একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বিবেকানন্দ স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে সংবাদের নিন্দা প্রকাশ করেছেন বিবেকানন্দ স্কুল এন্ড কলেজের ৩০ জন স্বাক্ষরকারী। তারা এক বিবৃতিতে বলেন, টাঙ্গাইল জেলা সদরে অবস্থিত প্রায় শতবর্ষীয়ান শিক্ষা ও সংস্কৃতিতে অনন্য ঐতিহ্যবাহী বিবেকানন্দ স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ আনন্দ মোহন দের বিরুদ্ধে মিথ্যা, ষড়যন্ত্রমূলক ও মানহানিকর সংবাদ বিভিন্ন অনলাইন পোর্টালে ও ফেইজবুকে প্রকাশের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদন জানাই। এ বিষয়ে স্বাক্ষরকারীরা টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে একটি পত্র দেন।
গত ২০২১ সালের ২৪ নভেম্বর টাঙ্গাইল শহরের আকুর টাকুর পাড়ায় অবস্থিত শ্রী শ্রী ছোট কালিবাড়ী মন্দির কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে এক শ্রেণীর অসাধু ও হীন মানসিকতার কয়েকজন ব্যক্তি রীমা রায় নামের একজন মেয়েকে দিয়ে নানা প্রকার মানহানিকর বক্তব্য ও সাজানো অভিযোগ দায়ের করার চেষ্টা করছেন। গত ২০২১ সালের ২৫ নভেম্বর ষড়যন্ত্রকারীরা আকুর টাকুর পাড়াতে নানা প্রকার মানহানীকর কথা বার্তা প্রচার করে-বলিয়া জানা যায়। অতপর শ্রী শ্রী ছোট কালীবাড়ীর সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট অনুপম দে বাদী হয়ে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট টাঙ্গাইল সদর থানা আমলী আদালতে মানহানীর একখানা ১৪৪০/২২ নং মোকদ্দমা দায়ের করেন। উক্ত মোকদ্দমায় বিবাদীগনের বিরুদ্ধে সমনের আদেশ হয়েছে।
এতএব বিবেকানন্দ স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ আনন্দ মোহন দে একজন সম্মানী ব্যক্তিকে অসম্মান করার চেষ্টা চালাচ্ছেন। এজন্য আমরা নিন্দা জানাই ও মিথ্যা গুজব প্রকাশের বিরুদ্ধে বিবেকানন্দ স্কুল এন্ড কলেজের পক্ষ থেকে সকল পর্যায়ের শিক্ষকবৃন্দ জোর প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
প্রতিবাদপত্রে স্বাক্ষরকারীরা হলেন- আবু দাউদ প্রভাষক, প্রভাষক রুনা লায়লা, সিনিয়র শিক্ষক মনিরুল হক, বজলুর রহমান, আবু ইউছুব ছিদ্দিকী, রেজাতী হায়দার, কাকলী মজুমদার, মৃদুল কান্তি ভৌমিক, মজিবর রহমান, লক্ষী ঘোষ, সিরাজুল মনির, সুমী আক্তার, মনোয়ারা খান, শাহনাজ আক্তার, এম,এম, রাশিদা, অসীমা দাশ, স্মৃতি প্রামানিক, শফিকুল ইসলাম, আলী হায়াত, গোলাম মোস্তফা, ফয়সাল আহমেদ, মাজহারুল ইসলাম, হাবিব উল্লাহ সরকার, বাসুদেব দে, ফারুক হোসেন, শামীমা নুশরাত, ফারজানা রিমু, নাজমুল হক খান, সুজিত কর্মকার, মোঃ রবিন। প্রেসবিজ্ঞপ্তি
একতার কণ্ঠঃ ষষ্ঠ ধাপের ইউপি নির্বাচনে টাঙ্গাইলের গোপালপুরে পাঁচটি ইউনিয়নেই নৌকা প্রতীকে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন।
সোমবার (৩১ জানুয়ারি) রাতে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা এ ফলাফল ঘোষণা করেন।
এর আগে সকাল ৮টা থেকে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোটগ্রহণ শুরু হয়। বিকাল ৪টা পর্যন্ত চলে এ ভোটগ্রহণ।
বেসরকারি ফলে উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী রফিকুল ইসলাম ১৩ হাজার ৭৯৯ ভোট, আলমনগর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আব্দুল মোমেন ৬ হাজার ৬৬৭ ভোট, হাদিরা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বিলকিছ জাহান ৬ হাজার ৭৯৮ ভোট, নগদাশিমলা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হোসেন আলী ৮ হাজার ১৪১ ভোট ও ধোপাকান্দি ইউনিয়নে সিরাজুল ইসলাম ৬ হাজার ২৯৮ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন।
এ পাঁচটি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ১৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। আর সাধারণ সদস্য পদে ১৫৫ জন ও সংরক্ষিত ওয়ার্ডে ৫১ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এ এইচ এম কামরুল হাসান জানান, নির্বাচনে পর্যাপ্ত সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, ৩ প্লাটুন বিজিবি, এক জন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও তিন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করেন।
একতার কণ্ঠঃ ভোট দিয়ে বাড়ি ফিরেই মৃত্যু হয়েছে শতবর্ষ পেরোনো সখিনা বেওয়ার। যদিও জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী তার বয়স ৮৫ বছর ।এই বয়সে নাতনীর সহযোগিতায় জীবনের শেষ ভোট দিতে কেন্দ্রে গিয়েছিলেন তিনি। সখিনা বেওয়ার ভাগ্নে জুলহাস মিয়া ওই তথ্য জানিয়েছেন।
এর আগে সোমবার (৩১ জানুয়ারি) ৬ষ্ঠ ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার আলমনগর ইউনিয়নের আলমনগর উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে মহিলা বুথে সখিনা বেওয়া তার জীবনের শেষ ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। তিনি আলমনগর গ্রামের মৃত বছির উদ্দিনের স্ত্রী।
ভোট কেন্দ্রের সামনে সখিনা বেওয়ার ছেলে মজিবর রহমান তখন বলেন, আম্মার বয়স ১০০ বছর ছাড়িয়েছে। বয়সের ভারে ন্যুব্জ আম্মা সম্ভবত তার শেষ ভোট দিলেন। একা চলতে পারেন না, তাই নাতনির সহযোগিতায় বাড়ি থেকে ভ্যানগাড়িতে তাকে কেন্দ্রে নেওয়া হয়েছিল।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে সড়ক দুর্ঘটনায় আব্দুল হালিম ( ২২) নামে এক মোটরসাইকেল চালকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। সোমবার( ৩১ জানুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়কে উপজেলার বাংড়া ইউনিয়নের ইছাপুর সেতুতে ওই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহত আব্দুল হালিম উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামের সিরাজ মোল্লার ছেলে ও সরকারি শামসুল হক কলেজের স্নাতক তৃতীয় বর্ষের পরীক্ষার ফলপ্রার্থী ছিলেন।
এ ঘটনায় অপর মোটরসাইকেলের দুই আরোহী আহত হয়। আহতরা হলেন, ঘাটাইল উপজেলার নতুনবাগ গ্রামের মাজেদুর রহমান সরদার (৩০) ও একই এলাকার শাকিল (৩০)।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এলেঙ্গামুখী দুটি মোটরসাইকেলের সাথে একই মুখী একটি মাছবাহি জ্যাক পিকআপের সংঘর্ষে একটি মোটরসাইকেল সেতুর নিচে পড়ে যায়। এসময় মোটরসাইকেলটি চালকের উপরে পরে এবং সেতুর গাইড ওয়ালের সাথে মাথায় আঘাত লেগে ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেল আরোহি যুবক আব্দুল হালিম মারা যান। অপর মোটরসাইকেলের দুই আরোহী আহত হন।
এলেঙ্গা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইয়াসির আরাফাত ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে গত ২৪ ঘন্টায় ৯০ জনের দেহে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। ২৭০ জনের নমুনা পরীক্ষার রির্পোটে ৯০ জনের করোনা শনাক্ত হয়। শনাক্তের হার শতকরা ৩৩ দশমিক ৩৩ ভাগ । সোমবার (৩১ জানুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সিভিল সার্জন জানান,নতুন আক্রান্তদের মধ্যে টাঙ্গাইল সদরে ৬২জন, ধনবাড়ীতে ১৪ জন, দেলদুয়ারে ১ জন, সখিপুরে ৩জন, মির্জাপুরে ৩ জন, কালিহাতীতে ২ জন, গোপালপুরে ১ জন, বাসাইলে ২ জন, নাগরপুরে ২ জনসহ মোট ৯০ জন।
তিনি আরো জানান, এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা আক্রান্তের রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭ হাজার ৮৩০ জন। আক্রান্তদের মধ্যে মোট সুস্থ্য হয়েছে ১৬ হাজার ৮২০ জন। জেলায় সর্বমোট মৃত্যুবরণ করেছেন ২৬১ জন। গত ২৪ ঘন্টায় করোনা আক্রান্ত হয়ে কেউ মৃত্যুবরণ করেনি।
সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান, করোনা প্রতিরোধে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি ও সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানান।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে চাঞ্চল্যকর নবজাতক শিশু হত্যা মামলায় মা-মেয়ে কে গ্রেপ্তার করেছে নাগরপুর থানা পুলিশ।রবিবার(৩০ জানুয়ারি) দিনভর অভিযান চালিয়ে উপজেলার বেকড়া ইউনিয়নের উত্তরপাড়া থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, ওই গ্রামের ছনির মোল্লার স্ত্রী হাফিজা (৩৮) ও মেয়ে সোনিয়া (১৮)। তাদের বিরুদ্ধে নাগরপুর থানায় শিশু হত্যা মামলা রুজু করে টাঙ্গাইল বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে নাগরপুর থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) সরকার আবদুল্লাহ আল মামুন জানান,স্বাস্ব্য কমপ্লেক্সের ড্রেন থেকে নবজাতকের লাশ উদ্ধারের পর সোনিয়াসহ তার পরিবারের লোকজনদের নবজাত শিশুর মৃত্যুর বিষয়ে জানার জন্য জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। মা-মেয়ে ঘটনার সত্যতা শিকার করায় তাদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দিয়ে টাঙ্গাইল জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, উপজেলার বেকড়া ইউনিয়নের বেকড়া উত্তরপাড়া গ্রামের ছনির মোল্লার কুমারী মেয়ে (১৮)। শনিবার রাত সাড়ে দশটায় দিকে পেট ব্যাথা নিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়। ভোর রাতে ওই মেয়ে ও তার মা কমপ্লেক্সে টয়লেটে দীর্ঘ সময় অবস্থান করে একটি কন্যা সন্তান জম্ম দেন। এ সময় হাসপাতালে ভর্তিকৃত রোগীরা টয়লেটে শিশুর কান্নার শব্দ শুনতে পান। প্রায় দুই ঘন্টা পর মা ও মেয়ে বের হয়ে সিটে আসে। রবিবার সকালে ডাক্তার নিয়মিত রোগী পরিদর্শন শেষে ওই মেয়েকে ছাড়পত্র দেন ডা.কাজল পোদ্দার।
একই দিন সকাল আনুমানিক নয়টার দিকে দুজন পথ শিশু হাসপাতালের ড্রেনে নবজাতক শিশুটি দেখে লোকজন ডাকে। পরে হাসপাতাল কতৃপক্ষসহ আশ পাশের লোকজন জড়ো হয়ে নাগরপুর থানায় খবর দিলে পুলিশ নবজাত শিশুটির লাশ উদ্বার করে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে গত ২৪ ঘন্টায় ১২০ জনের দেহে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। ৩৩২ জনের নমুনা পরীক্ষার রির্পোটে ১২০ জনের করোনা শনাক্ত হয়। শনাক্তের হার শতকরা ৩৬ দশমিক ১৪ ভাগ ।রবিবার (৩০ জানুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সিভিল সার্জন জানান,আক্রান্তদের মধ্যে টাঙ্গাইল সদরে ৭০ জন, দেলদুয়ারে ৬ জন, সখিপুরে ৮ জন, মির্জাপুরে ১১ জন, ঘাটাইলে ১০ জন, কালিহাতীতে ৭ জন, মধুপুরে ১ জন, গোপালপুরে ২ জন, বাসাইলে ২ জন, ধনবাড়ীতে ৩ জন নিয়ে মোট ১২০ জন।
তিনি আরো জানান, এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা আক্রান্তের রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৭ হাজার ৭৪০ জন। আক্রান্তদের মধ্যে মোট সুস্থ্য হয়েছে ১৬ হাজার ৭৯৫ জন। জেলায় সর্বমোট মৃত্যুবরণ করেছেন ২৬১ জন। গত ২৪ ঘন্টায় করোনা আক্রান্ত হয়ে কেউ মৃত্যুবরণ করেনি।
সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান, করোনা প্রতিরোধে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি ও সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানান।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে এক অজ্ঞাত যুবকের (৪৫) লাশ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। রবিবার (৩০ জানুয়ারি) সকালে উপজেলার বহুরিয়া ইউনিয়নের কালিদাস কলতান বিদ্যা নিকেতন এলাকার শফিক মেম্বারের পরিত্যক্ত ঘরের পেছন থেকে ওই লাশ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রবিবার সকাল সাড়ে নয়টার দিকে স্থানীয় এলাকাবাসী ওই লাশ পরে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
কালিদাস বাজারের গ্রাম্য চিকিৎসক রিপন মিয়া বলেন, ওই অজ্ঞাত ব্যাক্তিকে পাগল বেশে গত কয়েকদিন ধরে এ এলাকা দিয়ে চলাচল করতে দেখা গেছে।
সখীপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মনিরুজ্জামান জানান, সকাল সাড়ে নয়টার দিকে কালিদাস এলাকা থেকে এক অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে থানায় অপমৃত্যুর একটি মামলা দায়ের করা হবে। তবে লাশের পরিচয় এখনো মিলেনি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল শহরের জেলা সদর রোড়ে অবস্থিত বিবেকানন্দ স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ আনন্দ মোহন দে’র বিরুদ্ধে এক নারীকে প্রাণনাশের হুমকি ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ উঠেছে।এ ঘটনায় নিরাপত্তা চেয়ে রিমা রায় (৩১) নামের ওই নারী টাঙ্গাইল সদর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।রবিবার (৩০ জানুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মীর মোশারফ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
রিমা রায় শহরের আকুর টাকুরপাড়া ছোট কালিবাড়ী এলাকার স্বপন দাসের মেয়ে।
রিমা রায়ের অভিযোগ থেকে জানা যায়, গত ২১ জানুয়ারি বিকেলে টাঙ্গাইল সার্কিট হাউজের রাস্তায় হাঁটতে বের হন রিমা রায়। এ সময় অধ্যক্ষ আনন্দ মোহন দে (৪৭) ও টুকু দেসহ (৪০) অজ্ঞাত কয়েকজন তাকে অকথ্য অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন। তারা এসিডে চেহারা বিকৃত করে দেওয়ার হুমকিও দেয় রিমা রায়কে। খুন করে ফেলা হবে বলেও হুমকি দেয়।
রিমা রায় অভিযোগে উল্লেখ করেন, বিবাদিরা যে কোন সময় তার ও তার ছেলের বড় ধরনের ক্ষতি করতে পারে।
রিমা রায় বলেন, কিছুদিন আগে শহরের ছোট কালিবাড়ি মন্দির কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। এসময় অনিয়মের মাধ্যমে মন্দির কমিটি গঠনের পেছনে আনন্দ মোহন দে’র হাত রয়েছে বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা। আমিও বক্তব্য রাখি মানববন্ধনে। আর এটাই কাল হয়ে দাঁড়ায়।
তিনি আরো বলেন, আমি তো কোন অন্যায় আচরণ করিনি। আমি শুধু বলেছিলাম- মন্দির-মসজিদ নিয়ে কেন রাজনীতি হবে। মন্দির-মসজিদ হলো প্রার্থণার জায়গা, শান্তির জায়গা। আর এ কথা বলার জন্যেই আমাকে হুমকি দিয়েছে আনন্দ মোহন দে।
এ ব্যাপারে অধ্যক্ষ আনন্দ মোহন দে বলেন, আমি শুনেছি মেয়েটি একটি লিখিত অভিযোগ নাকি দিয়েছে। সে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতায় আমার প্রতিষ্ঠানে পড়ালেখা করতো। সে আমার সরাসরি ছাত্রী ছিল। তার অভিযোগগুলো সত্য নয়। সম্পুর্ণ ভিত্তিহীন। আমিও তদন্ত সাপেক্ষে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
এ ব্যাপারে তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) সোহেল বলেন, ছোট কালিবাড়ী এলাকার একটি মন্দিরের কমিটি নিয়ে পুরাতন ও নতুন দুই পক্ষের বিরোধ চলছে। আমি এ বিষয়ে ওই এলাকায় গিয়ে খোঁজ খবর নিয়ে এসেছি। তদন্ত চলছে। তবে দুই পক্ষই একে অপরকে দোষারোপ করছে। মূলত মন্দির কমিটি নিয়েই মূল সমস্যা দেখা দিয়েছে।
টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মীর মোশারফ হোসেন জানান, ৩ দিন আগে ওই নারী বাদি হয়ে একটি লিখিত আবেদন দিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলায় ব্রিজের ভাঙা পাটাতনে ধাক্কা লেগে এক মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু হয়েছেন। নিহতের নাম মশিউর রহমান (৪০)।শনিবার( ২৯ জানুয়ারি) রাতে গোপালপুর-পিংনা সড়কের ঝাওয়াইল বেইলি ব্রিজে ওই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত মশিউর রহমানের বাড়ি ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলার তিমিরকাঠি গ্রামে। তিনি অনির্বাণ মেডিসিনাল ইন্ডাস্ট্রিজের মধুপুর উপজেলার বিক্রয় প্রতিনিধি ছিলেন। মশিউর মধুপুর পৌর শহরের কলেজপাড়া এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।
মশিউরের সহকর্মী আশিক বিল্লাহ জানান, গোপালপুর উপজেলার ঝাওয়াইল বাজারের কয়েকটি ওষুধের দোকান থেকে পাওনা টাকা নিয়ে মোটরসাইকেল যোগে মধুপুর ফিরছিলেন মশিউর। পথে ঝাওয়াইল বেইলি ব্রিজের ভাঙা পাটাতনের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে পড়ে যান তিনি।স্থানীয়রা উদ্ধার করে গোপালপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
স্থানীয় এলাকাবাসী অভিযোগ করে বলেন, এর আগেও ওই ব্রিজের ভাঙা পাটাতনের কারণে দুর্ঘটনায় অনেকের মৃত্যু হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ মর্মান্তিক এক সড়ক দুর্ঘটনায় দৈনিক নয়া দিগন্তের কর্মকর্তা মাসুদ রানা নিহত হয়েছেন। রবিবার(৩০ জানুয়ারি) বিকালে টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে তার মোটরসাইকেলকে একটি গাড়ি ধাক্কা দিলে তিনি ঘটনাস্থলে নিহত হন।
নিহত মাসুদ রানা দৈনিক নয়া দিগন্তে অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার (মার্কেটিং) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তার বয়স হয়েছিল ৩৪ বছর। তার মা, স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মাসুদ রানা তার বগুড়াস্থ বাড়ি থেকে নিজের মোটরসাইকেল যোগে ঢাকায় কর্মস্থলে ফিরছিলেন। পথিমধ্যে টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের কদিম ধল্যা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ওভারপাসে তার মোটরসাইকেলকে একটি বাস ধাক্কা দেয় তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান। ধাক্কা দেয়া গাড়িটি তাৎক্ষণিকভাবে শনাক্ত করা যায়নি। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ব্যাপারে মির্জাপুরের গোড়াই হাইওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) হাসেম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, নিহতের পরিবারের লোকজনের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা চলছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলায় সদ্য ভূমিষ্ঠ এক শিশুর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রবিবার (৩০ জানুয়ারি) সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পাশের ড্রেন থেকে গলাকাটা অবস্থায় ওই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নাগরপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মনোয়ার হোসেন জানান, সকালে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পাশের ড্রেন থেকে গলাকাটা অবস্থায় ১২ ঘণ্টা বয়সী এক কন্যা শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে রাতের কোনো এক সময় হাসপাতালেই শিশুটির জন্ম হয়েছে।
নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রোকনুজ্জামান খান জানান, শনিবার (২৯ জানুয়ারী) রাতে এক তরুণী হাসপাতালে পেটে ব্যথা নিয়ে ভর্তি হন। ভোরের দিকে ওই তরুণী বাথরুমে দীর্ঘক্ষণ সময় কাটান। এরপর বাথরুম থেকে বের হওয়ার পর ওই তরুণীর আর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে উদ্ধার হওয়া মৃত শিশুটি ওই তরুণীর।