একতার কণ্ঠঃ বহুল প্রচারিত যুগান্তর ২৩ বছরে পা রেখেছে। বর্তমানে যুগান্তরের পূর্ণ যৌবন। এই সময়ে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের ধারাবাহিকতা যুগান্তর যুগ যুগ ধরে রাখবে। ডিজিটাল বাংলাদেশের চতুর্থ বিপ্লবে একটি দেশ এবং দেশান্তরের গণজাগরণ সৃষ্টি প্রত্যয়ে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে যুগান্তর সুখী সমৃদ্ধি সোনার বাংলাদেশ বিনির্মাণে যথার্থ ভূমিকা রাখবে।
মঙ্গলবার (৮ ফেব্রয়ারি) সকালে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু ভিআইপি অডিটরিয়ামে যুগান্তরের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বক্তারা এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনের সংসদ সদস্য খান আহমেদ শুভ। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি, পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, টাঙ্গাইল পৌর মেয়র এস.এম সিরাজুল হক আলমগীর ।
যুগান্তরের স্টাফ রিপোর্টার ও টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, টাঙ্গাইল ক্রীড়া সংস্থার সহ-সভাপতি হারুন অর রশিদ, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কাজী জাকেরুল মওলা প্রমুখ।
যুগান্তর স্বজন সমাবেশের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের দপ্তর ও পাঠাগার সম্পাদক অরণ্য ইমতিয়াজ।
একতার কণ্ঠঃ স্বৈরশাসক এরশাদের শাসন আমলে ১৯৮৭ সালে বাসভাড়া বৃদ্ধির প্রতিবাদ করতে গিয়ে পুলিশের গুলিতে নিহত হন টাঙ্গাইলের ছাত্রনেতা মির্জা আবু রায়হান খান জগলু। মঙ্গলবার(৮ ফেব্রয়ারি) সকালে টাঙ্গাইলে তাঁর ৩৫তম মৃত্যুবার্ষিকী যথাযথ মর্যাদায় পালিত হয়েছে।
শহীদের পরিবার, জেলা বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা শহরের শহীদ জগলু রোড়ে ( পুরাতন আদালত রোড়) জগলুর স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পন করেন। পরে বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনায় মোনাজাত করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ভাইস-চেয়ারম্যান ও জেলার আহবায়ক অ্যাডভোকেট আহমেদ আজম খান, ঢাকা বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বেনজির আহমেদ টিটু, জেলার সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক হাসানুজ্জামিল শাহীন, সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, যুগ্ম-আহবায়ক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল, কাজী শফিকুর রহমান লিটন, অমল ব্যানার্জী, দেওয়ান শফিকুল ইসলাম প্রমুখ।
উল্লেখ্য, ১৯৮৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি স্বৈরশাসক এরশাদের আমলে বাস ভাড়া বাড়ানোর প্রতিবাদে আন্দোলনরত জনতার ওপর পুলিশ গুলিবর্ষণ করে। এ আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক তৎকালীন ছাত্রদলনেতা মির্জা আবু রায়হান জগলু নিহত হন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুরে প্রেমিকার অন্যত্র বিয়ে হয়ে যাওয়ায় প্রিতম কুমার সিংহ আকাশ (২১) নামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) এক শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন। রোববার (০৬ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ১টার দিকে তিনি বিষপান করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু।
প্রিতম কুমার সিংহ আকাশ মধুপুর পৌরসভায় সাথী সিনেমা হল রোডের পার্শ্বের উত্তম কুমার সিংহের ছেলে। তিনি ঢাবির চারুকলা বিভাগের স্নাতক (সম্মান) শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, টাঙ্গাইলের কুমুদিনী সরকারি মহিলা কলেজের এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল প্রিতমের। সম্প্রতি মেয়েটির অন্যত্র বিয়ে হয়ে যায়। প্রেমিকাকে হারানোর বেদনা ও ক্ষোভে রোববার(৬ ফেব্রয়ারি) রাতে নিজ বাড়িতে ইঁদুর মারার বিষপান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন প্রিতম। এতে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রথমে তাকে মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করে। পরে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। পরে সোমবার (০৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে টাঙ্গাইলের রানিদিনমনি মহাশ্মশান ঘাটে তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়।
মধুপুর পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বাবলু আকন্দ বলেন, প্রেমঘটিত কারণে প্রিতম আত্মহত্যা করেছেন বলে জানতে পেরেছি।
একতার কণ্ঠঃ বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড(বিসিবি)আয়োজিত ইয়াং টাইগার্স অনূর্ধ্ব-১৬ জোনাল ক্রিকেটের সেন্টাল জোনের কিশোরগঞ্জ ভেন্যুতে টাঙ্গাইল জেলা দল তাদের প্রথম ম্যাচেই বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছে। টাঙ্গাইল জেলা দল মানিকগঞ্জ জেলা দলকে ১৩৯ রানের বিশাল ব্যবধানে পরাজিত করেছে।
সোমবার (৭ ফেব্রয়ারি) সকালে কিশোরগঞ্জ জেলা স্টেডিয়ামে টাঙ্গাইল জেলা দলের অধিনায়ক দেবাশিষ সরকার সকালে টসে জয় লাভ করে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয়। ঘন কুয়াশার কারনে নির্ধারিত ৫০ ওভারের খেলা কমিয়ে ৪২ ওভারে নির্ধারন করা হয়। টাঙ্গাইল জেলা দল নির্ধারিত ৪২ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ২০৮ রান করেন।
টাঙ্গাইল জেলা দলের পক্ষে রিফাত ১০৬ বল খেলে ৮২ রান করে রান আউটের শিকার হয়। একই দলের অধিনায়ক দেবাশিস ৯৩ বলে ৮১ রান করে অপরাজিত থাকে।
জবাবে, ২০৮ রানের টার্গেটে খেলতে নেমে টাঙ্গাইল জেলা দলের বোলিং তোপের মুখে পরে মানিকগঞ্জ জেলা অনূর্ধ্ব-১৬ ক্রিকেট দল ৩৪ ওভার ১ বল খেলে মাত্র ৬৯ রানে গুটিয়ে যায়।
টাঙ্গাইল জেলা দলের পক্ষে রাদিল ৮ ওভার বল করে ৪টি মেডেন সহ মাত্র ৭ রান দিয়ে ৩ উইকেট দখল করে। অপরদিকে একই দলের অপর বোলার মুনতাসির ৮ ওভার বল করে ২ টি মেডেন সহ ১৩ রান দিয়ে ৩টি উইকেট শিকার করে। ফলে টাঙ্গাইল জেলা দল তাদের প্রথম ম্যাচে অনায়াসে ১৩৯ রানের ব্যবধানে জয় লাভ করে।
খেলায় ম্যান অব দি ম্যাচ নির্বাচিত হয়েছেন টাঙ্গাইল জেলা দলের ব্যাটসম্যান রিফাত বেগ।
টাঙ্গাইল জেলা অনূর্ধ্ব-১৬ ক্রিকেট দলের খেলোয়ারগণ হচ্ছেঃ- দেবাশিস(অধিনায়ক) সামিউল(উইকেট রক্ষক) আবিদ, বাঁধন, রিফাত, হামজা, সাবিবুর, ইমরুল, মাহাদি, মুনতাসির, ও রাদিল।
টাঙ্গাইল জেলা দলের কোচ হিসেবে আছেন কামরুল ইসলাম ও ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য ভ্রমর চন্দ্র ঘোষ ঝোটন।সহকারি ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মানুনুর রশিদ মামুন ।
টাঙ্গাইল জেলা অনূর্ধ্ব -১৬ ক্রিকেট দলের সার্বিক দায়িত্বে আছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড( বিসিবি) নিয়োজিত টাঙ্গাইল জেলা ক্রিকেট কোচ মো. আরাফাত রহমান।
প্রসঙ্গত, টাঙ্গাইল জেলা গ্রুপ পর্বের ম্যাচে আগামী বুধবার(৯ ফেব্রয়ারি) রাজবাড়ী জেলা দল ও শনিবার(১২ ফেব্রয়ারি) শরিয়তপুর জেলা দলের বিপক্ষে কিশোরগঞ্জ ভেন্যুতে খেলবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ১ হাজার ৩ পিস ইয়াবাসহ মোঃ জলিল(৩৫) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।রবিবার( ৬ ফেব্রয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইলের কালিহাতীর রাজাবাড়ী গ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। রবিবার বিকেলে র্যাব-১২ সিপিসি-৩ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্যটি নিশ্চিত করেছে।
গ্রেপ্তারকৃত মোঃ জলিল রাজাবাড়ী গ্রামের মৃত আব্দুল জব্বারের ছেলে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১২, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইলের কোম্পানী কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন (জি), (পিপিএম), (বিএন) এর নেতৃত্বে কালিহাতী উপজেলার রাজাবাড়ী গ্রামে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়কের রেলক্রসিং এর উত্তর পাশে অভিয়ান চালিয়ে মোঃ জলিল নামের এক মাদকব্যবসায়ীকে ১ হাজার ৩ পিস ইয়াবা সহ গ্রেপ্তার করা হয়। সে রাজাবাড়ী গ্রামের মৃত আব্দুল জব্বারের ছেলে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব আরো জানায়, জব্দকৃত ইয়াবার বাজার মূল্য প্রায় ৩ লাখ ৯ শত টাকা। গ্রেপ্তারকৃত জলিলের বিরুদ্ধের কালিহাতি থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সন্তোষে অবস্থিত মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বরস্বতী পূজা উদযাপন নিয়ে ক্ষোভ জানিয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার(৩ ফেব্রয়ারি) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স এন্ড রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের শিক্ষার্থী মানিক শীল ফেসবুক গ্রুপ ‘এমবিএসটিউ ফ্যামিলি’-তে তার ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
রবিবার( ৬ ফেব্রয়ারি) পর্যন্ত প্রায় শতাধিক সনাতন ধর্ম্বালম্বী অন্যান্য শিক্ষার্থী তাতে কমেন্টের মাধ্যমে তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
মানিক শীল তার পোস্টে জানান, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দুই দশক পরেও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উপাসনালয় বা মন্দির নেই। কেন্দ্রীয় মন্দির না থাকার কারণে প্রতিবছরই কোন একটি জায়গা বাছাই করে পুজা করা হয়। খুব কষ্ট লেগেছে আজ এত কষ্ট করেও যখন বৃষ্টি এসে সব আয়োজন ধূলিসাৎ করে দিয়ে গেছে, বিপাকে পড়তে হয়েছে আয়োজকদের। অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মত আমাদের একটি মন্দির থাকলে এই অবস্থার সম্মুখীন হওয়া লাগতো না।গত কয়েক বছর মন্দির প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে সনাতনী শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা সাবেক ভিসি স্যারের কাছে গেলেও কেন জানি কোন কারণে অজুহাত দিয়ে তা বন্ধ করে রেখেছে। ধর্ম চর্চার জন্য, পুজার জন্য মাভাবিপ্রবিতে একটি মন্দির অত্যাবশ্যকীয় হয়ে দাড়িয়েছে এবং আমরা একটি মন্দির চাই।’
এ বিষয়ে মানিক শীল বলেন, প্রায় সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব কেন্দ্রীয় মন্দির থাকে। আমরা বারবার বিশ^বিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে মন্দির প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়েছি। আমি সনাতন ধর্মাবলম্বী সকল শিক্ষার্থীর পক্ষ থেকে বিশ^বিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অনতিবিলম্বে কেন্দ্রীয় মন্দির প্রতিষ্ঠার জোর দাবি জানাই।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ ফরহাদ হোসেন বলেন, আমি বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন দায়িত্ব পেয়েছি, অনেক কিছুই আমার অজানা। সকলের সাথে আলোচনা স্বাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি জানান।
একতার কণ্ঠঃ কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক এমপি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের মানুষের প্রয়োজনীয় খাদ্য নিশ্চিত করেছেন। দেশে এখন আর কেউ না খেয়ে থাকে না।
এখন প্রধানমন্ত্রী মানুষের বাসস্থান ও চিকিৎসা সেবা নিশ্চিতে কাজ করছেন। ঘরহীনকে ঘর দিচ্ছেন, যাতে করে কেউ ঘরহীন, গৃহহীন না থাকে। এ দেশে কেউ ঘরহীন থাকবে না।
শনিবার (৫ জানুয়ারি) টাঙ্গাইলের মধুপুরে শোলাকুড়িতে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর বিতরণ ও শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা বলেন। মধুপুর উপজলা প্রশাসন ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
মধুপুরের আদিবাসী গারোদের উদ্দেশে মন্ত্রী আরও বলেন, বাঙালি, গারো, হাজং, চাকমা, মারমাসহ অবাঙালি ও সকল ধর্মের বর্ণের সবাই মিলে আমরা একটা পরিবার। বর্তমান সরকার আদিবাসী ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর উন্নয়নে ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। কিন্তু কিছু এনজিও আদিবাসীদের উন্নয়নের নামে বিদেশি সাহায্য এনে নিজেদের ব্যক্তিগত উন্নয়নে ও বাড়ি-গাড়ি কেনায় তা ব্যয় করছে। এ ব্যাপারে আদিবাসীদের সচেতন থাকার আহ্বান জানান মন্ত্রী।
তিনি আরও বলেন, গারোদের ওপর বন বিভাগের অযৌক্তিক মামলা প্রত্যাহারে সরকার উদ্যোগ নিয়েছে। কোনো গারোকে তার বসতবাড়ি থেকে উচ্ছেদ করা হবে না এবং কেউ বন বিভাগের অযৌক্তিক মামলার মাধ্যমে হয়রানির শিকার হবেন না।
অনুষ্ঠানে উপজেলা চেয়ারম্যান ছরোয়ার আলম খান আবু, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামীমা ইয়াসমিন, পৌরসভার মেয়র মো. সিদ্দিক হোসেন খান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি ইয়াকুব আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শরীফ আহম্মেদ নাসির, শোলাকুড়ি ইউপির চেয়ারম্যান আখতার হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে বালুমহাল দখল নিয়ে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশ বাদি হয়ে মামলা দায়ের করেছে । শনিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ভূঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল ওহাব বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ওসি জানান, গত ৩ জানুয়ারি ভূঞাপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাইফুল ইসলাম বাদি হয়ে ৫৯ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো ৮শ জনের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন। এদিকে মামলা দায়েরের পর থেকেই এলাকায় গ্রেপ্তার আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। এ কারণে অনেক পুরুষ এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে রয়েছে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার ভূঞাপুর উপজেলার নিকরাইল ইউনিয়নের বাগানবাড়ি এলাকায় বালু মহাল দখল করতে যায় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মুহাম্মদ আব্দুল মতিন সরকার ও তার লোকজন। খবর পেয়ে বাধা দেয় বর্তমান নিকরাইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও বহিস্কৃত ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাসুদুল হক মাসুদের সমর্থকরা। এসময় পুলিশের উপস্থিতিতেই দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। এতে প্রতিপক্ষকে প্রতিহত করতে ৪ রাউন্ড গুলিও করা হয়। সংঘর্ষে উভয়পক্ষের ১০ জন আহত হন।
ভূঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল ওহাব জানান, সংঘর্ষের সময় গুলি করার কোন ঘটনা ঘটেছে কিনা সেটা তদন্ত হচ্ছে। সংঘর্ষের সময়ের ভিডিও দেখে আসামি শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই ঘটনায় বালু ঘাট ও আশপাশের এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল পৌরসভার ১৮টি ওয়ার্ডের ভোটারদের শতভাগ করোনার টিকার আওতায় আনা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এস.এম সিরাজুল হক আলমগীর সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছেন।
পৌরসভার মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে মেয়র জানান, পৌরসভার ১৮ টি ওয়ার্ডে ১ লাখ ২৪ হাজার ১৭০ জন ভোটার রয়েছে। সেখানে ১ লাখ ৬৪ হাজার ৩০০ মানুষকে করোনার টিকা প্রদান হয়েছে। টাঙ্গাইল পৌরসভার আওতায় ৪৪ হাজার ৩০০ জনকে টিকা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১৬ হাজার ৫০০ জনকে সিনোফার্মের প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ, ২৭ হাজার ৮০০ জনকে অ্যাস্ট্রাজেনেকার ১ম ডোজ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া শেখ হাসিনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কার্যালের মাধ্যমে ১ লাখ ২০ হাজার মানুষকে টিকা দেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে টাঙ্গাইল পৌরসভার শতভাগ ভোটারকে টিকার আওতায় আনা হয়েছে।
তিনি আরো জানান, অন্যদিকে ১২ থেকে ১৮ বছরের শিক্ষার্থীদেরও করোনার টিকা দেওয়া হচ্ছে।
পৌর এলাকায় শতভাগ টিকা কার্যক্রমের বিষয়টি সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খানও নিশ্চিত করেছেন।
মেয়র আরো জানান, করোনা প্রতিরোধে ১৮ টি ওয়ার্ডে জনসচেতনামূলক মাইকিং, লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়াও পৌর এলাকায় দুই লাখ মাস্ক, দুই হাজার অ্যান্টিসেপটিক সাবান, এক হাজার হ্যান্ড ওয়াশ, ১৫ হাজার হ্যান্ডস্যানিটাইজার ও শহরের গুরত্বপূর্ণ স্থানে হাসধোয়ার জন্য বেসিন স্থাপন করা হয়েছে। অপর দিকে প্রতিটি ওয়ার্ডে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে জীবাণুনাশক ওষুধ ছিটানো হচ্ছে। করোনায় কর্মহীন গরীব, দুস্থ, অসহায়, কর্মহীন প্রায় দুই লাখ মানুষের মাঝে খাবার প্যাকেট বিতরণ করা হয়েছে। চলতি শীত মৌসুমে পৌর এলাকায় ১৮ হাজার কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক কাজী জাকেরুল মওলা, প্যানেল মেয়র তানভীর ফেরদৌস নোমান, পৌরসভার সচিব শাহনেওয়াজ পারভীন, নির্বাহী প্রকৌশলী শিব্বির আহমেদ আজমী প্রমুখ।
একতার কণ্ঠঃ ‘উদ্দীপ্ত ৯’ স্লোগান নিয়ে সাম্প্রতিক দেশকাল পত্রিকার নবম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধায় টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে কেক কাটা, সংক্ষিপ্ত আলোচনা, আনন্দ-আড্ডায় ঘরোয়া পরিসরে উদযাপিত হয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী।
টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদের সভাপতিত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কাজী জাকেরুল মওলা, নিউ এইজ পত্রিকার টাঙ্গাইল প্রতিনিধি হাবিব খান, এটিএন বাংলা ও বাংলাদেশ প্রতিদিনের টাঙ্গাইল প্রতিনিধি নাসির উদ্দিন, সিনিয়র সাংবাদিক মাসুম ফেরদৌস প্রমুখ।
এছাড়াও ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের প্রতিনিধি মামুনুর রহমান, জাগো নিউজের প্রতিনিধি আরিফ উর রহমান টগর, বাংলাদেশ পোস্ট প্রতিনিধি তানজিনুল হক খান রুমন,আজকের নতুন খবর এর স্টাফ রিপোর্টার আফজাল হোসেন, সাপ্তাহিক কালের স্বর পত্রিকার শামছুজ্জামান জামান, সাংবাদিক আশিকুর রহমান পলাশ, সংবাদ প্রতিদিনের প্রতিনিধি তোফায়েল আহমেদ রনি, বাংলা ট্রিবিউনের প্রতিনিধি এনায়েত করিম বিজয়, ঢাকা ট্রিবিউনের প্রতিনিধি আব্দুল্লাহ আল নোমান,রাইজিং বিডির প্রতিনিধি আবু কাওসার আহমেদ কলকাতা টিভির প্রতিনিধি মনিরুজ্জামান মনির, সাংবাদিক আসিফ খানসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাম্প্রতিক দেশকালের টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি নওশাদ রানা সানভী।
একতার কণ্ঠঃ বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক উপদেষ্টা সদস্য, সংবিধান প্রণেতা কমিটির সদস্য, টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও সম্পাদক, মির্জা তোফাজ্জল হোসেন মুকুলকে ভাষা আন্দোলনে বিশেষ অবদান রাখায় এ বছর (২০২২) মরণোত্তর একুশে পদকের জন্য মনোনিত করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের উপ-সচিব বাবুল মিয়া স্বাক্ষরিত অনুষ্ঠান শাখার সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ওই তথ্য জানানো হয়।
জানা যায়, মির্জা তোফাজ্জল হোসেন মুকুল ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একজন প্রাক্তন রাজনীতিবিদ ও টাঙ্গাইল-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য। তিনি ৬ দফা আন্দোলন, ভাষা আন্দোলন ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণসহ তৎকালীন সকল রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। বিগত ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে তিনি পূর্ব পাকিস্তানের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি প্রবাসী মুজিবনগর সরকারের সংগঠক ছিলেন। তিনি ১৯৭২ সালে সংবিধান প্রণেতা কমিটির সদস্য ছিলেন। ১৯৭৩ সালে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসাবে টাঙ্গাইল-৫ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। মির্জা তোফাজ্জল হোসেন মুকুল জাতীয় সংসদ সদস্য হিসেবে ১৯৭৩ সাল থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও টাঙ্গাইল জেলা আইনজীবী সমিতির টাঙ্গাইল জেলা শাখার সাবেক সভাপতি ছিলেন। মির্জা তোফাজ্জল হোসেন মুকুল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ছিলেন।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মির্জা তোফাজ্জল হোসেন মুকুল (৮৭) বছর বয়সে ২০১৬ সালের (৫ এপ্রিল) সোমবার রাত পৌনে ১০টায় ঢাকা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ইন্তেকাল করেন। তার পরিবারে ৩ ছেলে, ২ মেয়ে রয়েছে। মৃত্যুর পর তার প্রথম জানাজা জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় এবং পরে তার দ্বিতীয় জানাজা নিজ গ্রাম টাঙ্গাইলের দিঘুলিয়াতে অনুষ্ঠিত হয়। প্রবীণ এই রাজনীতিকের কোমরের হাড় ভেঙ্গে যাওয়ায় মৃত্যুর দুই মাস আগে বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসার জন্য ভর্তি হন। এ সময় তিনি হৃদরোগ ও শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন।
বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর মির্জা তোফাজ্জল হোসেন মুকুল দীর্ঘ ৪০ বছর টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পরে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। তৎকালীন পাকিস্তানে ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে তিনি পূর্ব পাকিস্তানের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। আইনজীবী হিসেবে টাঙ্গাইল বারের সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছেন। ফরিদপুর-১ আসনের দুই বারের সাবেক এমপি ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বর্তমান কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান তার বড় জামাতা।
এ ছাড়া এ বছর আরো পুরস্কার পেয়েছেন ভাষা আন্দোলনে মোস্তফা এম এ মতিন (মরণোত্তর), মহান মুক্তিযুদ্ধে অবদান রাখার জন্য চারজন—বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্জ অধ্যক্ষ মো. মতিউর রহমান, সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলী (মরনোত্তর), কিউ.এ. বি. এম রহমান, আমজাদ আলী খন্দকার, শিল্পকলা’য় জিনাত বরকতউল্লাহ (নৃত্য), নজরুল ইসলাম বাবু (মরণোত্তর) (সংগীত), ইকবাল আহমেদ (সংগীত), মাহমুদুর রহমান বেণু (সংগীত), খালেদ মাহমুদ খান (খালেদ খান) (মরণোত্তর) (অভিনয়), আফজাল হোসেন (অভিনয়), মাসুম আজিজ (অভিনয়)। সাংবাদিকতায় এম এ মালেক, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে মো. আনোয়ার হোসেন, শিক্ষায় অধ্যাপক ড. গৌতম বুদ্ধ দাশগুপ্ত, সমাজ সেবায় এস. এম আব্রাহাম লিংকন ও সংঘরাজ জ্ঞানশ্রী মহাথের, ভাষা ও সাহিত্যে কবি কামাল চৌধুরী ও ঝর্ণা পুরকায়স্থ, গবেষণায় ড. মো. আব্দুস সাত্তার মণ্ডল, ড. মো. এনামুল হক (দলগত, দলনেতা), ড. সাহাজ সুলতানা (দলগত), ড. জান্নাতুল ফেরদৌস (দলগত)।
নীতিমালা অনুযায়ী, নির্বাচিত প্রত্যেককে এককালীন নগদ চার লাখ টাকাসহ ৩৫ গ্রাম ওজনের একটি স্বর্ণপদক, রেপ্লিকা ও একটি সম্মাননাপত্র দেয়া হয়। ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে চালু করা একুশে পদক সরকার প্রতিবছর বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে দিয়ে থাকে।
বাংলাদেশের বিশিষ্ট সাহিত্যিক, শিল্পী, শিক্ষাবিদ, ভাষাসৈনিক, ভাষাবিদ, গবেষক, সাংবাদিক, অর্থনীতিবিদ, দারিদ্র্যবিমোচনে অবদানকারী, সামাজিক ব্যক্তিত্ব ও প্রতিষ্ঠানকে জাতীয় পর্যায়ে অনন্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ১৯৭৬ সাল থেকে একুশে পদক দেওয়া হচ্ছে।
একতার কণ্ঠঃ বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড(বিসিবি) আয়োজিত শেখ কামাল অনুর্ধ্ব-১৮ জোনাল ক্রিকেটের সেন্টাল জোনে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে টাঙ্গাইল জেলা দল।
বৃহস্পতিবার(৩ ফেব্রয়ারি) টাঙ্গাইল জেলা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনাল খেলায় ঢাকা জেলা দলকে ৫০ রানে হারিয়ে পর পর দুই বার চ্যাম্পিয়ন হবার গৌরব অর্জন করে টাঙ্গাইল জেলা অনুর্ধ্ব-১৮ ক্রিকেট দল।
ইতিপূর্বে এ বছরের ৯ জানুয়ারি টাঙ্গাইল জেলা অনুর্ধ্ব-১৪ ক্রিকেট দল ময়মনসিংহ জেলা দলকে ২৮ রানে হারিয়ে হ্যাট্রিক চ্যাম্পিয়ন হবার গৌরর অর্জন করে।
বৃহস্পতিবার(৩ ফেব্রয়ারি) সকালে টাঙ্গাইল জেলা স্টেডিয়ামে টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় প্রথমে টসে জিতে টাঙ্গাইল জেলা দল ব্যাটিং করে ৪৯ ওভার ৪ বল খেলে সব কটি উইকেট হারিয়ে ২০৩ রান করে। টাঙ্গাইল জেলা দলের পক্ষে অল-রাউন্ডার রিফাত-আল-জাবির সর্বোচ্চ ৫৪ রান করেন। এছাড়া অলরাউন্ডার ফেরদৌস হাসান লিমন ৩৫, মাইন হোসেন সরকার ২৭ ও রিজান হোসেন ২১ রান করে। ঢাকা জেলা ক্রিকেট দলের পক্ষে বোলার তুষার ও সোহাগ যথাক্রমে ৩৪ ও ৪১ রান দিয়ে ২টি করে উইকেট দখল করে।
জবাবে ২০৪ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ঢাকা জেলা ৪১ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১১৩ রান করার পর বৃষ্টি শুরু হলে খেলা বন্ধ হয়ে যায়। পরে বৃষ্টি আইনে টাঙ্গাইল জেলা দলকে ৫০ রানে বিজয়ী ঘোষনা করা হয়। ঢাকা জেলা দলের পক্ষে ব্যাটসম্যান লৌকিক সর্বোচ্চ ৩৩ ও আদিল বক্স ২৭ রান করে। টাঙ্গাইল জেলা দলের পক্ষে অলরাউন্ডার রিজান হোসেন ২২ রানে ২টি উইকেট দখল করে।
টাঙ্গাইল জেলা দলের ফেরদৌস হাসান লিমন ম্যান অব দ্যা ফাইনাল নির্বাচিত হয়।
টাঙ্গাইল জেলা অনুর্ধ্ব-১৮ ক্রিকেট দলের খেলোয়ারগণ হলেনঃ- ইমতিয়াজ আহমেদ(অধিনায়ক) গাজী আল-দিন-হাসান মুগ্ধ(উইকেট রক্ষক) রিজান হোসেন(সহ-অধিনায়ক) ফেরদৌস হাসান লিমন, মাইন হোসেন সরকার, রিফাত আল জাবির, আলি ওমর আবির, রওনক হরিজন, জিহাদ আদনান সানি,কাউয়ূম খান, তারেক মিঞা এ ছাড়া দ্বাদশ খেলোয়ার হিসেবে ছিলেন রাসেল মিঞা।
চ্যাম্পিয়ন টাঙ্গাইল জেলা দলের কোচ হিসেবে ছিলেন রাসেল খান ও ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ভ্রমর চন্দ ঘোষ ঝোটন। খেলায় আম্পায়ার ছিলেন রবিন সরকার ও আসিফুর রহমান এবং স্কোরার হিসেবে দায়িত্ব পালন করে অরিন্দম পাল লিটন।
খেলা শেষে বিজয়ী ও বিজিত দলের হাতে ট্রফি তুলে দেন টাঙ্গাইল-৫(সদর) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ ছানোয়ার হোসেন,এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) মোঃ আমিনুল ইসলাম, ঢাকা জেলা ক্রীড়া সংস্থার অতিরিক্ত সাধারণ সম্পাদক জাকির আহমেদ, টাঙ্গাইল জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহ-সভাপতি এ হাসান ফিরোজ। জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মির্জা মঈনুল হোসেন লিন্টুর সভাপতিত্বে পুরষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন টাঙ্গাইল জেলা ক্রিকেট কোচ আরাফাত রহমান।
উল্লেখ্য, শেখ কামাল অনুর্ধ্ব-১৮ জোনাল ক্রিকেট টুর্নামেন্টে ঢাকা বিভাগের ১৭টি জেলা ৪টি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে অংশগ্রহন করে। চারটি গ্রুপ থেকে টাঙ্গাইল, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও ফরিদপুর জেলা গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে সেমিফাইনালে অংশগ্রহন করে। সেমিফাইনালে টাঙ্গাইল জেলা ফরিদপুর জেলাকে ১০ উইকেটে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছিলো।