/ হোম / আমাদের টাঙ্গাইল
টাঙ্গাইলে মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে আলী আকবর বাপ্পী (৩৩) নামে এক মাছ ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা।

সোমবার (২২ মে) দিনগত রাত দেড়টার দিকে পৌর এলাকার পার দিঘুলীয়া শহীদ মিজানুর রহমান উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান গেটের সামনে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটে।

নিহত বাপ্পী টাঙ্গাইল পৌর সভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের চর দিঘুলীয়া এলাকার মৃত দেলবর বেপারির ছেলে।

টাঙ্গাইল সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আবু ছালাম মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (২২ মে) রাত ১২ দিকে মোবাইল ফোনে এক বড় ভাইয়ের কল পেয়ে বাপ্পী স্থানীয় একটি মুদির দোকানে যাওয়ার কথা বলে বাসা থেকে বের হয়ে যায়। পরে স্থানীয়দের কাছে খবর পেয়ে বাপ্পির স্ত্রী আখী আখতার শহীদ মিজানুর রহমান উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান গেটের সামনে বাপ্পির রক্তাক্ত ও ক্ষতবিক্ষত লাশ দেখতে পায়। স্থানীয়রা খবর দিলে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে নিয়ে যায়।

টাঙ্গাইল সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আবু ছালাম মিয়া বলেন, সোমবার রাতে ব্যবসায়ী বাপ্পিকে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা কুপিয়ে হত্যা করে পার দিঘুলীয়া শহীদ মিজানুর রহমান উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান গেটের সামনে ফেলে রেখে যায়। স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে মডেল থানার উপপরিদর্শক সুলতান উদ্দিন খান ঘটনাস্থল থেকে লাশটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

তিনি আরোও জানান, মরদেহের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে অসংখ্য কুপিয়ে জখম করার চিহ্ন রয়েছে। থানায় এখনো কোনো মামলা দায়ের করা হয়নি। ময়নাতদন্তের পর মরদেহ পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।আসামি গ্রেপ্তারে পুলিশ জোর তৎপরতা চালাচ্ছে।

উল্লেখ্য,বাপ্পি টাঙ্গাইল পার্ক বাজারে মাছের ব্যবসা করতো। সে বিবাহিত ও তিন সন্তানের জনক। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিল বাপ্পি। মাত্র তিন মাস আগে বাপ্পি এক কন্যা সন্তানের জনক হন। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে বাপ্পির পরিবার অসহায় হয়ে পড়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৪. মে ২০২৩ ০১:১৯:এএম ৩ বছর আগে
প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে বিক্ষোভ মিছিল - Ekotar Kantho

প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে বিক্ষোভ মিছিল

একতার কণ্ঠঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে জেলা আওয়ামী লীগ।

সোমবার(২২ মে) বিকালে বিক্ষোভ মিছিল শেষে শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে সমাবেশ করা হয়।

টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম(ভিডি জোয়াহের) এমপি’র নেতৃত্বে শহীদ মিনারের সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় শহীদ মিনারে গিয়ে শেষ হয়।

বিক্ষোভ মিছিলে জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি আনিছুর রহমান আনিছ, সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আশরাফুজ্জামান স্মৃতি, সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সুভাস চন্দ্র সাহা, জামিলুর রহমান মিরন, শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদদক এমএ রৌফ, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফারুক হোসেন মানিক, সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান নাজমুল হুদা নবীন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শামীমা আক্তার প্রমুখ অংশ নেন।

এ সময় জেলা আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী এবং ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৩. মে ২০২৩ ০৪:২০:এএম ৩ বছর আগে
নজির আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি-প্রধান শিক্ষকের নিয়োগ বাণিজ্য - Ekotar Kantho

নজির আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি-প্রধান শিক্ষকের নিয়োগ বাণিজ্য

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার দপ্তিয়র ইউনিয়নের নজির আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের কর্মচারী পদে প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি ও প্রধান শিক্ষকের নিকট আত্মীয়দের স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে নিয়োগ দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটির চারটি শূন্যপদের বিপরীতে এই নিয়োগ দেয়া হয়।

এর মধ্যে তিনটি পদে সভাপতি রঞ্জু আহমেদের বোন-ভগ্নি জামাই এবং প্রধান শিক্ষক মো. হাবিবুর রহমানের ছেলেকে নিয়োগ দেওয়া হয়।

স্বজনপ্রীতি ও অনিয়ম করে এ নিয়োগ দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন এলাকাবাসী ও ম্যানেজিং কমিটির ৪ সদস্যরা।

এ ঘটনায় ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচিত ৪ সদস্য মো. বাবুল আক্তার, মো. সাজ্জত হোসেন, এম আজিজুল হক পান্না ও মো. জমির উদ্দিন মাস্টার বাদি হয়ে ঢাকা হাই কোর্টে নিয়োগ প্রক্রিয়ার ওপর অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন জানিয়ে ২ জনকে বিবাদি করে একটি মামলা দ্বায়ের করেছেন।

এ বিষয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য মো. বাবুল আক্তারসহ আরো ৩ সদস্য।

অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, প্রধান শিক্ষকের ছেলে মো. হাফিজুর ইসলাম স্কুলের কম্পিউটার ল্যাব সহকারী পদে নিয়োগ পেয়েছেন। আর আয়া পদে সভাপতি রঞ্জু আহমেদের বোন মোছা. খালেদা ও পরিছন্নীকর্মী পদে ভগ্নি জামাই মো. মাহাবুর রহমানকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এছাড়া নিরাপত্তাকর্মী পদে মো. ছানোয়ার হোসেনকে নিয়োগ দেয়া হয়।

অভিযোগ সুত্রে আরো জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে সভাপতি রঞ্জু আহমেদের মদদে অনিয়ম করে যাচ্ছেন ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. হাবিবুর রহমান। সভাপতির আস্থাভাজন প্রধান শিক্ষক চারটি পদে জনবল নিয়োগ দিয়ে প্রায় ১৬ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন। চারটি পদে নিয়োগ পেতে ৮০ জন প্রার্থী আবেদন করেছিলেন। আবেদনকারীদের মধ্যে থেকে মাত্র ১৭-১৮ জন আবেদনকারীকে পরীক্ষায় অংশ গ্রহনের সুযোগ দেয়া হয়। প্রধান শিক্ষক ও সভাপতির কারসাজিতে গত ১৬ এপ্রিল পাতানো নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ওই দিন বিকেলেই চুড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়। এছাড়াও বিদ্যালয়ের ৩ শতাধিক ছাত্র-ছাত্রীর নিকট উপবৃত্তির কথা বলে টাকা নেওয়া এবং করোনাকালীন সময়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের ফরম ফিলাপের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।

বিদ্যালয়ের জমি দাতা নজির আলীর ছেলে মো. দুলাল হোসেন ওই প্রতিষ্ঠানে কর্মচারী পদে নিয়োগের আবেদন করেছিলেন। তিনি জানান, নিয়োগের জন্য মোটা অংকের টাকা দাবি করেছিলেন প্রধান শিক্ষক। টাকা না দেয়ায় প্রবেশ পত্রে রোল নম্বর ও পরীক্ষা কেন্দ্রের নাম উল্লেখ ছাড়াই প্রবেশপত্র দেয়া হয়। ফলে নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহন করতে পারেননি তিনি। এমন অভিযোগ করেন আরো বেশ কয়েকজন প্রার্থী।

পরিক্ষার্থী সবেজ আলীর বড় ভাই ছলিম হোসেন জানান, আমার ভাইয়ের চাকুরীর বিষয়ে প্রধান শিক্ষক প্রথমে ৭ লাখ টাকা দাবি করে। আমি নগদ ১ লাখ টাকা প্রধান শিক্ষককে দেই । টাকার গ্যারান্টি হিসেবে ওই প্রধান শিক্ষক ১ লাখ টাকার চেক দেয় আমাকে। পরবর্তীতে ১০ লাখ টাকা দাবি করাতে আমি টাকা দিতে অস্বীকার করলে আমার ভাইয়ের চাকুরী হয়নি। নগদ ১ লাখ টাকাও ফেরৎ দিচ্ছেনা ওই প্রধান শিক্ষক।

দপ্তিয়র উচ্চ বিদ্যালয়ের তিন বারের নির্বাচিত সাবেক সভাপতি মো. মর্তুজ আলী জানান, নিয়ম বর্হিভুতভাবে কিছু দিন পুর্বে বিদ্যালয়ের শুন্য তিনটি পদের বিপরীতে প্রধান শিক্ষক ও সভাপতির আত্মীয় স্বজনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে বিদ্যালয়টি একটি পরিবারতন্ত্রের মাধ্যমে চলছে। যতদ্রুত সম্ভব এই পরিবারতন্ত্র থেকে বিদ্যালয়কে বের করে আনা যাবে তত দ্রুতই বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান বাড়বে।

অভিযোগ প্রসঙ্গে নজির আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. হাবিবুর রহমান মুঠোফোনে জানান, স্বার্থ উদ্ধার না হওয়ায় তারা অনিয়মের কথা তুলছেন। এছাড়াও আমার ছেলে পরীক্ষায় পাস করেছে, নিয়ম অনুযায়ী তার চাকরি হয়েছে।

বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও দপ্তিয়র ইউয়িন আওয়ামী যুবলীগের আহবায়ক মো.রঞ্জু আহামেদ জানান, আমার বোন খালেদা ও ভাগ্নি জামাই মো. মাহাবুর হোসেন তাদের মেধায় চাকরী পেয়েছেন। কোনো অনিয়ম হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।

এ প্রসঙ্গে দপ্তিয়র ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম ফিরোজ সিদ্দিকী জানান, ইতোমধ্যে এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। ব্যাপারটি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক তোলপাড় চলছে। আমি বিষয়টি নিয়ে উপজেলা প্রশাসন ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের ( শিক্ষা ও আইসিটি) সাথে পরামর্শ করে প্রয়োজনী ব্যবস্থা গ্রহন করবো।

নাগরপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. শাহীনুর ইসলাম বলেন, বিষয়টি নিয়ে আদালতে মামলা চলমান আছে। সুতরাং এবিষয়ে কোন মন্তব্য করা উচিত হবেনা বলে জানান তিনি।

তিনি আরোও বলেন, আদালতের রায় অনুযায়ী পরবর্তী করনীয় নির্ধারণ করা হবে।

টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক( শিক্ষা ও আইসিটি) মুহাম্মদ আব্দুর রহিম সুজন বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে নাগরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের (ইউএনও) কাছে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৩. মে ২০২৩ ০৩:৫১:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে পারভীনের রিপোর্ট দেখে পারভেজের পিত্তথলি কাটলেন ডা. তুহিন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে পারভীনের রিপোর্ট দেখে পারভেজের পিত্তথলি কাটলেন ডা. তুহিন

একতার কণ্ঠঃ ভুল চিকিৎসায় এক যুবকের পিত্তথলি কাটার অভিযোগ উঠেছে টাঙ্গাইল শহরের সোনিয়া নার্সিং হোমের সার্জারি বিশেষজ্ঞ ডা. মো. তুহিন তালুকদারের বিরুদ্ধে।

রবিবার (২১ মে) দুপুরে ওই ভুক্তভোগী যুবক মো. পারভেজ প্রতিকার চেয়ে জেলা প্রশাসক ও জেলা সিভিল সার্জন বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযোগে জানা গেছে, গত ২৭ এপ্রিল পেটের ব্যথা নিয়ে সার্জারি বিশেষজ্ঞ ডা. মো. তুহিন তালুকদারের কাছে যান পারভেজ। ওই চিকিৎসক পারভেজকে দেখে আল্ট্রাসনোগ্রাম ও এক্সরে করানোর পরামর্শ দেন।

চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন পারভেজ। পরে সেই রিপোর্ট দেখালে চিকিৎসক তাৎক্ষনিক অপারেশন করতে হবে বলে জানান। ওই দিনই পারভেজের পেটে অস্ত্রোপচার করে পিত্তথলি কেটে ফেলেন ডা. মো. তুহিন তালুকদার।

অপারেশনের পরে রোগীর স্বজনদের পিত্তথলি দেখালে তাতে কোনও পাথর ছিল না। একপর্যায়ে জানানো হয়, কেটে ফেলা পিত্তথলিতে কোনও ক্যান্সারের জীবাণু রয়েছে কিনা সেটা পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানোর কারণে পিত্তথলি নার্সিং হোমে রেখে দেওয়া হয়েছে।

অপারেশনের কয়েকদিন পরে পারভেজকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়। তখন রোগীর স্বজনরা দেখতে পান, পারভেজের স্থানে পারভীন নামের এক নারীর রিপোর্ট দেখে চিকিৎসক তার পিত্তথলি কেটে ফেলেছেন। বিষয়টি তাৎক্ষণিক চিকিৎসক ও নার্সিং হোম কর্তৃপক্ষকে জানালে তারা ভুল স্বীকার করে দুঃখ প্রকাশ করেন।

পারভেজের স্ত্রী তামান্না হাসান বিজলি বলেন, ‘চিকিৎসক তুহিন ও নার্সিং হোমের মালিক আবুল কালাম রিজভী ভুল চিকিৎসার জন্য শুধু দুঃখ প্রকাশ করেছেন। এটা নিয়ে বাড়াবাড়ি করতে নিষেধ করেছেন তারা।’

ভুল চিকিৎসার শিকার মো. পারভেজ বলেন, ‘ওই দিন আমার সঙ্গে পারভীন নামের এক নারীর পিত্তথলির অপারেশন করা হয়। ডাক্তার ওই নারীর রিপোর্ট দেখে আমার চিকিৎসা করেছেন। পিত্তথলি কাটার পর থেকে পেটে এখনো ব্যথা করে। ব্যথার জন্য নিয়মিত ওষুধ খেতে হচ্ছে। ভুল চিকিৎসার প্রতিকার চাইলে নার্সিং হোম কর্তৃপক্ষ হুমকি দিচ্ছে। ভুল চিকিৎসা ও প্রতারণার কারণে জেলা প্রশাসক ও সিভিল সার্জন বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।’

সোনিয়া নার্সিং হোমের মালিক আবুল কালাম রিজভী বলেন, ‘সঠিকভাবেই ওই রোগীর পিত্তথলির অপারেশন হয়েছে। তবে তার রিপোর্টের স্থালে একজন নারীর রিপোর্ট চলে যায়। নার্সিং হোমে ওই দিন ৫টি অপারেশন হয়েছে। এছাড়া পিত্তথলির বায়োপসি রিপোর্ট হারিয়ে গেছে। এখন ওই রোগী টাকা ফেরত চাচ্ছে।’

অভিযোগের বিষয়ে জানতে ডা. মো. তুহিন তালুকদারের মুঠোফোনে বেশ কয়েকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। এরপর তাকে বারবার মুঠোফোনে খুদেবার্তা (মেসেজ) পাঠানো হলেও কোন জবাব দেননি তিনি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. মে ২০২৩ ০৩:১৩:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে সন্ন্যাসী সেজে আসামী ধরলো পুলিশ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সন্ন্যাসী সেজে আসামী ধরলো পুলিশ

একতার কণ্ঠঃ ডান হাতে ত্রিশুল ও বাম হাতে ঘটি (কলস) নিয়ে পুলিশের দুই সদস্য সাজাপ্রাপ্ত আসামির বাসায় হাজির।

রবিবার ( ২১ মে) সকালে ভিক্ষু সন্ন্যাসী সেজে আসামিকে গ্রেপ্তার করে মির্জাপুর থানার এস.আই রামকৃষ্ণ। তার সহযোগী হিসেবে ছিলেন, কনস্টেবল মো. দেলোয়ার হোসেন।

গ্রেপ্তারকৃত ওই নারী আসামীর নাম হোসনে আরা। তিনি উপজেলার বাঁশতৈল ইউনিয়নের তেলিপাড়া গ্রামের জাহাঙ্গীরের স্ত্রী বলে জানা গেছে।

এস.আই রামকৃষ্ণ জানান, কোর্টের দুইটি মামলার ৩ মাসের সাজাপ্রাপ্ত (ওয়ারেন্টভুক্ত) আসামি হোসনে আরা। মামলার পর থেকেই পুলিশের ভয়ে বিভিন্নস্থানে রাত্রিযাপন করেন। দিনের বেলায় বাসায় থাকলেও প্যান্ট, শার্ট পরিহিত যেকোনো মানুষের উপস্থিতি টের পেলেই সে আত্মগোপনে চলে যেতো। তাই তাকে গ্রেপ্তারের জন্য বিকল্প পন্থা অবলম্বন করেন, মির্জাপুর থানার এস.আই রামকৃষ্ণ।

তিনি আরোও জানান, রবিবার সকাল সাড়ে নয়টার দিকে ভিক্ষু সন্ন্যাসী সেজে ওই আসামীর বাসায় হাজির হন পুলিশের দুই সদস্য। পরে তেলিপাড়া বাঁশতৈল ইউনিয়নের আসামীর বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। রবিবার দুপুরে তাকে কোর্টের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. মে ২০২৩ ০২:৪৬:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (২১মে) সকালে জেলা প্রশাসকের সন্মেলন কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দারের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. ওলিউজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শরফুদ্দীন, পৌর মেয়র সিরাজুল হক আলমগীর ও টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট জাফর আহমেদ প্রমূখ।

সমন্বয় সভায় বক্তারা সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের বিষয়ে আলোচনা করেন।

মাসিক উন্নয়ন সভায় আরোও উপস্থিত ছিলেন, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাজাহান আনছারী, বাশাইল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী ওলিদ ইসলাম, টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডাঃ সাদিকুর রহমানসহ উন্নয়ন সমন্বয় সভার সদস্যগণ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. মে ২০২৩ ০২:১৪:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় ট্যাংক-লরির চালক নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় ট্যাংক-লরির চালক নিহত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বঙ্গবন্ধু সেতু-ঢাকা মহাসড়কে দাঁড়িয়ে থাকা পিকআপভ্যানকে ট্যাংক-লরি পিছন থেকে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই ট্যাংক-লরির চালক নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ট্যাংক-লরির হেলপার আহত হয়েছে।

রবিবার (২১ মে) সকালে মহাসড়কের টাঙ্গাইল সদর উপজেলার গালা ইউনিয়নের পাছ বিক্রমহাটি নামকস্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত চালক ময়মনসিংহ জেলার বোকাই নগর থানার গৌরিপুর গ্রামের নাজিম উদ্দিনের ছেলে মো. রুবেল মিয়া(২৫)। আহত হেলপার কিশোরগঞ্জ জেলার কারাইল উপজেলার কাড়াইল এলাকার হযরত আলীর ছেলে মো. মোস্তাকিন মিয়া(২১)।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, চট্রগাম থেকে ছেড়ে আসা সওদাগর এক্সপ্রেস নামের একটি ট্যাংক-লরি টাঙ্গাইলের সদর উপজেলার গালা ইউনিয়নের পাছ বিক্রমহাটি এলাকায় পৌঁছালে দাড়িয়ে থাকা পিকঅ্যাপভ্যানের পিছনে ধাক্কা দেয়। মুহুর্তে পিকঅ্যাপভ্যান ও ট্যাংক-লরিটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়।

ঘটনাস্থলে ট্যাংক-লরির চালক মো. রুবেল মিয়া নিহত হয়। সাথে থাকা হেলপার আহত হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই চালকের মরদেহটি উদ্ধার করে।

এ প্রসঙ্গে, এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির
উপ-পরিদর্শক(এসআই) মো. সাকিব হাসান জানান, ঘটনাস্থল থেকে নিহত চালকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আহত হেলপারকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরোও জানান, আইনী প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের নিকট হস্তান্তর করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. মে ২০২৩ ০২:২৫:এএম ৩ বছর আগে
কিশোরী ধর্ষণ মামলায় আ’লীগ নেতা বড় মনির জামিন নামঞ্জুর - Ekotar Kantho

কিশোরী ধর্ষণ মামলায় আ’লীগ নেতা বড় মনির জামিন নামঞ্জুর

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল শহর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি গোলাম কিবরিয়া বড় মনি’র জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছে টাঙ্গাইলের জেলা ও দায়রা জজ আদালত।

রবিবার (২১ মে) দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ শেখ আব্দুল আহাদের আদালত জামিন আবেদনের শুনানি শেষে এই আদেশ দেন।

টাঙ্গাইলের সরকা‌রি কৌশলী (‌পি‌পি) এস আকবর খান জানান, কি‌শোরীর ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামী গোলাম কিবরিয়া বড় ম‌নি উচ্চ আদালত থেকে জামিন নিয়েছিলেন। পরবর্তীতে রাষ্ট্র পক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে আপীল বিভাগের চেম্বার জজ বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম হাই কোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত করে দুই সপ্তাহের মধ্যে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পনের আদেশ দেন।

তিনি আরোও জানান, সেই আদেশ অনুসারে গোলাম কিবরিয়া বড় মিন ১৫ মে (সোমবার) টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পন করলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। রবিবার (২১ মে) মিস কেসের মাধ্যমে জেলা ও দায়রা জজ আদালতে বড় মনির জামিন আবেদন করেন তার আইনজীবীরা। আদালত শুনানি শেষে তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।

আসামী পক্ষের জামিন শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী এ কে এম শামীমুল আক্তার, বারের সভাপতি শফিকুল ইসলাম রিপন, সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী মামুনুর রহমান, ব্যারিস্টার গোলাম নবী, বারের সাধারণ সম্পাদক এ কে এম মনসুর আলী খান বিপন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম এমপিসহ অর্ধশত আইনজীবী।

রাষ্ট্রপক্ষে জামিনের বিরোধীতা করেন সরকারি কৌশলী (পিপি) এস আকবার খান, সিনিয়র আইনজীবী মো. আব্দুল করিম মিঞা, বারের সাবেক সভাপতি ফায়কুজ্জামান নাজীবসহ ১৫জন আইনজীবী।

গত ১৫ মে (সোমবার) বড় মনিকে কারাগারে পাঠানোর পর তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। তারপর থেকেই তিনি টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ৬ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

উল্লেখ্য, গোলাম কিবরিয়া বড় মনি টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনিরের বড় ভাই। তিনি টাঙ্গাইল জেলা বাস মিনিবাস মালিক সমিতির মহাসচিবসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতৃত্বে রয়েছেন।

গত ৫ এপ্রিল রাতে টাঙ্গাইল শহরের এক কিশোরী বাদী হয়ে গোলাম কিবরিয়া বড় মনি’র বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।

টাঙ্গাইল মডেল থানায় দায়ের করা মামলায় বলা হয়, জমি নিয়ে সৃষ্ট সমস্যা সমাধানের জন্য বড় মনি’র স্মরণাপন্ন হন ওই কিশোরী। বড় মনি সমস্যা সমাধান করে দেওয়ার আশ্বাস দেন। গত ১৭ ডিসেম্বর ওই কিশোরীকে শহরের আদালত পাড়ায় বড় মনি’র বাড়ির পাশে একটি ফ্লাটে যেতে বলেন। সেখানে গেলে কিশোরীকে একটি কক্ষে আটকে রাখা হয়। প্রায় তিন ঘণ্টা পর বড় মনি কক্ষে ঢুকে মেয়েটিকে ধর্ষণ করেন এবং সে ছবি তুলে রাখেন। ধর্ষণ শেষে কাউকে এ কথা জানাতে নিষেধ করেন এবং কাউকে জানালে মেরে ফেলার হুমকি দেন তিনি। তারপর ছবি প্রকাশের ভয় দেখিয়ে প্রায়ই মেয়েটিকে বড় মনি ধর্ষণ করতেন বলেও উল্লেখ করা হয়।

মামলায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এ ধর্ষণের কারণে মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে বড় মনি তাকে গর্ভপাত করার জন্য চাপ দিতে থাকেন। এত রাজি না হওয়ায় গত ২৯ মার্চ রাত ৮টার দিকে বড় মনি মেয়েটিকে আদালত পাড়ায় তার শ্বশুরবাড়িতে তুলে নিয়ে যান। সেখানে গর্ভের সন্তান নষ্ট করার জন্য চাপ সৃষ্টি করেন। তাতে রাজি না হওয়ায় ওই বাসার একটি কক্ষে তালাবদ্ধ করে রাখা হয় মেয়েটিকে। পরে তাকে সেখানে আবার ধর্ষণ করেন বড় মনি। ধর্ষণের পর বড় মনির স্ত্রী তাকে মারপিট করলে মেয়েটি অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে রাত ৩টার দিকে বাসায় পৌঁছে দেওয়া হয় তাকে। তারপর থেকে মেয়েটিকে নানা হুমকি দেওয়া হতো। শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ থাকায় মামলা করতে দেরি হয়েছে বলে মামলায় উল্লেখ করেছেন বাদী।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. মে ২০২৩ ০১:৩৯:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণ কাজের উদ্বোধন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণ কাজের উদ্বোধন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার দাইন্যা ইউনিয়নের বাসাখানপুরে ‘শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম’ নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে।

শনিবার (২০ মে) দুপুরে এই নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মো. ছানোয়ার হোসেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মির্জা মঈনুল হোসেন লিন্টু,দাইন্যা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আফজাল হোসেন, বিসিবি নিয়োজিত টাঙ্গাইল জেলা ক্রিকেট কোচ মো. আরাফাত রহমান প্রমূখ।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, গ্রামীণ জনপদে খেলাধুলাকে উৎসাহিত করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিশন ছিল প্রতিটি গ্রামে একটি করে খেলার মাঠ থাকবে। যেটার নামকরন তিনি করেছিলেন ‘শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম’।

তিনি আরোও বলেন, প্রথম প্রকল্পটি আমরা জায়গার জন্য করতে পারিনি, সেটা দ্বিতীয় প্রকল্পে আমরা বাসাখানপুরে দখলকৃত সরকারী জায়গা দখল মুক্ত করে মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণের জন্য ব্যবস্থা করে দিয়েছি। এছাড়া কিছু জায়গা ক্রয় করতে হয়েছে। এই মাঠটি পেয়ে এই গ্রামের মানুষ খুবই আনন্দিত।

জানা যায়, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রস্তাবিত দেশের ১৮৬টি উপজেলায় ১৬শ’ কোটি টাকা ব্যয়ে ‘শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম’ নির্মাণ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। তারই ধারাবাহিকতায় টাঙ্গাইলের বাসাখানপুরে ৫ কোটি টাকা ব্যয়ে এই মিনি স্টেডিয়ামটি নির্মাণ করছেন ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান শরীফ এন্ড সন্স ইঞ্জিনিয়ারিং ফার্ম লিমিটেড।

এই মিনি স্টেডিয়ামের পশ্চিম রাস্তার পাশে তিনতলা প্যাভিলিয়ানসহ অফিস কক্ষ এবং দক্ষিনে ও পূর্বে ২টি গ্যালারী নির্মাণ করা হবে। স্টেডিয়ামটি নির্মাণ সম্পন্ন হলে এখানে ফুটবল লীগ ছাড়াও অন্যান্য খেলার আয়োজন করা সম্ভব হবে।

বর্তমানে টাঙ্গাইল জেলা স্টেডিয়ামে ক্রিকেট, ফুটবল, ভলিবল সহ বিভিন্ন খেলার আয়োজন করা হয়। ফলে খেলাধুলার বিভিন্ন ইভেন্ট আয়োজন করতে জেলা ক্রীড়া সংস্থাকে হিমশিম খেতে হয়। এই ‘শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম’ উদ্বোধন হলে টাঙ্গাইল জেলা স্টেডিয়ামের উপর চাপ কমবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. মে ২০২৩ ০৪:৩৩:এএম ৩ বছর আগে
ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত - Ekotar Kantho

ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে জিএসটি গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় সমূহের ২০২২-২০২৩ শিক্ষাবর্ষে প্রথমবর্ষ স্নাতক (সম্মান) ‘বি’ ইউনিট (মানবিক বিভাগ) ভর্তি পরীক্ষা শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২০ মে) বেলা ১২ টা থেকে ১ টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসস্থ একাডেমিক কাম রিসার্চ ভবন ও ২য় একাডেমিক ভবনের ২টি কেন্দ্রে ১৮৫৫ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। এই পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীদের উপস্থিতির হার ছিল ৯৭-৯৮%।

পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ ফরহাদ হোসেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ আর এম সোলাইমান ও ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ সিরাজুল ইসলামকে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসস্থ বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।

ভর্তি পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রে আসার জন্য কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বিশেষ বাসের ব্যবস্থা করা হয়।

উল্লেখ্য, জিএসটি গুচ্ছভুক্ত ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২২-২০২৩ শিক্ষাবর্ষে প্রথমবর্ষের স্নাতক (সম্মান) ‘সি’ ইউনিটের পরীক্ষা আগামি ২৭ মে ও ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা আগামি ৩ জুন অনুষ্ঠিত হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. মে ২০২৩ ০২:১৩:এএম ৩ বছর আগে
উই’র টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি হলেন জ্যোতি - Ekotar Kantho

উই’র টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি হলেন জ্যোতি

একতার কণ্ঠঃ নারী উদ্যোক্তাদের সংগঠন বাংলাদেশ উইমেন এন্ড ই-কমার্স ট্রাস্ট ফোরাম (উই’র) টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি হলেন মাহবুবা খান জ্যোতি।

বৃহস্পতিবার (১৮ মে) বিকেলে বাংলাদেশ উইমেন এন্ড ই- কমার্স ট্রাস্ট ফোরাম (উই’র) সভাপতি নাসিমা আক্তার নিশা টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধির দায়িত্ব দেন মাহবুবা খান জ্যোতিকে। এরপর থেকে তার সহকর্মী নারী উদ্যোক্তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসুবকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন।

উইমেন এন্ড ই-কমার্স ট্রাস্ট ফোরাম (উই’র) টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি মাহবুবা খান জ্যোতি বলেন, মাথার মুকুট অর্জনের চেয়ে রক্ষা করা যেমন কঠিন তেমনি দায়িত্ব নেয়ার চেয়ে তা টিকিয়ে রাখা আরও বেশি কঠিন। আমাকে বিশ্বাস আর ভরসা করে যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আমি সব সময় আমার সর্বোচ্চটা দিয়ে চেষ্টা করবো টাঙ্গাইল উইকে এগিয়ে নিতে।

তিনি আরও বলেন, উইতে আছি প্রায় ৩ বছর হয়ে গেল। আমি সব সময় নজর দিয়েছি আমার কাজের প্রতি। আমার কাছে সব কথার উত্তর কাজ আমি এটাই বিশ্বাস করি কাজ করেই নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করতে হয়। টাঙ্গাইলের উদ্যোক্তারা আমাকে চেয়েছেন। আমার সাথে নতুন করে এগিয়ে যেতে চায় উই’র জেলা প্রতিনিধি হয়ে আমি যেনো সেই দায়িত্বটা পালন করতে পারি। ২ মাস পর টাঙ্গাইলে যেনো আরো ৫০ জন উদ্যোক্তা আমার নাম গর্ব করে বলতে পারে সেভাবেই কাজ করে যাব। নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার পাশাপাশি উই’র উদ্যোক্তাদের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করে যেতে চাই। আপনারা আমার পাশে থাকবেন আমার জন্য দোয়া করবেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. মে ২০২৩ ০২:৩৬:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে স্বাভাবিক জীবনে ফিরছেন ৭৬ চরমপন্থী - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্বাভাবিক জীবনে ফিরছেন ৭৬ চরমপন্থী

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার হুগড়া, কাতুলি, দ্যাইন্যা ও কাকুয়া ইউনিয়ন নিয়ে টাঙ্গাইলের চরাঞ্চল। যমুনা ও ধলেশ্বরী নদী বেষ্টিত হওয়ায় এ অঞ্চলের চরমপন্থী আতঙ্কে দিন কাটতো সাধারণ মানুষের।

একটা সময় টাঙ্গাইলের চরাঞ্চল এলাকাকে বলা হতো ‘রক্তাক্ত জনপদ’। যেখানে খুন, লুট তরাজ, জিম্মি, ও অপহরণ ছিল নিত্যদিনের ঘটনা। এ সকল এলাকায় কথিত পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টি (এমএল) ও সর্বহারাসহ নানা চরমপন্থী গোষ্ঠীর উত্থান হয় নব্বইয়ের দশক থেকে।

চরাঞ্চলের সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ফেরাতে ২০২০ সাল থেকে কাজ শুরু করে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। এর অংশ হিসাবে র‌্যাবের পক্ষ থেকে চরমপন্থীদের পরিবারের সদস্যদের স্বাভাবিক পেশায় পুনর্বাসিত করার লক্ষ্যে তাদের আর্থিকভাবে স্বচ্ছল করতে নানা কর্মমুখী প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।

বর্তমানে টাঙ্গাইলে ৩০টি সর্বহারা পরিবারের নারী সদস্যদের হস্তশিল্প প্রশিক্ষণের মাধ্যমে স্বাবলম্বী করতে ‘উদয়ের পথে’ নামক একটি পাইলট প্রোগ্রাম চলমান রয়েছে।

আগামীকাল রবিবার (২১ মে) সিরাজগঞ্জ স্টেডিয়ামে র‌্যাব-১২ এর তত্ত্বাবধানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের নিকট টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ, রাজবাড়ী, পাবনা, বগুড়া, কুষ্টিয়া ও মেহেরপুরসহ দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন চরমপন্থী গোষ্ঠীর মোট ৩২৩ জন সদস্য দুই শতাধিক অস্ত্রসহ আত্মসমর্পণ করবেন। এদের মধ্যে শুধুমাত্র টাঙ্গাইলের চরমপন্থি রয়েছেন ৭৬ জন।

সদর উপজেলার হুগড়া ইউনিয়নের বেগুনটাল বাজারের ব্যবসায়ী আব্দুর রহিম ও শওকত আলী বলেন, একটা সময় ছিল টাঙ্গাইলের চরাঞ্চলের মানুষ দিনের বেলাতেও স্বাভাবিকভাবে ব্যবসা বাণিজ্য পরিচালনা করতে পারতো না। সর্বহারা সদস্যদের আত্মসমর্পণের খবরে আনন্দের জোয়ারে ভাসছে স্থানীয়রা। এ খবরে স্বস্তি ফিরেছে চরাঞ্চলে।

টাঙ্গাইল সদর উপজেলার হুগড়া ইউনিয়নের বেগুনটাল এলাকার সাবেক সর্বহারা দলের সদস্য বারেক মিয়া বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে আমাদেরকে পুনর্বাসিত করা হয়েছে। এসব দেখেই সর্বহারা দলের অন্য সদস্যরা সম্প্রতি স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে শুরু করেছে। রবিবার (২১ মে) র‌্যাব-১২ এর নিকট ৭৬ সর্বহারা সদস্য আত্মসমর্পণ করবে বলে জেনেছি।

সর্বহারা দলের সেকেন্ড ইন কমান্ড লেবু মণ্ডল বলেন, গতকাল রাতেও আমি আতঙ্কে কাটিয়েছি। সর্বহারা দলের সদস্য হওয়ার পর থেকেই ঈদেও ছেলে-মেয়েদের থেকে দূরে থেকেছি। ডজন খানেক মামলা মাথায় নিয়ে ঘুরছি। এ জীবন যে কেমন, কষ্টের তা বলে বোঝানো যাবে না।

সর্বহারা দলের টাঙ্গাইল জেলার কমান্ডার জিয়াউর রহমান বলেন, আমাদেরকে ভুল বুঝিয়ে নেতারা পথভ্রষ্ট পথে নিয়েছিল। মুখে নীতি কথা বললেও কাজে ছিল পুরো উল্টো। সাধারণ মানুষ আমাদেরকে ঘৃণার চোখে দেখত। আমার সন্তানরাও এ জন্য এলাকায় মুখ দেখাতে পারতো না। তাই স্বাভাবিক জীবনে ফিরতেই আমারা ৭৬ সদস্য ৩৬টি অস্ত্র ও বিপুল পরিমাণ গুলিসহ আত্মসমর্পণ করতে যাচ্ছি।

র‌্যাব ১২ এর অধিনায়ক (সিও) ও অতিরিক্ত ডিআইজি মো. মারুফ হোসেন জানান, বিভিন্ন চরমপন্থী দলের নেতা ও সদস্যদের বিভিন্ন ভাবে আর্থিক প্রণোদনার মাধ্যমে পুনর্বাসনের লক্ষ্যে র‌্যাব কাজ করে যাচ্ছে। এর অংশ হিসাবে গরুর খামার, পোল্ট্রি ফার্ম, মাছ চাষের ব্যবস্থা, চায়ের দোকান, ভ্যান-রিকশা, সেলাই মেশিন দেওয়ার মাধ্যমে চরমপন্থী সদস্য ও তাদের পরিবারগুলোকে স্বাভাবিক পেশায় স্থানান্তরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. মে ২০২৩ ০৭:২৭:পিএম ৩ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।