/ হোম / অপরাধ
টাঙ্গাইলে ভূয়া চিকিৎসকে লাখ টাকা জরিমানা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ভূয়া চিকিৎসকে লাখ টাকা জরিমানা

একতার কণ্ঠঃ চিকিৎসা বিদ্যায় নেই কোন পড়াশোনা। তবুও তিনি চিকিৎসক। তার ভিজিটিং কার্ডে লিখেছেন চিকিৎসা বিদ্যার নানা ডিগ্রির লম্বা লাইন। তার চিকিৎসাপত্রের প্যাডে নিজেকে মেডিসিন ও শিশু বিশেষজ্ঞ হিসাবে নাম ছাপিয়েছে। তিনি ডিগ্রি লেখেছেন এমবিবিএস ঢাকা। পিজিটি শিশু। সিসিডি বারডেম। এফসিপিএস মেডিসিন। এ ডিগ্রি ও বিদ্যার পরিচয়ে দীর্ঘদিন যাবত চিকিৎসা প্রদানের নামে রোগীদের সাথে প্রতারণা করে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছিলেন মাসুদ আহমেদ নামের এক যুবক। তিনি টাঙ্গাইলের মধুপুরে শাহজালাল ফার্মেসী ও ডায়াগনাষ্টিক সেন্টারে রোগী দেখতেন।

মধুপুর-জামালপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে ১০০ শয্যা বিশিষ্ট মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স গেইটের সামনে অবস্থিত শাহজালাল ফার্মেসী ও ডায়াগনাষ্টিক সেন্টারে তিনি রোগীদের চিকিৎসাপত্রে রোগীদের বিভিন্ন পরীক্ষা দিলে রোগীরা অন্যান্য ক্লিনিকে পরীক্ষা করাতে গেলে স্থানীয় ক্লিনিকের লোকজনের সন্দেহের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়দের সন্দেহ ঘনিভূত হলে স্থানীয়রা প্রশসানকে গোপনে সংবাদ দিলে বুধবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে নির্বাহী ম্যাজিস্টেট সহকারী কমিশনার (ভুমি) জাকির হোসাইন, ১০০ শয্যা বিশিষ্ট মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সাইদুর রহমান পুলিশসহ শাহজালাল ফার্মেসী ও ডায়গনাষ্টিক সেন্টারে গিয়ে তার ডাক্তারি পড়াশোনার কোন সনদপত্র দেখাতে না পাড়ায় তাকে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে ১ লক্ষ টাকা ও দুই মাসের কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ক্লিনিকের মালিককে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

এ মাসুদ আহমেদ বরিশালের মুলাদি উপজেলার বানীমর্দান গ্রামের মৃত হাবিবুর রহমানের ছেলে।

জানা যায়, মাসুদ আহমেদ বেশ কিছুদিন ধরে মধুপুরের শাহজালাল ও ডায়াগনাষ্টিক সেন্টারে চিকিৎসা দিয়ে আসছিলেন। ডাক্তারি বিদ্যায় পড়াশোনা না করেই রোগীদের আকৃষ্ট করতে ডিগ্রি লিখেছেন এমবিবিএস ঢাকা। পিজিটি শিশু। সিসিডি বারডেম। এফসিপিএস মেডিসিন। নিজের চিকিৎসাপত্রের প্যাডে মেডিসিন ও শিশু বিশেষজ্ঞ লিখে চটকদার প্রচারনার মাধ্যমে চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছে। তার বিভিন্ন পরীক্ষার কাগজপত্র অন্যান্য ক্লিনিকের নিয়ে গেলে স্থানীয় ক্লিনিকে কর্মরতদের সন্দেহের সৃষ্টি হয়। তারপর বিষয়টি স্থানীয় চিকিৎসকদের জানালে গোপনে তারা খোজখবর দিতে থাকে। খোজখবর নিয়ে জানতে পারেন তার কোন ডাক্তারি পড়াশোনার সনদ নেই। পরে বিষয়টি নির্বাহী ম্যাজিস্টেট সহকারী কমিশনার (ভুমি)কে অবগত করলে তিনি বুধবার দুপুরে সরজমিনে গিয়ে মাসুদ আহমদের নিকট তার ডাক্তরি বিদ্যার সনদপত্র দেখাতে বললে নানা অযুহাত খুঁজতে থাকেন। সনদপত্র তার স্ত্রী নিয়ে চলে গেছে বলে মাসুদ জানায়। এ সময় মাসুদ আহমেদ এক এক সময় এক এক মেডিকেলে পড়াশোনার কথা জানান। এ সব তথ্য স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়।

১০০ শয্যা বিশিষ্ট মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ সাইদুর রহমান জানান, মধুপুর উপজেলা হাসপাতালের একাধিক কর্মকর্তা, কর্মচারী সন্দেহভাজন এফসিপিএস ডিগ্রিধারী একজন ডাক্তার শাহজালাল ডায়গানাষ্টিক সেন্টারে প্যাকটিস করেন বলে জানায়। বুধবার দুপুর ১২ টার সময় স্যানিটারি ইন্সপেক্টরসহ তিনি ঐ ক্লিনিকে অভিযানে যান। এ সময় তিনি ডাক্তার মাসুদ আহমেদ নামে একজনকে ঐ ক্লিনিকের চেম্বারে দেখতে পায়। এ সময় মাসুদ আহমেদ এক প্রশ্নের জবাবে জানায় সে ঢাকা মেডিকেল থেকে এমবিবিএস ও এফসিপিএস ডিগ্রি নিয়েছে। পরবর্তীতে জানা গেলো তিনি আদৌ কোন মেডিকেলে পড়াশোনা করেনি। বিষয়টি তিনি মধুপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে ফোন করে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করার কথা জানালে নির্বাহী ম্যাজিস্টেট সহকারী কমিশনার (ভুমি) সনদবিহীন ডাক্তার মাসুদ আহমেদকে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা করেন।

এ ব্যাপারে নির্বাহী ম্যাজিস্টেট জাকির হোসাইন এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, মাসুদ আহমেদ মেডিকেলে পড়াশোনা করেনি। ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা ও দুই মাসের কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে। এ সময় শাহজালাল ডায়গানাষ্টিক মালিককেও ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. অক্টোবর ২০২২ ০১:৪৯:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মাকে খুনের অভিযোগে ছেলে আটক - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মাকে খুনের অভিযোগে ছেলে আটক

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল শহরের এনায়েতপুর এলাকায় মা সালমা বেগমকে খুন করার অভিযোগে ছেলে মো. আবুল কালামকে(৩০) আটক করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার(২৫ অক্টোবর) সকালে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।

নিহত গৃহবধূ সালমা বেগম(৫০) ওই এলাকার পুলিশ থেকে অবসরপ্রাপ্ত মোহাম্মদ আলী শেখের স্ত্রী।

টাঙ্গাইল পৌরসভার প্যানেল মেয়র মাহমুদা বেগম জেবু জানান, মোহাম্মদ আলী শেখ ৪০ দিন মেয়াদের তাবলিগ জামায়াতে ছিলেন। তিন ছেলে নিয়ে সালমা বেগম তার বাসায়ই থাকতেন। মঙ্গলবার সকালে তার বাসা বাইরে থেকে বন্ধ দেখে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়।

তিনি আরো জানান, পরে দরজা ভেঙে ঘরের ভেতরে প্রবেশ করতেই দেখে মেঝেতে ছেলে মো. আবুল কালাম বসে আছে। এক পর্যায়ে খাটের নিচ থেকে হাত পা বাঁধা অবস্থায় সালমা বেগমকে উদ্ধার করা হয়। তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মোহাম্মদ আবু ছালাম মিয়া জানান, গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। লাশের গায়ে আগুন দিয়ে ছ্যাকা দেওয়ার আলামত পাওয়া গেছে। মামলার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। ছেলে আবুল কালাম আটক আছে। কিভাবে খুন হয়েছেন তা ময়নাতদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৬. অক্টোবর ২০২২ ০১:২৫:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ড্রেন থেকে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ড্রেন থেকে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সদর উপজেলার করটিয়া কলেজপাড়া এলাকা থেকে অজ্ঞাত এক নারীর(৪২) মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার(২৫ অক্টোবর) দুপুরে করটিয়া হাটের পুর্ব পাশে রাস্তার ড্রেন থেকে ওই মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানায়, টানা বৃষ্টিতে উপজেলার করটিয়া ইউনিয়নের কলেজপাড়ায় ড্রেনে ময়লা আটকে পানি জমে থাকায় দোকানদাররা ড্রেন পরিস্কার করছিল। এ সময় জনৈক দোকানদার ড্রেনে মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।

টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মোহাম্মদ আবু ছালাম মিয়া জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে অজ্ঞাত এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠিয়েছে।

উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত ওই নারীর পরিচয় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৬. অক্টোবর ২০২২ ০১:৩৬:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলের অভিজাত নুরজাহান রেস্টুরেন্ট এন্ড পার্টি ভেন্যুকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলের অভিজাত নুরজাহান রেস্টুরেন্ট এন্ড পার্টি ভেন্যুকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে মেয়াদোত্তীর্ণ পাউরুটি ও কোমল পানীয় রাখার দায়ে জেলা শহরের ভিক্টোরিয়া রোডে অবস্থিত অভিজাত নুরজাহান রেস্টুরেন্ট এন্ড পার্টি ভেন্যুকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমান আদালত।

 

রবিবার (২৩ অক্টোবর) দুপুরে এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর টাঙ্গাইলের সহকারী পরিচালক সৈয়দা তামান্না তাসনীম‌।

এ প্রসঙ্গে সৈয়দা তামান্না তাসনীম‌ জানান, টাঙ্গাইল ভিক্টোরিয়া রোডে অবস্থিত নুরজাহান রেস্টুরেন্ট এন্ড পার্টি ভেন্যুকে মেয়াদ উত্তীর্ণ পাউরুটি ব্যবহার করে বার্গার তৈরি, মেয়াদ উত্তীর্ণ কোমল পানীয় বিক্রির জন্য ফ্রিজে সংরক্ষণ এবং পূর্বের দিনের বিরিয়ানি, চিকেন ফ্রাই ও সবজি সংরক্ষণ এবং প্রস্তুতকৃত খাবার এবং কাঁচা মাংস একসাথে সংরক্ষণের দায়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এর ৪৩ এবং ৫১ ধারায় মোট ২৫ হাজার টাকা জরিমানা আরোপ ও আদায় করা হয়েছে।

তিনি আরো জানান, এ ছাড়া শহরের বিভিন্ন চিনির পাইকারী ও খুচরা ব্যবসায়ীদের দোকানসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানেও সচেতনতামূলক দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।

 

এই ভ্রাম্যমান আদালতের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান,বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সার্বিক তত্ত্বাবধানে, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) এর নির্দেশনা ও অর্পিত ক্ষমতাবলে, টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় এই ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হয়।

এছাড়া, জেলা পুলিশের একটি চৌকস টিম ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনায় সার্বিক সহযোগীতা করেন। জনস্বার্থে এ ধরনের তদারকি অব্যাহত থাকবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৪. অক্টোবর ২০২২ ০৩:৩২:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে গ্রেফতার ৫ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে গ্রেফতার ৫

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল পৌর এলাকার কলেজ পাড়া থেকে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে পাঁচ ডাকাতকে আটক করেছে টাঙ্গাইল মডেল থানা পুলিশ। এ সময় ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। শুক্রবার(২২ অক্টোবর) দিনগত রাত দেড়টার দিকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হল- সদর উপজেলার থানা পাড়ার মো.রফিক ও সম্রাট, খোদ্দ যুগনীর ইউসুফ আলী, বেপাড়ি পাড়ার হৃদয় ও কালিহাতী উপজেলার রাজাবাড়ি গ্রামের লেলিন।

টাঙ্গাইল মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আবু ছালাম মিয়া পিপিএম জানান, শুক্রবার রাতে কলেজ পাড়ায় ৮-১০ জনের একটি ডাকাত দল ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এমন সংবাদের ভিত্তিতে টাঙ্গাইল মডেল থানার পুলিশ তাদের ঘিরে ফেলে। এসময় রফিক, সম্রাট, ইউসুফ আলী, হৃদয় ও লেলিনকে পুলিশ আটক করতে পারলেও অজ্ঞাত আরো ৩/ ৪ জন পালিয়ে যায়। গ্রেফতারকৃতরা ডাকাতি, অস্ত্র, চুরি ও ছিনতাইসহ বিভিন্ন মামলার পলাতক আসামি।

তিনি আরো জানান, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল মডেল থানার একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. অক্টোবর ২০২২ ১০:০১:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে নিখোঁজের ২ দিন পর শিশুর মরদেহ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে নিখোঁজের ২ দিন পর শিশুর মরদেহ উদ্ধার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে নিখোঁজের দুই দিন পর নুরুল ইসলাম (৯) নামের এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (২১ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার মীর দেওহাটা গ্রামের বিল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নুরুল ইসলাম উপজেলার গোড়াই ইউনিয়নের মীর দেওহাটা গ্রামের মােসলেম খানের ছেলে বলে জানা গেছে।

পুলিশ জানায়, গত বুধবার বড়শি নিয়ে মাছ ধরার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়ে যায় নুরুল ইসলাম। এরপর গত দুই দিন পরিবারের লোকজন বিভিন্নস্থানে খোঁজ করেও তার কোন সন্ধান পায়নি। পরে শুক্রবার বিকেলে মীর দেওহাটা গ্রামের বিল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। শিশুটির এভাবে মৃত্যুর বিষয়টি রহস্যজনক বলে ধারণা করছে পুলিশ।

মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আবু সালেহ মাসুদ করিম জানান, শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। মামলার প্রস্ততি চলছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. অক্টোবর ২০২২ ০৩:১৬:এএম ৪ বছর আগে
শেষ রাতে সাবেক স্ত্রীর সঙ্গে গোপনে দেখা করতে গিয়ে পিটুনির শিকার যুবলীগ নেতা - Ekotar Kantho

শেষ রাতে সাবেক স্ত্রীর সঙ্গে গোপনে দেখা করতে গিয়ে পিটুনির শিকার যুবলীগ নেতা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নে সাবেক স্ত্রীর সঙ্গে শেষ রাতে গোপনে দেখা করতে গিয়ে ধরা পড়েন মো. উজ্জল হোসেন নামে এক যুবলীগ নেতা।শুক্রবার (২১ অক্টোবর) সকালে ইউনিয়নের সারুটিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

পরে তাকে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন করার অভিযোগ উঠেছে মেয়েটির পরিবারের বিরুদ্ধে।এদিকে নির্যাতনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, এক ব্যক্তি উজ্জল হোসেনকে গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধর করছেন। এই ডিভিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অল্প সময়ের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায়।

নির্যাতনের শিকার উজ্জল হোসেন ঘারিন্দা ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সহ-সভাপতি।

ভুক্তভোগী উজ্জল হোসেন জানান, ‘সকালে রাস্তা দিয়ে হাঁটছিলাম। এসময় আমাকে ধরে নিয়ে যান সাবেক শ্বশুর, চাচা শ্বশুরসহ চারজন।পরে তারা আমাকে গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতন করছেন। মারধরের কারণে আমার বাম হাত ভেঙে গেছে। আমি বর্তমানে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছি।’

এ বিষয়ে উজ্জল হোসেনের সাবেক স্ত্রী জানান, সকালে ফজরের নামাজের পর বাড়ির পাশে হৈ চৈ শুনতে পাই। পরে জানতে পারি উজ্জল হোসেনকে কে বা কারা মারধর করেছে। তাকে মারধরের বিষয়ে আমরা কিছুই জানি না।

স্থানীয় ইউপি সদস্য লুৎফর হোসেন জানান, ছয় মাস আগে সাটুরিয়া গ্রামের এক মেয়ের সঙ্গে উজ্জল হোসেনের বিয়ে হয়। আড়াই মাস আগে তাদের বিচ্ছেদ হয়। সম্প্রতি উজ্জল ওই মেয়ের সঙ্গে আবারো যোগাযোগ করার চেষ্টা করেন। বৃহস্পতিবার (২০ অক্টোবর) শেষ রাতে মেয়েটির সঙ্গে উজ্জল হোসেন দেখা করতে যান। মেয়েটির বাড়ির লোকজন বিষয়টি টের পেয়ে উজ্জলকে আটক করে।

টাঙ্গাইল সদর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আবু সাইম তালুকদার বিপ্লব জানান, ‘বিষয়টি জানার পর উজ্জল হোসেনকে যুবলীগের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবু ছালাম মিয়া জানান, ভিডিওটি দেখার পর এক কর্মকর্তাকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. অক্টোবর ২০২২ ০২:৩৬:এএম ৪ বছর আগে
ভিক্ষা করে মাদক সেবন ও দামী গাড়ি নিয়ে ঘুরে বেড়ানোই তাদের নেশা - Ekotar Kantho

ভিক্ষা করে মাদক সেবন ও দামী গাড়ি নিয়ে ঘুরে বেড়ানোই তাদের নেশা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে চিকিৎসা গ্রহণের জন্য ভারত যাওয়ার কথা বলে টাকা সংগ্রহের সময় তিন প্রতারক আটক হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে টাঙ্গাইল পৌর এলাকার আকুর টাকুর পাড়া এলাকা থেকে পুলিশ তাদের আটক করে।

আটককৃতরা হলেন টাঙ্গাইল পৌর শহরের দক্ষিণ কলেজ পাড়া এলাকার মৃত আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে শারিরীক প্রতিবন্ধী আবু রায়হান, অপর দুই সহযোগি হলেন একই এলাকার আক্তার হোসেনের ছেলে মোঃ একরাম, আব্দুল জব্বারের ছেলে হোসেন আলী। প্রত্যেকেরই বয়স আঠারোর নিচে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানান, এক পাহীন রায়হানকে পুঁজি করে প্রতিনিয়ত এই তিনজন বিভিন্ন স্থানে গিয়ে মানুষের নিকট থেকে চিকিৎসার জন্য অর্থ সহযোগিতা নিয়ে থাকেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে আকুর টাকুর পাড়া এলাকায় সিদ্দিকী কটেজে গিয়ে তারা শুক্রবার (২১ অক্টোবর) চিকিৎসার জন্য ভারত যাবেন বলে রাজনীতি বিদ বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর ছোট ভাই মুরাদ সিদ্দিকীকে জানান।

মুরাদ সিদ্দিকী তাদেরকে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে বলেন, তোমাদের পাসপোর্ট আর ভিসার কাগজ নিয়ে আসো। আমি চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ সহযোগিতা দেবো। পরবর্তীতে তারা ইতস্ততা শুরু করেন। তাদের আচরণ সন্দেহ জনক হলে তিনি একরাম হোসেনকে রেখে বাকি দুইজনকে ভিসা এবং চিকিৎসার কাগজপত্র আনার জন্য পাঠিয়ে দেন।

কিছুক্ষণ পর তারা ফিরে এসে ভুল শিকার করেন মুরাদ সিদ্দিকীর কাছে। তারা নিজেরাই স্বীকার করেন, প্রতিনিয়ত তারা এভাবেই চিকিৎসার কথা বলে বিভিন্নজনের নিকট থেকে সহানুভূতি নিয়ে থাকেন।

বিষয়টি থানায় অবহিত করলে টাঙ্গাইল মডেল থানার পুলিশ তাদের আটক করে থানায় নিয়ে যান। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানান নেশার টাকা যোগানোর জন্যই তারা মানুষের নিকট থেকে প্রতি নিয়ত অর্থ জোগাড় করেন।

ক্যাপসুল মার্কেট এলাকার সৌরভ দত্ত বলেন চিকিৎসার কথা বলে টাকা তুলে মাদক সেবন ও দামী গাড়ি ভাড়া নিয়ে ঘুরে বেড়ানোই তাদের নেশা।

টাঙ্গাইল শহরের ক্যাপসুল মার্কেট এলাকার সৌরভ দত্ত বলেন, চিকিৎসার কথা বলে টাকা তুলে মাদক সেবন ও দামী গাড়ি ভাড়া নিয়ে ঘুরে বেড়ানোই তাদের নেশা।

এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল মডেল থানার পুলিশ মোঃ আশরাফ হোসেন বলেন, প্রতারকদের আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। তাদের পরিবারের লোকজন ও স্থানীয় কাউন্সিলরদের ডাকা হয়েছে। এলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. অক্টোবর ২০২২ ০৭:১৬:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে অপহৃত শিশু সাভার থেকে উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে অপহৃত শিশু সাভার থেকে উদ্ধার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুর থেকে অপহৃত শিশু রীমাকে (৫) সাভারের হেমায়েতপুর থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (১৯ অক্টোবর) রাতে তাকে উদ্ধার করা হয়।

অপহরণের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে শিশুর সৎচাচা ফেরদাউস হাওলাদারকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

পটুয়াখালীর কলাপাড়ার একটি আবাসিক হোটেল থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। অপহরণের ঘটনায় রীমার বাবা রাসেল খান সখীপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

পুলিশ জানায়, রাসেল পরিবার নিয়ে সখীপুর উপজেলার তক্তারচালা গ্রামে ভাড়া বাসায় থাকেন। কয়েকদিন আগে তার সৎভাই ফেরদাউস হাওলাদার বেড়াতে আসেন। রবিবার (১৬ অক্টোবর) ফেরদাউস শিশু রীমাকে অপহরণ করে সাভার নিয়ে যান। সেখানে এক দোকানের সামনে রীমাকে রেখে তিনি দূরে দাঁড়িয়ে পরিস্থিতি দেখতে থাকেন। রীমা কান্না শুরু করলে লোকজন ভিড় করে। কাউকে না পেয়ে স্থানীয়রা শিশুটিকে গার্মেন্টকর্মী আর্জিনার আক্তারের জিম্মায় দেন। পরে ফেরদাউস হাওলাদার রীমার বাবা রাসেল খানের কাছে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন।

পুলিশ ফেরদাউসকে পটুয়াখালীর কলাপাড়ার একটি আবাসিক হোটেলে থেকে গ্রেপ্তার করে। তাকে নিয়ে শিশু রীমাকে আরজিনার বাসা থেকে উদ্ধার করা হয়। সখীপুর থানার ওসি রেজাউল করিম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

রাসেল খান জানান, সৎভাই ফেরদাউস হাওলাদার বেড়াতে আসে। পরে সে আমার মেয়েকে অপহরণ করে দুই লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. অক্টোবর ২০২২ ০১:৪৪:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে চালককে হত্যা করে অটোরিকশা ছিনতাই - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে চালককে হত্যা করে অটোরিকশা ছিনতাই

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে মাহাবুব আলম মহিন (৪২) নামে ব্যাটারিচালিত এক অটোরিকশা চালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২০ অক্টোবর) সকালে উপজেলার ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের আছিমতলা এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত মাহাবুব আলম মির্জাপুর পৌরসভার বাওয়ার কুমারজানী পূর্বপাড়া গ্রামের মিনহাজ উদ্দিনের ছেলে। দুর্বৃত্তরা অটোরিকশাটি ছিনতাই করতেই তাকে হত্যা করেছে বলে ধারণা করছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, মাহাবুব প্রতিদিন সন্ধ্যা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত মির্জাপুর বাজারে অটোরিকশা চালাতেন। প্রতিদিনের ন্যায় বুধবার সন্ধ্যায় তিনি অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বেড়িয়ে যান। রাতে বাড়ি না ফেরায় পরিবারের লোকজন বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। বৃহস্পতিবার সকালে স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। তার গলায় স্কচটেপ পেঁচানো এবং মুখ দিয়ে রক্ত ঝরছিল। খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন মরদেহ দেখে পরিচয় শনাক্ত করে।

মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আবু সালেহ মাসুদ করিম বলেন, দুর্বৃত্তরা অটোরিকশাটি ছিনতাই করতেই তাকে হত্যা করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ টাঙ্গাইল শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. নভেম্বর ২০২২ ০৮:৩৫:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মসজিদের জমি বিরোধের জেরে  কমিটির সম্পাদককে পিটিয়ে জখম - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মসজিদের জমি বিরোধের জেরে কমিটির সম্পাদককে পিটিয়ে জখম

একতার কণ্ঠঃ  টাঙ্গাইলের মধুপুরে মসজিদের ওয়াকফ্কৃত জমি নিয়ে বিরোধের জেরে মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদকসহ দু’জনকে পিটিয়ে আহত করা হয়েছে।

শুক্রবার(১৪ অক্টোবর) দুপুরে মধুপুর উপজেলার আলোকদিয়া ইউনিয়নের লুচিয়ানগর গ্রামে জুমার নামাজের পরপরই এই হামলার ঘটনাটি ঘটে।

আহত মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক আঃ বারী খান বর্তমানে মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।

এ ঘটনায় আহত সাধারণ সম্পাদক আঃ বারী খানের ভাই আব্দুর রাজ্জাক খান মধুপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ।

স্থানীয় এলাকাবাসী ও লিখিত অভিযোগের বিবরণ থেকে জানা যায়, একটি মহল মধুপুর উপজেলার আলোকদিয়া ইউনিয়নের লুচিয়ানগরবাড়ী দক্ষিণপাড়া জামে মসজিদের উন্নয়নমূলক কাজসহ মসজিদের জমির দলিল সংক্রান্ত বিষয়াদি নিয়ে মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদকসহ কমিটির সাথে বিরোধ সৃষ্টি করে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ভাবে সাধারণ সম্পাদক ও তার পরিবারকে হুমকি দিয়ে আসছে।

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুক্রবার দুপুর আনুমানিক দুইটার সময় জুমার নামাজ শেষে মসজিদের জমির দলিল ও উন্নয়নমূলক কাজ নিয়ে আলোচনার এক পর্যায়ে প্রতিপক্ষরা ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন। এ সময় একই গ্রামের মজিবর রহমানের ছেলে শাহীন আলম (৩০), আঃ গফুরের ছেলে শামছুল হক (৪০), মৃত দারোগ আলীর ছেলে মজিবুর রহমান (৬০) ও আঃ গফুর মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক আঃ বারী ও আঃ রাজ্জাককে এলোপাথারী কিলঘুষি মেরে শরীর জখম করে ।

লিখিত অভিযোগ থেকে আরো জানা যায়, এক পর্যায়ে মসজিদ কমিটির সম্পাদক আঃ বারীকে ইটের আঘাতে রক্তাক্ত করা হয়। এতে সে মাথায় ও ঠোটে আঘাত পেলে তাকে মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এ ব্যাপারে মসজিদ কমিটির সহ-সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান জানান, জুমার নামাজ শেষে মসজিদের জমির দলিল সম্পর্কে আলোচনা করা হয়। জমির রের্কড নিয়ে সমস্যা ও বিরোধ ছিল। এ নিয়ে আলোচনার এক পর্যায়ে মসজিদ কমিটির সম্পাদক প্রতিপক্ষের মারপিটে আহত হয় বলে তিনি জানান।

মসজিদের কোষাধ্যক্ষ জাহাঙ্গীর আলম জানান, তার বাবাকেও এ সময় পিটিয়ে আহত করা হয়েছে । তার বাবার হাতে আঘাত পেয়েছে।

আলোকদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু সাইদ খান সিদ্দিক বলেন, এ ঘটনা যতদূর শুনেছি জায়গা জমি নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে ঘটেছে। তবে তিনি পুরো বিষয়টি জানেন না বলে জানান।

মধুপুর থানার এস আই নুরুল আমিন জানান, তিনি ঘটনার স্থলে গিয়েছিলেন। মসজিদের জমি নিয়ে বিরোধ। ঘটনার আগের দিন দু’পক্ষের মধ্যে তর্কাতর্কি হয়। পরের দিন শুক্রবার জুমার নামাজ শেষ হতে না হতেই এ ঘটনা ঘটে বলে তিনি জানান।

তিনি আরো জানান,এ ঘটনায় আহত আঃ বারী খানের ভাই আঃ রাজ্জাক খান মধুপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. অক্টোবর ২০২২ ০১:৪৯:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে রক্তাক্ত অবস্থায় নারীকে উদ্ধার,হাসপাতালে মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে রক্তাক্ত অবস্থায় নারীকে উদ্ধার,হাসপাতালে মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভুঞাপুর উপজেলার ভুঞাপুর-তারাকান্দি আঞ্চলিক মহাসড়কের অর্জুনা ইউনিয়নের তারাই কবরস্থানের পাশ থেকে মঙ্গলবার (১৮ অক্টোবর) গভীর রাতে রক্তাক্ত ও অচেতন অবস্থায় মালা(৩২) নামে এক নারীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরে পুলিশ তাকে চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন।

নিহত মালা বেগম উপজেলার অর্জুনা ইউনিয়নের জগৎপুরা গ্রামের তারা খানের মেয়ে।

স্থানীয়রা জানান,রাতে কবরস্থানের পাশে সড়কে অচেতন ও রক্তাক্ত অবস্থায় ওই নারীকে পড়ে থাকতে দেখতে পায়। পরে পুলিশকে খবর দিলে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পর তার মৃত্যু হয়।

এ ব্যাপারে ভুঞাপুর থানার উপ-পরিদর্শক(এসআই) মাহমুদুল হক জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মুমুর্ষু অবস্থায় মালা বেগমকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন।

ভুঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম জানান, নিহতের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ধারনা করা হচ্ছে, তাকে হত্যার উদ্দেশ্য আঘাত করা হয়েছে। নিহতের মরদেহ সুরতহাল শেষে ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৯. অক্টোবর ২০২২ ০৬:০৯:পিএম ৪ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।