একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে জেলা অটোরিক্সা-ইজিবাইক শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে অটোরিক্সা চালক জুলহাস মিয়া হত্যার প্রতিবাদে এবং হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
রবিবার (৯ এপ্রিল) সকালে জেলা সদর রোডের টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে ঘন্টাব্যাপী এই মানববন্ধন কর্মসুচি পালন করা হয়।
মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন টাঙ্গাইল জেলা অটোরিক্সা-ইজিবাইক শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি আব্দুল লতিফ মিয়া, সাধারণ সম্পাদক লুৎফুল কবির, সিনিয়র সহ-সভাপতি জয়নাল আবেদীন উল্লাস, নিহত জুলহাস মিয়ার স্ত্রী শিল্পী বেগম, মেয়ে জুলিয়া আক্তার, বোন রেজিয়া বেগম ও ভাগিনা সবুজ প্রমুখ।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত মঙ্গলবার (১৪ মার্চ) দিবাগত রাতে টাঙ্গাইল জেলা অটোরিক্সা- ইজিবাইক শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্য অটোরিক্সা চালক জুলহাস মিয়াকে বাসাইল পৌর এলাকার কুমারজানীতে যাত্রীবেশে দুর্বৃত্তরা হত্যা করে অটোরিক্সা ছিনতাই করে নিয়ে যায়।
বক্তারা আরো বলেন, অবিলম্বে অটোরিক্সা চালক জুলহাস মিয়ার হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবি করছি। এছাড়াও জনস্বার্থে রাস্তায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার দাবি জানান তারা।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল শহর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি, জেলা বাস কোচ মিনিবাস মালিক সমিতির মহাসচিব ও জেলা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সহ-সভাপতি গোলাম কিবরিয়া বড়মনির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক ধর্ষণ মামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ হয়েছে।
রবিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে শহরের নিরালা মোড় থেকে টাঙ্গাইলের সচেতন নাগরিক সমাজের ব্যানারে এই বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে নিরালা মোড়ে এসে শেষ হয়।
সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে টাঙ্গাইল পৌরসভার কাউন্সিলর আমিনুর রহমান আমিন বলেন, আওয়ামী লীগ নেতা বড় মনির বিরুদ্ধে মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন ষড়যন্ত্রমূলক ধর্ষণের মামলা করা হয়েছে। আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা ফারুক হত্যা মামলার বিচারকার্য বিলম্ব করতে এবং বড় মনি ও তার পরিবারের লোকজন যাতে এই মামলার তদারকি করতে না পারে তার জন্য ধর্ষণ মামলা দিয়ে তাঁকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামের মধ্যে দিয়ে টাঙ্গাইলে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও দখলবাজ হটিয়ে দীর্ঘদিন ধরে একটা সুন্দর সুষ্ঠ পরিবেশ বিরাজ করছিলো। এই ধর্ষণ মামলার মধ্য দিয়ে সন্ত্রাসীরা আবারো মাথাচাড়া দিয়ে উঠার চেষ্টা করছে। যেকোন মূল্যেই ওই সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের রুখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানান। এছাড়াও এই ষড়যন্ত্রমূলক মামলা সুষ্ঠ তদন্তের দাবি জানান।
এ সময় আরো বক্তব্য রাখেন টাঙ্গাইল পৌরসভার কাউন্সিলর কামরুল হাসান মামুন, সংরক্ষিত কাউন্সিলর উলকা বেগম, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সোহানুর রহমান সোহান, জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির সভাপতি শফিউল আলম তুষারসহ ট্রাক, সিএনজি, আটোরিকশার শ্রমিক সমিতি নেতৃবৃন্দ।
প্রকাশ,টাঙ্গাইল-২ আসনের সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনির বড় ভাই গোলাম কিবরিয়া বড়মনির বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও মারপিটের অভিযোগ এনে গত ৫ এপ্রিল এক কিশোরী বাদি হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় বড়মনির স্ত্রী নিগার আফতাবকেও আসামী করা হয়। মামলার পরদিন ওই কিশোরী আদালতে ২২ ধারা জবানবন্দি দেন। এছাড়াও ওই কিশোরী প্রায় ২৫ সপ্তাহের অন্ত:সত্ত্বা বিষয়টি ডাক্তারি পরীক্ষায় উঠে আসে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে শ্বাশুড়ির সামনেই স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে স্বামী। রবিবার (৯ এপ্রিল) দিবাগত রাত দুইটার দিকে উপজেলার ডুবাইল ইউনিয়নের কুপাখী গ্রামে এই নৃশংস ঘটনাটি ঘটে।
নিহত ওই গৃহবধূর নাম সুমিতা (৩৮)। তিনি জেলার মির্জাপুর উপজেলার পাকুল্যা ইউনিয়নের পাকুল্যা গ্রামের মৃত সমেজ উদ্দিনের মেয়ে।
এ ঘটনায় নিহত সুমিতার স্বামী মিনজু মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে দেলদুয়ার থানা পুলিশ ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ২৫ বছর আগে সুমিতা’র সঙ্গে দেলদুয়ার উপজেলার ডুবাইল ইউনিয়নের কুপাখী গ্রামের মৃত আজগর মিয়ার ছেলে মিনজু মিয়ার পারিবারিক ভাবে বিয়ে হয়। তাদের সংসারে দুই ছেলে ও ১ মেয়ে রয়েছে।
সম্প্রতি মিনজু মিয়া শ্বশুড় বাড়ির ওয়ারিশ সম্পত্তি এনে দেওয়ার জন্য স্ত্রীকে চাপ দেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে মনোমালিণ্যের সৃষ্টি হয়। এরই জের ধরে কয়েকদিন আগে স্ত্রীকে মারধর করে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেন স্বামী মিনজু মিয়া।
পরে সুমিতা বোনের বাড়ি পাশের উপজেলা মির্জাপুরের মহেড়া গ্রামে আশ্রয় নেন। শনিবার(৮ এপ্রিল) কৌশলে ভগ্নীপতি আমির হোসেনের মাধ্যমে মোবাইলে স্ত্রীকে বাড়িতে আসতে বলে মিনজু। সরল বিশ্বাসে সুমিতা তার বোন ববিতা ও তার মা হালিমাকে সাথে নিয়ে শনিবার স্বামীর বাড়ি আসে।
রবিবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে স্বামী মিনজু মিয়া গাছ কাটায় ব্যবহৃত রডের তৈরি ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাথারি কোপাতে থাকে স্ত্রী সুমিতাকে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এসময় বাঁধা দিলে মা হালিমা ও বোন ববিতা আহত হন।
সুমিতার মা হালিমা বেগম জানান, মেয়েকে তার সামনেই কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। তার মেয়ের চিৎকারে স্থানীয় কেউ এগিয়ে আসেনি। ওয়ারিশের সামান্য কিছু টাকার জন্য তাদের তিন জনকেই হত্যা করতে চেয়েছিল মিনজু মিয়া।
দেলদুয়ার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাছির উদ্দিন মৃধা জানান, এ ঘটনায় থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘাতক স্বামীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তিনি আরো জানান, নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে অনুমোদনহীনভাবে ‘কাপ দই’সহ বিভিন্ন ধরণের বেকারি পণ্য সামগ্রী তৈরির অপরাধে মেসার্স মনচুরি সুইটস এন্ড বেভারেজকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের টাঙ্গাইল জেলা কার্যালয়।
রবিবার (৯ এপ্রিল) উপজেলার হরিপুর এলাকায় দুপুর থেকে বিকাল পর্যন্ত ভেজাল বিরোধী তদারকিমূলক এই অভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের টাঙ্গাইল জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক শিকদার শাহীনুর আলম।
এ বিষয়ে শিকদার শাহীনুর আলম জানান, অনুমোদনহীনভাবে বেকারী সামগ্রী তৈরি, মোড়কে উৎপাদন তারিখ, মেয়াদ ও মূল্য না দেওয়ার অপরাধে মেসার্স মনচুরি সুইটস এন্ড বেভারেজকে ৪০ হাজার টাকা প্রশাসনিক ব্যবস্থায় জরিমানা করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, অভিযানে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন- ২০০৯ অনুসারে ভোক্তা অধিকার বিরোধী কার্যাবলী হতে বিরত থাকার অনুরোধ জানানো হয়। এছাড়াও ব্যবসায়ীদের ক্রয়-বিক্রয় রশিদ সংরক্ষণ, মূল্য তালিকা প্রদর্শণ করতে মাইকিং করে প্রচারণা, লিফলেট ও প্যামপ্লেট বিতরণ করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ১০দফা দাবিসহ বিদ্যুৎ, গ্যাস, দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন উর্ধ্বগতি, আওয়ামী সরকারের সর্বগ্রাসী দুর্নীতির প্রতিবাদে সদর উপজেলা ও শহর বিএনপি’র উদ্যোগে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
শনিবার (৮ এপ্রিল) বিকালে দেশব্যাপী কর্মসুচির অংশ হিসেবে শহরের রেজিষ্টিপাড়া এলাকায় এ অবস্থান কর্মসূচিতে শতশত নেতাকর্মী অংশগ্রহন করে।
সারা দেশের জেলা ও মহানগরে অবস্থান কর্মসূচির অংশ হিসাবে টাঙ্গাইল সদর ও শহর বিএনপি যৌথভাবে এই অবস্থান কর্মসূচির আয়োজন করে।
অবস্থান কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল।
কর্মসুচিতে সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজগর আলীর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন শহর বিএনপি’র সভাপতি আব্দুল আলীম, সাধারণ সম্পাদক ইজাজুল ইসলাম সবুজ, সিনিয়র সহ-সভাপতি শাহীন আকন্দ, সদর উপজেলা বিএনপি’র সিনিয়র সহ-সভাপতি হাদিউজ্জামান সোহেল, জেলা মহিলা দলের সভাপতি নিলুফার ইয়াসমিন খান, জেলা তাঁতী দলের সভাপতি শাহ আলম, জেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব আব্দুল বাতেন প্রমুখ।
অবস্থান কর্মসুচি পরিচালনা করেন টাঙ্গাইল সদর উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রৌফ।এ সময় সদর উপজেলা ও শহর বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
জেলা বিএনপি’র সাধারন সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল তার বক্তব্যে বলেন, দ্রব্যমূল্যেরে ঊর্ধ্বগতি, বিদ্যুৎ, গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি, সরকারের সর্বস্তরের দুর্নীতির প্রতিবাদসহ ১০দফা দাবি মানতে হবে। দাবি একটাই, সরকারের পদত্যাগ, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। ক্ষমতা চিরস্থায়ী করতে আওয়ামী লীগ দেশের নির্বাচনী ব্যবস্থা ধ্বংস করেছে, সরকারি স্বাধীন প্রতিষ্ঠানগুলো সব ধ্বংস করে দিয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ ঈদে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধৃ সেতু মহাসড়কে বেড়ে যায় অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ। যার ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েন পরিবহন মালিক, শ্রমিক ও যাত্রীরা। এই ভোগান্তিরোধে প্রতি ঈদে বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়। যারফলে কয়েক বছর ধরে স্বস্তি পাচ্ছেন ঘরমুখো মানুষগুলো।
এরই ধারাবাহিকতায় আসন্ন ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে এবারও ঘরমুখো যাত্রীদের ঈদ যাত্রা নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ করতে শনিবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের কালিহাতীর এলেঙ্গা থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব পর্যন্ত মহাসড়ক পরিদর্শন করেছেন টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার।
এ সময় জেলা সড়ক ও জনপথ বিভাগ, বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব বিবিএ, ফোরলেন উন্নীতকরণ প্রকল্পের কাজে নিয়োজিত ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান, বাস-মিনিবাস ও ট্রাক মালিক-শ্রমিক সমিতি প্রতিনিধিদের নিয়ে যানজট নিরসনকল্পে মহাসড়কের বিভিন্ন স্থান পরিদর্শনকালে পথ-আলোচনা সভা করে জেলা পুলিশ সুপার।
পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার বলেন, আসন্ন ঈদে ঘরমুখো যাত্রীদের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে যানজট নিরসনে মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে পুলিশ চেকপোস্ট বসানো হবে এবং মহাসড়ক এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে কোন ধরণের চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকান্ড, ছিনতাইয়ের মতো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ সময় পরিদর্শনকালে বঙ্গবন্ধু সেতু (বিবিএ) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আহসানুল কবীর পাভেল, জেলা সহকারী পুলিশ সুপার শরফুদ্দিন আহমেদ, কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান প্রমুখসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে উদ্বোধন হয়ে গেলো দেশের বৃহত্তম লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড আড়ংয়ের ২৮তম আউটলেট। অত্যাধুনিক নির্মাণশৈলীর ১৪ হাজার ৯৮ বর্গফুটের তিনতলা বিশিষ্ট শহরের বড় কালীবাড়ি রোডের সিটি সেন্টারে এই আউটলেটে নারী-পুরুষ ও শিশুদের পোশাক, বাড়ির সাজসজ্জা, গহনাসহ আড়ংয়ের সাব-ব্র্যান্ড তাগা, তাগা ম্যান, এবং আড়ং আর্থ এর পণ্যগুলো পাওয়া যাবে।
শনিবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে আউটলেটটির উদ্বোধন করেন আড়ংয়ের চিফ অপারেটিং অফিসার মোহাম্মদ আশরাফুল আলম। এছাড়াও এসময় ব্র্যাকের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় আশরাফুল আলম বলেন, ক্রেতাদের ঈদ উদযাপনকে মাথায় রেখে ঈদ শপিংয়ের একদম উপযুক্ত এই সময়ে সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং নানা কারুশিল্পে সমৃদ্ধ টাঙ্গাইলে আড়ংয়ের এই আউটলেটটি খুলতে পেরে আমরা খুবই আনন্দিত। আমরা আশা করি, নতুন আউটলেটটি এই প্রাণবন্ত শহরের বাসিন্দাদের কেনাকাটার জন্য অন্যতম প্রধান গন্তব্য হয়ে উঠবে এবং একইসঙ্গে টাঙ্গাইলবাসীর ফ্যাশন ও লাইফস্টাইল ভিত্তিক চাহিদা পূরণে সহায়ক হবে।
এছাড়াও গ্রাহকরা সীমিত সময়ের জন্য ৫০০০ টাকা বা তার বেশি কেনাকাটা করে আড়ংয়ের কাস্টমার লয়্যালটি প্রোগ্রাম ‘মাই আড়ং রিওয়ার্ডস কার্ড’-এর সদস্য হতে পারবেন এবং বছরব্যাপী বিশেষ সুযোগ সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন। তাছাড়া ‘মাই আড়ং রিওয়ার্ডস কার্ড’-এর অন্তর্ভুক্ত সদস্যরা আড়ং টাঙ্গাইল আউটলেটে প্রতিটি কেনাকাটায় দ্বিগুণ পয়েন্ট অর্জন করতে পারবেন। এই অফারটি ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে।
আড়ং বিশ্বের বৃহত্তম বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাক এর একটি সামাজিক উদ্যোগ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল-২ (ভূঞাপুর-গোপালপুর) আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য ছোট মনিরের বড় ভাই টাঙ্গাইল শহর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির মহাসচিব গোলাম কিবরিয়া বড় মনিরকে দ্রুত গ্রেফতার করে ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে ভূঞাপুর সচেতন নারী সমাজ। মিছিলে প্রায় ৪ শতাধিক নারী অংশ নেয়।
শনিবার (৮ এপ্রিল) সকাল ১১ টার দিকে সচেতন নারী সমাজের উদ্যোগে ভূঞাপুর পৌরসভা কার্যালয়ের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে উপজেলা পরিষদ চত্বর ঘুরে পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। মিছিলে আওয়ামী লীগ নেতা বড় মনির নামে নানা ধরণের স্লোগানসহ ফাঁসি দাবি জানান তারা। বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে নেতৃত্ব দেন রেখা খাতুন ও সূচি বেগম।
বিক্ষোভ ও সমাবেশে বক্তারা বলেন, গোলাম কিবরিয়া বড় মনির বিরুদ্ধে এক কিশোরীকে অন্ত:সত্ত্বা করার অভিযোগ উঠেছে। তাকে দ্রুত গ্রেফতার ও তদন্ত করে তার ফাঁসি দাবি করছি। যদি তাদের ফাঁসি না দেওয়া হয় তাহলে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে ।
উল্লেখ্য, টাঙ্গাইল শহর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির মহাসচিব গোলাম কিবরিয়া বড় মনির বিরুদ্ধে কিশোরীকে ধর্ষণ ও নির্যাতনের অভিযোগে গত বুধবার ৫ এপ্রিল রাতে টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা দায়ের করেন অন্তঃসত্ত্বা এক কিশোরী। বৃহস্পতিবার ৬ এপ্রিল বিকালে ওই কিশোরী আদালতে দন্ডবিধির ২২ ধারায় জবানবন্দি দেয়। টাঙ্গাইলের প্রভাবশালী এমপি’র বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধে কিশোরীকে ধর্ষণ ও নির্যাতনের অভিযোগে মামলা হওয়ায় জেলার রাজনীতিতে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে অটো ছিনতাইকারী চক্রের সদস্যরা ঈমান আলী (৩৮) নামে এক অটোচালককে গলা কেটে হত্যা করেছে।
শুক্রবার(৭ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে উপজেলার পোড়াবাড়ি আঞ্চলিক সড়কে খাগড়াটা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) আজহারুল ইসলাম সরকার।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, নিহত ঈমান আলী উপজেলার দড়িচৈথট্র গ্রামের ইসমাইল হোসেনের ছেলে। সে পেশায় একজন অটোচালক (ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা)।
সে শুক্রবার রাতে উপজেলার গারোবাজার থেকে অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি ফিরছিল। ফেরার পথে রাত অনুমান ১০টার সময় অটোরিকশা নিয়ে পোড়াবাড়ি-গারোবাজার সড়কের খাগড়াটা এলাকায় পৌঁছলে ছিনতাইকারীরা সড়ক অবরোধ করে তার অটোরিকশা ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে।
এ সময় অটোচালক ঈমান আলী বাধা দেয়। তখন ছিনতাইকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে ইমান আলীর গলায় আঘাত করলে তার শ্বাসনালি কেটে যায়। সে আহত অবস্থায়ই অটোরিকশা চালিয়ে লোকালয়ে চলে আসে ও চিৎকার দেয়। তার চিৎকারে স্থানীয় লোকজন ছুটে গেলে ছিনতাইকারীদল পালিয়ে যায়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ঈমান আলীকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)আজহারুল ইসলাম সরকার জানান, লাশের গলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে এক তরুণীকে ধর্ষণ ও নির্যাতনের অভিযোগে শহর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি গোলাম কিবরিয়া বড় মনির ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ মিছিল করেছে টাঙ্গাইলের সচেতন নারী সমাজ।
শুক্রবার (৭ এপ্রিল) সকালে প্রথমেই শহরের ভাসানী হলের সামনে থেকে সচেতন নারী সমাজের ব্যানারে একটি প্রতিবাদ মিছিল বের হয়। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে এসে মিছিলটি শেষ হয়। পরে শহিদ মিনারের সামনে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন করে তারা।
এ সময় মানব বন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা আওয়ামী লীগ নেতা বড় মনি ও তার ভাই ছোট মনির বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে তার সত্যতা নিশ্চিত করে ফাঁসির দাবি জানান। অন্যথায় আগামীতে আরও কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা।
উল্লেখ্য, বুধবার (৪ এপ্রিল) রাত ১০ টার দিকে টাঙ্গাইল সদর থানায় শহর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি ও বাস মিনিবাস মালিক সমিতির মহাসচিব গোলাম কিবরিয়া বড় মনির বিরুদ্ধে এক তরুণী ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন। তরুণী দাবি করেন, ধর্ষণের ফলে তিনি তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা এবং ডাক্তারী পরীক্ষাতেও এর প্রমাণ মিলেছে। তারপর থেকে শহরে আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় বইছে।
গোলাম কিবরিয়া বড়মনি টাঙ্গাইল-২ গোপালপুর ভূঞাপুর আসনের সাংসদ তানভীর হাসান ছোট মনির বড় ভাই।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল কারাগারে লাল মিয়া (৩৮) নামে এক যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামীর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (৭ এপ্রিল) সকালে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। টাঙ্গাইলের জেল সুপার মকলেছুর রহমান মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
লাল মিয়া বাসাইল উপজেলার খাটোরা গ্রামের মৃত নাসিম উদ্দিনের ছেলে।
জেল সুপার জানান, লাল মিয়া অ্যাজমাসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত ছিল। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার সকাল ৭ টায় তার মৃত্যু হয়। আইনী পক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
উল্লেখ্য, গত বছরের ৮ জুন বাসাইল উপজেলার কাউলজানী গ্রামের বাসিন্দা মনিরুজ্জামান নামে এক ব্যবসায়ীকে হত্যার দায়ে তার ভায়রাকে আমৃত্যু কারাদন্ড এবং শ্যালিকাসহ চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছেন টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. মাসুদ পারভেজ। যাবজ্জীবন দন্ডপ্রাপ্তদের ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাস করে কারাদন্ডের কথা রায়ে বলা হয়েছে।
এরআগে ২০১০ সালের ১২ সেপ্টেম্বর বাসাইলের কাউলজানী গ্রামের আবু বক্কর ভূঁইয়ার ছেলে মনিরুজ্জামান ভূঁইয়া নিখোঁজ হন। তিনদিন পর পাশের মহেশখালী গ্রামের জমির আইল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ওই বছরের ১৫ সেপ্টেম্বর নিহতের বাবা আবু বক্কর ভূঁইয়া বাদি হয়ে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে বাসাইল থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তে এ হত্যার সঙ্গে মনিরুজ্জামানের ভায়রা রেজাউল ইসলাম, শ্যালিকা আলো বেগমসহ আরো কয়েকজনের জড়িত থাকার বিষয়টি বের হয়ে আসে। ২০১১ সালের ৩০ এপ্রিল আদালতে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) জমা দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে ৮ জুন এই রায় দেন বিচারক।
দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন- দেলদুয়ার উপজেলার ডুবাইল গ্রামের মো. শামছু মিয়ার ছেলে রেজাউল ইসলাম রেজাকে আমৃত্যু দন্ড এবং রেজাউলের স্ত্রী আলো বেগম, বাসাইল উপজেলার খাটোরা গ্রামের মৃত নাসিম উদ্দিনের ছেলে লাল মিয়া, যশিহাটি গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে রেজভী ও দেলদুয়ার উপজেলার ডুবাইল গ্রামের ফজল মিয়ার ছেলে আলমগীর হোসেনকে যাবজ্জীবন সাজা দেয়া হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে স্বামীর জীবন বাঁচাতে নিজের কিডনি দিলেন স্ত্রী লাভলী বেগম।
বৃহস্পতিবার (৬ এপ্রিল) ভারতের রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হাসপাতালে তার কিডনি প্রতিস্থাপন করেন ডা. প্রতীক দাস।
জানা যায়, ভূঞাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও টাঙ্গাইল জজ কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোন্নাফ আলীর দুটি কিডনি নষ্ট হয়ে গেছে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে কিডনি জনিত সমস্যা নিয়ে ভারতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ডাক্তার তার কিডনি প্রতিস্থাপনের পরামর্শ দিলে স্বামীর জীবন রক্ষায় স্ত্রী তার একটি কিডনি প্রদান করেন।
ভূঞাপুরের সাবেক পৌর মেয়র ও ভূঞাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমিরুল ইসলাম তালুকদার বিদ্যুৎ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, সফলভাবে অস্ত্রপাচারের পর মোন্নাফ ও তার স্ত্রী লাভলী বেগম সুস্থ রয়েছেন। তার পরিবার সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।