একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে আওয়ামী লীগের ২ গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
সোমবার (২৭ ফেব্রুয়ারি )বিকেলে ঘাটাইল বাসস্ট্যান্ডে ময়মনসিংহ-জামালপুর আঞ্চলিক মহাসড়কে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
উপজেলা আওয়ামী লীগের নবগঠিত কমিটিকে ঘিরে এই সংঘর্ষ হয় বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকেলে ঘাটাইল বাসস্ট্যান্ডে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম লেবুর সমাবেশ ছিল। একই স্থানে স্থানীয় সংসদ সদস্য আতাউর রহমান খানের অনুসারীরাও সমাবেশ করতে চায়।
এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে উভয়পক্ষের ৮ জন এবং ২ জন স্থানীয় সাংবাদিক আহত হন। সংঘর্ষের পর মহাসড়কে কিছু সময়ের জন্য যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
জানা গেছে, গত মাসের ২৮ তারিখে ঘাটাইল উপজেলা আওয়ামী লীগের কমিটি ঘোষণা করা হয়। কমিটির সভাপতি ও ঘাটাইল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম লেবু কমিটির কথা জানান।
‘জামাত-বিএনপি সমর্থকদের’ রেখে কমিটি ঘোষণা করার অভিযোগ এনে স্থানীয় সংসদ সদস্য আতাউর রহমান খানের অনুসারীরা কমিটি প্রত্যাখ্যান করে গতকাল সংবাদ সম্মেলন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করে।
এর জেরে সোমবার বিকেলে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম লেবু ঘাটাইল বাসস্ট্যান্ডে সমাবেশ করতে যান। একই স্থানে সংসদ সদস্যদের অনুসারীরাও সমাবেশ করতে চায়।
সংঘর্ষের বিষয়ে ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজহারুল ইসলাম সরকার জানান, ‘আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়লে পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। পরে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।’
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে পৃথক পৃথক স্থান থেকে দুই নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে দেলদুয়ার থানা পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দেলদুয়ার থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ নাসির উদ্দিন মৃধা।
রবিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার এলাসিন ইউনিয়নের গাছ কুমুল্লি গ্রামের মৃত দুখিরাম ঘটকের স্ত্রী রাসমণি ঘটক (৪৫) এর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। রাসমণি ঘটক রান্না ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলে আত্মহত্যা করেছে বলে দেলদুয়ার থানা সুত্রে জানা যায়।
অপরদিকে উপজেলার দেউলী ইউনিয়নের স্বল্প বড় টিয়া গ্রামের মৃত শওকত আলীর মেয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থী সাথি আক্তার (১৫) তার নিজ বসত ঘরের আড়ার সঙ্গে ফাঁস নেয়। পরে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
দেলদুয়ার থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ নাসির উদ্দিন মৃধা জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে দুজনেই আত্মহত্যা করেছে। থানায় পৃথক দুটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরো জানান, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুরে বালুবাহী ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছে । এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছে আরো একজন।
রবিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকালে ভুয়াপুর-তারাকান্দি আঞ্চলিক সড়কের উপজেলার হেমনগর ইউনিয়নের গুলিপেঁচা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত মোটরসাইকেল আরোহীর নাম টিটু খন্দকার (৩৮) সে উপজেলার ঝাওয়াইল ইউনিয়নের ভেঙ্গুলা গ্রামের মোস্তফা খন্দকারের ছেলে।
এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন নুরুল ইসলাম (৬০) । সে উপজেলার ঝাওয়াইল ইউনিয়নের ঘোড়ামারা গ্রামের মহির উদ্দিনের ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, রবিবার বিকালে দুইজন আরোহীসহ মোটরসাইকেলটি ভুয়াপুর থেকে গোপালপুরের দিকে যাচ্ছিল। অপরদিকে বালুবাহী ট্রাকটি নলিন বাজার থেকে ভুয়াপুরে যাচ্ছিল।
ভুয়াপুর-তারাকান্দি আঞ্চলিক সড়কের উপজেলার হেমনগর ইউনিয়নের গুলিপেঁচা এলাকায় পৌছালে মোটরসাইকেল ও বালুবাহী ট্রাকটির মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেলটি দুমড়ে মুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেল আরোহী টিটু খন্দকারের মৃত্যু হয়।
স্থানীয়রা গুরুতর আহত মোটরসাইকেলের অপর আরোহী নুরুল ইসলামকে উদ্ধার করে প্রথমে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি ঘটলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করে।
হেমনগর পুলিশ ফাঁড়ির তদন্ত কর্মকর্তা মাহফুজুর আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বালুবাহী ঘাতক ট্রাকটি আটক করা হয়েছে। তবে চালক পলাতক রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ বিএনপি-জামায়াতের অগ্নিসন্ত্রাস-নৈরাজ্য ও ষড়যন্ত্রমূলক অপরাজনীতির বিরুদ্ধে শান্তি সমাবেশ করেছে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠন।
শনিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে পৌর শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে সমাবেশটি অনুষ্ঠিত হয়। পরে শান্তি শোভাযাত্রা করা হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের গুরত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
শান্তি সমাবেশে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খান ফারুকের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানব সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক শামসুন্নাহার চাপা।
সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম (ভিপি জোয়াহের) এমপি, টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, মো. ছানোয়ার হোসেন এমপি, তানভীর হাসান ছোট মনির এমপি, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আশরাফুজ্জামান স্মৃতি, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সুভাষ চন্দ্র সাহা, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, দেলদুয়ার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান মারুফ ও শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমএ রৌফ প্রমূখ নেতৃবৃন্দ।
এই শান্তি সমাবেশ ও শোভাযাত্রায় আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিল।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে ফরিদ মিয়া (৪০) নামের এক কৃষক খুন হয়েছে। অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা শুক্রবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাতের কোন এক সময় তাকে খুন করে লাশ ফেলে রেখে যায়।
শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে হাত মুখ বাঁধা অবস্থায় তার মরদেহটি উদ্ধার করেছে পুলিশ।
ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার সহবতপুর ইউনিয়নের বীর সলিল গ্রামে। সে ওই গ্রামের তোরাফ আলীর ছেলে।
এলাকাবাসী ও পরিবার সূত্রে জানা যায়,শুক্রবার রাত ১১টার দিকে নিহত ফরিদ তার বাড়ির পাশে জমিতে বিদ্যুৎ চালিত সেচ পাম্প বন্ধ করতে মেশিন ঘরে যায়।ওই রাতে সে আর বাড়ি ফেরেনি।
নিহত ফরিদের চাচাতো ভাই জাকির হোসেন জানান, ফরিদের সাথে শুক্রবার রাত ১১ টার দিকে বাড়ীর সামনে তার দেখা হয়। এ সময় ফরিদ তাকে জানায় সেচ পাম্প (মেশিন) বন্ধ করে বাড়ি ফিরবে।
আরেক চাচাতো ভাই মধু মিয়া জানান, তিনি শনিবার সকাল সাড়ে দশটার দিকে জমি দেখতে সেচ মেশিন ঘরের দিকে যায়। মেশিন ঘর বন্ধ থাকায় দরজার ফাঁক দিয়ে উকি মেরে দেখে,ফরিদের নিথর আংশিক দেহ চৌকির উপর পড়ে আছে। পা নিচে ঝুলছে। পরে তার ডাক চিৎকারে এলাকাবাসী ও স্বজনরা ঘটনাস্থলে এসে মেশিন ঘরের দরজা খুলে ফরিদের হাত ও মুখ বাঁধা মৃত মরদেহ উদ্ধার করে।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাজ্জাদ হোসেন জানান, সংবাদ পেয়ে ঘটনা স্থলে যাই। নিহতের গলায় মুখে ও হাতে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। সে মাদক সেবী ছিলো। মাদক নিয়ে খুন হতে পারে বলে প্রাথমিক ভাবে ধারনা করা হচ্ছে।
তিনি আরো জানান, তবে ময়নাতদন্ত রির্পোট পেলে প্রকৃত রহস্য জানা যাবে। এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে বলে ও তিনি জানান।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে মর্জিনা নামের চিহ্নিত এক মাদক কারবারির বাড়ির পাশ থেকে ২০ বছর বয়সী রায়হান নামের এক যুবকের লাশ উদ্ধার করাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা মাদক কারবারির বাড়ি-ঘর ভাংচুর-অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটিয়েছে।
শনিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার পাথরাইল ইউনিয়নের গাদতলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত রায়হান দেলদুয়ার সদর ইউনিয়নের নলুয়া গ্রামের আজাহার আলীর ছেলে।
হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকার সন্দেহে দুইজনকে আটক করেছে দেলদুয়ার থানা পুলিশ।
এদিকে পুলিশ রায়হানের লাশ উদ্ধারের পর ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে ।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, উপজেলার পাথরাইল ইউনিয়নের পাথরাইল-গাদতলা সড়কের স্থানীরা একটি লাশ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে। পেটে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন দেখে ধারণা করা হয় রায়হানকে হত্যা করে সড়কের পাশে ফেলে রাখা হয়।
স্থানীয়দের ধারণা, মাদক কিনতে এলে দর-নামেলায় মর্জিনার পরিবার বা কোন লোক দিয়ে রায়হানকে হত্যা করা হয়। ঘটনার পর থেকে তার পরিবারের লোকজন পলাতক রয়েছে।
নিহতের পারিবারিক সুত্রে জানা যায়, রায়হান শুক্রবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বের হয়ে আর বাড়ি ফিরেনি। রাতে অনেক খোঁজাখুঁজির পর তাকে পাওয়া যায়নি। সকালে স্থানীয়দের মাধ্যমে জানতে পারে রায়হানের লাশ পাওয়া গেছে। পরিবারের লোকজন ঘটনাস্থলে এসে রায়হানের লাশ শনাক্ত করেন।
মাদক কারবারি মর্জিনার বিষয়ে স্থানীয়রা বলেন, তিনি একজন চিহ্নিত মাদক কারবারি। মাঝে মাঝে পুলিশ তাকে আটক করে। আবার জামিনে বেড়িয়ে এসে মাদক কারবারি শুরু করে। গত ১০/১২ দিন আগে মর্জিনা পুলিশের কাছে আটক হয়েছে। তার তিন ছেলে রয়েছে। তাদের নামেও মাদক কারবারের অভিযোগ রয়েছে। তার পিতা মৃত মুসলেম উদ্দিনও মাদক কারবারি ছিলেন। এ ঘটনায় মর্জিনার বাড়ির পাশে মৃত মুসলিম উদ্দিনের বাড়িও ভাংচুর করার চেষ্টা করে বিক্ষুব্ধরা।
দেলদুয়ার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাসির উদ্দিন মৃধা(পিপিএম) জানান, সকালে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে রায়হানের লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহতের শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহৃ রয়েছে।
তিনি জানান, এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে রাতে মাদক সেবন নিয়ে কথাকাটাকাটির জের ধরে এই হত্যাকান্ড ঘটছে। পরে নিহতের লাশ মাদক ব্যবসায়ী মর্জিনার বাড়ির সামনে ফেলে রাখে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
তিনি আরো জানান, এদিকে এঘটনায় বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠে স্থানীয় এলাকাবাসী। পরে তারা মাদক ব্যবসায়ী মর্জিনার বাড়িতে ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করে।
মামালার বিষয়ে তিনি জানান, নিহতের পরিবার মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ময়না তদন্তের শেষে মামলা এজাহার হবে। মর্জিনা গত ১০/১২ দিন আগে মাদক মামলায় আটক হয়ে জেলখানায় রযেছেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা জাতীয় পার্টির (জাপা) সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির পরিচিতি সভা ও চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের এমপির জন্মদিন উদ্যাপন উপলক্ষে কেক কাটা হয়েছে।
শুক্রবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে জেলা জাতীয় পার্টির উদ্যোগে জেলা সদর রোডে অবস্থিত টাঙ্গাইল রাইফেল ক্লাব মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
জেলা জাতীয় পার্টির সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক এড. আব্দুস ছালাম চাকলাদারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য জহিরুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় যুগ্ম-সাংগঠনিক সম্পাদক মামুনুর রহিম সুমন, কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য রেজাউল করিম ও দেলোয়ার হোসেন খান মিলন, সদস্য সোহেল মিয়া প্রমুখ।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা জাতীয় পার্টি প্রস্তুতি কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক আবু তাহের, সৈয়দ শামসুদ্দোহা যুবরাজ, মো. ইব্রাহিম মোল্লা, আহসান খান আছু প্রমুখ।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন জেলা জাতীয় পার্টির সদস্য সচিব মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক।
অনুষ্ঠানে জেলা, উপজেলা, শহর, ইউনিয়ন ও বিভিন্ন ওয়ার্ডের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার সিংহটিয়া গ্রামে এক মানসিক প্রতিবন্ধী কিশোরীকে অপহরণের পর পিটিয়ে দুই হাত ভেঙে যৌন নিগ্রহে বাধ্য করার অভিযোগে পুলিশ আল আমিন নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে।
শুক্রবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) গ্রেপ্তারকৃত যুবককে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।
জানা গেছে, পাইকড়া ইউনিয়নের সিংহটিয়া গ্রামের পিতৃহীন কিশোরী (১৫) গত ১৭ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার) সন্ধ্যায় প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে ঘর থেকে বের হলে প্রতিবেশী আলতাফ আলীর ছেলে আল আমিন (৩০) ও আজিজুলের ছেলে সিএনজি চালক শহিদুল (২৫)সহ ৩-৪ যুবক অপহরণ করে।
পরদিন শনিবার দুপুরে স্থানীয়দের কাছে মেয়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে ওই কিশোরীর মা পাশের পৌজান বাজারের কাছে মেয়েকে অজ্ঞান অবস্থায় দেখতে পান। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।
জেনারেল হাসপাতালের একজন কনসালটেন্টকে প্রধান করে তিন সদস্যের মেডিকেল টিম গঠন করে ওই প্রতিবন্ধী কিশোরীকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. লুৎফর রহমান আজাদ জানান, ওই কিশোরীর চিকিৎসায় তিন সদস্যের মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। যৌন নিগ্রহের ঘটনা হলেও হাত-পায়ে গুরুতর আঘাত থাকায় তাকে হাসপাতালের ৮নং ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে। মেডিকেল টিম দ্বায়িত্বের সঙ্গে অসহায় কিশোরীর চিকিৎসা নিশ্চিত করছে। থানা পুলিশ এসে কিশোরীর জবানবন্দি নিয়ে গেছে।
কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান জানান, এ বিষয়ে ওই কিশোরীর বড় বোন বাদী হয়ে অপহরণ ও যৌন নিগ্রহের অভিযোগে কালিহাতী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলাটি এসআই সুমী সিকদার তদন্ত করছেন। তিনি হাসপাতালে গিয়ে ওই কিশোরী ও তার মা-বোনের সঙ্গে কথা বলেছেন।
তিনি আরো জানান, অভিযুক্ত আল আমিনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অন্যদের গ্রেপ্তারে পুলিশি তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে বলে জানান ওসি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুরে মাদক সেবন করার সময় এক ছাত্রলীগ ও এক যুবলীগের নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের এক মাসের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত ছাত্রলীগ নেতা জাহাঙ্গীর হোসেন গোপালপুর সরকারি কলেজ শাখার আহ্বায়ক। এছাড়া গ্রেপ্তার খোকন যুবলীগ নেতা।
বুধবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে গোপালপুর পৌরসভার একটি এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাদের প্রত্যেককে এক মাসের কারাদণ্ড ও পাঁচশত টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. পারভেজ মল্লিক। পরে গোপালপুর থানা পুলিশ তাদের দুইজনকে ওইদিনই কারাগারে প্রেরণ করে।
জানা গেছে, ছাত্রলীগ নেতা জাহাঙ্গীর হোসেন এর আগেও মাদক মামলায় চার মাস কারাবরণ শেষে ১৫ দিন আগে মুক্তি পান। এরপর আবারও মাদক সেবন করার সময় পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করার পর ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে।
গোপালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশারফ হোসেন জানান, মাদক সেবনের দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের প্রত্যেককে এক মাস করে কারাদণ্ড এবং ৫০০ টাকা করে অর্থদণ্ড করেন।
তিনি আরো জানান, পরে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগেও ছাত্রলীগ নেতা মাদকের কারণে হাজত বাস করেছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল শহরের অকুর টাকুর পাড়ায় অভিযান চালিয়ে অপহৃত নাহিদ চৌধুরীকে উদ্ধার ও ৮ অপহরণকারীকে গ্রেপ্তার করেছে টাঙ্গাইল সদর থানা পুলিশ।
বৃহস্পতিবার(২৩ ফেব্রুয়ারি) বিকালে অপহরণকারীদের ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মো. আবু ছালাম মিয়া প্রেসবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তারকৃতরা হচ্ছেন- কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার নারায়নপুর গ্রামের কামাল হোসেনের ছেলে আব্দুল্লাহ আল নোমান(২৮), গাজীপুর জেলার মৌচাক চা বাগান গ্রামের(বর্তমানে টাঙ্গাইল শহরের পারদিঘুলিয়ায় বসবাসরত) মো. শহীনের ছেলে রাকিব(১৯), টাঙ্গাইল শহরের দক্ষিণ কলেজপাড়ার রমজান মন্ডলের ছেলে মহম্মদ মন্ডল(৪০), সঞ্জু মন্ডলের ছেলে নাউম মন্ডল(২০), আনোয়ার হোসেনের ছেলে রনি(১৯), আরজু মিয়ার ছেলে আলম মিয়া(১৯), জমের মোল্লার ছেলে কাশেম মোল্লা(১৯) ও পারদিঘুলিয়ার মৃত মজিবর মিয়ার ছেলে বাবুল মিয়া(৪০)।
জানা যায়, কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার নারায়নপুর গ্রামের আ. কাইয়ুম রুবেল চৌধুরীর ছেলে মো. নাহিদ চৌধুরীকে(২৫) একই গ্রামের কামাল হোসেনের ছেলে আব্দুল্লাহ আল নোমান ১২-১৩ জন মিলে কুমিল্লা জেলা সদরের কোতওয়ারী থানা এলাকা থেকে কৌশলে অপহরণ করে। পরে তাকে টাঙ্গাইল শহরের আকুর টাকুর মুসলিমপাড়া একটি বাসায় আটকে রেখে তার মা মোছা. নাছিমা আক্তার শিমার কাছে এক লাখ টাকা মুক্তিপন দাবি করে।
এক পর্যায়ে নাহিদ চৌধুরীর মা মোছা. নাছিমা আক্তার শিমা বিকাশের মাধ্যমে ৪ হাজার টাকা অপহরণকারীদের কাছে পাঠায়। এতে অপহরণকারীরা ক্ষুব্ধ হয়ে নাহিদ চৌধুরীর উপর শারীরিক নির্যাতন চালায়। পরে মোছা. নাছিমা আক্তার শিমা কুমিল্লা কোতওয়ালী থানায় বিষয়টি অবগত করলে তারা টাঙ্গাইল সদর থানা পুলিশকে বিষয়টি জানায়।
টাঙ্গাইল থানা পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তৎপরতা চালিয়ে অপহরণকারীদের অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে শহরের আকুর টাকুর মুসলিমপাড়ার একটি বাসায় অভিযান চালায়। অভিযানে অপহৃত নাহিদ চৌধুরীকে উদ্ধার ও উল্লেখিত ৮ অপহরণকারীকে গ্রেপ্তার করে।
টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মো. আবু ছালাম মিয়া জানান, অপহৃত নাহিদ চৌধুরীর মা নাছিমা আক্তার শিমা বাদি হয়ে সদর থানায় মামলা দায়ের করেছেন। অপহৃতকে উদ্ধার করে গ্রেপ্তারকৃত ৮ অপহরণকারীর ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার উয়ার্শী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি মাহবুব আলম মল্লিক ঋণ খেলাপির দায়ে সাময়িক বরখাস্ত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সাময়িক বরখাস্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হাফিজুর রহমান।
জানা যায়, গত ২৫ জানুয়ারি মাহবুব আলম মল্লিক চেয়ারম্যান হওয়ার অযোগ্য ও তিনি অপসারণযোগ্য মর্মে স্থানীয় সরকার বিভাগের কাছে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানায় বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন সচিবালয়। যার পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ ফেব্রুয়ারি স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সহাকারী সচিব জেসমীন প্রধান স্বাক্ষরিত এক স্বারকে ইউপি চেয়ারম্যান মাহবুব কেন চুড়ান্তভাবে বরখাস্ত করা হবেনা তার জবাব দেয়া প্রসঙ্গ পত্র ইস্যু করা হয় এবং উক্ত পত্র প্রাপ্তির ১০ কার্যদিবসের মধ্যে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার বিভাগকে লিখিত জবাব নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেয়া হয়।
গত বছরের ৬ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন মাহবুব আলম মল্লিক। তবে ওই নির্বাচনে ঋণ খেলাপির অভিযোগে তার মনোনয়ন পত্র বাতিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট পিটিশন করে নিজের মনোনয়ন পত্র বৈধ করতে সক্ষম হন তিনি। নির্বাচনে অংশ নিয়ে জয়ী হন।
তবে গত বছরের ৩ এপ্রিল সেই রিট পিটিশনের শুনানীতে চেয়ারম্যান প্রার্থীতার পক্ষে ইস্যুকৃত রুল খারিজ করে দেন বিজ্ঞ আদালত। ফলে স্থানীয় সরকার ইউনিয়ন পরিষদ আইন, ২০০৯ এর ২৬ (২) (জ) ধারা অনুযায়ী চেয়ারম্যান হিসেবে মাহবুব আলম মল্লিক অযোগ্য বিবেচিত হন।
উয়ার্শী ইউনিয়ন পরিষদের সাময়িক বরখাস্তকৃত চেয়ারম্যান মাহবুব আলম মল্লিক জানান, সাময়িক বরখাস্তের একটি চিঠি পেয়েছি। আমি আইনী সহায়তা গ্রহণ করবো।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বন্ধুদের সাথে টিকটক করার সময় পৌলী নদীতে ডুবে অপু (২২) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
মঙ্গলবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে পৌলী নদীর সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের নওগাঁ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ওই যুবক সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের হাতিলা গ্রামের ফজর আলীর ছেলে।
স্থানীয়রা জানায়, মঙ্গলবার দুপুরের হাতিলা থেকে ৫-৬ জন যুবক নওগাঁ এলাকার নদীর পারে টিকটক করতে যান। এ সময় টিকটক করার জন্য সবাই এক সাথে নদীতে ডুব দেয়। অন্যরা উঠলেও অপু নদীর স্রোতে তলিয়ে যায়। পরবর্তীতে স্থানীয়রা ফায়ার সার্ভিসে খবর দিলে ফায়ার সার্ভিস এসে তার মরদেহ উদ্ধার করে।
টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার ইদ্রিস মিয়া জানান, স্থানীয়রা হটলাইনে কল করলে ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় ২০ মিনিট উদ্ধার কাজ চালিয়ে মরদেহ উদ্ধারে সক্ষম হই। মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।