একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে বেলাল হোসেন নামের এক ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতার মুক্তির দাবিতে সড়ক অবরোধ করছে স্থানীয় আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় বাসিন্দারা।
সোমবার(২৪ এপ্রিল) পৌনে সাতটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত তারা টাঙ্গাইল-জামালপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের ধনবাড়ী উপজেলার ছাতারকান্দি এলাকায় গাছের গুড়ি ফেলে ও টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ কার্যকর করে। এ সময় আন্দোলনকারিরা দফায় দফায় বিক্ষোভ মিছিল করেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বানিয়াজানের ব্যবসায়ি রনি হাসানের সাথে বানিয়াজান ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বেলাল হোসেনের সাথে দীর্ঘদিন ধরে দ্বন্দ্ব চলে আসছে। এই দ্বন্দ্বের জের ধরে হামলা মামলার ঘটনাও ঘটেছে। গত রোববার (২৩ এপ্রিল) রনি হোসেনের সাথে বেলাল হোসেনে কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়। এই ঘটনার জের ধরে রনি হোসেন ধনবাড়ী থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। ওই অভিযোগের প্রেক্ষিতে সোমবার বিকেলে বেলাল হোসেনকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসে ধনবাড়ী থানা পুলিশ। বেলাল হোসেনকে গ্রেপ্তারের খবর পেয়ে তার কর্মী সমর্থকরা বিকেলেই ধনবাড়ী থানা চত্বরে গিয়ে বিক্ষোভ করে। সন্ধ্যা পর্যন্তও তাকে ছেড়ে না দেওয়ায় তারা টাঙ্গাইল-জামালপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের ধনবাড়ী উপজেলার ছাতারকান্দি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় কাঠের গুড়ি ফেলে রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ করে। সন্ধ্যা পৌনে সাতটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত সড়ক অবরোধ চলাকালে টাঙ্গাইল-জামালপুর মহাসড়কে গাড়ি চলাচল বন্ধ থাকে।
স্থানীয় যুবলীগের কর্মী তমাল হোসেন জানান, গত ১৯ মার্চ সন্ধ্যায় ব্যবসায়ি রনি হাসান তার সহযোগিদের নিয়ে বেলাল হোসেনের ওপর আক্রমন করে। এতে বেলাল হোসেন গুরুত্বর আহত হয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। এই ঘটনায় বেলাল হোসেনের দায়ের করা মামলায় রনি হোসেন সম্প্রতি জামিন নিয়ে আসেন। সোমবার রনি হোসেন দায়ের করা মামলায় বেলাল হোসেনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করলে স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও এলাকাবাসী বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেন।
এ ব্যাপারে ধনাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জসিম উদ্দিন জানান, নেতাদের ভুল বুঝাবুঝি থেকে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়েছে। বেলাল হোসেনকে থানায় আনার পর তার কর্মী সমর্থকরা সড়ক অবরোধ করেছিল। বিষয়টি বসে মীমাংসার আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারিরা সড়ক অবরোধ তুলে নেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে খেলতে গিয়ে পাশের পুকুরে পানিতে ডুবে ফাতেমা নামে এক ৭ বছরের শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (২৪ এপ্রিল) বিকাল ৩ টার দিকে উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের রুহুলী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ফাতেমা একই গ্রামের আব্দুর রহিমের মেয়ে।
প্রতিবেশী জহুরুল ইসলাম রানা জানান ফাতেমা ও আরেক এক শিশু মিলে বাড়ির পাশের ব্রীজের পাশের একটি পুকুর পাড়ে খেলতে ছিল। এক পর্যায়ে পানিতে ডুবে যায়।
স্বজনরা পুকুর পাড়ে এসে দেখে ফাতেমা পানিতে ভেসে ওঠেছে। পরে তাকে উদ্ধার করে ভূঞাপুর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।
ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ করেনি।
একতার কণ্ঠঃ কৃষি মন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক এমপি বলেছেন, সম্প্রতি ঢাকায় কয়েকটি ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে এটা খুব দুঃখ জনক ও বেদনা দায়ক। এটি নিয়ে মানুষের মনে শঙ্কাও সৃষ্টি হয়েছে।
অনেকেই বলছেন, এ বিষয়টি উদ্দেশ্য প্রনোদিত। এ বিষয়টি আমাদের মনে হয় পরীক্ষা করতে হবে। এ বিষয়ে তদন্ত হচ্ছে, তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, নির্বাচন নিয়ে বিএনপি যাই বলুক। নির্বাচন হবে সংবিধান অনুযায়ী। সংবিধানকে পরিবর্তন করতে পারবে না। এ সংবিধান পরির্তন না করা পর্যন্ত যে সরকার দায়িত্বে ক্ষমতায় রযেছে একটি নির্বাচিত সরকার। তারাই সরকার পরিচালনা করবে। সরকারে থাকবে তারাই। নির্বাচন পরিচালনা করবে নির্বাচন কমিশন। কাজেই যে নির্বাচন কমিশন করা হয়েছে,তা আইন অনুযায়ী করা হয়েছে।
এ নির্বাচন কমিশন দেশে একটি সুন্দর সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দিবে। এটাই দেশবাসীর কাম্য।
সোমবার (২৪ এপ্রিল) সকালে টাঙ্গাইলের মধুপুরে রানী ভবানী সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮৪ বছরের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন কৃষি মন্ত্রী।
আলোচনা সভায় পুনর্মিলনী উদযাপন কমিটির আহবায়ক শেখ আব্দুল জলিলের সভাপতিত্বে এ সময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মধুপুর উপজেলা চেয়ারম্যান ছরোয়ার আলম খান আবু, উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামীমা ইয়াসমীন, মধুপুর পৌরসভার মেয়র ছিদ্দিক হোসেন খান, রানী ভবানী সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুল বাছেদ, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবু হাদী নূর আলী খান, শহীদ স্মৃতি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যক্ষ বজলুর রশীদ খান চুন্নু, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ডা. মীর ফরহাদুল আলম মনি, মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ।
“শৈশব ফিরুক সবার প্রাণে স্কুলের বাঁধন জাগুক মনে” এ শ্লোগান নিয়ে সকাল থেকে বিদ্যালয়ের নানা বয়সী সতীর্থরা তাদের প্রাণের বিদ্যাপিঠে পুনর্মিলনীতে যোগ দেয়। আলোচনা সভা, স্মৃতি চারণ, সাংস্কৃতিক উৎসবসহ নানা আয়োজনে প্রাণের সেতু বন্ধন তৈরি হয়। শৈশবের সতীর্থদের স্মৃতি চারণে মেতে উঠে সবাই। বর্নীল আয়োজনে সাজানো হয়েছে বিদ্যালয় ক্যাম্পাস কে।
নিজের আজকে শৈশবে ফিরা যাওয়া কে ধরে রাখতে মুঠো ফোনে সেলফি তোলে রাখছেন অনেকে।
রাতে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবেশন করবে কন্ঠ শিল্পী কোনাল। পুরো বিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস জুড়ে প্রাণের উচ্ছ্বাস সৃষ্টি হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ১ কোটি ১৫ লাখ টাকার (১১৫০ গ্রাম) হেরোইনসহ মানিক চান সওদাগর (২৮) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র্যাব।
রবিবার (২৩ (এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার হামিদপুর বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।
আটককৃত ব্যক্তি রাজশাহী জেলার দূর্গাপুর উপজেলার গৌরীহারা গ্রামের স মৃত মকবুল হোসেনের ছেলে।
র্যাব-১৪, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইলের কোম্পানী অধিনায়ক রফিউদ্দীন মোহাম্মদ যোবায়ের রবিবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
র্যাব জানায়, রবিবার দুপুর দেড়টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হামিদপুর বাজার এলাকা হতে ১১৫০ গ্রাম হেরোইনসহ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী মানিক চান সওদাগরকে আটক করা হয়। তার কাছ থেকে উদ্ধারকৃত হেরোইনের আনুমানিক বাজার মূল্য ১ কোটি ১৫ লক্ষ টাকা। আটককৃত ব্যক্তি রাজশাহী জেলা হতে মাদকদ্রব্য হেরোইন সংগ্রহ করে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে টাঙ্গাইল জেলার কালিহাতি নিয়ে এসেছিল। সে আন্ত:জেলা মাদক ব্যবসায়ী চক্রের সদস্য।
র্যাব আরো জানায়,সে দীর্ঘদিন যাবত অভিনব কায়দায় মাদকদ্রব্য টাঙ্গাইলসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রয় করে আসছিল। তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে কালিহাতী থানায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে এক স্কুলছাত্রীকে (বান্ধবী) ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এসময় স্কুলছাত্রীর দাদি বিষযটি টের পেয়ে চিৎকার করলে স্থানীয় লোকজন বাড়ি থেকে অভিযুক্ত মেহেদী (১৬) এবং সহযোগী শেখ রাফিকে (১৬) কে আটক করে। একই সঙ্গে স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করে। আটকের পর মেহেদী তার বন্ধুদের আটকের খবর দিলে তারা এসে স্কুলছাত্রীর বাড়িতে হামলা চালিয়ে মেহেদী ও রাফিকে ছিনিয়ে নেন।
শনিবার রাতে উপজেলার খানুরবাড়ী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ছিনিয়ে নেয়ার সময় স্থানীয়দের হাতে ধোলাই খেয়ে বেশ কয়েকজন আহত হয়। পরে আহত রাফি চিকিৎসা নেওয়ার জন্য ভূঞাপুর হাসপাতালে আসে। এ খবর পেয়ে পুলিশ রাফিকে আটক করে।
গ্রেপ্তার শেখ রাফি উপজেলার গোবিন্দাসী গ্রামের মিজানুর রহমান ওরফে জহুরুলের ছেলে এবং অভিযুক্ত একই গ্রামের ইদ্রিস সরকারের ছেলে।
এ ঘটনায় রবিবার ওই স্কুলছাত্রীর মা বাদী মামলা করেছেন। তবে, প্রধান আসামি মেহেদীসহ অজ্ঞাতরা পলাতক রয়েছে।
মেহেদী ও ওই স্কুলছাত্রী একই শ্রেণিতে পড়শোনা করত। এই সুযোগে ওই ছাত্রীকে বিভিন্ন সময় কু-প্রস্তাব দেয়। একপর্যায়ে প্রেমের ফাঁদে ফেলে তার নগ্ন ছবি মোবাইলে তুলে রাখে। শনিবার রাত ১০টার দিকে ওই ছাত্রীর বাড়িতে গিয়ে ফেসবুকে ছবি ছেড়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ করে।
এ ঘটনায় গোবিন্দাসী ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার লুৎফর মন্ডল জানান, অভিযুক্ত ও তার সহযোগীকে আটক করার পর স্থানীয়রা জানালে ঘটনাস্থলে যাই। পরে ওই ছেলের লোকজন খবর পেয়ে বাড়িতে হামলা চালিয়ে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এসময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে গেলে ওই ছেলের লোকজন আমার ওপর হামলা করে।
এ ব্যাপারে ভূঞাপুর থানার ওসি মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম জানান, স্কুলছাত্রীর মা ধর্ষণ ও হামলার মামলা করেছে। স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ ও তার বাড়িতে হামলার ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া যায় এবং ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর মেডিকেল পরীক্ষার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় পলাতক মেহেদীর সহযোগী শেখ রাফিকে হাসপাতাল থেকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া প্রধান আসামি মেহেদীসহ অজ্ঞাতদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুরে অটোরিকসা চালক কিশোরকে খুন করে অটো ছিনতাই করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ধারনা করা হচ্ছে,চালকের মরদেহ ফেলে রেখে ছিনতাইকারী অটোরিক্সা নিয়ে পালিয়েছে।
নিহতের নাম মো. মনি (১৪) সে জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ি উপজেলার পুগলদীঘিয়া গ্রামের মো. রফিক মিয়ার ছেলে।
মধুপুর পৌরসভার কাইদকাইত এলাকার টাঙ্গাইল-জামালপুর মহাসড়কের ব্রীজের পাশে ২০-২৫ ফুট নিচে বেগুন ক্ষেত থেকে এ মরদেহটি উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশের ধারনা,শনিবার ( ২২ এপ্রিল) ঈদুল ফিতরের দিন সন্ধ্যায় কোন এক সময়ে হত্যাকান্ডটি সংগঠিত হয়েছে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, স্থানীয়রা শনিবার সন্ধ্যায় বেগুন ক্ষেতে কাজ করতে গিয়ে একটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে প্রতিবেশীদের জানালে তারা পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
নিহতের বড় ভাই রবিন জানান, সে শনিবার ঈদের দিন বিকেল ৩ টার দিকে অটোবাইক নিয়ে বের হয়। বাড়ী ফিরতে দেরি হওয়ায় ফোনে যোগাযোগ করলে তার ব্যবহৃত মুঠোফোনটি বন্ধ দেখায়। পরে চারদিকে খোঁজাখুঁজি করতে থাকে। এক পর্যায়ে , রবিবার( ২৩ এপ্রিল)সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে মরদেহের ছবি দেখে তারা মধুপুর চলে আসে। মধুপুর থানায় গিয়ে মরদেহ দেখে নিহতের স্বজনরা সনাক্ত করেন এটি নিখোঁজ হওয়া মনির মরদেহ ।
নিহতের স্বজনদের ধারণা অটোবাইক ছিনতাই করে তাকে খুন করা হয়েছে। উদ্ধাকৃত মরদেহের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মধুপুর থানা অফির্সাস ইনচার্জ (ওসি)মাজহারুল আমিন জানান, নিহতদের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে জাহানারা (২৪) নামের এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার(২১ এপ্রিল) ভোরে স্বামীর বাড়ি থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
জাহানারা উপজেলার চতলবাইদ দক্ষিণপাড়া এলাকার আনিছ মিয়ার স্ত্রী ও গজারিয়া গ্রামের জোয়াহের আলীর মেয়ে।
গৃহবধূর বাবার বাড়ির সদস্যদের দাবি, তাঁকে খুন করে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে স্বামীর দাবি, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে অভিমান করে আত্মহত্যা করেছেন তিনি।
জাহানারার পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ছয় বছর আগে উপজেলার চতলবাইদ গ্রামের আহাম্মদ আলীর ছেলে আনিছের সঙ্গে জাহানারার বিয়ে হয়। তাঁদের সংসারে আহসান হাবীব (৪) নামের একটি ছেলেও রয়েছে। কয়েক মাস ধরে আনিছ বিদেশে যাওয়ার জন্য জাহানারাকে বাবার বাড়ি থেকে দুই লাখ টাকা এনে দিতে বলছিলেন। কিন্তু এতে রাজি হয়নি জাহানারা। এ নিয়ে তাঁদের মধ্যে পারিবারিক কলহ শুরু হয়। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে খবর আসে জাহানারা ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করেছে।
জাহানারার মা মমতা বেগম জানান, ‘গতকাল বৃহস্পতিবার(২০ এপ্রিল) ৮টার দিকেও মেয়ের সঙ্গে আমার কথা হয়। তখনো সব ঠিকঠাকই ছিল। রাত ১টার দিকে খবর পাই মেয়ে মারা গেছে। কয়েক দিন ধরে মেয়েকে টাকার জন্য নানাভাবে চাপ দিচ্ছিল জামাই।’
চাচাতো ভাই শাওন আহমেদ জানান, ‘খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ওই বাড়িতে যাই। গিয়ে দেখি ঘরের বাইরে বোনের মরদেহ। আমাদের ধারণা, তাঁকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।
তিনি আরো জানান,এ নিয়ে থানায় হত্যা বা আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলা করতে গেলে পুলিশ মামলা নেয়নি।’
স্বামী আনিছ মিয়া জানান, ‘তুচ্ছ ঘটনায় আমার মা-বাবার সঙ্গে রাগ করে আমার স্ত্রী নিজ ঘরেই ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করেছে।’
এ বিষয়ে সখীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবদুল করিম জানান, ‘আপাতত একটি অপমৃত্যুর মামলা নেওয়া হয়েছে। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।’
একতার কণ্ঠঃ উনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন একটি দোকানে হতদরিদ্রদের মাঝে বিতরণ করা খাদ্যবান্ধব কর্মসূচীর (ভিজিডি) চাল গোপনে বিক্রি করে পালিয়ে গেছেন ইউপি সচিব শেখ ফরিদ।
বৃহস্পতিবার (২০ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার অলোয়া ইউনিয়ন পরিষদে এই ঘটনা ঘটেছে।
স্থানীয়রা জানায়, অলোয়া ইউনিয়ন পরিষদে সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচীর (ভিজিডি)চাল গত ১৩ এবং ১৪ তারিখে বিতরণ করা হয়। অনিয়ম করে বিতরণ করায় গোডাউনে থেকে যায় অনেক চালের বস্তা। যা বৃহস্পতিবার প্রকাশ্যে বিক্রি করার সময় তাদের নজরে আসে।
তারা আরও জানায়, অলোয়া ইউনিয়ন পরিষদের সচিব শেখ ফরিদ সুশীল নামের এক গ্রাম পুলিশের উপস্থিতিতে স্থানীয় কালোবাজারি আজাদের ভ্যানে ভর্তি করে চালের বস্তা বের করে নেন। পরে তা পরিষদ সংলগ্ন এক ওষুধের দোকানে নিয়ে সরকারি পাটের বস্তা থেকে
প্লাস্টিকের বস্তায় পরিবর্তন করেন। বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হয়। তবে প্রশাসনের লোকজন আসার আগেই সচিব ও কালোবাজারি আজাদ পালিয়ে যায়। এরপর অভিযান চালিয়ে প্রশাসনের লোকজন বিক্রি করা চাল জব্দ করেন।
গ্রাম পুলিশ সুশীল জানান, আমি বাড়িতে ছিলাম।সচিব ফোন করে পরিষদে আসতে বলেন এবং খালি বস্তা গুনতে বলেন। পরিষদে গিয়ে দেখি আজাদ ভ্যান গাড়িতে চাল তুলছেন। পরে আর কিছু জানিনা। আজাদ মাঝে মধ্যেই পরিষদ থেকে এভাবে চাল নেয়।
এ বিষয়ে অলোয়া ইউনিয়ন পরিষদের সচিব শেখ ফরিদের বক্তব্যের জন্য মোবাইল ফোনে বারবার চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
অলোয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম রফিক জানান, কয়েকদিন আগে ভিজিডির চাল বিতরণ করা হয়। এসময় কয়েকজন কার্ড নিয়ে না আসায় চালগুলো গোডাউনে রাখা হয়। সকালে খবর পেয়ে পরিষদের গুদামের তালা ভেঙে দেখি চালের বস্তাগুলো নেই।
তিনি আরো জানান, এছাড়া সচিবকেও পরিষদে পাওয়া যায়নি। পরে ইউএনও’র উপস্থিতিতে আজাদ মিয়ার দোকান থেকে ১০ বস্তা চাল উদ্ধার করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বেলাল হোসেন জানান, চাল উদ্ধারের ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এছাড়া অভিযোগ উঠা ওই সচিবের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিত জানানো হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে ঈদ উপলক্ষে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে দুই’শ প্যাকেট খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২০ এপ্রিল) সকালে উপজেলার মাইধারচালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের স্কুল মাঠে এ খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
১৯ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি ও ঘাটাইল এরিয়ার কমান্ডার মেজর জেনারেল নকিব আহমদ চৌধুরী স্থানীয় লোকজনদের হাতে দুই’শ প্যাকেট খাদ্য সামগ্রী তুলে দেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সদর দপ্তরের ৩০৯ পদাতিক ব্রিগেড কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ আশরাফুল কাদের, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমদ তানভীর মাজহার সিদ্দিকি, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাখাওয়াৎ হোসেন চৌধুরী প্রমুখ।
এছাড়াও সেনাবাহিনীর নিজস্ব তহবিল হতে ঘাটাইল এরিয়ার আওতাধীন জামালপুর জেলায় ২৫০, শেরপুর জেলায় ২০০, ময়মনসিংহ জেলায় ১০০ প্যাকেট, নেত্রকোনা জেলায় ২০০, কিশোরগঞ্জ জেলায় ২৫০ প্যাকেট এবং টাঙ্গাইল জেলায় ২০০ প্যাকেটসহ সর্বমোট ১৪০০ প্যাকেট খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ ঈদ উপলক্ষে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক পরিদর্শন করলেন ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি সৈয়দ নুরুল ইসলাম।
তিনি বলেন, যানযট মুক্ত থাকবে মহাসড়ক। পুলিশ যেভাবে তৎপর রয়েছে আশা করছি কোন প্রকার সমস্যা হবে না। মানুষ ভোগান্তি ছাড়াই বাড়ি ফিরবেন।
বুধবার (১৯ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ৫ টার দিকে মহাসড়কের টাঙ্গাইলের এলেঙ্গাতে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত ডিআইজি মাশরুকুর রহমান খালেদ, টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার( অপরাধ) শরফুদ্দীন প্রমূখ ।
ডিআইজি সৈয়দ নুরুল ইসলাম আরো বলেন,মহাসড়কে যাতে করে সাধারণ মানুষ নির্বিঘ্নে তাদের গন্তব্য স্থানে পৌঁছাতে পারে সেজন্য পুলিশ সব সময় মহাসড়কে থাকবে।এই সময় যেন মহাসড়কে ডাকাতি, এক্সিডেন্ট ও যানযট না হয় সেজন্য সকল প্রকার ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে ঢাকা রেঞ্জ পুলিশ।
পরে তিনি মহাসড়ক পরিদর্শনে সিরাজগঞ্জের উদ্দেশ্য রওনা হন।
এদিকে বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত মহাসড়কের এই অংশে যানবাহনের চাপ থাকলেও নেই যানজট। মহাসড়কে স্বাভাবিকভাবেই যান চলাচল করছে। মানুষ স্বস্তিতে বাড়ি ফিরছেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলের ওসি’র স্বেচ্ছাচারিতা, পক্ষপাতিত্ব ও হয়রানিমূলক কর্মকাণ্ডে এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করছেন। তার কর্মকাণ্ডে বিক্ষুব্ধ হয়ে উপজেলার দক্ষিণ ধলাপাড়ায় সম্প্রতি মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়। এই স্বেচ্ছাচারিতার প্রতিবাদ করলে তাদের বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হয় এমন অভিযোগ স্থানীয়দের।
জানা যায়, ধলাপাড়া গ্রামের মৃত মহসিন মিয়ার ছেলে রেমিটেন্স যোদ্ধা আরিফকে মামলা দিয়ে হয়রানি ও বিভিন্ন কৌশলে তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করলে বুঝতে পেরে তিনি কাউকে না জানিয়ে দেশ ত্যাগ করতে বাধ্য হন। এ ঘটনার প্রতিবাদে প্রবাসীর স্ত্রী ও স্থানীয়রা ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আজহারুল ইসলামের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেন। মানবন্ধনের খবর বিভিন্ন বিভিন্ন জাতীয়, স্থানীয় দৈনিক পত্রিকা ও অনলাইন নিউজ পোর্টালে প্রকাশিত হওয়ায় ইমেজ সংকটে পড়েন তিনি। ঘটনা ধামাচাপা দিতে তিনি অভিযোগকারীর সাথে কোন প্রকার যোগাযোগ না করে তার অনুগত ও আরিফের চাচাতো ভাই আব্দুল বাছেদ সরকারকে দ্বিতীয় পক্ষ সাজিয়ে একটি আপোষ-মিমাংসার দালিলিক প্রমাণ তৈরি করেন।
আরিফের চাচাতো ভাই ও ধলাপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাছেদ সরকার বলেন, ঘাটাইল থানার ওসি, পরিদর্শক (তদন্ত), ধলাপাড়া ফাড়ির ইনচার্জ, স্থানীয় চেয়ারম্যান ও গণ্যমান্য ব্যক্তি উপস্থিতে সালিশী বৈঠক করেছি। তবে, শালিসের বিষয়ে ভূক্তভোগী প্রবাসী আরিফের স্ত্রী শাহিদা আক্তার কিছু জানেন না।
গত ১৬ মার্চ সাগরদিঘী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকা প্রতিকের পক্ষে নির্বাচন করায় সাগরদিঘী শোলাকুড়া গ্রামের আকবর হোসেনের ছেলে জাকির হোসেন জানান, তিনি তার বাবাকে টাকা পাঠানোর জন্য বাজারে গেলে গত ২০ মার্চ বিকেলে প্রতিপক্ষের ৪-৬ জন জোড়পূর্বক তাকে ধরে নিয়ে বেধরক মারপিট করে। পরে সেলুনে নিয়ে তাকে ন্যাড়া করে দেয় এবং ওই ভিডিও ধারণ করে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করে। এ ঘটনায় জাকির হোসেন বাদী হয়ে ঘাটাইল থানায় অভিযোগ করলে ওসি কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি। পরে বাধ্য হয়ে আদালতে মামলা করেন। তিনি ওসি’র এসব কর্মকাণ্ডের প্রতিকার ও তার অপসারণ দাবী করেন।
ভূক্তভোগী আরিফের স্ত্রী শাহিদা আক্তার বলেন, শালিসের বিষয়ে আমি কিছুই জানিনা। আমাকে বা আমার স্বামীকে কেউ কিছু জানায়নি।
শালিসী বৈঠকে উপস্থিতির বিষয়টি অস্বীকার করে ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আজহারুল ইসলাম বলেন, ধলাপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাছেদ সরকারের সাথে দু’একদিনের মধ্যে আমার কোন যোগাযোগ হয়নি। তিনি মিথ্যা কথা বলে আমাকে হেয় করেছেন।
গোপালপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুনাজির ইসলাম চৌধুরী বলেন, ইতিপূর্বে প্রবাসীর স্ত্রীর মানববন্ধনের বিষয়টি শুনেছি। এ ঘটনায় শালিসী বৈঠকের ব্যাপারে আমি অবগত নই। ভূক্তভোগীর কাছ থেকে লিখিত কোন অভিযোগও পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রযোজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একতার কণ্ঠঃ ঈদে বাড়ি ফিরতে শুরু করেছে ঘর মুখো মানুষ । এতে উত্তরবঙ্গগামী মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পরিবার-পরিজন নিয়ে বঙ্গবন্ধু সেতু পার হচ্ছে মোটরসাইকেল যোগে। বুধবার (১৯ এপ্রিল) ভোর থেকে বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব এলাকায় আলাদা টোল বুথে শত শত মোটরসাইকেলের দীর্ঘ সারি দেখা গেছে।
সরেজমিনে বুধবার দুপুরে বঙ্গবন্ধু সেতুতে গিয়ে দেখা গেছে, শত শত মোটরসাইকেল বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব টোলপ্লাজার পাশেই স্থাপিত আলাদা বুথে অপেক্ষা করছে সেতু পার হওয়ার সময়। এসময় সেতু কর্তৃপক্ষের লোকজন অপেক্ষারত মোটরসাইকেল আরোহীদের নির্ধারিত মোটরসাইকেলের টোলের টাকা হাতে রাখার জন্য মাইকিং করছে।
এদিকে মহাসড়কে যাত্রীবাহি বাসের চেয়ে ব্যক্তিগত গাড়ি বেশি দেখা গেছে। এরমধ্যে মোটরসাইকেলের সংখ্যা বেশি।
নারায়নগঞ্জ থেকে উত্তরবঙ্গে রওনা হওয়া মোবারক হোসেন জানান, ভোররাতে নারায়নগঞ্জ থেকে রওনা হয়েছি মোটরসাইকেলযোগে ঈদে বাড়ি যাওয়ার জন্য। মহাসড়ক ফাঁকা ছিল বিধায় তারাতাড়ি আসতে পেরেছি।
স্ত্রী নিয়ে মোটরসাইকেলযোগে বাড়ি যাচ্ছেন গ্রামীন ব্যাংকে কর্মরত আবুল কালাম। তিনি জানান, ঈদের ছুটিতে বাড়ি যাচ্ছি। সেতু পার হলেই বাড়ি। তাই স্ত্রীকে নিয়ে মোটরসাইকেলযোগে বাড়ি যাচ্ছি। আমার মত শত শত মোটরসাইকেলের আরোহীরা অপেক্ষা করছে সেতু পার হতে।
মোটরসাইকেল আরোহীরা জানান, ছুটির প্রথম দিনে মহাসড়ক ফাঁকা ছিল। ঝামেলা ছাড়াই মোটরসাইকেলে বাড়ি যাওয়া সহজ।
বঙ্গবন্ধু সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী আহসানুল কবীর পাভেল জানান, ভোররাত থেকেই সেতুতে মোটরসাইকেল পারাপারে দীর্ঘ সারি ছিল।মোটরসাইকেল পারাপারের জন্য আলাদা বুথ করা হয়েছে।