/ হোম / অপরাধ
টাঙ্গাইলে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে গ্রেফতার ৫ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে গ্রেফতার ৫

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল পৌর এলাকার কলেজ পাড়া থেকে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে পাঁচ ডাকাতকে আটক করেছে টাঙ্গাইল মডেল থানা পুলিশ। এ সময় ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। শুক্রবার(২২ অক্টোবর) দিনগত রাত দেড়টার দিকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হল- সদর উপজেলার থানা পাড়ার মো.রফিক ও সম্রাট, খোদ্দ যুগনীর ইউসুফ আলী, বেপাড়ি পাড়ার হৃদয় ও কালিহাতী উপজেলার রাজাবাড়ি গ্রামের লেলিন।

টাঙ্গাইল মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আবু ছালাম মিয়া পিপিএম জানান, শুক্রবার রাতে কলেজ পাড়ায় ৮-১০ জনের একটি ডাকাত দল ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এমন সংবাদের ভিত্তিতে টাঙ্গাইল মডেল থানার পুলিশ তাদের ঘিরে ফেলে। এসময় রফিক, সম্রাট, ইউসুফ আলী, হৃদয় ও লেলিনকে পুলিশ আটক করতে পারলেও অজ্ঞাত আরো ৩/ ৪ জন পালিয়ে যায়। গ্রেফতারকৃতরা ডাকাতি, অস্ত্র, চুরি ও ছিনতাইসহ বিভিন্ন মামলার পলাতক আসামি।

তিনি আরো জানান, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল মডেল থানার একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. অক্টোবর ২০২২ ১০:০১:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে নিখোঁজের ২ দিন পর শিশুর মরদেহ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে নিখোঁজের ২ দিন পর শিশুর মরদেহ উদ্ধার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে নিখোঁজের দুই দিন পর নুরুল ইসলাম (৯) নামের এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (২১ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার মীর দেওহাটা গ্রামের বিল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নুরুল ইসলাম উপজেলার গোড়াই ইউনিয়নের মীর দেওহাটা গ্রামের মােসলেম খানের ছেলে বলে জানা গেছে।

পুলিশ জানায়, গত বুধবার বড়শি নিয়ে মাছ ধরার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়ে যায় নুরুল ইসলাম। এরপর গত দুই দিন পরিবারের লোকজন বিভিন্নস্থানে খোঁজ করেও তার কোন সন্ধান পায়নি। পরে শুক্রবার বিকেলে মীর দেওহাটা গ্রামের বিল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। শিশুটির এভাবে মৃত্যুর বিষয়টি রহস্যজনক বলে ধারণা করছে পুলিশ।

মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আবু সালেহ মাসুদ করিম জানান, শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। মামলার প্রস্ততি চলছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. অক্টোবর ২০২২ ০৩:১৬:এএম ৪ বছর আগে
শেষ রাতে সাবেক স্ত্রীর সঙ্গে গোপনে দেখা করতে গিয়ে পিটুনির শিকার যুবলীগ নেতা - Ekotar Kantho

শেষ রাতে সাবেক স্ত্রীর সঙ্গে গোপনে দেখা করতে গিয়ে পিটুনির শিকার যুবলীগ নেতা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নে সাবেক স্ত্রীর সঙ্গে শেষ রাতে গোপনে দেখা করতে গিয়ে ধরা পড়েন মো. উজ্জল হোসেন নামে এক যুবলীগ নেতা।শুক্রবার (২১ অক্টোবর) সকালে ইউনিয়নের সারুটিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

পরে তাকে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন করার অভিযোগ উঠেছে মেয়েটির পরিবারের বিরুদ্ধে।এদিকে নির্যাতনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, এক ব্যক্তি উজ্জল হোসেনকে গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধর করছেন। এই ডিভিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অল্প সময়ের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায়।

নির্যাতনের শিকার উজ্জল হোসেন ঘারিন্দা ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সহ-সভাপতি।

ভুক্তভোগী উজ্জল হোসেন জানান, ‘সকালে রাস্তা দিয়ে হাঁটছিলাম। এসময় আমাকে ধরে নিয়ে যান সাবেক শ্বশুর, চাচা শ্বশুরসহ চারজন।পরে তারা আমাকে গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতন করছেন। মারধরের কারণে আমার বাম হাত ভেঙে গেছে। আমি বর্তমানে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছি।’

এ বিষয়ে উজ্জল হোসেনের সাবেক স্ত্রী জানান, সকালে ফজরের নামাজের পর বাড়ির পাশে হৈ চৈ শুনতে পাই। পরে জানতে পারি উজ্জল হোসেনকে কে বা কারা মারধর করেছে। তাকে মারধরের বিষয়ে আমরা কিছুই জানি না।

স্থানীয় ইউপি সদস্য লুৎফর হোসেন জানান, ছয় মাস আগে সাটুরিয়া গ্রামের এক মেয়ের সঙ্গে উজ্জল হোসেনের বিয়ে হয়। আড়াই মাস আগে তাদের বিচ্ছেদ হয়। সম্প্রতি উজ্জল ওই মেয়ের সঙ্গে আবারো যোগাযোগ করার চেষ্টা করেন। বৃহস্পতিবার (২০ অক্টোবর) শেষ রাতে মেয়েটির সঙ্গে উজ্জল হোসেন দেখা করতে যান। মেয়েটির বাড়ির লোকজন বিষয়টি টের পেয়ে উজ্জলকে আটক করে।

টাঙ্গাইল সদর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আবু সাইম তালুকদার বিপ্লব জানান, ‘বিষয়টি জানার পর উজ্জল হোসেনকে যুবলীগের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবু ছালাম মিয়া জানান, ভিডিওটি দেখার পর এক কর্মকর্তাকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. অক্টোবর ২০২২ ০২:৩৬:এএম ৪ বছর আগে
ভিক্ষা করে মাদক সেবন ও দামী গাড়ি নিয়ে ঘুরে বেড়ানোই তাদের নেশা - Ekotar Kantho

ভিক্ষা করে মাদক সেবন ও দামী গাড়ি নিয়ে ঘুরে বেড়ানোই তাদের নেশা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে চিকিৎসা গ্রহণের জন্য ভারত যাওয়ার কথা বলে টাকা সংগ্রহের সময় তিন প্রতারক আটক হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে টাঙ্গাইল পৌর এলাকার আকুর টাকুর পাড়া এলাকা থেকে পুলিশ তাদের আটক করে।

আটককৃতরা হলেন টাঙ্গাইল পৌর শহরের দক্ষিণ কলেজ পাড়া এলাকার মৃত আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে শারিরীক প্রতিবন্ধী আবু রায়হান, অপর দুই সহযোগি হলেন একই এলাকার আক্তার হোসেনের ছেলে মোঃ একরাম, আব্দুল জব্বারের ছেলে হোসেন আলী। প্রত্যেকেরই বয়স আঠারোর নিচে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানান, এক পাহীন রায়হানকে পুঁজি করে প্রতিনিয়ত এই তিনজন বিভিন্ন স্থানে গিয়ে মানুষের নিকট থেকে চিকিৎসার জন্য অর্থ সহযোগিতা নিয়ে থাকেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে আকুর টাকুর পাড়া এলাকায় সিদ্দিকী কটেজে গিয়ে তারা শুক্রবার (২১ অক্টোবর) চিকিৎসার জন্য ভারত যাবেন বলে রাজনীতি বিদ বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর ছোট ভাই মুরাদ সিদ্দিকীকে জানান।

মুরাদ সিদ্দিকী তাদেরকে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে বলেন, তোমাদের পাসপোর্ট আর ভিসার কাগজ নিয়ে আসো। আমি চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ সহযোগিতা দেবো। পরবর্তীতে তারা ইতস্ততা শুরু করেন। তাদের আচরণ সন্দেহ জনক হলে তিনি একরাম হোসেনকে রেখে বাকি দুইজনকে ভিসা এবং চিকিৎসার কাগজপত্র আনার জন্য পাঠিয়ে দেন।

কিছুক্ষণ পর তারা ফিরে এসে ভুল শিকার করেন মুরাদ সিদ্দিকীর কাছে। তারা নিজেরাই স্বীকার করেন, প্রতিনিয়ত তারা এভাবেই চিকিৎসার কথা বলে বিভিন্নজনের নিকট থেকে সহানুভূতি নিয়ে থাকেন।

বিষয়টি থানায় অবহিত করলে টাঙ্গাইল মডেল থানার পুলিশ তাদের আটক করে থানায় নিয়ে যান। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানান নেশার টাকা যোগানোর জন্যই তারা মানুষের নিকট থেকে প্রতি নিয়ত অর্থ জোগাড় করেন।

ক্যাপসুল মার্কেট এলাকার সৌরভ দত্ত বলেন চিকিৎসার কথা বলে টাকা তুলে মাদক সেবন ও দামী গাড়ি ভাড়া নিয়ে ঘুরে বেড়ানোই তাদের নেশা।

টাঙ্গাইল শহরের ক্যাপসুল মার্কেট এলাকার সৌরভ দত্ত বলেন, চিকিৎসার কথা বলে টাকা তুলে মাদক সেবন ও দামী গাড়ি ভাড়া নিয়ে ঘুরে বেড়ানোই তাদের নেশা।

এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল মডেল থানার পুলিশ মোঃ আশরাফ হোসেন বলেন, প্রতারকদের আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। তাদের পরিবারের লোকজন ও স্থানীয় কাউন্সিলরদের ডাকা হয়েছে। এলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. অক্টোবর ২০২২ ০৭:১৬:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে অপহৃত শিশু সাভার থেকে উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে অপহৃত শিশু সাভার থেকে উদ্ধার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুর থেকে অপহৃত শিশু রীমাকে (৫) সাভারের হেমায়েতপুর থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (১৯ অক্টোবর) রাতে তাকে উদ্ধার করা হয়।

অপহরণের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে শিশুর সৎচাচা ফেরদাউস হাওলাদারকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

পটুয়াখালীর কলাপাড়ার একটি আবাসিক হোটেল থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। অপহরণের ঘটনায় রীমার বাবা রাসেল খান সখীপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

পুলিশ জানায়, রাসেল পরিবার নিয়ে সখীপুর উপজেলার তক্তারচালা গ্রামে ভাড়া বাসায় থাকেন। কয়েকদিন আগে তার সৎভাই ফেরদাউস হাওলাদার বেড়াতে আসেন। রবিবার (১৬ অক্টোবর) ফেরদাউস শিশু রীমাকে অপহরণ করে সাভার নিয়ে যান। সেখানে এক দোকানের সামনে রীমাকে রেখে তিনি দূরে দাঁড়িয়ে পরিস্থিতি দেখতে থাকেন। রীমা কান্না শুরু করলে লোকজন ভিড় করে। কাউকে না পেয়ে স্থানীয়রা শিশুটিকে গার্মেন্টকর্মী আর্জিনার আক্তারের জিম্মায় দেন। পরে ফেরদাউস হাওলাদার রীমার বাবা রাসেল খানের কাছে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন।

পুলিশ ফেরদাউসকে পটুয়াখালীর কলাপাড়ার একটি আবাসিক হোটেলে থেকে গ্রেপ্তার করে। তাকে নিয়ে শিশু রীমাকে আরজিনার বাসা থেকে উদ্ধার করা হয়। সখীপুর থানার ওসি রেজাউল করিম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

রাসেল খান জানান, সৎভাই ফেরদাউস হাওলাদার বেড়াতে আসে। পরে সে আমার মেয়েকে অপহরণ করে দুই লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. অক্টোবর ২০২২ ০১:৪৪:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে চালককে হত্যা করে অটোরিকশা ছিনতাই - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে চালককে হত্যা করে অটোরিকশা ছিনতাই

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে মাহাবুব আলম মহিন (৪২) নামে ব্যাটারিচালিত এক অটোরিকশা চালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২০ অক্টোবর) সকালে উপজেলার ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের আছিমতলা এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত মাহাবুব আলম মির্জাপুর পৌরসভার বাওয়ার কুমারজানী পূর্বপাড়া গ্রামের মিনহাজ উদ্দিনের ছেলে। দুর্বৃত্তরা অটোরিকশাটি ছিনতাই করতেই তাকে হত্যা করেছে বলে ধারণা করছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, মাহাবুব প্রতিদিন সন্ধ্যা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত মির্জাপুর বাজারে অটোরিকশা চালাতেন। প্রতিদিনের ন্যায় বুধবার সন্ধ্যায় তিনি অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বেড়িয়ে যান। রাতে বাড়ি না ফেরায় পরিবারের লোকজন বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। বৃহস্পতিবার সকালে স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। তার গলায় স্কচটেপ পেঁচানো এবং মুখ দিয়ে রক্ত ঝরছিল। খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন মরদেহ দেখে পরিচয় শনাক্ত করে।

মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আবু সালেহ মাসুদ করিম বলেন, দুর্বৃত্তরা অটোরিকশাটি ছিনতাই করতেই তাকে হত্যা করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ টাঙ্গাইল শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. নভেম্বর ২০২২ ০৮:৩৫:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মসজিদের জমি বিরোধের জেরে  কমিটির সম্পাদককে পিটিয়ে জখম - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মসজিদের জমি বিরোধের জেরে কমিটির সম্পাদককে পিটিয়ে জখম

একতার কণ্ঠঃ  টাঙ্গাইলের মধুপুরে মসজিদের ওয়াকফ্কৃত জমি নিয়ে বিরোধের জেরে মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদকসহ দু’জনকে পিটিয়ে আহত করা হয়েছে।

শুক্রবার(১৪ অক্টোবর) দুপুরে মধুপুর উপজেলার আলোকদিয়া ইউনিয়নের লুচিয়ানগর গ্রামে জুমার নামাজের পরপরই এই হামলার ঘটনাটি ঘটে।

আহত মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক আঃ বারী খান বর্তমানে মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।

এ ঘটনায় আহত সাধারণ সম্পাদক আঃ বারী খানের ভাই আব্দুর রাজ্জাক খান মধুপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ।

স্থানীয় এলাকাবাসী ও লিখিত অভিযোগের বিবরণ থেকে জানা যায়, একটি মহল মধুপুর উপজেলার আলোকদিয়া ইউনিয়নের লুচিয়ানগরবাড়ী দক্ষিণপাড়া জামে মসজিদের উন্নয়নমূলক কাজসহ মসজিদের জমির দলিল সংক্রান্ত বিষয়াদি নিয়ে মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদকসহ কমিটির সাথে বিরোধ সৃষ্টি করে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ভাবে সাধারণ সম্পাদক ও তার পরিবারকে হুমকি দিয়ে আসছে।

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুক্রবার দুপুর আনুমানিক দুইটার সময় জুমার নামাজ শেষে মসজিদের জমির দলিল ও উন্নয়নমূলক কাজ নিয়ে আলোচনার এক পর্যায়ে প্রতিপক্ষরা ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন। এ সময় একই গ্রামের মজিবর রহমানের ছেলে শাহীন আলম (৩০), আঃ গফুরের ছেলে শামছুল হক (৪০), মৃত দারোগ আলীর ছেলে মজিবুর রহমান (৬০) ও আঃ গফুর মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক আঃ বারী ও আঃ রাজ্জাককে এলোপাথারী কিলঘুষি মেরে শরীর জখম করে ।

লিখিত অভিযোগ থেকে আরো জানা যায়, এক পর্যায়ে মসজিদ কমিটির সম্পাদক আঃ বারীকে ইটের আঘাতে রক্তাক্ত করা হয়। এতে সে মাথায় ও ঠোটে আঘাত পেলে তাকে মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এ ব্যাপারে মসজিদ কমিটির সহ-সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান জানান, জুমার নামাজ শেষে মসজিদের জমির দলিল সম্পর্কে আলোচনা করা হয়। জমির রের্কড নিয়ে সমস্যা ও বিরোধ ছিল। এ নিয়ে আলোচনার এক পর্যায়ে মসজিদ কমিটির সম্পাদক প্রতিপক্ষের মারপিটে আহত হয় বলে তিনি জানান।

মসজিদের কোষাধ্যক্ষ জাহাঙ্গীর আলম জানান, তার বাবাকেও এ সময় পিটিয়ে আহত করা হয়েছে । তার বাবার হাতে আঘাত পেয়েছে।

আলোকদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু সাইদ খান সিদ্দিক বলেন, এ ঘটনা যতদূর শুনেছি জায়গা জমি নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে ঘটেছে। তবে তিনি পুরো বিষয়টি জানেন না বলে জানান।

মধুপুর থানার এস আই নুরুল আমিন জানান, তিনি ঘটনার স্থলে গিয়েছিলেন। মসজিদের জমি নিয়ে বিরোধ। ঘটনার আগের দিন দু’পক্ষের মধ্যে তর্কাতর্কি হয়। পরের দিন শুক্রবার জুমার নামাজ শেষ হতে না হতেই এ ঘটনা ঘটে বলে তিনি জানান।

তিনি আরো জানান,এ ঘটনায় আহত আঃ বারী খানের ভাই আঃ রাজ্জাক খান মধুপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. অক্টোবর ২০২২ ০১:৪৯:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে রক্তাক্ত অবস্থায় নারীকে উদ্ধার,হাসপাতালে মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে রক্তাক্ত অবস্থায় নারীকে উদ্ধার,হাসপাতালে মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভুঞাপুর উপজেলার ভুঞাপুর-তারাকান্দি আঞ্চলিক মহাসড়কের অর্জুনা ইউনিয়নের তারাই কবরস্থানের পাশ থেকে মঙ্গলবার (১৮ অক্টোবর) গভীর রাতে রক্তাক্ত ও অচেতন অবস্থায় মালা(৩২) নামে এক নারীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরে পুলিশ তাকে চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন।

নিহত মালা বেগম উপজেলার অর্জুনা ইউনিয়নের জগৎপুরা গ্রামের তারা খানের মেয়ে।

স্থানীয়রা জানান,রাতে কবরস্থানের পাশে সড়কে অচেতন ও রক্তাক্ত অবস্থায় ওই নারীকে পড়ে থাকতে দেখতে পায়। পরে পুলিশকে খবর দিলে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পর তার মৃত্যু হয়।

এ ব্যাপারে ভুঞাপুর থানার উপ-পরিদর্শক(এসআই) মাহমুদুল হক জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মুমুর্ষু অবস্থায় মালা বেগমকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন।

ভুঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম জানান, নিহতের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ধারনা করা হচ্ছে, তাকে হত্যার উদ্দেশ্য আঘাত করা হয়েছে। নিহতের মরদেহ সুরতহাল শেষে ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৯. অক্টোবর ২০২২ ০৬:০৯:পিএম ৪ বছর আগে
ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে মাদ্রাসা সুপার কারাগারে - Ekotar Kantho

ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে মাদ্রাসা সুপার কারাগারে

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে শালিয়ারা আহম্মদিয়া বাজলুল উলুম দাখিল মাদ্রাসার সুপার মোঃ আনোয়ার হোসেনকে চাকুরির প্রলোভন দেখিয়ে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে জেল হাজতে পাঠিয়েছেন বিজ্ঞ আদালত।

তিনি নাগরপুর উপজেলার বাটরা গ্রামের সোনা উল্যাহ মিয়ার ছেলে।

রবিবার ( ১৬ অক্টোবর) বিজ্ঞ আদালত উভয় পক্ষের শুনানি শেষে ও তদন্তকারী কর্মকর্তার তদন্ত প্রতিবেদন বিশ্লেষণ পূর্বক এ আদেশ প্রদান করেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, বিগত ২৩ জুলাই ২০২০ সালে স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকায় নিরাপত্তা কর্মী পদে লোক নিয়োগের ব্যাপারে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে শালিয়ারা আহম্মদিয়া বাজলুল উলুম দাখিল মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ। তখন অভিযোগকারী শাররীক প্রতিবন্ধী মোঃ আরজু সিকদারের(৭০) পুত্র মোঃ ইয়ামিন মিয়া উক্ত পদের প্রার্থী হিসেবে আবেদন করেন। আবেদনের পর অত্র মাদ্রাসার সুপার অভিযোগকারীকে আশ্বস্ত করে বলেন যে, তিনি তার সন্তানকে চাকুরী দিতে পারবেন। তবে তাকে ৩ লক্ষ ২০ হাজার টাকা দিতে হবে। প্রতিবন্ধী কৃষক বাবা গোয়ালের চাষের গরু বিক্রি করিয়া তার সন্তানের ভবিষ্যতের জন্য সরল মনে তার হাতে প্রথম পর্যায়ে ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা তুলিয়া দেয়। এ সময় মামলার ২ নাম্বার আসামি মোঃ হাবিবুর রহমান (অত্র মাদ্রাসার শিক্ষক) সহযোগিতায় মামলার স্বাক্ষীগণের সামনে অভিযুক্ত মাদ্রাসা সুপার অভিযোগকারীর বাড়ি হতে টাকা গুনিয়া ব্যাগে ভরে নিয়ে যায়। অভিযোগকারীকে আশ্বস্ত করে যে, অল্প কিছু দিনের মধ্যেই নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ও বাকী ১ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা নিয়োগ পরীক্ষা শেষে প্রদান পূর্বক তার চাকুরী নিশ্চিত করা হবে। পরবর্তীতে ২৮ ডিসেম্বর ২০ তারিখে স্বাক্ষাতকারের প্রবেশ পত্র পান ও ৮ জানুয়ারী ২১ তারিখে সাক্ষাতকার বোর্ডে উপস্থিত হইয়া সবগুলো প্রশ্নের সঠিক উত্তর প্রদান করেন।

সাক্ষাতকার পর্ব সন্তোষজনক হওয়ায় অভিযোগকারী অতি কষ্টে বাকি ১ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা সংগ্রহ করে অভিযুক্ত মাদ্রাসা সুপারের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি নানা টালবাহানা শুরু করেন। উল্লেখিত পদে চাকুরী বা প্রদেয় ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা ফেরৎ দিবে না বলে অস্বীকার করেন। অভিযুক্ত মাদ্রাসা সুপার মোঃ আনোয়ার হোসেন বিশ্বাস ভঙ্গ, টাকা আত্মসাৎ করেছে।

এতদ বিষয়ে মোকাম টাঙ্গাইল বিজ্ঞ সিনিঃ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আমলী (নাগরপুর) আদালতে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা চলমান রয়েছে। মামলা নং ১৫৩/২০২২ সি.আর (নাগরপুর)।

অভিযোগকারী মোঃ আরজু মিয়া জানান, আমি ও আমার পরিবার আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আমার সন্তানের চাকুরির প্রলোভন দেখিয়ে মাদ্রাসা সুপার ঘুষ নিয়ে চাকুরীও দিচ্ছে না আবার টাকাও ফেরত দিচ্ছে না। বাধ্য হয়েই বিজ্ঞ আদালতে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছি।

আমি একজন শাররীক প্রতিবন্ধী কৃষক। পালের গরু ছাগল বিক্রি করে তাকে সন্তানের ভবিষ্যৎ চিন্তা করে টাকা দিয়েছিলাম।

মামলার ২ নং আসামি মোঃ হাবিবুর রহমান জামিনে মুক্ত হওয়ায় আমি চিন্তিত। তবে বিজ্ঞ আদালতের প্রতি আমার দৃঢ় আস্থা ও বিশ্বাস আছে আমি ন্যায় বিচার পাবো।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৮. অক্টোবর ২০২২ ০৩:৪৩:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বোনের বাড়ি বেড়াতে এসে ধর্ষণের শিকার কিশোরী - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বোনের বাড়ি বেড়াতে এসে ধর্ষণের শিকার কিশোরী

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে বোনের বাড়ি বেড়াতে এসে ধর্ষণের শিকার হয়েছে এক কিশোরী (১৪)। শনিবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার লাউহাটি এলাকার একটি পরিত্যাক্ত বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় ওই দিন রাতেই ভুক্তভোগী কিশোরী বাদী হয়ে দেলদুয়ার থানায় তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। তবে এখনও কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

ওই কিশোরী জানায়, শনিবার দুপুরে বোনের বাড়ি বেড়াতে আসে সে। পরে সেখান থেকে একাই ঘুরতে বের হয়। এসময় স্থানীয় তিন বখাটে তাকে একটি নির্জন বাড়িতে নিয়ে যায়। একপর্যায়ে দুই বখাটের পাহারায় একজন তাকে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়।

এ বিষয়ে দেলদুয়ার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাছির উদ্দীন মৃধা জানান, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের অভিযান অব্যাহত আছে। ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ওই কিশোরীকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসহাতালে পাঠানো হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৭. অক্টোবর ২০২২ ০৪:০১:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে অসুস্থ বোনকে হাসপাতালে দেখতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার তরুণী - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে অসুস্থ বোনকে হাসপাতালে দেখতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার তরুণী

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অসুস্থ বোনকে দেখেতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক তরুণী (১৯)।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত আব্দুল হাইকে (২৫) গ্রেপ্তার করেছে ধনবাড়ী থানার পুলিশ। ধর্ষণে অপর সহযোগী আল-আমিন পলাতক রয়েছেন। তাঁরা উভয়েই ওই হাসপাতালের নৈশপ্রহরী পদে কর্মরত।

রোববার (১৬ অক্টোবর) ভুক্তভোগী তরুণী বাদী হয়ে ধনবাড়ী থানায় মামলা দায়ের করেছে। তাঁকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

অভিযুক্ত আব্দুল হাই উপজেলার ধোপাখালী ইউনিয়নের নরিল্যা গ্রামের আবু হানিফের ছেলে, অপর অভিযুক্ত আল-আমিন একই গ্রামের বাসিন্দা।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১৩ অক্টোবর) ধনবাড়ী হাসপাতালে ধর্ষণের ঘটনাটি ঘটে।

ভুক্তভোগী তরুণী জানান, গত বুধবার (১২ অক্টোবর) বড় বোন অসুস্থ হলে তাঁকে ধনবাড়ী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাতপাতালে বোনকে দেখতে এসে আ. হাইয়ের সঙ্গে পরিচয় হলে তিনি কৌশলে মোবাইল নম্বর নেন। তারপর তিনি নানাভাবে সহযোগিতার কথা বলেন। এরপর গত বৃহস্পতিবার হাসপাতালের একটি কক্ষে নিয়ে ধর্ষণ করেন আব্দুল হাই। তাঁকে সহযোগিতা করেন আল-আমিন। পরদিন আবারও ধর্ষণ করেন আব্দুল হাই।

উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শাহানাজ সুলতানা জানান, ‘এ ব্যাপারে থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। আইনের প্রতি আমরা সবাই শ্রদ্ধাশীল।’

ধনবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এইচএম জসিম উদ্দিন জানান, ‘মেয়েটি বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছে। অভিযুক্ত আ. হাইকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সহযোগী আল-আমিনকেও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৭. অক্টোবর ২০২২ ০৪:২৪:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে গৃহবধূ হত্যা মামলায় স্বামী গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে গৃহবধূ হত্যা মামলায় স্বামী গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ  টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে আনোয়ারা বেগম (২৭) নামের এক গৃহবধূকে হত্যা মামলায় স্বামী মুফাজ্জল হোসেন ওরফে মুবাজকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (১৩ অক্টোবর) রাতে ঘাটাইল উপজেলার মুরাদ গ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ জানায়, আনোয়ারা বেগম ও মুফাজ্জল হোসেন দম্পতি উপজেলার আজচগানা ইউনিয়নের বেলতৈল হাটুভাঙ্গা বাজারের শাহিদের বাড়িতে তাদের সাত বছরের পুত্র আশিককে নিয়ে ভাড়া থাকতেন। বুধবার সকালে ওই গৃহবধূর ঘরের বাইরে থেকে দরজার শিকল আটকানো ছিলো।

ঘরের ভেতর বাচ্চার কান্নার শব্দ শুনে বাড়ির মালিকের স্ত্রী দরজার শিকল খুলে ঘরের ভেতর গিয়ে দেখেন বাচ্চাটি বসে কান্না করছে আর গৃহবধূর নিথর দেহ পড়ে আছে। খবর পেয়ে মির্জাপুর থানা ও বাশহৈতল ফাঁড়ি পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

এই ঘটনায় নিহতের বড় ভাই আবুল হোসেন বাদী হয়ে ওইদিনই মির্জাপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। দুইদিন ধরে অভিযান চালিয়ে পুলিশ বৃহস্পতিবার রাতে মুবাজকে তার গ্রামের বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে।

স্থানীয়রা জানায়, আনোয়ারা তার প্রথম স্বামী ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা এলাকার পলাশ মিয়াকে মাদক সেবন থেকে ফেরাতে না পেরে কয়েক বছর আগে ডিভোর্স দেন।

মির্জাপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম জানান, বৃহস্পতিবার অভিযুক্ত মুফাজ্জল হোসেন ওরফে মুবাজকে গ্রেপ্তার করা হয়। শুক্রবার (১৪ অক্টোবর) সকালে তাকে আদালতের মাধ্যমে টাঙ্গাইল জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. অক্টোবর ২০২২ ০৩:১১:এএম ৪ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।