একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ট্রেনের ধাক্কায় সাহেব আলী মন্ডল (২৮) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার (০১ জুলাই) দুপুরে উপজেলার জোকারচর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত সাহেব আলী মন্ডল উপজেলার গোহালিয়াবাড়ী ইউনিয়নের গোহালিয়াবাড়ী গ্রামের মৃত কলিম উদ্দিন মন্ডলের ছেলে।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, দুপুরে রেললাইনের পাশে গরু চড়াচ্ছিল। এসময় ভারত থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী মৈত্রী এক্সপ্রেস ট্রেনের ধাক্কায় রেললাইনের পাশেই ছিটকে পড়ে ঘটনাস্থলে মারা যান তিনি।
গোহালিয়াবাড়ী ইউনিয়নের ইউপি সদস্য নুরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ট্রেন দুর্ঘটনার পর পরই ওই যুবকের মৃত্যুর খবর শুনে মরদেহ উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে যায় স্বজনরা।
এ ব্যাপারে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব রেলস্টেশনে কর্মরত স্টেশন মাস্টারের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, ট্রেনে কাটা পড়ে নিহতের কোন খবর তিনি পাননি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুরে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার(১ জুলাই) সকালে উপজেলার আলোকদিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ লাউফুলা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।মধুপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাজহারুল আমিন মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহতরা হলো- উপজেলার আলোকদিয়া ইউনিয়নের লাউফুলা গ্রামের মোস্তফা আলীর ছেলে তানভীর (৯) এবং প্রবাসী হাফিজুর রহমানের ছেলে জিহাদ ইসলাম (১২)।
তারা লাউফুলা এলাকায় আনোয়ারা মেমোরিয়াল কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষার্থী ছিল।
আলোকদিয়া ইউপি সদস্য নুরুল ইসলাম জানান, সকালে পরিবারের কাউকে না জানিয়ে বাড়ির পাশে একটি পুকুরে মাছ ধরতে যায় লিমন, তানভীর ও জিহাদ। তাদের মধ্যে তানভীর ও জিহাদ পুকুরে পড়ে গিয়ে ডুবে যায়।
এসময় অপর শিশু লিমন বাড়িতে গিয়ে তার পরিবারকে জানায়। পরে স্থানীয়রা ঘটনাস্থল থেকে দুই শিশুকে উদ্ধার করে মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
মধুপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাজহারুল আমিন জানান, পুকুরের পানিতে ডুবে দুই শিশু মারা যাওয়ার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কাগমারা ভাঙারপাড় এলাকায় বন্যার পানির স্রোতে ভেঙে যাওয়া স্থানে জনদুর্ভোগ লাঘবে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করেছে এলাকাবাসী।
বুধবার (২৯ জুন) সন্ধ্যায় নিজেদের অর্থায়নে ভাঙা সড়কের ওই অংশে বাঁশের সাঁকো দিয়ে চলাচলের উপযোগী করা হয়।
এর আগে গত রোববার (২৬ জুন) সন্ধ্যায় বন্যার পানির প্রবল স্রোতে পাকা সড়কটি ভেঙে গিয়ে টাঙ্গাইল শহরের সঙ্গে সদর উপজেলার পশ্চিম ও উত্তরাঞ্চলের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়। জনপ্রতিনিধিরা দুর্ভোগ লাঘবে দ্রুত সময়ে মধ্যে মেরামতের ব্যবস্থার আশ্বাস দিলেও তা বাস্তবায়ন না হওয়ায় এ পদক্ষেপ নেন তারা।
স্থানীয়রা জানান, টাঙ্গাইল-যুগনী সড়কের কাগমারা এলাকায় ভেঙে যাওয়ার ফলে সদর উপজেলার বাঘিল ও দাইন্যা ইউনিয়নের কয়েক গ্রামের মানুষ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন। সড়কটি ভেঙে বন্যার পানি ঢুকে পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের কাগমারা, দাইন্যা ইউনিয়নের বাইমাইল, বাসারচর, লাউজানা ও বাঘিল ইউনিয়নের কোনাবাড়ী ও ধরেরবাড়ী গ্রামের ফসলি জমি তলিয়ে গেছে। টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এস এম সিরাজুল হক আলমগীর, সদর উপজেলার পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী এবং স্থানীয় কাউন্সিলর সাইফুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জনদুর্ভোগ লাঘবের আশ্বাস দিলেও তিনদিনে তা বাস্তবায়ন হয়নি।
পরে বুধবার বিকেলে ওই এলাকার আব্দুস সবুর মাতব্বর, ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম স্বপন, আজাদ ফকির, আফসার ফকির, লাল মিয়া, শিহাব মিয়া, ঘটু মিয়া, টুটুল মিয়া, শাহিন মিয়া, রাজু মিয়াসহ যুবকদের উদ্যোগে ও নিজেদের অর্থায়নে বাঁশের ওই সাঁকোটি নির্মাণ করা হয়েছে। এতে যানবাহন চলাচল করতে না পারলেও মানুষ পারাপার হতে পারছে। ফলে মানুষের দুর্ভোগ অনেকটা লাঘব হয়েছে।
ওই এলাকার বাসিন্দা ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম স্বপন বলেন, এই সড়ক দিয়ে শহরের সঙ্গে বাঘিল ইউনিয়নের দুর্গম যমুনার চরের মানুষ যাতায়াত করে। অনেকেই এই সড়ক দিয়ে মাঝ রাতেও বাড়ি ফেরেন। সড়কটি বন্যায় ভেঙে যাওয়ায় হাজার হাজার মানুষের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। জনপ্রতিনিধিরা দুর্ভোগ লাঘবের আশ্বাস দিলেও তা এখনো বাস্তবায়ন হয়নি। এ কারণে এলাকাবাসীর উদ্যোগে ও সহযোগিতায় বাঁশের সাঁকোটি নির্মাণ করা হয়েছে।
স্থানীয়দের টাকায় সাঁকো নির্মাণের কথা স্বীকার করেছেন ৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সাইফুল ইসলাম।
তিনি বলেন, দুই-একদিনের মধ্যেই জনসাধারণের চলাচলের জন্য পৌর অর্থায়নে সড়কটির মেরামত কাজ শুরু হবে।
এ বিষয়ে টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এস এম সিরাজুল হক আলমগীর বলেন, দ্রুতই সড়কটি মেরামত করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার আটিয়া ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি নির্বাচনের নৌকার পরাজিত চেয়ারম্যান প্রার্থী কৃষ্ণ কান্তিসহ তার অনুসারীদের উপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী।
বুধবার (২৯ জুন) বিকেলে উপজেলার আটিয়া ইউনিয়নের টাঙ্গাইল-আরিচা সড়কে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন করেন এলাকাবাসী। হিঙ্গানগর গ্রামের কলাবাগানে সড়কের আয়োজিত মানববন্ধনে নারী, পুরুষ, শিশু বৃদ্ধসহ প্রায় পাঁচ শতাধিক মানুষ অংশ নেয়।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সুভাস চন্দ্র সাহা, জেলা পুজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক আনন্দ মোহন দে, দেলদুয়ার উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি জ্ঞানেন্দ্র বাবু, সাধারণ সম্পাদক লায়ন শিবলী সাদিক, আটিয়া ইউনিয়নে নৌকার পরাজিত প্রার্থী কৃষ্ণ কান্ত দে সরকার, শিক্ষক সুনীল দে ও দেলদুয়ার উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ওয়াদুল ইসলাম প্রমুখ।
এ সময় বক্তারা বলেন, এটা একটা পরিকল্পিত হামলা। কৃষ্ণ কান্তি দের উপর হামলারকারীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করা না হলে পরবর্তীতে কঠোর থেকে কঠোরতর আন্দোলনের হুশিয়ারি দেন বক্তারা।
এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও দেলদুয়ার থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. মামুন মিয়া জানান, ২৭ জুন হামলার ঘটনায় তিনজনের নাম উল্লেখসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। আসামীরা পলাতক রয়েছে। এরপরও আসামী গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ১৫ জুন টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার আটিয়া ইউনিয়নে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গত ২৬ জুন রোববার বিকেলে ইউনিয়নের ছিলিমপুর বাজারে আওয়ামী লীগের পরাজিত প্রার্থী ও আটিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগেরর সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণ কান্তি দে সরকারসহ তার অনুসারীদের উপর সন্ত্রাসী হামলা চালানো হয়।
একতার কণ্ঠঃ: বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারীদের পেশাগত বৈষম্য দূরীকরণ ও কর্মচারী নিয়োগ, পদোন্নতি ও পদোন্নয়ন সংক্রান্ত ইউজিসি কর্তৃক প্রণীত অভিন্ন নীতিমালা প্রতিহত ও বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন করেছে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণী কর্মচারী সমিতি। বুধবার(২৯ জুন) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে বাংলাদেশ আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী ফেডারেশন (বাআবিকফ) এর আহবানে ওই মানববন্ধন কর্মসুচি পালিত হয়।
মানববন্ধন কর্মসুচিতে বক্তব্য রাখেন:- ৩য় শ্রেণী কর্মচারী সমিতির সভাপতি এস এম মাহফুজুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন এবং ৪র্থ শ্রেণী কর্মচারী সমিতির সভাপতি মোঃ আমিনুর ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ আজিজুল হাকিম।
মানববন্ধন কর্মসুচিতে বক্তাগণ বলেন, ইউজিসি কর্তৃক প্রণীত প্রহসনের অভিন্ন নীতিমালা অনতিবিলম্বে প্রত্যাহার বা সংশোধন না করা হলে বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল কর্মচারীবৃন্দ আরও কঠোর কর্মসুচি গ্রহণ করতে বাধ্য হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সৃষ্টি একাডেমিক স্কুলের ছাত্রাবাসে শিশু শিক্ষার্থী শিহাব মিয়াকে হত্যা মামলায় ওই স্কুলের এক শিক্ষককে মঙ্গলবার (২৮ জুন) পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
ওই শিক্ষকের নাম আবু বক্কর (৩৫)। তিনি সৃষ্টি একাডেমিক স্কুলের আবাসিক শিক্ষক। রোববার (২৬ জুন) রাতে পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে। শিহাবের মা আসমা আক্তার বাদী হয়ে সোমবার (২৭ জুন) আবু বক্করকে প্রধান আসামি করে ছয় শিক্ষকের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন। মামলায় অজ্ঞাত আরও সাত/আট জনকে আসামি করা হয়।
টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মোশারফ হোসেন জানান, মামলা দায়েরের পর আবু বক্করকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পরে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়।
টাঙ্গাইলের আদালত পরিদর্শক তানভীর আহমেদ জানান, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হাবিবুর রহমান সাত দিনের রিমান্ড চান। শুনানি শেষে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. শামসুল আলম পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
প্রকাশ, গত ২০ জুন শহরের বিশ্বাস বেতকা সুপারি বাগান এলাকার সৃষ্টি একাডেমিক স্কুলের ছাত্রাবাস থেকে পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্র শিহাবের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে ছাত্রাবাসের আবাসিক শিক্ষকরা তার মরদেহ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান।
শিহাব সখীপুর উপজেলার বেরবাড়ী গ্রামের প্রবাসী ইলিয়াস হোসেনের ছেলে। শিহাবকে চার মাস আগে সৃষ্টি একাডেমিক স্কুলে ভর্তি করা হয়। সে সুপারি বাগান এলাকায় ওই স্কুলের ছাত্রাবাসে সপ্তম তলায় থাকতো।
টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে মর্গে শিহাবের ময়না তদন্ত হয়। শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক বিভাগে সহকারী অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম মিয়ার নেতৃত্বে তিন সদস্যের চিকিৎসক দল শিহাবের ময়না তদন্ত করেন। গত রোববার (২৬ জুন) টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান ময়না তদন্তের প্রতিবেদন পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে পাঠান। শিহাবকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
শিহাবের মরদেহ উদ্ধারের পর মৃত্যুর কারণ ও হত্যায় জড়িতদের শাস্তির দাবিতে দফায় দফায় মানববন্ধন এবং বিক্ষোভ মিছিল করেছে শহরের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (২৮ জুন) দুপুরে শহরের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে শিহাব হত্যার বিচারের দাবিতে জেলা ছাত্রলীগ সমাবেশ করে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুরে স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার (২৮ জুন) সকালে উপজেলার গোলাবাড়ি ইউনিয়নের লোকদেও গ্রামে ওই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় স্বামী, সতীন হাসনা ও তার সন্তান হাসান সহ বেশ কয়েক জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেয়া হয়েছে। মধুপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মুরাদ হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত শেফালি বেগম (৪৫) ওই গ্রামের গোলাপ হোসেনের স্ত্রী।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানা যায়, গোলাপ হোসেনের দুই স্ত্রী। পারিবারিক কলহের জেরে গত এক সপ্তাহ পূর্বে প্রথম স্ত্রী হাসনাকে তালাক দেন গোপাল হোসেন। পরে স্থানীয় লোকজন শালিসী বৈঠকে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে প্রথম স্ত্রীর সকল পাওয়া-দেওনা পরিশোধ করতে হবে গোলাপ হোসেনকে।
এক পর্যায়ে প্রথম স্ত্রী একটি ঘর বিক্রির সিদ্ধান্ত নেয়। ঘরটি পাঁচ হাজার টাকা দাম করে দ্বিতীয় স্ত্রী রেখে দিতে চাইলেও তাতে দ্বিমত পোষণ করেন হাসনা। সোমবার(২৭ জুন) সন্ধ্যায় তাদের দুই সতীনের মধ্যে বাক-বিতন্ডার সৃষ্টি হয়। বাক-বিতণ্ডার একপর্যায়ে প্রথম স্ত্রীকে দেখে নেয়ার হুশিয়ারি দেয় দ্বিতীয় স্ত্রী। প্রথম স্ত্রী ও তার সন্তান বাড়ি থেকে চলে গিয়ে এক প্রতিবেশির বাড়িতে রাত্রীযাপন করেন।
মঙ্গলবার সকালে প্রথম স্ত্রীর সন্তান তার বাবাকে বাড়িতে ডাকতে গেলে দ্বিতীয় স্ত্রী ক্ষতবিক্ষত লাশের পাশে গোলাপ হোসেনকে দেখতে পায়। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পরে স্থানীয়রা পুলিশকে সংবাদ দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নেয়।
এ প্রসঙ্গে গোলাবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা বাবলু জানান, বিষয়টি তিনি জানার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। লাশ পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। লাশ ময়না তদন্ত শেষে পরিবারিকভাবে দাফন করা হবে।
মধুপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মুরাদ হাসান জানান, সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। লাশের ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণের করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের স্বামী-সতীনসহ বেশ কয়েক জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। মামলার প্রস্তুতি চলছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে সৃষ্টি স্কুলের আবাসিকের পঞ্চম শ্রেণীর শিশু শিক্ষার্থী শিহাবের হত্যার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৭ জুন) দুপুরে টাঙ্গাইল শহরের নিরালা মোড় সংলগ্ন টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় সহস্রাধিক ছাত্র-ছাত্রী ওই কর্মসূচি পালন করে। মানববন্ধন শেষে তারা একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন- জান্নাতুল মাওয়া শ্যামন্তী, ফারহান নিঝুম, মেহেদী হাসান, আসলাম প্রমুখ।
মানববন্ধনে বক্তারা- পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র শিহাব মিয়ার হত্যার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
এদিকে, সৃষ্টি একাডেমিক স্কুলের আবাসিকে শিহাবের লাশ উদ্ধারের পর থেকেই সাধারণ শিক্ষার্থী, সচেতন মহল, ছাত্রলীগ ও তার পরিবারের পক্ষ থেকে টাঙ্গাইল ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন জায়গায় মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে আসছে। তার মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় রবিবার (২৬ জুন) ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে।
এ ঘটনায় রবিবার বিকেলে র্যাব ও পুলিশের যৌথ অভিযানে সৃষ্টি একাডেমিক স্কুলের অধ্যক্ষসহ ৯ শিক্ষককে আটক করা হয়।
টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার জানান, রোববার(২৬ জুন) বিকেল ৪টার দিকে সৃষ্টি স্কুলের আবাসিকের দুই শিক্ষক আবু বকর ও মো. নাসিরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।
আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে র্যাব কমান্ডার এএসপি এরশাদুর রহমান জানান, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য র্যাব ৭ শিক্ষককে ও সদর থানার পুলিশ দুই শিক্ষককে নিয়ে গেছেন। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

প্রসঙ্গত, গত ২০ জুন সন্ধ্যায় টাঙ্গাইল শহরের বিশ্বাস বেতকা সুপারি বাগান এলাকায় সৃষ্টি স্কুলের আবাসিক ভবন থেকে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র শিহাব মিয়ার লাশ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান ভবনে দায়িত্বরত শিক্ষকরা।
মৃত শিহাব মিয়া (১১) জেলার সখিপুর উপজেলার বেরবাড়ি গ্রামের প্রবাসী ইলিয়াস হোসেনের ছেলে।
ওইদিন শিশুটিকে হত্যার অভিযোগ আনে তার পরিবার। পরে লাশ ময়নাতদন্ত শেষে পারিবারের কাছে হস্তান্তর করে পুলিশ।
এঘটনায় প্রাথমিক পর্যায়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে আব্দুর রহিম হত্যা মামলায় চারজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে আসামিদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরো তিন মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।সোমবার (২৭ জুন) দুপুরে টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ২য় আদালতের বিচারক মোহাম্মদ মোরশেদ আলম এ রায় দেন।
অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ১১জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
২০১৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর অপর আসামি ময়েজ উদ্দিন মৃত্যুবরণ করায় তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
সাজাপ্রাপ্তরা হলেন- ধনবাড়ী উপজেলার রামজীবনপুর গ্রামের মৃত ময়েজ উদ্দিনের ছেলে সেজনু মিয়া ও মিজানুর রহমান, একই গ্রামের ফয়জ উদ্দিনের ছেলে মুনসুর আলী এবং গঙ্গাবর গ্রামের মৃত আলী ফকিরের ছেলে জামাল ফকির।
সাজাপ্রাপ্তদের মধ্যে সেজুন মিয়া পলাতাক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
আদালতের সরকারি কৌশলী (পিপি) এস আকবর খান জানান, ২০০৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার রামজীবনপুর গ্রামে আসামিরা একটি জমি দখলে নিয়ে চাষাবাদ করতে যান। জমির মালিক আব্দুর রহিম তাদের বাধা দেয়। এ সময় আসামিরা লাঠি দিয়ে পিটিয়ে আব্দুর রহিমকে গুরুতর আহত করে। আহত অবস্থায় আব্দুর রহিমকে মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরদিন ৩১ ডিসেম্বর আব্দুর রহিম মারা যান।
তিনি আরো জানান, ওই ঘটনায় নিহতের ছেলে মো. সুলতান মিয়া ২০০৫ সালের ৩ জানুয়ারি ধনবাড়ী থানায় ১৬ জনকে আসামি করে মামলা করেন। ধনবাড়ী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাহবুবুল আলম ২০০৫ সালের ২৭ জুলাই আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০০৭ সালের ১৬ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ গঠন করা হয়। দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত রায় ঘোষণা করলেন।
একতা কন্ঠ: টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে আটিয়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের নৌকা মার্কার পরাজিত প্রার্থী কৃষ্ণকান্ত দে সরকারকে পিটিয়ে আহত করেছে দলের জলের ভিতর থাকা প্রতিপক্ষ একটি গ্রুপ। রোববার (২৬ জুন) বিকেলে উপজেলার ছিলিমপুর বেবিস্ট্যান্ডে ওই হামলার ঘটনাটি ঘটে। কৃষ্ণক্রান্ত দে বর্তমানে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। হামলার এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
আহত কৃষ্ণকান্ত আটিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক।
জানা যায়, গত বুধবার (১৫ জুন) সম্পন্ন হওয়া উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়ে কৃষ্ণকান্ত দে সরকার নির্বাচনে পরাজিত হন। হামলাকারীরা নৌকার বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে ঘোড়া প্রতিকের নির্বাচন করেন। এ নিয়ে কৃষ্ণকান্ত দে দলীয় কোন্দল ও শৃঙ্খলার অভাবকে দায়ী করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন। এ ঘটনার জেরে রোববার বিকেলে কৃষ্ণকান্ত টাঙ্গাইল শহর থেকে ফেরার পথে উপজেলার ছিলিমপুর বেবিস্ট্যান্ডে পৌঁছালে তার উপর হামলা করা হয়।
এ প্রসঙ্গে কৃষ্ণ কান্ত দে বলেন, হামলাকারীরা নৌকার বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে ঘোড়া প্রতিকের নির্বাচন করেন। উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক অর্থ বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান কাঠের লাঠি দিয়ে এলোপাথারী পেটাতে শুরু করে। হাবিবের সঙ্গে তার সহযোগী কামরুজ্জামান কফি, ওহাব ও আটিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোজাহারুল ইসলাম মন্টুর ভাই কাওছারও মারপিট শুরু করে। তার চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে এলে তারা পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় রাতেই মামলা করা হবে বলে জানিয়েছে কৃষ্ণ কান্ত দে।
এসময় কৃষ্ণকান্তের স্ত্রী স্কুল শিক্ষিকা দূর্গা রানী সরকার কেও অপমান করে হামলাকারীরা।
দেলদুয়ার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শিবলী সাদিক জানান, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। ফেসবুকে নির্বাচন কেন্দ্রীক পোষ্ট দেওয়ায় এ ঘটনা ঘটেছে। হামলাকারীদের বিরুদ্ধে দলীয় এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
দেলদুয়ার থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাছির উদ্দিন জানান, নির্বাচন সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে সৃষ্টি স্কুলের আবাসিক ছাত্র শিহাবকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে ময়নাতদন্তে উল্লেখ করা হয়েছে। রোববার (২৬ জুন)দুপুরে টাঙ্গাইল সিভিল সার্জন আবুল ফজল মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন হত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
টাঙ্গাইল সিভিল সার্জন আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, এ ঘটনায় হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা লুৎফর রহমান আজাদকে প্রধান করে তিন সদস্যবিশিষ্ট ময়নাতদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অপর দুই সদস্য হলেন, ডাক্তার তানভীর আহম্মেদ ও আবাসিক ফিজিসিয়ান ডাক্তার মো. কামরুজ্জামান। শরীরে কোনো দাগ বা আঘাতের চিহ্ন নেই। শুধু গলায় দাগের চিহ্ন রয়েছে। সেখানে কোনো কিছু পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে ময়নাতদন্তে উল্লেখ করা হয়েছে।
নিহত শিহাব টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার বেরবাড়ী এলাকার সিঙ্গাপুর প্রবাসী ইলিয়াস হোসেনের ছেলে।
গত সোমবার (২০ জুন)সৃষ্টি স্কুলের আবাসিক হলের বাথরুম থেকে শিহাবের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় শিহাবের বাবা স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে শিহাবকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন। ফুঁসে উঠে স্কুলের শিক্ষার্থীরাও। তারাও হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে শাস্তির দাবিতে শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করে।
নিহত শিহাবের চাচা তুষার আহম্মেদ বলেন, আমরা আগেই বলেছিলাম শিহাবকে হত্যা করা হয়েছে। এত ছোট ছেলে আত্মহত্যা করতে পারে না। আমরা স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করব।
সৃষ্টি শিক্ষা পরিবারের চেয়ারম্যান শরিফুল ইসলাম রিপন বলেন, এ ঘটনার সাথে যেই জড়িত থাকুক সুষ্ঠু তদন্ত করে তাকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছি প্রশসানের কাছে।
টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মোশারফ হোসেন জানান, সৃষ্টি স্কুলের আবাসিক হলের বাথরুম থেকে ওই ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। তখন থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়। এখন ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন অনুয়ায়ী হত্যা মামলা হবে।
পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার জানান, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন অনুয়ায়ী অবশ্যই হত্যা মামলা হবে। রোববার বিকেল ৪টার দিকে সৃষ্টি স্কুলের আবাসিকের দুই শিক্ষক আবু বকর ও মো. নাসিরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।
উল্লেখ্য,শিহাবের ফুপাতো ভাই আল আমিন সিকদার জানান, জানুয়ারি মাসে শিহাবকে সৃষ্টি স্কুলের আবাসিকে ভর্তি করা হয়। পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র শিহাব নিয়মিত ভালোভাবেই পড়াশোনা করছিল। হঠাৎ গত সোমবার বিকেলে সৃষ্টি স্কুল থেকে ফোন দিয়ে বলা হয় শিহাব অসুস্থ। আপনারা তাড়াতাড়ি আসেন। পরবর্তীতে ওই নাম্বারে ফোন দিয়ে শিহাবের অসুস্থতার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে স্কুল কর্তৃপক্ষ থেকে বলা হয় সিএনজি দুর্ঘটনায় সে আহত হয়েছে।
পরে তাড়াহুড়ো করে সৃষ্টি স্কুল ভবনের কাছে গেলে সেখানে ঢুকতে না দিয়ে তারা বলে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে যাওয়ার জন্য। হাসপাতালে আসার পর শুনতে পাই শিহাব মারা গেছে। স্কুলের শিক্ষকদের ভাষ্য স্কুলের আবাসিকের বাথরুমে শিহাব আত্মহত্যা করেছে।
একতার কণ্ঠঃ আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস উপলক্ষে টাঙ্গাইলে র্যালি এবং আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস পালন করা হয়েছে।
‘মাদক সেবন রোধ করি, সুন্দর জীবন গড়ি’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে শনিবার (২৬ জুন) সকালে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে একটি র্যালি বের হয়। সেটি শহরের গুরত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষ জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে গিয়ে শেষ হয় পরে সেখানে আলোচনা সভার অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি, পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদসহ শহরের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা।