একতার কণ্ঠঃ প্রতি বছরের মতো এ বছরও টাঙ্গাইলের সন্তোষে মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর মাজার প্রাঙ্গনে মৌসুমী ফলের উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (৯ জুন) বাদ যোহর এ মৌসুমী ফলের উৎসবে মওলানা ভাসানীর অনুসারী, ভক্ত ও মুরিদানগণ অংশগ্রহণ করেন।
মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী তাঁর জীবদ্দশায় ভক্ত-মুরিদানদের নিয়ে প্রতি বছরই এ মৌসুমী ফল উৎসবের আয়োজন করতেন বলে জানা যায়।
এই ফল উৎসবে ন্যাপ ভাসানী খোদা-ই-খেদমতগারের সভাপতি হাসরত খান ভাসানী, ভাসানী পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য-সচিব আজাদ খান ভাসানী, মওলানা ভাসানী আদর্শ কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ দেলোয়ার হোসেন, সরকারি ই.বি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ তোফাজ্জল হোসেন, মাভাবিপ্রবি অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোঃ মফিজুল ইসলাম মজনু ও সাধারণ সম্পাদক ড. ইকবাল বাহার বিদ্যুৎসহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক মো. মো.কায়ছারুল ইসলাম বলছেন, সরকারের সদিচ্ছা এবং নীচের দিকে আমরা মাঠ পর্যায়ে যারা কাজ করছি তাদের বাস্তবায়নে আগ্রহের কারনে ভূমি সেবা প্রত্যাশীদের হয়রানী অনেক কমে গেছে।তারপরও কিছু জটিলতা আছে যেগুলোর কারনে সাধারন মানুষ অনেক বেশী হয়রানীর শিকার হন, তার প্রত্যেকটি আমরা এড্রেস করবো। অনেক ধরনের দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া যায় সেগুলো আমরা কেস বাই কেস ধরে ধরে তাদের বিরুদ্ধে ডিসিপ্লিনারী অ্যাকশন নেবো।
৯ জুন (রবিবার) সকালে ‘স্মার্ট ভূমি সেবা, স্মার্ট নাগরিক’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে টাঙ্গাইলে ‘ভূমি সেবা সপ্তাহ’ এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।
সকালে সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে উপজেলা ভূমি অফিস প্রাঙ্গণে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসন ও উপজেলা ভূমি অফিসের উদ্যোগে আযোজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে বেলুন উড়িয়ে কর্মসূচীর উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক।
এরপর উপজেলা ভূমি অফিস প্রাঙ্গণ থেকে একটি শোভাযাত্রা বের হয় এবং আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
জেলা প্রশাসক ছাড়াও আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জিয়াউল ইসলাম চৌধুরী, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাসান-বিন-মুহাম্মাদ আলী, সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)মোঃ রুহুল আমিন শরিফ, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আল-আমিন কবির প্রমুখ।
এসময় ভূমি অফিসের অন্যান্য কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দসহ সেবা প্রত্যাশিরা উপস্থিত ছিলেন ।
এই ভূমি সপ্তাহের কার্যক্রম চলমান থাকবে ৮ জুন থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে নানা আয়োজনে জাতীয় দৈনিক যায়যায়দিনের ১৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বৃহস্পতিবার(৬ জুন) সকালে জেলা ফ্রেন্ডস ফোরামের উদ্যোগে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়।কর্মসূচির মধ্যে ছিল- বর্ণাঢ্য র্যালি, আলোচনা সভা, কেক কাটা, দোয়া ও মিলাদ মাহফিল ইত্যাদি।
বৃহস্পতিবার (৬ জুন) সকালে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু অডিটরিয়ামে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক এমপি অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম(ভিপি জোয়াহের)।
টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন, যায়যায়দিন পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার মু. জোবায়েদ মল্লিক বুলবুল।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন,টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের
সহ-সভাপতি কাজী জাকেরুল মওলা, সাধারণ সম্পাদক মো. নাসির উদ্দিন,যুগ্ম-সম্পাদক কাজী তাজ উদ্দিন রিপন, সাহিত্য ও পাঠাগার সম্পাদক অরণ্য ইমতিয়াজ, সাংবাদিক মির্জা শাকিল, টাঙ্গাইল জেলা শিল্পী কল্যাণ সংস্থার সভাপতি কণ্ঠশিল্পী ফিরোজ আহমেদ বাচ্চু প্রমুখ।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন, টাঙ্গাইল জেলা জেজেডি ফ্রেন্ডস ফোরামের সাধারণ সম্পাদক মো. কবির হোসেন।
এ সময় টাঙ্গাইলে কর্মরত বিভিন্ন প্রিণ্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার প্রতিনিধি, জেলা জেজেডি ফ্রেন্ডস ফোরামের সদস্য এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে গ্যাস বিস্ফোরণ হয়ে জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বুধবার(৫ জুন )দিবাগত রাত ১২টা ৩০ মিনিটের সময় এ ঘটনা ঘটে।
এতে আশেপাশের কয়েকটি দোকান ও ভবনে ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ে। সাধারণ মানুষের মধ্যে আতংকের সৃষ্টি হয়।
এবিষয়ে ডিসি অফিস থেকে একটি তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছে। খবর পেয়ে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম ও দপ্তর সম্পাদক এডভোকেট খোরশেদ আলম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
জানা যায়, শহরের মেইন রোডে রাস্তা ও ড্রেনের কাজ চলমান রয়েছে। ঠিকাদারের অসচেতনার কারনে তিতাস গ্যাসের সঞ্চালন লাইনের প্রধান পাইপ ফেটে যায়। এরপর প্রচন্ড বেগে গ্যাস আওয়ামী লীগের অফিসের দরজার নিচ দিয়ে ভিতরে প্রবেশ করে। অফিসবদ্ধ থাকায় গ্যাসের চাপে ৫ টি এসি, ১৬টি ফ্যান, ২টি কম্পিউটার, চেয়ার-টেবিল ও আলমারিসহ অধিকাংশ মালামাল নষ্ট হয়ে গেছে।
টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক এডভোকেট খোরশেদ আলম বলেন, রাস্তার উন্নয়ন কাজের সময় ভেকুর আঘাতে তিতাস গ্যাসের সঞ্চালন পাইপ ফেটে গ্যাস মেইন রোডে ছড়িয়ে যায়। বিভিন্ন ভবন ও আমাদের আওয়ামী লীগ অফিসে প্রবেশ করে। গ্যাসের কারনে অফিসের মালামাল নষ্ট হয়ে গেছে।
তিনি আরও বলেন, ব্যবহারের উপযোগী করতে অফিস সংস্কার করতে হবে। এর দায় ঠিকাদারকেই নিতে হবে।
টাঙ্গাইল সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আব্দুল মোমেন বলেন, গ্যাস বিস্ফোরনের ঘটনায় ঠিকাদারের ত্রুটি আছে কি না সেটা তদন্ত হবে। যদি ক্রটি পাওয়া যায় তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
টাঙ্গাইল তিতাস গ্যাসের ম্যানেজার প্রকৌশলী খোরশেদ আলম বলেন, গ্যাস লাইনের ত্রুটির কারনে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। খবর পাওয়ার সাথে সাথে ফায়ার সার্ভিস এবং আমাদের টীম গিয়ে লাইন বন্ধ করে দেয়। এবিষয়ে ডিসি অফিস থেকে একটি তদন্ত কমিটি গঠণ করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে সৃষ্টি একাডেমিক স্কুল ক্যাম্পাস-২ এর আবাসিক ভবনের ৮ম শ্রেণীর এক শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে ওই স্কুলের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে।
এদিকে বলাৎকারের ঘটনার পরই ওই ক্যাম্পাসের আবাসিক গণিত বিষয়ের শিক্ষক প্রনয় সরকার পালাতক রয়েছে।
অভিযুক্ত প্রনয় সরকার জেলার ঘাটাইল উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের মমিনপুর গ্রামের আনন্দ মোহন সরকারের ছেলে।
সোমবার (৩ জুন) বিষয়টি প্রকাশ হওয়ার পরই ওই শিক্ষার্থীর অভিভাবকরা সৃষ্টি একাডেমিক স্কুলে গিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিচার দাবী করেন। পরে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কোন ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় ওই শিক্ষার্থীকে তার অভিভাবকগণ সৃষ্টি একাডেমিক স্কুল থেকে টিসি নিয়ে চলে যান।
জানা গেছে, জেলার বাসাইল উপজেলার এক প্রবাসীর ছেলেকে ৮ম শ্রেণীতে সৃষ্টি একাডেমিক স্কুলের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের আবাসিকে ভর্তি করা হয়। সম্প্রতি ওই আবাসিকের শিক্ষক প্রনয় সরকার রাতে শিক্ষার্থীকে তার রুমে নিয়ে বলাৎকার করেন। পরে ভবনে থাকা শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করা হয়। পরে ঘটনাটি যাতে প্রকাশ না পায় এবং প্রকাশ পেলে ওই শিক্ষার্থীকে স্কুল থেকে বের করে দেয়া মর্মে ভয় দেখানো হয়। এই ঘটনার পর অভিযুক্ত শিক্ষক প্রনয় সরকার তার মায়ের অসুস্থ্যতা দেখিয়ে স্কুল থেকে ছুটি নিয়ে আর বিদ্যালয়ে আসেননি।
এদিকে এই ঘটনার পরই ওই শিক্ষার্থী ভয়ে জুবুথুবু হয়ে পড়ে এবং তার পরিবারের সাথে কম কথা বলে। পরে গত রবিবার (২ জুন) বিষয়টি পরিবারকে জানায় সে। পরে সোমবার (৩ জুন) সকালে শিক্ষার্থীর অভিভাবকগণ বিদ্যালয়ে গিয়ে ঘটনার বিচার দাবী করেন। কিন্তু বিদ্যালয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক না থাকায় সৃষ্টি স্কুলের আবাসিক ভবনের প্রধান মোস্তাফিজুর রহমান হ্যাপি কোন সদুত্ত্বর দিতে পারেননি। পরে ওই শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিল করে টিসি নেয় অভিভাবকগণ। এসময় বিদ্যালয় থেকে মিমাংসার প্রস্তাব দেয়াসহ ২৫ হাজার টাকা দিতে চাইলে তা গ্রহণ করেনি ওই শিক্ষার্থীর পরিবার।
বলাৎকারের শিকার শিক্ষার্থীর চাচা বলেন, ভাল লেখাপড়ার জন্য সৃষ্টির আবাসিকে ভর্তি করানো হয়েছিল। কিন্তু শিক্ষকই যখন শিক্ষার্থীর সাথে খারাপ কাজ করে তাহলে নিরাপদ কোথায়। ঘটনাটি আমাদের জানানো হয়নি। বিচার চাইলে কর্তৃপক্ষ তাল-বাহানা করে। মিমাংসার প্রস্তাব দেয়াসহ টাকা দিতে চেয়েছে। ওই শিক্ষকও পালিয়েছে। ছেলেটার সাথে খুবই অন্যায় হয়েছে। ছেলেটা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। কারোর সাথে তেমন কথা বলছে না। তার মনে ভয় কাজ করছে। আমরা আইনের আশ্রয় নিবো।
এবিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক প্রনয় সরকারের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তার ব্যবহৃত ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।
সৃষ্টি একাডেমিকের স্কুল ক্যাম্পাস-২ এর আবাসিকের প্রধান শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমান হ্যাপি জানান, বিষয়টি জানতে পেরেছি। কিন্তু ওই শিক্ষক ক্যাম্পাসে নেই। তার মায়ের অসুখ দেখিয়ে ছুটি নিয়ে আর বিদ্যালয়ে আসেনি। ঘটনাটি অনাকাঙ্খিত।
এবিষয়ে জানতে সৃষ্টি একাডেমিক স্কুলের চেয়ারম্যান ড. শরিফুল ইসলাম রিপনের মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
একতার কণ্ঠঃ ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তৃতীয় ধাপে আগামী বুধবার (২৯ মে) অনুষ্ঠিতব্য টাঙ্গাইল সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নিজ এলাকার নিরঙ্কুশ সমর্থন পেলেন ভাইস-চেয়ারম্যান পদে উড়োজাহাজ মার্কা প্রতীকের প্রার্থী ইসতিয়াক আহম্মেদ রাজীব।
তার উড়োজাহাজ প্রতীকের সমর্থনে শুক্রবার (২৪ মে) বিকালে পৌর এলাকার ৬নং ওয়ার্ডের পানির ট্যাংক মাঠে একত্রিত হয়েছিলেন সহস্রাধিক এলাকাবাসী।
এসময় ৭০ বছরের বৃদ্ধ রহিম আলী, ১৮ বছরের যুবক সজল আহমেদ, গৃহিণী রহিমা বেগম, রবি হরিজনসহ সমবেত কণ্ঠে, “উড়োজাহাজ-উড়োজাহাজ” স্লোগানে এলাকা প্রকম্পিত হয়ে উঠে। তাদের একটিই দাবি- রাজীব আমাদের এলাকার ছেলে তাকে যেকোনো মূল্য এই নির্বাচনে পুরুষ ভাইস-চেয়ারম্যান পদে উড়োজাহাজ প্রতীকে বিজয়ী করে নিয়ে আসতেই হবে।

তাদের এই উচ্ছ্বসিত স্লোগানের জবাবে ইসতিয়াক আহম্মেদ রাজীব বলেন, আমি আপনাদের এলাকার ছেলে। আমি জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক, সভাপতি ও কাগমারী সরকারি এম এম আলী কলেজের ভিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি। কোনদিন কোন অবস্থাতেই এলাকাবাসীর সাথে খারাপ ব্যবহার করিনি। এলাকার কারো বিপদে যখন ডেকেছে তখনই ঝাঁপিয়ে পড়েছি। আমি আপনাদের কাছে ভোট চাইবো না, আপনারাই আমার হয়ে জনগণের কাছে উড়োজাহাজ প্রতীকের ভোট চাইবেন এটাই আমার দাবি। আমার বিজয় মানে আপনাদের বিজয়, এলাকাবাসীরও বিজয়। ইনশাআল্লাহ আগামী বুধবার (২৯ মে) বিজয়ী বেশে আপনাদের মাঝে ফিরবো।
শুক্রবার (২৪ মে) বিকালে ৬নং ওয়ার্ডের কলেজপাড়া পানির ট্যাংক মাঠে ইসতিয়াক আহম্মেদ রাজীবের সমর্থনে আয়োজিত জনসভায় সভাপতিত্ব করেন, স্থানীয় কাউন্সিলর মামুন জামান সজল।
উদয় লাল গোড়ের সঞ্চালনায় এই নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আতাউর রহমান খান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাবেক ডি জি এম মির্জা রেজানুর রহমান, টাঙ্গাইল জেলা শ্রমিক ফেডারেশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. বালা মিয়া, সমবায় সুপার মার্কেটের সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাইফুল ইসলাম, টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক সচিব মো. ইসমাইল হোসেন সেলিম, ব্যাংকার মো. শাহীন রেজা, ব্যবসায়ী মো. আব্দুল আলিম প্রমূখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্য টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আতাউর রহমান খান বলেন, অতীতে ৬নং ওয়ার্ডের বাসিন্দারা তাদের এলাকার কেউ নির্বাচনে দাঁড়ালে সবাই দল-মত নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধ হয়ে তাকে বিজয়ী করে নিয়ে এসেছে। এবারও আমরা টাঙ্গাইল সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস-চেয়ারম্যান পদে উড়োজাহাজ মার্কা প্রতীকে ইসতিয়াক আহম্মেদ রাজীবকে বিজয়ী করতে ঐক্যবদ্ধ হয়েছি। এই জনসভায় দলমত নির্বিশেষে এই বিশাল উপস্থিতি তার প্রমাণ। আশাকরি, ২৯ তারিখে আমরা বিজয়ী বেশে রাজীবকে দেখতে পারবো। রাজীবের বিজয়ের ব্যাপারে আমি শতভাগ আশাবাদী।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, ৬নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের আহবায়ক মাসুদুর রহমান মাসুদ, যুগ্ন আহবায়ক রফিকুল ইসলাম খান জামিল, স্থানীয় মো. জন মিয়া, মো. সুরুব আলী, মোহাম্মদ লোটাস, বাইজিদ আহমেদ শুভ, স্বাধীন জামানসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
একতার কণ্ঠঃ শিল্প প্রতিষ্ঠান হক ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আদম তমিজি হকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন টাঙ্গাইলের আদালত।
বৃহষ্পতিবার (২৩ মে) দুপুরে চেক ডিসঅনারের দুটি মামলায় টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও টাঙ্গাইল সদর থানা আমলী আদালতের বিচারক মো. মাহমুদুল মোহসীন আদম তমিজি হকসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে এই গ্রেপ্তারি পরোয়ানার আদেশ দেন।
মামলার অন্যান্য আসামিরা হলেন, আদম তমিজি হকের স্ত্রী হক ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুসরাত আক্তার হক, তার আরেক স্ত্রী হক ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের পরিচালক লিজা আক্তার হক, হক ফুডের জিএম (ফিন্যান্স এন্ড একাউন্টস) মো. রেজাউল করিম ও সিনিয়র জিএম (বিডি এন্ড লজিস্টিকস) মুশফাকুর রহমান।
বাদি পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট এম এ মালেক আদনান জানান, ঢাকার মাহবুব গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান কে.বি.সি এগ্রো প্রোডাক্টস (প্রা:) লিমিটেডের সাথে হক ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবসা ছিল। ব্যবসায়িক লেনদেনে হক ফুড ১৯ লাখ ৪৫ হাজার ৩’শত টাকা বকেয়া করেন। আসামিরা এই বকেয়া টাকা পরিশোধের জন্য কে.বি.সি কোম্পানীকে দু’টি চেক প্রদান করেন। কিন্তু চেক দু’টি ‘এডভাইস নট রিসিভ্ড’ মন্তব্যে ব্যাংক কর্তৃক ডিসঅনার হয়। পরে কে.বি.সি কোম্পানীর পক্ষে ইমরান হোসেন (ম্যানেজার রিকোভারী) বাদি হয়ে ২০২৩ সালের ৭ ডিসেম্বর হক ফুডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আদম তমিজি হকসহ পাঁচজনকে আসামি করে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট টাঙ্গাইল সদর থানা আমলী আদালতে মামলা করেন।
তিনি আরও জানান, বিচারক মামলা আমলে নিয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে সমনের আদেশ দেন। বৃহষ্পতিবার (২৩ মে) ছিল মামলার ধার্য তারিখ। কিন্তু আসামিরা আদালতে হাজির না হওয়ায় বিচারক তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেন এবং আগামী ২১ আগস্ট মামলার পরবর্তী তারিখ ধার্য করেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (মাভাবিপ্রবি) এলাকায় ছাত্রীদের একটি মেসে ভিডিও ধারণের অভিযোগের যথাযথ বিচার না পাওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে অবস্থান নিয়ে প্রতিবাদ জানায় বিশ্ববিদ্যালয়টির সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
বৃহস্পতিবার (২৩ মে) বেলা ১১টায় শিক্ষার্থীরা মুক্তমঞ্চে অবস্থান নেন। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মুক্তমঞ্চে অবস্থা করছিলেন শিক্ষার্থীরা।
ছাত্রীদের অভিযোগ, সন্তোষ ঘোষপাড়া এলাকার সরকার বাড়ির মেস মালিকের ছেলে কৌশলে ভেন্টিলেটর দিয়ে বাথরুমের ভেতর মোবাইল ক্যামেরা স্থাপন করেন। এক পর্যায়ে তা দেখে ফেলেন চতুর্থ বর্ষের এক ছাত্রী। ক্যামেরা দেখে তিনি চিৎকার করেন। বাইরে এসে মেসের অন্য মেয়েদের নিয়ে ক্যামেরা আসলো কী ভাবে তা দেখতে তারা ছাদে যান। সেখানেই দেখতে পান মেস মালিকের ছেলে তুহিন সরকারকে। ছাত্রীরা দিশেহারা ও আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। দ্রুত নিজ বিভাগের চেয়ারম্যানকে ঘটনাটি জানান। চেয়ারম্যান বিষয়টি প্রক্টরিয়াল বডিকে জানাতে বলেন। পরে গত ৮ মে প্রক্টরিয়াল বডিকে লিখিত অভিযোগ দেন ওই ভুক্তভোগী ছাত্রী।

প্রক্টর অফিসে দেওয়া অভিযোগ পত্রে তিনি জানান, আমি সন্তোষ ঘোষপাড়ার হানিফ সরকারের ছাত্রী মেসের পঞ্চম তলায় ছিলাম, গত ৭ মে জরুরি প্রয়োজনে মেসে আসার পর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে গোসলে ঢুকি। গোসলরত অবস্থায় বাথরুমের জানালায় আমি লাঠি জাতীয় কিছুর সাথে একটি ফোনের ক্যামেরার দিকটা বাধা অবস্থায় দেখতে পাই। তাৎক্ষণিক আমি মেসে যারা ছিল তাদের সবাইকে একসাথে চিৎকার করে ডেকে খুঁজে দেখতে বলি যে ছাদে কেউ আছে কি না, যখন সবাই ছাদে গিয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করে তখন তারা বুঝতে পারে কেউ লুকানোর চেষ্টা করছে, সিঁড়িঘরে ট্যাংকের পিছনে। যখন সবাই বুঝতে পারে এবং তাকে বের হয়ে আসতে বলে তখন সে কোনো শব্দ ছাড়া শুয়ে পড়ে, অনেকক্ষণ ডাকাডাকির পর সেখান থেকে বাড়িওয়ালার ছেলে তুহিন সরকার বের হয়ে আসে এবং পুরো বিষয়টিকে অস্বীকার করে। তখন তার পরিবারকে জানানো হলেও তারা বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে। তারা চলে যাওয়ার পর পুনরায় খোঁজাখুজি করলে একটি লাঠি দড়ি বাঁধাসহ ট্যাংকের পাশে খুঁজে পাওয়া যায়। বর্তমানে মেসে অবস্থানরত মেয়েরা বিব্রতকর পরিস্থিতিতে রয়েছে এই ভয়ে যে, এই লোক এই ধরনের ভিডিওগ্রাফি কতদিন যাবত করছে? কত মেয়ের অপ্রীতিকর ভিডিও এর আগে করা হয়েছে। এই মেসে অবস্থানরত মেয়েরা সুরক্ষার কথা বিবেচনা করে এই ঘটনার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে অনুরোধ জানান মেসে অবস্থানরত মেয়ে শিক্ষার্থীরা।
এই ঘটনা জানাজানির পর ক্যাম্পাসে সকল শিক্ষার্থীরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। গত ১৯ মে সাধারণ শিক্ষার্থীরা উপর্যুক্ত শাস্তির দাবিতে ভিসি কার্যালয়ে অবস্থান নেন। তারপরেও সুষ্ঠু বিচার না পেয়ে বৃহস্পতিবার মুক্তমঞ্চে অবস্থান নেন। বৃহস্পতিবার সকালে সাধারণ শিক্ষার্থীরা একত্রিত হয়ে অভিযুক্ত মেসে থাকা নিরাপত্তাহীনতায় ভোগা শিক্ষার্থীদের মালামালসহ তাদের প্রক্টর অফিসে নিয়ে আসেন। নিরাপত্তাহীনতায় ভোগা শিক্ষার্থীদের সাথে নিয়ে প্রক্টর অফিসে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
এ ব্যাপারে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর (দায়িত্বরত প্রক্টর) শাকিল মাহমুদ শাওনের মুঠোফোনে বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ৩ দফা দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স (আইডিইবি)।
বুধবার (২২ মে) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু অডিটরিয়ামে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন আইডিইবি’র জেলা শাখার যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এ এইচ এম জাহাংগীর আলম খান। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ৪র্থ শিল্পবিল্পপ আর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জন্য প্রত্যেকটি চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করে সুবিধাগুলো পেতে হলে আমাদের দক্ষ হতে হবে। এই দক্ষতা অর্জনের জন্য প্রয়োজন কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ। এসব কার্যক্রমের জন্য আমাদের ৩ দফা দাবি অতি গুরুত্বপূর্ণ। দাবিগুলো হলো- কারিগরি ও বৃত্তিমূলক এ শিক্ষাকে জনপ্রিয় করার স্বার্থে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের মান ও মর্যাদা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিএসসি (পাস) কোর্সের সমমান মর্যাদা প্রদানে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগ অবিলম্বে বাস্তবায়ন করতে হবে; জাতীয় মেধার অপচয় রোধ ও প্রশাসনে শ্রেণি স্বার্থ দ্বন্দ্ব নিরসনে এবং রাষ্ট্রের অর্থ অপচয় রোধে প্রশাসনিক ক্যাডারে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং সনদধারীদের প্রবেশ রোধে পেশা পরিবর্তনের আত্মঘাতি সিদ্ধান্ত রাষ্ট্রীয় আইনি কাঠামোর মাধ্যমে বন্ধ করতে হবে, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুত ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের পদোন্নতির কোটা ৫০ শতাংশে উন্নীতকরণ, ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের প্রাথমিক নিযুক্তিতে অন্যান্য পেশাজীবীদের ন্যায় একটি স্পেশাল ইনক্রিমেন্ট, পরিকল্পনা ও নকশা বিভাগে কর্মরত ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার উপ-সহকারী প্রকৌশলীদেরকে সহকারী প্রকৌশলীদের ন্যায় ৩টি স্পেশাল ইনক্রিমেন্ট প্রদান ও ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং উত্তীর্ণদের ক্রেডিট ওয়েভার দিয়ে ২ বছরে ডিগ্রি ইঞ্জিনিয়ারিং সম্পন্ন করার যুযোগ প্রদানসহ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্র শিক্ষক পেশাজীবী সংগ্রাম পরিষদের ৩ দফা দাবী অবিলম্বে বাস্তবায়ন করতে হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন আইডিইবি’র জেলা শাখার সভাপতি কাজী জাকেরুল মওলা, সাধারণ সম্পাদক মীর মহাম্মদ হোসেন চুন্নু, মহিলা ও পরিবার কল্যাণ সম্পাদক রিতা সাহা, টাঙ্গাইল পৌরসভার উপ সহকারী প্রকৌশলী জাবেদুল ইসলাম, আইডিইবি’র জেলা শাখার নির্বাহী সদস্য আব্দুল্লাহ আল মাসুদ, সদস্য আনোয়ার হোসেন প্রমুখ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে মাদক মামলায় এক নারীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মাহমুদুল হাসান সোমবার (২০ মে) দুপুরে এ রায় ঘোষণা করেন।
সাজাপ্রাপ্ত ওই নারীর নাম, তাসলিমা (৪৪)। তিনি মির্জাপুর উপজেলার গোড়াই ইউনিয়নের মঈন নগরের রাজু আহমেদের স্ত্রী।
টাঙ্গাইলের সরকারি কৌশুলি (পিপি) এস আকবর খান জানান, দণ্ডিত তাসলিমাকে মির্জাপুর থানা পুলিশ ২০১৬ সালের ১৫ মার্চ ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের উপজেলার মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজের কাছ থেকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় তার কাছ থেকে ৫৩ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়। ওই দিনই মির্জাপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে তাসলিমার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে মির্জাপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আলাউদ্দিন ২০১৭ সালের ২৮ মে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।
তিনি আরও জানান, রায় ঘোষণার সময় তাসলিমা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
একতার কণ্ঠঃ আলোচনা সভা ও কেক কাটার মধ্য দিয়ে টাঙ্গাইলে বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশন বাংলা টিভির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন করা হয়ছ।
রবিবার (১৯ মে) বিকালে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানর আয়োজন করা হয়।
টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট জাফর আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলন, টাঙ্গাইল ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশিদ।
বাংলা টিভিকে শুভেচ্ছা জানান, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি কাজী জাকেরুল মওলা, সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন।
এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলা টিভির টাঙ্গাইল প্রতিনিধি খন্দকার হাবিবুল্লাহ কামাল। এ সময় দৈনিক যায়যায়দিন পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার মু. জোবায়েদ মল্লিক বুলবুল, ডিবিসি টেলিভিশনের জেলা প্রতিনিধি সোহেল তালুকদার, বাংলা টিভির বাসাইল প্রতিনিধি রুবল মিয়া, সাংবাদিক আবু সাঈদসহ টাঙ্গাইলে কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ সোমালিয়ার জলদস্যুদের হাতে জিম্মি টাঙ্গাইলের নাবিক সাব্বিরের বাড়িতে যেন ঈদের আনন্দ। জলদস্যুদের কবল থেকে মুক্ত হওয়ার পর থেকেই তাঁকে কাছে পাওয়ার অপেক্ষা করছিল সাব্বিরের বৃদ্ধ মা-বাবা, বোন বন্ধুসহ স্বজনরা।
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর বৃহস্পতিবার (১৬ মে) সকালে টাঙ্গাইল শহরের আদালত পাড়া তার বোনের বাড়িতে পৌঁছালে সাব্বিরকে দুধ দিয়ে গোসল করিয়ে ঘরে তুলে নেন তাঁর মাসহ পরিবারের সদস্যরা।
সোমালিয়ার জলদস্যুদের হাতে জিম্মি হওয়ার ৬৫ দিন পর বৃহস্পতিবার সকালে বাড়ি ফিরেন সাব্বির।
সাব্বির বলেন, যখন জলদস্যুরা আমাদের জাহাজ তাদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয়, তখন থেকে আমরা তাদের কাছে বন্দি ছিলাম। তবে জাহাজে আমরা যে যার কাজ ঠিকঠাক মতো করেছি, রোজা রেখেছি, নামাজও পড়েছি।
সাব্বির আরও বলেন, ‘ছাড়া পেয়ে সেই ঈদের আনন্দটাই আল্লাহ যেন এখন দিয়েছে। আমাদের ফিরিয়ে আনতে সিও স্যারসহ যারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমকিা রেখেছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।
পরিবারে সাব্বিরকে ফিরে পেয়ে তাদের মধ্যে ঈদের আমেজ বিরাজ করছে। তাঁর ফিরে আসার খবর ছড়িয়ে পড়লে আত্মীয়স্বজন, বন্ধু ও প্রতিবেশীরা তাঁকে এক নজর দেখার জন্য বাড়িতে ভিড় জমায়।
সাব্বিরের বোন মিতু আক্তার বলেন, এখন আমার ভাই ফিরে এসেছে, আমরা অনেক খুশি।
প্রকাশ, গত (১৪ এপ্রিল) ভোরে জলদস্যুদের কবল থেকে মুক্ত হয় এম ভি আব্দুল্লাহ জাহাজসহ ২৩ নাবিক। এরপর জাহাজটি পৌঁছে দুবাই এর আল হামরিয়া বন্দরে। সেখান থেকে মিনা সাকার নামের আরেকটি বন্দরে চুনা পাথর ভর্তি করার পর চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে রওনা দেয়। সব মিলিয়ে ৬৫ দিন পর মুক্ত হয়ে নাবিকরা বাংলাদেশে এসে স্বজনদের কাছে ফিরলেন।
সোমালিয়ান জলদস্যুদের হাতে ভারত মহাসাগর থেকে জিম্মি হন বাংলাদেশি জাহাজ এম ভি আব্দুল্লাহর ২৩ নাবিক। এদের মধ্যে টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজলোর সহবতপুর ইউনিয়নের ডাঙা ধলাপাড়া গ্রামের হারুন অর রশিদের ছেলে সাব্বিরও ছিলেন। শহরের কাগমারি সরকারি এম এম আলী কলেজ থেকে ২০১৬ সালে এইচএসসি পাস করে ভর্তি হন চট্টগ্রাম মেরিন একাডেমিতে। সেখান থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে পাস করে সর্বশেষ ২০২২ সালের জুন মাসে এম ভি আব্দুল্লাহ নামক পণ্য বহনকারী একটি জাহাজে মার্চেন্ট কর্মকর্তা হিসেবে চাকরি নেন তিনি।