একতার কণ্ঠঃ সর্বজনীন পেনশন থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম প্রত্যাহারের দাবিতে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে মানববন্ধন করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা।
শনিবার (১১ মে) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে ঘণ্টাব্যাপী এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন তারা।
মানববন্ধনে শিক্ষকরা বলেন, সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয়ের সর্বজনীন পেনশন সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনে বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের নাম এসেছে। এতে করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। এই পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে দেশের বিভিন্ন জেলার দরিদ্র ছেলে-মেয়েরা পড়ালেখা করেন। সর্বজনীন পেনশনে শিক্ষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হলে মেধাবীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরিতে আর আগ্রহী হবে না। এতে দেশ মেধাশূন্য হবে।
তারা আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে ভুল বুঝিয়ে সুকৌশলে জাতিকে মেধাশূন্য করার লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের সর্বজনীন পেনশনের আওতায় আনার পাঁয়তারা করা হচ্ছে।
দ্রুত সর্বজনীন পেনশন থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম সরিয়ে স্বতন্ত্র রাখার দাবি জানান শিক্ষকরা। দাবি না মানলে আগামীতে কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারি দিয়েছেন শিক্ষক নেতারা।
মানববন্ধন কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ খাদেমুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শাহীন উদ্দিন, অধ্যাপক ড. মীর মো. মোজাম্মেল হক, সহযোগী অধ্যাপক ড. শিমুল রায়, সহকারী অধ্যাপক শাকিল মাহমুদ শাওনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকরা।
একতার কণ্ঠঃ সবুজ পাতা ছাপিয়ে সোনালি রঙের ফুলে সেজেছে সোনালু গাছ। প্রতিটি গাছের গা থেকে যেনো হলুদ ঝরনা নেমে এসেছে। বাতাসে কিশোরীর কানের দুলের মতো দুলতে থাকে এ ফুল, আকৃষ্ট করে
পথচারীদের।
টাঙ্গাইল পৌর শহরের ধুলের চর মাদ্রাসার সামনের ডিসি লেকের পশ্চিম দিকের পাকা সিঁড়ির পাশে একটি, লেকের পাড়ের রাস্তার ধারে আরও দুটি ও উদ্যান তত্ত্ব অফিসের আঙিনায় আরও তিনটি সোনালু গাছ ফুলে শোভিত হয়ে আছে।
এই সড়কে চলাচলকারী পথচারী, মোটরসাইকেল আরোহী, প্রাইভেট কার আরোহীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে প্রকৃতির অপূর্ব সৌন্দর্যের ভান্ডার এই সোনালু ফুল গাছগুলো।
জানা গেছে, সোনালু গাছ পাতা ঝরা মাঝারি আকৃতির বৃক্ষ। এটি আট থেকে ৯ মিটার উঁচু হয়। হলুদ বরণ এ ফুল দেখতে যেমন আকর্ষণীয় তেমনি আছে তার বাহারি নামও।
পরিচিত নামগুলো হলো- সোনালু, সোনাইল, সোঁদাল, বান্দরলাঠি ইত্যাদি। বৈজ্ঞানিক নাম,ক্যাসিয়া ফিস্টুলা, ইংরেজি নাম গোল্ডেন শাওয়ার ট্রি।

হাজার বছর আগেও এ গাছ আমাদের উপমহাদেশে ছিল। এ গাছের বৈশিষ্ট্য হলো ঝাড় লণ্ঠনের মতো দীর্ঘ মঞ্জরি এবং উজ্জ্বল হলুদ ফুল। এ গাছের আদি নিবাস হলো ভারত, মিয়ানমার ও বাংলাদেশ। এর ফুল, ফল ও পাতা বানরের খুব প্রিয়। সোনালু কাঠের রং ইটের মতো লাল। ঢেঁকি ও সাঁকো বানানোর কাজেও এ গাছের কাঠ ব্যবহার করা হয়।
এই ফুলের সৌন্দর্য প্রসঙ্গে পথচারী মাহবুব চৌধুরী মনি বলেন, এই সময়ে আমি যতবার মোটরসাইকেল নিয়ে এই সড়ক দিয়ে যাতায়াত করি, কিছুটা সময় হলেও মোটরসাইকেল থামিয়ে এই ফুলের শোভা উপভোগ করি। এই লেকের পাড়ে আরও আছে কৃষ্ণচূড়া, পলাশসহ বেশ কিছু গাছ, যেগুলো সব সময়ই আমাকে কাছে টানে। ইট-কাঠ-কড়ি-বরগার এই শহরে আরও কিছু এই ধরনের গাছ লাগানো জরুরি হয়ে পড়েছে।
টাঙ্গাইল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং ও কনস্ট্রাকশন ডিপার্টমেন্টের ষষ্ঠ সেমিস্টারের ছাত্র শৈবাল চৌধুরী বলেন, আমি জন্মসূত্রে কক্সবাজার জেলার হলেও পড়ালেখার কারণে টাঙ্গাইল পৌরসভার ধুলেরচর এলাকায় থাকি। যখনই আমি সময় পাই ডিসি লেকের এই ঘাটলায় বসে সোনালু ফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করি। পড়ালেখা করতে করতে যখন একঘেয়েমি পেয়ে বসে তখনই আমি এই গাছগুলোর সামনে এসে দাঁড়াই। নিমিষেই আমার সেই একঘেয়েমি ও ক্লান্তি দূর হয়ে যায়।
হাকিম মো. ইকবাল হোসেন বিইউএমএস( ঢাবি) জানান, সোনালু গাছের বাকল এবং পাতায় ঔষধি গুণাগুণ রয়েছে। ব্লাডপ্রেসারে নাক দিয়ে রক্ত পরলে সোনালুর ফলমজ্জা আধা কাপ পানিতে মিশিয়ে তা ছেঁকে চিনি বা মধু দিয়ে পান করলে এই সমস্যার সমাধান হয়। অন্ত্রের সমস্যায় চার-পাঁচ গ্রাম ফলমজ্জা চার কাপ পানিতে সেদ্ধ করে ছেঁকে সকালে ও বিকালে পান করলে সুবিধা পাওয়া যায়। কোষ্ঠ্যকাঠিন্যও দূর হয়। এটি খুবই ঔষধি গুণসম্পন্ন উদ্ভিদ। ইউনানী চিকিৎসায় এখনো এই গাছের ব্যবহার রয়েছে।
টাঙ্গাইল বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. সাজাদুজ্জামান জানান, সোনালু গাছ একটি বনজ শোভা বর্ধনকারী গাছ। এই গাছটি ভারত উপমহাদেশের একটি গাছ। এই শোভাবর্ধনকারী বৃক্ষ, পাখিদের আশ্রয়স্থল হিসেবে কাজ করে। গাছের উজ্জ্বল হলুদ ফুল মৌমাছি ও প্রজাপতিদের আকর্ষণ করে পরাগায়নের সহযোগিতা করে থাকে। এই গাছ মূলতঃ সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য লাগানো হয়ে থাকে । সোনালু গাছের সাথে কৃষ্ণচূড়া, পলাশ প্রভৃতি গাছ লাগালে আরও বেশি সৌন্দর্য বর্ধন করে থাকে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিলেন সদর উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি আজগর আলী।
শুক্রবার (১০ মে) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু অডিটোরিয়ামে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ ঘোষণা দেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি’র সভাপতি মো. হাসানুজ্জামিল শাহীন, সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল, বিএনপি নেতা আতাউর রহমান জিন্নাহ, সাদেকুল আলম খোকা, জিয়াউল হক শাহীন, কাজী শফিকুর রহমান লিটন, শহর বিএনপি’র সভাপতি মেহেদী হাসান আলীম, সাধারণ সম্পাদক ইজাজুল হক সবুজ প্রমুখ।

টাঙ্গাইল সদর উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি আজগর আলী সংবাদ সম্মেলনে বলেন, সদর উপজেলায় আমার ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে। ইতিপূর্বে দুইবার জনগণ আমাকে অনেক ভোট দিয়েছিলেন। কিন্তু এই সরকার আমার প্রাপ্ত ভোট ছিনিয়ে নিয়েছে। যে কারণে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে ও জেলা বিএনপি’র নেতাকর্মীদের সুপারিশে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিলাম। শুক্রবারের মধ্যে আমি মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার করবো।
জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল বলেন, প্রথম ধাপের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ইসির তথ্যমতে প্রায় ৩৬ শতাংশ ভোট পড়েছে। এই ইসি ও সরকারের অধীনে কোন নির্বাচনে দেশের সাধারণ মানুষের আস্থা নেই।
জেলা বিএনপি’র সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন বলেন, এ সরকারের অধীনে জাতীয় ও স্থানীয় কোনো নির্বাচনই অবাধ সুষ্ঠু হয়নি। তাই আমরা এ নির্বাচনে যাচ্ছি না। যে কারণে সদর উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি আজগর আলীকে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর জন্য দলের পক্ষ থেকে অনুরোধ করছি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলায় ক্রিয়াশীল বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সুধীজনদের সমন্বয়ে রাজনৈতিক-সৌহার্দ্য-সংস্কৃতি এগিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৬ মে) দুপুরে শহরের একটি রেস্টুরেন্টে ইউকেএইড’র অর্থায়নে এ কর্মশালার আয়োজন করে ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশলান, বাংলাদেশ চ্যাপ্টার।
কর্মশালায় রাজনৈতিক সৌহার্দ্যের ধারণা, রাজনৈতিক পরিসরের ধারণা, রাজনৈতিক সৌহার্দ্যের চর্চা সমুন্নত রাখার গুরুত্ব ও কৌশল এবং রাজনৈতিক সৌহার্দ্যের চর্চা এগিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা বিষয়ক আলোচনা করা হয়।
কর্মশালায় সকলের মতামতের ভিত্তিতে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা নিয়ে আলোচনা করা হয়। সমস্যাগুলি হলো- শহরের যানজট, বর্জ্য ব্যবস্থা ও জলাবদ্ধতা।
নাগরিক প্রত্যাশা বিষয়ক কর্মশালা হতে উঠে আসা বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা সমূহ উপস্থিত অংশগ্রহণকারীদের সামনে উপস্থাপনা করা হয়।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী সকলের পরিকল্পনা উপস্থাপনের বিষয়ে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে আলোকপাত করেন শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও টাঙ্গাইল পৌর মেয়র এস.এম সিরাজুল হক আলমগীর।
অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের ময়মনসিংহ অঞ্চলের সিনিয়র রিজিওলান ম্যানেজার নার্গিস আক্তার।
এতে অংশ নেয় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) টাঙ্গাইল জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল, টাঙ্গাইল জেলা মাল্টিপার্টি অ্যাডভোকেসি ফোরামের সভাপিত নাজমুল হুদা নবীন, জেলা আওয়ামী মহিলা লীগের সভাপতি নাছিমা বাছিদ, সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌসী আক্তার রুনু, জেলা জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের (বিএনপি) সভাপতি নিলুফার ইয়াসমিন খান, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট রক্সি মেহেদী প্রমুখ।
উল্লেখ্য, মাল্টিপার্টি অ্যাডভোকেসি ফোরাম একটি বহুদলীয় স্বেচ্ছাসেবী রাজনৈতিক ফোরাম। যা বাংলাদেশের প্রধান তিনটি রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীদের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়ন নিয়ে কাজ করে।
একতার কণ্ঠঃ দেশজুড়ে চলছে তীব্র তাপদাহ। তীব্র গরম হতে দেশবাসীকে রক্ষা এবং টেকসই উন্নয়ন অর্জনের লক্ষ্যে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। এরই ধারাবাহিকতায় টাঙ্গাইল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে বৃক্ষরোপণ করা হয়েছে।
সোমবার (৬ মে) দুপুরে টাঙ্গাইল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে ওই ইনস্টিটিউট ছাত্রলীগের উদ্যোগে এ বৃক্ষরোপণ করা হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ছাত্রলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব হোসেন প্রান্ত, ছাত্রলীগ নেতা আসিফ হোসেন, রাকিব, নিরব, রিপন, রামিম, নাসিম, স্বাধীন, আবির প্রমুখ।
টাঙ্গাইল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ছাত্রলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব হোসেন প্রান্ত বলেন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানের নির্দেশে পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে এই বৃক্ষরোপণ করা হয়। এসময় বিভিন্ন ধরনের ২০টি চারা রোপণ করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সন্তোষস্থ মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ই-গভর্ন্যান্স ও উদ্ভাবন কমিটির উদ্যোগে ই-গভর্ন্যান্স ও উদ্ভাবন কর্ম-পরিকল্পনা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ‘ইনোভেশন প্রদর্শনী’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৬ মে) সকালে তৃতীয় একাডেমিক ভবনের কনফারেন্স রুমে ওই প্রদর্শনীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ ও অফিসের উদ্ভাবনী উদ্যোগসমূহ স্থান পায়।
ওই উদ্ভাবনী প্রদর্শনী উদ্বোধন ও বিজয়ীদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্জ (ভিসি) প্রফেসর ডক্টর মো. ফরহাদ হোসেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপ-উপাচার্জ (প্রো-ভিসি) প্রফেসর ডক্টর এআরএম সোলাইমান ও কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ডক্টর মো. সিরাজুল ইসলাম।
বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি বিভাগের অধ্যাপক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের এপিএ কমিটির ই-গভর্ন্যান্স ও উদ্ভাবন কমিটির ফোকাল পয়েন্ট অধ্যাপক ডক্টর মুহাম্মদ শাহীন উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন, আইসিটি সেলের সহকারী রেজিস্ট্রার ও বিকল্প ফোকাল আরিফুল ইসলাম।
প্রদর্শনীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ ও অফিসের পক্ষ থেকে তাদের নিজেদের উদ্ভাবনী প্রদর্শন করা হয়। শেষে বিজয়ীদের মাঝে প্রধান অতিথি পুরস্কার বিতরণ করেন। অনুষ্ঠানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ প্রচণ্ড তাপদাহের মধ্যে সাধারণ মানুষকে কিছুটা স্বস্তি দিতে টাঙ্গাইলে বিতরণ করা হয়েছে ছাতা। সেই সঙ্গে দেওয়া হয়েছে সুপেয় পানি ও বিস্কুট। কেন্দ্রীয় যুবলীগের নির্দেশে বুধবার (১ মে) দুপুরে শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড মোড়ে জেলা যুবলীগের উদ্যোগে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।
রোদে সুরক্ষার জন্য ছাতার পাশাপাশি সুপেয় পানি ও বিস্কুট পেয়ে খুশি পথচারীসহ নিম্ন আয়ের মানুষ। এ সময় ভ্যান চালকদের মাঝেও বিতরণ করা হয় ছাতা।
পথচারী বারেক মিয়া বলেন, মে দিবসের জন্য দোকানপাট বন্ধ। বিস্কুট ও পানি পেয়ে খুব উপকার হলো। এরকম কার্যক্রম চলমান থাকলে পথচারী ও ভ্যান চালকরা স্বস্তি পাবে।
জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আবু সাইম তালুকদার বিপ্লব বলেন, কেন্দ্রীয় যুবলীগের নির্দেশে আমরা প্রথমদিনে ৫০ জনের মাঝে ছাতা বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া পথচারী ও নিম্ন আয়ের এক হাজার মানুষকে সুপেয় পানি ও বিস্কুট দেওয়া হয়েছে। যতদিন অসহ্য তাপদাহ থাকবে, এ কার্যক্রম ততদিন চলবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা যুবলীগের সভাপতি মাসুদ পারভেজ, সাধারণ সম্পাদক আবু সাইম তালুকদার বিপ্লব, নুর মোহাম্মদ সিকদার মানিকসহ জেলা ও উপজেলা যুবলীগের নেতাকর্মীরা।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে টান টান উত্তেজনার মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগের দু’পক্ষ পৃথকভাবে মহান মে দিবস উপলক্ষে কর্মসূচি পালন করেছে।
বুধবার (১ মে) দুপুর ১১টার দিকে শহরের পুরাতন বাসষ্ট্যান্ড এলাকায় শিবনাথ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জেলা শ্রমিক ফেডারেশনের উদ্যোগে শ্রমিক সমাবেশ করে এক পক্ষ। এর নেতৃত্বে ছিলেন, জেলা শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক, তানভীর হাসান ছোট মনির এমপি। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সাবেক কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেডিডিয়াম সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক ও কেন্দ্রীয় যুবলীগের সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট মামুনুর রশীদসহ অনেকে।
এদিকে একই সময়ে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় ঈদগাহ্ ময়দানে শ্রমিক সমাবেশ করে টাঙ্গাইল পৌর শ্রমিক ঐক্য পরিষদ। এ সমাবেশে নেতৃত্ব দেন টাঙ্গাইল পৌর মেয়র এস.এম সিরাজুল হক আলমগীর। সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন, সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম ভিপি জোয়াহের, টাঙ্গাইল সদর আসনের সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন, আমানুর রহমান খান রানা এমপি ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাজাহান আনসারীসহ অনেকে।
মহান মে দিবসকে কেন্দ্র করে টাঙ্গাইলে আওয়ামী লীগের দু’পক্ষের মধ্যে বেশ কয়েকদিন ধরেই চরম উত্তেজনা দেখা দেয়। উভয় পক্ষ শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে শ্রমিক সমাবেশের ডাক দিলে এ উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে উভয়পক্ষকে একইস্থানে সমাবেশ না করার জন্য বলা হয়। পরে দু’পক্ষ পৃথক স্থানে সমাবেশের আয়োজন করে। পরিস্থিতি শান্ত রাখতে মঙ্গলবার (৩০ এপ্রিল) রাতে শহরের বটতলা থেকে নিরালা মোড় পর্যন্ত সব ধরনের সমাবেশ বন্ধ রাখা হয়।

রাত থেকেই প্রশাসন পৌর উদ্যানের প্রবেশ পথ, বটতলা মোড়, নিরালা মোড়, মডেল প্রাইমারি স্কুলের মোড়, প্রিন্স হোটের সামনে ও কলেজ পাড়া চৌরাস্তা বালুর ট্রাক দিয়ে আংশিক বন্ধ করে দেয়। প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের কারণে শহরে কোন রকম বিশৃঙ্খলা ছাড়াই দুপক্ষের শ্রমিক সমাবেশ শান্তিপুর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ মহান মে দিবসে শ্রমিকদের নিয়ে বিশাল শোডাউনের মধ্যে দিয়ে শ্রমিক সমাবেশ করেছে পৌর শ্রমিক ঐক্য পরিষদ।
বুধবার (১ মে) সকালে শহরের কেন্দ্রীয় ঈদগাহ্ ময়দানে ২২টি শ্রমিক সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত পৌর শ্রমিক ঐক্য পরিষদ এ সমাবেশের আয়োজন করে।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম ভিপি জোহের।

সমাবেশটি উদ্বোধন করেন টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মো. ছানোয়ার হোসেন। সমাবেশে এসে একাত্বতা প্রকাশ করেন টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানা।
পৌর শ্রমিক ঐক্য পরিষদের সভাপতি টাঙ্গাইল পৌর মেয়র এস.এম সিরাজুল হক আলমীরের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শাহজাহান আনছারী, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুজ্জামান সোহেল, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক রেজাউর রহমান চঞ্চল, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক ওয়াজির হাসান খান শরীফ হাজারী, শিক্ষা ও মানব-সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকে মহসিন শিকদার, উপ-প্রচার বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুর রহিম, জেলা অ্যাডভোকেট বার সমিতির সভাপতি শামীমুল আক্তার শামীম, সদস্য আমিরুল ইসলাম খান ও আকরাম হোসেন কিসলু প্রমুখ।
সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌসী আক্তার রুনু, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন খান তোফা, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াছ হাসান, ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ইসতিয়াক আহম্মেদ রাজীব।
সমাবেশে এসে একাত্বতা প্রকাশ করেন জেলা স্বেচ্ছা সেবক লীগের সভাপতি মির্জা আনোয়ার হোসেন বাবুল, সাধারণ সম্পাদক মাতিনুজ্জামান খান সুখন ও টাঙ্গাইল জেলা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সাধারন সম্পাদক আব্দুস সোবহান গোলাপ।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, টাঙ্গাইল জেলায় ক্রিয়াশীল বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের বিগত দিনগুলোতে পকেট কমিটি গঠন করা হয়েছে। তার প্রতিবাদে দুই বছর পূর্বে ২২টি শ্রমিক সংগঠন নিয়ে পৌর শ্রমিক ঐক্য পরিষদ গঠন করা হয়। শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার আদায়ে এই সংগঠন কাজ করে যাচ্ছে। এই সংগঠন যে সঠিক পথে চলছে, তার প্রমান এই প্রচন্ড তাপদাহ উপেক্ষা করে হাজার-হাজার শ্রমিকদের এই সমাবেশে উপস্থিতি।
বক্তারা আরও বলেন, টাঙ্গাইলে আর কোন শ্রমিক সংগঠনের পকেট কমিটি গঠন করতে দেওয়া হবেনা। প্রতিটি সংগঠনের নির্বাচনের মাধ্যমে কমিটি গঠন করতে হবে।
এদিকে, শহরের শিবনাথ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জেলা শ্রমিক ফেডারেশন পৃথক শ্রমিক সমাবেশ করেছে। উক্ত শ্রমিক সমাবেশে সাবেক কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক, কেন্দ্রীয় আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট মামুনুর রশীদ, টাঙ্গাইল-২ (ভূঞাপুর-গোপালপুর) আসনের সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনির, টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখিপুর) আসনের সংসদ সদস্য অনুপুম শাজাহান জয়, টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনের সংসসদ সদস্য খান আহম্মেদ শুভ, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খন্দকার আশরাফুজ্জামান স্মৃতি, সাংগঠনিক সম্পাদক জামিলুর রহমান মিরন, মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাছিমা বাছেদ প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, মে দিবসের কর্মসুচীকে কেন্দ্র করে জেলা আওয়ামী লীগের বিবাদমান দুটি পক্ষই শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে শ্রমিক সমাবেশের আহবান করে। এনিয়ে শহরে ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হলে প্রশাসন কোন পক্ষকেই পৌর উদ্যানে সমাবেশ করার অনুমতি দেয়নি। পরে একটি পক্ষ জেলা শ্রমিক ফেডারেশনের ব্যানারে শহরের শিবনাথ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ও অপরপক্ষ পৌর শ্রমিক ঐক্য পরিষদের ব্যানারে কেন্দ্রীয় ঈদগাহ্ ময়দানে সমাবেশ আহবান করে। মঙ্গলবার (৩০ এপ্রিল) রাত থেকেই প্রশাসন পৌর উদ্যানের প্রবেশ পথ, বটতলা মোড়, নিরালা মোড়, মডেল প্রাইমারি স্কুলের মোড়, প্রিন্স হোটের সামনে ও কলেজ পাড়া চৌরাস্তা বালুর ট্রাক দিয়ে আংশিক বন্ধ করে দেয়। প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের কারণে শহরে কোন রকম বিশৃঙ্খলা ছাড়াই দুইপক্ষের শ্রমিক সমাবেশ শান্তিপুর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী করটিয়া কাপড়ের হাটে আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের ৬৮ তম শাখা উদ্বোধন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩০) এপ্রিল সকালে করটিয়া হাটের আনছারী মার্কেটের দোতলায় এ শাখার উদ্বোধন করা হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সরকারি সা’দত কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর সুব্রত নন্দী।
আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের পিএলসি টাঙ্গাইল শাখার ব্যবস্থাপক ফজলুল বারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, করটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা খালেকুজ্জামান চৌধুরী মজনু, টাঙ্গাইল জেলা ব্যবসায়ী ঐক্যজোটের সভাপতি আফজাল হোসেন লাভলু প্রমূখ।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যকালে করটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খালেকুজ্জামান চৌধুরী মজনু বলেন, করটিয়া কাপড়ের হাট দেশের ঐতিহ্যবাহী একটি হাট। এ হাট থেকে সরকার কোটি-কোটি টাকা রাজস্ব পায়। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এখানে কাপড়ের পাইকার আসে। এখানে একটি ব্যাংকের শাখা হবে এটা তাদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল। মঙ্গলবার এই ব্যাংকের শাখা স্থাপনের মধ্যে দিয়ে তাদের সেই দীর্ঘদীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হলো। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে থাকতে পেরে আমি অত্যান্ত আনন্দিত।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন, আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের করটিয়া হাট শাখার ব্যবস্থাপক আব্দুল্লাহ আল মুকতাদির।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, করটিয়া হাটের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. জিন্নাহ মিয়া, শহীদ স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো. ওয়াহেদুজ্জান চৌধুরী, ব্যবসায়ী শাহিন মিয়া, সা’দত কলেজের সাবেক এজিএস সোহেল আনছারীসহ আল
-আরাফাহ্ ব্যাংক হাট শাখার কর্মকতা-কর্মচারীবৃন্দ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের প্রয়াত নায়ক মান্নার বাসা থেকে বেড়াডোমা ব্রিজ পর্যন্ত ৬’শ ২০ মিটার রাস্তার উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে।
সোমবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে এই উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন করেন টাঙ্গাইল পৌর মেয়র এস.এম সিরাজুল হক আলমগীর।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর মামুন জামান সজল, সাবেক কাউন্সিলর মাসুদুর রহমান মাসুদ, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস-চেয়ারম্যান পদ-প্রার্থী ইসতিয়াক আহম্মেদ রাজীব, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য ভ্রমর চন্দ্র ঘোষ ঝোটন, সমবায় সুপার মার্কেটের সাবেক সাধারণ সম্পাদক অতুল চন্দ সরকার প্রমুখ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মেয়র সিরাজুল হক আলমগীর বলেন, টাঙ্গাইল পৌরসভাকে আধুনিকায়ন করার লক্ষে আমি নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছি। তারই ধারাবাহিকতায় সোমবার প্রয়াত নায়ক মান্নার বাসা থেকে বেড়াডোমা ব্রিজ পর্যন্ত ৬’শ ২০ মিটার রাস্তার উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন করা হলো। ইতিপূর্বে এই সড়কের ড্রেনেজ ব্যবস্থা আধুনিকায়ন করা হয়েছে। আশা করা যায়, নির্দিষ্ট সময়ে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কাজটি সম্পন্ন করবে।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মেয়র বলেন, শহীদস্মৃতি পৌর উদ্যান, কেন্দ্রীয় ঈদগাহ্ ও কাগমারী রাণী দিনমনি শ্মশান ঘাট উন্নয়নের জন্য টাঙ্গাইল পৌরসভা কর্তৃক প্রস্তাবিত ৩ কোটি ৫০ লাখ টাকার বাজেট অনুমদিত হয়েছে। আশা করা যায় খুব দ্রুতই এই তিনটি প্রকল্পের উন্নয়নের টেন্ডার আহবান করা যাবে।
৬নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মামুন জামান সজল বলেন, কলেজপাড়া-প্যারাডাইসপাড়া বাসীর দীর্ঘদিনের দাবি প্রয়াত নায়ক মান্নার বাসা থেকে বেড়াডোমা ব্রিজ পর্যন্ত রাস্তাটির উন্নয়ন। সোমবার এই কাজের উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হলো।
উল্লেখ্য, ৬’শ ২০ মিটার রাস্তাটি ৮৮ লাখ ৯০ হাজার টাকা ব্যায়ে উন্নয়ন কাজটি পেয়েছেন ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান মেসার্স খন্দকার শাহিন-জাহানারা ট্রেডার্স।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে অপহরণ ও চাঁদাবাজি মামলায় যুবলীগ ও ছাত্রলীগের ৪ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে সদর থানা পুলিশ।
রবিবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে শনিবার (২৭ এপ্রিল) রাতে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের হাতিলা এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
রবিবার দুপুরে অপহরণ, ১ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করাসহ নগদ ৫’শ টাকা আদায়ের অভিযোগে ৮ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী যুবক মো. রুবেল রানা।
গ্রেপ্তারকৃতরা সবাই সরকার দলীয় যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ।
আটককৃতরা হলেন- সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা ও হাতিলা গ্রামের ধীনেশ সরকারের ছেলে প্রশান্ত সরকার (৩৫), ইউনিয়ন ছাত্রীগের সাধারণ সম্পাদক ও হাতিলা গ্রামের জহুর উদ্দিনের ছেলে রিপন মিয়া (৩০), ধীরেন চন্দ্র মন্ডলের ছেলে প্রতিক কুমার সরকার (২৩), অজিবর রহমানের ছেলে রিমন মিয়া (২১)।
মামলার অন্যান্য আসামীরা হলেন- আইনুদ্দিনের ছেলে সবুজ (২১), চাঁদ মাহমুদের ছেলে রনি (২৩), জুলহাস মিয়ার ছেলে রাব্বি (২১) ও আজগর আলীর ছেলে সুজন (২১)।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ লোকমান হোসেন।
তিনি জানান, পাশের কালিহাতী উপজেলার বিনোদ লুহুরিয়া গ্রামের দুলাল মিয়ার ছেলে মো. রুবেল রানা হাতিলা গ্রামের শশুর কান্দু মিয়ার বাড়িতে যাওয়ার পথে শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে তাকে অপহরণ করেন আটককৃতরা। মুক্তিপণের জন্য রাত প্রায় দেড়টা পর্যন্ত অপহৃতের উপর অমানুষিক নির্যাতন চালায় তারা। এ সময় অপহৃত রুবেলের কাছে থাকা ৫’শ টাকা ছিনিয়ে নেয় অপহরণকারীরা। ঘটনাটি রাতেই অপহৃতের ভাই বাবু পুলিশকে জানায়। পুলিশ রাতেই অভিযান চালিয়ে অপহৃত রুবেলকে উদ্ধার করাসহ অভিযুক্তদের আটক করে। রবিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে অপহৃত রুবেল নিজে বাদি হয়ে মামলা দায়ের করেন।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা অপরহণ ও চাঁদা দাবির বিষয়টি স্বীকার করেছেন বলেও জানান ওসি।