/ হোম / টাঙ্গাইলে
টাঙ্গাইলে মাকে হত্যা মামলায় মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আসামি ছেলে গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মাকে হত্যা মামলায় মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আসামি ছেলে গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার পাইকরা ইউনিয়নের কালোহা গ্রামের মা তমিরন নেছাকে হত্যা মামলার আসামি ছেলে বাদশা মিয়া (৫৫)কে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।

শনিবার (১ এপ্রিল)মধ্য রাতে ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানার কান্দাইল এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

রবিবার (২ এপ্রিল) দুপুরে টাঙ্গাইল র‌্যাব-১৪ সিপিসি-৩ এর কোম্পানী কমান্ডার রফিউদ্দীন মোহাম্মদ যোবায়ের এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানিয়েছেন।

গ্রেফতারকৃত বাদশা মিয়া কালিহাতী উপজেলার পাইকরা ইউনিয়নের কালোহা গ্রামের হাসমত আলীর ছেলে।

টাঙ্গাইল র‌্যাব-১৪ সিপিসি-৩ এর কোম্পানী অধিনায়ক রফিউদ্দীন মোহাম্মদ যোবায়ের জানান,বাদশা মিয়ার সাথে তার ছোট বোন কহিনুর বেগমের পারিবারিক বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ ছিল। ১৯৯৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ঘটনার দিন বাড়ির উঠানে বাদশা মিয়ার তার ছোট বোনের সাথে ঝগড়া হয়। ঝগড়ার এক পর্যায়ে ছোট বোনকে বাঁশ দিয়ে আঘাত করতে গেলে তাদের মা নিহত তমিরন নেছা বাদশাকে থামানোর চেষ্ঠা করে। তখন বাদশা উঠানে থাকা ধারালো দা দিয়ে ছোট বোন কোহিনুরকে কোপ দিতে গেলে তাদের মা বাঁধা দেয়। এসময় বাদশা ক্ষিপ্ত হয়ে মাকে দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে।

তিনি আরো জানান,এ ঘটনার কালিহাতী থানায় একটি হত্যা মামলা করা হয়। এরপর থেকে বাদশা পলাতক ছিল। পরে নিজের নাম পরিবর্তন করে আলী আকবর পরিচয় নিয়ে ঢাকা মহানগরের বাড্ডা এবং পরবর্তীতে ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানার কান্দাইল এলাকায় আত্নগোপন করে। এই মামলার বিচার শেষে ২০০৪ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত দায়রা জজ ১ম আদালত বাদশাকে মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত করে।

তিনি জানান,বাদশা মিয়াকে কালিহাতী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০২. এপ্রিল ২০২৩ ১০:০৫:পিএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে দেবরের লাঠির আঘাতে ভাবির মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে দেবরের লাঠির আঘাতে ভাবির মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে দেবর সালাম মিয়ার লাঠির আঘাতে ভাবি জরিনা আক্তার (৪২) নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় নিহতের মেয়ে স্বপ্না আক্তার সখীপুর থানায় হত্যা মামলা করেছেন।

শনিবার(১ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর এক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এর আগে শুক্রবার(৩১ মার্চ) সকালে তিনি গুরুতর আহত হন।

নিহত জরিনা আক্তার উপজেলার সুরীরচালা গ্রামের প্রবাসী সাহেব আলীর স্ত্রী।

মামলা ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকালে দেবর সালাম মিয়ার সাথে জরিনা আক্তারের তুচ্ছ বিষয় কেন্দ্র করে কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে সালাম মিয়ার একটি কাঠ দিয়ে জরিনার মাথায় আঘাত করলে তিনি আহত হন। স্থানীয়রা ও পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার উত্তরার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শনিবার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

মামলার বাদী স্বপ্না আক্তার বলেন, ‘ছোট্ট একটি ঘটনায় সবাই মিলে আমার রোজাদার মাকে হত্যা করেছে। আমি মায়ের হত্যার বিচার চাই।’

সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রেজাউল করিম জানান, এ ঘটনায় নিহতের মেয়ে স্বপ্না আক্তার মামলা করেছেন। আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০২. এপ্রিল ২০২৩ ০৯:৩৫:পিএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ৫ হাজার পিস ইয়াবা সহ আটক ২ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ৫ হাজার পিস ইয়াবা সহ আটক ২

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ৫ হাজার ৩৮০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‌্যাব। শুক্রবার (৩১ মার্চ) দিবাগত রাত পৌনে একটার দিকে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানাধীন গোলচত্বর এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলেন- দিনাজপুর জেলার বিরামপুর উপজেলার বিজুল কঞ্চিহাগি গ্রামের মৃত নজিবুদ্দিনের ছেলে আকরামুল (৪৭) ও একই উপজেলার দিওর গ্রামের ওয়াজেদ আলীর ছেলে মোক্তার হোসেন (২৮)।

র‌্যাব-১৪, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইলের কোম্পানী অধিনায়ক রফিউদ্দীন মোহাম্মদ যোবায়ের রবিবার (১ এপ্রিল) দুপুরে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানাধীন গোল চত্বর এলাকায় অভিযান চালালে দৌঁড়ে পালানোর সময় তল্লাশি চালিয়ে ৫ হাজার ৩৮০ পিস ইয়াবাসহ তাদের আটক করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে নগদ ১ হাজার ৭০০ টাকা উদ্ধার করা হয়।

তিনি আরও জানান, আটককৃতরা অভিনব কৌশলে ঢাকা থেকে মাদকদ্রব্য সরবরাহ করে দিনাজপুর জেলার বিভিন্ন স্থানে বিক্রয় করে আসছিল। আটককৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানায় মামলা দায়েরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন আছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০২. এপ্রিল ২০২৩ ০১:৫২:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে অনিক চন্দ্র কোচ (১৮) নামের এক যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার (৩১ মার্চ) রাতে উপজেলার যাদবপুর ইউনিয়নের নলুয়া বাজারের শ্রীবাস সরকারের বাইসাইকেল গ্যারেজের ছাদে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত অনিক চন্দ্র কোচ বহেড়াতৈল ইউনিয়নের ঘাটেশ্বরী গ্রামের শচীন্দ্র কোচের ছেলে ।
সে নলুয়া বাজারে শ্রীবাস সরকারের বাইসাইকেল গ্যারেজের মেকানিক হিসেবে কাজ করতো।

ওই দোকানের মালিক শ্রীবাস সরকার জানায়, শুক্রবার রাত ৯টার দিকে অনিল ও তার বন্ধুরা মিলে দোকানের ছাদে পিকনিকের আয়োজন করে। এ সময় অসাবধানতাবশত বিদ্যুৎস্পৃষ্টে তার শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ পুড়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

সখীপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোঃ মাসুদ রানা জানায়, এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। রাতেই মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০১. এপ্রিল ২০২৩ ১০:২২:পিএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ট্রাক্টর চাপায় অজ্ঞাত পরিচয় বৃদ্ধ নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ট্রাক্টর চাপায় অজ্ঞাত পরিচয় বৃদ্ধ নিহত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার গোড়াই-সখীপুর আঞ্চলিক সড়কে যানবাহন থামিয়ে চাঁদা উত্তোলনের সময় ট্রাক্টরের চাকায় পৃষ্ট হয়ে অজ্ঞাত পরিচয় (৭০) এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছে।

শুক্রবার (৩১ মার্চ) দুপুরে উপজেলার গোড়াই ইউনিয়নের গোড়াই-সখীপুর আঞ্চলিক সড়কের সৈয়দপুর-তেঁতুলতলা নামক স্থানে এই ঘটনা ঘটে।

এলাকাবাসি জানায়, গোড়াই, হাটুভাঙ্গা ও সৈয়দপুর এলাকার শ্রমিক নামধারী একটি প্রভাবশালী মহল সরকারী দল ও পুলিশের নাম ভাঙ্গিয়ে আঞ্চলিক সড়কের সৈয়দপুর-তেঁতুলতলা নামক স্থানে রাস্তায় বেড়িকেড দিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে যানবাহন থামিয়ে অবৈধ ভাবে চাঁদা উত্তোলন করে আসছিল।

তারা আরো জানান,শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে চাঁদাবাজ লাঠিয়াল বাহিনী চাঁদা আদায়ের জন্য ঐ ট্রাক্টরের গতিরোধ করে। চাঁদা দেওয়া থেকে বাঁচতে ট্রাক্টরটির চালক দ্রুত গতিতে রাস্তার পাশ দিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে এক বৃদ্ধ চাপা পড়েন। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি নিহত হন । চালক ঘটনার পর ট্রাক্টর ফেলে পালিয়ে যায়। পুলিশ খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত নিহত বৃদ্ধের কোন পরিচয় পাওয়া যায়নি। ঘটনার পর থেকেই অবৈধ চাঁদা উত্তোলনকারী সেই লাঠিয়াল বাহিনী পলাতক রয়েছে।

এ ব্যাপারে মির্জাপুর থানার উপ-পরিদর্শক মো. মজিবুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ঘটনাস্থল থেকে ট্রাক্টরটি জব্দ এবং বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। থানায় অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ গ্রেপ্তার হয়নি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০১. এপ্রিল ২০২৩ ০২:৩৩:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মেয়ের বাড়ির বিরোধ মেটাতে গিয়ে বাবা খুন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মেয়ের বাড়ির বিরোধ মেটাতে গিয়ে বাবা খুন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে হাসান মিয়া ওরফে হাসু মিয়া (৬৫) নামের এক বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে মেয়ের শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে।

শুক্রবার (৩১ মার্চ) সকালে উপজেলার ভাওড়া ইউনিয়নের সরিষাদাইড় গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত হাসু মিয়া মির্জাপুর পৌর এলাকার পুষ্টকামুরী গ্রামের মৃত মোকছেদ মিয়ার ছেলে।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্র জানায়, দশ বছর আগে হাসু মিয়ার মেয়ে রুবিনা আক্তারের সঙ্গে সরিষাদাইড় গ্রামের মফেজ উদ্দিনের ছেলে সৌদি প্রবাসী জুয়েলের বিয়ে হয়। কয়েকদিন আগে বাড়ির সীমানা নিয়ে রুবিনার সঙ্গে দেবর সজল, ননদ নিলুফা বেগম, শাশুড়ি লাইলি বেগম ও দেবরের বউ ঝুমার ঝগড়া হয়।

শ্বশুরবাড়ির লোকজনের নির্যাতনের শিকার হয়ে রুবিনা সোমবার বাবার বাড়ি চলে আসেন। বিষয়টি মীমাংসার জন্য শুক্রবার সকালে হাসু মিয়া, মেয়ে রুবিনাকে নিয়ে তার শ্বশুরবাড়ি যান। সেখানে সীমানা বিরোধ নিয়ে ওই বাড়ির লোকজনের সঙ্গে কথা বলছিলেন তিনি। এক পর্যায়ে রুবিনার দেবর সজল, ননদ নিলুফা, শাশুড়ি লাইলি ও সজলের স্ত্রী ঝুমা তাকে এলোপাতাড়ি কিলঘুষি মারতে শুরু করেন। এতে হাসান মিয়া অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে উদ্ধার করে কুমুদিনী হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

হাসান মিয়ার ছেলে রাকিব জানান, আমরা বোনের বাড়িতে গিয়ে কথা বলছিলাম। কিছু বুঝার আগে বোনের দেবর সজলসহ বাড়ির লোকজন আমাদের ওপর হামলা করে।

মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)শেখ আবু সালেহ মাসুদ করিম জানান, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মামলার প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০১. এপ্রিল ২০২৩ ০২:২৩:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ‘শিশুদের জন্য ফাউন্ডেশনের’ উদ্যোগে বিনামূল্যে ইফতার বিতরণ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ‘শিশুদের জন্য ফাউন্ডেশনের’ উদ্যোগে বিনামূল্যে ইফতার বিতরণ

একতার কণ্ঠঃ রমজান মাস আসলে সমাজের অনেক অবহেলিত, অসহায়, সুবিধাবঞ্চিত ও ছিন্নমূল মানুষগুলোর ইচ্ছে থাকলেও সামর্থ্য না থাকায় উন্নতমানের সামগ্রী দিয়ে ইফতার করতে পারেন না। তাই তাদের ইচ্ছে পূরণে রমজানের পুরো মাসজুড়ে এসব মানুষদের মাঝে বিনামূল্যে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করে আসছেন টাঙ্গাইলের ‘শিশুদের জন্য ফাউন্ডেশন’ নামে একটি সেচ্ছাসেবী সংগঠন। শুধু তাই নয়, টাঙ্গাইল ছাড়াও দেশের ১১টি জেলায় ইফতার সামগ্রী বিতরণের উদ্যোগ নিয়েছেন এ সংগঠনটি।

এরই ধারাবাহিকতায় প্রতিদিনের ন্যায় শুক্রবার (৩১ মার্চ) বিকাল থেকে ইফতারের আগ পর্যন্ত টাঙ্গাইল পৌর শহরের নিরালা মোড় (কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বর), নতুন ও পুরাতন বাসস্ট্যান্ড, পার্ক বাজার, বেবিস্ট্যান্ড মোড় ও রেজিস্ট্রি পাড়াসহ শহরের বিভিন্ন স্থানে ঘুরে ঘুরে বিনামূল্যে ইফতার বিতরণ করে সংগঠনটির স্বেচ্ছাসেবী সদস্যরা। বিনামূল্যে এই ইফতার সামগ্রী বিতরণের বিষয়টি সাধুবাদ জানিয়েছেন সুধিজনরা।

ইফতার সামগ্রী পাওয়া পৌর শহরের বস্তি এলাকার আছিয়া বেগম বলেন, ইফতারের সময় হলেই একদল ছেলে-মেয়ে ইফতারের প্যাকেট নিয়ে ছুটে আসে। তারা প্রথত রোজা থেকেই ইফতার সামগ্রী দিচ্ছে। এমন উন্নতমানের ইফতার সামগ্রী আমাদের পক্ষে কেনা সম্ভব হয় না। তাদের দেয়া ইফতার পেয়ে প্রতিদিন ইফতার করে আসছি।

পৌর শহরের নিরালা মোড় থেকে ইফতার নেয়া কদবানু বেগম বলেন, আমি রাস্তায় ঘুরে ঘুরে টাকা তুলে যা হয় তা দিয়ে কোন রকম দিনাতিপাত চলে। কিন্তু ইফতার কেনার সামর্থ হয় না। প্রতিদিন সন্ধ্যার আগে ওদের দেয়া ইফতার পেয়ে নিশ্চিন্তে সন্তানদের সাথে নিয়ে ইফতার করতে পারি। এরআগেও তারা বিভিন্ন সাহায্য-সহযোগিতা করেছেন।

স্বেচ্ছাসেবক আহসান খান মিলন ও রিমি আক্তার রিমি জানান, গত ৩ বছর ধরে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করতে খুব ভালো লাগছে। মানুষের মাঝে ইফতার বিতরণ করাও মানবতা। ছিন্নমূল মানুষকে ইফতার করিয়ে নিজেদের ইফতার করার মধ্যে এক আত্মতৃপ্তি থাকে। যে আত্মতৃপ্তি পেয়ে নিজেরা খুবই গর্বিত। আমাদের জন্য দোয়া করেন।

এ বিষয়ে ‘শিশুদের জন্য ফাউন্ডেশন’ ফাউন্ডেশনের কোষাধ্যক্ষ মির্জা তৌহিদুল ইসলাম সুলভ জানান, প্রতি বছর রমজানের ন্যায় এবারও আমরা বেশ কয়েকটি মাদ্রাসা ও এতিমখানায়ও ইফতারের আয়োজন করছি। এমন কাজে সামর্থ্য অনুযায়ী সবাইকে এ মানুষগুলোর পাশে দাঁড়ানোর আহবান জানাই।

শিশুদের জন্য ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা মুঈদ হাসান তড়িৎ জানান, গত ৯ বছর ধরে টাঙ্গাইল ছাড়াও দেশের আরও ১০ জেলায় প্রায় ৫ শতাধিক স্বেচ্ছাসেবীর মাধ্যমে বিভিন্ন মানবিক কাজে অংশ নিয়ে আসছে এ সংগঠনটি। তারই ধারাবাহিকতায় নিজেরা রান্না করে সমাজের অবহেলিত সুবিধাবঞ্চিত ছিন্নমূল, অসহায় ও দরিদ্রদের খুঁজে খুঁজে ইফতার সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, টাঙ্গাইল ছাড়াও দেশের ১১টি জেলায় প্রায় ৯ হাজার মানুষের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে। এছাড়াও ঈদ উপলক্ষে ছিন্নমূল মানুষ ও শিশুদের মাঝে নতুন জামা ও ঈদের বাজার দেওয়া হবে। এতে থাকবে- পোলাও চাল, মুরগি, দুধ, চিনি ও সেমাই। পাশাপাশি ঈদের দিন রাস্তায় থাকা ভাসমান মানুষ ও মানুষিক রোগীদের দেওয়া হবে পোলাও, রোস্ট, ডিমের কোরমা ও ফিরনি বিতরণ করার হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০১. এপ্রিল ২০২৩ ০২:০৭:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে অটিস্টিক শিশুদের নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন ডা. জাহাঙ্গীর আলম - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে অটিস্টিক শিশুদের নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন ডা. জাহাঙ্গীর আলম

একতার কণ্ঠঃ স্বপ্ন বাস্তবায়নে অটিস্টিক শিশুদের নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন ডা. মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম। তিনি টাঙ্গাইল শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক (শিশু বিভাগ)।

তার স্বপ্ন বাস্তবায়নে সহযোগিতা করে যাচ্ছেন সহধর্মীনি ডা. জাহিদা বেগম সুইটি। তিনি একই হাসপাতালের প্রভাষক (এনাটমি বিভাগ)। তাদের স্বপ্ন পূরণ হিসেবে টাঙ্গাইলে যাত্রা শুরু করে ‘প্রত্যাশা স্পেশাল স্কুল এন্ড থেরাপি সেন্টার’। সেখানে অটিস্টিক শিশুদের চিকিৎসা দেয়া হয়।

ব্যয়বহুল এই চিকিৎসা নিতে অনেকেই ছুটে যান ঢাকা। অনেকেই আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে চিকিৎসা করাতে পারেন না। এসব চিন্তা ও সন্তানের শারিরিক সমস্যা দেখে স্বপ্ন জাগে টাঙ্গাইলে একটি প্রতিষ্ঠান করার। সেই লক্ষে ২০১৭ সালে টাঙ্গাইল পৌর শহরের সাবালিয়াতে নিজের বাসায় শুরু করেন। নাম দেন ‘প্রত্যাশা স্পেশাল স্কুল এন্ড থেরাপি সেন্টার’। ২০১৮ সালে এটি সমাজসেবা অধিদপ্তর থেকে নিবন্ধন পায়।

ডা. মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, ‘প্রত্যাশা স্পেশাল স্কুল এন্ড থেরাপি সেন্টার’ প্রতিষ্ঠার গল্প।

তিনি জানান, ২০১১ সালের ১১ ডিসেম্বর দুপুর ১২টা। তার স্ত্রী প্রথম সন্তান প্রসব করেন। সন্তানের নাম রাখেন জাইদি। সন্তানকে নিয়ে হাসি-খেলার মধ্যদিয়ে তাদের সময় কাটতে থাকে। দেখতে দেখতে দেড় বছর কেটে যায়। তিনি লক্ষ্য করেন, জাইদি অতিরিক্ত ভয় পায়। সব কাজে অতিরিক্ত সচেতন, ওর খেলনার সামগ্রী জুতা, পাতিল, চামিচ। সময় চলে যায় কিন্তু সে কথা বলে না। সবাই বলেন অনেকে দেরিতে কথা বলে। কিন্তু অপেক্ষার প্রহর আর শেষ হয় না। শুরু হয় জাইদিকে নিয়ে যুদ্ধ। এই ডাক্তার, সেই ডাক্তার দেখানো, চিকিৎসার জন্য অনেক জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়। সবাই বললেন ঠিক হয়ে যাবে। কিছু কমন কথা এবং প্রচুর ওষুধ। কিছুতেই কিছু হলো না। জাতীয় মানসিক সাস্থ্য ইন্সটিটিউটের সহযোগি অধ্যাপক ডাক্তার হেলাল আহমেদ প্রথম বললেন, আপনার ছেলে সবার থেকে একটু আলাদা, ওকে ঢাকা নিয়ে যান। টাঙ্গাইলে এর চিকিৎসা হবে না। তারপর তিনি বললেন, আপনার ছেলে অটিস্টিক। এ কথা শুনে আঘাত পেলেও তারা স্বামী-স্ত্রী কেউ ভেঙে পড়েননি।

সেদিনই ঢাকা চলে গেলেন। বিভিন্ন সেন্টারে যোগাযোগ করলেন। অবশেষে জাইদির চিকিৎসা শুরু হলো। মিরপুর crp তে জাইদিকে occupational এবং speech therapy দেওয়া শুরু হলো। ভর্তি করা হলো ঢাকা প্রয়াশ স্কুলে। অনেক কঠিন যুদ্ধ। ঢাকা আসা-যাওয়া, থাকা, প্রচুর অর্থ খরচ। ঢাকাতে তিনটা বছর কাটে।

এদিকে নিজেদের চাকরি, সংসার, ছোট বাচ্চা, সব মিলিয়ে হাঁপিয়ে উঠেন তারা। ফিরে আসেন টাঙ্গাইল। কিন্তু এখানে কোন special school speech therapy এবং occupational therapy নেই।

তিনি শিশু বিশেষজ্ঞ ডাক্তার হওয়ায় প্রায় লক্ষ্য করতেন, তার ছেলের মতো টাঙ্গাইলে আরো অনেক শিশু রয়েছে। তাদের অভিভাবক সন্তানের চিকিৎসা ঠিকভাবে করাতে পারছে না। ঢাকায় নিয়মিত চিকিৎসা করানো অনেকের জন্য কঠিন। তাছাড়া এ চিকিৎসা ব্যয়বহুলও। এ অবস্থায় তার মাথায় একটি স্বপ্ন বাসা বাধে- টাঙ্গাইলে এরকম একটা theraty center হবে। যার মাধ্যমে তার সন্তানের সাথে সাথে অন্যদের সন্তান চিকিৎসা পাবে। শুরু করে দেন সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের কাজ।

ডা. মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আমাদের দেশে occupational এবং speech therapist এর সংখ্যা খুবই কম। অনেক কষ্টে therapist পেয়ে গেলাম। তারপর আল্লাহর অশেষ রহমতে একজন স্পেশাল এডুকেশন শিক্ষক পেলাম। আস্তে আস্তে এগিয়ে যেতে থাকে প্রত্যাশা। বর্তমানে ঢাকা থেকে ছয়জন প্রশিক্ষিত থেরাপিস্ট আসছেন। তাদের পাশাপাশি লোকাল চারজন কাজ করছেন।
বর্তমানে সাবালিয়াতেই একটি বাসা ভাড়া নিয়ে সেন্টারের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে তার নিজস্ব জায়গায় প্রত্যাশা স্পেশাল স্কুল এন্ড থেরাপি সেন্টারের পরিকল্পিত ভবন নির্মাণ কাজ শুরু করেছেন।

বিশেষ শিশু যারা ঠিকমত কথা বলতে পারেনা, অস্বাভাবিক আচারণ করে, ঠিকমত হাটা-চলা করতে পারেনা, অনুভূতির সমস্যা, অতিরিক্ত ভয় পাওয়া, অতিরিক্ত অস্থির প্রকৃতির- তাদেরকে অতি যত্ন সহকারে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে বিশেষজ্ঞ থেরাপিস্ট দ্বারা থেরাপি দেওয়া হয় প্রত্যাশা স্পেশাল স্কুল এন্ড থেরাপি সেন্টারে। গড়ে ৮০ জন শিশু এখানে চিকিৎসা নিচ্ছে বলে জানান সেন্টার কর্তৃপক্ষ।

ডা. মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম আরও বলেন, বিশেষ শিশুটিকে আড়ালে না রেখে প্রকাশ করুন, বিকশিত হবেই।’ এটাই আমাদের শ্লোগান এবং এই মূল মন্ত্রটিকে ধারণ করেই আমাদের অগ্রযাত্রা। শারীরিক প্রশিক্ষণ এর মাধ্যমে শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশে সাহায্য করা।’‌

সর্বশেষ আপডেটঃ ০১. এপ্রিল ২০২৩ ০১:৫১:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে কলেজ ছাত্রের বিরুদ্ধে স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে কলেজ ছাত্রের বিরুদ্ধে স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে প্রথমে প্রেমের সম্পর্ক পরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বন্ধুদের সহায়তায় একাধিকবার এক স্কুলছাত্রী (১৫) কিশোরীর সাথে শারীরিক সম্পর্ক করার অভিযোগ উঠেছে এক কলেজ ছাত্রের বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে সখিপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী ওই স্কুল ছাত্রীর বাবা।

এক পর্যায়ে ওই কিশোরী তার প্রেমিক ছানোয়ার হোসেনকে (১৮) বিয়ের জন্য চাপ দিলে সে তাদের শারিরীক সম্পর্কের ভিডিও ভাইরাল করে দেওয়ার হুমকিসহ নানা টালবাহানা শুরু করে।

অভিযোগ ওঠেছে, স্থানীয়ভাবে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টায় মেয়ের পরিবারকে নানা ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন স্থানীয় কিছু মাতাব্বর।

ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার নবগঠিত বড়চওনা ইউনিয়নের শিরিরচালা পূর্বপাড়া গ্রামে।

ওই কিশোরী স্থানীয় একটি মাধ্যমিক স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্রী । অভিযুক্ত কলেজ ছাত্র ছানোয়ার একই এলাকার তোফাইনার ছেলে ও ময়মনসিংহের নটরডেম কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র।

গত সোমবার (২৭ মার্চ) এ ঘটনায় সখীপুর থানায় ছানোয়ারকে একমাত্র আসামি করে লিখিত অভিযোগ করেন ওই কিশোরীর বাবা । অভিযোগের চারদিন পেরিয়ে গেলেও কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি পুলিশ, এমনটি জানিয়েছে ভুক্তভোগী ওই কিশোরীর পরিবার।

মেয়েটির সাথে কথা বলে জানা যায়, ছয় মাস আগে মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে প্রতিবেশী ছানোয়ার হোসেনের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে । বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ১ম বার শারিরীক সম্পর্ক করে এবং ভিডিও ধারন করে। পরে গত ৬ মাসে ওই তরুণীকে ভিডিও ভাইরাল করে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ছানোয়ার ও তার দুই বন্ধু একই এলাকার আজমত আলীর ছেলে মাছুম (২২) এবং আবু হানিফ মিয়ার ছেলে শাওন আহমেদ (১৮) এর সহযোগিতায় তাকে একাধিকবার মেলামেশা করাতে বাধ্য করা হয়। এক পর্যায়ে ছানোয়ারকে বিয়ের জন্য চাপ দিলে সে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয় এবং সম্পর্কের ভিডিও ভাইরাল করে দেওয়ার হুমকিসহ নানা টালবাহানা শুরু করে।

অভিযোগকারী কিশোরীর বাবা, দ্রুত বখাটে ছানোয়ার ও তার দুই বন্ধুকে গ্রেপ্তারের দাবি জানান।

অভিযুক্ত কলেজ ছাত্র ছানোয়ারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে সে ওই তরুণীর সঙ্গে তার সম্পর্কের কথা স্বীকার করে।

এ ব্যাপারে নবগঠিত বড়চওনা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক সখীপুর উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মোঃ আনোয়ার হোসেন ঘটনার সুষ্ঠ তদন্ত করে অভিযুক্তদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ রেজাউল করিম এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ পাওয়ার কথা স্বীকার করে জানান, ঘটনার সত্যতা প্রমাণিত হলে দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩১. মার্চ ২০২৩ ০৩:৩৫:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে স্কুলের পুকুরের মাটি বিক্রির অভিযোগ ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্কুলের পুকুরের মাটি বিক্রির অভিযোগ ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার পাথরাইল বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের পুকুর থেকে মাটি কেটে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে পাথরাইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে।

স্থানীয়রা জানান, ইউপি চেয়ারম্যান রামপ্রসাদ সরকার রাস্তা সংস্কারের নামে এবং রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে স্কুলের পুকুর থেকে মাটি কাটা শুরু করেন। এখন তার লোকজন রাতে মাটি কেটে বিক্রি করছেন।

পাথরাইল বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা পুকুরের মাটি কেটে বিক্রির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য গত ২৬ মার্চ দেলদুয়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ করেছেন।

লিখিত অভিযোগে প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা জানান, পাথরাইল বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের তিন দিক ঘিরে রয়েছে বড় একটি পুকুর। বৃষ্টি ও বন্যার কারণে পুকুরে পাড় ভেঙে পড়েছে। স্কুলের পূর্বপাশের একটি রাস্তাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। স্থানীয় সংসদ সদস্য গত মাসে সরেজমিন স্কুল পরিদর্শন করেন। সে সময় তিনি রাস্তা সংস্কারের জন্য বলে আসেন। ১০/১২ দিন আগে ইউপি চেয়ারম্যান রামপ্রসাদ সরকার স্কুলের পুকুরের মাটি কেটে পুকুরের পাড় বাঁধানো এবং রাস্তা সংস্কার কাজ শুরু করেন। কিন্তু এখন সেই পুকুরের মাটি কেটে বাইরে বিক্রি করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার (২৮ মার্চ) দুপুরে সরেজমিন পাথরাইল বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, পুকুরটিতে এখন পানি নেই। পুকুর পাড়ের বিভিন্ন অংশ থেকে মাটি কাটার চিহ্ন রয়েছে। দুই জায়গা দিয়ে পুকুরে ট্রাক্টর ও ভেকু (মাটি কাটার যন্ত্র) নামানোর জন্য রাস্তা করা হয়েছে। উত্তর পূর্ব পাশে নামানো রয়েছে একটি ট্রাক্টর চালিত ট্রলি। পশ্চিম দিকে ভেকু দিয়ে মাটি কাটা হচ্ছে। ইউপি চেয়ারম্যানের অনুসারী ১০/১২ জন যুবক মাটি কাটার কাজ তদারকি করছেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ১০/১২ দিন আগে মাটি কাটা শুরু হয়। দিনে মাটি কেটে পুকুরের পাড় বাঁধাই ও রাস্তা সংস্কার করা হয়। কিন্তু রাতভর মাটি কেটে অন্যত্র বিক্রি করা হয়। রাত ১টার পর থেকে ভোর পর্যন্ত ট্রাক্টর চালিত ট্রলি দিয়ে মাটি পাচার করা হয়। এলাকাবাসীর বাঁধার মুখে কয়েক দিন মাটি কাটা বন্ধ ছিলো। গত ২৪ মার্চ থেকে আবার মাটি কাটা শুরু হয়েছে। যেহেতু, চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে মাটি বিক্রি হচ্ছে তাই স্থানীয় লোকজন মানুষ কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দ্বীনবন্ধু প্রামানিক জানান, রাস্তা সংস্কার ও পুকুরের পাড় বাঁধানোর জন্য মাটি কাটার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে সেখান থেকে মাটি বিক্রি করা হচ্ছে কিনা তা আমার জানা নেই।

বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র নীল কমল বসাক জানান, রাতভর মাটি কেটে বিক্রি করা হচ্ছে। পুকুর গভীর হচ্ছে। বর্ষায় স্কুলের স্থাপনা ও যে রাস্তা সংস্কার করা হয়েছে তা হুমকির মধ্যে পড়ার সম্ভাবনা দেখা দেবে। এলাকাবাসী বাঁধা উপেক্ষা করে মাটি বিক্রি করা হচ্ছে।

পাথরাইল ইউপি চেয়ারম্যান রাম প্রসাদ সরকার জানান, স্কুল কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়েই পুকুরের মাটি কেটে রাস্তা সংস্কার করা হচ্ছে। মাটি বিক্রির যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সত্য নয়।

দেলদুয়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারহানা আলী জানান, পাথরাইল বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের পুকুর থেকে রাতে মাটি কাটার বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি। দেলদুয়ার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে বলা হয়েছে সেখানে যেন রাতে পুলিশের টহল টিম থাকে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. মার্চ ২০২৩ ০২:৫৭:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে প্রধানমন্ত্রীর ২৫ দফা নির্দেশনা বাস্তবায়নে  মতবিনিময় সভা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে প্রধানমন্ত্রীর ২৫ দফা নির্দেশনা বাস্তবায়নে মতবিনিময় সভা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ২৫ দফা নির্দেশনা বাস্তবায়নে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ মার্চ) সকালে সার্কিট হাউজের নতুন ভবনে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ওলিউজ্জামানের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মুহাম্মদ আব্দুর রহিম সুজন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (উন্নয়ন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা) নাফিসা আক্তার, টাঙ্গাইল পৌর মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ প্রমূখ।

মতবিনিময় সভায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, পৌর মেয়র, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানসহ ৮৫ জন অংশ গ্রহণ করে।

পরে আটটি গ্রুপে ভাগ হয়ে বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ড পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. মার্চ ২০২৩ ০২:২৩:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে দোকান মালিক সমিতির সাথে পুলিশ সুপারের মতবিনিময় - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে দোকান মালিক সমিতির সাথে পুলিশ সুপারের মতবিনিময়

একতার কণ্ঠঃ পবিত্র রমজান মাসে দ্রব্য মূল্যের দাম গ্রাহক পর্যায়ে সহনীয় ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে টাঙ্গাইল শহর দোকান মালিক সমিতির সাথে মতবিনিময় করেছেন পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার।

মঙ্গলবার (২৮ মার্চ) দুপুরে সদর থানা ও পাঁচআনী-ছয়আনী বাজার সাধারণ ব্যবসায়ী মালিক সমিতির উদ্যোগে বাজারের চালপট্টি এলাকায় এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।

পাঁচআনী-ছয়আনী বাজার সাধারণ ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সভাপতি মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মো. শরফুদ্দীন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মুহাম্মদ সরোয়ার হোসেন, ব্যবসায়ী ঐক্যজোটের সভাপতি আবুল কালাম মোস্তফা লাবু, ক্লিনিক মালিক সমিতির সভাপতি এম শিবলী সাদিক প্রমুখ।

মতবিনিময় সভাটি পরিচালনা করেন পাঁচআনী-ছয়আনী বাজার সাধারণ ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আহসান খান আছু।

মতবিনিময় সভায় রমজান ও ঈদ পরবর্তি সময়ে শহরের বিভিন্ন স্থানে চুরি, ডাকাতি ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপ বন্ধে জেলা পুলিশের টহল টিম কাজ করবে বলে পুলিশ সুপার আশ্বাস দেন।

এ সময় পাঁচআনী-ছয়আনী বাজার মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ, শহরের বিভিন্ন মার্কেটের ব্যবসায়ী, হোটেল ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন ব্যাংকের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. মার্চ ২০২৩ ০২:১৭:এএম ৩ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।