/ হোম / অপরাধ
টাঙ্গাইলের ৮ মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামী ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলের ৮ মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামী ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ অধিক মুনাফার লোভ দেখিয়ে একসময় নানাজনের কাছ থেকে মূলধন সংগ্রহ করেন রুবেল সিকদার। বিভিন্নজন থেকে সংগ্রহ করা কোটি টাকার সেই বিশাল অংকের মূলধন দিয়ে রুবেল খুলে বসেন হরেক রকমের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।

জমি বেচা-কেনা, বিভিন্ন পন্যের শো-রুম, গাড়ি কিনে শুরু করেন রেন্ট এ কারের ব্যবসা। পরিবর্তন আসে চলা ফেরায়। রুবেলের এমন ‘হঠাৎ’ কোটিপতি বনে যাওয়া নিয়ে এলাকায় চলতো নানা কানাঘোষা। এরপর ‘হঠাৎ’ কোটিপতি রুবেল উধাও হয়ে যান হঠাৎ করেই। ভুক্তভোগীরা মামলা করেন কোর্টে। ভুক্তভোগীদের করা ৮টি মামলায় ৬৬ মাসের সাজা হয় তার। ওয়ারেন্ট বের হয় অন্য আরো দুটি মামলার। কিন্তু রুবেল থেকে যায় অধরা।

অবশেষে বুধবার (২২ মার্চ) বাহ্মনবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জ থানা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছেন অভিযান পরিচালনাকারী মির্জাপুর থানার পরিদর্শক মো. গিয়াসউদ্দিন পিপিএম। তিনি বলেন, অনেক চেষ্টার পর তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় রুবেলকে আশুগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রুবেল সেখানে তার এক আত্মীয়কে সাথে নিয়ে ব্যবসা শুরু করেছিলেন বলে তিনি জানান।

কোর্টে মামলা করা কয়েকজন ভুক্তভোগী জানান, ভাল মুনাফার কথা বলে রুবেল তাদের কাছ থেকে টাকা নেন। কয়েক মাস ঠিকঠাক মতো ব্যবসায়ের হিসাব ও লভাংশ দিলেও হঠাৎ আত্মগোপনে চলে যায় রুবেল। এরপর টাঙ্গাইল আদালতে চেক ডিজঅনারের মামলা করেন তারা।

মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আবু সালেহ মাসুদ করিম জানান, গ্রেপ্তারকৃত রুবেল দীর্ঘদিন যাবৎ জালিয়াতির মাধ্যমে সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের প্রতারণা করছিলো। তার বিরুদ্ধে ১০টি মামলার ওয়ারেন্ট ছিলো যেগুলোর ৮টিতে তিনি সাজাপ্রাপ্ত হয়েছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৩. মার্চ ২০২৩ ০৩:৩৭:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে স্কুল ছাত্রী ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা, ধর্ষক গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্কুল ছাত্রী ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা, ধর্ষক গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ুয়া এক স্কুল ছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়েছে। ধর্ষণের শিকার ওই ছাত্রী বর্তমানে ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা।

এ ঘটনায় বুধবার (২২ মার্চ) সকালে ওই শিক্ষার্থীর বাবা বাদী হয়ে সখীপুর থানায় মামলা করেন। পরে অভিযুক্ত হাবিবুর রহমানকে (৬৫) গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।

অভিযুক্ত হাবিবুর রহমান উপজেলার কাকড়াজান ইউনিয়নের বৈলারপুর গ্রামের মৃত ওয়াজেদ আলীর ছেলে।

ভুক্তভোগীর পরিবার জানিয়েছে, হাবিবুর রহমান ওই স্কুল ছাত্রীর সম্পর্কে প্রতিবেশী দাদা। এর সুবাদে মেয়েটির বাড়িতে তার যাওয়া আসা ছিল। কয়েকমাস আগে ফুসলিয়ে এবং প্রলোভন দেখিয়ে ওই স্কুলছাত্রীকে প্রথমে ধর্ষণ করে হাবিবুর রহমান। এরপর নানা ভয়-ভীতি ও হুমকি দিয়ে তাকে নিয়মিত ধর্ষণ করে। সম্প্রতি ধর্ষণের শিকার ওই স্কুল ছাত্রীর শারীরিক গঠনে অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখা দেয়। পরে ডাক্তারি পরীক্ষা করানো হলে তার গর্ভে ৫ মাসের সন্তানের বিষয়টি ধরা পড়ে।

মামলার বাদি এবং ওই ছাত্রীর বাবা জানান, আমরা গরীব মানুষ। বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য এলাকার অনেকেই আমাদের ভয় ভীতি দেখাইছে। আমি এ ঘটনার সঠিক বিচার চাই।

এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সালাউদ্দিন মিয়া (ওসি তদন্ত) জানান, এ ঘটনায় অভিযুক্ত হাবিবুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরো জানান, ওই স্কুল ছাত্রীকে মেডিকেল করার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৩. মার্চ ২০২৩ ০৩:১১:এএম ৩ বছর আগে
কালিহাতীতে জমি বিরোধের অভিযোগ দেওয়ায় প্রাণ নাশের হুমকি - Ekotar Kantho

কালিহাতীতে জমি বিরোধের অভিযোগ দেওয়ায় প্রাণ নাশের হুমকি

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে মারপিটের ঘটনায় মো. রফিকুল ইসলাম(৩২) নামে এক যুবক টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত অভিযোগ দেওয়ায় প্রাণ নাশের হুমকির দিয়েছে আব্দুস ছালাম (৪২) নামের এক আদম ব্যবসায়ী। বর্তমানে প্রাণ ভয়ে বসত ভিটে ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন ওই যুবক।

বুধবার(২২ মার্চ) সকালে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপারের অফিসে এ অভিযোগ দেন।

ওই আদম ব্যবসায়ী আব্দুস ছালাম উপজেলার বড়বাজু দেউপুর গ্রামের মৃত মর্তুজ আলীর ছেলে।

রফিকুল ইসলাম উপজেলার সল্লা ইউনিয়নের দেউপুর গ্রামের মৃত রেজাউল করিমের ছেলে।

জানাগেছে, উপজেলার সল্লা ইউনিয়নের বড়বাজু দেউপুর মৌজার ১১২ ও ১১৪ দাগের সাড়ে ১২ শতাংশ ভুমি রফিক পৈত্রিকসুত্রে পান। কিছুদিন পুর্বে সে তার মা রোকেয়া বেগমকে জমি দুটি লিখে দেন। সম্প্রতি ওই সম্পত্তির খাজনা-খারিজ তার মায়ের নামে করে দিতে গেলে উক্ত দুই দাগে সম্পত্তি ভোগকারী তার চাচা আব্দুস ছালাম তাতে বাঁধা প্রদান করে। চাচার কথা না শুনায় প্রতিহিংসার বসবর্তী হয়ে গত বুধবার সন্ধ্যায় স্থানীয় বড়বাজু দেউপুর বাজারে রহিমের চায়ের দোকানে তার ফুফাতো ভাই বায়োজিত পন্নী তালুকদারসহ তাকে বেদম মারপিট করে চাচা ছালাম।

মারপিটের সময় জীবন বাঁচানোর তাগিদে রফিক “৯৯৯” ফোন দেন। ফোন পেয়ে কালিহাতী থানার এসআই রফিকুল ইসলাম তার সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে এসে তাদের উদ্ধার করে। পরে স্থানীয়রা তাদের আহত অবস্থায় কালিহাতী স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ভর্তি করে।

রফিকুল ইসলাম জানান, মারপিটের সময় আমার চাচা জমির তিনটি দলিল ও নগদ ১লাখ টাকা জোর করে ছিনিয়ে নেন।

তিনি বলেন, আমার চাচা প্রভাবশালী আদম ব্যবসায়ী হওয়ায় ঘটনার পর থেকে প্রাণের ভয়ে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছি। যে কারণে ঘটনার পর কালিহাতী থানায় অভিযোগ দায়ের করতে পারিনি। বর্তমানে একটু সুস্থ্য হওয়ায় টাঙ্গাইল পুলিশ সুপার মহাদয়ের নিকট লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি।

তিনি আরো বলেন, লিখিত অভিযোগের বিষয়টি কোনভাবে জানতে পেরে বিভিন্নভাবে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে আমার চাচা। তিনি ইতিপুর্বে একটি ধর্ষণ মামলায় অভিযুক্ত হয়েছিলেন। এছাড়াও ভুমিদস্যূতা ও জঙ্গি সংগঠনের সমপৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

মারপিটের ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় মফিজ উদ্দিন জানান,ঘটনার বিষয়ে পুলিশের কাছে সাক্ষ্য দেওয়ার পর থেকে আব্দুস ছালাম ও তার বাহামভুক্ত লোকজন নানাভাবে আমাকে হুমকি দিয়ে যাচ্ছে।

সল্লা ইউনিয়নের স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য মো. আনিছুর রহমান আনু জানান, মারপিটের ঘটনার কথা তিনি শুনেছেন। ইতিপুর্বে আব্দুস ছালামের বিরুদ্ধে শিশু ধর্ষণের বিষয়টি সত্য, এটা এলাকার সবাই জানে। পরে রহস্যজনকভাবে মামলাটি মীমাংসা করে ফেলেন।

অভিযোগ অস্বীকার করে আব্দুস ছালাম জানান, তিনি বুধবার সারাদিন সল্লা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল আলীমের সাথে ছিলেন। তিনি তার ভাতিজা রফিকুলকে কোন ধরনে হুমকি-ধামকি দেই নাই।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৩. মার্চ ২০২৩ ০১:৪৫:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ডিবি পরিচয়ধারী ৪ ডাকাত আটক - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ডিবি পরিচয়ধারী ৪ ডাকাত আটক

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার কাঠুরী ও মানিকগঞ্জের দৌলতপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ডিবি পুলিশ পরিচয়ধারী চার ব্যক্তিকে আটক করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র‌্যাব।

মঙ্গলবার (২১ মার্চ) দুপুরে র‌্যাব-১৪ সিপিসি-৩ এর কোম্পানি অধিনায়ক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিউদ্দীন মোহাম্মদ যোবায়ের প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে র‌্যাব-১৪ জানায়, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা রাঙাচিরা গ্রামের দুলাল মন্ডলের ছেলে সাগর মন্ডলকে সোমবার (২০ মার্চ) রাতে ডিবি পুলিশ পরিচয়ধারী চার ব্যক্তি অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তার চালিত মাইক্রোবাস (হায়েচ) নিয়ে ডাকাতির উদ্দেশ্যে মানিকগঞ্জের দিকে রওয়ানা দেয়।

মাইক্রোবাসের চালক সাগর মন্ডলের কাছ থেকে খবর পেয়ে সিপিসি-৩ টাঙ্গাইল ক্যাম্পের অধিনায়ক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিউদ্দীন মোহাম্মদ যোবায়েরের নেতৃত্বে র‌্যাবের একটি চৌকষ দল নাগরপুর উপজেলার কাঠুরী ও মানিকগঞ্জের দৌলতপুর এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানে একটি পিস্তল সদৃশ বস্তু, সুইচ গিয়ার চাকু, ডিবি পুলিশ পরিচয়ের ভুয়া ভিজিটিং কার্ড, টর্চ লাইট, নগদ এক হাজার টাকা ও পাঁচটি মোবাইল ফোন সহ চার ব্যক্তিকে আটক করে।

আটককৃতরা হচ্ছেন- মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার বাচামারা গ্রামের মৃত রহমুদ্দিনের ছেলে শেখ মো. সোনা মিয়া (৩৩), একই এলাকার মো. ভাষা মিয়ার ছেলে মো. ঠান্ডু মিয়া(২৫), টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার হরিপুর গ্রামের মো. খাদেমুল ইসলামের ছেলে মো. মোশারফ হোসেন (৩৫) ও বাসাইল উপজেলার কাশিল গ্রামের মো. রবিন মিয়ার ছেলে মো. আকাশ মিয়া (৩৪)।

র‌্যাব-১৪ আরও জানায়, আটককৃতদের সঙ্গে আরও দুইজন যোগ দেওয়ার কথা থাকলেও র‌্যাবের উপস্থিতি জানতে পেরে তারা পালিয়ে যায়। এ বিষয়ে নাগরপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. মার্চ ২০২৩ ০৩:৫২:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে টিউবওয়েলে নেশা জাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে অচেতন করে চুরি - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে টিউবওয়েলে নেশা জাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে অচেতন করে চুরি

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে দিনের বেলায় টিউবওয়েলের পানিতে নেশা জাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে দুই পরিবারের চারজন শিশুসহ নয়জনকে অচেতন করে দুই বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটেছে। চোরের দল রাতে সিঁধ কেটে ঘরে প্রবেশ করে সর্বস্ব লুটে নিয়েছে বলে জানা গেছে।

রবিবার (১৯ মার্চ) দিবাগত রাতে উপজেলার মহেড়া ইউনিয়নের দেওভোগ গ্রামের হাতেম আলী খানের দুই ছেলের বাড়িতে এ ঘটনাটি ঘটে।

জানা গেছে, রবিবার দুপুর ১২টার দিকে ভিক্ষুক বেশে দুইজন মহিলা ওই বাড়িতে প্রবেশ করে। হাত-মুখ ধোয়ার কথা বলে ওই দুই মহিলা বাড়ির দুইটি টিউবওয়েল ব্যবহার করেন। এই সুযোগে তারা টিউবওয়েল দুটিতে নেশা জাতীয় দ্রব্য ছেড়ে দেন। বাড়ির লোকজন প্রতিদিনের ন্যায় ওই টিউবওয়েলের পানি ব্যবহার করে দুপুরের খাবার রান্না করেন।

দুপুরে খাবার খাওয়ার পর বিকেলে মো. মিলন খান (৪৫), মোমিন খান (৩৫), জিসান (১৩), মেহেদী (৬), নিলুফা (৪০), ঝুমা (৪০), লিমা (৩৫), মিথিলা (১৩) ও মিনা (৮) অচেতন হয়ে পড়ে।

রাতে চোরের দল সিঁধ কেটে দুই ঘরে প্রবেশ করে নগদ টাকা, জামা কাপড়, চাল, ফ্রিজের মাছ, মাংস ও শাকসবজি নিয়ে যায় বলে বাড়ির লোকজন অভিযোগ করেন।

প্রতিবেশী আমান উল্লাহ জানান, তিনি রাত দুইটার সময় প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে জেগে সিঁধ কাটা দেখতে পান। পরে বাতি জ্বালিয়ে ঘরের জিনিসপত্র এলোমেলো দেখতে পান। সোমবার (২০ মার্চ) সকালে দুই পরিবারের অসুস্থ লোকদের বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।

মহেড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিভাষ সরকার নুপুরের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ আবু সালেহ মাসুদ করিম জানান, ওই ক্ষতিগ্রস্ত দুই পরিবারের লোকজন বিষয়টি থানা পুলিশকে অবহিত করেননি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. মার্চ ২০২৩ ০৩:৪৩:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে ১০ লাখ টাকা ছিনতাই নাটক - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে ১০ লাখ টাকা ছিনতাই নাটক

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে ১০ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের নাটক সাজায় জনতা ব্যাংকের গ্রাহক আব্দুল মালেক।

অভিযোগ রয়েছে ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলণ করে সিঁড়ি দিয়ে নিচতলায় নামার সময় ১০ লাখ টাকা ছিনতাই হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

রবিবার (১৯ মার্চ) দুপুরে ভূঞাপুর জনতা ব্যাংক থেকে ১০ লাখ টাকা উত্তোলণ করে টাকা ছিনতাই হয়েছে বলে দাবি করে পুলিশে অভিযোগ দেন ঘাটাইল উপজেলার মনোহারা গ্রামের মৃত ইনছান আলীর ছেলে আব্দুল মালেক।

তার অভিযোগের পর পুলিশ ছিনতাই হওয়া টাকা উদ্ধারে অভিযান চালায়। তবে টাকার মালিক আব্দুল মালেকের কথাবার্তায় অসংগতি ও ছিনতাইস্থল ভূঞাপুর মৌরিন সুপার মাকের্টে ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে পুলিশ এর কোন সত্যতা পায়নি। পরে পুলিশ মালেককে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে ঘটনাটি সাজানো বলে পুলিশের কাছে স্বীকার করে।

পুলিশ মালেকের দেয়া তথ্যমতে ওইদিন রাতে ভূঞাপুর পৌরসভার ঘাটান্দির গনেশ মোড় এলাকায় তার মেয়ে রানীর ভাড়াবাসা থেকে টাকাগুলো উদ্ধার করে। এরপর সোমবার (২০ মার্চ) দুপুরে উদ্ধার হওয়া ১০ লাখ টাকা গ্রাহক আব্দুল মালেকের হিসাব নম্বরে জমা করা হয়।

জনতা ব্যাংকের ম্যানেজার লুৎফর রহমান জানান, ব্যাংকের সিড়ির নিচ থেকে টাকা ছিনতাই ছিল সাজানো নাটক। ওই গ্রাহক তার প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর জন্য এমন ঘটনার জন্ম দিয়েছেন। এতে ব্যাংকের সুনাম ক্ষুন্ন করেছেন তিনি।

ভূঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদুল ইসলাম জানান, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে ঘাটাইল উপজেলার আথাইলশিমুল এলাকার শাহআলম নামের একজনকে ফাঁসাতে জনতা ব্যাংকের গ্রাহক আব্দুল মালেক ১০ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের নাটক করেছিলেন। তবে বিভিন্ন তথ্য উপাত্তের ভিত্তিতে ছিনতাই হওয়ার ঘটনাটি সত্য প্রমাণিত না হওয়ায় টাকার মালিক আব্দুল মালেককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদে মালেক ছিনতাইয়ের ঘটনাটি সাজানো নাটক বলে স্বীকার করেন। পরে মালেকের দেয়া তথ্যেমতে তারই মেয়ে রানীর ভাড়াবাসা থেকে টাকাগুলো উদ্ধার করে জনতা ব্যাংক ভূঞাপুর শাখায় জমা করা হয়েছে।

তিনি আরো জানান, মিথ্যাতথ্য দিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার ঘটনায় তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. মার্চ ২০২৩ ০১:০০:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে তিন দালালের জরিমানা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে তিন দালালের জরিমানা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে তিন দালালকে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এদের মধ্যে একজনকে বিনাশ্রম কারাদন্ড ও দুই জনকে আর্থিক জরিমানা করা হয়েছে।

রবিবার (১৯ মার্চ) দুপুরে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সিনিয়র সহকারি কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নাহিয়ান নুরেনের নেতৃত্বে এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।

সাজাপ্রাপ্তরা হচ্ছেন, শহরের পৌর এলাকার সাবালিয়ার বাদশা মিয়ার ছেলে মো. আসলাম (১৯) ও নাজমুল হক বিপুলের ছেলে মো. মিরাজ (২২) ও কালিহাতী উপজেলার তুকা গ্রামের মো. শহীদ আলীর ছেলে মো. শাহেদ (২৬)।

জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সিনিয়র সহকারি কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নাহিয়ান নুরেন জানান, জেলারেল হাসপাতালে দালালির মাধ্যমে রোগি ও রোগির স্বজনদের হয়রানির অভিযোগে ১৮৬০ সালের ২৯১ ধারায় মো. আসলামকে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড এবং মিরাজ ও শাহেদকে পাঁচ হাজার টাকা করে মোট দশ হাজার টাকা আর্থিক জরিমানা করা হয়েছে।

তিনি আরো জানান, জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. মার্চ ২০২৩ ০৩:২১:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ব্যাংকের সিঁড়ি থেকে ১০ লাখ টাকা ছিনতাই! - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ব্যাংকের সিঁড়ি থেকে ১০ লাখ টাকা ছিনতাই!

একতার কণ্ঠঃ জনতা ব্যাংক থেকে ১০ লাখ টাকা তুলে ১৫-২০ মিনিট পর সিঁড়ি দিয়ে ব্যাংকের নিচে নামতেই আব্দুল মালেক নামের এক ব্যক্তির মুখে চেতনানাশক স্প্রে ও হাতে আঘাত করে টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। ১০ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনার পর আব্দুল মালেক কান্নায় ভেঙে পড়েন।

রবিবার (১৯ মার্চ) দুপুরে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর পৌর শহরের জনতা ব্যাংকের নিচতলার সিঁড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

টাকা ছিনতাইয়ের শিকার আব্দুল মালেক জেলার ঘাটাইল উপজেলার মনোহারা গ্রামের মৃত ইনছান আলীর ছেলে।

জানা যায়, রবিবার দুপুরে স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে ভূঞাপুর জনতা ব্যাংকে টাকা তুলতে আসেন মালেক। ব্যাংক থেকে ১০ লাখ টাকা তুলে নিচতলায় নামতেই ছিনতাইকারীর একটি চক্র তার মুখে স্প্রে ও হাতে আঘাত করে টাকা ছিনতাই করে পালিয়ে যায়।

আব্দুল মালেক জানান, প্রবাসী দুই ছেলের পাঠানো টাকা নিজ একাউন্ট থেকে দুপুরে ১০ লাখ টাকা উত্তোলন করে স্ত্রীকে সাথে নিয়ে ব্যাংকের সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামতেই ৬ ছিনতাইকারী ঘেরাও করে এবং মুহুর্তেই মুখে স্প্রে ও হাতে আঘাত করে। পরে টাকাগুলো ছিনতাই করে দ্রুত পালিয়ে যায়।

এ ব্যাপারে জনতা ব্যাংকের ভূঞাপুর শাখার ম্যানেজার লুৎফর রহমান জানান, মালেক ও তার স্ত্রী ব্যাংক থেকে ১০ লাখ টাকা উত্তোলন করেন। টাকা উত্তোলের প্রায় ১৫-২০ মিনিট পর ব্যাংক থেকে বের হন। এরপর ব্যাংক থেকে নিচের সিঁড়িতে নামতেই ছিনতাইকারীদের কবলে পড়ে। ব্যাংকের নিচে এমন ঘটনা অনাকাঙ্ক্ষিত।

ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম জানান, আব্দুল মালেক নামে এক ব্যক্তির ১০ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। তদন্ত পূর্বক টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় ছিনতাইকারীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টায় কাজ করছে পুলিশ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. মার্চ ২০২৩ ০২:৩৮:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে স্বামীর পরকীয়া ফেরাতে ব্যর্থ হয়ে স্ত্রীর আত্মহত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্বামীর পরকীয়া ফেরাতে ব্যর্থ হয়ে স্ত্রীর আত্মহত্যা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে স্বামী পরকীয়ায় আসক্ত। স্বামীকে ওই পথ থেকে ফিরিয়ে আনতে নানাভাবে চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে ক্ষুব্ধ গৃহবধূ বিষপান করেন।

বৃহস্পতিবার (১৬ মার্চ) রাতে বিষপান করার পর রবিবার (১৯ মার্চ) সকালে তাঁর মৃত্যু হয়। উপজেলার কালমেঘার ইন্দ্রাচালা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

ওই গৃহবধূর নাম নুরুন্নাহার (২৮)। তিনি ওই এলাকার আকাশ মিয়ার স্ত্রী। তাঁর দুটি সন্তান রয়েছে।

পুলিশ ও গৃহবধূর প্রতিবেশীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, স্বামী আকাশের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে নুরুন্নাহারের কলহ চলছিল। বিশেষ করে স্বামীর পরকীয়ায় আসক্তি নিয়ে তিনি ক্ষুব্ধ ছিলেন। এসব নিয়ে কলহের একপর্যায়ে গত বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে নুরুন্নাহার বিষপান করেন। তাঁকে মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। কিন্তু রোববার হঠাৎ ওই গৃহবধূর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়।

ওই গৃহবধূর ভাই স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য আফজাল হোসেন জানান, স্বামীর সঙ্গে তার বোনের পারিবারিক কলহ চলছিল। তার স্বামীর পরকীয়ার বিষয়টি তিনিও শুনেছেন। কিন্তু এসব বিষয়ে প্রমাণ ছাড়া তো কিছু বলা যায় না।

এ বিষয়ে বক্তব্য নিতে গৃহবধূর স্বামী আকাশের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।

সখীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাসুদ জানান, গৃহবধূ নুরুন্নাহারের লাশের সুরতহাল করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় আপাতত অপমৃত্যুর মামলার প্রস্তুতি চলছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. মার্চ ২০২৩ ০২:০২:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে সেনাবাহিনীর ভুয়া ক্যাপ্টেন গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সেনাবাহিনীর ভুয়া ক্যাপ্টেন গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ভুয়া ক্যাপ্টেন পরিচয়ে প্রতারণা করার অভিযোগে মানিক মনি দাস (২১) নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

রবিবার (১৯ মার্চ) সকালে পৌর শহরের কোনাবাড়ী বাজারের তামাক পট্রি এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

সে উপজেলার ধোপাকান্দি ইউনিয়নের চর ধোপাকান্দি গ্রামের শ্রী অনিল মনি দাসের ছেলে।

পুলিশ জানায়, পৌর শহরের তামাক পট্রি এলাকায় একটি ব্যাংকের সামনে সেনাবাহিনীর লোগো সম্বলিত টি শার্ট পড়ে মানিক মনি দাস নিজেকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন পরিচয় দিচ্ছে।

মানুষকে বিশ্বাস করানোর জন্য সে মোবাইলে রাখা সেনাবাহিনীর ইউনিফর্ম পরিহিত ছবি দেখিয়ে প্রতারণার উদ্দেশে কতিপয় লোকজনের সঙ্গে আলাপ আলোচনা করিতেছে। তার কথা বার্তা ও আচার-আচরণ লোকজনের নিকট সন্দেহ সৃষ্টি হলে তারা পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাকে আটক করে।

গোপালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোশারফ হোসেন জানান, আসামি নিজেকে ভুয়া বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অফিসার (ক্যাপ্টেন) পরিচয়, অসৎ উদ্দেশে সেনাবাহিনীর চিহ্ন বহন ও প্রতারণাপূর্বক অর্থ আত্মসাৎ করে অপরাধ করেছে। এজন্য তাকে আদালতের মাধ্যমে টাঙ্গাইল জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. মার্চ ২০২৩ ০১:০৫:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে হাত পা-বাঁধা অবস্থায় জুলহাস মিয়া (৫৫) নামে এক ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সা চালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বুধবার (১৫ মার্চ) সকালে বাসাইল পৌর এলাকার কুমারজানীর গাজীভাঙ্গা এলাকা থেকে তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত জুলহাস মিয়া টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া ইউনিয়নের বোয়ালী গ্রামের মৃত আফাজ উদ্দিনের ছেলে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়,বাসাইল-নলুয়া আঞ্চলিক সড়কের বাসাইল পৌরসভার গাজীভাঙ্গা এলাকার লোকজন রাস্তার পাশে মরদেহটি পরে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেয়। পরে বাসাইল থানা পুলিশ এসে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন।

এ প্রসঙ্গে বাসাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান জানান, নিহতের ড্রাইভিং লাইসেন্স দেখে পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানান তিনি।

তিনি আরো জানান,প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, দুর্বৃত্তরা চালককে হত্যার পর ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক ছিনিয়ে নিয়ে গেছে। পরে তারা লাশ ঘটনাস্থলে ফেলে যায়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. মার্চ ২০২৩ ০৯:৪২:পিএম ৩ বছর আগে
ধর্ষণ মামলায় বাসাইলের সেই সাবেক ইউএনওর জা‌মিন মঞ্জুর - Ekotar Kantho

ধর্ষণ মামলায় বাসাইলের সেই সাবেক ইউএনওর জা‌মিন মঞ্জুর

একতার কণ্ঠঃ বি‌য়ের আশ্বাসে ক‌লেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলায় জা‌মিন পে‌য়ে‌ছেন টাঙ্গাইলের বাসাই‌ল উপ‌জেলার সাবেক নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মঞ্জুর হো‌সেন।

সোমবার (১৩ মার্চ) দুপু‌রে জেলা দায়রা জজ আদাল‌তের বিচারক শেখ আব্দুল আহাদ শুনানি শে‌ষে জামিন মঞ্জুর ক‌রেন।

এর আগে বাসাইলের সা‌বেক ওই ইউএনও উচ্চ আদালত থেকে ৬ সপ্তা‌হের জা‌মি‌নে ছি‌লেন। সোমবার উচ্চ আদাল‌তের দেয়া জা‌মি‌নের শেষ দিনে নিম্ন আদাল‌তে জা‌মিন আবেদন ক‌রলে বিচারক সেই জামিন আদেশ বহাল রেখেছেন

ইউএনও মঞ্জ‌ুর হোসেন রাজবাড়ীর পাংশা থানার চরঝিকড়ী গ্রামের বাসিন্দা। বর্তমানে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ওএসডি হিসেবে সংযুক্ত আছেন তিনি।

সম্প্রতি টাঙ্গালের বাসাইলের সা‌বেক ইউএনও মঞ্জ‌ুর হোসেনের বিরু‌দ্ধে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্কের অভিযোগে মামলা দা‌য়ের ক‌রেন জেলার মির্জাপু‌র উপ‌জেলার এক ক‌লেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী।

প‌রে মামলাটি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) তদন্তে প্রাথমিকভাবে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ২৩ জানুয়ারি টাঙ্গাইল সদর উপজেলা আমলি আদালতের বিচারক অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মনিরা সুলতানা তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

টাঙ্গাইলের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) এস আকবর আলী খান জানান, ইউএনও মঞ্জুর হো‌সেন উচ্চ আদালত থেকে ৬ সপ্তা‌হের জা‌মিনে ছি‌লেন। সোমবার তি‌নি আদাল‌তে আত্মসমর্পণ ক‌রে জা‌মিন আবেদন ক‌রেন। প‌রে উভয়প‌ক্ষের বিস্তা‌রিত শুনা‌নি শে‌ষে বিচারক ইউএনওর বিরু‌দ্ধে অভিযোগ গঠন পর্যন্ত জা‌মিন মঞ্জুর ক‌রেন। এর আগে গত ৬ মার্চ আদাল‌তে আত্মসমর্পণ ক‌রে জা‌মিন আবেদন ক‌রেন ইউএনও। উচ্চ আদাল‌তের জা‌মি‌নের মেয়াদ থাকায় বিচারক সোমবার শুনা‌নির ধার্য ক‌রে‌ছি‌লেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, মঞ্জুর হোসেন ২০২১ সালে বাসাইলে ইউএনও হিসেবে কর্মরত থাকাকালীন ফেসবুকের মাধ্যমে মির্জাপুরের এক কলেজছাত্রীর সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে মনজুর হোসেন বিভিন্ন সময় ওই কলেজছাত্রীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করেন। তাকে নিয়ে ভারতে ভ্রমণে যান। টাঙ্গাইল শহরে বাসা ভাড়া করে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে তারা একত্রে কয়েক মাস বসবাসও করেন। পরে ওই কলেজছাত্রী বিয়ের জন্য চাপ দিলে মনজুর হোসেন তার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন।

এ ঘটনায় ২০২২ সালের ২১ জুন ওই কলেজছাত্রী আদালতে মামলা করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দেন। মামলাটি তদন্ত করে ২০২২ সালের ২৯ ডিসেম্বর পিবিআই আদালতে প্রতিবেদন জমা দেয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪. মার্চ ২০২৩ ০১:৪১:এএম ৩ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।