একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে জাহিরুল (৩০) নামের এক ট্রাক চালক নিহত হয়েছেন। এ সময় অপর ট্রাক চালক গুরুতর আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৩ মার্চ) সকালে বঙ্গবন্ধু সেতু-টাঙ্গাইল-ঢাকা মহাসড়কের কালিহাতী উপজেলা চরভাবলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত ট্রাক চালক জাহিরুল রাজশাহী জেলার বাঘা উপজেলার হেলালপুর এলাকার আব্দুল কুদ্দুস আলী মুরুর ছেলে। আহত ট্রাক চালকের পরিচয় পাওয়া যায়নি।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকালে বঙ্গবন্ধু সেতু-টাঙ্গাইল-ঢাকা মহাসড়কের ৪ নাম্বার ব্রিজ সংলগ্ন কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা পৌরসভার চরভাবলা এলাকায় দু`ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই ট্রাক চালক জহিরুল নিহত হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ট্রাক থেকে নিহতের লাশ উদ্ধার করে। অপর ট্রাকের চালককে আহতবস্থায় উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এ বিষয়ে বঙ্গবন্ধু পূর্বপার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম জানান, লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে ট্রাক চালক জহিরুলের লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ুয়া এক স্কুল ছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়েছে। ধর্ষণের শিকার ওই ছাত্রী বর্তমানে ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা।
এ ঘটনায় বুধবার (২২ মার্চ) সকালে ওই শিক্ষার্থীর বাবা বাদী হয়ে সখীপুর থানায় মামলা করেন। পরে অভিযুক্ত হাবিবুর রহমানকে (৬৫) গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।
অভিযুক্ত হাবিবুর রহমান উপজেলার কাকড়াজান ইউনিয়নের বৈলারপুর গ্রামের মৃত ওয়াজেদ আলীর ছেলে।
ভুক্তভোগীর পরিবার জানিয়েছে, হাবিবুর রহমান ওই স্কুল ছাত্রীর সম্পর্কে প্রতিবেশী দাদা। এর সুবাদে মেয়েটির বাড়িতে তার যাওয়া আসা ছিল। কয়েকমাস আগে ফুসলিয়ে এবং প্রলোভন দেখিয়ে ওই স্কুলছাত্রীকে প্রথমে ধর্ষণ করে হাবিবুর রহমান। এরপর নানা ভয়-ভীতি ও হুমকি দিয়ে তাকে নিয়মিত ধর্ষণ করে। সম্প্রতি ধর্ষণের শিকার ওই স্কুল ছাত্রীর শারীরিক গঠনে অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখা দেয়। পরে ডাক্তারি পরীক্ষা করানো হলে তার গর্ভে ৫ মাসের সন্তানের বিষয়টি ধরা পড়ে।
মামলার বাদি এবং ওই ছাত্রীর বাবা জানান, আমরা গরীব মানুষ। বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য এলাকার অনেকেই আমাদের ভয় ভীতি দেখাইছে। আমি এ ঘটনার সঠিক বিচার চাই।
এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সালাউদ্দিন মিয়া (ওসি তদন্ত) জানান, এ ঘটনায় অভিযুক্ত হাবিবুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরো জানান, ওই স্কুল ছাত্রীকে মেডিকেল করার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার মানোন্নয়নের লক্ষে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম দেখতে বিদ্যালয় পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. বেলাল হোসেন।
মঙ্গলবার (২১ মার্চ) দিনব্যাপি উপজেলার বিভিন্ন প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনে বের হন তিনি। পরিদর্শনের শুরুতে সকাল সাড়ে ১১ টায় উপজেলার অলোয়া ইউনিয়নের নিকলা দড়িপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন।
এসময় বিদ্যালয়ের বিভিন্ন শ্রেণিকক্ষ, বঙ্গবন্ধু কর্ণার, শেখ রাসেল কর্ণার, লাইব্রেরী, শিক্ষা উপকরণ ও বিদ্যালয় আঙিনায় ফুলের বাগান পরিদর্শন ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। তারপর পাশের নিকলা উচ্চ বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ পরিদর্শনের এক পর্যায়ে নবম ও দশম শ্রেণির শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করেন। সেখানে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় শেষে উচ্চতর গণিত বিষয়ের ত্রিকোনমিতির উপর ক্লাস নেন ইউএনও বেলাল হোসেন।
এসময় ইউএনওকে দেখে শিক্ষার্থীরা আনন্দে মেতে উঠে এবং ইউএনওর বক্তব্য ছাত্র-ছাত্রীরা শুনেন।
শিক্ষার্থী জ্যোতি, সাইমা, রায়হান ও হাসান আলী জানান, স্কুলের স্যার আমাদের গণিত ক্লাস নিচ্ছিলেন। এসময় হঠাৎ করেই ইউএনও স্যার ক্লাসে প্রবেশ করেন। পরে স্যার আমাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় শেষে উচ্চতর গণিত বিষয়ের ত্রিকোনমিতির বিষয়ের উপর ক্লাস নেন। স্যার সুন্দরভাবে ক্লাস নিয়েছেন। আমরা অনেক কিছু শিখতে পেরেছি।

এরপর দুপুরে ইউএনও বেলাল হোসেন উপজেলার নিকরাইল ইউনিয়নের মাটিকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও গোবিন্দাসী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন। সেখানেও শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং শিক্ষা ও পড়াশোনা মান-উন্নয়নে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
এর আগে মাটিকাটা স্কুলের পাশে গড়ে ওঠা দোকানপাটে যাতে বখাটে যুবকরা আড্ডা না দিতে পারে সে ব্যাপারেও দোকানীদের কঠোর নির্দেশ দেন তিনি।
এসময় বিদ্যালয় পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা শিক্ষা অফিসার এম.জি মাহমুদ ইজদানী, সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার মাহবুবুর রহমান ও রেজাউল ইসলাম, ভূঞাপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, অর্থ সম্পাদক কামাল হোসেন, দপ্তর সম্পাদক ফরমান শেখ প্রমূখ।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. বেলাল হোসেন জানান, সবার জন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতকরণের লক্ষে জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দার স্যারের নির্দেশনায় সকলকে নিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ নিয়মিত পরিদর্শন করে যাচ্ছি।
তিনি আরো জানান, পরিদর্শনকালে বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষাদান কার্যক্রম, বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ কর্ণারসহ বিভিন্ন উদ্ভাবনী উদ্যোগ আমাকে মুগ্ধ করেছে। ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক ও অভিভাবকসহ সকলকে অনুপ্রাণিত করার মাধ্যমে উপজেলার শিক্ষাক্ষেত্রে একটি ইতিবাচক পরিবর্তন নিয়ে আসার লক্ষ্যে আমরা নিরলসভাবে পরিশ্রম করে যাচ্ছি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে আন্তর্জাতিক বন দিবস উপলক্ষে বিভাগীয় বন কর্মকর্তার কার্যালয়ে সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২১ মার্চ) সকালে টাঙ্গাইল বিভাগীয় বন কর্মকর্তার কার্যালয়ের হলরুমে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন, টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর।
বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. সাজ্জাদুজ্জামানের সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ওলিউজ্জামান, গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শহিদুল ইসলাম, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (সখীপুর সার্কেল) এমএম রকীব-উর-রাজা, ডেপুটি সিভিল সার্জন ফারজানা তাহের মুনমুন, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. শাহআলম, জেলা তথ্য কর্মকর্তা তাহলিমা জান্নাত।
এ সময় বিভিন্ন সরকারি, বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার কাঠুরী ও মানিকগঞ্জের দৌলতপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ডিবি পুলিশ পরিচয়ধারী চার ব্যক্তিকে আটক করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র্যাব।
মঙ্গলবার (২১ মার্চ) দুপুরে র্যাব-১৪ সিপিসি-৩ এর কোম্পানি অধিনায়ক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিউদ্দীন মোহাম্মদ যোবায়ের প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব-১৪ জানায়, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা রাঙাচিরা গ্রামের দুলাল মন্ডলের ছেলে সাগর মন্ডলকে সোমবার (২০ মার্চ) রাতে ডিবি পুলিশ পরিচয়ধারী চার ব্যক্তি অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তার চালিত মাইক্রোবাস (হায়েচ) নিয়ে ডাকাতির উদ্দেশ্যে মানিকগঞ্জের দিকে রওয়ানা দেয়।
মাইক্রোবাসের চালক সাগর মন্ডলের কাছ থেকে খবর পেয়ে সিপিসি-৩ টাঙ্গাইল ক্যাম্পের অধিনায়ক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিউদ্দীন মোহাম্মদ যোবায়েরের নেতৃত্বে র্যাবের একটি চৌকষ দল নাগরপুর উপজেলার কাঠুরী ও মানিকগঞ্জের দৌলতপুর এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানে একটি পিস্তল সদৃশ বস্তু, সুইচ গিয়ার চাকু, ডিবি পুলিশ পরিচয়ের ভুয়া ভিজিটিং কার্ড, টর্চ লাইট, নগদ এক হাজার টাকা ও পাঁচটি মোবাইল ফোন সহ চার ব্যক্তিকে আটক করে।
আটককৃতরা হচ্ছেন- মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার বাচামারা গ্রামের মৃত রহমুদ্দিনের ছেলে শেখ মো. সোনা মিয়া (৩৩), একই এলাকার মো. ভাষা মিয়ার ছেলে মো. ঠান্ডু মিয়া(২৫), টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার হরিপুর গ্রামের মো. খাদেমুল ইসলামের ছেলে মো. মোশারফ হোসেন (৩৫) ও বাসাইল উপজেলার কাশিল গ্রামের মো. রবিন মিয়ার ছেলে মো. আকাশ মিয়া (৩৪)।
র্যাব-১৪ আরও জানায়, আটককৃতদের সঙ্গে আরও দুইজন যোগ দেওয়ার কথা থাকলেও র্যাবের উপস্থিতি জানতে পেরে তারা পালিয়ে যায়। এ বিষয়ে নাগরপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে দিনের বেলায় টিউবওয়েলের পানিতে নেশা জাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে দুই পরিবারের চারজন শিশুসহ নয়জনকে অচেতন করে দুই বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটেছে। চোরের দল রাতে সিঁধ কেটে ঘরে প্রবেশ করে সর্বস্ব লুটে নিয়েছে বলে জানা গেছে।
রবিবার (১৯ মার্চ) দিবাগত রাতে উপজেলার মহেড়া ইউনিয়নের দেওভোগ গ্রামের হাতেম আলী খানের দুই ছেলের বাড়িতে এ ঘটনাটি ঘটে।
জানা গেছে, রবিবার দুপুর ১২টার দিকে ভিক্ষুক বেশে দুইজন মহিলা ওই বাড়িতে প্রবেশ করে। হাত-মুখ ধোয়ার কথা বলে ওই দুই মহিলা বাড়ির দুইটি টিউবওয়েল ব্যবহার করেন। এই সুযোগে তারা টিউবওয়েল দুটিতে নেশা জাতীয় দ্রব্য ছেড়ে দেন। বাড়ির লোকজন প্রতিদিনের ন্যায় ওই টিউবওয়েলের পানি ব্যবহার করে দুপুরের খাবার রান্না করেন।
দুপুরে খাবার খাওয়ার পর বিকেলে মো. মিলন খান (৪৫), মোমিন খান (৩৫), জিসান (১৩), মেহেদী (৬), নিলুফা (৪০), ঝুমা (৪০), লিমা (৩৫), মিথিলা (১৩) ও মিনা (৮) অচেতন হয়ে পড়ে।
রাতে চোরের দল সিঁধ কেটে দুই ঘরে প্রবেশ করে নগদ টাকা, জামা কাপড়, চাল, ফ্রিজের মাছ, মাংস ও শাকসবজি নিয়ে যায় বলে বাড়ির লোকজন অভিযোগ করেন।
প্রতিবেশী আমান উল্লাহ জানান, তিনি রাত দুইটার সময় প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে জেগে সিঁধ কাটা দেখতে পান। পরে বাতি জ্বালিয়ে ঘরের জিনিসপত্র এলোমেলো দেখতে পান। সোমবার (২০ মার্চ) সকালে দুই পরিবারের অসুস্থ লোকদের বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।
মহেড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিভাষ সরকার নুপুরের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ আবু সালেহ মাসুদ করিম জানান, ওই ক্ষতিগ্রস্ত দুই পরিবারের লোকজন বিষয়টি থানা পুলিশকে অবহিত করেননি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে ১০ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের নাটক সাজায় জনতা ব্যাংকের গ্রাহক আব্দুল মালেক।
অভিযোগ রয়েছে ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলণ করে সিঁড়ি দিয়ে নিচতলায় নামার সময় ১০ লাখ টাকা ছিনতাই হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
রবিবার (১৯ মার্চ) দুপুরে ভূঞাপুর জনতা ব্যাংক থেকে ১০ লাখ টাকা উত্তোলণ করে টাকা ছিনতাই হয়েছে বলে দাবি করে পুলিশে অভিযোগ দেন ঘাটাইল উপজেলার মনোহারা গ্রামের মৃত ইনছান আলীর ছেলে আব্দুল মালেক।
তার অভিযোগের পর পুলিশ ছিনতাই হওয়া টাকা উদ্ধারে অভিযান চালায়। তবে টাকার মালিক আব্দুল মালেকের কথাবার্তায় অসংগতি ও ছিনতাইস্থল ভূঞাপুর মৌরিন সুপার মাকের্টে ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে পুলিশ এর কোন সত্যতা পায়নি। পরে পুলিশ মালেককে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে ঘটনাটি সাজানো বলে পুলিশের কাছে স্বীকার করে।
পুলিশ মালেকের দেয়া তথ্যমতে ওইদিন রাতে ভূঞাপুর পৌরসভার ঘাটান্দির গনেশ মোড় এলাকায় তার মেয়ে রানীর ভাড়াবাসা থেকে টাকাগুলো উদ্ধার করে। এরপর সোমবার (২০ মার্চ) দুপুরে উদ্ধার হওয়া ১০ লাখ টাকা গ্রাহক আব্দুল মালেকের হিসাব নম্বরে জমা করা হয়।
জনতা ব্যাংকের ম্যানেজার লুৎফর রহমান জানান, ব্যাংকের সিড়ির নিচ থেকে টাকা ছিনতাই ছিল সাজানো নাটক। ওই গ্রাহক তার প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর জন্য এমন ঘটনার জন্ম দিয়েছেন। এতে ব্যাংকের সুনাম ক্ষুন্ন করেছেন তিনি।
ভূঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদুল ইসলাম জানান, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে ঘাটাইল উপজেলার আথাইলশিমুল এলাকার শাহআলম নামের একজনকে ফাঁসাতে জনতা ব্যাংকের গ্রাহক আব্দুল মালেক ১০ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের নাটক করেছিলেন। তবে বিভিন্ন তথ্য উপাত্তের ভিত্তিতে ছিনতাই হওয়ার ঘটনাটি সত্য প্রমাণিত না হওয়ায় টাকার মালিক আব্দুল মালেককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদে মালেক ছিনতাইয়ের ঘটনাটি সাজানো নাটক বলে স্বীকার করেন। পরে মালেকের দেয়া তথ্যেমতে তারই মেয়ে রানীর ভাড়াবাসা থেকে টাকাগুলো উদ্ধার করে জনতা ব্যাংক ভূঞাপুর শাখায় জমা করা হয়েছে।
তিনি আরো জানান, মিথ্যাতথ্য দিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার ঘটনায় তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ জনতা ব্যাংক থেকে ১০ লাখ টাকা তুলে ১৫-২০ মিনিট পর সিঁড়ি দিয়ে ব্যাংকের নিচে নামতেই আব্দুল মালেক নামের এক ব্যক্তির মুখে চেতনানাশক স্প্রে ও হাতে আঘাত করে টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। ১০ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনার পর আব্দুল মালেক কান্নায় ভেঙে পড়েন।
রবিবার (১৯ মার্চ) দুপুরে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর পৌর শহরের জনতা ব্যাংকের নিচতলার সিঁড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
টাকা ছিনতাইয়ের শিকার আব্দুল মালেক জেলার ঘাটাইল উপজেলার মনোহারা গ্রামের মৃত ইনছান আলীর ছেলে।
জানা যায়, রবিবার দুপুরে স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে ভূঞাপুর জনতা ব্যাংকে টাকা তুলতে আসেন মালেক। ব্যাংক থেকে ১০ লাখ টাকা তুলে নিচতলায় নামতেই ছিনতাইকারীর একটি চক্র তার মুখে স্প্রে ও হাতে আঘাত করে টাকা ছিনতাই করে পালিয়ে যায়।
আব্দুল মালেক জানান, প্রবাসী দুই ছেলের পাঠানো টাকা নিজ একাউন্ট থেকে দুপুরে ১০ লাখ টাকা উত্তোলন করে স্ত্রীকে সাথে নিয়ে ব্যাংকের সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামতেই ৬ ছিনতাইকারী ঘেরাও করে এবং মুহুর্তেই মুখে স্প্রে ও হাতে আঘাত করে। পরে টাকাগুলো ছিনতাই করে দ্রুত পালিয়ে যায়।
এ ব্যাপারে জনতা ব্যাংকের ভূঞাপুর শাখার ম্যানেজার লুৎফর রহমান জানান, মালেক ও তার স্ত্রী ব্যাংক থেকে ১০ লাখ টাকা উত্তোলন করেন। টাকা উত্তোলের প্রায় ১৫-২০ মিনিট পর ব্যাংক থেকে বের হন। এরপর ব্যাংক থেকে নিচের সিঁড়িতে নামতেই ছিনতাইকারীদের কবলে পড়ে। ব্যাংকের নিচে এমন ঘটনা অনাকাঙ্ক্ষিত।
ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম জানান, আব্দুল মালেক নামে এক ব্যক্তির ১০ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। তদন্ত পূর্বক টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় ছিনতাইকারীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টায় কাজ করছে পুলিশ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে স্বামী পরকীয়ায় আসক্ত। স্বামীকে ওই পথ থেকে ফিরিয়ে আনতে নানাভাবে চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে ক্ষুব্ধ গৃহবধূ বিষপান করেন।
বৃহস্পতিবার (১৬ মার্চ) রাতে বিষপান করার পর রবিবার (১৯ মার্চ) সকালে তাঁর মৃত্যু হয়। উপজেলার কালমেঘার ইন্দ্রাচালা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
ওই গৃহবধূর নাম নুরুন্নাহার (২৮)। তিনি ওই এলাকার আকাশ মিয়ার স্ত্রী। তাঁর দুটি সন্তান রয়েছে।
পুলিশ ও গৃহবধূর প্রতিবেশীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, স্বামী আকাশের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে নুরুন্নাহারের কলহ চলছিল। বিশেষ করে স্বামীর পরকীয়ায় আসক্তি নিয়ে তিনি ক্ষুব্ধ ছিলেন। এসব নিয়ে কলহের একপর্যায়ে গত বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে নুরুন্নাহার বিষপান করেন। তাঁকে মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। কিন্তু রোববার হঠাৎ ওই গৃহবধূর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়।
ওই গৃহবধূর ভাই স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য আফজাল হোসেন জানান, স্বামীর সঙ্গে তার বোনের পারিবারিক কলহ চলছিল। তার স্বামীর পরকীয়ার বিষয়টি তিনিও শুনেছেন। কিন্তু এসব বিষয়ে প্রমাণ ছাড়া তো কিছু বলা যায় না।
এ বিষয়ে বক্তব্য নিতে গৃহবধূর স্বামী আকাশের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।
সখীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাসুদ জানান, গৃহবধূ নুরুন্নাহারের লাশের সুরতহাল করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় আপাতত অপমৃত্যুর মামলার প্রস্তুতি চলছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ভুয়া ক্যাপ্টেন পরিচয়ে প্রতারণা করার অভিযোগে মানিক মনি দাস (২১) নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।
রবিবার (১৯ মার্চ) সকালে পৌর শহরের কোনাবাড়ী বাজারের তামাক পট্রি এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
সে উপজেলার ধোপাকান্দি ইউনিয়নের চর ধোপাকান্দি গ্রামের শ্রী অনিল মনি দাসের ছেলে।
পুলিশ জানায়, পৌর শহরের তামাক পট্রি এলাকায় একটি ব্যাংকের সামনে সেনাবাহিনীর লোগো সম্বলিত টি শার্ট পড়ে মানিক মনি দাস নিজেকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন পরিচয় দিচ্ছে।
মানুষকে বিশ্বাস করানোর জন্য সে মোবাইলে রাখা সেনাবাহিনীর ইউনিফর্ম পরিহিত ছবি দেখিয়ে প্রতারণার উদ্দেশে কতিপয় লোকজনের সঙ্গে আলাপ আলোচনা করিতেছে। তার কথা বার্তা ও আচার-আচরণ লোকজনের নিকট সন্দেহ সৃষ্টি হলে তারা পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাকে আটক করে।
গোপালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোশারফ হোসেন জানান, আসামি নিজেকে ভুয়া বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অফিসার (ক্যাপ্টেন) পরিচয়, অসৎ উদ্দেশে সেনাবাহিনীর চিহ্ন বহন ও প্রতারণাপূর্বক অর্থ আত্মসাৎ করে অপরাধ করেছে। এজন্য তাকে আদালতের মাধ্যমে টাঙ্গাইল জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ একাত্তুরে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তান সেনাবাহিনী ও তাদের দোসর রাজাকার আলবদর কর্তৃক বাঙালি গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও পাঠ্য বইয়ে গণহত্যার ইতিহাস অন্তর্ভূক্ত করার দাবিতে টাঙ্গাইলে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম-মুক্তিযুদ্ধ’৭১ টাঙ্গাইল জেলা কমিটি ও মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ পরিষদ।
শনিবার(১৮ মার্চ) সকালে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে ঘন্টাব্যাপী এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।
মানববন্ধন চলাকালে সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম-মুক্তিযুদ্ধ’৭১ টাঙ্গাইল জেলা কমিটি ও মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ পরিষদ এর সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ইউনুছ আলী’র সভাপতিত্বে ও তথ্য ও প্রচার সম্পাদক মুঈদ হাসান তড়িৎ এর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন জেলা কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আলীমউদ্দিন, মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম, অধ্যাপক এ এম রাজ্জাক, নাঈম উদ্দিন প্রমুখ।
এসময় সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম-মুক্তিযুদ্ধ’৭১ টাঙ্গাইল জেলা কমিটি ও মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ পরিষদ এর অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মানববন্ধনে বক্তরা বলেন, স্বাধীনতার ৫২ বছর পর হলেও বাংলাদেশের গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি জাতিসংঘকে দিতে হবে। টাঙ্গাইলে চিহ্নিত ১’শত ৯৫ পাকিস্তানি যুদ্ধাপরাধীর বিচার অবিলম্বে শুরু করা ও পাঠ্য বইয়ে গণহত্যার ইতিহাস অন্তর্ভূক্ত করার দাবি জানাই।
একতার কণ্ঠঃ কম খরচে অধিক ফলন হয় সূর্যমুখীর। তেল জাতীয় এ বীজ চাষ ভালো হওয়ায় সূর্যমুখীর হাসিতে হাসছে টাঙ্গাইলের কৃষক এবং গ্রাম-বাংলার ফসলি জমি। ভোর হলেই মিষ্টি সোনা রোদে ঝলমল করে উঠে সূর্যমুখী ফুলগুলো। দেখে মনে হয় সবুজ পাতার আড়াল থেকে মুখ উঁচু করে হাসছে সূর্যমুখী। সূর্যমুখী দেখতে কিছুটা সূর্যের মতো। সূর্যের দিকে মুখ করে থাকে বলে এ ফুলের নাম সূর্যমুখী ফুল। সূর্যমুখীর বাগানে প্রায় প্রতিদিন চলে প্রজাপতি আর মৌ-মাছির মেলা। নয়ন জুড়ানো এ দৃশ্যে খুশি কৃষক, তেমনি মোহিত করছে ফুলপ্রেমী মানুষকে।
সূর্যমুখী শুধু দেখতেই সুন্দর নয়, এর রয়েছে অনেক গুণাগুণ। বাজারেও রয়েছে ব্যাপক চাহিদা। কৃষি প্রণোদনার আওতায় টাঙ্গাইলে চাষ হয়েছে তেলজাতীয় ফসল এই সূর্যমুখী। আবহাওয়া অনূকুলে থাকায় গতবারের ন্যায় এবারও সূর্যমুখীর ফলন ভালো হয়েছে এ জেলায়। এতে খুশি চাষিরাও। তা ছাড়া বর্তমানে আকাঁশ ছোয়া তেলের দাম বৃদ্ধিতে ভোজ্য তেলের চাহিদাও পূরণ করবে এ হাইব্রিড জাতের সূর্যমুখী। তাই কম খরচে ভালো ফলন হওয়ায় দিন দিন সূর্যমুখী চাষে ব্যাপক আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের।
টাঙ্গাইল জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে টাঙ্গাইলের ১২টি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ২৩০ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখীর চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল। কিন্তু লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে আরও ১২ হেক্টর জমিতে চাষ করা হয়েছে সূর্যমুখী। এনিয়ে জেলায় মোট ২৪২ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখী চাষ করা হয়েছে। ১২টি উপজেলার মধ্যে- টাঙ্গাইল সদরে ৪৫, বাসাইলে ৩৫, কালিহাতী ২০, ঘাটাইলে ১৫, নাগরপুরে ১৫, মির্জাপুরে ১৫, মধুপুরে ২০, ভূঞাপুরে ২০, গোপালপুরে ১২, সখীপুরে ১২, দেলদুয়ারে ১৫ ও ধনবাড়ীতে ১৫ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখী চাষ করা হয়।

গোপালপুর পৌরসভার ভূয়ারপাড়া এলাকার বয়োবৃদ্ধ নূরুল ইসলাম, তুলা মিয়া, হাসমত আলী, রাশিদা, জমিলা, রত্নাসহ অনেকেই জানান, জবরদখল হওয়া ১০ একর জমি উদ্ধার করেছে জেলা প্রশাসন। সেখানে সূর্যমুখী চাষ করা হয়েছে। আরও দখলে খাকা জমিগুলো স্থানীয় প্রভাবশালীদের জবরদখলে থাকায় উদ্ধার করতে পারেনি।
ভূঞাপুর উপজেলার গাড়াবাড়ি এলাকার চাষি মুশফিকুর রহমান বলেন, উপজেলা কৃষি অফিসের সহযোগিতায় ১০ শতাংশ জমিতে সূর্যমুখী ফুলের চাষ করেছি। প্রতিদিন বিকেল বেলায় আমার জমিতে ফোটা সূর্যমুখী ফুল দেখার জন্য দূর-দূরান্ত হতে অনেক দর্শনার্থীরা দেখতে আসত। সূর্যমুখী ফুলের সঙ্গে ছবি তুলে সময় কাটান বিনোদনপ্রেমীরা। তা দেখে আমার আনন্দ লাগে। তা ছাড়া আমাকে দেখে এলাকার অনেক কৃষকরা সূর্যমুখী ফুলের চাষে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। এ বছর সূর্যমুখী চাষে ভালো সফলতা আসবে এবং অনেক লাভবান হতে পারব বলে আশা করছি।
সূর্যমুখীর মাঠে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী ও বিনোদনপ্রেমীরা ভিড় করেছেন সূর্যমুখীর মাঠে। সূর্যমুখী ফুলের সঙ্গে কেউ ছবি তুলছেন, কেউ ভিডিও করছে। স্থানীয় কৃষকরা চাষিদের সঙ্গে কথা বলে সূর্যমুখী চাষের জন্য নানা ধরনের পরামর্শ নিচ্ছেন। এ ছাড়া স্থানীয় কৃষি বিভাগ কৃষকদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ করছে।

টাঙ্গাইল জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক আহ্সানুল হক বাশার বলেন, চলতি মৌসুমে জেলার ২৩০ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখী চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল। কিন্তু লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে আরও ১২ হেক্টর জমি বেশি হওয়ায় জেলায় মোট ২৪২ হেক্টর জমিতে সূর্যমূখীর চাষ হয়েছে। যা গত বছরের তুলনায় ১৪ হেক্টর বেশি। প্রণোদনার আওতায় বিনামূল্যে সূর্যমুখীর বীজ ও সার দেওয়া হয়েছিল। গত বছর ৪৩৫ মেট্রিকটন সূর্যমুখীর বীজের ফলন পেলেও এ বছর ২৪২ হেক্টর জমি থেকে ৪৪২ মেট্রিকটন সূর্যমুখীর বীজের ফলন পাব বলে আশা করছি।
তিনি আরও জানান, এ বছর জেলায় সূর্যমুখী বেশিরভাগই চাষ করা হাইব্রিড জাতের এবং বাংলাদেশ গবেষণাগার থেকে বারি-১৪ সূর্যমুখীর উৎপাদন বেশি হয়। আর তেলের পরিমাণও বেশি থাকে। সব দিক বিবেচনা করে তেলের চাহিদা পূরণ করার জন্য প্রধানমন্ত্রী ডাক দিয়েছেন যে, আমাদের দেশীয় তেল স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করতে হবে। সে লক্ষে প্রধানমন্ত্রী ও কৃষিমন্ত্রীর দিক-নির্দেশনায় আমরা টাঙ্গাইলে কাজ করে যাচ্ছি এবং সরিষার পাশাপাশি স্বাস্থ্যসম্মত তেল জাতীয় সূর্যমুখীর চাষ বৃদ্ধির প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।