একতার কণ্ঠঃ আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের আওয়ামী লীগ মনোনীত ‘নৌকা’ প্রতীকের প্রার্থী তানভীর হাসান ছোট মনির ও স্বতন্ত্র ‘ঈগল’ প্রতীকের প্রার্থী ইউনুস ইসলাম তালুকদার ঠান্ডুকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছেন ওই আসনের নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটি।
জানা গেছে, মঙ্গলবার (১৯ ডিসেম্বর) স্বতন্ত্র প্রার্থী ইউনুস ইসলাম তালুকদার ঠান্ডু তার নির্বাচনী এলাকায় গণসংযোগ করার জন্য ভূঞাপুর পৌর শহরের দারোগ আলী সুপার মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় ডেল্টা লাইফ ইন্সুরেন্স কার্যালয়ে সৌজন্যে সাক্ষাতের জন্য বসেন। এসময় তার প্রচারণার সংবাদ শুনে আওয়ামী লীগ মনোনীত ‘নৌকা’ প্রতীকের প্রার্থীর সমর্থিত কর্মীরা ওই কার্যালয়ে হামলা চালায় এবং ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে অফিসের জানালার গ্লাস ভেঙে যায়। এছাড়াও অফিসের নিচে থাকা মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
এরই প্রেক্ষিতে ঘটনার দিন বিকালেই প্রধান নির্বাচন কমিশন টাঙ্গাইল বরাবর অভিযোগ দায়ের করেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ইউনুস ইসলাম তালুকদার ঠান্ডু। তার অভিযোগ আমলে নিয়ে নির্বাচন আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ছোট মনিরকে বৃহস্পতিবার (২১ ডিসেম্বর) দুপুর ২টা ৩০মিনিটে নির্বাচন অনুসন্ধান কমিটি টাঙ্গাইল কার্যালয়ে স্বশরীরে হাজির হওয়ার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।
অপরদিকে, গোপালপুর উপজেলার ঝাওয়াল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হোসেন লিখিত অভিযোগ করেন যে- মঙ্গলবার (১৯ ডিসেম্বর) বিকেলে স্বতন্ত্র প্রার্থী ইউনুস ইসলাম তালুকদার ঠান্ডুর সমর্থিতরা ঝাওয়াইল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের অফিসে প্রবেশ করে বঙ্গবন্ধুর ছবি, আসবাবপত্র ভাঙচুর ও কেন্দ্র খরচের টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ করেন। এই অভিযোগ আমলে নিয়ে বৃহস্পতিবার (২১ ডিসেম্বর) সকাল ১১টায় নির্বাচন অনুসন্ধান কমিটি টাঙ্গাইল কার্যালয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী ইউনুস ইসলাম তালুকদার ঠান্ডুকে স্বশরীরে হাজির হওয়ার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।
টাঙ্গাইল জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক কায়ছারুল ইসলাম বলেন, গোপালপুর ভূঞাপুরে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করায় আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী তানভীর হাসান ছোট মনির ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ইউনুছ ইসলাম তালুকদার ঠান্ডু এই দুই প্রার্থীর কাছে ব্যাখা চেয়ে বৃহস্পতিবার তলব করা হয়েছে। এই নির্বাচনী এলাকায় প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে এবং অতিরিক্ত পুলিশ ও র্যাব মোতায়েন করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে ট্রাক চাপায় মহিউদ্দিন মিয়া (৪৫) নামে এক মোটরসাইকেল আরোহীর নিহতের ঘটনা ঘটেছে।
শুক্রবার (১৫ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৭ টার দিকে উপজেলার ধলাপাড়া ইউনিয়নের গোপিনপুর আষারিয়া চালা বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মহিউদ্দিন উপজেলার ধলাপাড়া ইউনিয়নের শহর গোপিনপুর চওনা পাড়া গ্রামের মৃত ফজর আমিনের ছেলে।
ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আবু ছালাম মিয়া স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানান, ওই মোটরসাইকেল আরোহী মুরগির খাদ্যে ও ঔষধের জন্য সাগরদিঘী বাজারে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে আষারিয়া চালা বাজারে পৌঁছলে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কে ছিটকে পড়ে। এসময় ট্রাকের চাপায় পড়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
তিনি আরও জানান, দুর্ঘটনায় নিহতের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে রেললাইন পার হওয়ার সময় নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের ধাক্কায় ২ জনের নিহতের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (১৪ ডিসেম্বর) সকালে ঢাকা-বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্ব মহাসড়কের উপজেলার সল্লা ও হাতিয়ায় পৃথক দুইটি রেলক্রসিংয়ে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- কালিহাতী উপজেলার সল্লা ইউনিয়নের সল্লা গ্রামের মৃত আব্দুলের ছেলে সামছুল (৫৮) ও একই ইউনিয়নের দেউপুর গ্রামের দুলাল শেখের ছেলে মো. দেলোয়ার হোসেন (৫৬)।
এর মধ্যে দেলোয়ার হোসেন পেশায় অটোভ্যানচালক ও সামছুল রিকশাচালক।
স্থানীয়রা জানান, দেলোয়ার হোসেন হাতিয়া ও সামছুল আলম সল্লা এলাকায় রেলক্রসিং পার হচ্ছিলেন। এ সময় নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের ধাক্কায় রেললাইনের পাশে ছিটকে পড়ে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়। পরে স্বজনরা খবর পেয়ে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে যান।
ঘারিন্দা রেলওয়ে পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) আলী আকবর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সুরতহাল রিপোর্ট ও আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহত দুইজনের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবসে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ ডিসেম্বর) জেলা প্রশাসক কার্যালয় চত্বরে শহিদ বেদিতে প্রথমে রাষ্ট্র ও জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের পক্ষে জেলা প্রশাসক কায়ছারুল ইসলাম শ্রদ্ধাঞ্জলি জানান।
এরপর জেলা পুলিশের পক্ষে পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষে সিভিল সার্জন ডা. মিনহাজ উদ্দিন মিয়া, টাঙ্গাইল পৌরসভার পক্ষে মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, উপজেলা পরিষদের পক্ষে সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী প্রমুখ শ্রদ্ধা জানান।
এরপর জেলা সদর পানির ট্যাংক সংলগ্ন বধ্যভূমি ও শহরের শহিদ স্মৃতি পৌর উদ্যানের শহিদ বেদিতে শ্রদ্ধা জানানো হয়।
শেষে শহিদ বুদ্ধিজীবী, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মার মাগফেরাত ও দেশের কল্যাণে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ সারাদেশে গুম, হত্যা, জেল-জুলুম ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
রবিবার (১০ ডিসেম্বর) সকালে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম টাঙ্গাইল জেলা ইউনিটের উদ্যোগে আদালত প্রাঙ্গনে এই মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
সভায় বক্তব্য রাখেন- জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম টাঙ্গাইল জেলা ইউনিটের সভাপতি অ্যাডভোকেট এস এম ফাইজুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জহুরুল ইসলাম (জহির),জেলা বার সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট মাইদুল ইসলাম শিশির, অ্যাডভোকেট শাহজাহান কবির প্রমুখ।
মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে অ্যাডভোকেট গোলাম মোস্তফা মিয়া, এম এ রৌফ, সাইদুর রহমান স্বপন, আতিকুর রহমান জামিল, তারিকুল ইসলাম ইউসুফ, এমদাদুল হক সাইদ, জেলা মহিলা দলের সভাপতি নিলুফা ইয়াসমিন, অ্যাডভোকেট রক্সি মেহেদী, জেলা শ্রমিক দলের সাধারণ একেএম মনিরুল হক মনির, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান উজ্জলসহ জেলা বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, শ্রমিক দলসহ এর বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, এ সরকারের আমলে গণতন্ত্র ভুলন্ঠিত। তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াকে বেআইনীভাবে কারারোধ করে রাখাসহ ভাইস চেয়ারম্যান আজ নির্বাসনে। বিএনপির হাজার হাজার নেতাকর্মী কারাগারে। লাখ লাখ নেতাকর্মী মানবেতর জীবনযাপন করছে। গণতন্ত্রকে পুনরুদ্ধার ও ছিনিয়ে আনার আহ্বান জানান বক্তারা।
বক্তারা আর বলেন, বাংলাদেশে বিএনপি বিহীন কোন নির্বাচন হতে পারে না। আওয়ামী লীগের একতরফা নির্বাচন হতে দেওয়া হবে না।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভা শেষে বের হওয়ার পর সখীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শওকত সিকদারকে মারধর ও তার গাড়িতে হামলার ঘটনার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (৬ ডিসেম্বর) বিকেলে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
হামলার শিকার শওকত সিকদার এই হামলার জন্য টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও টাঙ্গাইল-৮ (সখীপুর-বাসাইল) আসনের সংসদ সদস্য জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের অনুসারীদের দায়ী করেছেন।
আওয়ামী লীগের দলীয় সূত্রে জানা যায়, আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বুধবার দিনব্যাপী টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত জেলা আওয়ামী লীগ বিশেষ বর্ধিত সভার আয়োজন করে। এতে বিভিন্ন আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় মনোনয়ন প্রাপ্তরা, জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকরা অংশ নেন।
সভায় উপস্থিত একাধিক নেতা ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিশেষ বর্ধিত সভা চলাকালে সখীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শওকত সিকদারের বক্তৃতা চলাকালে দলের জেলা সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় এমপি জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের তাকে ধমক দিয়ে বসতে বলেন। এ সময় দুই জনের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। পরে বিকেলে বর্ধিত সভা শেষে প্রেসক্লাব থেকে বের হয়ে শওকত সিকদার তার জিপ গাড়ির কাছে আসেন। এ সময় এমপি জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের সমর্থিত ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তার গাড়ির দিকে ধেয়ে আসেন। তখন শওকত সিকদার প্রাণের ভয়ে গাড়িতে উঠে দরজা বন্ধ করে দেন। পরে জোয়াহের সমর্থিত ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ওই গাড়ির ওপর হামলা করে এবং সখীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শওকত সিকদারকে এলোপাথারি লাথি ও কিলঘুষি দিয়ে আঘাত করেন এবং গালাগালি করেন। পরে তিনি গাড়িটি নিয়ে দ্রুত প্রেসক্লাব এলাকা ত্যাগ করেন।
এ বিষয়ে সখীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শওকত সিকদার বলেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহেরের অনুসারী জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস হাসানের নির্দেশে তার কর্মীরা আমার গাড়িতে হামলা ও শারীরিকভাবে হেনস্তা করেছে। হামলার বিষয়টি আমি দলের নেতাদের জানিয়েছি। তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন।
এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস হাসান বলেন, যে ঘটনা ঘটেছে তা খুবই দুঃখজনক। আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। এ বিষয়ে আমি বা আমার কোন লোকজন জড়িত না। অন্যরা কেউ করে আমাকে ফাঁসানো হয়েছে।
টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও টাঙ্গাইল-৮ (সখীপুর-বাসাইল) আসনের সংসদ সদস্য জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের জানান, শওকত সিকদারের গাড়িতে হামলা হয়নি। তবে বিচ্ছিন্নভাবে গাড়িতে দুই চারটা থাপ্পর দিয়েছে বলে শুনেছেন। এ ব্যাপারে তিনি আর কোন মন্তব্য করবেন না বলে জানান। তবে তিনি অনুসন্ধান করছেন, কারা এটা করেছেন।
উল্লেখ্য, টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের টাঙ্গাইল-৮ (সখীপুর-বাসাইল) আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য। এবার তিনি দলীয় মনোনয়ন পাননি। এ আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও সখীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অনুপম শাহজাহান জয়। সখীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শওকত সিকদার অনুপম শাহজাহান জয়ের পক্ষের নেতা হিসেবে পরিচিত।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে বৃদ্ধ মা, তার দুই ছেলে ও এক ছেলের স্ত্রীকে গাছে বেঁধে নির্যাতন করার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে।
পরে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর-৯৯৯-এ কল পেয়ে আহতদের উদ্ধার করে পুলিশ। এদের মধ্যে একজনকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল এবং দুই জনকে মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলার মধুপুর পৌর এলাকার ৭নং ওয়ার্ডের পুন্ডুরা গ্রামে নির্যাতনের ঘটনাটি ঘটে।
নির্যাতিতরা হলেন- একই গ্রামের মৃত নুরুল ইসলামের স্ত্রী শাফিয়া বেগম (৫৫), বড় ছেলে আলমগীর হোসেন, ছোট ছেলে জুব্বার আলী ও আলমগীরের স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম।
ছেলে আলমগীর ও জুব্বারের সঙ্গে প্রতিবেশী মৃত আবু সেকের ছেলে কালু মিয়া ও তার ভাইদের জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। দুই পক্ষের মধ্যে মামলা মোকদ্দমাও হয়েছে। ২৩ বছর বাটোয়ারা মামলা চলার পর চলতি বছরের ২৯ জানুয়ারি আদালত আলমগীর ও জুব্বাররের পক্ষে রায় দেন। রায় পেয়ে জমির খাজনা খারিজ করেন তারা। মাঠ ও প্রিন্ট পর্চা তাদের নামেই রয়েছে।
প্রতিপক্ষ কালু মিয়া শেখ, ভাই আজগর, সামাদ এ নিয়ে গত কয়েক মাস আগে ওই জমির মালিক দাবি করে আদালতে ১৪৪ ধারা জারি চেয়ে আবেদন করেন। আদালত স্থানীয় সংশ্লিষ্ট বিভাগের তদন্ত রিপোর্টের প্রেক্ষিতে ১৪৪ ধারা জারি করেন। আলমগীর, জুব্বাররা কাগজপত্রের ভিত্তিতে ১৪৪ ধারার বিপরীতে জজ কোর্টে আপিল করেছেন। এ নিয়ে গত এক সপ্তাহ ধরে দুই পরিবারে উত্তেজনা চলছিল।
মঙ্গলবার সকালে কালু মিয়া গং ৬০ শতক জমিতে ঘর নির্মাণ শুরু করেন। এসময় আলমগীর ও জুব্বার বাঁধা দিতে গেলে তাদের গাছের সঙ্গে বেঁধে রড ও লাঠি দিয়ে পেটাতে থাকেন। এসময় তাদের মা শাফিয়া এগিয়ে এলে তাকেও গাঁছে বেঁধে রাখা হয়। শাশুড়িকে রক্ষায় এগিয়ে এলে আলমগীরের স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগমকেও হাত পা বেঁধে বসিয়ে রাখা হয় জমিতে। পরে স্থানীয় এক ব্যক্তি ৯৯৯ নম্বরে কল করেন। পরে মধুপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে ভুক্তভোগীদের উদ্ধার করে।
মধুপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান জানান, জমি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের জেরে ধাক্কা-ধাক্কি হয়েছে। তবে গাছে বেঁধে নির্যাতনের বিষয়ে তিনি জানেন না। এধরনের কোনো ঘটনা হয়ে থাকলে এবং কেউ অভিযোগ দিলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একতার কণ্ঠঃ স্ত্রীর পরকীয়া সইতে না পেরে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে শশুর বাড়িতে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে মোস্তফা কামাল (৪২) নামের এক ব্যক্তি ফাঁসি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।
বুধবার (৬ ডিসেম্বর) দুপুরে উপজেলার ফলদা ঘোনাপাড়ায় শশুর বাড়ি থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
নিহত মোস্তফা কামাল পার্শ্ববর্তী ঘাটাইল উপজেলার লোকেরপাড়া ইউনিয়নের আনন্দপাড়া গ্রামের আমির আলীর ছেলে। তিনি সবজি ব্যবসায়ী ছিলেন।
পুলিশের ধারণা, মঙ্গলবার রাতের কোনো এক সময়ে সে আত্মহত্যা করেছে। মরদেহের পকেটে একটি ‘চিরকুট’ পাওয়া যায়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মোস্তফা কামালের স্ত্রী রুনা খাতুনকে থানায় নেওয়া হয়েছে।
স্থানীয়রা জানায়, মোস্তফা কামাল ও স্ত্রী রুনা খাতুনের ঘরে এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। স্ত্রী পরকীয়ায় আসক্ত হওয়ায় প্রায়ই তাদের মধ্যে ঝগড়া হতো। এতে মানসিকভাবে হতাশাগ্রস্থ হয়ে মঙ্গলবার রাতের কোনো এক সময়ে শশুর বাড়িতে এসে গলায় ওড়না পেঁছিয়ে আত্মহত্যা করে।
মোস্তফা কামালের বড় ভাই সাজেদুল করিম জানান, পরকীয়া নিয়ে ওদের মধ্যে ঝগড়া লেগেই থাকতো। যে কারণে কামাল হতাশগ্রস্থ হয়ে তার স্ত্রীর ওড়না গলায় পেঁছিয়ে ফাঁস দিতে পারে বলে ধারণা করছি।
ফলদার ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য আব্দুর রাজ্জাক জানান, গাছে মরদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় দেখে স্থানীয়রা খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মরদেহ উদ্ধার করে।
এ ব্যাপারে ভূঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আহসান উল্লাহ্ বলেন, খবর পেয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এসময় তার পকেট থেকে একটি চিরকুট পাওয়া যায়। চিরকুটে স্ত্রীর পরকীয়া করার বিষয়টি লেখা ছিল। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল শহরের পশ্চিম পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া লৌহজং নদী দখল ও দূষণ রোধে করণীয় বিষয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) দুপুরে শহরের একটি রেস্টুরেন্টে পরিবেশবাদী সংগঠন বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) এ সভার আয়োজন করেছে।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী।
খন্দকার নাজিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক জমীর উদ্দীন হায়দার, পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাব-ডিভিশনাল ইঞ্জিনিয়ার আবু জুবায়ের, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের ডেপুটি রেজিস্ট্রার ড. ইকবাল বাহার বিদ্যুৎ, উন্নয়ন কর্মী মীর জালাল আহমেদ উজ্জল প্রমুখ।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বেলার বিভাগীয় সমন্বয়কারী গৌতম চন্দ্র চন্দ।
এ সময় বিভিন্ন বেসরকারি দপ্তর, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার কর্মকর্তা ও সমাজকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় লৌহজং নদী দখল ও দূষণ এবং উদ্ধার কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে মোটরসাইকেলের সাথে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে মোটরসাইকেল আরোহী দুই বন্ধুর মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।
সোমবার (৪ ডিসেম্বর) বিকেলে জেলার ঘাটাইল উপজেলার সাগরদিঘী ইউনিয়নে কামালপুর এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাগরদিঘি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এএসআই আমিরুল ইসলাম।
নিহতরা হচ্ছেন, উপজেলার লক্ষিন্দর ইউনিয়নের ইন্দ্রাবাইদ গ্রামের মিন্টু মিয়ার ছেলে সবুজ মিয়া (২০) ও একই এলাকার জসিম উদ্দিনের ছেলে আদনান সোহাগ (২২)। নিহত আদনান সাগরদিঘি উচ্চ বিদ্যালয়ের এ বছরের এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল ।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়,সোমবার বিকেল পাঁচটায় দিকে সাগরদিঘী থেকে ঘাটাইলের দিকে মোটরসাইকেল যোগে যাচ্ছিল দুই বন্ধু সবুজ এবং সোহাগ। পথিমধ্যে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি যাত্রীবাহী অটোরিকশার সাথে ঘাটাইল-সাগরদীঘি আঞ্চলিক সড়কের কামালপুর ফকির মার্কেটের সামনে মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে মোটরসাইকেলের চালক ও আরোহী উভয়ে গুরুতর আহত হয়।
পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আদনান সোহাগকে মৃত ঘোষণা করেন । গুরুতর আহত মোটরসাইকেলের অপর আরোহী সবুজ মিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়।
তাদের মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে নিরুপম রাহা (৪০) নামে এক যুবক ঋণের দায়ে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছে । সোমবার(৪ ডিসেম্বর )দুপুরে মির্জাপুর পৌর এলাকার বাওয়ার কুমারজানী পূর্বপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।
নিরুপম রাহা উপজেলার বহুরিয়া ইউনিয়নের কোর্টবহুরিয়া গ্রামের নিমাই রাহার ছেলে। সে এক কন্যা সন্তানের জনক।
জানা যায়, নিরুপম রাহা আর্থিক অনটনে ঋণে জর্জরিত হয়ে পড়লে সদরের বাইমহাটী এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতে থাকে। এক পর্যায় সে মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে। সোমবার দুপুরে সে বাওয়ার কুমারজানী পূর্বপাড়া এলাকায় রেললাইনের উপর বসে থাকে। পরে নিলফামারী জেলার চিলাহাটি থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী চিলাহাটি একপ্রেস ট্রেনটি দুপুর সোয়া দুইটার দিকে ওই স্থানে পৌছালে নিরুপম রাহা ওই ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করে।
উপজেলার উয়ার্শী ইউনিয়ন পরিষদের সচিব নিরুপম রাহার চাচাতো ভাই সুজন কুমার জানান, নিরুপম আর্থিক অনটনে ঋণে জর্জরিত হয়ে মাদকাসক্ত হয়। কয়েকদিন আগেও তিনি তাকে কয়েক হাজার টাকা দিয়ে সহযোগিতা করেছেন বলে জানান।
মির্জাপুর রেল স্টেশনের স্টেশন মাস্টার কামরুল হাসান জানান, ট্রেনেকাটা পড়ে নিরুপম নামে এক ব্যক্তি আত্মহত্যা করেছে।
একতার কণ্ঠঃ সমর্থককে আটকে রেখে মনোনয়ন বাতিলের অভিযোগ তুলেছেন টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ইউনুস ইসলাম তালুকদার ঠান্ডু।
ঘটনার সত্যতা যাচাই ও তদন্ত চেয়ে শুক্রবার (১ ডিসেম্বর) জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন তিনি। তবে লিখিত অভিযোগের বিষয়টি খতিয়ে না দেখে দৈবচয়ন পদ্ধতিতে তার মনোনয়ন পত্রটি বাতিল করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
জানা যায়, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ১২ (৩ ক) দফা ২ এর উপদফা (ক) অনুযায়ী স্বতন্ত্র প্রার্থীকে মনোনয়ন পত্রের সাথে সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকার ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থন সম্বলিত স্বাক্ষর যুক্ত তালিকা সংযুক্ত করার বিধান রয়েছে। টাঙ্গাইল-২ নির্বাচনী আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩,৯৫,২৪৮। যার ১ শতাংশ ভোটার ৩৯৫২ এবং তিনি উক্ত তালিকা দাখিল করেছেন।
তার মনোনয়ন পত্রের সাথে সংযুক্ত ভোটারের স্বাক্ষর যুক্ত তালিকা হতে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন সচিবালয় এর স্মারক নং ১১৭০০০০০০৩৪৩৬০১৮২৩৭৩৮, তারিখ- ২০ নভেম্বর ২০২৩ এর পত্র অনুযায়ী দৈবচয়নের ভিত্তিতে ১০ জন ভোটারের স্বাক্ষর সম্বলিত তালিকা সরজমিনে যাচাই বাছাই করা হয়েছে। যাচাই বাছাই ও তদন্তকালে ৩৯৫২ ভোটারের মধ্যে দাখিলকৃত সমর্থনযুক্ত তালিকার ক্রমিক নং যথাক্রমে ২১১৫, ৩২২৩, ৮৭২, ২২৮৬, ১৫৭৪, ৭৫১, ৫৪৩, ২১৫৩, ২৩৮৮ মোট নয় জনের স্বাক্ষরের বিষয়টি সত্যতা পাওয়া গেলেও ৩৪২৬ ক্রমিকে অন্তর্ভূক্ত ভোটার আরফান আলী শেখ, পিতা- খোরশেদ আলী, ভোটার নম্বর- ৯৩১৩১৩৭৯০৬৯৪, গ্রাম- মাদারিয়া ভূঞাপুর টাঙ্গাইলের বাড়িতে বিগত ১ ডিসেম্বর আনুমানিক সকাল সাড়ে ১১টার সময় তদন্তকারী কর্মকর্তাগণ গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে, মো. আরফান আলী শেখ সমর্থন সম্বলিত তালিকায় প্রদত্ত টিপসহি নিজের নয় বলে উল্লেখ করেন।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ১২ (৩ ক) দফা ২ এর উপদফা (ক) এর শর্ত লঙ্ঘিত হওয়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থী (প্রার্থীতার পক্ষে সমর্থন যাচাই) বিধিমালা ২০১১ এর ৫ বিধির আলোকে এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ১৪ (৩) (গ) এর বিধান অনুসারে স্বতন্ত্র প্রার্থী ইউনুস ইসলাম তালুকদারের দাখিলকৃত মনোনয়ন পত্রটি বাতিল যোগ্য হওয়ায় বাতিল ঘোষনা করা হয়।
অন্যদিকে, গত ১ ডিসেম্বর প্রার্থীর সমর্থক ভূঞাপুরের মাদারিয়া গ্রামের খোরশেদ আলীর ছেলে তালিকার ৩৪২৬ ক্রমিকে অন্তর্ভূক্ত ভোটার আরফান আলী শেখের নিখোঁজের বিষয়টি উল্লেখ করে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করা হয়।
নিখোঁজ সমর্থককে মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাইয়ের দিন ভূঞাপুরের ফলদা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়াররম্যান মো. সাইদুল ইসলাম তালুকদার দুদুর ব্যক্তিগত গাড়িতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আসা যাওয়ার বিষয়টি প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। সত্যতা যাচাই ও নির্বাচনের পরিবেশ অবাধ ও সুষ্ঠু রাখতে জেলা প্রশাসনের অধিকতর তদন্ত প্রয়োজন বলে মত প্রকাশ করেছেন প্রার্থী ও তার সমর্থকরা।
নিখোঁজ আরফান আলী শেখ বলেন, আমি কারো পক্ষে কোথাও কোন স্বাক্ষর দেইনি। এছাড়া নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি এড়িয়ে যান তিনি।

ফলদা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. সাইদুল ইসলাম তালুকদার দুদু বলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থীর কোন সমর্থক নিখোঁজের বিষয়টি জানেন না। আরফান আমার প্রতিবেশী ও আমার ইউনিয়নের বাসিন্দা। সেই হিসেবে আমি তাকে সাথে নিয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে গিয়েছিলাম।
স্বতন্ত্র প্রার্থী ইউনুস ইসলাম তালুকদার ঠান্ডু বলেন, আমি ১ ডিসেম্বর সমর্থক নিখোঁজের বিষয়টি জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তাকে লিখিতভাবে জানিয়েছি। অভিযোগের কোন ব্যবস্থা না নিয়ে আমার মনোনয়ন পত্রটি বাতিল করা হয়েছে। আমি নির্বাচন কমিশনে আবেদন করেছি, আমার বিশ্বাস আমি ন্যায় বিচার পাবো।
এ বিষয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. কায়ছারুল ইসলাম জানান, সমর্থক নিখোঁজের অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্বতন্ত্র প্রার্থীর একজন ভোটার স্বাক্ষর দেননি বলে দাবি করায় নিয়মানুযায়ী ওই মনোনয়ন পত্রটি বাতিল করা হয়েছে।