একতার কণ্ঠঃ কৃষিমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক এমপি বলেছেন, আগামী দুই বছর পর নির্বাচন। এ নির্বাচনকে সামনে রেখে সরকার বিরোধী দল নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। তারা নানা ধরনের মিথ্যাচার করছে।এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবেলা করার জন্য আমাদেরকে রাজনৈতিকভাবে প্রস্তুত হতে হবে।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, করোনা মহামারির কারনে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম কিছুটা বেড়েছে। কিন্তু এ নিয়ে দেশে এমন কোন কিছু তৈরি হয়নি যে এটা নিয়ে দেশে হাহাকার, দেশে একটি হৈ-চৈ সৃষ্টি হয়েছে এমন কিছু নয়। বিএনপির পায়ের নিচে মাটি নেই। তারা যদি মনে করে দ্রব্যমূল্যের সামান্য কিছু উর্ধ্বগতির জন্য দেশের একটা অরাজকতা সৃষ্টি করবে, রাজনৈতিকভাবে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করবে। তাহলে তারা সেই পরিস্থিতি তৈরি করতে পারবে না। এই সরকার অত্যন্ত সচেতন। জননেত্রী শেখ হাসিনা মানুষের দুঃখ-কষ্টে সব সময় মানুষের পাশে ছিল। সরকার টিসিবির মাধ্যমে দেশের এক কোটি মানুষকে স্বল্পমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য দিচ্ছে। এই ধারা অব্যাহত থাকবে।
তিনি আরো বলেন, দেশে কোন হাহাকার হবে না, তারা কোন অরাজকতা সৃষ্টি করতে পারবে না।প্রয়োজনে আরো খাদ্য ও অনান্য সাহায্য নিয়ে আমরা সাধারন মানুষের পাশে দাড়াঁবো।
মন্ত্রী বলেন, এই নির্বাচন কমিশন একটি নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠ নির্বাচন করবে। আওয়ামী লীগের দায়িত্ব নির্বাচনকে সহযোগিতা করা। যারা দেশ নিয়ে ষড়যন্ত্র করতে চায়, দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃস্টি করতে চায় তাদের আমরা রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলা করবো।
তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, আমাদের প্রিন্ট ও ইলেক্টনিক মিডিয়া তারা যেভাবে কাজ করছে তাদের এই স্বাধীনতা অব্যাহত থাকবে। তারা স্বাধীনভাবে তাদের মতামত দিতে পারবে। সুশীল সমাজ তাদের স্বাধীনভাবে মতামত দিতে পারবে।রোববার(২০ মার্চ) দুপুরে টাঙ্গাইল শহরের শহীদ স্মৃতি পৌরউদ্যানে বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগ টাঙ্গাইল জেলা শাখার ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে সাবেক সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি ও সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক মিসেস মনোয়ারা বেগমের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন একুশে পদক প্রাপ্ত টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান খান ফারুক।
অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন, বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদা বেগম। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম, ছানোয়ার হোসেন, তানভীর হাসান ছোট মনির এমপি সহ জেলার অনান্য নেতাকর্মীরা।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল শহীদ সালাহউদ্দিন সেনানিবাসের গলফ ক্লাবে তিনদিন ব্যাপী হ্যাবিট বৈশাখী কাপ গলফ টুর্নামেন্ট শুরু হয়েছে। টুর্নামেন্টটিতে শতাধিক গলফার অংশ নিয়েছেন।
আরো পড়ুনঃ সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার দায়িত্ব আগামী প্রজন্মের:কৃষিমন্ত্রী
শনিবার (১৯ মার্চ) সকালে গলফ টুর্নামেন্টটির উদ্বোধন করেন ১৯ পদাতিক ডিভিশনের ভারপ্রাপ্ত জিওসি ও ঘাটাইল এরিয়া কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নূর-এ-আলম মোহাম্মদ যোবায়ের সারোয়ার। এ টুর্নামেন্টে শতাধিক গলফার অংশগ্রহণ করেছেন।
এ সময় টুর্নামেন্টের আয়োজক প্রতিষ্ঠান হ্যাবিটের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তাসহ সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ঘাটাইল শহীদ সালাহউদ্দিন সেনানিবাসের গলফার ছাড়াও ঢাকা, সাভার, ময়মনসিংহ বঙ্গবন্ধু সেনানিবাসসহ দেশের অন্যান্য গলফ ক্লাবের গলফাররা এ টুর্নামেন্টে অংশ নেন।
গলফ টুর্নামেন্ট প্রতিযোগিতায় প্রথম দিনে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন লে.কর্নেল ইমতিয়াজ মাহমুদ। এ সময় গ্রস ট্রফি অর্জন করেছেন কর্নেল মো. জাহাঙ্গীর আলম। ১৯ পদাতিক ডিভিশনের ভারপ্রাপ্ত জিওসি ও ঘাটাইল এরিয়া কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নূর-এ-আলম মোহাম্মদ যোবায়ের সারোয়ার পুরস্কার বিতরণ করেন।
একতার কণ্ঠঃ মুক্তির উৎসব ও সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে টাঙ্গাইলের সখীপুরে উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক বাঙালীর শ্রেষ্ঠ সন্তান ৬ জন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে।
শনিবার (১৯ মার্চ) দুপুরে উপজেলা পরিষদ মাঠে আয়োজিত এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা আলমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সাংসদ, টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম (ভিপি জোয়াহের)।
এ সময় সংবর্ধীয় ৬ বীর মুক্তিযোদ্ধা পৌর মেয়র আবু হানিফ আজাদ, মোঃ ওসমান গণি মিঞা, আঃ মালেক, আব্দুল্লাহ মিয়া, মোঃ জসিম উদ্দিন, মোশারফ হোসেন খান কে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জুলফিকার হায়দার কামাল লেবু, প্রফেসর আলীম মাহমুদ, অধ্যক্ষ সাঈদ আজাদ, অধ্যাপক কেবিএম খলিলুর রহমান, প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যাপক ইকবাল গফুর, সাবেক সভাপতি শাকিল আনোয়ারসহ মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ, বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির উপজেলা ও পৌর শাখার নবগঠিত আহবায়ক কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৯ মার্চ) সকালে পৌরসভার উত্তর পাড়াস্থ সেচ্ছাসেবক দলের নেতা মো: জাহিদের দ্বিতল বাসভবনের ছাদে ওই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
নবগঠিত কমিটির আহবায়ক সিরাজুল হক সানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পরিচিতি সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, বিএনপির কেন্দ্রিয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য এ্যাড. ওবায়দুল হক নাসির।
অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি শামছুল আলম, উপজেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ওদুদ খান বাদল, নবগঠিত পৌর বিএনপির আহবায়ক আব্দুল বাছেদ করিম, যুগ্ম আহবায়ক আব্দুল লতিফ, সদস্য সচিব ও সাবেক কাউন্সিলর আনোয়ার হোসেন হেলাল, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মো. বেলাল হোসেন, শ্রমিক দলের আহবায়ক সুফি সিদ্দিকী, যুবদলের সদস্য সচিব মাহবুব হাসান সৌরভ, সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মো: শাহীনুর রহমান শাহীন প্রমুখ।
অনুষ্ঠান শুরুতে আহবায়ক কমিটির সদস্যরা প্রধান অতিথিকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।
পৌর শাখার আহবায়ক কমিটির সদস্য সচিব মো: আনোয়ার হোসেন হেলালের উপস্থাপনায় পরিচিত সভা অনুষ্ঠিত হয়।
পরে উপজেলা বিএনপির ১৪টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ড কমিটি বিলুপ্ত ঘোষনা করা হয়।
অনুষ্ঠানের আগে বিএনপির অন্য গ্রুপের বেশ কয়েকজন কর্মী অনুষ্ঠানে আগত বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এ্যাড. ওবায়দুল হক নাসিরের কর্মীদের উপর হামলা চালায়।এতে দুজন আহত হয়।পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
একতার কণ্ঠঃ কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক এমপি বলেছেন, ১৯৪৮ সালের ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ১৯৭১ সালের নয় মাসব্যাপী মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত-আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রাম একটি মহাকাব্য। আর এ মহাকাব্যের রূপকার ও মহানায়ক হলেন বঙ্গবন্ধু। বঙ্গবন্ধু এ দেশের মানুষের কল্যাণে ও মানবতার জন্য আজীবন কাজ করেছেন, নিজের জীবনকে উৎসর্গ করেছেন। আমরা মুক্তিযোদ্ধারা বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করে, মানবতাকে ভালবেসে বঙ্গবন্ধুর ডাকে মুক্তিযুদ্ধে গিয়েছিলাম। শনিবার(১৯ মার্চ) দুপুরে টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে উপজেলা পরিষদের উন্মুক্ত মঞ্চে ধনবাড়ী উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে বীরমুক্তিযোদ্ধা সমাবেশ, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
সমবেত ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দেশে কৃষিমন্ত্রী বলেন, তোমরা বড় হয়ে বঙ্গবন্ধুর জীবনী পড়বে, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ নিজেদের জীবনে ধারণ করবে এবং বাস্তবে রূপ দিবে। বঙ্গবন্ধু স্বপ্ন দেখেছিলেন ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত সমৃদ্ধ বাংলাদেশের। ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে না পারলে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণ হবে না। বঙ্গবন্ধুর এ স্বপ্ন বাস্তবায়নে তোমরা এগিয়ে আসবে। উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ, শান্তির বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার দায়িত্ব তোমাদের মতো আগামী প্রজন্মের।
বীরমুক্তিযোদ্ধা ড. আব্দুর রাজ্জাক আরো বলেন, বীরমুক্তিযোদ্ধারা এ দেশের এবং সকলের জন্য গর্বের ও অহংকারের। তাঁরা জীবনবাজি রেখে মুক্তিযুদ্ধে গিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আমরা এ দেশটি স্বাধীন করেছিলাম, তাতে মুক্তিযোদ্ধাদের বিরাট ভূমিকা রয়েছে। কাজেই, যতদিন পদ্মা, মেঘনা-যমুনা বহমান থাকবে,যতদিন চন্দ্র-সূর্য থাকবে, ততদিন মুক্তিযোদ্ধাদের নাম ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে অম্লান হয়ে থাকবে।
টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক আতাউল গণি, পুলিশ সুপার সরকার মো. কায়সার, ধনবাড়ী উপজেলা চেয়ারম্যান হারুনার রশিদ হীরা, উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসলাম হোসাইন, পৌরসভার মেয়র মনিরুজ্জামান বকল, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মীর ফারুক আহমাদ, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো. শামছুল হুদা, খন্দকার জেব-উন নাহার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে কৃষিমন্ত্রী ধনবাড়ীতে উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে এক লক্ষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও নিজেদের যুগপূর্তি উপলক্ষে টাঙ্গাইলের সবুজ পৃথিবী সংগঠনটি এ কর্মসূচির আয়োজন করে।
পরে বিকালে মন্ত্রী ধনবাড়ী সরকারি কলেজ মাঠে ‘তরুণের হাট’ এর ১৯ বছর পূর্তি উপলক্ষে তারুণ্যের উৎসবে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান করেন।
একতার কণ্ঠঃ মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী, স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর ১০২ তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়। বৃহস্পতিবার (১৭ মার্চ) সূর্যোদয়ের সাথে সাথে প্রশাসনিক ভবনের সামনে জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ ফরহাদ হোসেন।
এসময় প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ আর এম সোলাইমান, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ সিরাজুল ইসলাম ও রেজিস্ট্রার ড. মোহা. তৌহিদুল ইসলাম সাথে ছিলেন।
এরপর একটি র্যালী ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ ফরহাদ হোসেনের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে। পরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল, শেখ রাসেল হল, কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার, শিক্ষার্থী কল্যাণ ও পরামর্শদান কেন্দ্র,শিক্ষক সমিতি, অফিসার্স এ্যাসোসিয়েশন নেতৃবৃন্দ, ৩য় শ্রেণী কর্মচারী সমিতি ও ৪র্থ শ্রেণী কর্মচারী সমিতি,বঙ্গবন্ধু পরিষদ,বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক পরিষদ, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ ও মাভাবিপ্রবি ফটোগ্রাফিক সোসাইটির পক্ষ থেকেও পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।
পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সকাল ৭ টা ৩০ মিনিটে আলোকচিত্র প্রদর্শন ও সকাল ৮ টায় কেক কাটা হয়। বাদ যোহর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে দোয়া ও মিলাদের আয়োজন করা হয়।

সকল কর্মসূচিতে বিভিন্ন অনুষদের ডিন, চেয়ারম্যান, হল প্রভোস্ট, প্রক্টর, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।
একতার কণ্ঠঃ বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন উপলক্ষে টাঙ্গাইলের সখীপুরে ‘বঙ্গবন্ধু বাসাইল-সখীপুর হাফ ম্যারাথন’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৭ মার্চ) সকালে সখীপুর উপজেলার কোকিলাপাবর এলাকায় শহীদ মিনার চত্বর থেকে শুরু হয়ে আমতৈল ঘুরে একই জায়গায় গিয়ে এ ম্যারাথন শেষ হয়। এতে দেশের ৫ শতাধিক রানার অংশগ্রহণ করেন। কাকডাকা ভোরে পাহাড়ি জনপথের পিচঢালা রাস্তায় নারী-পুরুষ রানারদের ম্যারাথন দেখতে সড়কের দু’পাশে মানুষের ঢল নামে।
বাসাইল-সখীপুর রানার্সের উদ্যোগে এ ম্যারাথনের আয়োজন করা হয়। এতে পৃষ্টপোষকতায় ছিলেন ডেসকো বোর্ডের পরিচালক ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আতাউল মাহমুদ। সকাল সাড়ে ৬টায় তিনি ম্যারাথনটির উদ্বোধন করেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারজানা আলমের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন করটিয়া সা’দত কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর আলীম মাহমুদ, বোয়ালী ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ সাইদ আজাদ, ইঞ্জিনিয়ার আতাউল মাহমুদের সহধর্মিনী রুনা লায়লা রুমা প্রমুখ। পরে সেখানে আলোচনা সভা শেষে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
দীর্ঘদিন করোনার কারণে ঘরবন্দি থাকার পর ম্যারাথনে অংশগ্রহণ করতে পেরে খুশি রানাররা। প্রতিবছরই এ ম্যারাথন আয়োজনের দাবি তাদের।

সিলেট থেকে আসা নারী রার্নার নাছরিন বেগম বলেন, ‘আমি দেশের বিভিন্ন জায়গায় ম্যারাথন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে থাকি। এছাড়াও দেশের বাইরেও ম্যারাথনে অংশ গ্রহণ করেছি। এসব প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করে আমি একাধিকবার পুরস্কার পেয়েছি। সখীপুরের ম্যারাথনে অংশগ্রহণ করতে পেরে আমি আনন্দিত।’
ঢাকা থেকে আসা মাফিয়া ইসলাম উর্মি বলেন, ‘সখীপুরে গজারী বনের ভিতর দিয়ে এমন ম্যারাথনের আয়োজন মনোমুগ্ধকর। গতবছরও এখানে ম্যারাথনে অংশগ্রহণ করেছিলাম। ছোট বেলা থেকেই বাবা-মায়ের সঙ্গে দেশের বিভিন্ন জায়গায় ম্যারাথনে অংশ গ্রহণ করে আসছি। প্রথম হয়ে পুরষ্কারও পেয়েছি একাধিকবার। সখীপুরের পরিবেশটা অনেক সুন্দর। তাই প্রতিবছর এখানে ম্যারাথন আয়োজন করার দাবি জানাচ্ছি।
ম্যারাথনের পৃষ্টপোষক ইঞ্জিনিয়ার আতাউল মাহমুদ বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের জন্মদিনটিকে উৎসবমূখর করার জন্য এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। এ দিন ১০ কিলোমিটার ম্যারাথন অনুষ্ঠিত হয়। এর আগেও ম্যারাথনের আয়োজন করা হয়েছিল। মূলত মাদক ও সন্ত্রাস মুক্ত, দুর্নীতি, দুর্বৃত্তায়ন মুক্ত এবং বাল্যবিয়ে মুক্ত করার লক্ষে এমন আয়োজন। সকলের সহযোগিতা পেলে এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে ব্যতিক্রমী শিশুমেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৭ মার্চ) সকালে শহরের হাতেখড়ি প্রি-প্রাইমারী স্কুল কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
জানা যায়, শহরের হাতেখড়ি প্রি-প্রাইমারী স্কুল প্রাঙ্গণে আয়োজিত মেলায় শিশুরাই ক্রেতা ও বিক্রেতার ভূমিকায় ছিল। এই মেলায় একাধিক স্টলে শিশুরা বিভিন্ন খাবার ও খেলনা সামগ্রী নিয়ে বসে। তবে এই খাবার সামগ্রীগুলো বিনামূল্যে অন্যান্য শিশুরা সংগ্রহ করে। মেলা উপলক্ষে শিশুরা মেতে ওঠে আনন্দে-উল্লাসে। দীর্ঘদিন পর বিদ্যালয় খোলার শুরুতেই এমন আয়োজন দেখে শিশু-শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি মুগ্ধ অভিভাবকগণ।
এদিকে, মেলায় জিলাপি, আকরি, চিনি সাঁজ, কদমা, চিতই পিঠা, তেলের পিঠা, কুলি পিঠা, খাজা, পোড়াবাড়ির চমচম, মাটির খেলনা, হাড়ি-পাতিলসহ নানান কিছুর পসরা সাজিয়ে আনন্দে দোকান করে তারা। মেলায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজনও করা হয়। তবে অনুষ্ঠানে ছিলো না কোনও বড় অতিথি অথবা শিল্পী। এদিন সব দাঁয়িত্ব ও অতিথির আসনেও বসেছিল এই শিশুরাই।
অভিভাবক সামিমা সিথি বলেন, ‘বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের এমন আয়োজনকে আমরা সাধুবাদ জানাই। দীর্ঘদিন পর বিদ্যালয় খুলেছে। শিক্ষার্থীদের মনটাও ভালো ছিল না। তারা গম্ভিরভাবে দীর্ঘদিন বাসায় আটকা ছিল। সম্প্রতি বিদ্যালয় খুলেছে। বিদ্যালয় খুলেই এমন আয়োজন দেখে শিশুরা অনেক খুশি হয়েছে। যান্ত্রিক এবং প্রতিযোগিতার বাজারে বেড়ে ওঠা শিশুদের মানসিক বিকাশে এমন আয়োজন আরও হওয়া উচিত।’

অভিভাবক সুমাইয়া পারভীন শিলা বলেন, ‘সত্যিই এটা একটা ব্যতিক্রমী আয়োজন। আর শিশুরাই আমাদের ভবিষ্যৎ। এদিন শিশুরা অনেক আনন্দে কাটিয়েছে। শিশুমেলায় উৎসবমূখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। আনন্দ-উল্লাসে মেতে ওঠে শিশুরা।’
হাতেখড়ি প্রি-প্রাইমারী স্কুলের চেয়ারম্যান সাংবাদিক নওশাদ রানা সানভী বলেন, ‘আমরা বরাবরই বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠান আয়োজন করে থাকি। এবার একটু ব্যতিক্রমী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। করোনাকালে বিদ্যালয় বন্ধ থাকায় শিশুরা তাদের বাসায় দীর্ঘদিন আটকে ছিল।
তিনি আরো বলেন, অন্যান্য শিক্ষার্থীদের সাথে মেশার সুযোগ ছিল না। এজন্য আমরা শিশুদের মাঝে তার সহপাঠীর সঙ্গে আরও বন্ধুত্বপূর্ণ ভালোবাসা সৃষ্টির লক্ষে এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের জন্মদিন ও শিশু দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের জন্য আমরা এই শিশুমেলার আয়োজন করেছি। এই বিশেষ দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে ও শিশুদের মাঝে আনন্দ দিতে এবং গ্রামীণ ঐতিহ্য তুলে ধরতেই আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রয়াস।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে অবৈধ মজুদ ও কালোবাজারীর খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি সরকারি ৬৬৩ বস্তা চাল, নগদ টাকা ও মোবাইল উদ্ধার করেছে র্যাব-১২, সিপিসি-৩। বৃহস্পতিবার(১৭ মার্চ) সকালে অভিযান চালিয়ে সদর উপজেলার করটিয়া বাজারস্থ জমিদার বাড়ির পাশে শরৎ চন্দ্র সূত্রধরের গুদাম ঘর থেকে উদ্ধার করা হয়।বৃহস্পতিবার দুপুরে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানিয়েছে র্যাব-১২, সিপিসি-৩ ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী কমান্ডার ও সহকারী পুলিশ সুপার এরশাদুর রহমান।
এসময় খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল অবৈধ মজুদ ও কালোবাজারি করার অপরাধে শরৎ চন্দ্র সূত্রধরকে আটক করা হয় ।আটককৃত শরৎ চন্দ্র সূত্রধর(৬০) করটিয়া কলেজ পাড়া এলাকার সুবল চন্দ্র সূত্রধরের ছেলে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব-১২, সিপিসি-৩ ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী কমান্ডার ও সহকারী পুলিশ সুপার এরশাদুর রহমান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সদর উপজেলার করটিয়া বাজারস্থ জমিদার বাড়ির পাশে শরৎ চন্দ্র সূত্রধরের গুদাম ঘরের ভিতরে কালোবাজারী ও মজুদধারী খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ৬৬৩ বস্তা চাউল উদ্ধার হয় এবং ওই গুদাম ঘরের মালিক শরৎ চন্দ্র সূত্রধরকে আটক করা হয়।
তিনি আরো জানান, সরকার কর্তৃক ১০ টাকা মূল্যে গরীব দরিদ্রদের জন্যে সরবরাহকৃত চাল বেশী মুনাফা লাভের আশায় অবৈধভাবে সংগ্রহ করে মজুত করে বেশী দামে বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন লোকজনের নিকট বিক্রি করে আসছিল। আটককৃতের বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল সদর থানায় ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইন এর ২৫(১)/২৫(২) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে ইটবোঝাই ট্রাকের চাপায় লুৎফর রহমান (৬০) নামে এক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। বুধবার (১৬ মার্চ) দুপুরে ওই দুর্ঘটনা ঘটে। এ সময় মঞ্জু মিয়া (৩৬) নামে আরও একজন আহত হয়েছেন।
নিহত লুৎফর রহমান টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের হাতিলা গ্রামের এলাহী বক্সের ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, জমি সংক্রান্ত কাজ শেষ করে লুৎফর রহমান মোটরসাইকেলে করে সখীপুর থেকে টাঙ্গাইল ফিরছিলেন। সখীপুর-গোড়াই আঞ্চলিক মহাসড়কের প্রতিমা বংকী বাজারে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা ইটবোঝাই বেপরোয়া গতির একটি ট্রাক প্রথমে সড়কের পশ্চিমপাশে থাকা একটি মোটরসাইকেলকে পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। এতে ওই মোটরসাইকেলের চালক মঞ্জু মিয়া ছিটকে পাশের খেতে পড়ে যান। পরে ট্রাকটি ডান দিকে সরে গিয়ে সড়কের পূর্বপাশে থাকা লুৎফর রহমানের মোটরসাইকেলটিকে চাপা দেয়। এ সময় লুৎফর রহমানের মাথা থেঁতলে গিয়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হন।
অপরদিকে, আহত মঞ্জু মিয়াকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার পর ট্রাকচালক তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল থেকে দৌড়ে পালিয়ে যায়। ট্রাকচালক অপ্রাপ্তবয়স্ক ছিল বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শীরা।
নিহত লুৎফর রহমানের ছোট ভাইয়ের স্ত্রী মুক্তা আক্তার বলেন, টাঙ্গাইলের করটিয়া বাজারে ইলেকট্রনিকসের দোকান করতেন আমার ভাশুর। তাঁর দুই মেয়ে ও এক ছেলে সন্তান রয়েছে। বুধবার ভোরে পারিবারিক জমি সংক্রান্ত কাজে সখীপুর গিয়েছিলেন তিনি।
সখীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মনিরুজ্জামান জানান, ঘটনাস্থল থেকে দুর্ঘটনাকবলিত দুইটি মোটরসাইকেল ও ঘাতক ট্রাকটি জব্দ করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, নিহতের পরিবারকে খবর দেওয়া হয়েছে। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ “ডিজিটাল আর্থিক ব্যবস্থায় ন্যায্যতা” এই প্রতিপাদ্য নিয়ে টাঙ্গাইলে বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস পালিত হয়েছে।টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে মঙ্গলবার (১৫ মার্চ) বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস উপলক্ষে আলোচনা ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ভিডিও চিত্র প্রদর্শিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. আমিনুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে আলোচ্য বিষয় উপস্থাপন করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর টাঙ্গাইলের সহকারী পরিচালক সৈয়দা তামান্না তাসনিম।
সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বক্তব্য রাখেন টাঙ্গাইলের ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. ফারজানা তাহের মুনমুন, টাঙ্গাইল জেলা তথ্য অফিসের সহকারী পরিচালক তাহলিমা জান্নাত, হিউম্যান রাইটস্ রিভিউ সোসাইটি টাঙ্গাইল জেলা শাখার সভাপতি মো. রাশেদ খান মেনন (রাসেল), বিসিক টাঙ্গাইলের সভাপতি, ক্যাবের সাধারণ সম্পাদক, পার্ক বাজার বণিক সমিতির সভাপতি, সম্পাদক, বটতলা বাজার সমিতির সভাপতি, বৈল্ল্যা বাজার সমিতির সভাপতি, জেলা প্রতিবন্ধী বিষয়ক কর্মকর্তা, জেলা স্যানিটারী ইন্সপেক্টর, ঘাটাইল উপজেলা পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতির সভাপতি, সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা’সহ বিভিন্ন পর্যায়ের সুধীজন।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর অধীনে অভিযোগ দায়ের এবং অপরাধ ও দণ্ডের বিধান নিয়ে আলোচনা করা হয়। ভোক্তা ও বিক্রেতাদের জ্ঞাতার্থে, আইনটিতে বর্ণিত অভিযোগ দায়ের, ভোক্তা অধিকার বিরোধী কার্য ও অপরাধ এবং দণ্ডের বিধান নিয়ে আলোচনা করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ সম্প্রতি টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় ঈদগাঁয়ে ফুটবল নিয়ে অনুশীলনে ব্যস্ত এক ঝাঁক প্রবীণ ফুটবলার। সূর্যোদয়ের সাথে সাথে ফুটবল নিয়ে মাঠে নেমে পড়েছে প্রায় ৩০ জন সাবেক ফুটবলার। তারা ঘাম ঝরাচ্ছেন, হাক-ডাক করছেন, এ যেন রীতিমতো বিশ্বকাপ ফুটবলে অংশ গ্রহনের প্রস্ততি নেওয়ার মতো অবস্থা।সকালে হাটতে ও ব্যায়াম করেতে আসা লোকজন রীতিমতো অবাক। বিষয়টি কি? এতো প্রবল উত্তেজনা নিয়ে রীতিমতো কিশোরদের মতো ফুটবল অনুশীলন করছেন কেন তারা ? প্রতিটি দলের রয়েছে ম্যানেজার ও কোচ। টাঙ্গাইলের প্রবীণ ফুটবলারগণ রীতিমতো ফুটবল জ্বরে কাপঁছেন।
জানা গেছে, টাঙ্গাইল স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার(১৫ই মার্চ) সন্ধায় শুরু হচ্ছে শেখ কামাল ফ্লাড লাইট মিনি ফুটবল টুর্ণামেন্ট। ১৬ টি দলের অংশ গ্রহনে এই টুর্ণমেন্টির আয়োজক মির্জা তোফাজ্জল হোসেন মুকুল স্মৃতি ফাউন্ডেশন। মিডিয়া পার্টনার হিসেবে থাকছে টি-নিউজ বিডি ডটকম ও টিসি ভিশন। চল্লিশ উর্দ্ধ সাবেক ফুটবলাদের জন্য এই টুর্ণামেন্টের আয়োজন করা হলেও অনেকে ফুটবলার না হয়েও শখের বসে দলে নাম লিখিয়েছেন। প্রতিটি দলে পাঁচ জন করে ফুটবলার অংশগ্রহন করেতে পারবে। মিনি গোল বারে খেলা হবে। মাঠের পরিধিও কমিয়ে আনা হয়েছে।মাঠের মাপ হচ্ছে লম্বায় ৯০ ফুট ও প্রস্থে ৫৫ ফুট। প্রতিদিন ৪টি করে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। ৪০ মিনিটিরে এই খেলায় মাঝে ১০ মিনিটের বিরতি রয়েছে। উদ্ধোধনী ম্যাচে অংশ গ্রহন করবে সু-প্রভাত ক্লাব ও সৈয়দ জালাল আলী সমিতি।
অংশগ্রহনকারী ১৬ টি দল হচ্ছেঃ “ক” গ্রুপঃ- সু-প্রভাত ক্লাব, সৈয়দ জালাল আলী সমিতি, আমরা সু-প্রভাত, দেহগড়ি শরীর চর্চ্চা ক্লাব।
“খ” গ্রুপে আছে, রংধনু রাইডারর্স, সোনালী অতীত ভুঞাপুর উপজেলা, ফাইভ স্টার সু-প্রভাত, সোনালী সকাল ক্রীড়া সংঘ।“গ” গ্রুপে আছে, শুভ সকাল, নূরা পাগলা, টাঙ্গাইল ব্যাডমিন্টন ক্লাব, শতায়ু ক্লাব।
এ ছাড়া “ঘ” গ্রুপে আছে, বাসাইল সোনালী অতীত ক্লাব, ফাষ্ট ডিভিশন সিকিউরিটি সার্ভিসেস লিমিটেড, কে এস পি ক্লাব ও আরামবাগ ক্লাব।
এ প্রসঙ্গে শুভ সকাল ক্লাবের আব্দুর রৌফ(৬২), শতায়ু ক্লাবের আব্দুর রহমান, সু-প্রভাত ক্লাবের জাহিদ তারেক খান জুয়েল(৫৫),সোনালী সকাল ক্লাবের গোলাম ফারুক(৫৫), টাঙ্গাইল ব্যাডমিন্টন ক্লাবের মো. মোতালেব খান(৪৮) বলেন, চল্লিশ উর্দ্ধ সাবেক ফুটবলাদের জন্য মির্জা তোফাজ্জল হোসেন মুকুল স্মৃতি ফাউন্ডেশন আয়োজিত এই টুর্নামেন্ট প্রবীণ সাবেক ফুটবলারদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। বিশেষ করে যারা স্বাস্থ্য সচেতন তাদের জন্য এটা অতিরিক্ত পাওয়া ।আয়োজক কমিটিকে ধন্যবাদ, আমাদের এই ধরনের টূর্ণামেন্টে খেলার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য। আশা করি, প্রতি বছর এই টুর্ণামেন্ট আয়োজন করা হবে।
টুর্ণামেন্ট আয়োজক কমিটির সদস্য সচিব শাহ্ আজিজ তালুকদার বাপ্পী জানান, শিশু-কিশোর ও যুবকদের জন্য বিভিন্ন ধরনের ফুটবল লীগ ও টুর্ণামেন্টের আয়োজন করা হয়ে থাকে। প্রবীণদের জন্য এই ধরনের টুর্ণামেন্ট এর আয়োজন সাধারনত করা হয় না। মির্জা তোফাজ্জল হোসেন মুকুল স্মৃতি ফাউন্ডেশন প্রতি বছর এই ধরনের টুর্ণামেন্টের আয়োজন অব্যাহত রাখবে।