একতার কণ্ঠঃ ইংরেজি জাতীয় দৈনিক দি ডেইলি পোস্টের টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি রবিন তালুকদার ২০১৯ সাল থেকে মরণ ব্যাধি থাইরয়েড ক্যানসার আক্রান্ত। বর্তমানে তিনি বাসায় চিকিৎসা নিচ্ছেন এবং নিয়মিত ওষুধ সেবন করছেন। তার চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন ৫ থেকে ৭ লাখ টাকা। এই টাকা যোগান দেওয়ার সামর্থ্য নেই রবিন ও তার পরিবারের। এক কন্যা সন্তানের জনক রবিন বাঁচার জন্য সকলের সহযোগিতা চেয়ে আবেদন করেছেন। আপনার একটু সহযোগিতা বাঁচাতে পারে রবিন ও তার পরিবারকে।
রবিন তালুকদারকে বিকাশ ও নগদে সহায়তা পাঠানো যাবে, নম্বর – ০১৭৫২-৩০৭৭৯৫ (বিকাশ পার্সনাল) এবং ০১৭৫২-৩০৭৭৯৫ (নগদ পার্সনাল)।
রবিনের পরিবারিক সূত্রে জানা যায়, মরন ব্যাধি থাইরয়েড ক্যানসার আক্রান্ত হয়ে রবিন ২০১৯ সালের ১৮ নভেম্বরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ব্লক সি-এর নাক-কান-গলা (ইএনটি) বিভাগের ৭ম তলার ৭৩৫নং কক্ষের পেয়িং বেড-১ এ ভর্তি হয়েছিলেন।
পরবর্তীতে একই সালের ৫ ডিসেম্বর (বৃহস্পতিবার) তার অপারেশন সম্পন্ন করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নাক-কান-গলা (ইএনটি) বিভাগের সার্জন প্রফেসর আবুল হাসনাথ জোয়ার্দার।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, এ রোগ নির্ণয়ের টেস্ট বাবদ ইতোমধ্যে খরচ হয়েছে তার প্রায় ৪০ হাজার টাকা এবং অপারেশন বাবদ খরচ হয় প্রায় ৫০ হাজার টাকা। এছাড়াও অপারেশন পরবর্তী সময়ে তার আরো বেশ কিছু টাকা ব্যয় হয়। আনুমানিক ৫ থেকে ৬ লক্ষ টাকা চিকিৎসা বাবদ ইতিমধ্যে খরচ হয়েছে।
মরণ ব্যাধি ক্যান্সার আক্রান্ত সাংবাদিক রবিন তালুকদার বলেন, তৎকালীন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক মো. শহিদুল ইসলাম আমার ক্যানসার আক্রান্তের কথা যেনে আমাকে ২০হাজার টাকা দিয়ে আর্থিক সহযোগীতা করেছিলেন। পাশাপাশি তৎকালীন পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায় ২০হাজার টাকা দিয়েছিলেন। তাদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।
চিকিৎসার জন্য সবার সহযোগিতা চেয়ে রবিন বলেন, আমার এক কন্যা সন্তান রয়েছে। নিজের জমানো টাকা ও স্বজনদের সহয়তায় এখন চিকিৎসা চলছে। দুটি রেডিও থেরাপি ইমপালস ক্যানসার হাসপাতালে দেওয়া হয়েছে। আরও পাঁচটি থেকে ছায়টি রেডিও থেরাপি লাগবে। এখন চিকিৎসার টাকা সংগ্রহ হলে আবার হাসপাতালে গিয়ে রেডিও থেরাপি নেওয়া যাবে।
রবিন তালুকদার আরও বলেন, ক্যানসারের চিকিৎসা অত্যন্ত ব্যয়বহুল। চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন ৫ থেকে ৭ লাখ টাকা। কিন্তু এত টাকা ব্যয় করার সামর্থ্য নেই আমার বা পরিবারের। তাই সবার কাছে সহযোগিতা কামনা করেছেন তার পরিবারের সদস্যরা। রোগমুক্তি কামনায় সকলের দোয়া কামনা করেছেন তিনি।
রবিন তালুকদারকে বিকাশ ও নগদে সহায়তা পাঠানো যাবে, নম্বর – ০১৭৫২-৩০৭৭৯৫ (বিকাশ পার্সনাল) এবং ০১৭৫২-৩০৭৭৯৫ (নগদ পার্সনাল)।
উল্লেখ্য, সাংবাদিক রবিন তালুকদার টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের উত্তর তারটিয়া গ্রামের মৃত বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম তালুকদারের ছেলে। চার ভাইয়ের মধ্যে তিনি দ্বিতীয়। তার বড় ভাই ঢাকায় একটি বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে কর্মরত রয়েছেন। মা, স্ত্রী, এক কন্যা সন্তান ও ছোট দুই ভাই নিয়েই তাদের সংসার।
একতার কণ্ঠঃ মরণ ব্যাধি থাইরয়েড ক্যান্সারে আক্রান্ত ইংরেজি দৈনিক দ্যা ডেইলি পোস্ট পত্রিকার টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি রবিন তালুকদারের চিকিৎসায় সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে টাঙ্গাইল জেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ।
বুধবার (৩ এপ্রিল) সকালে টাঙ্গাইল শহরের ভিক্টোরিয়া রোডে অবস্থিত সংগঠনের কার্যালয়ে অসুস্থ রবিন তালুকদারের চিকিৎসার্থে তার হাতে সহায়তার অর্থ তুলে দেন বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানরা।
এসময় উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল জেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদের সভাপতি হাজী মুহা. সাজ্জাদুর রহমান খোশনবীশ, সাধারণ সম্পাদক কণ্ঠশিল্পী জিয়াদ সিদ্দিক, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ্ জনি, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ফেরদৌস আরা ডায়না, কাজী নুসরাত ইয়াসমিন, শিউলি খান সনি প্রমুখ ।
অসুস্থ সাংবাদিক রবিন জানান, নিজের জমানো টাকা ও স্বজনদের সহয়তায় এখন চিকিৎসা চলছে। দুটি রেডিও থেরাপি ইমপালস ক্যান্সার হাসপাতালে দেওয়া হয়েছে। আরও পাঁচ থেকে ছায়টি রেডিও থেরাপি লাগবে।
তিনি আরও জানান, এত টাকা ব্যয় করার সামর্থ তার বা পরিবারের নেই। তাই তিনি সবার কাছে সহযোগিতা কামনা করছেন। রবিন তালুকদারকে বিকাশ ও নগদে সহায়তা পাঠানোর নম্বর-০১৭৫২-৩০৭৭৯৫ (বিকাশ পার্সোনাল) এবং ০১৭৫২-৩০৭৭৯৫ (নগদ পার্সোনাল)।
প্রকাশ, বীরমুক্তিযোদ্ধার সন্তান সাংবাদিক রবিন তালুকদার টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের উত্তর তারটিয়া গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম আবুল কালাম তালুকদারের ছেলে। চিকিৎসকের পরামর্শে তিনি বর্তমানে বাসায় অবস্থান করে নিয়মিত ওষুধ সেবন করছেন। তার চিকিৎসার জন্য পাঁচ থেকে সাত লাখ টাকা প্রয়োজন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল চত্বরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সম্মতি ছাড়াই দোকান নির্মাণে জায়গা বরাদ্দ দিয়েছে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটি। ইতিমধ্যে একতলা ভবনের নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে। শেষ মুহূর্তে পলেস্তারার কাজ চলছে।
হাসপাতাল চত্বরে দোকান নির্মাণে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকেও অনুমোদন মেলেনি। এরপরও ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি সংসদ সদস্য আলহাজ্ব ছানোয়ার হোসেনসহ কমিটির প্রভাবশালী সদস্যরা জায়গা বরাদ্দ দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, হাসপাতাল চত্বরে দোকান নির্মাণে জায়গা বরাদ্দ দিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অনুমতি দেননি। এরপরও ব্যবস্থাপনা কমিটি অনুমতি দিয়েছে। হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক সভার কার্যবিবরণীতে স্বাক্ষরও করেননি।
তবে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন বলেন, ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় রেজল্যুশন করে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বরাদ্দ দিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের অনুমোদন লাগে না। এটা ব্যবস্থাপনা কমিটির এখতিয়ার।
হাসপাতাল সূত্র জানায়, সাড়ে ২৬ একর জমির ওপর নির্মিত টাঙ্গাইল ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল চত্বরেই শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ১৫ তলা ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। এ ছাড়া হাসপাতাল চত্বরে মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুল, নার্সিং ইনস্টিটিউটসহ স্বাস্থ্য বিভাগের বিভিন্ন স্থাপনা আছে।
ব্যবস্থাপনা কমিটির একাধিক সদস্য জানান, শিলা আনসারী নামের এক ব্যবসায়ী হাসপাতাল চত্বরে জায়গা বরাদ্দ চেয়ে ব্যবস্থাপনা কমিটির কাছে একটি আবেদন করেন। তিনি সেখানে এজেন্ট ব্যাংকের একটি শাখা, এটিএম বুথ ও স্বাস্থ্য–সম্পর্কিত পণ্যের দোকান করবেন বলে আবেদনে উল্লেখ করেন। হাসপাতালের উপপরিচালক বিষয়টি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে জানান। কিন্তু মহাপরিচালক হাসপাতালের ভেতরে দোকান করতে জায়গা বরাদ্দের অনুমতি দেননি। এরপরও গত ১৩ নভেম্বর এক সভায় শিলা আনসারীর নামে ৭৫০ বর্গফুট জায়গা বরাদ্দ দেন কমিটির সদস্যরা।
বরাদ্দের চুক্তিপত্রে দেখা যায়, বরাদ্দ পাওয়া ব্যক্তিকে ১১ লাখ ২৫ হাজার টাকার মধ্যে পাকা স্থাপনা নির্মাণ করে নিতে বলা হয়েছে। ১২ বছর মেয়াদের চুক্তিতে মাসিক ভাড়া ধরা হয়েছে ২০ হাজার টাকা। তিন বছর পরপর শতকরা ১০ ভাগ ভাড়া বাড়ানোর কথা উল্লেখ আছে। ভাড়ার শতকরা ১০ ভাগ হাসপাতাল মসজিদের উন্নয়নে, ৩০ ভাগ রোগী কল্যাণ সমিতিতে, ২০ ভাগ হাসপাতাল কর্মচারী সমিতিতে ও ৪০ ভাগ হাসপাতালের উন্নয়নে ব্যয় করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. খন্দকার সাদিকুর রহমান বলেন, ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় দোকানের জায়গা বরাদ্দ দেওয়ার প্রস্তাব এসেছিল। তখন তিনি তাঁদের জানিয়ে দেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের অনুমতি ছাড়া জায়গা বরাদ্দ দেওয়া বিধিসম্মত হবে না। এরপরও তাঁরা বরাদ্দ দিয়েছেন। এ জন্য তিনি সভার কার্যবিবরণীতে স্বাক্ষর করেননি।
ব্যবস্থাপনা কমিটির একাধিক সদস্য ও হাসপাতাল-সংশ্লিষ্ট অন্তত পাঁচজন অভিযোগ করেছেন, ওই জায়গা বরাদ্দ দিতে কমিটির কয়েকজন প্রভাবশালী সদস্যকে বড় অঙ্কের উৎকোচ দেওয়া হয়েছে। এ জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন না থাকলেও তাঁরা বিধিবহির্ভূতভাবে জায়গা বরাদ্দ দিয়েছেন।
ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনসারী বলেন, এ বিষয়ে আমি কিছুই জানি না।
আরেক সদস্য টাঙ্গাইল পৌরসভার কাউন্সিলর আসাদুজ্জামান বলেন, বরাদ্দের ব্যাপারে আমি কিছু জানি না। দিয়েছেন এমপি ও মেয়র সাহেব।
বৈধভাবে জায়গা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করে মেয়র এস.এস সিরাজুল হক আলমগীর বলেন, সবার উপস্থিতিতে রেজল্যুশন করা হয়েছে। বরাদ্দের জায়গা বুঝিয়ে দেওয়ার সময় হাসপাতালের উপ-পরিচালক, গণপূর্ত বিভাগের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। উৎকোচ গ্রহণের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, কেউ নিয়েছেন কি না, আমি জানি না।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসায় অবহেলায় মা ও নবজাতক মেয়ে শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ তুলেছে তার স্বজনেরা।
মঙ্গলবার (২১ নভেম্বর) দুপুরে হাসপাতালের ১নং অপারেশন থিয়েটারে এই মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পর অপারেশনের দায়িত্বে থাকা ডা. সালমা জাহান ও হাসপাতালের চলতি দায়িত্বে থাকা সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা. প্রনব কর্মকার গাঁ ঢাকা দেন।
ঘটনার পর স্বজনদের আহাজারিতে হাসপাতাল প্রাঙ্গন ভারী হয়ে উঠে। পরে মা ও নবজাতক শিশু মেয়ের মরদেহ নেওয়াকে কেন্দ্র করে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।
নিহত প্রসূতির নাম মীম আক্তার (২০)। সে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার সিঙ্গুরিয়া গ্রামের হানিফ আলির মেয়ে। তার স্বামী মো. জাহাঙ্গীর হোসেন। সে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার মদনা গ্রামের বাসিন্দা। তারা স্বামী-স্ত্রী উভয়ে ঢাকায় একটি গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিতে কর্মরত ছিলেন।
নিহত মীমের নানী সুমনা আক্তার জানান, মঙ্গলবার সকালে প্রসূতি মীম আক্তারের প্রসব ব্যথা উঠে। দ্রুত তাকে ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়ে যান তারা। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে রেফার্ড করে। পরে দুপুর ১২টার দিকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয় মীমকে।
তিনি আরও জানান, সেখানে গাইনী বিভাগের জুনিয়র কনসালটেন্ট ডা. সালমা জাহানের তত্বাবধায়নে দুপুর ১টার দিকে অপারেশন থিয়েটারে নেওয়া হয়। অপারেশন থিয়েটারে নেওয়ার ২০ মিনিট পর ওই ডাক্তার মীমের পরিবারের কাছে মীমের জন্য দুই ব্যাগ রক্ত চান। স্বজনেরা রক্ত সংগ্রের জন্য হাসপাতালের বিভিন্ন ইউনিটে ছুটাছুটি করতে থাকেন। এমন সময় অপারেশন থিয়েটার থেকে জানানো হয়, প্রসূতি মীম আক্তার ও তার নবজাতক কন্যা সন্তানের মৃত্যু হয়েছে।
স্বজনদের অভিযোগ, টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের গাইনী বিভাগের জুনিয়র কনসাল্টটেন্ট ডা. সালমা জাহান তাদের সোনিয়া নার্সিং হোমে প্রসূতি মীম আক্তারের ডেলিভারী করার জন্য বলেন। তারা হতদরিদ্র হওয়ায় এ প্রস্তাব মেনে না নেওয়ায় ওই ডাক্তার সিজারিয়ান অপারেশনের সময় অবহেলা করায় মা ও নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে।
তাদের আরও অভিযোগ, অপারেশন থিয়েটারে নেওয়ার পুর্বেও মীম আক্তার হেটে-হেটে অপারেশেন থিয়েটারে গিয়েছে। অথচ অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যাওয়ার ২০ মিনিটের মাথায় প্রসূতি মা ও নবজাতকের মুত্যু হয়।
নিহতের খালা মাজেদা আক্তার আহাজারি করে বলেন, প্রসূতির মৃত্যুর পর জোরপূর্বক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ লাশের ছাড়পত্র কাগজে স্বাক্ষর নিয়ে মা ও মেয়ের মরদেহ বের করে দেন। এসময় হাসপাতালের লোকজন জোরপূর্বক আমাদের বের করে দিতে চাইলে আমরা বাধা দেওয়ায় আমাদের গায়ে হাত দেয় তারা
অভিযোগ প্রসঙ্গে, টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের জুনিয়র কলসালটেন্ট (গাইনী) ডা. সালমা জাহান মুঠোফোনে বলেন, হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডা. সাদিকুর রহমান ঢাকায় থাকায় তিনি গণমাধ্যমকে কোন ধরনের সাক্ষাতকার দিতে পারবেন না জানিয়ে ফোন কেটে দেন।
টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের তত্বাবধায়কের চলতি দায়িত্বে থাকা সিনিয়র কনসালটেন্ট (কার্ডিওলজি) ডা. প্রনব কর্মকারের মুঠোফোনে যোগাযোগের একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. মো. মিনহাজ উদ্দিন মিয়া বলেন,বিষয়টি তিনি জেনেছেন। ঘটনাটি তদন্ত করার জন্য জেনারেল হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডা. সাদিকুর রহমানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্ত রিপোর্টের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
উল্লেখ্য, টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের জুনিয়র কলসালটেন্ট (গাইনী) ডা. সালমা জাহান হাসপাতালের পাশেই অবস্থিত একটি বেসরকারি ক্লিনিক সোনিয়া নাসিং হোমে কনসালটেন্ট (গাইনী) হিসেবে কর্মরত আছেন। তার বিরুদ্ধে ইতিপূর্বেও জেনারেল হাসপাতালের প্রসূতি মায়েদের উক্ত ক্লিনিকে নিয়ে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে সিজারিয়ান অপারেশন করার অভিযোগ রয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মঙ্গলবার (১৭ অক্টোবর) ডেঙ্গুজ্বরে মাকসুদা(৪৩) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। তিনি নাগরপুর উপজেলার বাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা।
এ নিয়ে এ মৌসুমে টাঙ্গাইলে ১৩ জন ডেঙ্গুজ্বরে মৃত্যুবরণ করেছে। টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ মিনহাজ উদ্দিন মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, টাঙ্গাইলে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৪২ জন রোগী ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়েছে। জেলায় এ পর্যন্ত ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা চার হাজার ১৯২ জন। ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩৯ জন ডেঙ্গু রোগী।
এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন চার হাজার ১৭ জন ডেঙ্গু রোগী। এ পর্যন্ত আক্রান্তদের মধ্যে ১৩ জন ডেঙ্গু রোগী মারা গেছেন।
তিনি আরও জানান, নতুন আক্রান্তদের মধ্যে টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় ১৭ জন, নাগরপুরে ৩ জন, মির্জাপুরে ১২ জন, মধুপুরে ৪ জন ও ধনবাড়ী উপজেলায় ৬ জন রয়েছেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ঘরে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। পরে ফায়ার সার্ভিস এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
রবিবার (১৫ অক্টোবর) সকাল ৯টার দিকে জেনারেল হাসপাতালের আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ঘরের মাঝে এ আগুনের ঘটনা ঘটে।
টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার ইদ্রিস আলী জানান ,খবর পেয়ে হাসপাতালে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছি। এখনো ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বলা যাচ্ছে না। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বিদ্যুতের শর্ট সার্কিটের মাধ্যমে আগুন লাগতে পারে। যে জায়গায় আগুন লেগেছে সেখানে বড় মাইক্রোওয়েভ মেশিন দিয়ে মেডিকেল বর্জ্য পোড়ানো হয়।
টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. খন্দকার সাদিকুর রহমান জানান, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা জানার সঙ্গে সঙ্গে ফায়ার সার্ভিসকে জানানো হয়। পরে ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে তদন্ত কমিটি গঠন করে ক্ষয়ক্ষতির তথ্য জানানো হবে।
একতার কণ্ঠঃ রবিবার (১ অক্টোবর) ৪র্থ বর্ষে পা রাখলো এভারগ্রীণ ফিটনেস ক্লাব, টাঙ্গাইল। ২০২০ সালের ১ অক্টোবর আজকের এই দিনে ক্লাবটি যাত্রা শুরু করে। এভারগ্রীণ ফিটনেস ক্লাব একটি শরীর চর্চা ও ক্রীড়া সংগঠন।
৪র্থ বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে রবিবার দিনব্যাপি ক্লাবের পক্ষ থেকে বর্ণিল অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হয়।
সকাল ৭টা ৩০মিনিটে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে বেলুন উড়িয়ে দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার শুভ উদ্বোধন করা হয়।
এর পর ক্লাবের সকল সদস্যের অংশগ্রহণে এক বর্ণাঢ্য র্যালি কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠ থেকে বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে টাঙ্গাইল নিড়ালা মোড় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এসে শেষ হয়।
এরপর রবিবার সন্ধ্যা ৭টা ৩০মিনিটে সুগন্ধা রেস্টুরেন্ট মিলনায়তনে দ্বিতীয় পর্বের অনুষ্ঠান সূচি র্যাফেল ড্র, পুরস্কার বিতরণী, আড্ডা ও নৈশভোজের ঘোষণার মাধ্যমে প্রথম পর্বের অনুষ্ঠানমালার সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
এ সয়ম উপস্থিত ছিলেন এভারগ্রীণ ফিটনেস ক্লাব টাঙ্গাইলের সমন্বয়ক সার্বিক সৈয়দ নাজমুল হোসেন, বর্ষপূর্তি উৎসব উদযাপন কমিটির আহবায়ক মোঃ নাজমুল হক রুমেল, যুগ্ম আহবায়ক আলহাজ্ব মোঃ মাহবুবুর রহমান খান নাজিম, যুগ্ম আহবায়ক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম, সদস্য সচিব তোফাজ্জল হোসেন, সমন্বয়ক মানব সম্পদ এনাদি হোসেন খান, মোঃ শফিকুল ইসলাম, হরুন-অর রশিদ, আরফান আলী, মোঃ নাজমুচ্ছাকীব বক্ সী সহ ক্লাবের সন্মানিত সদস্য বৃন্দ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ভুল চিকিৎসায় মনোরঞ্জন দাস ( ৪৫) নামে এক রোগীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শহরের নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অবস্থিত সোনিয়া নাসিং হোমে এই মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।
নিহত মনোরঞ্জন দাস ( ৪৫) দেলদুয়ার উপজেলার আটিয়া ইউনিয়নের পিরোজপুর গ্রামের সোরা দাসের ছেলে।
জানা গেছে, মনোরঞ্জন দাস গত ৪ দিন যাবত জ্বরে ভুগছিলেন। শনিবার সকালে চিকিৎসার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে আনা হয়। সেখানে এক দালালের মাধ্যমে উন্নত চিকিৎসার জন্য সোনিয়া নাসিং হোমে রোগীকে ভর্তি করেন স্বজনরা। নিয়ম অনুযায়ী ইসিজি ও ডায়বেটিস টেষ্ট করানো হয়। রোগীর শ্বাসকষ্ট বেড়ে গেলে কর্তব্যরত আবাসিক চিকিৎসক মো. মনিরুল ইসলাম রোগীকে ইনজেকশক পুশ করেন। ইনজেকশক দেওয়ার পরপরই রোগীর শ্বাসকষ্ট আরো বেড়ে যায় ও অবস্থার অবনতি ঘটে। পরে ডাক্তার এক্সরে করার জন্য রোগীকে এক্সরে রুমে নিয়ে গেলে সেখানে তার মৃত্যু হয়।
রোগীর শ্যালক বৃন্দাবন ও ভাতিজা জয় দাস বলেন, নিহত মনোরঞ্জনকে প্রথমে টাঙ্গাইল জেলারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন তারা। সেখানে ডাক্তার আসতে দেরি হওয়ায় এক দালালের মাধ্যমে সোনিয়া নাসিং হোমে নিয়ে যান। ক্লিনিকের কর্তব্যরত আবাসিক ডাক্তার মো. মনিরুল ইসলামের তত্বাবধানে চিকিৎসা শুরু হয়। ডাক্তার ইনজেকশন পুশ করার পরপরই রোগীর শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায়। শ্বাসকরষ্টের বিষয়টি ডাক্তারকে জানালে রোগীকে এক্সরে করার জন্য রুমে নেন, সেখানে মনোরঞ্জনের মৃত্যু হয়। মৃত্যুর পরে তার প্রেসকিপশনে ঢাকায় রেফার্ড লিখে দেন ডাক্তার।
তারা আরও বলেন, মেডিক্যাল অফিসার মনিরুল ইসলামের ভুল চিকিৎসায় তার বোন জামাইয়ের মৃত্যু হয়েছে। এর প্রতিবাদ করায় নাসিং হোমের কর্মচারিরা আমাদের উপর চড়াও হয়। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চান তারা।
সোনিয়া নাসিং হোমের ম্যানেজার বাবুল সরকার বলেন, গত চারদিন যাবত জ্বর থাকায় রোগীর প্রেসার কমে যায়। একারনেই তার মৃত্যু হয়েছে। এখানে ভুল চিকিৎসার জন্য মৃত্যু হয়েছে, এটা সঠিক নয়। রোগীর স্বজনদের উপর চড়াও হওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন তিনি।
এ বিষয়ে সোনিয়া নাসিং হোমের মেডিক্যাল অফিসার ডা. মনিরুল ইসলাম জানান, রোগীকে মুমুর্ষ অবস্থায় ক্লিনিকে আনা হয়। রোগীর প্রেসার কমে যাওয়ায় তাকে ঢাকায় রেফার্ড করি। রেফার্ড করার পর মৃত্যু হলে আমি কি করবো।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলায় বেড়েই চলছে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। জেলায় গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে ৬৬ জন মানুষ ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন। এ পর্যন্ত জেলায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত মোট রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৫৮০ জন। গত ২৪ ঘন্টায় সুস্থ হয়েছেন ৪৮ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন এক হাজার ৪৩৯ জন। বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ১৪১ জন রোগী। জেলায় ডেঙ্গু জ্বরে মোট ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।
সোমবার (২৮ আগস্ট) সকালে টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা: মিনহাজ উদ্দিন মিয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, নতুন আক্রান্তদের মধ্যে টাঙ্গাইল সদরে ২২ জন, নাগরপুরে ১৭ জন, মির্জাপুরে ৯ জন, মধুপুরে ৮ জন, গোপালপুরে ৬ জন ও ধনবাড়ী উপজেলায় ৪ জন রয়েছেন।
এ ব্যাপারে টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা: মিনহাজ উদ্দিন মিয়া জানান, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবাইকে সচেতন হওয়ার পাশাপাশি ঘরবাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন রাখতে হবে। জমানো পানি পরিষ্কার রাখতে হবে। যাতে করে ডেঙ্গু বিস্তার করতে না পারে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে রোজিনা আক্তার (৩৩) নামে এক গৃহবধূ মৃত্যুবরণ করেছেন।
গৃহবধূ রোজিনা দেলদুয়ার উপজেলার লাউহাটি গ্রামের ইসমাইল হোসেনের স্ত্রী।
শনিবার (২৬ আগস্ট) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. মো. মিনহাজ উদ্দিন মিয়া।
তিনি জানান, রোজিনা আক্তার বৃহস্পতিবার সকালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে ভর্তি হন। শুক্রবার (২৫ আগস্ট) মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এ পর্যন্ত জেলায় মোট পাঁচ জন ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন।
সিভিল সার্জন আরও জানান, জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ২২ জন ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন। নতুন আক্রান্তদের মধ্যে সদর উপজেলায় ১০ জন, নাগরপুরে ৬ জন, মধুপুরে ৪ জন ও মির্জাপুরে রয়েছেন ২ জন।
তিনি জানান, জেলায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত মোট রোগীর সংখ্যা এক হাজার ৪৬৫ জন। গেল ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ১১ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৩২৭ জন। বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ১৩৮ জন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল পৌর এলাকার কলেজ পাড়া নিবাসী বিশিষ্ট চিকিৎসক,সমাজ সেবক ও শিক্ষানুরাগী এম এ হালিম ইন্তেকাল করেছেন।
তিনি শুক্রবার ( ২৫ আগস্ট) রাত ১০টায় ছোট মেয়ের ঢাকাস্থ বসুন্ধরার বাসভবনে বার্ধক্য জনিত কারনে মৃত্যু বরণ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
মৃত্যু কালে তার বয়স হয়েছিল ৯৭ বছর। তিনি স্ত্রী ,দুই পুত্র, পাঁচ কণ্যা, নাতি-নাতনি সহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
তার বড় ছেলে মোঃ সাইফুর রহমান খোকন দৈনিক দেশ রূপান্তর পত্রিকার ক্রীড়া বিভাগের সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

ডা: হালিমের প্রথম নামাজে জানাযা শনিবার(২৬ আগষ্ট ) সকাল ১০টায় পৌর শহরের কলেজ পাড়া পানির ট্যাংক মসজিদে ও বাদ যোহর করটিয়া ইউনিয়নের খুদিরামপুর জামে মসজিদ মাঠে দ্বিতীয় জানাযা অনুষ্ঠিত হয়।পরে তাকে খুদিরামপুরে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
তার মৃত্যুতে টাংগাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব ছানোয়ার হোসেন, টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সংসদ সদস্য আতোয়ার রহমান, যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এডভোকেট মামুনুর রশীদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র জামিলুর রহমান মিরন, জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি হামিদুল হক মোহন, করটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা খালেকুজ্জামান চৌধুরী মজনু গভীর শোক ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বিশিষ্ট চিকিৎসক, সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী ডা. হারুন অর রশীদ খান (ডা. এইচ আর খান) আর নেই।
বৃহস্পতিবার (২৪ আগস্ট) সকালে অস্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়া প্রদেশের রাজধানী মেলবোর্নের মোনাশ হেলথ সেন্টারে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তিনি প্রায় দেড়বছর যাবত বার্ধক্য জনিত নানা রোগে ভুগছিলেন।
মৃতুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৬ বছর। তিনি স্ত্রী, দুইপুত্র ও নাতি-নাতনিসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
শুক্রবার (২৫ আগস্ট) অস্ট্রেলিয়ার সময় সকাল দশটায় মেলবোর্নের ড্যানডেনঙের আলবেনিয়া মসজিদ প্রাঙ্গণে ডা. এইচ আর খানের জানাজার নামাজ শেষে সেখানকার বুনুরঙ মেমোরিয়াল পার্ক গোরস্থানে তাঁকে দাফন করা হবে।
উল্লেখ্য, ডা. এইচ আর খান বাংলাদেশ মেডিক্যাল এসোসিয়েশন- বিএমএ টাঙ্গাইল শাখা, বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিক্যাল প্রাকটিশনার্স এসোসিয়েশন টাঙ্গাইল শাখা, বাংলাদেশ পরিবার পরিকল্পনা সমিতি- এফপিএবি টাঙ্গাইল শাখা ও বাংলাদেশ জাতীয় যক্ষ্মা নিরোধ সমিতি- নাটাব টাঙ্গাইল শাখার সাবেক সভাপতিসহ বহু সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে যুক্ত ছিলেন।