/ হোম / আমাদের টাঙ্গাইল
টাঙ্গাইলে মই থেকে পড়ে কাঠ মিস্ত্রির মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মই থেকে পড়ে কাঠ মিস্ত্রির মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে মই থেকে পড়ে উজ্জ্বল সূত্রধর (৪০) নামে এক কাঠ মিস্ত্রির মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২ টার দিকে উপজেলার জামুরিয়া ইউনিয়নের গুনগ্রাম এলাকায় একটি ভবনে কাজ করার সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. বদিরুজ্জামান স্বাধীন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহত উজ্জ্বল উপজেলার দিঘলকান্দি ইউনিয়নের বিয়ারা গ্রামের জোয়ান সূত্রধরের ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় ইউপি সদস্য জানান, কাঠ মিস্ত্রির কাজ করতেন উজ্জ্বল। গুনগ্রাম এলাকায় একটি ভবনে মই দিয়ে কাজ করছিলেন তিনি। এ সময় হঠাৎ তার হাই প্রেসার উঠে মই থেকে নিচে পড়ে গুরুতর আহত হন তিনি। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আবু সালাম মিয়া জানান, এ বিষয়ে থানায় কেউ কোন অভিযোগ করেনি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৬. ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ০৩:০২:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে প্রাইভেটকার-পিকআপ সংঘর্ষে নিহত ২ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে প্রাইভেটকার-পিকআপ সংঘর্ষে নিহত ২

একতার কণ্ঠঃ ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের বাসাইল উপজেলার গুল্লা এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় দুইজন নিহত হয়েছে। রবিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার দিক এই দুর্ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৩ জন। হতাহতরা সবাই প্রাইভেটকারের যাত্রী ছিল।

নিহতদের মধ্য প্রাথমিকভাবে একজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তিনি হলেন সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া উপজেলার সাঈদ। নিহত অপরজনের নাম পরিচয় এখনো পাওয়া যায়নি।

টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক শফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, রবিবার রাতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের গুল্লা এলাকায় ঢাকাগামী লেনে কলা ভর্তি একটি ট্রাক উল্টে যায়। এ সময় ট্রাকের পেছনে থাকা একটি কাভার্ডভ্যান সজোরে ব্রেক করে। তখন কাভার্ডভ্যানের পেছনে থাকা একটি প্রাইভেটকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে কাভার্ডভ্যানের পেছনে সজোরে ধাক্কা দিলে প্রাইভেটকারের সামনের অংশ দুমরে মুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাইভেটকারের দুই যাত্রী নিহত হয়। ঘটনাস্থল থেকে আহত অবস্থায় প্রাইভেটকারের চালকসহ ৩ জনকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়।

এ বিষয়ে গোড়াই হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোল্লা টুটুল জানান, আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ দুটি পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৬. ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ০২:৫১:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মৃত ভেবে পুলিশে খবর, চিকিৎসা পেয়ে সুস্থ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মৃত ভেবে পুলিশে খবর, চিকিৎসা পেয়ে সুস্থ

একতার কণ্ঠঃ রাস্তার পাশে জঙ্গলে পড়ে ছিল এক অজ্ঞাত ব্যক্তি। তাকে মৃত ভেবে তার কাছে যায়নি কেউ। একপর্যায়ে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ অজ্ঞাত ব্যক্তিকে উদ্ধার করতে গিয়ে দেখতে পায় সে মৃত নয় অচেতন অবস্থায় রয়েছে। এরপর তাকে স্থানীয়দের সহযোগিতায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়।

রবিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার অলোয়া ইউনিয়নের নিকলা গোপালপাড়া এলাকা থেকে অচেতন অবস্থায় অজ্ঞাত ব্যক্তিটিকে উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধারকৃত যুবকের নাম মো. বকুল হোসেন (৩৪)। তিনি জেলার কালিহাতী উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের ভৈরব বাড়ি গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মান্নানের ছেলে।

থানা সূত্র জানায়, রবিবার সকাল সাড়ে ৮ টার দিকে পুলিশের কাছে খবর আসে নিকলা গোপালপাড়া এলাকায় এক অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ রাস্তার পাশের জঙ্গলে পড়ে আছে। এমন খবর পেয়ে ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আহসান উল্লাহ্ মরদেহ উদ্ধার করতে গিয়ে ঘটনাস্থলে দেখতে পায় সে অসচেতন অবস্থায় রয়েছে।

এরপর তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ভূঞাপুর উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে জীবীত ঘোষণা করেন। পরে চিকিৎসায় তিনি সুস্থ হন। পরে জিজ্ঞাসাবাদে তার পরিচয় মিলে। তারপর তার দেওয়া তথ্যমতে, তার পরিবারের সাথে যোগাযোগ করে স্বজনদের কাছে তাকে দুপুরে হস্তান্তর করেন ভূঞাপুর থানা পুলিশ।

উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সের ডা. খাদেমুল ইসলাম বলেন, প্রায় মৃত অবস্থায় হাসপাতালে তাকে আনা হয়। দ্রুত হাসপাতালে আনা না হলে জীবনহানি ঘটতে পারতো।

বকুলের বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মান্নান বলেন, ৮ম শ্রেণিতে পড়া অবস্থায় বকুলের মানসিক সমস্যা দেখা দেয়। শুরুতে নানা চিকিৎসা করালেও পরে অর্থ সংকটে তা আর সম্ভব হয়নি। মাঝেমধ্যে বকুল নিরুদ্দেশ হয়ে যেতো। এবারই আমার ছেলেকে মৃত প্রায় অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ। জীবীত অবস্থায় ছেলেকে ফিরে পেয়ে পুলিশের প্রতি ধন্যবাদ জানান তিনি।

এ ঘটনায় ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আহসান উল্লাহ্ জানান, স্থানীয়দের মাধ্যমে থানায় খবর আসে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির লাশ নিকলা গোপালপাড়া এলাকায় রাস্তার পাশে জঙ্গলে পড়ে আছে। পরে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেখি লোকটি অসচেতন। তারপর তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা জানায় সে জীবীত।

তিনি আরও জানান, এরপর সুস্থ হলে জিজ্ঞাসাবাদে তার পরিচয় জানতে পারি এবং পরিবারকে জানানো হয়। খবর পেয়ে তার পরিবারের লোকজন আসলে আইনি প্রক্রিয়া শেষে বকুলকে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এছাড়াও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বকুলের চিকিৎসায় সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন বলেও জানান তিনি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৫. ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ০৩:০২:এএম ২ বছর আগে
যমুনার ফসলি জমি কেটে বিক্রির অপরাধে ব্যবসায়িকে জরিমানা - Ekotar Kantho

যমুনার ফসলি জমি কেটে বিক্রির অপরাধে ব্যবসায়িকে জরিমানা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের যমুনা নদীর চরাঞ্চলে জেগে উঠা ফসলি জমি কেটে বিক্রির অপরাধে এক বালু ব্যবসায়ীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

রবিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ভূঞাপুর উপজেলার অর্জুনা ইউনিয়নের জগৎপুরা এলাকায় যমুনা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধে অভিযান পরিচালনা করে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

জরিমানাপ্রাপ্ত বালু ব্যবসায়ী উপজেলা অর্জুনা ইউনিয়নের জগৎপুরা গ্রামের আকবর আলী খানের শহীদুজ্জামান।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তাহেরুল ইসলাম তোতা ও অর্জুনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দিদারুল আলম খান মাহবুবের ঘাটে তিনি অবৈধ এ বালু উত্তোলনের ব্যবসা করে আসছিলেন।

এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফাহিমা বিনতে আখতার জানান, জগৎপুরা এলাকায দীর্ঘদিন যমুনা চরাঞ্চলের ফসলি জমি কেটে অবৈধভাবে বিক্রি করে আসছিল অসাধু বালু ব্যবসায়ীরা।

তিনি আরও জানান,সেখানে অভিযান চালিয়ে একজনকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে আমাদের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৫. ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ০২:৫২:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইল শাড়ির স্বত্ব নিয়ে ফুসে ওঠছে জেলাবাসী - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল শাড়ির স্বত্ব নিয়ে ফুসে ওঠছে জেলাবাসী

একতার কণ্ঠঃ ঐতিহ্যবাহী টাঙ্গাইল শাড়িকে ভারতের দাবি করে ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) স্বীকৃতি নেওয়ার প্রতিবাদে ক্ষোভে ফুসে ওঠছে জেলাবাসী। দ্রুত ভারতের জিআই বাতিল করে বাংলাদেশের পণ্য হিসেবে ‘টাঙ্গাইল শাড়ি’কে জিআই স্বীকৃতির দাবি করেছে জেলার ব্যবসায়ী ও সুধীজনরা।

ভারতের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে বৃহস্পতিবার (১ ফেব্রুয়ারি) করা একটি পোস্টে বলা হয়- ‘টাঙ্গাইল শাড়ি, পশ্চিমবঙ্গ থেকে উদ্ভূত, একটি ঐতিহ্যবাহী হাতে বোনা মাস্টারপিস। এর মিহি গঠন, বৈচিত্র্যময় রং এবং সূক্ষ্ম জামদানি মোটিফের জন্য বিখ্যাত এটি এই অঞ্চলের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতীক। টাঙ্গাইলের প্রতিটি শাড়ি ঐতিহ্য ও সমৃদ্ধ সৌন্দর্যের মেলবন্ধনে দক্ষ কারুকার্যের নিদর্শন।’

এরপর থেকে টাঙ্গাইলসহ সারাদেশে ক্ষোভ ও প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সোচ্চার হয়ে প্রতিবাদ জানাচ্ছে। জেলা সদর সহ বিভিন্ন স্থানে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।
টাঙ্গাইলের সচেতন মহল ইতোমধ্যে মানববন্ধনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছে। এ বিষয়ে জরুরি সভা করে মন্ত্রণালয়ে কথা বলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের আশ্বাস দিয়েছেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক।

টাঙ্গাইল শাড়ি বাংলাদেশি পণ্য হিসেবে জিআই স্বীকৃতির দাবিতে শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকালে ‘সচেতন নাগরিক সমাজ’- এর ব্যানারে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। মানববন্ধনকারীরা ‘টাঙ্গাইলের তাঁত শাড়ি, টাঙ্গাইলের ঐতিহ্য’, ‘নদী-চর খাল-বিল গজারির বন, টাঙ্গাইলের শাড়ি তার গরবের ধন’, ‘আমার ঐতিহ্য, আমার অহঙ্কার’, ‘টাঙ্গাইলের তাঁত শাড়ির জিআই স্বীকৃতি চাই’- ইত্যাদি লেখা প্ল্যাকার্ড নিয়ে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধনে দাঁড়ান।

ওই কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন, শিশুদের জন্য ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মুঈদ হাসান তড়িৎ, আরিফুজ্জামান সোহেল, সমাজকর্মী নাজিউর রহমান আকাশ, মির্জা রিয়ান, আহসান খান মিলন, স্মরণ ইসলাম প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, টাঙ্গাইল শাড়ি বাংলাদেশের বিখ্যাত শাড়ি। ভারতীয় সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অফিসিয়াল পেজে এই টাঙ্গাইল শাড়ি, পশ্চিমবঙ্গ থেকে উদ্ভূত একটি ঐতিহ্যবাহী হাতে বোনা মাস্টারপিস বলা হয়েছে। এর তীব্র নিন্দা জানাই। একই সঙ্গে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য বর্তমান সরকারের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করি।

সরেজমিনে টাঙ্গাইল শাড়ির সঙ্গে জড়িতরা জানায়, প্রায় ২০০ বছর ধরে ইতিহাস ঐতিহ্যের ধারক-বাহক টাঙ্গাইলের তাঁত শাড়ি। যা নিজস্ব ঐতিহ্য বহন করে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সুনাম কুড়িয়েছে। এছাড়া ‘নদী-চর খাল-বিল গজারির বন, টাঙ্গাইল শাড়ি তার গরবের ধন’ এ স্লোগানের আলোকেই টাঙ্গাইলের মানুষের জীবনাচরণ চলমান। টাঙ্গাইল শাড়ি সদর উপজেলার বাজিতপুর, কৃষ্ণপুর, দেলদুয়ারের পাথরাইল, চন্ডী, কালিহাতীর বল্লা, রামপুর সহ বিভিন্ন এলাকায় তৈরি হয়। তবে দেলদুয়ারের পাথরাইল টাঙ্গাইল শাড়ির রাজধানী হিসেবে খ্যাত।

বল্লা এলাকার সুতা ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মোস্তফা আশরাফী ও সাধারণ সম্পাদক সোলায়মান হাসান ভারতের কড়া সমালোচনা করে জানান, প্রায় আড়াইশ’ বছরের ঐতিহ্য টাঙ্গাইল শাড়ি। এ শাড়ি টাঙ্গাইলেই অসাধারণ কারুকার্য ও সুক্ষ্ম নিপুনতায় অত্যন্ত দরদ দিয়ে তৈরি করা হয়। টাঙ্গাইল শাড়ির স্বত্ব শুধুমাত্র টাঙ্গাইলের তাঁতিদের। ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সরকার টাঙ্গাইল শাড়ির ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) স্বীকৃতি দিয়ে ঐতিহ্যবাহী টাঙ্গাইল শাড়ির স্বত্ব ছিনতাই করার দুঃসাহস দেখিয়েছে।

টাঙ্গাইল শাড়ির রাজধানী খ্যাত পাথরাইলের শাড়ি ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি রঘুনাথ বসাক জানান, টাঙ্গাইল শাড়ি বলতে টাঙ্গাইলকেই বোঝায়। টাঙ্গাইলের নাতিশীতোষ্ণ আবহাওয়া টাঙ্গাইল শাড়ির জন্য অত্যন্ত উপযোগী। ভিন্ন মান ও ভিন্ন দক্ষতায় টাঙ্গাইল শাড়ি তৈরি হয়। এই দক্ষতায় অন্য জায়গায় শাড়ি তৈরি হলেও সেটা টাঙ্গাইল শাড়ি না। অন্যরা টাঙ্গাইল শাড়িকে নিজের দাবি করে জিআই ট্যাগ নেওয়া- এটা আমাদের জন্য দুঃখজনক। তিনি এর প্রতিবাদ জানিয়ে এর বিরুদ্ধে সবাইকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান।

টাঙ্গাইল সাধারণ গ্রন্থাগারের সাধারণ সম্পাদক কবি মাহমুদ কামাল জানান, স্বাধীন বাংলাদেশের একটি ঐতিহ্যবাহী জেলা টাঙ্গাইল। কয়েকশ’ বছর আগে থেকে টাঙ্গাইল শাড়ি পৃথিবী বিখ্যাত। এ শাড়ির অন্য দেশের জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার বিষয়টি সত্য নয়। ওই দেশের জিআই স্বীকৃতি বাতিল করে বাংলাদেশের পণ্য হিসেবে টাঙ্গাইল শাড়িকে জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতির দাবি জানান তিনি।

টাঙ্গাইল সেন্ট্রাল কো-অপারেটিভ আর্টিজেন্স ওয়েল ফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন লিমিটেড এবং বল্লা এলাকা তন্তুবায় সমবায় সমিতির সভাপতি মোফাখখারুল ইসলাম জানান, প্রাচীণকাল থেকে টাঙ্গাইল শাড়ি জেলার বিভিন্ন এলাকায় তাঁতিদের সুক্ষ্ম দক্ষতায় সুনিপুনভাবে তৈরি হচ্ছে। ১৯৪৭ ও ১৯৭১ সালে দেশভাগের পর টাঙ্গাইলের তাঁতিদের কেউ কেউ ভারতে গিয়ে বসতি স্থাপন করেছে। সেখানেই তারা আদি পেশা ‘তাঁত শিল্পের’ কাজ করছে। তাই বলে টাঙ্গাইল শাড়ি কখনোই সেদেশের হতে পারেনা। দীর্ঘ সময়ের প্রচেষ্টা ও অধ্যবসায়ের জোরে টাঙ্গাইল শাড়ি দেশ-বিদেশে সুনাম অর্জন করেছে। যারা ওই দেশে রয়েছে- তারাও শাড়ি তৈরি করে জীবিকা নির্বাহ করছে- এটা যেমন সত্য, তেমনি টাঙ্গাইল শাড়ি টাঙ্গাইলেরই সম্পত্তি- এটাও ধ্রুব সত্য। তিনি ওই দেশের জিআই স্বীকৃতি বাতিল করে বাংলাদেশের পণ্য হিসেবে টাঙ্গাইল শাড়িকে জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতির দাবি জানান।

টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক মো. কায়ছারুল ইসলাম জানান, টাঙ্গাইল শাড়ি, মধুপুরের আনারস ও জামুর্কির সন্দেশ জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেতে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। এটা যে এখানকার অর্জন, সেটার ৫০ বছরের সুদীর্ঘ ধারাবাহিকতা দিতে হয়। অথচ টাঙ্গাইলের তাঁত শাড়ি আড়াইশ’ বছরের পুরাতন। টাঙ্গাইল শাড়ি জিআই পণ্যের স্বীকৃতি পাওয়ার অধিকার রাখে বলে তিনি মনে করেন। এছাড়া ২০১৭ সালে টাঙ্গাইল শাড়ি সরকার কর্তৃক ব্র্যান্ডিং হয়েছে।

তিনি আরও জানান, ভারত যে ঘটনাটা ঘটিয়েছে, তারা ডকুমেন্টেশনে উল্লেখ করেছে- পাথরাইলের বসাক পরিবারের আদি পুরুষরা সেখানে গিয়ে তাঁত শাড়ির পাড়ের ডিজাইন চেঞ্জ করে একটা ভিন্ন প্রকার উদ্ভাবন করেছে। এ বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে স্টাডি করা শুরু হয়েছে। তিনি জেলা প্রষশাসকের সম্মেলন কক্ষে জরুরি সভা করেছেন। মন্ত্রণালয় টু মন্ত্রণালয় কথা বলে এ বিষয়ে কীভাবে আবেদন করা যায় তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এছাড়াও আপিল করার সুযোগ থাকলে সে বিষয়েও কথা বলা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৫. ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ০২:১৮:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলের তাঁতের শাড়িকে ভারতের শাড়ি দাবি করার প্রতিবাদে মানববন্ধন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলের তাঁতের শাড়িকে ভারতের শাড়ি দাবি করার প্রতিবাদে মানববন্ধন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের তাঁতের শাড়িকে ভারতের শাড়ি হিসেবে দাবি করার প্রতিবাদে এবং বাংলাদেশের পণ্য হিসেবে জিআই স্বীকৃতির দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে সচেতন নাগরিক সমাজের উদ্যোগে এ মানববন্ধের আয়োজন করা হয়।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন শিশুদের জন্য ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা মুঈদ হাসান তড়িৎ, সমাজকর্মী নাদিউর রহমান আকাশ, আহসান খান আকাশ, মির্জা রিয়ান প্রমুখ।

এ সময় বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের বিখ্যাত টাঙ্গাইল শাড়ি। টাঙ্গাইলের শাড়ি আমাদের অহংকার। টাঙ্গাইলের শাড়ি স্বীকৃতি ভারত কখনই পেতে পারে না। ভারতের এ দাবি অযৌক্তিক। এ বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ নেয়া উচিৎ। আমরা এর প্রতিবাদ জানাচ্ছি। টাঙ্গাইলের শাড়ির বিশেষত্ব মানেই টাঙ্গাইলে তৈরি। টাঙ্গাইল শাড়ির জিআই পাওয়ার দাবিদার হচ্ছে বাংলাদেশ। আমরা বাংলাদেশ সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি দ্রুতই টাঙ্গাইলের শাড়িকে জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার।

টাঙ্গাইল শাড়ি মালিক সমিতির সভাপতি রঘুনাথ বসাক বলেন, আমরা এই জিআই কখনও মানব না। সরকারকে বলবো যে কোনো মূল্যে নিজেদের নামে টাঙ্গাইলের শাড়ির জিআই করতে। অন্যথায় টাঙ্গাইলের শাড়ি ব্যবসায়ীরা কঠোর আন্দোলনে যাবে।

টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক কায়সারুল ইসলাম জানান, ভারত ২০২০ সালে জিআই আবেদন করে। আর টাঙ্গাইল শাড়ির ব্র্যান্ডিং করা হয়েছে ২০১৭ সালে। এটি টাঙ্গাইলের ঐতিহ্য। গত মঙ্গলবার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এই তাঁত শাড়ি জিআই পণ্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্যে সভা অনুষ্ঠিত হয়। টাঙ্গাইল শাড়ি জিআই করতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ০৫:২৬:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ১৬ ঘণ্টায় ট্রেন-বাস-ট্রাক কেড়ে নিলো  ৬ জনের প্রাণ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ১৬ ঘণ্টায় ট্রেন-বাস-ট্রাক কেড়ে নিলো ৬ জনের প্রাণ

একতার কণ্ঠঃ শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে ঢাকাগামী হানিফ পরিবহন নামে একটি বাসের ধাক্কায় অটোচালকসহ দুজন নিহতের ঘটনা ঘটেছে।

অপরদিকে, টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক মহাসড়কে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার সালেংকা মোড়ে শনিবার সকালে মাটিবোঝাই একটি ড্রামট্রাকের সঙ্গে একটি অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে টিটু-খাঁ (৬০) নামে আরও একজনের নিহতের ঘটনা ঘটেছে।

এছাড়াও শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) রাতে বঙ্গবন্ধু সেতু-ঢাকা মহাসড়কের পাশে রেললাইনে হাঁটাহাঁটি করতে গিয়ে ট্রেনে কাটা পড়ে বাবা-ছেলেসহ মারা গেছেন ৩ জন। এ নিয়ে জেলায় প্রায় ১৬ ঘণ্টার ব্যবধানে মোট ৬ জনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে।

এরমধ্যে শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার সল্লা এলাকায় ১৩ নং ব্রিজের কাছে হানিফ পরিবহনের একটি বাসের ধাক্কায় ব্যাটারিচালিত অটোভ্যানের চালকসহ দুজন নিহত হয়।

তারা হলেন- উপজেলার গোহালিয়াবাড়ী ইউনিয়নের গোহালিয়াবাড়ী গ্রামের মৃত শুক্কুর আলীর ছেলে আব্দুস ছাত্তার (৩৫) এবং একই ইউনিয়নের কুর্শাবেনু গ্রামের মৃত আব্দুল হকের ছেলে আব্দুল মমিন (৩৬)। এদের মধ্যে আব্দুস ছাত্তার অটোভ্যান চালক ও আব্দুল মমিন অটোভ্যানের যাত্রী ছিল।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঢাকাগামী হানিফ পরিবহন নামে একটি বাসকে অজ্ঞাতনামা একটি গাড়ি ধাক্কা দেয়। এর ফলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে হানিফ পরিবহনটি সামনে থাকা অটোভ্যানটিকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলে অটোভ্যান চালক ও তার যাত্রী মারা যায়। এ খবর পেয়ে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নাজমুল হাসান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং বাসটিকেও জব্দ করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহত দুজনের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

একই দিন সকালে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক মহাসড়কের টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার সালেংকা মোড়ে শনিবার সকালে মাটিবোঝাই একটি ড্রামট্রাকের (ঢাকা মেট্রো ট-১৮-৬৩১৮) সঙ্গে একটি অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে টিটু খাঁ নিহত ও অপর দুইজন আহত হয়।

নিহত টিটু-খাঁ ঘাটাইলের লোকের পাড়া ইউনিয়নের মৃত হিটলার খাঁর ছেলে।

ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আবু ছালাম মিয়া জানান, ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

অপরদিকে, শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) রাত পৌনে ৯টার দিকে কালিহাতী উপজেলার ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের আনালিয়াবাড়ী এলাকায় রেললাইনে হাঁটতে গিয়ে চিলাহাটি এক্সপ্রেস ট্রেনে কাটা পড়ে বাবা ও তার শিশু ছেলেসহ তিনজনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।

বাবা-ছেলেসহ নিহতরা হলেন- নাটোর বড়াই গ্রামের আলাউদ্দিনের ছেলে রতন (৩৫) ও তার ছেলে সানি (৬) এবং অপর ব্যক্তির নাম শরীফ (৩৪)। তিনি রাজশাহী বেল পুকুর এলাকার আলম মন্ডলের ছেলে।

স্থানীয় ও রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, রাজশাহীগামী দূরপাল্লার একটি বাস আনালিয়াবাড়ী এলাকায় রাতে হঠাৎ বিকল হয়। পরে বাসটি মেরামত করার সময় কিছু যাত্রী মহাসড়কের পাশে হাঁটাহাঁটি করছিল। এ সময় নীলফামারীর চিলাহাটিগামী চিলাহাটি এক্সপ্রেস নামের একটি ট্রেনে কাটা পড়ে শিশুসহ তিনজনের মৃত্যু হয়। আহত হন আরও এক নারী। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে।

বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব রেলস্টেশনের ইনচার্জ রেজাউল করিম জানান, ট্রেনে কাটা পড়ে নিহত তিনজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে দুজন সম্পর্কে বাবা-ছেলে। এদের মধ্যে বাবার নাম রতন ও ছেলের নাম সানি। তাদের বাড়ি নাটোরের বড়াই গ্রামে এবং অপর এক ব্যক্তির নাম শরীফ। তার বাড়ি রাজশাহীর বেল পুকুর এলাকায়। তারা নীলফামারীর চিলাহাটিগামী চিলাহাটি এক্সপ্রেস ট্রেনে কাটা পড়ে মারা যায়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ০২:১৪:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ১৫ লাখ টাকার হেরোইনসহ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ১৫ লাখ টাকার হেরোইনসহ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ১৫ লাখ টাকার হেরোইনসহ মো. মাসুদুজ্জামান মাসুদ (২২) নামে এক শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি-দক্ষিণ)

শুক্রবার (০২ জানুয়ারি) রাতে সদর উপজেলার নগর জালফৈ বাইপাস এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত মাসুদুজ্জামান মাসুদ রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার মহিশালবাড়ী এলাকার আমিরুল ইসলামের ছেলে।

জেলা গোয়েন্দা পুলিশ অফিসার ইনচার্জ (ওসি) দক্ষিণের মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার রাতে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি-দক্ষিণ) পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. নুরুজ্জামানের নেতৃত্বে একটি চৌকষ দল সদর উপজেলার নগর জালফৈ বাইপাস এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানে শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী মাসুদুজ্জামান মাসুদকে ১৫০ গ্রাম হেরোইনসহ গ্রেপ্তার করা হয়।

তিনি আরও জানান, জব্দকৃত হেরোইনের বাজার মূল্য প্রায় ১৫ লাখ টাকা। গ্রেপ্তারকৃত মাসুদুজ্জামান মাসুদের নামে সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ০১:১৭:এএম ২ বছর আগে
কাঙ্খিত হুইলচেয়ার পেল জাহের-ফিরোজা দম্পতি - Ekotar Kantho

কাঙ্খিত হুইলচেয়ার পেল জাহের-ফিরোজা দম্পতি

একতার কণ্ঠঃ কাঙ্খিত হুইলচেয়ার পেল মো. জাহের আলী (৬০) ও ফিরোজা বেগম (৫০) দম্পতি। মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইল শহরের শহিদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে এক অনারম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাদের কাছে এই হুইলচেয়ারটি হস্তান্তর করা হয়।

হুইলচেয়ার পেয়ে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়ে শারীরিক ভাবে পঙ্গু ও মানসিক ভারসাম্যহীন ফিরোজা বেগম। সে ওই মুহূর্তে কথা বলার ভাষা হারিয়ে ফেলে। এর মাধ্যমে ফিরোজা বেগমের ভাঙ্গা ও ব্যবহার অযোগ্য হুইলচেয়ারটি পরিবর্তন করে নতুনভাবে জীবিকা নির্বাহের অবলম্বন পেল এই দম্পতি। জয় হলো আবারও মানবতার।

মানবিক আবেদনে সারা দিয়ে হুইলচেয়ারটি প্রদান করেন শারীরিকভাবে পঙ্গুদের নিয়ে কাজ করা সামাজিক সংগঠন সেন্টার ফর রুরাল ডিজেবল ডেভলপমেন্ট (সিআরডিডি) টাঙ্গাইল।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, সিআরডিডির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আবরার এইচ.কে ইউসুফ জাই, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সিফাত মোহাম্মদ আরেফিন, জনতা ব্যাংক লিমিটেড টাঙ্গাইল শাখার অ্যাসিস্ট্যান্ট জেনারেল ম্যানেজার মো. জাহাঙ্গীর আলম, দৈনিক আমাদের নতুন সময়ের জেলা প্রতিনিধি ও একতার কণ্ঠের সম্পাদক মো. আরমান কবীর (সৈকত), টাঙ্গাইল সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষক জাহিদ রানা, বিশিষ্ট সমাজ সেবক সাইদুল ইসলাম মিন্টু, একতার কণ্ঠের বার্তা-সম্পাদক সাহান হাসান প্রমূখ।

উল্লেখ্য, রবিবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার পাথরাইল ইউনিয়নের বড়টিয়া গ্রামের ভিক্ষুক দম্পতি জাহের ও ফিরোজার একটি ভিডিও চিত্র ধারণ করেন দৈনিক আমাদের নতুন সময়ের টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি ও একতার কণ্ঠের সম্পাদক মো. আরমান কবীর (সৈকত)। পরে রবিবার সন্ধ্যায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তার নিজের আইডিতে পোষ্ট করেন। ফেসবুকের সেই পোষ্ট দেখে টাঙ্গাইল জেলা ও জেলার বাহিরের অনেক হৃদয়বান ব্যক্তি তাদের কাঙ্খিত হুইলচেয়ার দেওয়ার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেন। পরে জনতা ব্যাংক টাঙ্গাইল শাখার অ্যাসিস্ট্যান্ট জেনারেল ম্যানেজার মো. জাহাঙ্গীর আলমের মাধ্যমে সামাজিক সংগঠন সেন্টার ফর রুরাল ডিজেবল ডেভলপমেন্ট (সিআরডিডি) টাঙ্গাইল শাখার সভাপতি আবরার এইচ.কে ইউসুফ জাই একটি স্টেনলেস স্টিল হুইলচেয়ার এই দম্পতিকে দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন। পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মেহেদী হাসান নামের এক যুবক এই দম্পতির সাথে যোগাযোগ করে তাদের ঠিকানা জোগাড় করে দেয়। মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) দুপুরে এই দম্পতিকে তাদের কাঙ্খিত হুইলচেয়ারটি হস্তান্তর করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০১. ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ০৮:১৪:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে নদীর পাড় কেটে বালু বিক্রি, দুই ব্যবসায়ীকে ৪ লাখ টাকা জরিমানা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে নদীর পাড় কেটে বালু বিক্রি, দুই ব্যবসায়ীকে ৪ লাখ টাকা জরিমানা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে নদীর পাড় কেটে বালু (ভিটমাটি) বিক্রির দায়ে দুই বালু ব্যবসায়ীকে ৪ লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

সোমবার (২৯ জানুয়ারি) সকালে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাসুদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে রবিবার (২৮ জানুয়ারি) রাতে উপজেলার গোড়াইল ও ইচাইল এলাকায় এই ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করেন তিনি।

অর্থদন্ড প্রাপ্তরা হলেন উপজেলার গোড়াইল গ্রামের মৃত দীন মোহাম্মদের ছেলে আলমগীর মৃধা (৫০) ও যুগী গ্রামের সফিকুল ইসলামের ছেলে ইউসুফ মিয়া (২৭)।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাসুদুর রহমান জানান, আলমগীর মৃধা বংশাই নদীর গোড়াইল এবং ইউসুফ মিয়া লৌহজং নদীর ভাতগ্রাম ইউনিয়নের ইচাইল এলাকা থেকে রাতের আধারে ভেকু মেশিন দিয়ে বালু কেটে বিক্রি করে আসছিলেন।

তিনি আরও জানান, পরে স্থানীয় ভুক্তভোগীদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে উপজেলা প্রশাসন থেকে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে ওই দুই অবৈধ বালু উত্তোলনকারীকে চার লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জনস্বার্থে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. জানুয়ারী ২০২৪ ০২:৪৯:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে আ’লীগ নেতার বাড়িতে হামলার অভিযোগে সাবেক কৃষিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মানববন্ধন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে আ’লীগ নেতার বাড়িতে হামলার অভিযোগে সাবেক কৃষিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মানববন্ধন

একতার কণ্ঠঃ সাবেক কৃষিমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য ড.আব্দুর রাজ্জাক এমপির বিরুদ্ধে বাড়ি-ঘর ভাংচুর করার অভিযোগে টাঙ্গাইল জেলা সাবেক ও বর্তমান ছাত্রলীগের ব্যানারে মানববন্ধন করা হয়েছে।

সোমবার (২৯ জানুয়ারি) বেলা ১১ টার দিকে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে ঘন্টা ব্যাপী এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

এরআগে গত ১৯ জানুয়ারি টাঙ্গাইলের ধনবাড়ি উপজেলার বলিভদ্র গ্রামের মেহেদী হাসান রনির বাড়িতে হামলার ঘটনাটি ঘটে।

মানববন্ধনে মেহেদী হাসান রনি অভিযোগ করে বলেন, বিগত দিনে মধুপুর-ধনবাড়ির সংসদ সদস্য আব্দুর রাজ্জাকের অপকর্মের বিরুদ্ধে আমি ও স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা প্রতিবাদ করেছি। যার ফলে আব্দুর রাজ্জাকের নির্দেশে তার ভাই ও মামাতো ভাইয়েরা মিলে আমার বাড়িতে হামলা করেছে। হামলা করার সময় তার মামাতো ভাই সাবেক ধনবাড়ি পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক খন্দকার মঞ্জুরুল ইসলাম তপন ও তার সাথে প্রায় কয়েক জন সন্ত্রাসী বাহিনী হঠাৎ করে এলোপাথাড়ি হামলা করে বাড়ির জানালা, দরজা, গেট ভাংচুর করে।

তিনি আরও বলেন, পরে স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে তারা পালিয়ে যায়। এঘটনায় রাতেই একটি ঝটিকা মিছিল করেছে স্থানীয় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। হামলার বিষয়ে থানায় মামলা হয়েছে। এ বিষয়ে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকের বরাবর স্মারকলিপি দেয়া হবে।

প্রকাশ, মেহেদী হাসান রনি কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক উপ কমিটির সাবেক সদস্য।এছাড়াও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জসীম উদ্দিন হল শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. জানুয়ারী ২০২৪ ০১:৫৬:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে এমপিও নীতিমালার সুযোগ ভোগে মসজিদ প্রাঙ্গণে স্কুল স্থাপন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে এমপিও নীতিমালার সুযোগ ভোগে মসজিদ প্রাঙ্গণে স্কুল স্থাপন

একতার কণ্ঠঃ বেসরকারি বিদ্যালয় এমপিও নীতিমালার সুযোগ ভোগে মসজিদ প্রাঙ্গণে স্থাপন করা হয়েছে স্কুল। চাঞ্চল্যকর এমনটাই ঘটেছে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার কাতুলী ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের ভবানীপুর গ্রামে।

বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি আর জেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদকের যোগসাজসে গড়ে তোলা হয়েছে ভবানীপুর শিশু কল্যাণ প্রাথমিক বিদ্যালয় নামে একটি বিদ্যাপিঠ বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। সদ্য স্থাপিত বিদ্যালয় আর কর্মরত শিক্ষকদের এমপিও ভুক্ত করতে শিক্ষক প্রতি মোটা অংকের টাকা নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।

বিদ্যালয়ের সাইনবোর্ডে স্থাপিত ২০১৫ সাল দেখানো হলেও চলতি জানুয়ারি থেকে শুরু হয়েছে স্কুল কার্যক্রম বলে স্বীকার করেছেন কর্মরত শিক্ষক আর অধ্যায়নরত শিক্ষার্থীরা।

অভিযোগ উঠা জেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হারুনার রশিদ সদর উপজেলার আনেহলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারি শিক্ষক। ইতোপূর্বেও তার বিরুদ্ধে রয়েছে সরকারিভাবে বন্ধ থাকা বৃত্তি পরীক্ষা টাঙ্গাইলে নিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়াসহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির ভবন বিক্রির অভিযোগ।

এছাড়া ভবানীপুর শিশু কল্যাণ প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোতালেব মিয়া পেশায় একজন আইনজীবী সহকারি। কমিটির সভাপতি মোতালেব মিয়ার ছেলে শাকিল আহমেদ রয়েছেন ভবানীপুর শিশু কল্যাণ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে (এমএলএসএস) পিয়ন পদে কর্মরত।

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, বিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত শিক্ষার্থী সংখ্যা ১১০জন। কর্মরত শিক্ষক পদে ৫ আর (এমএলএসএস) পিয়ন পদে কর্মরত রয়েছেন ১ জন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার দূর্গম এই গ্রামে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রয়োজন। বিদ্যালয় স্থাপনের জন্য জমিও ক্রয় করা হয়েছে। ক্রয়কৃত জমির উপর বিদ্যালয় নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন তারা। তবে মসজিদ প্রাঙ্গণে স্কুল স্থাপন আর জেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদকসহ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতির এমপিও ভুক্তির নাম ভাঙিয়ে আর অবৈধ প্রক্রিয়ার শিক্ষক নিয়োগের মাধ্যমে মোটা টাকা বাণিজ্যের বিরোধীতা করছেন তারা।

বিদ্যালয়টির নির্দিষ্ট কোন ভবন না থাকলেও এটি এমপিও ভুক্ত হচ্ছে তথ্যটি যেমন সুখের, তেমনি শিক্ষক নিয়োগ আর এমপিও ভুক্তির লোভ দেখিয়ে ৫ শিক্ষকের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা নেওয়ার সংবাদটি দুঃখজনক। নিয়োগপ্রাপ্ত তিন শিক্ষকের বয়স ৩২ বছরের উপরে হওয়া সত্ত্বেও কিভাবে আর কোন পন্থায় নিয়োগ দেওয়া হলো সেটিসহ এত টাকা লেনদেনের বিষয়টি খতিয়ে দেখতে মন্ত্রণালয়, জেলা প্রশাসন ও শিক্ষা প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।

ভবানীপুর গ্রামের মো. খাদেম আলী সরকার বলেন, চলতি মাসেই মসজিদ প্রাঙ্গণে বিদ্যালয়টি চালু করা হয়েছে।

স্থানীয় গ্রামের ছাত্র হারুন জানায়, মাসখানেক যাবৎ মসজিদ প্রাঙ্গণে বিদ্যালয়টি চালু হয়েছে। ছাত্র-ছাত্রী কতজন সেটি না জানলেও পাঁচজন শিক্ষক বিদ্যালয়ে কর্মরত বলে জানান সে।

ভবানীপুর শিশু কল্যাণ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণীতে অধ্যায়নরত শিক্ষার্থী লামিয়া জানায়, মাত্র ১৬ দিন যাবৎ এই বিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছে সে।

পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্র জুনায়েদ জানায়, প্রায় তিন সপ্তাহ হলো সে এই বিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছে। আগে এখানে মক্তব ছিল, নতুন করে এই বিদ্যালয়টি চালু করা হয়েছে।

মসজিদের ঈমাম আবু রায়হান বলেন, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোতালেব মিয়ার আত্মীয় জেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক। বিদ্যালয়ের জন্য মোতালেব মিয়া আবেদন করার কারণে মনে হয় তাদের যোগাযোগ হয়েছে। তবে টাকা লেনদেনের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন তিনি।

বিদ্যালয়ে কর্মরত শিক্ষক আমিনা খাতুন রিমু বলেন, এমপিও করার আশ্বাসে বিদ্যালয়টি সম্প্রতি চালু করা হয়েছে। তিনি বর্তমানে মাস্টার্সে অধ্যায়নরত। এমপিও করে দেওয়ার আশ্বাসে তিনি এখানে শিক্ষকতা করছেন। টাকা লেনদেনের বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে তিনি জানান, বিষয়টি আমার অভিভাবকরা বলতে পারবেন।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রোজী বলেন, ২০১৫ সাল থেকে বিদ্যালয়ে কর্মরত। ভবন না থাকায় অস্থায়ীভাবে মসজিদ প্রাঙ্গণে চলতি জানুয়ারি থেকে বিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। নদী পাড় হয়ে এই গ্রামের ছাত্র ছাত্রীদের অন্যত্র বিদ্যালয়ে যাতায়াত করতে হয় বলেই এখানে বিদ্যালয়টি গড়ে তোলা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, জেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হারুনার রশিদ আর বিদ্যালয়ের সভাপতি মোতালেব আঙ্কেলের সরকারি হওয়ার আশ্বাসে বিনা বেতনে তারা বিদ্যালয় কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। তিনিসহ বিদ্যালয়ে কর্মরত অধিকাংশ শিক্ষকের বাড়ি শহরে বলেও জানান তিনি।

বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোতালেব মিয়া বলেন, টাকা লেনদেনের বিষয়টি তিনি জানেন না।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হারুনার রশিদ মিটিং এ আছি বলে এ বিষয়ে কোন বক্তব্য না দিয়েই ফোনটি কেটে দেন। এরপর থেকে অসংখ্যবার ফোন করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কাতুলী ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড ভবানীপুর গ্রামের ইউপি সদস্য মো. জহুরুল ইসলাম বলেন, সম্প্রতি ওই গ্রামে বিদ্যালয়টি চালু হয়েছে। টাকা লেনদেনের বিষয়টি তিনি জানেন না।

কাতুলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ইকবাল হোসেন মিয়া বলেন, ভবানীপুরে একটি বিদ্যালয় হবে, এটি আমি জানি। তবে মসজিদ প্রাঙ্গণে বিদ্যালয় স্থাপন ও শিক্ষক নিয়োগে টাকা লেনদেনের বিষয়টি আমার জানা নেই।

এ বিষয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সুব্রত কুমার বণিক জানান, কাতুলী ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের ভবানীপুর শিশু কল্যাণ প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্মাণের একটি প্রস্তাবনা রয়েছে। এই বিদ্যালয়ে শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগের নামে যদি কেউ টাকা নেন বা চান তাহলে উনাকে থানায় হস্তান্তর করার অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. জানুয়ারী ২০২৪ ০২:১৪:এএম ২ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।