একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলের সন্তোষে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চ ঐতিহাসিক ভাষণ দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
রবিবার (৭মার্চ) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আলাউদ্দিন-এর নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস্থ বঙ্গবন্ধুর মুর্যালে পুস্পস্তবক অর্পণ করে তাঁর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়।
এ সময় অফিসার্স এসোসিয়েশন, তৃতীয় শ্রেণী কর্মচারী সমিতি, চতুর্থ শ্রেণী কর্মচারী সমিতি,বঙ্গবন্ধু পরিষদ, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক পরিষদ, কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্য পরিষদ, বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ, ভাসানী পরিষদের পক্ষ থেকেও পুস্পস্তবক অর্পণ করা হয়।
পুস্পস্তবক অর্পণ শেষে স্বাধীনতা সংগ্রাম-মুক্তিযুদ্ধে যারা জীবনকে উৎসর্গ করে শহীদ হয়েছেন তাঁদের রূহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।এরপর কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ প্রচার করা হয়।
ঐতিহাসিক ৭ মার্চের এই কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, রেজিস্ট্রার, প্রভোস্ট, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধিঃ মহান শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে মঙ্গলবার(২৩ ফেব্রয়ারী)সকালে বায়োটেকনোলজি এন্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ মিলনায়তনে ‘বঙ্গবন্ধুর বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি ভাবনা’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আলাউদ্দিন এর সভাপতিত্বে সভায় মুল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কলা অনুষদের ডিন ও ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. আবু মোঃ দেলোয়ার হোসেন।
মুল প্রবন্ধের উপর আলোচনা করেন প্রেস ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ এর মহাপরিচালক জাফর ওয়াজেদ।
সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন শিক্ষার্থী কল্যাণ ও পরামর্শদান কেন্দ্রের পরিচালক প্রফেসর ড. এ.এস.এম সাইফুল্লাহ। আলোচনা সভা পরিচালনা করেন ইএসআরএম বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. রোকসানা হক রিমি ও সিপিএস বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সুব্রত ব্যানার্জী।
মুল প্রবন্ধের উপর আলোচনা করতে গিয়ে প্রধান আলোচক পিআইবি-এর মহাপরিচালক জাফর ওয়াজেদ বলেন, বাংলা ভাষা সর্বস্তরে প্রতিষ্ঠার জন্য স্বাধীনতার আগেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষণা দিয়েছিলেন।
তিনি বাংলায় সংবিধান প্রণয়ন করেছিলেন, বাংলায় জাতিসংঘে ভাষণ দিয়েছিলেন এবং পঞ্চাশের দশকে চীন সফরে গিয়েও বাংলায় ভাষণ দিয়েছিলেন। এছাড়া তিনি ছিলেন বিশ্বের একমাত্র নেতা যিনি ভাষাকে ভিত্তিতে স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলের বাওয়ার কুমারজানী সহকারী শিক্ষক তানিয়া রহমান ব্যক্তিগত কারণে তিন মাসের ছুটি নিয়ে আমেরিকায় গিয়ে দেড় বছর পার করলেও কোন ব্যবস্থা নেয়নি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস।
তার সাথে যোগাযোগ করা যায়নি বলে দায় এড়ানোর চেষ্টা করছেন মির্জাপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. আলমগীর হোসেন।
জানাগেছে, মির্জাপুর উপজেলার বাওয়ার কুমারজানী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক তানিয়া রহমান ২০১৯ সালের ৩ জুলাই থেকে ২ অক্টোবর পর্যন্ত ব্যক্তিগত সমস্যা দেখিয়ে ছুটি নেন। ছুটি নিয়ে তিনি সপরিবারে আমেরিকায় চলে যান। এরপর থেকে বিদ্যালয়ের সঙ্গে তানিয়া রহমানের কোন যোগাযোগ নেই।
উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে তাকে একাধিকবার এ ব্যাপারে কৈফিয়ত চেয়ে চিঠি পাঠানো হলেও তিনি বা তার পরিবারের পক্ষে কেউ তা গ্রহণ করেনি।
মির্জাপুর উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. আলমগীর হোসেন জানান, সহকারী শিক্ষক তানিয়া রহমান তিন মাসের ছুটি নিয়ে আমেরিকা গিয়ে অদ্যাবদি দেশে ফেরেন নি।
জেলা ও উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে একাধিকবার চিঠি দিয়েও তার কোন জবাব পাওয়া যায়নি। বিলম্বে হলেও তার বিরুদ্ধে চূড়ান্ত বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়েছে।
বাওয়ার কুমারজানী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক তানিয়া রহমান তার ফেসবুক অ্যাকাউণ্টে স্ট্যাটাস দিয়ে বলেন, ‘বৈশি^ক মহামারী করোনার কারণে আমি দেশে আসতে পারছি না’।
টাঙ্গাইল জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. আবদুল আজিজ এ বিষয়ে জানান, ওই সহকারী শিক্ষক চিকিৎসাজনিত ছুটি নিয়েছেন। এরপর থেকে তার বেতন উত্তোলন বন্ধ রয়েছে। আগামি ২০ থেকে ২২ দিনের মধ্যে তাকে চাকুরি থেকে অব্যাহতি দেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।