/ হোম / আমাদের টাঙ্গাইল
মির্জাপুর উপনির্বাচনে ওয়ার্কাস পার্টির ভোট বর্জন - Ekotar Kantho

মির্জাপুর উপনির্বাচনে ওয়ার্কাস পার্টির ভোট বর্জন

একতার কণ্ঠঃ জাতীয় সংসদের টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনের উপনির্বাচনে রোববার (১৬ জানুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। ভোট শেষ হওয়ার আধা ঘণ্টা পর বিকেলে সাড়ে ৪টায় কারচুপির অভিযোগ এনে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির মো. গোলাম নওজব পাওয়ার চৌধুরী ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন।

তার প্রতীক হাতুড়ি।
ভোট শেষে তিনি জানান, আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীর সমর্থকরা বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে তার (গোলাম নওজব) এজেন্টদের বের করে দিয়ে নৌকা প্রতীকে ভোটারদের ভোট দিতে বাধ্য করেছেন। এ কারণে তিনি ভোট বর্জন করলেন।

এদিকে সকাল থেকেই সব কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল কম। এ আসনে তিনি ছাড়াও আরো চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দিতা করেন। তারা হলেন- আওয়ামী লীগ মনোনীত খান আহমেদ শুভ, জাতীয় পার্টির মো. জহিরুল ইসলাম জহির (প্রতীক: লাঙ্গল), স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. ইমরুল ইসলাম নুরু (প্রতীক: মোটরগাড়ি) এবং বাংলাদেশ কংগ্রেস পার্টির প্রার্থী শ্রীমতি রূপা রায় চৌধুরী (প্রতীক: ডাব)।

গত বছর ১৬ নভেম্বর এ আসনে চার বারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য, সড়ক পরিবহন এবং সেতু মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. একাব্বর হোসেন মারা যান। এরপর নির্বাচন কমিশন আসনটি শূন্য ঘোষণা করে।

মির্জাপুর একটি পৌরসভা ও ১৪ ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসন। এ আসনে মোট ভোটার তিন লাখ ৪০ হাজার ৩৭৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার এক লাখ ৭০ হাজার ৫০১ এবং নারী ভোটার এক লাখ ৬৯ হাজার ৮৭৮ জন। মোট ১২১টি কেন্দ্রের ৭৫৬ কক্ষে ভোট হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৭. জানুয়ারী ২০২২ ০২:৪৩:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইল-৭ মির্জাপুর আস‌নে উপ‌নির্বাচন কে‌ন্দ্রের বাই‌রেও নেই ভোট উৎস‌বের আ‌মেজ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল-৭ মির্জাপুর আস‌নে উপ‌নির্বাচন কে‌ন্দ্রের বাই‌রেও নেই ভোট উৎস‌বের আ‌মেজ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আস‌নে উপ‌নির্বাচ‌নে সকাল‌ থে‌কেই ভোটার উপ‌স্থি‌তি তেমন লক্ষ‌্য করা যায়‌নি।অ‌নেক কেন্দ্রের বাই‌রে চেয়ার-‌টে‌বিলে ব‌সে ভোটার‌দের ভোট নম্বরে টো‌কেন দি‌তে দেখা যায়‌নি। এছাড়া নৌকার প্রার্থীর এ‌জেন্ট ও নেতাকর্মী‌দের দেখা গে‌লেও নির্বাচ‌নে অংশ নেয়া জাপাসহ চারজন প্রার্থীর নেতাকর্মী‌ এবং এ‌জে‌ন্ট‌দের দেখা যায়‌নি।‌ফ‌লে কোন উৎস‌বের আ‌মেজ ছিল না টাঙ্গাইল-৭ আস‌নের সংসদ উপ‌নির্বাচ‌নে।

এমনই চিত্র দেখা গে‌ছে মির্জাপুর পৌরসভার পুষ্টকামরী আলহাজ মো. শ‌ফি উ‌দ্দিন মিয়া সরকা‌রি প্রাথমিক বিদ‌্যালয় কেন্দ্রে। সকাল আটটা থে‌কে দুপুর দুই পর্যন্ত ৩১১৪জন ভোটা‌রের ম‌ধ্যে প্রায় ৯শ ভোটার ই‌ভিএ‌মের মাধ‌্যমে তা‌দের ভোটা‌ধিকার প্রয়োজ ক‌রে‌ছেন। ত‌বে ওই কেন্দ্রে এক ঘন্টায় ভোট প‌ড়ে‌ছে ২০‌টি।

দেখা গে‌ছে, পৌরসভার পুষ্টকামরী আলহাজ মো. শ‌ফি উ‌দ্দিন মিয়া সরকা‌রি প্রাথমিক বিদ‌্যালয় কেন্দ্রে ভিতর নির্বাচন সং‌শিষ্ট কর্মকর্তা, নিরাপত্তার দা‌য়িত্বে নি‌য়ো‌জিত আইনশৃঙ্খলার বা‌হিনীর সদস‌্যরা এবং নৌকা প্রার্র্র্থীর নেতাকর্মীরা ছাড়া দুই একজন ভোটার ছাড়া তেমন কাউ‌কে দেখা যায়‌নি। ভোট কক্ষগু‌লোর ভিত‌রেও নৌকার এ‌জেন্ট ও কর্মীদের ছাড়া অন‌্য প্রার্থীর এ‌জেন্ট বা লোকজন দেখা যায়‌নি। সেখা‌নে ভোট দি‌তে আসা ভোটাররা অ‌ভি‌যোগ ক‌রেন, ভে‌াটে ছাপ দেয়ার আ‌গেই ভিতর থে‌কে ভোট দি‌য়ে দি‌চ্ছে। প্রতিবাদ ক‌রেও কোন লাভ হয় না। নাম প্রকাশে অ‌নিচ্ছুক একজন পু‌লিশ সদস‌্য ব‌লেন, সকা‌লের দি‌কে একজন যুবক ভোট দি‌তে কে‌ন্দ্রে আস‌ছিল। কিন্তু তার ভোট‌টি সে দি‌তে পা‌রে‌নি। অন‌্য একজন ভোট দি‌য়ে দি‌য়ে‌ছে। ওই যুবক‌টি দলীয় লোকজ‌নের সা‌থে তর্কাত‌র্কি ক‌রে‌ছিল। নৌকা প্রার্থীর কর্মীরা জানান, এই কে‌ন্দ্রের সব ভোটা‌রের বা‌ড়ি‌তে ভোটের আ‌গের দিন বা‌ড়ি‌তে বা‌ড়ি‌তে গি‌য়ে তাদের ভোটার নম্বরের স্লিপ দি‌য়ে আসা হ‌য়েছে। যে কার‌ণে বাই‌রে তেমন মানু‌ষের সরগরম নেই। ফ‌লে চেয়ার‌ টে‌বিল ব‌সি‌য়ে ভোটার নম্বর দেয়ার প্রয়োজন নেই।

পৌরসভার পুষ্টকামরী আলহাজ মো. শ‌ফি উ‌দ্দিন মিয়া সরকা‌রি প্রাথমিক বিদ‌্যালয় কেন্দ্রের দা‌য়িত্বরত প্রিজাইডিং কর্মকর্তা আশরাফুল আলম ব‌লেন, এই কে‌ন্দ্রে মোট ভোটার সংখ‌্যা ৩১১৪জন। সকাল থে‌কেই ভোটার সংখ‌্যা কম ছিল। সংসদ নির্বাচনে ভো‌টের উৎসব নেই। কে‌ন্দ্রের বাই‌রেও তেমন লোকজন নেই। দুই একজন ক‌রে ভোটার এ‌সে তা‌দের ভোটা‌ধিকার প্রয়োগ কর‌ছে।

এ‌দি‌কে টাঙ্গ‌াইল-৭ মির্জাপুর আস‌নের উপ‌নির্বাচ‌নে সংসদ সদস‌্য প‌দে জাতীয় পার্টির(লাঙ্গল) প্রতীকের প্রার্থী জহিরুল হক জহির নির্বাচন চলাকাল‌ীন সম‌য়ে সাংবা‌দিক‌দের কা‌ছে অ‌ভি‌যোগ ক‌রেন ই‌ভিএম মে‌শি‌নে ভোটার‌দের জোরপূর্বক নি‌র্দিষ্ট মার্কায় টিপ (চাপ) দি‌তে বলা হচ্ছে। বেশ কিছু কে‌ন্দ্রে তারা ভোট জোর ক‌রে নি‌চ্ছে। ১২১‌টি কেন্দ্রে লাঙ্গ‌লের এ‌জেন্ট দেয়া হ‌য়ে‌ছে। অ‌নেক কেন্দ্র থে‌কে এ‌জে‌ন্টেদের বের ক‌রে দেয়া হ‌য়েছে। আবার বেশ কিছু কেন্দ্রে এ‌জেন্টদের প্রবেশ কর‌তে দেয়া হয়‌নি। বিষয়গু‌লো সং‌শ্লিষ্ট নির্বাচন কর্মকর্তাদের মৌ‌খিতভাবে জানা‌নো হ‌য়ে‌ছে‌। সেই সা‌থে আমার দ‌লের হাই কমান্ড‌কেও জানা‌নো হ‌য়ে‌ছে। দ‌লের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরব‌র্তিতে পদ‌ক্ষেপ গ্রহন করা হ‌বে। তিনি আরো বলেন, সকাল থে‌কেই কেন্দ্রগুলোতে ভোটার উপ‌স্থি‌তি কম র‌য়ে‌ছে। এছাড়া ভোটার নম্বর ছাড়া কাউ‌কে ভোট দেয়া হচ্ছে না য‌দিও ই‌ভিএ‌মে আই‌ডি কার্ডের নম্বর উঠালেই ভে‌াটা‌রের ছ‌বিসহ তথ‌্য আ‌সে। তারপরও তারা ভে‌াট দি‌তে পার‌ছে না। বিষয়‌টি রিটা‌র্নিং কর্মকর্তা জানানো হ‌য়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৭. জানুয়ারী ২০২২ ০২:৪১:এএম ৫ বছর আগে
ঐতিহ্যবাহী ফাইল্যা পাগলার মেলা হচ্ছে না এ বছর  - Ekotar Kantho

ঐতিহ্যবাহী ফাইল্যা পাগলার মেলা হচ্ছে না এ বছর 

একতার কণ্ঠঃ  টাঙ্গাইলের  সখীপুর উপজেলার দাড়িয়াপুরে ঐতিহ্যবাহী ফাইল্যা পাগলার (ফালচান শাহ) মেলা হচ্ছে না এবার। শুক্রবার( ১৪ জানুয়ারী) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে মেলা হওয়ার কথা থাকলেও করােনাভাইরাস প্রতিরােধে সরকারি বিধিনিষেধের কারণে মেলা বন্ধের এই নির্দেশনা দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। বৃহস্পতিবার( ১৩ জানুয়ারী)  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) চিত্রা শিকারী এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

ইউএনও বলেন, সরকারি বিধিনিষেধ অনুযায়ী উন্মুক্ত স্থানে সব ধরনের সামাজিক, রাজনৈতিক, ধর্মীয় অনুষ্ঠান ও সমাবেশ বন্ধ রাখতে হবে। এ জন্য স্থানীয় চেয়ারম্যানকে মেলাটি বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

দাড়িয়াপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনছার আলী আসিফ বলেন, ‘নির্দেশনা পেয়েছি। মেলা উদ্যাপন কমিটির সঙ্গে মিটিং করে বিষয়টি জানিয়ে দেওয়া হবে।

মেলা উদযাপন  কমিটির সভাপতি মাে. শাইফুল ইসলাম শামীম জানান, প্রশাসন না চাইলে মেলা বন্ধ করে‌ দেওয়া হবে। সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রতিবছরের মতাে এবারও মাজারসংলগ্ন এলাকায় রংবেরঙের দোকানপাট বসেছে। মাঘ মাসের পূর্ণিমার রাতে সবচেয়ে বড় মেলা হলেও মাসব্যাপী থাকে মানুষের আনাগােনা।

মেলা উদযাপন কমিটি ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ফালুচান শাহর মাজারকে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরে এই মেলা উদযাপন হয়ে আসছে। লােকমুখে মেলাটি ফাইল্যা পাগলের মেলা হিসেবেই বেশি পরিচিত। দূর-দূরান্তের হাজারাে মানুষ আসে এখানে। তবে এ মেলা বন্ধ ঘােষণা করায় জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪. জানুয়ারী ২০২২ ০৮:৫৮:পিএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদন্ড - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদন্ড

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রী হত্যা মামলার রায়ে স্বামীকে মৃত্যুদন্ড দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার(১৩ জানুয়ারী) বিকেলে টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুন্যালের বিচারক বেগম খালেদা ইয়াসমিন আসামীর অনুপস্থিতিতে এ রায় ঘোষনা করেন। শাহাদাৎ হোসেন জামিনে মুক্তি পেয়ে আত্মগোপনে চলে গেছেন।

মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত আসামী হলেন টাঙ্গাইলের সদর উপজেলা চৌবাড়িয়া গ্রামের ওমর আলীর ছেলে শাহাদাৎ হোসেন।

টাঙ্গাইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুন্যালের বিশেষ পিপি আলী আহমেদ জানান, ২০০২ সালে দন্ডিত আসামী শাহাদাৎ হোসেনের সাথে সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের আউলটিয়া গ্রামের জাহারা খাতুনের সাথে বিয়ে হয়। বিয়ের ৩ থেকে ৪ মাস পরে ১০ হাজার টাকা যৌতুক দাবি করে শাহাদাৎ। জাহারা খাতুনের পরিবার যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় শাহাদাৎ স্ত্রীকে নির্যাতন করেন। পরে ২০০২ সালের ৬ সেপ্টেম্বর শাহাদাৎ শুশুর বাড়িতে যায়। সেখানে রাতে খাওয়া দাওয়া শেষে স্ত্রীকে নিয়ে বাড়ির একটি কক্ষে ঘুমাতে যায়। পরের দিন ভোরে বাড়ির লোকজন ঘুম থেকে উঠে তাদের ঘরের দরজা খোলা দেখে সেখানে যায়। কিন্তু ঘরের ভিতরে কাউকে না পেয়ে বাড়ির আশপাশে খোঁজাখুজি শুরু করে। বাড়ির দক্ষিণ পাশে একটি পুকুরে জাহারা খাতুনের লাশ ভেসে থাকতে দেখে। এলাকাবাসী থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে। লাশের শরীরের বিভিন্নস্থানে আঘাতের চিহ্ন দেখা যায়।

পরে নিহতের ভাই ইউনুস আলী বাদী হয়ে সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করে। মামলায় চিকিৎসক ও আইওসহ মোট ৯ জন স্বাক্ষী স্বাক্ষ্য প্রদান করেন।

আসামী পক্ষের মামলা পরিচালনা করেন এডভোকেট আইয়ুব আলী। তিনি জানান,এ রায়ের বিরুদ্ধে তারা উচ্চ আদালতে আপিল করবেন।

 

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪. জানুয়ারী ২০২২ ০২:১৮:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ট্রাক উল্টে দুই শ্রমি‌ক নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ট্রাক উল্টে দুই শ্রমি‌ক নিহত

একতার কণ্ঠঃ  টাঙ্গাইলে কাঠবোঝাই এক‌টি ট্রাক উল্টে দুই শ্রমি‌কের মৃত্যু হ‌য়ে‌ছে। এতে আহত হ‌য়ে‌ছেন আরও চারজন। বৃহস্পতিবার (১৩ জানুয়ারি) বিকেলে সদর উপজেলার কাতুলী গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতদের মধ্যে একজনের পরিচয় জানা গেছে। তিনি সদর উপজেলার মাহমুদনগর ইউনিয়নের পারবহুলী গ্রামের ছলিম উদ্দিনের ছেলে সরোয়ার হোসেন (৩৫)।

কাতু‌লী ইউনিয়ন প‌রিষ‌দের চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন জানান, কাতুলী ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম থেকে ইটভাটার কাঠ কিনে কয়েকজন শ্রমিককে নিয়ে ট্রাকটি টাঙ্গাইল শহরের দিকে যাচ্ছিল। চালক হেলপারকে দি‌য়ে ট্রা‌ক চালা‌তে দি‌য়ে ভেতরেই ঘুমাচ্ছিলেন। প‌রে ট্রাক‌টি কাতুলী এলাকায় আসলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়‌কের নিচে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই একজন শ্রমিক নিহত হন। দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা আহত চারজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে আরও একজনের মৃত্যু হয়। আহত তিনজনকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪. জানুয়ারী ২০২২ ০১:৩২:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে পৃথক দুর্ঘটনায় নিহত ২ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে পৃথক দুর্ঘটনায় নিহত ২

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে কালিহাতী ও ভূঞাপুরে ট্রেনে কাটা পড়ে পিকআপ চালক ও এক বৃদ্ধা  নিহত হয়েছেন।এদের মধ্যে চালকের পরিচয় পাওয়া গেলেও বৃদ্ধার  পরিচয় পাওয়া যায়নি। নিহত পিকআপ চালক ঘাটাইল উপজেলার টেপি কুশারিয়া গ্রামের তারা মিঞার ছেলে জুয়েল মিঞা (২৯)।

বৃহস্পতিবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে ভূঞাপুর উপজেলার অলোয়া ইউনিয়নের খড়ক রেলক্রসিং এলাকায় পিকআপের সঙ্গে ট্রেনের সংর্ঘষ হয়ে একজন নিহত। এছাড়া একই সময়ে কালিহাতী উপজেলার সরাতৈল এলাকায় ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাত বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে।

জানা গেছে, জুয়েল মাল বোঝাই পিকআপ নিয়ে ভূঞাপুর উপজেলার খড়গ-নিকলা অরক্ষিত রেলক্রসিং পাড় হচ্ছিল। এসময় ট্রেনের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে পিকআপ দুমড়েমুচড়ে যায়। পরে স্থানীয়রা পিকআপ চালককে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করে।

এদিকে ,একই সময় কালিহাতী উপজেলার সরাতৈল এলাকায় ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাতপরিচয় বৃদ্ধা নারীর মৃত্যু হয়েছে।

বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার মারফিন হাসান জানান, দুপুরের দিকে উত্তরবঙ্গগামী একতা এক্সপ্রেস ট্রেনে কাটা পড়ে ওই বৃদ্ধা নিহত হয়েছেন। বিষয়টি রেলওয়ে পুলিশকে জানানো হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪. জানুয়ারী ২০২২ ০১:৩১:এএম ৫ বছর আগে
মাওলানা ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয় অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনে নতুন কমিটি - Ekotar Kantho

মাওলানা ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয় অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনে নতুন কমিটি

একতার কণ্ঠঃ মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন দ্বি-বার্ষিক কার্যকরি পরিষদ নির্বাচনে শাপলা প্যানেলের মজনু-বিদ্যুৎ পরিষদ থেকে সভাপতি পদে মো. মফিজুল ইসলাম মজনু ও সাধারণ সম্পাদক পদে ড. ইকবাল বাহার বিদ্যুৎ নির্বাচিত হয়েছেন।

বুধবার (১২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ভোট গণনা শেষে তাদের বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।

এর আগে সকাল ৯ টা ৩০ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় একাডেমিক ভবনের শিক্ষক লাউঞ্জে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

এছাড়া মজনু-বিদ্যুৎ পরিষদ থেকে সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে মো. ছাদিকুল হক, সহ-সভাপতি পদে সত্য সাহা, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক পদে এম.এ আজাদ সোবহানী আল ভাসানী, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, অর্থ সম্পাদক পদে মোহাম্মদ আবুল হোসেন, সহ-অর্থ সম্পাদক পদে মোহাম্মদ ফরিদুজ্জামান ফারুকী, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে মো. রেজাউল করিম, ক্রীড়া ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক পদে মোহাম্মদ রাশেদুজ্জামান রাশেদ, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে মোহাম্মদ মেহের আলী, দপ্তর সম্পাদক পদে মো. শহিদুল ইসলাম, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক পদে আমজাদ হোসেন, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক পদে সোনিয়া পারভীন, সদস্য পদে এস. এম সেলিম মিয়া, মো. ফারুক হোসেন, ডা. হারুন-অর-রশিদ রাসেল, মোহাম্মদ আব্দুর রফিক ও সদস্য মুহাম্মদ ইপিয়ার হোসেন নির্বাচিত হয়েছেন।

উল্লেখ্য, নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ২৪৩। নির্বাচন পরিচালনা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার মো. মাকসুদুর রহমান, নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মনির ও মো. গোলাম মওলা।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. জানুয়ারী ২০২২ ০৫:১৫:পিএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে শরীরে আগুন জ্বালিয়ে গৃহবধূর আত্মহত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে শরীরে আগুন জ্বালিয়ে গৃহবধূর আত্মহত্যা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে ঘরোয়া ভাবে শালিসি বৈঠক শেষে সোমা আক্তার (১৯) নামের এক গৃহবধূ শরীরে আগুন জ্বালিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।  বুধবার(১২ জানুয়ারী) ভোর রাতে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানায় তার স্বজনরা। উপজেলার বোয়ালী পশ্চিমপাড়া গ্রামে ওই গায়ে আগুন দেওয়ার ঘটনাটি ঘটেছে। নিহত সোমা আক্তার ওই এলাকার এরশাদ মিয়ার স্ত্রী।

তবে  আত্মহত্যা নয় আগুন জ্বালিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবী করেছেন নিহত সোমার মা পারভীন আক্তার। এ ঘটনায় কেউ থানায় অভিযোগ করে নাই  বলে জানিয়েছে সখীপুর থানা পুলিশ।

এলাকাবাসী জানায়, পারিবারিকভাবে বনাবনি না হওয়ায় গত শনিবার(৮ জানুয়ারী) দুপুরে এরশাদের বাড়িতে একটি শালিসি বৈঠক হয়। তার কিছুক্ষণ পর বাড়ির উঠোনে দাঁড়িয়ে সোমা নিজেই শরীরে আগুন জ্বালিয়ে দেয়। এ ঘটনার চার দিন পর চিকিৎসারত অবস্থায় সে মারা যায়।

ওই এলাকার স্থানীয় ইউপি সদস্য ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি শফিকুল ইসলাম জানায়, মেয়েটা নিজেই শরীরে আগুন ধরিয়ে দেয়। আমি তখন ওই বাড়ির রান্না ঘরের পাশে ছিলাম। শালিসি বৈঠকের কথা জিজ্ঞাস করলে তিনি বলেন আমি ঢাকায় যাচ্ছি। সন্ধ্যায় সব বলবো বলে ফোন কেটে দেয়।

মেয়ের মা পারভীন আক্তার বলেন, আমার মেয়েকে আগুন দিয়ে পুড়ার সময় মেয়ে কাইন্দ্যা কাইন্দ্যা কইছে আমারে বাঁচাও, কেউ এক কলসি পানি নিয়ে আসো। কিন্তু কেউ পানি নিয়ে এগিয়ে আসে নাই। এর আগেও আমার মেয়েকে লোহার প্যারাক (রড) দিয়ে শ্যাক দিতো। কত কইছি তোরে নিয়া যামুগা, আমার ম্যায়ায় (মেয়ে) কইছে একটা বাচ্ছা হইছে, আমি এখান থেকে যামুনা। কিন্তু পাশান স্বামী, শ্বশুর মিলে আমার মেয়েকে আগুন ধরিয়ে পুইড়া মারছে। আমি এর বিচার চাই।

মেয়ের মা পারভীন আক্তার আরও জানায়, প্রায় চার বছর আগে মির্জাপুর উপজেলার গয়রামপুর গ্রামের নইমুদ্দিনের মেয়ে সোমা আক্তারের সাথে সখীপুর উপজেলার বোয়ালীা পশ্চিমপাড়া ্এলাকার সোমেশ আলীর ছেলে এরশাদ মিয়ার সাথে বিয়ে হয়। এর আগেও এরশাদ একটি বিয়ে করেছিলেন। আর এ ঘটনা আমরা বিয়ে পরে জানি। সেই ঘরে একটি ১৫ বছরের মেয়ে আছে। সেই সংসার নিয়েও মামলা চলছে।

সখীপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) এ.কে সাইদুল হক ভূ্ইঁয়া বলেন, আগুনে পুড়ে এক গৃহ বধূর মৃত্যু হয়েছে বলে শুনেছি কিন্তু  কেউ থানায় লিখিত ভাবে অভিযোগ করেনি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. জানুয়ারী ২০২২ ০১:১৪:এএম ৫ বছর আগে
পাথরাইলের বান্দাবাড়ীঃ যেন ভিন গ্রহের এক গ্রাম - Ekotar Kantho

পাথরাইলের বান্দাবাড়ীঃ যেন ভিন গ্রহের এক গ্রাম

একতার কণ্ঠঃ  টাঙ্গাইল সদর থেকে দক্ষিনে মাত্র ৯ কিলোমিটার দূরে গ্রামটির অবস্থান । টাঙ্গাইল-নাগরপুর-আরিচা আঞ্চলিক মহাসড়কের ভুরভুরিয়া বাস স্ট্যান্ড থেকে মাত্র ৫ শত মিটার দূরে অবস্থিত গ্রামটির নাম বান্দাবাড়ী। গ্রামের মাঝ দিয়ে চলে গেছে গ্রামবাসির এক মাত্র চলাচলের কাঁচা রাস্তাটি। গ্রামের ১১০টি ঘরের ৪১৩ জন লোকের চলাচলের রাস্তাও এটি। নেই কোন প্রাথমিক বিদ্যালয়, গ্রামীন স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র।গ্রামের শিশু-কিশোরদের খেলার কোন মাঠ পর্যন্ত নেই। বিগত দুই যুগে গ্রামে কোন অবকাঠামোগত উন্নয়ন ঘটেনি । ২০২২ সালে এসেও মনে হয় দুই যুগ আগের বাংলার কোন গ্রাম যেন এটি।

দেলদুয়ার উপজেলার পাথরাইল ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের এই গ্রামটির নাম ইউনিয়ন পরিষদ বোর্ডে লেখা আছে বান্দাবাড়ী। কেবল লেখা পর্যন্তই অস্তিত্ব জানান দিচ্ছে এই গ্রামের।নির্বাচন আসে,নির্বাচন যায়। সরকার আসে, সরকার যায়।বান্দাবাড়ী গ্রামবাসীদের আজো কাঁচা রাস্তায় চলাচল করতে হয়।গ্রামের শিশুদের পড়ালেখা করতে পাশের ইউনিয়ন আটিয়ার গমজানী প্রাথমিক বিদ্যালয় না হলে ভুরভুরিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যেতে হয়। পাশের ইউনিয়নের গ্রাম গুলোর রাস্তা-ঘাটের অনেক উন্নয়ন হলেও,উন্নয়ন বঞ্চিত এই গ্রাম। বান্দাবাড়ী গ্রামবাসীদের কেবল মিলেছে প্রতিশুতি পর প্রতিশুতি।নিজ ইউনিয়নে পরবাসী যেন বান্দাবাড়ী গ্রাম।

গ্রামের প্রবীন বাসিন্দা মোঃ গঞ্জের আলী বলেন, গ্রামের এক মাত্র কাঁচা রাস্তাটির সর্বশেষ উন্নয়ন হযেছিল ১৯৮৬ সালে। তৎকালিন চেয়ারম্যান মোঃ আয়াত আলী খান বর্তমান চলাচলের একমাত্র কাঁচা রাস্তাটি করে দিয়েছিলেন। তার পর আর কোন উন্নয়ন দেখেনি বান্দাবাড়ী গ্রামের লোক জন।

তিনি আরো বলেন, তার জীবদ্দশায় আর গ্রামের কাঁচা রাস্তাটির উন্নয়ন দেখে যেতে পারবে কিনা তার যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে।পাথরাইল ইউনিয়নের দক্ষিন-পশ্চিম সর্বশেষ অংশে গ্রামটির অবস্থান হওয়ায় নির্বাচন ব্যতিত কোন জন প্রতিনিধি গ্রামে আসে না। তিনি এখন আর কোন জনপ্রতিনিধিকে গ্রামের উন্নয়নের বিষয়ে অনুরোধ করেন না।

Ekotar kantho

একই গ্রামের গৃহবধু ছালমা বেগম বলেন, তার এই গ্রামে বিবাহ হয়েছে প্রায় ১৪ বছর হল। নববধূ হিসেবে গ্রামে এসে যে অবস্থা দেখেছেন, আজ ১৪ বছর পর একই অবস্থা দেখছেন বান্দাবাড়ী গ্রামের।বিশেষ করে বৃষ্টির দিনে এই গ্রামে কেও আসতে চায় না। সে সময় কোন রুগিকে গ্রামের এই রাস্তা দিয়ে বহন করে শহরের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়াও প্রায় অসম্ভব হয়ে পরে।

এই গ্রামের তরুন যুবক মোঃ সাদ্দাম হোসেন বলেন, গ্রামের উন্নয়নে কোন চেয়ারম্যান কিম্বা মেম্বার এখন পর্যন্ত নজর দেয়নি। এমনকি স্থানীয় সাংসদ এই গ্রামের কোন উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহন করেনি। বান্দাবাড়ী গ্রাম যেন ভিন গ্রহের কোন গ্রাম।

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ মেম্বার মোঃ আবুল কাশেম বলেন, তিনি সদ্য নির্বাচিত। তবে তিনি বান্দাবাড়ী গ্রাম ও রাস্তার বেহাল অবস্থার কথা শুনেছেন। গ্রামটি ইউনিয়ন হতে বিচ্ছিন্ন হওয়ায় দীর্ঘ দিন হল উন্নয়ন বঞ্চিত।তিনি চেষ্টা করবেন যত দ্রুত সম্ভব রাস্তাঘাট সহ গ্রামের উন্নয়ন করার।

Ekotar Kantho

পাথরাইল ইউনিয়ন পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান রাম প্রসাদ সরকার জানান, গ্রামটি আসলেই উন্নয়ন বঞ্চিত।দীর্ঘদিন হল গ্রামের মানুষের চলাচলের একমাত্র রাস্তার কোন উন্নয়ন হয়নি।বর্ষা কালে এই গ্রামের মানুষের চলাচল কষ্টকর হয়ে পড়ে।

তিনি আরো জানান, তিনি চেয়ারম্যান হয়েই বান্দাবাড়ী গ্রামের রাস্তা পাঁকা করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করেছেন। ইতোমধ্যে গ্রামের ১ কিলোমিটার কাঁচা সড়কটির স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়(এলজিইডি) বিভাগ থেকে মাপ-ঝোক করে নিয়ে গেছে। আশা, করি খুব দ্রুতই রাস্তার কাজ শুরু করা হবে। এ ছাড়া বান্দাবাড়ী গ্রামের উন্নয়নে সব ধরনের সহযোগিতা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১২. জানুয়ারী ২০২২ ০৪:০০:পিএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগে গ্রেপ্তার ১ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগে গ্রেপ্তার ১

একতার কণ্ঠঃ  টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার পাকুল্যা এলাকায় সোমবার(১০ জানুয়ারী) দিনগত রাতে অভিযান চালিয়ে ব্ল্যাকমেইল করার অভিযোগে মো. লুৎফুর রহমান(৪০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।

গ্রেপ্তারকৃত মো. লুৎফুর রহমান মির্জাপুরের চিতেশ্বরী গ্রামের মো. মাইনুল হকের ছেলে। তিনি একটি ওষুধ কোম্পানীতে চাকুরিরত।

র‌্যাব-১২ জানায়, ওষুধ কোম্পানীতে চাকুরির সুবাদে মো. লুৎফুর রহমান জনৈক মহিলার সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে। প্রেমের এক পর্যায়ে তিনি ওই নারীকে ফুসলিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করে এবং তা গোপনে মোবাইলে ভিডিও ধারণ ও ছবি তুলে রাখে। পরে ওই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল করার ভয় দেখিয়ে বিভিন্ন সময়ে প্রায় ২০ লাখ টাকা ও ১৫ ভরি স্বর্ণালঙ্কার হাতিয়ে নেয় এবং ধর্ষণ করে। মো. লুৎফুর রহমান ওই নারীকে নানা সময়ে ধর্ষণের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন স্থানে ডেকে নেয়। এতে ওই নারী মানসিকভাবে চাপের মুখে পড়ে। এক পর্যায়ে ওই নারী টাঙ্গাইল র‌্যাব কার্যালয়ে অভিযোগ করেন।

র‌্যাব-১২ আরও জানায়, অভিযোগ পেয়ে সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের কোম্পানী কমান্ডার লে. কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুনের নেতৃত্বে র‌্যাবের একটি টিম তদন্তে নামে। তারা তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে পাকুল্যা থেকে মো. লুৎফুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে।

এ সময় তার কাছে থাকা ভিডিও ও ছবি জব্দ করা হয়। মো. লুফুর রহমান প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে ওই নারীকে ধর্ষণ ও টাকা হাতিয়ে নেওয়ার কথা স্বীকার করেছে।

এ বিষয়ে মির্জাপুর থানায় পর্ণোগ্রাফি আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. জানুয়ারী ২০২২ ১০:০৩:পিএম ৫ বছর আগে
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী হবে জনগণের বাহিনী- টাঙ্গাইলে সেনা প্রধান - Ekotar Kantho

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী হবে জনগণের বাহিনী- টাঙ্গাইলে সেনা প্রধান

একতার কণ্ঠঃ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল এস.এম.শফিউদ্দিন আহমেদ বলেছেন,বাংলাদেশ সেনাবাহিনী হবে জনগণের বাহিনী। সুখে-দুঃখে সকল সময়ে দেশের মানুষের পাশে থেকে যেকোন প্রয়োজনে সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ করতে সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে সেনাবাহিনী। যে কোন দুর্যোগে আমরা আমাদের সামর্থ্যের মধ্যে সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করতে বদ্ধ পরিকর।

তিনি মঙ্গলবার(১১ জানুয়ারী) দুপুরে টাঙ্গাইলের বড় চওনা কুতুবপুর ডিগ্রী কলেজ মাঠে সাগরদীঘি অঞ্চলের অসহায় ও দুঃস্থ মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে ওই সব কথা বলেন।

সেনা প্রধান আরো বলেন, সারা দেশে আমরা এক লাখ মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেছি, চিকিৎসা সেবা দিয়েছি। এর পাশাপাশি গবাদি পশুরও চিকিৎসা দিচ্ছে সেনাবাহিনী।স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীর একইসাথে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীরও সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন করছি।

অনুষ্ঠানে ১৯ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি ও ঘাটাইল এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল সৈয়দ তারেক হোসেনসহ সেনাবাহিনীর উর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এর পূর্বে তিনি ১৯ পদাতিক ডিভিশন ও ঘাটাইল অঞ্চলের শীতকালীন প্রশিক্ষন পরিদর্শন করেন।এছাড়াও স্থানীয় জনসাধারণকে চিকিৎসা সেবা প্রদানের জন্য পরিচালিত মেডিকেল ক্যাম্পেইনের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন তিনি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. জানুয়ারী ২০২২ ০৯:৫৮:পিএম ৫ বছর আগে
অনুর্দ্ধ-১৪ জাতীয় ক্রিকেটে টাঙ্গাইল জেলা দল হ্যাট্রিক চ্যাম্পিয়ন - Ekotar Kantho

অনুর্দ্ধ-১৪ জাতীয় ক্রিকেটে টাঙ্গাইল জেলা দল হ্যাট্রিক চ্যাম্পিয়ন

একতার কণ্ঠঃ ইয়ং টাইগার্স অনুর্দ্ধ-১৪ জাতীয় ক্রিকেটে ঢাকা বিভাগ উত্তরের হ্যাট্রিক চ্যাম্পিয়ন হওযার গৌরব অর্জন করেছে টাঙ্গাইল জেলা দল। রবিরার(৯ জানুয়ারী) প্রতিযোগিতার ফাইনালে টাঙ্গাইল জেলা দল ময়মনসিংহ সার্কিট হাউজ মাঠে শক্তিশালী ময়মনসিংহ জেলা দলকে ২৮ রানে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়।

রবিবার সকালে টাঙ্গাইল জেলা দলের অধিনায়ক এহসানুল হক মাহিম টসে জিতে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত গ্রহন করেন। কুয়াশা ভেজা পিচের কারনে শুরুতেই টাঙ্গাইল ব্যাটিং বিপর্যয়ে পরে। দলীয় অধিনায়ক মাহিম এক প্রান্ত আগলে রেখে ৭৩ বলে ৪৯ রান করে রান আউটের শিকার হয়। তখন দলের হাল ধরেন উজ্জল মিঞা। টাঙ্গাইল জেলা দল নির্ধারিত ৫০ ওভার খেলতে পারেনি। ৪২ ওভার ৩ বল খেলে টাঙ্গাইল জেলা সব কয়টি ইউকেট হারিয়ে ১২৫ রান সংগ্রহ করে।

জবাবে ১২৬ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ময়মনসিংহ জেলা দল ৪৬ ওভার ১ বলে ৯৭ রানে অল-আউট হয়ে যায়। টাঙ্গাইল জেলা দলের পক্ষে বাহাতি স্পিনার অল-রাফি ৯ ওভার বল করে মাত্র ৭ রান দিয়ে ৪টি ইউকেট লাভ করে। ফলে টাঙ্গাইল জেলা দল ফাইনালে ২৮ রানে জয় লাভ করে।

 

টাঙ্গাইল জেলা  এই প্রতিযোগিতায় পর পর তিনবার জয়লাভ করে হ্যাট্রিক চ্যাম্পিয়ন হয় । ম্যান অফ দি টুর্নামেন্ট নির্বাচিত হন টাঙ্গাইল জেলা দলের অধিনায়ক এসহানুল হক মাহিম।

টাঙ্গাইল জেলা অনুর্দ্ধ-১৪ ক্রিকেট দলের খেলোয়ারগণ হলেনঃ- এহসানুল হক মাহিম(অধিনায়ক), রাকিবুল ইসলাম রাকিব(ইউকেট কিপার) জুনায়েদুল ইসলাম জারিফ, রাইয়ান আপন, আল-রাফি, রামিম হাসান, শাওন দেওয়ান, ইমরান হোসেন, তওফিকুল ইসলাম মাফি, মহারাজ বসাক, আরিফুল ইসলাম,উজ্জল মিঞা।

টাঙ্গাইল জেলা দলের ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন জহিরুল ইসলাম খান সম্রাট ও কোচ হিসেবে ছিলেন বিসিবি নিয়োজিত টাঙ্গাইল জেলা ক্রিকেট দলের কোচ মোঃ আরাফাত রহমান।

এই জয় প্রসঙ্গে টাঙ্গাইল জেলা দলের বয়সভিত্তিক ক্রিকেট কোচ আরাফাত রহমান বলেন, টাঙ্গাইল জেলাবাসীকে পর পর তিন বার ইয়ং টাইগার্স অনুর্দ্ধ-১৪ জাতীয় ক্রিকেট প্রতিযোগিতার ট্রফি এনে দিতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। আশা করি, অনুর্দ্ধ-১৮ ও অনুর্দ্ধ-১৬ জাতীয় ক্রিকেটেও টাঙ্গাইল জেলা দল ভালো ফলাফল করবে।

প্রকাশ, গ্রুপ পর্বের প্রথম খেলায় টাঙ্গাইল জেলা দল জামালপুর জেলা দলকে মাত্র ২৬ রানে অল-আউট করে, ১০ ইউকেটে জয় লাভ করে। পরের খেলায় নেত্রকোনা জেলা দলের বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল জেলা দল ৫০ ওভারে ৩৭১ রান করে। টাঙ্গাইল জেলা দলের ব্যাটসম্যান রাকিবুল আরাফাত ১৩০ রান ও মহারাজ বসাক ১০০ রান করে। খেলায় টাঙ্গাইল জেলা দল রেকর্ড ৩৪০ রানে জয় লাভ করে।

 

গ্রুপ পর্বের শেষ খেলায় টাঙ্গাইল জেলা দল মানিকগঞ্জ জেলা দলকে ৬২ রানে পরাজিত করে।সেমি-ফাইনালে গাজিপুর জেলা দলকে টাঙ্গাইল ২৬ রানে হারিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করে।

প্রতিযোগিতায় কোন জেলা দলই টাঙ্গাইল জেলা দলের বিরুদ্ধে শত রান করতে পারেনি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. জানুয়ারী ২০২২ ০১:২৯:এএম ৫ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।