/ হোম / অপরাধ
বাসাইল উপজেলা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অভিযোগ - Ekotar Kantho

বাসাইল উপজেলা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অভিযোগ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলা চেয়ারম্যান কাজী অলিদ ইসলামের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে।

বৃহস্পতিবার (৪ মে) দুপুরে উপজেলার কাশিল ইউনিয়নের বটতলায় নির্মানাধীন চায়না প্রজেক্টের প্রকল্প পরিচালক জহির আহমেদ জমাদার পিন্টু সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন।

চায়না প্রজেক্টের প্রকল্প পরিচালক জহির আহমেদ জমাদার পিন্টু অভিযোগ করে বলেন, জেলা ও উপজেলার কোন নেতা বা জনপ্রতিনিধিদ্বয় চায়না প্রজেক্টের বিরুদ্ধে কথা বলেননি। চায়না প্রজেক্টের দায়িত্ব বাদল এন্টার প্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. বাদল মিয়া নেওয়ার পর থেকেই উপজেলা চেয়ারম্যান বিভিন্ন সময়ে চাঁদা দাবি করে আসছেন। ইতোমধ্যে বিভিন্ন অযুহাতে তিনি ১৫ লক্ষ টাকা নিয়েছেন। বর্তমানে তিনি নতুন করে পুনরায় ৩০ লক্ষ টাকা দাবি করছেন। এ জন্য তিনি চায়না প্রজেক্টের সহযোগী প্রতিষ্ঠান কাশিল লেক ভিও নিয়েও মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য দিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছেন।

নির্মানাধীন প্রকল্পটি সম্পূর্নরূপে চালু হলে অন্তত ৫ হাজার শ্রমিকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে। যারা এমন একটি শিল্পকে ব্যহত করতে চায়, আমি তাদের তীব্র প্রতিবাদ জানাই। আগামী দিনে যদি কেউ এ প্রকল্প থেকে চাঁদা দাবি করেন, তাদেরকে শক্ত হাতে প্রতিহত করা হবে বলেও তিনি জানান।

সংবাদ সম্মেলনে বাসাইল উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খান বাহাদুর, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক মো.আরিফুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক মো.আতিকুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আলমগীর হোসেন, আওয়ামী যুবলীগের নেতা মহসিন মিয়া ,মো.শাহ আলম, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মো. উজ্জ্বল মিয়া, কাশিল ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি শুভ জমাদারসহ স্থানীয় শতাধিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে বাসাইল উপজেলা চেয়ারম্যান কাজী অলিদ ইসলাম জানান, আমি কোন শিল্পের বিরুদ্ধে নই। আমি শুধু তিন ফসলী জমি থেকে মাটি কাটার প্রতিবাদ করেছি। এছাড়া তিনি কারো নিকট কোন প্রকার চাদা দাবি করেননি বলেও জানান।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. মে ২০২৩ ১১:১৫:পিএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বিসিক শিল্প নগরীর ব্রেড ফ্যাক্টরীকে জরিমানা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বিসিক শিল্প নগরীর ব্রেড ফ্যাক্টরীকে জরিমানা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বিসিক শিল্প নগরীর মোবারক ব্রেড অ্যান্ড বিস্কুট ফ্যাক্টরীকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণের বাজার তদারকি টিম।

বুধবার(৩ মে) দুপুরে টাঙ্গাইলের জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক শিকদার শাহীনুর আলমের নেতৃত্বাধীন তদারকি টিম ওই জরিমানা করেন।

এ বিষয়ে সহকারী পরিচালক শিকদার শাহীনুর আলম জানান, বাজার তদারকিমূলক অভিযান চলাকালে অনুমোদনহীন ভাবে কেক তৈরি, মোড়কে মূল্য ও মেয়াদ না থাকা, নোংরা পরিবেশ এবং বাসী কেক ও বিস্কুট পুনরায় ব্যবহার করায় মেসার্স মোবারক ব্রেড অ্যান্ড বিস্কুট ফ্যাক্টরীকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

তিনি জানান, তদারকি টিমের অভিযান পরিচালনাকালে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ অনুসারে ভোক্তা অধিকার বিরোধী কার্যাবলী থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানানো হয়।

তিনি আরো জানান, ব্যবসায়ীদের কেনা-বেচার রশিদ সংরক্ষণ, মূল্য তালিকা প্রদর্শণ করতে মাইকিং ও মচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়। তদারকি টিম পরিচালনায় জেলা পুলিশ সহযোগিতা করে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. মে ২০২৩ ০৩:৩৩:এএম ৩ বছর আগে
নাজমুস সাকিবের ধর্ষণের শিকার ছোট্ট শিশুটি এখন বাক প্রতিবন্ধী - Ekotar Kantho

নাজমুস সাকিবের ধর্ষণের শিকার ছোট্ট শিশুটি এখন বাক প্রতিবন্ধী

একতার কণ্ঠঃ রাজধানীর সবুজবাগ এলাকায় ২০১১ সালে ৫ বছর বয়সী শিশু ধর্ষণের ঘটনায় তোলপাড় হয়েছিল দেশজুড়ে। কেমন আছে সেই ছোট্ট শিশুটি? খোঁজ করতে গিয়ে জানা গেল, ওই ঘটনার পর কথা বলার শক্তি হারিয়ে ফেলেছে সে। বাক প্রতিবন্ধী মেয়েটির এখন নির্মম জীবনযুদ্ধ। আর, সেই ধর্ষক নাজমুস সাকিব আয়েশী জীবন কাটাচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, আইনের আশ্রয় নিলেও বিচার পায়নি ছোট্ট শিশুটি। অর্থের বিনিময়ে শিশুটির বাবার মুখ বন্ধ করতে চেয়েছিল ধর্ষকের পরিবার। কিন্তু ভুক্তভোগীর পরিবার বিচার ছাড়া আর কিছুই চায়নি। মামলাও করেছিলেন তারা। তবে ধর্ষক নাজমুস সাকিব ওই এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা প্রভাবশালী জলিলুল আজমের ছেলে হওয়ায় পার পেয়ে গেছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাজধানীর বাসাবোর সবুজবাগ এলাকার ২৮ নম্বর মায়াকাননের পেছনে ৩টি বাড়ির পর একটি টিনশেডের ঘরে পরিবারের সঙ্গে থাকতো শিশুটি। পিতা সিএনজি অটোরিক্সা চালিয়ে সংসার চালাচ্ছিলেন। ঘটনার দিন ফুটফুটে ছোট্ট শিশুটিকে চকলেটেরে লোভ দেখিয়ে ২৮ মায়াকাননে নিজ বাড়িতে নিয়ে যান মাদকাসক্ত নাজমুস সাকিব। এরপর ছাদে নিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করে। একপর্যায়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ শুরু হলে শিশুটিকে নিচতলার গ্যারেজে রেখে পালিয়ে যান নাজমুস সাকিব। এরপর শিশুটির কান্নাকাটির শব্দ শুনে এগিয়ে আসেন বাড়ির কেয়ারটেকার বাচ্চু মিয়া। শিশুটির করুণ অবস্থা দেখে তার চিৎকারে জড়ো হন এলাকাবাসী। পরে শিশুটি পুরো ঘটনা জানান।

এ ঘটনার পর নাজমুস সাকিবের বাবা জলিলুল আজমমহ শিশুটির বাবা মিলে তাকে প্রথমে মুগদা হাসপাতালে নেন। শিশুটির অবস্থা সংকটাপন্ন দেখে মুগদা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ঢাকা মেডিকেলে স্থানান্তর করে। সেখানে প্রায় ২৮ দিন চিকিৎসার পর প্রাণে বেঁচে গেলেও শিশুটি হয়ে পড়ে বাক প্রতিবন্ধী। ধর্ষণের শিকার, অতিরিক্ত মানসিক চাপ ও অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে কথা বলার শক্তি হারিয়ে ফেলে শিশুটি।

সে সময় বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার জন্য নাজমুস সাকিবের মামা ও বাবা মেয়েটির পরিবারকে টাকা দিয়ে মুখ বন্ধ করতে চেয়েছিল। কিন্তু শিশুটির বাবা টাকা না নিয়ে বিচার চান।

নাজমুস সাকিবের প্রভাবশালী বাবা ও মামার রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে সবুজবাগ থানায় ধর্ষণের মামলা করেন।

মামলার পর কিছুদিন আত্মগোপনে থাকেন নাজমুস সাকিব। তিনি এখন দেশ ছেড়ে থিতু হয়েছেন আমেরিকায়। সেখানে বসে কথিত এক টিভিতে বিভিন্ন মিথ্যা ও গুজব ছড়ানোর কাজ করছেন। নিজেকে পরিচয় দেন বার্তা-সম্পাদক।

সবুজবাগ এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, শিশুটির পরিবার যে বাড়িতে থাকতো এখন আর সে বাড়িতে নেই। ধর্ষণের ঘটনার বছর তিনেক পরে ওই এলাকা ছেড়ে চলে যায় পরিবারটি। কারণ ধর্ষণের অপবাদ সইতে পারছিল না নিরপরাধ পরিবারটি।

স্থানীয় বাসিন্দা মোবাশ্বের হোসেন জানান, শিশুটির পরিবার লোকলজ্জার কারণে শেষ পর্যন্ত এলাকাই ছেড়ে দিল। কারণ নাজমুস সাকিবের এ ধর্ষণের ঘটনা সবাই জানে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রামপুরা টিভি ভবনের পেছনের গলির আমির উদ্দিনের একটি টিনশেডের বাড়িতে থাকে পরিবারটি। দুই রুমের ঘরটিতে দুই মেয়ে আর এক ছেলেকে নিয়ে পরিবারটি কোনমতে টিকে রয়েছে। সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে প্রথমে কথা বলতে না চাইলেও পরে হাউমাউ করে কাঁদতে থাকেন ধর্ষণের শিকার শিশুটির পিতা।

পাশের রুমে বসে থাকা মেয়েটির দিকে ইশারা দেখিয়ে তিনি বলেন, ‘আমার পরিবারের সুখ কেড়ে নিয়েছে ধর্ষক নাজমুস সাকিব। আমার সুস্থ মেয়েটি সেই ঘটনার ধকল সইতে না পেরে কথা বলার শক্তি হারিয়ে ফেলেছে। ওই ঘটনার পর কোন কথা বলতে পারে না। মাসখানেক চিকিৎসার পর এখন কোন মতো বেঁচে আছে। কিন্তু শুধু ঘরের এক কোনায় বসে কান্না করে। মেয়ের এমন কষ্ট দেখে বুকটা ফাইট্টা যায়।’ তিনি ক্ষুব্ধ কণ্ঠে বলেন, নাজমুস সাকিব আমার মেয়ের জীবনটা শেষ করে দিয়েছে।

প্রসঙ্গত, বিকৃত যৌনাচারে অভ্যস্ত নাজমুস সাকিব নিজের খালাতো বোনকেও ধর্ষণ করেন। এরপর গর্ভবতী হয়ে পড়লে পরিবারের চাপে তাকে বিয়ে করেন নাজমুস সাকিব। এ ছাড়া নিজ দাদীসহ এলাকায় একাধিক যৌন নির্যাতনের অভিযোগ আছে নাজমুস সাকিবের বিরুদ্ধে। খিলগাঁও, সবুজবাগ এবং মতিঝিল থানায় রয়েছে একাধিক মামলা এবং সাধারণ ডায়েরি। নাজমুস সাকিবের বাসাবোর বাড়ির ভাড়াটিয়া কুমিল্লার দাউদকান্দির এক গৃহবধূকে দলবেধে ধর্ষণ করেছিল নাজমুস সাকিব ও তার দল। ২০১০ সালের সেই ঘটনার পর এলাকা ছাড়েন ওই স্বামী-স্ত্রী। লোকলজ্জার ভয়ে সেইদিন মামলা করেনি, নীরবে বাড়ি ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন তারা।

ভুক্তভোগী বলেন, নাজমুস সাকিব এখন নাকি আমেরিকায় গিয়ে ইউটিউবে কিশের শো করে। সে দিনের কথা এখন আর মনে করতে চাই না। তার যৌন নির্যাতনের কথা এখনো মনে হলে আমার স্ত্রী আত্মহত্যা করার চেষ্টা চালায়। আমরা সেই কষ্ট বুকে নিয়ে কোনমতে বেঁচে আছি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. মে ২০২৩ ০২:৪৫:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ভাগ্নের সাথে দুই সন্তানের জননী মামী উধাও - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ভাগ্নের সাথে দুই সন্তানের জননী মামী উধাও

একতার কণ্ঠঃ: টাঙ্গাইলের সখীপুরে ভাগ্নে (নোনাশের ছেলে ) শাকিব হাসানের (২০) হাত ধরে দুই সন্তানের জননী মামী রত্না বেগম (৩০) পালিয়েছেন।

মঙ্গলবার (২ মে) সকালে উপজেলার যাদবপুর ইউনিয়নের লাঙ্গুলিয়া মধ্যপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনা এলাকায় চাঞ্চলের সৃষ্টি হয়েছে।

এ ছাড়া রত্না বেগমের স্বামী কাচামাল ব্যবসায়ী আবদুল লতিফ সন্তানদের নিয়ে লোক-লজ্জার ভয়ে বাড়ীর বাইরে বেরোনো বন্ধ করে দিয়েছেন। ।

স্থানীয় ইউপি সদস্য প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ জয়েন উদ্দিন এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

জানা যায়, উপজেলার যাদবপুর ইউনিয়নের লাঙ্গুলিয়া মধ্যপাড়া গ্রামের আবদুল লতিফের স্ত্রী দুই সন্তানের জননী রত্না বেগমের সাথে ভাগ্নে (আপন নোনাশের ছেলে) একই এলাকার মৃত সহিদ মিয়ার ছেলে প্রবাসী শাকিব হাসানের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। প্রায় তিন মাস আগে ভাগ্নে শাকিব দেশে ফিরলে তাদের সম্পর্কটা আরো গভীর হয়ে ওঠে। মঙ্গলবার সকালে ছোটবেলা থেকে সন্তানের মতো লালন-পালন করা ভাগ্নে শাকিবের সঙ্গে মামী রত্না বেগম তার সন্তানদের রেখে পালিয়ে যান।

এ ব্যাপারে লাঙ্গুলিয়া বাজার বণিক সমিতির সভাপতি আনোয়ার হোসেন ফন্নু এই ঘটনায় সমাজ ও গ্রামের মান ক্ষুন্ন হয়েছে দাবি করে ভাগ্নে শাকিব ও মামী রত্না বেগমের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।

সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ রেজাউল করিম জানান, এ ঘটনায় লিখিত কোন অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. মে ২০২৩ ১২:৫১:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ৩৯ বছর বয়সী এসএসসি পরীক্ষার্থী বহিস্কার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ৩৯ বছর বয়সী এসএসসি পরীক্ষার্থী বহিস্কার

একতার কণ্ঠঃ বয়স গোপন রেখে চলতি এসএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করায় টাঙ্গাইলের নাগরপুরে এক ছাত্রকে বহিষ্কার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২ মে) বাংলা ২য় পত্র চলাকালে কেন্দ্রের সভাপতি উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা ওয়াহিদুজ্জামান তাকে বহিষ্কার করেন।

ওই পরীক্ষার্থী নাগরপুর সদর ইউনিয়নের দুয়াজানী গ্রামের মো. রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজের ছেলে এসএম শামীম আল মামুন।তিনি নয়ান খান মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে পরীক্ষা দিচ্ছিলেন।

জানা যায়, এসএম শামীম আল মামুন ২০০০ সালে মো.শাহীনুর ইসলাম , পিতা. মো.রিয়াজ উদ্দিন নাম দিয়ে চৌহালী জনতা হাইস্কুল থেকে রাজশাহী বোর্ডে অধিনে ৬১৩ নম্বর পেয়ে মাধ্যমিক পাস করে।

পূর্নরায় ২০২০ সালে নাগরপুর উপজেলার বনগ্রাম শহীদ মেমোরিয়াল হাইস্কুল থেকে নাম পরিবর্তন করে এসএম শামীম আল মামুন পৃথিবী ও পিতা. মো.রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজ নাম দিয়ে রেজিষ্ট্রেশন করে ২০২৩ সালে ঢাকা বোর্ড থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করেন। রোববার( ৩০ এপ্রিল)বাংলা ১ম পত্র পরীক্ষা চলাকালে বিষয়টি কেন্দ্রের দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তার নজরে আসে। ওই কর্মকর্তা তার উর্ধ্বতন অফিসারকে বিষয়টি জানান। এসময় ওই ছাত্রের কাছে জানতে চাইলে অকপটে সব স্বীকার করে। পরীক্ষা শেষে এডমিট কার্ড ও রেজিঃ কার্ড জব্দ করে হল কর্তৃপক্ষ।

এসএম শামীম আল মামুন পৃথিবী বলেন, আমি ২০০০ সালে রাজশাহী বোর্ড থেকে এসএসসি পাস করেছি। সার্টিফিকেটে বয়স কমানোর জন্য নতুন করে ২০০৭ সালে জন্ম তারিখ দেখিয়ে জন্ম সনদ বের করে এবং ২০২০ সালে নাগরপুর উপজেলার বনগ্রাম শহীদ মেমোরিয়াল হাইস্কুল থেকে রেজিষ্ট্রেশন করে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করি।

কেন্দ্রের দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা ও উপজেলা প্রাথমিক সহকারি কর্মকর্তা জিএম ফুয়াদ বলেন, আমি দায়িত্ব পালনকালে ওই ছাত্রকে দেখে সন্দেহ হওয়ায় বিষয়টি সে উর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে জানাই।

কেন্দ্র সচিব ও নয়ান খান মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হোসেন আলী মনসুর বলেন, ওই ছাত্রর এনআইডি কার্ডে তার বয়স ১৯৮৪ আর জন্ম সনদে তার বয়স ২০০৭।

নাগরপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো.শাহীনুর ইসলাম জানান, ইতিপূর্বে সে এসএসসি পাস করেছে। সে ২০/২২ বছর পর আবার এসএসসি পরীক্ষা দিতে আসছে। মূল বয়স গোপন করে প্রতারণার মাধ্যমে পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করাটা অপরাধ। এ কারণে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. মে ২০২৩ ০৫:৫৯:পিএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ভাইকে বিষ পানে হত্যা, পিতা-পুত্রসহ আটক তিন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ভাইকে বিষ পানে হত্যা, পিতা-পুত্রসহ আটক তিন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার পালিমা এলাকায় চাঞ্চল্যকর আবুল হোসেন (৫৬) হত্যা মামলায় চাচাতো ভাই মকবুল হোসেন, ভাতিজা শরিফ ও মনিরকে আটক করেছে র‌্যাব-১৪, সিপিসি-৩ এর সদস্যরা।

মঙ্গলবার (২ মে) ভোরে গাজীপুর জেলার বোর্ড বাজার এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।

র‌্যাব-১৪, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইলের কোম্পানি কমান্ডার রফিউদ্দীন মোহাম্মদ যোবায়ের জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কালিহাতী উপজেলার পালিমা গ্রামের আবুল হোসেনকে জোরপূর্বক বিষপানে হত্যা মামলার আসামিদের ধরতে গাজীপুরে অভিযান চালায় র‌্যাব। মঙ্গলবার ভোরে জেলার বোর্ডবাজার এলাকা থেকে মকবুল, শরিফ ও মনিরকে আটক করা হয়। পরে তাদের কালিহাতী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, বসত বাড়ির জমি ও শ্যালো মেশিন পরিচালনা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে পূর্ব শত্রুতার জেরে ১১-১২ জন মিলে গত ২৭ এপ্রিল রাতে আবুল হোসেনকে হাত-পা বেঁধে জোরপূর্বক মুখে বিষ ঢেলে দেয়। পরবর্তীতে তিনি টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। এ ঘটনায় নিহত আবুল হোসেনের স্ত্রী মোছা. মনোয়ারা বেগম (৪৫) বাদী হয়ে কালিহাতী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. মে ২০২৩ ০৩:৫৪:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বন থেকে শ্রমিকের লাশ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বন থেকে শ্রমিকের লাশ উদ্ধার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুরে বন থেকে এক শ্রমিকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২ মে) দুপুরে উপজেলার শোলাকুড়ি ইউনিয়নের তিলের তাল এলাকার একটি আনারস বাগান থেকে গাছের সাথে বাঁধা অবস্থায় শমসের আলী (৩০) নামের ওই শ্রমিকের লাশ উদ্ধার করে মধুপুর থানা পুলিশ।

মধুপুর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মোহাম্মদ মাজহারুল আমিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহত শমসের আলী উপজেলার শোলাকুড়ি ইউনিয়নের হরিণধরা গ্রামের ফজলুল হকের ছেলে। সে পেশায় একজন কুলি শ্রমিক ছিলেন।

স্থানীয়দের বরাতে শোলাকুড়ি ইউপি চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মো. ইয়াকুব আলী জানান, সোমবার রাতে শমসেরসহ ৪ বন্ধু মিলে স্থানীয় একটি বাড়িতে মদ পান করতে যায়। মদ পান করে ফেরার পথে তাদের মধ্যে কোন বিষয়ে ঝগড়া হতে পারে। এই ঝগড়ার জের ধরে শমসের আলীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হতে পারে বলে ধারনা করা হচ্ছে।

মধুপুর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মোহাম্মদ মাজহারুল আমিন জানান, স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে নিহতের লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। পরে সুরতহাল রির্পোট শেষে লাশটি ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। এ বিষয়ে থানায় এখনো পর্যন্ত কোন লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়নি।

এ প্রসঙ্গে সহকারী পুলিশ সুপার (মধুপুর সার্কেল) ফারহানা আফরোজ জেমি জানান, সোমবার রাতের কোন এক সময় শমসের আলী নামে এক শ্রমিককে হত্যা করে শোলাকুড়ি ইউনিয়নের তিলের তাল এলাকায় আনারস বাগানে ফেলে রাখা হয়। নিহতের মুখমন্ডলসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহৃ রয়েছে। হত্যার কারন ও জড়িতদের শনাক্তে কাজ শুরু করেছে পুলিশ বলে জানান এই কর্মকর্তা।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. মে ২০২৩ ০৩:০৭:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আব্বাস আলীর উপর সন্ত্রাসী হামলা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আব্বাস আলীর উপর সন্ত্রাসী হামলা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও জেলা শ্রমিক লীগের সহ সভাপতি আব্বাস আলীর উপর সন্ত্রাসী হামলা চালানো ঘটনা ঘটেছে।

সদর উপজেলার কাতুলি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সুমন দেওয়ান ও স্থানীয় সন্ত্রাসী আজাদ দেওয়ান হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আব্বাস আলী (৪৮)।

মঙ্গলবার (২ মে) বিকেল চারটার দিকে সদর উপজেলার কাতুলি ইউনিয়নের এস ডি এস এলাকায় চায়না প্রজেক্টের কাজ দেখতে গিয়ে তিনি এ হামলার শিকার হন। গুরুতর আহত অবস্থায় ভাইস চেয়ারম্যানকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার মাথায় ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতে ক্ষত সৃষ্টি হয়েছে।

জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে সুমন দেওয়ান ও আজাদ দেওয়ান এস.ডি.এস ও ধলেশ্বরী নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছিল, অবৈধভাবে বালু ও মাটি কাটায় বাঁধা প্রদান করায় ভাইস চেয়ারম্যানের ওপর এ সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটানো হয়েছে।
হামলার শিকার সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আহত আব্বাস আলী জানান, অবৈধভাবে মাটি কাটা ও রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষায় মানববন্ধন করা হয়। এ কারণে সাবেক চেয়ারম্যান সুমন দেওয়ানের সঙ্গে শ্রমিক নেতা আব্বাস আলীর দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। মঙ্গলবার মাটি কাটার বিষয়ে বাঁধা প্রদান করলে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে। বিকেল চারটার দিকে আমার সাথে লোকজন না থাকায় প্রতিপক্ষ সুমন দেওয়ান ও আজাদ দেওয়ান তার লোকজন নিয়ে আমার উপর আতর্কিত হামলা চালায়। এতে আমি ও গাড়ী চালক জহুরুল ইসলাম (৩৪), সোলায়মান হাসান আইয়ুব (৩৮)সহ তিনজন আহত হয়েছি। বর্তমানে তিনজনই টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি রয়েছি।

অভিযুক্ত সাবেক কাতুলী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সুমন দেওয়ান জানান, হামলার ঘটনাটি আমি জানিনা। এছাড়া হামলার ঘটনায় আমি ছিলামও না। আব্বাস ও তার বাহামভুক্তরা দৈনিক এলাকায় বিচারের নামে চাঁদাবাজি করে। এ ক্ষোভে মহিলারা তাকে ধাওয়া দিয়েছে বলে আমি শুনেছি। আমার নাম অহেতুক জড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু ছালাম জানান, হামলার সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। এখনও অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. মে ২০২৩ ০৩:৪৪:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মাটি ভর্তি ট্রাক চাপায় গৃহবধূ নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মাটি ভর্তি ট্রাক চাপায় গৃহবধূ নিহত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে অবৈধ মাটি ভর্তি ট্রাফি ট্রাক্টরের চাপায় নাসরিন আক্তার (৪০) নামের এক গৃহবধূ নিহত হয়েছে।

সোমবার (১ মে) সকালে উপজেলার কাকাড়াজান ইউনিয়নের জিতাশ্বরী দক্ষিণপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় ইউপি সদস্য মোজাম্মেল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহত গৃহবধূ নাসরিন ওই গ্রামের জামাল বাদশার স্ত্রী।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার মহানন্দপুর গ্রামের মনির হোসেন এবং জিতাশ্বরী গ্রামের ফারুক নিষিদ্ধ ট্রাফি ট্রাক্টর দিয়ে মাটির ব্যবসা করে আসছিলেন। সোমবার সকালে ওই গ্রামের জামাল বাদশার বাড়িতে অবৈধ ট্রাফি ট্রাক্টর দিয়ে মাটি ফেলে। এক পর্যায়ে মাটি বোঝাই ট্রাক্টরটি গৃহবধূ নাসরিন আক্তারকে চাপা দেয়। এ সময় তাঁর মাথা পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

এ ব্যাপারে নিহত গৃহবধূর ছেলে হৃদয় মিয়া জানান, মা আমাদের তিন ভাই বোনকে এতিম করে চলে গেলেন। ঘাতক চালক একটু সচেতন থাকলে এমন হতো না।

সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রেজাউল করিম জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। তবে কোন অভিযোগ না পাওয়ায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই স্বজনদের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০২. মে ২০২৩ ০২:৩২:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে শহীদ মিনারে বাঁশ রাখার অভিযোগে আ.লীগ নেত্রীকে জরিমানা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে শহীদ মিনারে বাঁশ রাখার অভিযোগে আ.লীগ নেত্রীকে জরিমানা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বাঁশ রাখার অভিযোগে বৈশাখ মেলা উদযাপন কমিটির পরিচালক ও ডেকোরেটরের মালিককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমান আদালত।

সোমবার (১ মে) সকালে উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও বৈশাখ মেলা উদযাপন কমিটির পরিচালক রওশন আরা রিতা ও ডেকোরেটরের মালিক ফেরদৌসকে ভ্রাম্যমান আদালতে এ জরিমানা করা হয়।

জানা যায়, উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা মাঠে ঈদুল ফিতরের দিন থেকেই বৈশাখী মেলা চলছিলো। এসএসসি পরীক্ষার কারণে মেলাটি বন্ধ করে দেন উপজেলা প্রশাসন। মেলা বন্ধ হওয়ায় স্টলের ব‍্যবহৃত বাঁশ শহীদ বেদিতে রাখা হয়।

সোমবার মহান মে দিবস উপলক্ষে উপজেলা শ্রমিক নেতৃবৃন্দ শহীদ মিনারে ফুল দিতে গেলে বিষয়টি সবার নজরে আসে। পরে সামাজিক যোগাযোগ ম‍াধ‍্যম ফেসবুকে বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে বৈশাখী মেলা উদযাপন কমিটির পরিচালক উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রওশন আরা রিতা ও ডেকোরেটরের মালিক ফেরদৌসকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

ভ্রাম্যমান আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রকৌশলী ফারজানা আলম জানান, শহীদ মিনারে মেলায় ব‍্যবহৃত বাঁশ রাখার অভিযোগে মেলা উদযাপন কমিটির পরিচালক রওশন আরা রিতা ও ডেকোরেটরের মালিক ফেরদৌসকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

ভ্রাম্যমান আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রকৌশলী ফারজানা আলম জানান, শহীদ মিনারে মেলায় ব‍্যবহৃত বাঁশ রাখার অভিযোগে মেলা উদযাপন কমিটির পরিচালক রওশন আরা রিতা ও ডেকোরেটরের মালিক ফেরদৌসকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০২. মে ২০২৩ ০১:৪৬:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মতের বিরুদ্ধে বিয়ে ঠিক করায় কলেজ ছাত্রীর আত্মহত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মতের বিরুদ্ধে বিয়ে ঠিক করায় কলেজ ছাত্রীর আত্মহত্যা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে পছন্দের ছেলের সাথে বিয়ে না দিয়ে পরিবার অন্যত্র বিয়ে ঠিক করায় বিষপানে আয়েশা আক্তার আশা (১৮) নামের এক কলেজছাত্রী আত্মহত্যা করেছে।

গত মঙ্গলবার (২৫ এপ্রিল) ওই ছাত্রীর পরিবার তার মতের বিরুদ্ধে বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে সে অভিমানে বিষ পান করে।সোমবার (১মে) ভোর রাতে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

নিহত আয়েশা আক্তার উপজেলার কচুয়া গ্রামের আজহার আলীর মেয়ে।সে স্থানীয় সরকারি মুজিব কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী ছিল।

এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা হলে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সখীপুর সরকারি মুজিব কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী আয়শা আক্তার আশার সঙ্গে এক প্রতিবেশী সহপাঠীর সাথে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। গত মঙ্গলবার (২৫ এপ্রিল) তাকে পারিবারিক ভাবে তার মতের বিরুদ্ধে বিয়ে দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নেয় তার পরিবার। তার মতের বিরুদ্ধে অন্যত্র বিয়ে দেওয়ার কথা শুনেই সে বিষপান করে। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় প্রথমে তাকে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করা হয়। পরে সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার(১ মে) ভোররাতে তার মৃত্যু হয়।

এ ব্যাপারে সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রেজাউল করিম জানান, বিষপানে আত্মহত্যা করা মেয়েটির লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরো জানান, থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০১. মে ২০২৩ ০৯:৫১:পিএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বিয়ের দাবিতে যুবকের বাড়িতে অবস্থান নিয়েছে এক নারী  - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বিয়ের দাবিতে যুবকের বাড়িতে অবস্থান নিয়েছে এক নারী 

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় করটিয়ার কলেজ পাড়ায় বিয়ের দাবিতে সাইফুল ইসলাম নামে এক যুবকের বাড়িতে অবস্থান নিয়েছে এক নারী। শুক্রবার(২৮ এপ্রিল) সকাল থেকে সাইফুলের বাড়িতে অবস্থান করছেন কথিত ওই প্রেমিকা।

যুবক সাইফুল ইসলাম বাবু সদর উপজেলার করটিয়া ইউনিয়নের কলেজপাড়া এলাকার মো. মনোয়ার হোসেনের ছেলে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মো.শাহীন মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বিয়ের দাবিতে অবস্থান নেওয়া ওই নারী জানায়, সে আর সাইফুল এক সাথে টাঙ্গাইল ‘ল’ কলেজে পড়ালেখা করতো। সেই সুবাদে বিগত ১ বছর ধরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠেছে।

তিনি আরো জানান, সাইফুল তাকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে এবং বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তার সর্বস্ব লুটে নিয়েছে। এখন বিয়ে করতে অস্বীকার করছে তার প্রেমিক সাইফুল। এমনকি সাইফুলের পরিবারও এই সম্পর্ক মানতে নারাজ। এমন পরিস্থিতিতে বাধ্য হয়েই প্রেমিকের বাড়িতে গিয়ে অবস্থান নিয়েছেন তিনি । তাকে বিয়ে না করলে আত্মহত্যা করবেন বলেও জানান ওই নারী।

স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার সকাল থেকে ওই নারী বিয়ের দাবিতে সাইফুলের বাড়িতে অবস্থান করছেন।

অবশ্য সাইফুল ওই মেয়ের সাথে প্রেমের সম্পর্ক অস্বীকার করছেন।’

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুস ছালাম মিয়া জানান, এ নিয়ে ওই নারী এখনো থানায় কোনও অভিযোগ দেননি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেবে পুলিশ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. এপ্রিল ২০২৩ ০৬:২২:এএম ৩ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।