একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল, পাসপোর্ট অফিস ও বিআরটিএ অফিসে সংঘবদ্ধ দালাল চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে ২৭ জন দালালকে আটক করেছে র্যাব। রোববার( ৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে র্যাব এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরে ভ্রাম্যমান আদালত আটকৃত ২৭ জনের প্রত্যেককেই ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করে।
দন্ডপ্রাপ্তরা হলো- টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার নাগবাড়ী এলাকার মৃত বজলুর রশিদের ছেলে মো: আ: আল মামুন (৩২), গোপালপুর উপজেলার খরুরিয়া এলাকার মৃত হামিদুর রহমানের ছেলে মো: আ: বারী (৪০), টাঙ্গাইল সদর উপজেলার কাগমারা এলাকার মো: তাইজ উদ্দিনের ছেলে মো: মামুন (২৭), দেলদুয়ার উপজেলার নাল্লাপাড়া গ্রামের মৃত খোরশেদ মিয়ার ছেলে মো: ইয়ামিন (৩৫), টাঙ্গাইল শহরের বিশ্বাস বেতকা এলাকার মো: বাবুল মিয়ার ছেলে মো: তোফাজ্জল (৩৭), ঘাটাইল উপজেলার ভদ্রবাড়ী গ্রামের মৃত মাজম আলীর ছেলে মো: আ: হাই (৫০), টাঙ্গাইল পৌর সভার সাবালিয়া এলাকার মৃত একাববর আলীর ছেলে মো: আ: ছামাদ, পাড়দিঘুলিয়া এলাকার মৃত ওমেদ আলীর ছেলে মো: মামুন মিয়া (৪৪), সদর উপজেলার চৌবাড়িয়া এলাকার মৃত সুমার আলীর ছেলে মো: আমিনুল ইসলাম (৩৫), নাগরপুর উপজেলার আটপাড়া গ্রামের মৃত আনোয়ার মোল্লার ছেলে মো: বুদ্দু মিয়া (৩৫), টাঙ্গাইল সদর উপজেলার এনায়েতপুর এলাকার মৃত খুশীমন পাালের ছেলে তুষার পাল (৩২), গোপালপুর উপজেলার বেতবাড়ী গ্রামের আবু তাহেরের ছেলে মো: শরিফুল ইসলাম (২২), সদর উপজেলার ফতেপুর গ্রামের আ: রশিদের ছেলে মো: সাজ্জাদ হোসেন (২৭), মিরপুর এলাকার এলাকার মো: আজাদ হোসেনের ছেলে মো: আবুল হোসেন (৪৬), কলেজপাড়া এলাকার শাহাজাদা মিয়ার ছেলে মো: সম্রাট মিয়া (২৭), সদর উপজেলার এনায়েতপুর এলাকার মোহাম্মদ আলীর ছেলে মো: আশরাফুল (৩২), হাজরা ঘাট এলাকার সিজুর ছেলে রনি (৩২), কালিহাতী উপজেলার বহরমপুর এলাকার আ: হামিদের ছেলে আ: খালেক (৫০), মির্জাপুর উপজেলার আ: খালেকের ছেলে শহিদুল ইসলাম (৩৪), মির্জাপুর উপজেলার আড়াইপাড়া গ্রামের জাবেদ আলীর ছেলে আ: আজিজ (৩৮), কালিহাতী উপজেলার আদাবাড়ী এলাকার দেওয়ান মোশারফ হোসেনের ছেলে দেওয়ান মেহেদী হাসান (৪০), শহরের সাবালিয়া এলাকার মৃত মোসলেম উদ্দিনের ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান(৪৩), ইছাপুর এলাকার সৈকত আলী তালুকদারের ছেলে মো: কামরুল হাসান সাগর (৩০), শহরের কাগমারা এলাকার মো: জয়নাল আবেদীন এর ছেলে মো: রুবেল মিয়া (৩৩), দিঘুলিয়া এলাকার আ: হাকিমের ছেলে আ: রায়হান (৩৯) ও সিটকি বাড়ী এলাকার মো: রসুল উদ্দিনের ছেলে শফিকুল ইসলাম (২৯)।
অভিযান প্রসঙ্গে র্যাব-১২ সিপিসি-৩ এর কোম্পানী কমান্ডার লেঃ কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন, (জি), বিএন জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টাঙ্গাইল ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে অভিযান পরিচালনা করে ১২জন, পাসপোর্ট অফিস থেকে ৮ জন এবং বিআরটিএ অফিস থেকে ৭জন সহ মোট ২৭ জন দালালকে আটক করা হয়। পরে টাঙ্গাইলের সিনিয়র সহকারী কমিশনার (ম্যাজিস্টেট) গোলাম মাসুম প্রধান ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে আটককৃতদের ৭ দিনের বিনাশ্রম কারদন্ড প্রদান করেন।
তিনি আরো জানায়, র্যাবের উদ্যোগে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের ‘শিশু ও নারী উন্নয়নে সচেতনতামূলক যোগাযোগ কার্যক্রম পঞ্চম পর্যায়’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় মহিলা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার(৪ সেপ্টেম্বর) সকালে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত মহিলা সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বিধান চন্দ্র কর্মকার।
টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ডক্টর মো. আতাউল গনির সভাপতিত্বে সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) আমিনুল ইসলাম, জেলা সিনিয়র তথ্য অফিসার সত্যেন্দ্র নাথ পাল, টাঙ্গাইল প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ, বিটিভি’র জেলা প্রতিনিধি জে সাহা জয় প্রমুখ।
জেলা প্রশাসন ও জেলা তথ্য অফিসের যৌথ আয়োজনে ওই সমাবেশে সমাজের বিভিন্ন স্তরের নারীরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ১২টি উপজেলার মধ্যে ৭টি উপজেলায় বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে। অভ্যন্তরীণ নদীগুলোতে পানি ক্রমাগত বৃদ্ধির ফলে নিম্নাঞ্চলের কাঁচা-পাকা রাস্তা ভেঙে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। বাড়ি-ঘরে পানি ঢুকে পড়ায় অনেকে পাহাড়িয়া এলাকায় আত্মীয়ের বাড়ি ও উঁচু সড়কের পাশে আশ্রয় নিয়েছে। বিস্তীর্ণ এলাকার ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে গেছে। অধিকাংশ এলাকায় পানীয় জল ও শুকনো খাবারের সংকট দেখা দিয়েছে। বন্যার্তদের জন্য জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যালয় মাত্র ৪০ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য বরাদ্দ দিয়েছে।
সরেজমিনে জানা যায়, জেলার ভূঞাপুর উপজেলার চারটি ইউনিয়ন, কালিহাতী উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার পশ্চিমাঞ্চলের ৭টি, নাগরপুর উপজেলার ৯টি, বাসাইল পৌরসভা সহ সবকটি(৬টি) ইউনিয়ন, মির্জাপুর ৪টি ও দেলদুয়ার উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের দুই শতাধিক গ্রাম প্লাবিত হয়ে খাল, বিল, নদী ও বাড়ির আঙিনা পানিতে থই থই করছে। প্রতিদিনই নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে।
বন্যার পানি বাড়ার সাথে সাথে ২৭ কিলোমিটার দীর্ঘ টাঙ্গাইল শহর রক্ষা বাঁধের উত্তর-পূর্বাংশে ভাঙন দেখা দিয়েছে। পাছ বেথইর এলাকায় বাঁধের ১০০মিটারে ভাঙনের কবলে পড়ে ঝুঁকিতে রয়েছে। ওই এলাকা দিয়ে পানি প্রবেশ করলে টাঙ্গাইল শহরে পানি ঢুকে পড়বে। এছাড়া যমুনায় ভূঞাপুর, কালিহাতী, টাঙ্গাইল সদর ও নাগরপুর অংশে ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে।
বন্যার পানিতে টাঙ্গাইল-পটলবাজার, টাঙ্গাইল-কাকুয়া, এলেঙ্গা-মগড়া, ভূঞাপুরের গোবিন্দাসী বাজার থেকে ভালকুটিয়া পর্যন্ত পাকা সড়ক, বাসাইল পৌরসভার একটি ব্রিজ ও কাঞ্চনপুরের গ্রোথ সেণ্টার-কাজিরাপাড়া সড়কে কালভার্ট প্রবল স্রোতে ভেঙে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। এসব এলাকার কাঁচা-পাকা সড়কের বিভিন্ন স্থানে ভেঙে গ্রামীণ অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ওইসব এলাকায় এখনও লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, জেলায় এবার ৮৯ হাজার হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধানের চাষ করা হয়। এরমধ্যে ৭৯০ হেক্টর জমির ফসল পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে।
এদিকে টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা নদীর পানি স্থিতিশীল থাকলেও ধলেশ্বরী, ঝিনাই সহ অভ্যন্তরীণ সব নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। যমুনা নদীর পানি বিপৎসীমার ৬৭ সেণ্টিমিটার, ধলেশ্বরী নদীর পানি বিপৎসীমার ৭৮ সেণ্টিমিটার ও ঝিনাই নদীর পানি বিপৎসীমার ৯২ সেণ্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
জেলা ত্রাণ ও পূনর্বাসন কর্মকর্তা দিলীপ কুমার সাহা জানান, জেলার ভূঞাপুর, কালিহাতী, টাঙ্গাইল সদর ও নাগরপুর এ চারটি উপজেলার বন্যা দুর্গতদের জন্য ৪০ মে.টন খাদ্যশস্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, বন্যার ক্ষয়ক্ষতি নিরূপনের জন্য প্রতিটি উপজেলায় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তালিকা পেলে যথাস্থানে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হবে।
টাঙ্গাইল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আহসানুল বাশার জানান, চলতি বন্যার পানি এক সপ্তাহের মধ্যে নেমে গেলে ক্ষতিগ্রস্ত ৭৯০ হেক্টর জমির রোপাআমনের ৫০-৬০ ভাগ ধান রক্ষা পেতে পারে। তিনি জানান, পানি নেমে যাওয়ার সাথে সাথে ক্ষতিগ্রস্ত জমিতে নাভি জাতের আমন রোপনের জন্য তারা কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছেন। এছাড়া বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের প্রণোদনার পাশাপাশি আগাম রবিশস্য চাষে সহায়তা দিয়ে তারা ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করবেন।

টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, বন্যায় পানি বাড়ার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে জেলার ৮০ কিলোমিটার নদী এলাকায় ভাঙন দেখা দিয়েছে। তুলনামূলকভাবে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় জিওব্যাগ ফেলে ভাঙন রোধে চেষ্টা চালানো হচ্ছে। পানি কমে গেলে স্থায়ীভাবে নদী তীর সংরক্ষণে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সন্তোষে অবস্থিত মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে শহীদ জননী জাহানারা ইমামের ম্যুরাল উদ্বোধন করা হয়েছে।বুধবার(১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জননী জাহানারা ইমাম হলের সামনে ম্যুরালের উদ্বোধন করেন, ভাইস-চ্যান্সেলর (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর ড. এআরএম সোলাইমান।
এ সময় শহীদ জননী জাহানারা ইমাম হলের প্রভোস্ট প্রফেসর ড. রোকেয়া বেগম, ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. সাজ্জাদ ওয়াহিদ, লাইফ সায়েন্স অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. মাহবুবুল হক,
বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. আনোয়ার হোসেন, বিজনেস স্টাডিস অনুষদের ডিন ড. সৈয়দ মওদুদ-উল-হক, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ড. মো. নাজমুস সাদেকীন, রেজিস্ট্রার ড. মোহা. তৌহিদুল ইসলাম, হাউজ টিউটর, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। ম্যুরাল উদ্বোধন শেষে মোনাজাত করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ বঙ্গবন্ধু সেতু-ঢাকা মহাসড়কে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার নগরজালফৈ এলাকার বিসিক শিল্প পার্কের সামনে বুধবার(১ সেপ্টেম্বর) ভোরে অভিযান চালিয়ে ১১ কেজি গাঁজা সহ মো. ইসমাইল হোসেন নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
গ্রেপ্তারকৃত মো. ইসমাইল হোসেন(৩০) রাঙামাটি জেলার চন্দ্রঘোনা উপজেলার ঘানিয়ামাটি গ্রামের আব্দুর রহিমের ছেলে।
র্যাব-১২ জানায়, গোপনে খবর পেয়ে সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের কোম্পানী কমান্ডার লে. কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন(জি) বিএন- এর নেতৃত্বে একদল র্যাব বিসিক শিল্প পার্কের সামনে পাকা রাস্তায় অভিযান চালায়।অভিযানে পলিথিনে মোড়ানো পাঁচটি পোটলায় রাখা ১১ কেজি গাঁজা সহ মো. ইসমাইল হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব-১২ আরও জানায়, গ্রেপ্তারকৃত মো. ইসমাইল হোসেনের নামে টাঙ্গাইল সদর থানায় ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬ (১) এর ১৯ (খ) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃটাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের জনপ্রিয় নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমদ হত্যা মামলার অন্যতম আসামি আনিসুল ইসলাম রাজা(৪২) কারা হেফাজতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন।
মঙ্গলবার(৩১ আগস্ট) রাতে ঢাকার মিডফোর্ট হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। তিনি টাঙ্গাইল শহরের কলেজপাড়া এলাকার আমিনুল ইসলাম মোতালেবের ছেলে। টাঙ্গাইলের জেল সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুন বুধবার(১ সেপ্টেম্বর) সকালে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জেল সুপার জানান, আনিসুল ইসলাম রাজা চাঞ্চল্যকর ফারুক আহমদ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তারের পর ২০১৪ সালের আগস্ট থেকে টাঙ্গাইল কারাগারে ছিলেন। আগস্ট মাসের মাঝামাঝি সময়ে হঠাৎই রাজার পেট ফুলে যায়। প্রথমে কারাগারের চিকিৎসক এবং পরে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে তার চিকিৎসা করানো হয়।
জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠানোর পরামর্শ দেয়। পরে গত ১৮ আগস্ট তাকে ঢাকার কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। ওই কারাগারের হেফাজতে তাকে মিডফোর্ট হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল।
প্রকাশ, ২০১৪ সালের ১৪ আগস্ট জেলা গোয়েন্দা পুলিশ(ডিবি) বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমদ হত্যা মামলায় রাজাকে গ্রেপ্তার করে। দুই দফা রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের পর তিনি ওই হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। তার স্বীকারোক্তিতেই ওই হত্যার সঙ্গে তৎকালিন এমপি আমানুর রহমান খান ওরফে রানা এবং তার তিন ভাইয়ের সম্পৃক্ততার বিষয়টি বের হয়ে আসে।
প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি ফারুক আহমদের গুলিবিদ্ধ লাশ তার কলেজপাড়া এলাকার বাসার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়। ঘটনার তিন দিন পর তার স্ত্রী নাহার আহমদ বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন।
একতার কন্ঠঃ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬ তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে সোমবার(৩০ আগস্ট) রাত ৮ টা ৩০ মিনিটে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় বাঙালি জাতীয়তাবাদ, মুক্তিযুুদ্ধের চেতনা ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শ উজ্জীবিত শিক্ষক সমাজের উদ্যোগে এক অনলাইন আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ও উদ্বোধক হিসেবে বক্তব্য রাখেন, টাঙ্গাইল জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জননেতা ফজলুর রহমান খান ফারুক।
অনুষ্ঠানের সভাপতত্বি করেন, এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স এন্ড রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অধ্যাপক ড. এ এস এম সাইফুল্লাহ এবং স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রক্টর অধ্যাপক ড. মীর মোঃ মোজাম্মেল হক।
আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. কাজী নজিবুল্লাহ হিরু, সংস্কৃতি ও নাগরিক অধিকার কর্মী মাহমুদ সেলিম, শিক্ষক, গবেষক ও নাট্যকার অধ্যাপক ড. রতন সিদ্দিকী এবং মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যলয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ সিরাজুল ইসলাম।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বায়োটেকনোলজি এন্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মাসুদার রহমান।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা সদরে অবস্থিত ডিসি লেকে ডুবে শাকিল মিয়া (১৫) নামে নবম শ্রেনীর এক স্কুলছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। রোববার (২৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে।নিহত শাকিল মিয়া টাঙ্গাইল জেলা সদর এলাকার মৃত. মতিয়ার রহমান তালুকদারের ছেলে।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. নবীন।
তিনি জানান, নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া শাকিল জেলা সদর মাঠে ফুটবল খেলা শেষে সন্ধ্যায় ডিসি লেকে গোসল করতে আসে। এ সময় সে পানিতে ডুবে নিখোঁজ হয়। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক খালেদা ইয়াসমিনকে হত্যার হুমকি দিয়ে চিঠি দিয়েছে জঙ্গি সংগঠন। এছাড়া তাকে হত্যা করতে ব্যর্থ হলে তার ঘনিষ্ট স্বজন আউট সোর্সিং হিসেবে প্রসেস সার্ভার পদে চাকরিরত এক ছেলেকে গলা কেটে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়েছে।
এ নিয়ে সব বিচারকদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন বিচারক খালেদা ইয়াসমিনসহ তার পরিবারের লোকজন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (২৬ আগস্ট) খাকি রংয়ের খামে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক খালেদা ইয়াসমিনের নামে একটি চিঠি আসে। সেখানে প্রেরকের স্থানে জুবায়ের রহমান লেখা রয়েছে।
চিঠির লেখাটি হুবুহু তুলে ধরা হলো: ম্যাডাম- আপনাকে উদ্দেশ্য করে চিঠি দিলাম। বিস্তারিত পড়ে দেখুন।
আমরা জঙ্গি সংগঠনের লোক। তাই জীবনে চলার পথে অনেক অন্যায় কাজ করেছি। এমনকি এখনো করি। আমরা যখন যাকে ট্রার্গেট করি তখন তাকে ছলে বলে কৌশলে হত্যা করি। এটাই আমাদের পেশা। এবার আপনাকে হত্যা করার পালা। কারণ আপনি নারী ও শিশু কোর্টে আসার পর থেকে এ পর্যন্ত অনেকটি বড় ধরনের মামলার রায় দিয়েছেন। তাতে আমাদের লোকজনের খুব বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে। তাই আল্লাহর দোহাই দিয়ে বলছি যদি নিজের জীবনের প্রতি মায়া থাকে তাহলে টাঙ্গাইল থেকে বদলি হয়ে চলে যান। যদি কথা না শোনেন তাহলে আমরা আপনাকে হত্যা করতে বাধ্য হবো। আর আমাদের যারা সহযোগিতা করতেছে তারা কয়েকজন আইনজীবী এমনকি জজ কোর্ট ও ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের স্টাফদের সমন্বয়ে।
আপনাকে যেভাবে হত্যা করা হবে তার ২টি নমুনা:
টার্গেট-১। অফিস থেকে বাসা এর মধ্যে আসা যাওয়ার পথে আপনার গাড়িতে বোমা নিক্ষেপ করা হবে।
টার্গেট-২। অফিস চলাকালীন সময়ে লোকজনের ভিড়ের মধ্যে গিয়ে আপনার এজলাশ বা খাসকামড়ার মধ্যে বোমা নিক্ষেপ করা হবে।
তবে একটা কথা মনে রাখবেন আপনাকে পুলিশ যতই নিরাপত্তার মধ্যে রাখুক না কেন আপনাকে আমাদের বোমার হাত থেকে রক্ষা করতে পারবে না। তাই প্রাণ বাঁচাতে চাইলে টাঙ্গাইল থেকে তাড়াতাড়ি বদলি হয়ে চলে যান।
যদি আপনাকে হত্যা করতে ব্যর্থ হই। তাহলে আমাদের হিংস্রতার টার্গেট রয়েছে আরেকটি। সেটা হলো-আপনার নারী ও শিশু কোর্টে ‘আউট সোর্সিং’ হিসেবে প্রসেস সার্ভার পদে যে ছেলেটি চাকরি করে সে নাকি আপনার খুব ঘনিষ্ট আত্মীয়। তাই আমাদের লক্ষ্য ছেলেটাকে অফিসে আসা যাওয়ার পথে বা কোর্ট থেকে বাহিরে যাওয়া মাত্রই আমরা তাকে অপহরণ করবো। পরে গহীন জায়গায় নিয়ে আটকে রেখে কমপক্ষে ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করবো। আর যদি টাকা না দিতে পারেন তাহলে ছেলেটাকে জবাই করে হত্যা করা হবে। পরে লাশ যমুনা নদীতে ফেলে দেওয়া হবে। কথাটা মনে রাখবেন।
ইতি
জঙ্গি সংগঠন।
এদিকে চিঠি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক খালেদা ইয়াসমিন জানান, চিঠিটি পাওয়ার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানো হয়েছে। এছাড়া তিনি ও তার পরিবারের লোকজন বর্তমানে আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন।
পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায় জানান, বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। সেইসঙ্গে বিচারক খালেদা ইয়াসমিন ও তার পরিবারের লোকজনদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
টাঙ্গাইল র্যাব-১২ এর কোম্পানি কমান্ডার লে. কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, র্যাবের সব টিম বিষয়টি নিয়ে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে।
একতার কণ্ঠঃ উজানের ঢল ও ভারী বর্ষণের কারণে টাঙ্গাইলের নদ-নদীর পানি বাড়ছে। বৃহস্পতিবার(২৬ আগস্ট) সকালে যমুনা নদীর পানি বেড়ে বিপৎসীমার ৭ সেণ্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া জেলার ধলেশ্বরীতে ৪ সেণ্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ২৩ সেণ্টিমিটার এবং ঝিনাই নদীর পানি ৯ সেণ্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ৩৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র সূত্রে এ তথ্য জানাগেছে।
টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ড(পাউবো) জানায়, গত দুই দিন যমুনা নদীর পানি স্থিতিশীল থাকার পর উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও ভারী বর্ষণের করণে জেলার অভ্যন্তরীণ নদীগুলোতে পানি বাড়ছে। ফলে জেলার চরাঞ্চল, নিম্নাঞ্চল ও অভ্যন্তরীণ নদী তীরবর্তী এলাকার ফসলি জমি ও ঘরবাড়ি প্লাবিত হচ্ছে। নদীর পানি বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় টাঙ্গাইল সদর উপজেলা, কালিহাতী, বাসাইল, ভূঞাপুর, মির্জাপুর, বাসাইল ও নাগরপুর উপজেলার নিচু এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। নিম্নাঞ্চলে জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। তলিয়ে গেছে ফসলি জমি। কোথাও কোথাও নদী ভাঙন দেখা দিয়েছে।
টাঙ্গাইল পাউবো ও কৃষি বিভাগ জানায়, জেলার অভ্যন্তরীণ নদীগুলোতে পানি বাড়লেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে পানি বৃদ্ধির এ ধারা অব্যাহত থাকলে ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।
টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, যমুনা নদীসহ জেলার সব নদীতে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে নদীর পানি নিম্নাঞ্চল প্লাবিত করছে।
একতার কণ্ঠঃ দ্বিতীয় স্ত্রী সৈয়দা আমেনা পিংকিকে হত্যা ও লাশ গুমের ঘটনার দ্রুত তদন্ত শেষ করে পৌর কাউন্সিলর আতিকুর রহমান মোর্শেদের বিচারের দাবি উঠেছে। বুধবার( ২৫ আগস্ট) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে সৈয়দা আমেনার বাবা সৈয়দ শরিফ উদ্দিন এ দাবি জানান।
লিখিত বক্তব্যে সৈয়দ শরিফ উদ্দিন বলেন, টাঙ্গাইলে থাকার সময় ২০১২ সালের জুন মাসে তার মেয়ে সৈয়দা আমেনাকে মোর্শেদের লোকজন অপহরণ করে। পরে মোর্শেদ আমেনাকে জোরপূর্বক বিয়ে করেন। এরপর মোর্শেদ আমেনাকে স্ত্রীর মর্যাদা দিয়ে ঘর সংসার করতে থাকে। মোর্শেদের দুই স্ত্রী থাকায় পরিবারে মাঝে মাঝে ঝগড়া হয়। তাদের সংসারে এক কন্যা সন্তান মায়শা জন্মগ্রহন করে, যার বয়স এখন ছয় বছর। আমেনার সংসারে এক মুহুর্তের জন্য শান্তি দেয়নি সন্ত্রাসী মোর্শেদ ও তার প্রথম স্ত্রী। তাকে প্রচুর মারধর করত। ২০১৭ সালের ২৬ জানুয়ারি রাতে মোর্শেদ তার এক সহযোগির বাসায় দাওয়াতের কথা বলে আমেনাকে নিয়ে যান। সেখানে নিয়েই মোর্শেদ কয়েকজনের সহায়তায় আমেনাকে হত্যা করে লাশ গুম করে।
সৈয়দ শরিফ উদ্দিন জানান, এতো দিন মোর্শেদের ভয়ে তিনি আইনগত পদক্ষেপ নিতে সাহস পাননি। সম্প্রীতি মোর্শেদ অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার হওয়ার পর গত মঙ্গলবার টাঙ্গাইল চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেছেন। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে এ বিষয়ে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য টাঙ্গাইল সদর থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন।লিখিত বক্তব্যে সৈয়দ শরিফ উদ্দিন মোর্শেদের দ্রুত বিচার দাবি করেন।
সৈয়দ শরিফ উদ্দিন নীলফামারী শহরের হাড়োয়া আদর্শপাড়ার বাসিন্দা। তিনি এক সময় টাঙ্গাইল শহরের বিশ্বাস বেতকা এলাকায় মোর্শেদের বাড়ির পাশে ভাড়া থাকতেন।
প্রসঙ্গত, টাঙ্গাইল পৌরসভার ১৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আতিকুর রহমান মোর্শেদকে গত ১৯ আগস্ট গোয়েন্দা পুলিশ ও সদর থানা পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করে। পরে তার বিশ্বাস বেতকা এলাকার বাড়িতে তল্লাশী চালিয়ে দু’টি বিদেশি পিস্তল, ছয় রাউন্ড গুলি ও দুটি ম্যাগজিন উদ্ধার করে পুলিশ।
আতিকুর রহমান মোর্শেদের বিরুদ্ধে দুই যুবলীগ নেতা হত্যা, ছাত্রদল নেতা রেজা হত্যা, ব্যবসায়ী তুহিন হত্যা মামলাসহ চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের এক ডজন মামলা হয়েছে। মোর্শেদ টাঙ্গাইল শহর ছাত্রলীগের নেতা ছিলেন। পরে জেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে দলীয় পদ না থাকলেও শহর আওয়ামী লীগের দলীয় বিভিন্ন কর্মকান্ডে অংশ নিতেন। তার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত ছাত্রদল নেতা রেজা হত্যা মামলা রাজনৈতিক বিবেচনায় প্রত্যাহার করে নেয়া হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার কাতুলী ইউনিয়নের আলোকদিয়া গ্রামে বুধবার (২৫ আগস্ট) ভোরে অভিযান চালিয়ে সাত বছরের এক প্রতিবন্ধী শিশুকে চকলেটের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে শফিকুল ইসলাম(১৯) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
গ্রেপ্তারকৃত শফিকুল ইসলাম আলোকদিয়া গ্রামের আলতাফ প্রামাণিকের ছেলে।
র্যাব-১২, সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের কোম্পানী কমান্ডার লেফটেন্যাণ্ট কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন (জি) বিএন প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার আলোকদিয়া এলাকায় সাত বছরের একজন প্রতিবন্ধী মেয়েকে চকলেটের প্রলোভন দেখিয়ে লেবু বাগানে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযান চালিয়ে ধর্ষণে অভিযুক্ত শফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত শফিকুলের নামে টাঙ্গাইল সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।