একতার কণ্ঠঃ “শেকড়ের সন্ধানে ছুটে চলা’ – এই প্রত্যয় কে ধারন করে আমাদের টাঙ্গাইল টুয়েন্টিফোর ডটকমের এক ঝাক তরুন সাংবাদিক একত্রে হয়েছিলেন শুক্রবার(১৮ জুন) সকালে। এই দিন ছিলো আমাদের টাঙ্গাইল টুয়েন্টিফোর ডটকমের ২য় বর্ষে পদার্পণের প্রথম দিন। এ উপলক্ষে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে আয়োজন করা হয়েছিল আলোচনা সভা ও প্রতিনিধি সম্মেলন। একই অনুষ্ঠানে বর্ষপূর্তির কেক কাটা হয়।
চ্যানেল আই এর জেলা প্রতিনিধি, আমাদের টাঙ্গাইল টুয়েন্টিফোর ডটকমের প্রধান সম্পাদক মুসলিম উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে কালের কন্ঠের টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি এবং আমাদের টাঙ্গাইল টুয়েন্টিফোর ডটকমের বিশেষ প্রতিবেদক অরণ্য ইমতিয়াজের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি এডভোকেট জাফর আহমেদ। উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাসাইল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী অলিদ ইসলাম।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কাজী জাকেরুল মওলা, প্রথম আলো এর স্টাফ রিপোর্টার কামনা শীষ শেখর, মেজর জেনারেল মাহমুদুল হাসান কলেজের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক তরুন ইউসুফ, একুশে টেলিভিশনের জেলা প্রতিনিধি কাজী তাজউদ্দিন রিপন।
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তবে মুসলিম উদ্দিন আহমেদ বলেন, আমরা সত্যের পথে আছি এবং শেখরের সন্ধানে ছুটে চলছি। তাই আমি আজকের দিনে বলতে চাই- যারা আমাদের সাথে রয়েছেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি এডভোকেট জাফর আহমেদ বলেন, আমাদের টাঙ্গাইল টুয়েন্টিফোর ডটকম আজ ২ য় বর্ষে পদার্পণ করেছে। আজকের এই আনন্দের দিনে আমি আমাদের টাঙ্গাইল টুয়েন্টিফোর ডটকম পরিবারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। এই পোর্টালের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করছি- এ অগ্রগতির ধারা অব্যাহত থাকুক।
অনুষ্ঠানের উদ্বোধক বাসাইল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী অলিদ ইসলাম বলেন, মত প্রকাশ করা আমাদের মৌলিক অধিকার। তবে গণমাধ্যমে কর্মরতদের মনে রাখতে হবে সেই মত প্রকাশ যাতে হয় সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে। আমাদের টাঙ্গাইল টুয়েন্টিফোর ডটকম সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বাহক হিসেবে কাজ করবে আশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, পোর্টালের রির্পোট আমি পর্যবেক্ষন করে থাকি এবং আমার উপজেলায় কোনো সমস্যা থাকলে তাৎক্ষনিক সমাধানের চেষ্টা করি। টাঙ্গাইলের এবং সমাজ পরিবর্তনে অগ্রনী ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি কাজী জাকেরুল মওলা বলেন, এই পথচলাকে শুভেচ্ছা জানাই। আমাদের টাঙ্গাইল টুয়েন্টিফোর ডটকম একটি ভালো ও জনপ্রিয় পত্রিকা এবং এই জনপ্রিয়তা কে ধরে রাখতে হবে।
স্বাগত বক্তব্যে আমাদের টাঙ্গাইল টুয়েন্টিফোর ডটকমের সম্পাদক হাবিবুল্লা শেফুল বলেন একটি পোর্টালের জন্য ১ বছর খুব বেশি সময় নয়। এই অল্প সময়ে টাঙ্গাইলের মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছে। আপনাদের সকলের ভালোবাসা ও সহযোগিতায় গণমানুষের মুখপত্র হিসেবে আগামী দিনগুলোতেও একইভাবে কাজ করে যাবে আমাদের টাঙ্গাইল টুয়েন্টিফোর ডটকম।
শেষ পর্বে আমাদের টাঙ্গাইল টুয়েন্টিফোর ডটকম এর প্রতিনিধিদের সংবাদিকতার কলাকৌশল নিয়ে আলোচনা করেন ,কামনা শীষ শেখর, অরন্য ইমতিয়াজ, তরুণ ইউসুফ এবং মুসলিম উদ্দিন আহমেদ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার মামুদনগর ইউনিয়নের বাড়ি গ্রাম স্কুল এন্ড কলেজে নবনির্মিত তিনতলা একাডেমিক ভবন ও বন্যা আশ্রয় কেন্দ্রের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখহাসিনা।
রবিবার (২৩ মে) দুপুর ১২টার দিকে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীকে নাগরপুর বাসীর পক্ষ থেকে সালাম ও কৃতজ্ঞতা জানান নাগরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিফাত ই জাহান।
প্রকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালায় কর্তৃক ২০২০-২০২১ অর্থ বছরে ৫০টি মুজিব কিল্লার ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন এবং ১১০টি বহুমুখী ঘূর্নিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র, ৩০টি বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র, ৩০টি জেলা ত্রাণ গুদাম কাম দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, তথ্যকেন্দ্র ও ৫টি মুজিব কিল্লাসহ মোট ১৭৫টি স্থাপনার উদ্বোধন করা হয় ।
জানা গেছে, বাড়িগ্রাম স্কুল এন্ড কলেজে নির্মিত আধুনিক সুযোগ-সুবিধার একাডেমিক ভবনটি শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ের ভবন হিসেবেই ব্যবহার করবে। এতে বিদ্যালয়ের সার্বিক শিক্ষার পরিবর্তন ঘটবে। একই সঙ্গে ভবনটিতে বন্যা সহ যে কোনও দুর্যোগে কমপক্ষে ৪০০ শতাধিক মানুষ আশ্রয় নিতে পারবেন।
ভবনটিতে বিশুদ্ধ পানি, পয়ঃনিষ্কাশন ও নানা সুযোগ-সুবিধার পাশাপাশি নির্মিত হয়েছে বড় আকারের একটি শেড। যেখানে শতাধিক গবাদি পশুও আশ্রয় নিতে পারবে।
প্রসঙ্গত, আশ্রয় কেন্দ্র নির্মাণ (তৃতীয়পর্যায়) শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়নে বাড়ি গ্রাম স্কুল এন্ড কলেজে একাডেমিক ভবন ও বন্যা আশ্রয় কেন্দ্রটি নির্মাণ করা হয়। এটি নির্মাণে বরাদ্দ ধরা হয়েছে তিন কোটি ১৬ লাখ ৪৩ হাজার ৭৬৮ টাকা।
উক্ত অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো. হুমায়ুন কবীর, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ছামিনা বেগম শিপ্রা, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল মতিন বিশ্বাস, উপজেলা এলজিডি কর্মকর্তা মো. মাহাবুবুর রহমান, উপজেলা প্রোগ্রাম অফিসার মো. হাবিবুর রহমান, পরিসংখ্যান কর্মকর্তা জয়নাল আবেদিন, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবু বক্কর সিদ্দিকী সহ ইউনিয়ন চেয়াম্যান মো. আনোয়ার হোসেন ও বাড়ীগ্রাম স্কুল এন্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. আলমাছ উদ্দিন প্রমুখ।
উদ্বোধন শেষে বন্যা আশ্রয় কেন্দ্রটি পরিদর্শন করেন উপজেলা নিবার্হী অফিসার (ইউএনও) সিফাত-ই-জাহান।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুরে কোভিড-১৯ ভীতি উপেক্ষা করে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপনের লক্ষ্যে কেনাকাটায় মহাব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন মধুপুরবাসী। সরকারের কঠোর বিধিনিষেধ জারির পরও মধুপুররবাসীর মধ্যে যেন কোনো ধরনের করোনা ভীতি নেই। এই সংকটকালেও নিশ্চিন্তে ঈদের কেনাকাটা করছেন তারা।
টাঙ্গাইলের মধুপুরে বিভিন্ন বয়সী মানুষ তাদের পছন্দের জিনিসপত্র কিনতে এক মার্কেট থেকে অন্য মার্কেটে ছুটছেন। প্রতিটি মার্কেটেই ক্রেতাদের জনসমাগম চোখে পড়ার মতো। এক্ষেত্রে তাদের মধ্যে সামাজিক দূরত্ব বা স্বাস্থ্যবিধি মানার কোনো তাড়না চোখে পড়েনি। কিছু কিছু মার্কেটে পা ফেলার জায়গাও পাওয়া খুবই মুশকিল হয়ে পড়েছে।
মধুপুরের পাইলট সুপার মার্কেট, সরকার মার্কেটসহ অন্যান্য মার্কেটগুলোতেও একজনের সঙ্গে আরেকজনের গা ঘেঁষে ঘেঁষে চলতে দেখা গেছে। এমনকি অভিভাবকদের সঙ্গে ঈদ শপিংয়ে মার্কেটে আসা শিশুদেরকেও মাস্ক পড়তে দেখা যায়নি।
মার্কেটগুলোতে উপচে পড়া ভীড় দেখা গেলেও বেচাকেনার পরিমাণ চাহিদার তুলনায় খুবই কম বলে দাবি করেছেন বিক্রেতারা। বিক্রেতাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, ক্রেতাদের ভীড় অনেক বেশি। কিন্তু বেচা-বিক্রি অনেক কম। যে পরিমাণ জনসমাগম রয়েছে সবাই যদি একটি করে জিনিসও কিনতেন তাহলে আমাদের দোকানের জিনিসপত্র অনেক কমে যেত। কেনাকাটা হচ্ছে কম, অধিকাংশই শুধু জিনিসপত্র দেখছেন।
সরেজমিনে মধুপুরের বিভিন্ন মার্কেট ঘুরে দেখা যায়, শপিংমল ও দোকানপাট খুলে দেয়ার সঙ্গে সঙ্গেই একপ্রকার হুমড়ি খেয়ে পড়েছেন ক্রেতারা। কেউ নিজস্ব গাড়ি হাঁকিয়ে যাচ্ছেন মার্কেটে। কেউ যাচ্ছেন অটোরিকশা কিংবা রিকশায়। তবে এখন আর কোনো চিন্তা-ভাবনা নেই মানুষের মধ্যে। স্বাস্থ্যবিধি কেউ কেউ মানছেন আর কেউ বা মানছেন না, যারা মানছেন না তাদেরকে বাধ্য করাররও যেন কেউ নেই।
মধুপুরের সরকার মার্কেটের কয়েকজন ক্রেতার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ঈদের শপিং করতে এসেছেন তারা। করোনার মধ্যেও তো ঈদ করতে হবে। এ কারণেই কিছু কেনাকাটা করতে এসেছেন। তবে এক দোকান থেকে অন্য দোকানে ঘোরাঘুরি কম করছেন, পছন্দ হলেই কিনে নিচ্ছেন পছন্দের পোশাক বলে তারা জানান। করোনা সংক্রমণের মধ্যেও অনেকে শপিংমলগুলোতে ঘুরতে বেরিয়েছেন। দেখছেন নতুন কী কী কাপড়-চোপড় কিংবা জিনিসপত্র এসেছে। এতে করেও লোকজনদের ভিড় বাড়ছে।
মধুপুরের সাথী মোড়ের ফুটপাতের কাপড় বিক্রেতাদের সাথে কথা বললে তারা জানান, গত কদিনে লকডাউনে অনেক টাকার ক্ষতি হয়েছে। মাত্র কয়েকদিন বসতে পারছি। তবে আজ ক্রেতা অনেক। বিক্রিও মোটামুটি আগের দিনের তুলনায় ভালোই হচ্ছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল পৌরসভার নির্বাচনে ভোট কেন্দ্রগুলো থেকে বিএনপি’র এজেন্টদের বের করে দেওয়া, মিথ্যা অভিযোগে আটক নেতাকর্মীদের মুক্তিসহ পুনরায় নির্বাচনের দাবি করেছেন বিএনপি দলীয় মেয়র প্রার্থী মাহমুদুল হক সানু । তিনি এই নির্বাচনকে প্রহসনের নির্বাচন বলে আখ্যায়িত করে পুন:র্নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন।
শনিবার (৩০ জানুয়ারি) রাতে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে
সদ্য অনুষ্ঠিত পৌরসভার নির্বাচনে ভোট কারচুপি, মিথ্যা অভিযোগে আটক দলীয় নেতাকর্মীদের মুক্তিসহ নানা অভিযোগ তুলে ধরেন বিএনপি সমর্থিত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মাহমুদুল হক সানু।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তিনি আরও অভিযোগ করে বলেন, পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডে সরকার দলীয় নেতাকর্মীরা ভোট কেন্দ্র থেকে তার এজেন্টদের বের করে দিয়ে প্রশাসনের নাকের ডগায় বোমাবাজি করে কেন্দ্র দখল করে নেয়। অপরদিকে, দেওলা কেন্দ্রে বিএনপি সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী আব্দুল হামিদসহ বেশ কয়েকজন নেতাকর্মীকে আটক করে পুলিশ। এছাড়া পৌরসভার ১৮টি ওয়ার্ডের মধ্যে বেশ কয়েকটি ওয়ার্ডের বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে তার এজেন্টদের জোরপূর্বক বের করে দিয়ে নৌকা সমর্থিত প্রার্থীর সমর্থকরা জাল ভোট প্রদান করে।
এছাড়াও নির্বচনী এলাকার বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে আটক হওয়া দেলোয়ার হোসেন, হাসিবুল হাসান, রাকিব সরকার, এহসানুল হক নয়ন, সোহানুর রহমান সোহান, আশরাফুল ইসলামসহ প্রায় ১৯জন বিএনপি সমর্থিত নেতাকর্মীদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি করেন তিনি।
মেয়রপ্রার্থী মাহমুদুল হক সানু আরও বলেন, এই প্রহসনের নির্বাচন বাতিল করে পুনরায় নির্বাচন দিতে হবে এবং প্রশাসনের কাছে মিথ্যা অভিযোগে আটক সকল পর্যায়ের বিএনপি সমর্থিত নেতাকর্মীদের মুক্তি দিতে হবে।
তিনি আরও বলেন, কারাগারে বন্দি বিরোধী দলের নেতাদের মা, বাবা, স্ত্রী, মেয়ে, ছেলেসহ স্বজনরা কাঁদছে। কিন্তু তা এই সরকারের হৃদয়ে নাড়া দেবে না। তারা নিজেদের অবৈধ ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার জন্য বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের জেলে ঢুকাচ্ছে।
উল্লেখ্য, শনিবার (৩০ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত টাঙ্গাইল পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী এস.এম সিরাজুল হক আলমগীর ৬৬ হাজার ৬১৭ ভোট পেয়ে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী ছিলেন বিএনপি’র মনোনীত প্রার্থী মাহমুদুল হক সানু, তিনি পেয়েছেন ২২ হাজার ৯০০ ভোট।