সাব্বীর আহমেদ আব্বাসী, আমার সংবাদ জেলা প্রতিনিধি রাইসুল ইসলাম, সকালের সময় জেলা প্রতিনিধি রাশেদ খান মেনন, ভাসানীর কথার স্টাফ রিপোর্টার সুজন মিয়া, জনতার কথা পত্রিকার সহ-সম্পাদক আব্দুল কাদের, ব্যবস্থাপনা সম্পাদক মোকাদ্দেছ আলী, স্টাফ রিপোর্টার বজলুর রহমান খান সাবু, হাসান মিয়া ও জহিরুল ইসলাম, গুড মনিং জেলা প্রতিনিধি আতোয়ার রহমান, দেশবার্তা জেলা প্রতিনিধি আলমগীর হোসেন ও আজকের বসুন্ধরা জেলা প্রতিনিধি সিরাজ আল মাসুদ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর, সখীপুর ও নাগরপুর উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে মঙ্গলবার(১০ আগস্ট) এক শিশু সহ চার জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। স্ব স্ব স্থানীয়রা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া সরকারি সা’দত কলেজের অফিস সহায়ক আমিনুল ইসলাম(৩৪) ফাঁসিতে ঝুঁলে আত্মহত্যা করেছেন। মঙ্গলবার সকালে কলেজের টিনসেড ঘর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি পাশের গড়াসিন গ্রামের বাসিন্দা।
নাগরপুর উপজেলার মামুদনগর ইউনিয়নের বাড়িগ্রামের মৃত কাদেরের ছেলে মিয়া চাঁন (৬৫) সেচ পাম্প চালাতে গিয়ে বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে মঙ্গলবার সকাল ১১ টার দিকে ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরণ করেন।
এছাড়া উপজেলার ভাদ্রা ইউনিয়নের লক্ষীদিয়া এলাকায় যমুনার শাখা নদী নোয়াই থেকে মধ্য বয়সী এক অজ্ঞাত নারীর অর্ধগলিত মরদেহ পুলিশ উদ্ধার করেছে।
অপরদিকে, সখীপুর উপজেলার কালিদাস গ্রামের নমপাড়ায় মঙ্গলবার(১০ আগস্ট) সকালে ঘরের পেছনে খেলতে গিয়ে বিদ্যুতের ছেঁড়া তারে জড়িয়ে স্মৃতি রাণী সরকার(৭) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শিশুটি ওই এলাকার রতন কুমার সরকারের মেয়ে।
একতার কণ্ঠঃ বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এসএম শফিউদ্দিন আহমেদ(ওএসসি, এনডিইউ, পিএসসি) বলেছেন, সারা বাংলাদেশের মতো টাঙ্গাইল জেলায়ও করোনা পরিস্থিতি এখন উন্নতির দিকে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে সরকার একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছে- আপাতত লকডাউন শিথিল করা হচ্ছে। সেনাবাহিনীর পেট্রোল কার্যক্রমও সেইভাবে পুনর্বিন্যাস করা হবে।
তিনি বলেন, আবারও যদি করোনা পরিস্থিতি খারাপের দিকে যায়, সরকার যদি আবারও কঠোর লকডাউন দেয় তাহলে সেনাবাহিনী তার কার্যক্রম চালাবে। মঙ্গলবার(১০ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে টাঙ্গাইলে সেনাবাহিনীর অপারেশন কোভিড শিল্ড(পর্ব-২) এর আওতায় টহল কার্যক্রম পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
সেনাবাহিনী প্রধান আরও বলেন, সকলের সমন্বিত প্রচেষ্টায় করোনা পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়েছে। যে সহযোগিতা সবার কাছ থেকে পেয়েছি তাতে আমি খুব খুশি। বেসামরিক প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের সবার সাথে মিলে সেনাবাহিনী কিন্তু এবার অত্যন্ত ভালোভাবে কাজ করেছে। সব থেকে ভালো লাগছে যে সকলের সমন্বিত প্রচেষ্টার ফলে আমরা কিন্তু করোনা পরিস্থিতি অনেকটা নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হয়েছি।
আমরা যদি এইভাবে সবাই মিলে কাজ না করতাম এই পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারতো। তারপরও করোনা পরিস্থিতি তেমনটা ভালো হয়নি। তবে ইনশাল্লাাহ আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি আমরা সবাই একসাথে কাজ করলে এবং জনগণ যদি সবাই সচেতন থাকে আমাদের এই পরিস্থিতি দ্রুত অনেক উন্নতি হবে।
এর আগে তিনি হেলিকপ্টারযোগে টাঙ্গাইল স্টেডিয়ামে অবতরণ করেন। সেখান থেকে সেনা কর্মকর্তাদের নিয়ে শহরের নিরালামোড় ও ভিক্টোরিয়া রোডে টহলরত সেনাসদস্যদের কার্যক্রম পরিদর্শন ও কুশল বিনিময় করেন। এছাড়াও তিনি টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ডক্টর মো. আতাউল গনি, পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায়, পৌর মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর ও টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদের সাথে লকডাউনের বিষয়ে কথা বলেন।
এ সময় ১৯ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি ও এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল সৈয়দ তারেক হোসেন, ৯৮ সংমিশ্রিত বিগ্রেড বিগ্রেডিয়ার জেনারেল এসএম আসাদুল হক পিএসসি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের নবনির্মিত ১৫তলা ভবনের প্রথম এবং দ্বিতীয় তলায় করোনা রোগীদের চিকিৎসা কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। সোমবার(২ আগস্ট) সকালে এ উপলক্ষে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ডক্টর মো. আতাউল গনি, পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায়, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনসারী, পৌরসভার মেয়র এসএম. সিরাজুল হক আলমগীর এবং টাঙ্গাইল শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে কর্মকর্তা ও চিকিৎসকরা স্বাস্থবিধি মেনে উপস্থিত ছিলেন।
টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ডক্টর মো. আতাউল গনি জানান, টাঙ্গাইল শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ১৫ তলা বিশিষ্ট ভবনটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধন করবেন। হাসপাতাল ভবন উদ্বোধনের আগেই দেশে করোনা দুর্যোগ শুরু হওয়ায় ওই হাসপাতাল ভবনের প্রথম ও দ্বিতীয় তলা করোনা রোগীদের চিকিৎসা কাজে সাময়িকভাবে ব্যবহার করা হবে।
অপরদিকে টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন খান জানান, টাঙ্গাইল জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে চার জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়ে দুইজন ও উপসর্গ নিয়ে দুইজন মৃত্যুবরণ করেছেন। জেলায় ৯৮৯টি নমুনা পরীক্ষায় নতুন করে ২৪৭ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার শতকরা ২৪ দশমিক ৯৭ ভাগ।
তিনি জানান, এ পর্যন্ত জেলায় করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ১৪ হাজার ১৭৩ জন। আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ্য হয়ে বাড়ি ফিরেছেন সাত হাজার ৭৭৮ জন। এ পর্যন্ত জেলায় ২১৫ জন করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন।
একতার কণ্ঠঃ কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যেও দেশের বৃহৎ বঙ্গবন্ধু সেতু দিয়ে ৩৭ হাজার ৯৪০টি পণ্য ও গণপরিবহন পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে দুই কোটি ৭৮ লাখ ৫৩ হাজার ৩১০ টাকা। সোমবার (২ আগস্ট) বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের(বাসেক) বঙ্গবন্ধু সেতুর সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসানুল কবীর পাভেল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, রোববার (১ আগস্ট) সকাল ৬টা থেকে সোমবার (২ আগস্ট ) সকাল ৬টা পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব ও পশ্চিমপাড় টোলপ্লাজা দিয়ে বাস, ট্রাক, লড়ি, পিকআপ, মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার ও মোটরসাইকেল মিলিয়ে ৩৭ হাজার ৯৪০টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এরমধ্যে সেতুর পূর্ব টোলপ্লাজায় ২০ হাজার ৫৯৬ টি পরিবহনের বিপরীতে টোল আদায় হয়েছে এক কোটি ৫৪ লাখ ১১ হাজার ৭২০ টাকা এবং সেতুর পশ্চিম টোলপ্লাজায় ১৭ হাজার ৩৪৪টি পরিবহনের বিপরীতে আদায় হয়েছে এক কোটি ২৪ লাখ ৪১ হাজার ৫৯০টাকা। যানবাহনের মধ্যে ঢাকামুখী পরিবহনের চেয়ে উত্তরবঙ্গমুখী পরিবহন বেশি পার হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ বঙ্গবন্ধু সেতু-ঢাকা মহাসড়কে শ্রমিকদের কর্মস্থলে ফিরতে গণপরিবহন চালু হওয়ায় অতিরিক্ত যানবাহনের চাপে উত্তরবঙ্গমুখী লেনে ২৮ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। রোববার (১ আগস্ট) ভোর থেকে বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্বপ্রান্তের গোলচত্ত্বর থেকে টাঙ্গাইল শহরের রাবনা বাইপাস পর্যন্ত যানজট স্থায়ী হয়। মাঝে মাঝে যানজট বেড়ে ঢাকার দিকে আশেকপুর বাইপাস পর্যন্ত দীর্ঘ হয়। আবার কমে তা ঘারিন্দা ও রাবনা বাইপাসে গিয়ে ঠেকে। তবে ধীরগতিতে যান চলাচল করায় যানজট স্থায়ী রূপ নেয়নি।
রোববার সকাল ৮টা থেকে বিকাল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত সরেজমিন দেখা যায়, বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্বপ্রান্তের গোলচত্ত্বর থেকে টাঙ্গাইল শহরের আশেকপুর বাইপাস পর্যন্ত সেতুমুখী গাড়ির দীর্ঘ সারি। পক্ষান্তরে ঢাকামুখী লেনে স্বাভাবিকের চেয়ে কম গাড়ি মহাসড়ক ফাঁকা পেয়ে বেপরোয়া গতিতে যাচ্ছে।
সেতুর পূর্বপ্রান্তের গোলচত্ত্বর থেকে এলেঙ্গা পর্যন্ত চারলেন না হওয়ায় উত্তরবঙ্গমুখী যানবাহনগুলো পুরো মহাসড়ক দখল করায় যানজট আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে। ঢাকার দিকে জোকারচর, সল্লা, হাতিয়া, আনালিয়াবাড়ী, ধলাটেঙ্গর, চরভাবলা, পাথাইলকান্দি প্রভৃতি স্টেশনে এলোমেলোভাবে উত্তরবঙ্গমুখী গাড়ি জটলা সৃষ্টি করেছে। এলেঙ্গা থেকে ঢাকার দিকে পুংলী, রসুলপুর, বিক্রমহাটি, রাবনা বাইপাস, কান্দিলা, ঘারিন্দা ও আশেকপুর বাইপাস পর্যন্ত উত্তরবঙ্গমুখী লেনে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। গণপরিবহন চালু হলেও খোলা ট্রাক, পিকআপ, প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস ও মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহনে ঢাকামুখী লেনে কর্মস্থলে ফিরছে মানুষ। কাউকে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মানতে দেখা যায়নি।
উত্তরবঙ্গমুখী গাড়ির চালক সানোয়ার হোসেন, গোলাম কিবরিয়া, আহসানুল হক, গাড়ির সহকারী(হেলপার) আলতাফ, আলামিন, সালাহউদ্দিন জানান, আগেরদিন রাতে তারা পোশাকশ্রমিকদের নিয়ে চন্দ্রা, গাজীপুর, মাওনা, চক্রবর্তী, ইপিজেড, বাইপাইল, আশুলিয়া এলাকায় নামিয়ে দিয়ে খালি গাড়ি নিয়ে উত্তরাঞ্চলে ফিরছেন। সেখান থেকে যাত্রী নিয়ে আবার ঢাকার দিকে আসবেন। তারা আরও জানান, পথে উত্তরাঞ্চলগামী যাত্রী কম থাকায় খালি গাড়ি নিয়েই ফিরতে হচ্ছে।
উত্তরবঙ্গমুখী মাইক্রোবাসের যাত্রী আব্দুল হালিম, তার স্ত্রী রওশনারা জানান, তারা গাজীপুর থেকে চিকিৎসা নিতে সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর যাচ্ছেন। মহাসড়কে টাঙ্গাইল অংশের আশেকপুর থেকে গাড়ি ধীরে চলছে, ঘারিন্দায় এসে যানজটে আটকা পড়েছিল। ঘারিন্দা থেকে রসুলপুর গ্যাসপাম্প পর্যন্ত প্রায় দুই কিলোমিটার রাস্তা পেরোতে তাদের প্রায় দুই ঘণ্টা সময় লেগেছে।
যাত্রী বোঝাই পিকআপ চালক শহিদুল ইসলাম জানান, সিরাজগঞ্জ থেকে বাসা-বাড়ির মালামাল আনার জন্য গাজীপুর যাচ্ছেন। কিন্তু মহাসড়কের নানা স্টেশনে ঢাকাগামী যাত্রীরা অপেক্ষায় রয়েছে। তিনি সকালের নাস্তা করার জন্য এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে থামলে এই সুযোগে যাত্রীরা যার যার মতো পিকআপে উঠে পড়েছে। তাদেরকে মাস্ক পড়ার জন্য অনুরোধ করা হলেও কেউ শুনেনি।
এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইয়াসির আরাফাত জানান, শ্রমিকদের কর্মস্থলে ফিরতে গণপরিবহন চালু হওয়ার পর থেকে মহাসড়কে অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ রয়েছে। রাতে ঢাকামুখী লেনে চাপ ছিল, সকাল থেকে উত্তরবঙ্গমুখী লেনে যানবাহনের চাপ বেড়েছে। তবে উত্তরবঙ্গমুখী গাড়িগুলোর অধিকাংশই যাত্রী শূন্য।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সার্কিট হাউজে রোপণ করা তালিপাম গাছে ফুটেছে ‘মরণফুল’। গাছটি ২০১২ সালের ১৮ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপ-উপাচার্যের বাসা থেকে এনে টাঙ্গাইলের তৎকালীন জেলা প্রশাসক এম বজলুল করিম চৌধুরী রোপণ করেছিলেন। দীর্ঘ নয় বছর পর সেই তালিপাম গাছে ফুল ফুটেছে।
সরেজমিন দেখা যায়, তালিপাম গাছটি দেখতে অনেকটা তাল গাছের মতো। ঝড় এলে গাছটি যেন হেলে না পড়ে তার জন্য পাকাপোক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। গাছটির গোড়ার দিকে লোহার রড দিয়ে তৈরি খাঁচায় ঘিরে রাখা হয়েছে। তালিপাম গাছ একবার ফুল-ফল দিয়ে মারা যায়, তাই এর ফুলকে ‘মরণফুল’ বলা হয়ে থাকে।
ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অব নেচারের তথ্যানুযায়ী, পৃথিবীর কোথাও আর বুনো পরিবেশে তালিপাম গাছ দেখা যায় না। ঢাবি ক্যাম্পাসে থাকা শেষ তালিপাম গাছটিও ২০১০ সালে ফুল দিয়ে মরে গিয়েছিল। তবে সেই গাছের ফল থেকেই চারা তৈরি করা সম্ভব হয়েছে।
সূত্রমতে, ১৮১৯ সালে ভারতের পূর্বাঞ্চলে তালিপাম গাছের সন্ধান পেয়েছিলেন ব্রিটিশ উদ্ভিদবিজ্ঞানী উইলিয়াম রক্সবার্গ। পরে ঢাবির ফুলার রোডের পাশে ১৯৫০ সালে আরেকটি গাছ শনাক্ত করেন অধ্যাপক এম সালার খান। সে সময় পশ্চিমবঙ্গের বীরভূমে আরও একটি গাছ ছিল। সেই গাছে ১৯৭৯ সালে ফুল আসে। শতবর্ষী সেই গাছে হঠাৎ ফুল দেখে স্থানীয়রা চমকে যায়। ‘ভূতের আছর’ ভেবে ফল ধরার আগেই গাছটি তারা কেটে ফেলেন।
ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অব নেচার ১৯৯৮ সালে ঢাবির গাছটিকে বুনো পরিবেশে বিশ্বের একমাত্র তালিপাম গাছ হিসেবে ঘোষণা করে। ঢাবি প্রতিষ্ঠার আগে গাছটি লাগানো হয়েছিল। ২০০৮ সালে ওই গাছে ফোঁটে মরণফুল। জীবনচক্র মেনে ফুল থেকে ফল হয়। ২০১০ সালে গাছটি মারা যায়।
টাঙ্গাইলের নেজারত ডেপুটি কালেক্টর(এনডিসি) দীপ ভৌমিক জানান, গাছটি টাঙ্গাইলের সাবেক ডিসি এম বজলুল করিম চৌধুরীর সময় লাগানো হয়। তার জানামতে এ জাতের গাছে ৯৯ বছরের আগে ফুল ধরে না। কিন্তু এই গাছটিতে অনেক আগেই ফুল ধরেছে। রোপণ করার মাত্র নয় বছরেই গাছটিতে ফুল এসেছে- যা অত্যাশ্চার্য বটে।
টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক (ডিসি) ডক্টর মো. আতাউল গণি জানান, তালিপাম গাছটিতে ২-৩দিন আগে ফুল ফুটেছে। ধারণা করা হচ্ছে, হাউব্রিড হওয়ার কারণে এতো আগে ফুল ফুটলো। গাছটি এক বার ফুল দেওয়ার পর আবার মারাও যাবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলরের অতিরিক্ত দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন প্রফেসর ড. এআরএম সোলাইমান। বৃহস্পতিবার(২৯ জুলাই) সকালে তিনি বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল ও মওলানা ভাসানীর মাজারে পুস্পস্তবক অর্পণ ও মোনাজাত শেষে তিনি দায়িত্ব গ্রহন করেন।
এ সময় বিশ্ববিদ্যায়ের বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি প্রফেসর ড. মুহাম্মদ শাহীন উদ্দিন, সকল অনুষদের ডিন, চেয়ারম্যান, হল প্রভোস্ট, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রকাশ, গত ২৮ জুলাই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক অফিস আদেশে পরবর্তী ভাইস-চ্যান্সেলর নিয়োগ ও নবনিযুক্ত ভাইস-চ্যান্সেলর কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশ-২০০১ এর ১০(৩) ধারা অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এআরএম সোলাইমানকে নিজ দায়িত্বের অতিরিক্ত ভাইস-চ্যান্সেলরের দায়িত্ব দেওয়া হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে করোনা টিকা নেওয়ার রেজিস্ট্রেশন(নিবন্ধন) করে অতিরিক্ত টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে সাব্বির হোসেন রুবেল(৩১) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) ভোরে শহরের নগর জালফৈ(ঢাকা রোড) থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে র্যাব-১২ এর সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী কমান্ডার কমান্ডার এএসপি মো. এরশাদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। গ্রেপ্তারকৃত সাব্বির হোসেন রুবেল টাঙ্গাইল শহরের নগরজালফৈ এলাকার সামাদ মিয়ার ছেলে।
র্যাব কমান্ডার জানান, চলমান মহামারী করোনার(কোভিড-১৯) টিকা নেওয়ার রেজিস্ট্রেশন(নিবন্ধন) করে দেওয়ার কথা বলে সাব্বির হোসেন রুবেল বিভিন্ন জনের কাছ থেকে প্রতারণা করে দেড় থেকে দুই হাজার টাকা করে হাতিয়ে নিচ্ছিল। গোপনে সংবাদ পেয়ে বৃহস্পতিবার ভোরে নগর জালফৈ এলাকার আরাফ ফটোস্ট্যাট অ্যান্ড কম্পিউটারের দোকানের সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত সাব্বির হোসেন রুবেল প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে প্রতারণার মাধ্যমে টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করেছে।
র্যাব কমান্ডার আরও জানান, তার বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল সদর থানায় ১৮৬০ সালের পেনাল কোড এর ৪১৭/৪২০ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরে তাকে সদর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর মরহুম আনোয়ার সাদাৎ তানাকার স্মৃতি রক্ষার্থে ‘তানাকা স্মৃতি ফাউন্ডেশন’ নামে একটি সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘটেছে। বুধবার(২৮ জুলাই) টাঙ্গাইল শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজের চিকিৎসক মোশারফ হোসেনকে আহ্বায়ক এবং সৈয়দ হাবিবুল আলম শাতিলকে সদস্য সচিব করে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠনের মধ্য দিয়ে সংগঠনটির আত্মপ্রকাশ ঘটে।
এরআগে টাঙ্গাইল শহরের পারদিঘুলীয়ায় স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. ছানোয়ার হোসেনের রাজনৈতিক কার্যালয় ‘তৃণমূল ভবনে’ পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদ্য প্রয়াত কাউন্সিলর আনোয়ার সাদাৎ তানাকার বন্ধু মহলের উদ্যোগে এক সভা আহ্বান করা হয়। সভায় পৌরসভার জনপ্রিয় কাউন্সিলর তানাকার স্মৃতি রক্ষায় ‘তানাকা স্মৃতি ফাউন্ডেশন’ নামে একটি সংগঠন গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়। সংগঠনটি স্থানীয় মৃত ব্যক্তিদের সৎকার, অসহায়দের বিনামূল্যে চিকিৎসা, ছিন্নমূল শিশুদের উন্নয়নে ভূমিকা সহ সামাজিক-সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড পরিচালনা করবে।
প্রকাশ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ বীর বিক্রমের জ্যেষ্ঠপুত্র আনোয়ার সাদাৎ তানাকা টাঙ্গাইল পৌরসভা নির্বাচনে ৪নং ওয়াডের্র কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। গত ২০ জুন হদযন্ত্রের ক্রীয়া বন্ধ হয়ে তিনি ইন্তেকাল করেন।
একতার কণ্ঠঃ কঠোর লকডাউনের দ্বিতীয় দিনে বঙ্গবন্ধু সেতু-ঢাকা মহাসড়ক ফাঁকা। হঠাৎ দু-একটি দূরপাল্লার বাস চলাচল করতে দেখা গেলেও থ্রি হুইলারগুলো রীতিমত মহাসড়ক দখলে রেখেছে। জরুরি পণ্যপরিবহন, ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল, মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার চলাচল করতে দেখা গেছে। শনিবার (২৪ জুলাই) কঠোর লকডাউনের দ্বিতীয় দিন বঙ্গবন্ধু সেত-ঢাকা মহাসড়কে টাঙ্গাইলের রাবনা ও আশেকপুর বাইপাসে সকাল ৯টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত এ চিত্র দেখা গেছে।
সরেজমিনে উত্তরবঙ্গ থেকে যাত্রী নিয়ে শ্যামলী পরিবহনের একটি এসি বাস ঢাকার দিকে এবং মহেড়া পুলিশ ট্রেনিং সেণ্টারের একটি যাত্রীবাহী বাসকে টাঙ্গাইলে প্রবেশ করতে দেখা গেছে। এছাড়া মহাসড়ক হয়ে থ্রি হুইলারে যাত্রীরা টাঙ্গাইলের বিভিন্ন উপজেলাসহ গাজীপুরের চন্দ্রা পর্যন্ত চলাচল করছেন।
মহাসড়কে পরিবহনের অপেক্ষারত নজরুল ইসলাম নামে এক পোশাক শ্রমিক জানান, পাঁচ দিনের ঈদের ছুটিতে বাড়ি এসেছিলেন। তিনি কাজ করেন গাজীপুরের একটি পোশাক কারখানায়। শনিবার(২৪ জুলাই) রাত থেকে তার ডিউটি শুরু। তাই তিনি বাসের জন্য অপেক্ষা করছেন। মহাসড়কে বাস নাই, থ্রি হুইলার গুলো ১০০ টাকার ভাড়া দ্বিগুন হাকাচ্ছে।
স্থানীয় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সোনা মিয়া জানান, শনিবার ভোর থেকে মহাসড়কে মাত্র ৪-৫টি বাস চলাচল করতে দেখেছেন। তবে বাসগুলোতে যাত্রী ছিল কিনা- তা তিনি খেয়াল করেন নাই। শুক্রবার(২৩ জুলাই) যে হারে বাস চলছে, শনিবার তা দেখা যাচ্ছেনা।
বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম জানান, সরকারি নির্দেশনায় গণপরিবহন বন্ধ থাকায় মহাসড়ক প্রায় ফাঁকা। এ সড়কে পণ্যপরিবহনে নিয়োজিত বাহন ও কিছু ব্যক্তিগত যানবাহন ছাড়া কোন গাড়ি চলছে না। দূরপাল্লার বাস চলাচল করছে না, এরপরও কোন বাস মহাসড়কে এলে মামলা দেওয়া হচ্ছে।