/ হোম / অপরাধ
টাঙ্গাইলে ঘুমন্ত স্বামীর গোপনাঙ্গ কেটে সন্তান রেখেই পালালেন স্ত্রী - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ঘুমন্ত স্বামীর গোপনাঙ্গ কেটে সন্তান রেখেই পালালেন স্ত্রী

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে ঘুমন্ত স্বামীর গোপনাঙ্গ কেটে শিশু সন্তান রেখেই পালিয়েছেন স্ত্রী জাকিয়া (২৬)।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগীকে উদ্ধার ক‌রে উপ‌জেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নি‌য়ে যাওয়ার পর সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে উন্নত চি‌কিৎসার জন্য টাঙ্গাইল জেনা‌রেল হাসপাতা‌লে পাঠায়।

বুধবার (১৭ এপ্রিল) ভোরে উপ‌জেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের রাউৎবা‌ড়ী গ্রা‌মে এই ঘটনা ঘ‌টে।

ভুক্তভোগীর নাম ফিরোজ (২৯) সে স্থানীয় শাহজাহানের ছে‌লে এবং জাকিয়া পাশ্ববর্তী জিগাতলা গ্রামের জামিলের মেয়ে।

প্রতিবেশি ও স্বজনরা জানান, পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ে হয়। দাম্পত্য জীবনে ৬-৭ বছরের একটি শিশু ছেলে সন্তান রয়েছে তাদের। সংসার জীবনের মধ্যেই প্রায়ই এক অপরকে দোষারোপ করে বিভিন্ন সময় ঝগড়া করতো।

এনিয়ে সম্প্রতি একাধিকবার গ্রাম্য সালিশি হয়। মঙ্গলবার রাতেও তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়। পরে বুধবার ভোরে ফিরোজের গোপনাঙ্গ কেটে সন্তান রেখেই জাকিয়া পালিয়ে যায়।

ভুক্তভোগী ফি‌রোজ জানায়, ভোরে ঘুমিয়ে ছিলাম। হঠাৎ করে লিঙ্গ কেটে ফেলে। পরে ডাক-চিৎকার শুনে পরিবার ও প্রতিবেশিরা এসে উদ্ধার করে এরআগে শিশু সন্তান রেখেই স্ত্রী জাকিয়া পালিয়ে যায়।

ফি‌রো‌জের মামা আরজু জানান, ‌বি‌য়ের পর থে‌কে স্বামী ও স্ত্রীর ম‌ধ্যে পা‌রিবা‌রিক কলহ চল‌ছিল। ভোরে ঘুমা‌নো অবস্থায় ভাগিনার লিঙ্গ কে‌টে ফে‌লে তার স্ত্রী। প‌রে পা‌শের লোকজন খবর পে‌য়ে তা‌কে উদ্ধার ক‌রে হাসপাতা‌লে নি‌য়ে আসে। তার স্ত্রী বা‌ড়ি থে‌কে পা‌লি‌য়ে‌ছে।

গোবিন্দাসী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. দুলাল হোসেন চকদার বলেন- বিষয়টি জেনেছি। পরে খোঁজ নিয়ে জানতে পারি ফিরোজকে হাসপাতালে পাঠিয়েছে স্থানীয়রা।
তিনি আরও বলেন, স্বামী-স্ত্রীর মাঝে সাংসারিক ঝামেলা চলছিল। এনিয়ে সম্প্রতি একাধিকবার দরবার-সালিশ করা হয়েছে।

উপ‌জেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উপ-সহকা‌রী মে‌ডি‌কেল অ‌ফিসার কাজল তালুকদার ব‌লেন, লি‌ঙ্গের পু‌রো অংশ কে‌টে ফেলায় প্রচুর রক্তক্ষরণ হ‌য়। উন্নত চি‌কিৎসার জন্য তাকে টাঙ্গাইল জেনা‌রেল হাসপাতা‌লে পাঠা‌নো হ‌য়ে‌ছে।

এ ব্যাপারে ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ও‌সি) মো. আহসান উল্লাহ জানান, ঘটনা‌টি জেনে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তবে এখনো কোন অ‌ভি‌যোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৭. এপ্রিল ২০২৪ ০৯:৩৫:পিএম ৩ বছর আগে
সখীপুরে সাংবাদিকের মাথা ফাটালেন আ.লীগ নেতা - Ekotar Kantho

সখীপুরে সাংবাদিকের মাথা ফাটালেন আ.লীগ নেতা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে এশিয়ান টেলিভিশনের স্থানীয় প্রতিনিধি সাইফুল ইসলাম শাফলুর উপর হামলা চালিয়ে মাথা ফাটিয়েছেন প্রভাবশালী এক আওয়ামী লীগ নেতা।

সোমবার (১৫ এপ্রিল) সকালে উপজেলার পৌর এলাকার উপজেলা রোডের মনির উদ্দিন কমপ্লেক্সে এই হামলার ঘটনাটি ঘটে।

এ ঘটনায় ওই আহত সাংবাদিক বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

গুরুতর আহত ওই সাংবাদিক সাইফুল ইসলাম শাফলু অনলাইন নিউজ পোর্টাল নিউজ টাঙ্গাইলের সম্পাদক ও দৈনিক মজলুমের কন্ঠ পত্রিকার সখীপুর প্রতিনিধি।

জানা যায়,সখীপুর পৌর এলাকার উপজেলা রোডের মনির উদ্দিন কমপ্লেক্সের একটি রুম ভাড়ার চুক্তিপত্র নিয়ে কথা কাটাকাটি এক পর্যায়ে সাংবাদিক শাফলুর মাথায় লোহার রড দিয়ে আঘাত করে ঐ কমপ্লেক্সের মালিক ও আওয়ামী লীগনেতা মনির উদ্দিন মন্টু।ঘটনাস্থলে ওই সাংবাদিক জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করান।মাথায় আঘাত পাওয়ায় পর্যবেক্ষণে রেখেছেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। অবস্থার অবনতি হলে ঢাকায় রেফার্ড করবেন বলে জানিয়েছেন তার চিকিৎসক।

মনির উদ্দিন কমপ্লেক্সের ভাড়াটিয়া বলেন, এ ভবনের মালিক বদ মেজাজি তার আচরণ অত্যন্ত বাজে। তার বিচার হওয়া প্রয়োজন।

এই ঘটনায় অভিযুক্ত মনির উদ্দিন মন্টু ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, রুমের চুক্তিপত্র নিয়ে দ্বন্দের এক মুহূর্তে মাথায় আঘাত করে ফেলেছি।

সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)শেখ শাহিনুর রহমান বলেন, আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৬. এপ্রিল ২০২৪ ০৩:৩৭:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে অবৈধ ভারতীয় চিনি ভর্তি ট্রাকসহ আটক ৭ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে অবৈধ ভারতীয় চিনি ভর্তি ট্রাকসহ আটক ৭

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ৪৩০ বস্তা অবৈধ ভারতীয় চিনি ভর্তি দুটি ট্রাকসহ ৭ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (৬ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বাংড়া ইউনিয়নের শোলাকুড়া এলাকা থেকে তাদের আটক করে কালিহাতী থানা পুলিশ।

গ্রেফতারকৃত ৭ জনের তাৎক্ষণিকভাবে নাম-ঠিকানা পাওয়া যায়নি।

বিষয়টি নিশ্চিত করে কালিহাতী থানার এসআই মিন্টু ঘোষ জানান, ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট থেকে ৪৩০ বস্তা ভারতীয় চিনিসহ দুটি ট্রাক কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গার উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বাংড়া ইউনিয়নের শোলাকুড়া এলাকা থেকে ট্রাকসহ ৭ জনকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. এপ্রিল ২০২৪ ০৪:২৬:এএম ৩ বছর আগে
প্রতারণার নতুন অস্ত্র ‘স্কোপোলামিন’ - Ekotar Kantho

প্রতারণার নতুন অস্ত্র ‘স্কোপোলামিন’

একতার কণ্ঠঃ স্কোপোলামিন বা ভয়ঙ্কর ডেভিলস ব্রেথ, যা শয়তানের নিঃশ্বাস নামে পরিচিত। এটি একটি ভয়ঙ্কর উপাদান। যা কারও অজান্তে কিংবা কৌশল-অপকৌশলে বা জোর করে কারও নিঃশ্বাসের মাধ্যমে একবার মানবদেহে ছড়িয়ে দিতে পারলেই ওই ব্যক্তি কিছু সময়ের জন্য চলে যান প্রতারকদের নিয়ন্ত্রণে। ভয়ঙ্কর এই উপাদানের প্রয়োগে ১৫ মিনিট থেকে ১ ঘণ্টা পর্যন্ত মানুষ তার নিজের নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকেন। প্রতারকদের কথা মতোই রোবটের মতো কাজ করেন। বর্তমান সময়ে স্কোপোলামিন দেশে এক আতঙ্কের নাম।

কোন ধরনের অস্ত্র কিংবা ভয়ভীতি না দেখিয়েই টার্গেট ব্যক্তির সব কিছু লুটে নিতে অপরাধীরা এখন এর ব্যবহার করছে। রাজধানীসহ দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে এখন ডেভিল ব্রেথ বা শয়তানের নিঃশ্বাস জাতীয় পদার্থ দিয়ে অপরাধীরা সাধারণের সর্বস্ব লুট করছে।

অপরাধ বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা, শয়তানের নিঃশ্বাস নামের এ উপাদানের অপব্যবহার করে অপরাধী কারো সম্পদ লিখে নেওয়া, আবার কোনো নারীর সর্বনাশ করে নীল ছবি তৈরি অথবা পছন্দের নারীকে বিয়ে করলেও আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই। কারণ এটি যার ওপর প্রয়োগ করা হয় তিনি তখন নিজের মধ্যে থাকেন না। প্রতারক চক্রের সদস্যের সামনে যিনি (টার্গেট ব্যক্তি) থাকেন, তাকে যা বলা হবে তা-ই করবেন।

প্রতারণার জন্য নতুন আসা ডেভিল ব্রেথকে অনেকে নেশা বা মাদকদ্রব্য বললেও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) বলছে, এটি মাদক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত নয়।

সূত্র বলছে, অনেক আগে থেকেই এটি দিয়ে প্রতারণা করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত দেশের ৩২ জেলায় সাধারণ মানুষ শয়তানের নিঃশ্বাসের শিকার হয়ে টাকা পয়সা খুইয়েছেন। এ ধরনের প্রতারক চক্রে বিদেশিরাও জড়িত। পুলিশ ইতোমধ্যে বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তারও করেছে।

ডিএনসি বলছে, এটি নিয়ে গবেষণার সময় এসেছে। তবে আপাতত এটির অপব্যবহার করে কেউ যাতে প্রতারণা করতে না পারে সেজন্য জনসাধারণকে সচেতন হতে হবে।

সম্প্রতি রাজবাড়ী সরকারি আদর্শ মহিলা কলেজের মাস্টার্সের ছাত্রী প্রিয়া, বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলা সদরের হৃদয় টেলিকমের মালিক দুলাল মিয়া ও দোকানে থাকা তার ভাগ্নের চোখে কিছু একটা লাগিয়ে দেওয়া হয়। এরপরই তারা নিজেদের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। যশোরের অভয়নগর উপজেলায় দোকান মালিক শরিফুলের বাবা, রাজধানীর পল্লবীর ১২ নম্বরের ডিওএইচএস কমপ্লেক্সে ট্রাভেল এজেন্সির জিসান, ফরিদপুর শহরের আলেয়া বেগমসহ ঢাকার মোহাম্মদপুরের এক ভুক্তভোগী এ চক্রের কবলে পড়ে সর্বস্বান্ত হন।

পল্লবীর মামলার তদন্ত করতে গিয়ে দেশে এ ধরনের ৮ থেকে ১০টি গ্রুপের সন্ধান পেয়েছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। প্রতি গ্রুপে দুই থেকে তিনজন করে সদস্য আছে। এসব চক্রের নেতৃত্বে রয়েছে ইরানি নাগরিকরা।

অপরাধ বিশ্লেষকদের মতে, স্কোপোলামিন বা শয়তানের শ্বাস বা ডেভিলস ব্রেথ হিসেবে পরিচিত পাওয়া এই মাদক মস্তিষ্কের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা নষ্ট করে দেয়। অন্যের দেওয়া আদেশকে যান্ত্রিকভাবে অনুসরণ করতে বাধ্য করা হয়। তারা নিজে কিছু চিন্তা করতে পারেন না শুধু সামনের লোক যা বলবে তাই করেন রোবটের মত। ফলে দুর্বৃত্তরা লোকজনকে সর্বস্বান্ত করতে মোক্ষক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে এটি। সম্প্রতি এই চক্রের দৌরাত্ম বৃদ্ধি পেয়েছে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কেন্দ্রীয় রাসায়নিক পরীক্ষাগারের প্রধান রাসায়নিক পরীক্ষক ড. দুলাল কৃষ্ণ সাহা জানান, ২০১৮ সালের তালিকায় স্কোপোলামিন মাদকের তালিকায় নেই। আমাদের দেশে এটা নিয়ে কোনো আইনও নেই। তিনি এটিকে মাদকও বলতে চান না। কারণ মাদক বা নেশা বলতে যা বোঝায় সেটি এটির মধ্যে নেই।

তিনি আরও জানান, স্কোপোলামিন এখনো আমাদের টিম কোথাও থেকে উদ্ধার করেনি। এ সংক্রান্ত মামলাও মাদকে আছে বলে জানা নেই। কাজেই ওটা নিয়ে এখনো আমাদের ল্যাবে কোনো ধরনের টেষ্ট হয়নি। তবে যেহেতু এটি এখন প্রতারণার কাজে ব্যবহার হচ্ছে, অপরিচিতদের থেকে নিজেকে রক্ষা করতে হবে। কেউ যাতে পাশে বসে কোনো কিছু স্প্রে করতে না পারে কিংবা নাকে টিস্যু কিংবা রুমাল ধরতে না পারে সেদিকে সচেতন থাকতে হবে।

দুলাল সাহা জানান, এটি এমন একটি ভয়ঙ্কর জিনিস। যার প্রয়োগে রিমোট কন্ট্রোল থাকে অপরাধীর হাতে। মেক্সিকানরা এটি সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে দিয়েছে। কিন্তু এখন এটির অপব্যবহার হচ্ছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. এপ্রিল ২০২৪ ০৩:৫১:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ইয়াবাসহ মা-ছেলে গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ইয়াবাসহ মা-ছেলে গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে ইয়াবাসহ মা-ছেলেকে আটক করেছে সখিপুর থানা পুলিশ। মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) রাতে উপজেলার বেলতলী এলাকা থেকে তাঁদের আটক করা হয়। বুধবার (৩ এপ্রিল) সকালে তাঁদের দুজনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আটককৃতরা হলেন, আতিক হাসান (২৩) ও তাঁর মা আরজিনা আক্তার (৩৯)।

সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ শাহিনুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মঙ্গলবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার বেলতলী গ্রামের সেন্টু মিয়ার বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। এ সময় সেন্টু মিয়ার স্ত্রী আরজিনা ও ছেলে আতিক হাসানের কাছ থেকে ২০৫টি ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। পরে মা-ছেলের নামে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ওই মামলায় তাঁদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

তিনি আরও জানান, ইয়াবাসহ আটক মা-ছেলেকে বুধবার সকালে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মাদক নিয়ন্ত্রণে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. এপ্রিল ২০২৪ ০২:০৭:এএম ৩ বছর আগে
পুংলি নদীর পাড় কেটে বিক্রির মহোৎসব - Ekotar Kantho

পুংলি নদীর পাড় কেটে বিক্রির মহোৎসব

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা পৌরসভার মহেলা এলাকার পুংলি নদী পাড়ের বালু মাটি কেটে অবৈধভাবে বিক্রি করছে স্থানীয় প্রভাবশালী মো. শাহ্আলম।

এই নদী পাড়ের বালু কেটে বিক্রি করায় একদিকে যেমন শহর রক্ষা বাঁধ হুমকির মুখে পড়েছে, অন্যদিকে হুমকিতে রয়েছে রেলসেতু। এছাড়াও ভাঙন আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে স্থানীয় প্রায় পাঁচ শতাধিক পরিবার।

মাঝেমধ্যে প্রশাসন লোক দেখানো অভিযান পরিচালনা করলেও কোন ভাবেই বন্ধ হচ্ছে না অবৈধ এ বালু বিক্রি। ফলে সরকার বঞ্চিত হচ্ছে বিপুল পরিমান রাজম্ব থেকে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখাযায়, মহেলা গ্রামের পুংলি নদীতে ৬টি স্থানে ভেকু মেশিন বসানো হয়েছে। এই ভেকু মেশিন গুলোর সাহায্যে প্রায় ৫০টির অধিক ড্রাম ট্রাক দিয়ে দিনরাত উত্তোলনকৃত বালু বিক্রি করে আসছে ওই প্রভাবশালী শাহ্আলম।

স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে, পুংলি নদীর মহেলা অংশের প্রথম ঘাট চালায় এলেঙ্গা পৌরসভার স্থানীয় কাউন্সিলর মো. নুর আলমসহ শাহ্আলম, কাদের, জলিল, একাব্বর, মনির, আফজাল মোল্লা, মাজেদুল ও আফজাল প্রামানিক।

দ্বিতীয় ঘাট চালায় স্থানীয় মামুনসহ সাবেক কাউন্সিলর আব্দুল বারেক, মো. জহুরুল ও শরীফ ।

এছাড়া তৃতীয় ঘাট চালায় ব্যাংকার মহসিনসহ শহিদউজ্জামান, আয়নাল ও তোফাজ্জল হোসেন।

স্থানীয়রা আরও জানায়, দিনরাত বালুভর্তি ড্রাম ট্রাক চলাচলের কারণে টাঙ্গাইল শহর রক্ষা বাঁধ ও ওই এলাকার একমাত্র যাতায়াতের রাস্তাটির চরম বেহাল দশা হয়েছে। সামনেই বর্ষা মৌসুম। এলাকাবাসীর ধারণা এভাবে দিনরাত বালুভর্তি ড্রাম ট্রাক চলাচল করলে এই বর্ষা মৌসুমেই ভেঙে পড়তে পারে রেল সেতু ও সড়ক সেতুসহ টাঙ্গাইল শহর রক্ষা বাঁধ।

নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি জানায়, মো. শাহ্আলম স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী হওয়ায় দাপটের সহিত চলাফেরা তার। এছাড়াও রয়েছে তার বিশাল বাহিনী। সে সবসময় বাহিনী নিয়ে চলাফেরা করে। তার ভয়ে এলাকার কেউ মুখ খুলতে সাহস পায়না। প্রতিবাদ করলে তার উপর হামলা চালায়। ইতোপুর্বে তার বাহিনীর হামলার শিকার হয়েছে এলাকার অনেকেই।

তারা আরও জানায়, প্রশাসনের সাথে সখ্যেতা রয়েছে শাহ্আলমের। প্রশাসনকে ম্যানেজ করেই পুংলি নদী থেকে কোটি কোটি টাকার বালু উত্তোলন করে বিক্রি করছে সে। মাঝেমধ্যে প্রশাসন দায় এড়ানোর জন্য আসে। আসার আগেই খবর পেয়ে যায় তারা। প্রশাসন ঘুরে চলে যাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই আবার শুরু হয় অবৈধ বালু উত্তোলন।

বালুভর্তি ট্রাক রেল সেতুর নিচ দিয়ে চলাচল করায় ইতোপুর্বেও রেল সেতুটির গার্ডার ধসে পড়েছিলো। পড়ে টনক নড়ে প্রশাসনের। কিছুদিন পূর্বে রেল সেতুর নিচ দিয়ে যেন কোন ধরনের যানবাহন চলাচল করতে না পারে সেজন্য কর্তৃপক্ষ পিলার দিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দেয়। সম্প্রতি ওই বালু ব্যবসায়ীরা ওই পিলার তুলে ট্রাক চলাচলের রাস্তা বানিয়েছে।

অভিযোগ প্রসঙ্গে মো. শাহ্আলম মুঠোফোনে বলেন, তিনি নদী থেকে বালু মাটি কাটেননা। তিনি তার বাবার পৈত্রিক সম্পত্তির বালু মাটি কেটে বিক্রি করছে।

এ বিষয়ে কালিহাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শাহাদাৎ হুসেইন বলেন, তিনি উপজেলা সহকারী কর্মকর্তা (ভুমি) এসিলেন্ডকে বলে দিয়েছে, তিনি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০১. এপ্রিল ২০২৪ ০৩:১৯:এএম ৩ বছর আগে
আ’লীগ নেতা বড় মনিরের বিরুদ্ধে আবারও ধর্ষনের অভিযোগ - Ekotar Kantho

আ’লীগ নেতা বড় মনিরের বিরুদ্ধে আবারও ধর্ষনের অভিযোগ

একতার কণ্ঠঃ এবার অস্ত্রের মুখে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে টাঙ্গাইলের আওয়ামী লীগ নেতা গোলাম কিবরিয়া ওরফে বড় মনির বিরুদ্ধে। পরে ভুক্তভোগী ওই তরুণী বাদী হয়ে রাজধানীর তুরাগ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।

তুরাগ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মোস্তফা আনোয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন,এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন।

এরআগে শুক্রবার (২৯ মার্চ ) রাতে জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯ এ কল পেয়ে পুলিশ রাজধানীর তুরাগ থানায় প্রিয়াংকা সিটি আবাসিক এলাকায় বড় মনিরের ফ্ল্যাট থেকে ওই কলেজছাত্রীকে উদ্ধার করে। তাকে জোর করে ওই বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী ওই ছাত্রী।

পুলিশের ভাষ্য, বড় মনির ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গেছেন।

ওই শিক্ষার্থী মামলায় অভিযোগ করেন, ফেসবুকে বড় মনিরের সঙ্গে পরিচয় হয় তার। প্রথম পর্যায়ে হাই-হ্যালো হতো। এক পর্যায়ে বড় মনির ভুক্তভোগীকে ছোট বোন বলে সম্বোধন করে। এরপর তার সঙ্গে ছাত্রীর হোয়াটসঅ্যাপে অডিও-ভিডিওতে কথা হতো।

বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) ইফতারের পর বড় মনির ভুক্তভোগী ছাত্রীকে মেসেজ দিয়ে জমজম টাওয়ারের সঙ্গে এপেক্স শোরুমের সামনে থাকতে বলেন। সন্ধ্যা ৭টা ৩৫ মিনিটের সময় এপেক্স শো-রুমের সামনে অপেক্ষা করি। এর ১০ থেকে ১৫ মিনিট পর বড় মনির রিকশা নিয়ে আসে এবং রিকশায় উঠতে বলে। ভুক্তভোগী ছাত্রী তার সঙ্গে রিকশায় ওঠেন। রাত সাড়ে ৮টার দিকে তুরাগের প্রিয়াংকাসিটির ৬ নম্বর রোডের ৭ নম্বর বাসার পশ্চিম পাশের ফ্ল্যাটের তৃতীয় তলার উত্তর-পশ্চিম পাশের রুমের ভেতর নিয়ে যান। এরপর রুমের দরজা বন্ধ করে ধর্ষণ করেন।

এরপর ভুক্তভোগী ছাত্রী তার বাবাকে ফোন দেন। তার বাবা ঘটনা শুনে ৯৯৯ এ ফোন দেন। পরে তুরাগ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

উল্লেখ্য, বড় মনির জেলা বাস মিনিবাস মালিক সমিতির মহাসচিব এবং টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ওরফে ছোট মনিরের বড় ভাই। এর আগেও টাঙ্গাইল শহর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বড় মনিরের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা রয়েছে। ওই মামলায় বর্তমানে জামিনে আছেন তিনি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩১. মার্চ ২০২৪ ০৪:৩৯:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে নারীর অর্ধনগ্ন ছবি ফেসবুকে দেওয়ার প্রতিবাদ করায় বাড়িতে হামলা, আহত ৪ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে নারীর অর্ধনগ্ন ছবি ফেসবুকে দেওয়ার প্রতিবাদ করায় বাড়িতে হামলা, আহত ৪

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে এক নারীর অর্ধনগ্ন ছবি ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ার প্রতিবাদ করায় বাড়িঘরে হামলা ও ভাঙচুর করার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশি চাঁন মিয়ার বিরুদ্ধে। এই হামলার প্রতিবাদ করতে গিয়ে ওই নারীর মা, ভাই বোনসহ ৪ জন আহত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) রাত সাড়ে ৯ টার দিকে উপজেলার গাবসারা ইউনিয়নের যমুনার দুর্গম চরাঞ্চলের বেলটিয়াপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

শুক্রবার (২৯ মার্চ) দুপুরে গাবসারা ইউপি চেয়ারম্যান শাহ আলম আকন্দ শাপলা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আহতরা হলেন- ওই গ্রামের মৃত আব্দুল লতিফের ছেলে মো. মকবুল হোসেন (২৫), তার মা মোছা. নূরন্নাহার বেগম (৬০), বোন মোছা. ফাতেমা বেগম (২৪) ও স্ত্রী মোছা. সুমাইয়া বেগম (২৩)।

আহতদের মধ্যে মকবুল হোসেন ভূঞাপুর উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছে। অপর আহতরা স্থানীয় পল্লী চিকিৎসকের কাছ থেকে চিকিৎসা নেয়।

হামলার শিকার আহত মকবুল হোসেন বলেন, প্রায় ১ বছর আগে আমার ছোট বোনের অর্ধনগ্ন ছবি প্রতিবেশি চাঁন মিয়া তার ফেসবুক আইডিতে পোস্ট করে। পরে ছবিটি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে জানাজানি হয় এবং বিষয়টি আমরা জেনে স্থানীয় জনপ্রতিধি ও মাতাব্বারদের জানালে তারা মিমাংসার আশ্বাস দিয়েও পরে সমাধান দেয়নি।

তিনি আরও বলেন, এর কিছুদিন পর আমার বোনের নামে ফেক আইডি খুলে চাঁন মিয়া তার নিজের ছবিই ফেসবুকে পোস্ট করে আমার উপর দায় চাপানোর চেষ্টা করে। পরবর্তীতে এনিয়ে বিভিন্ন সময় আমাদের উপর হামলা চালানোর চেষ্টাসহ প্রাণনাশের হুমকি দিতো। এনিয়ে আবারও মাতাব্বরদের জানালে তারা সমাধান না দিয়ে কতিপয় কিছু মাতাব্বর উল্টো আমাদের উপর দোষ চাপায়।

তিনি বলেন, এরই জেরে ইউপি সদস্য খোরশেদ আলমের মদতে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯ টার দিকে অভিযুক্ত চাঁন মিয়ার নেতৃত্বে ফিরোজ, সজিব, বাবলু, ফিরোজ (২), সোহেলসহ ১৪ থেকে ১৫ জন লোক বাড়িতে হামলা চালিয়ে আমাকেসহ আমার মা, বোন ও স্ত্রীকে মারধর করে এবং আমার বোনকে তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ ঘটনায় আমরা মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছি।

এদিকে, অভিযুক্ত চাঁন মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

এ বিষয়ে ইউপি সদস্য খোরশেদ আলম বলেন, মিমাংসা করার চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু তা সম্ভব হয়নি। তাছাড়া মকবুল আমাকে ফাঁসানোর জন্য আপনাদের কাছে আমাকে জড়িয়ে মিথ্যা অভিযোগ করেছে।

গাবসারা ইউপি চেয়ারম্যান শাহ আলম আকন্দ শাপলা জানান, বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের খবরের বিষয়টি জানতাম না। পরে খবর পেয়ে হাসপাতালে আহতদের দেখতে যাই। ভুক্তভোগীরা যাতে আইনি সহায়তা পায় সে ব্যাপারে সহযোগিতা করা হবে বলে জানান তিনি।

এ ব্যাপারে ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আহসান উল্লাহ জানান, হামলার ঘটনায় কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. মার্চ ২০২৪ ০৩:৪৭:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বেপরোয়া গতির মোটরসাইকেল কেড়ে নিল এক নারীর প্রাণ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বেপরোয়া গতির মোটরসাইকেল কেড়ে নিল এক নারীর প্রাণ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে বেপরোয়া গতির মোটরসাইকেলের ধাক্কায় খাদিজা আক্তার (২৫) নামের এক নারী প্রাণ হারিয়েছেন।

শুক্রবার (২৯ মার্চ) বিকাল ৪ টায় ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের উপজেলার গোহালিয়াবাড়ী ইউনিয়নের জোকারচর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত খাদিজা আক্তার উপজেলার দৈবগাতী গ্রামের ইকবাল হোসেনের স্ত্রী।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, শুক্রবার বিকালে জোকারচর বাসস্ট্যান্ডে সড়ক পারাপার হওয়ার জন্য সড়কের দক্ষিণপাশে দাঁড়িয়ে ছিল খাদিজা। পথিমধ্যে উত্তরবঙ্গগামী বেপরোয়া গতির একটি মোটরসাইকেল ওই নারীকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্বজনরা খবর পেয়ে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ৭ টা ১০ মিনিটের দিকে সে মৃত্যুবরণ করেন।

এ ঘটনায় বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. লিটন মিয়া জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাই। পরে সেখান থেকে দুর্ঘটনা কবলিত মোটরসাইকেল জব্দ করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। এছাড়া নিহতের মরদেহ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহতের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. মার্চ ২০২৪ ০৩:০৪:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বিপুল সংখ্যক নিষিদ্ধ ফেন্সিডিলসহ গ্রেপ্তার ৪ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বিপুল সংখ্যক নিষিদ্ধ ফেন্সিডিলসহ গ্রেপ্তার ৪

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল ৯৬৬ বোতল নিষিদ্ধ ঘোষিত ভারতীয় ফেন্সিডিলসহ ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১৪।

বুধবার (২৭ মার্চ) রাত ৮টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের টাঙ্গাইল সদরের রাবনা বাইপাস এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) দুপুরে র‌্যাব-১৪, সিপিসি-৩,কোম্পানি কমান্ডার মেজর মনজুর মেহেদী ইসলাম এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আটককৃতরা হচ্ছেন- লালমনিরহাটের কালিগঞ্জ উপজেলার সেবকদাস গ্রামের মো. কফুর উদ্দিনের ছেলে মো. দুলু মিয়া(৪০), একই এলাকার দুলাল হোসেনের ছেলে মাইক্রোবাস চালক মো. রিপন ইসলাম(২২), মো. আমিনুল হকের ছেলে মিনাজুল ইসলাম(২১) এবং একই উপজেলার সেবকদাস নিথক গ্রামের মো. আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে মো. রহিম বাদশা(২৭)।

র‌্যাব-১৪, সিপিসি-৩,কোম্পানি কমান্ডার মেজর মনজুর মেহেদী ইসলাম জানান,গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার রাত ৮টার দিকে মহাসড়কের রাবনা বাইপাসে গাড়িতে তল্লাশি চালায় র‌্যাব-১৪। তল্লাশিকালে রংপুর থেকে ছেড়ে আসা একটি মাইক্রোবাসে অভিনব কায়দায় লুকিয়ে রাখা ৯৬৬ বোতল বিক্রি নিষিদ্ধ ভারতীয় ফেনসিডিল জব্দ ও ৪জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে চারটি মোবাইল সেট, নগদ এক হাজার ৬৫০ টাকা ও ব্যবহৃত মাইক্রোবাসটি জব্দ করা হয়।

তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তারকৃতরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিতে প্রতিনিয়ত অভিনব কৌশল অবলস্বন করতেন। তারা রংপুর জেলা থেকে আমদানী নিষিদ্ধ অবৈধ ভারতীয় ফেন্সিডিল সংগ্রহ করে ঢাকা মহানগর সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নানা ব্যক্তির কাছে বিক্রি করতেন।

তিনি জানান,আটককৃতদের নামে টাঙ্গাইল সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. মার্চ ২০২৪ ০১:০৪:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে নিষিদ্ধ পলিথিনের জব্দকৃত ট্রাক টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে নিষিদ্ধ পলিথিনের জব্দকৃত ট্রাক টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ

একতার কণ্ঠঃ: টাঙ্গাইলে রাতে পলিথিন বোঝাই কাভার্ডভ্যান জব্দ করার পর টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে।

সোমবার (২৫ মার্চ) রাতে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু মহাসড়কের সদর উপজেলার তারটিয়া এলাকা থেকে নিষিদ্ধ পলিথিনবাহী কাভার্ড ভ্যান জব্দ করেন সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) বেলাল হোসেন। পরে কতিপয় সাংবাদিকদের মাধ্যমে দেনদরবার শেষে মঙ্গলবার দুপুরে জব্দ করা কাভার্ডভ্যানটি ছেড়ে দেওয়া হয়।

পরিবেশের জন্য ভয়াবহ হুমকি নিষিদ্ধ পলিথিন আটকের পর অবৈধ সুবিধা নিয়ে ছেড়ে দেওয়ার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পরিবেশবাদী সংগঠনের নেতারা। আর সচেতন মহলের মধ্যে বইছে সমালোচনার ঝড়। এ কাজে সহযোগিতার অভিযোগ উঠেছে তিন গণমাধ্যম কর্মীর বিরুদ্ধেও। এসআই ট্রাক জব্দের বিষয়টি স্বীকার করলেও অন্য সকল অভিযুক্তরা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক থানা পুলিশের সদস্যরা জানান, সোমবার দিবারগত রাতে মধুপুর ট্রান্সপোর্টের নামের নিষিদ্ধ পলিথিনবাহী কাভার্ডভ্যান ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের তারটিয়া এলাকায় পৌঁছলে টাঙ্গাইল সদর থানার এসআই মো. বেল্লাল হোসেনের টহল দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই কাভার্ডভ্যানটি আটক করে। পরে কাভার্ড ভ্যানে নিষিদ্ধ পলিথিন থাকায় তা জব্দ করে ভোর রাতেই থানায় নিয়ে আসে। এরপর থেকেই শুরু হয় তদবির। এ কাজে যোগ দেন দুই মিশ্র টেলিভিশনের প্রতিনিধিসহ তিন গণমাধ্যমকর্মী।তিনি জানান, শহরের ছয়আনী বাজারের আনোয়ার হোসেন পলিথিন ব্যবসায়ী এবং কালিহাতীর দুই সংবাদকর্মী ও টাঙ্গাইলের এক গণমাধ্যমকর্মী নিষিদ্ধ পলিথিনবাহী কাভার্ড ভ্যানটির মালামালসহ ছাড়িয়ে নিতে ভোর রাতেই থানায় উপস্থিত হন। পরে দেনদরবার শেষে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে তা মালামালসহ মঙ্গলবার দুপুরে ছাড়িয়ে নিতে সক্ষম হন।জানা গেছে, এ ঘটনায় পুলিশ ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা নেয়। বাকি ১ লাখ ২০ হাজার টাকার মধ্যে জেলার এক মিশ্র টেলিভিশনের গণমাধ্যমকর্মী ঢাকার অফিসের টিমের কথা বলে ৮০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। অন্য দুইজন পেয়েছে বাকী টাকা। টাকার এই অসম ভাগাভাগি নিয়েও মনোমালিন্য হয় তাদের মধ্যে।

এদিকে ট্রাকটি ছাড়িয়ে নেওয়ার পর থানা পুলিশের ভেতর থেকেই ঘটনাটি জানাজানি হয় সর্বত্র। জানাজানির পর বইতে থাকে ক্ষোভ ও সমালোচনার ঝড়।

পরিবেশবাদী সংগঠন বেলার সাবেক কর্মকর্তা ও পরিবেশ কর্মী সোমনাথ লাহিড়ী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, পরিবেশের জন্য মরণঘাতী এ পলিথিন উচ্চ আদালতে উৎপাদন, পরিবহন ও বাজারজাত করণ এবং ব্যবহারে নিষিদ্ধ পণ্য। নিষিদ্ধ পণ্য জব্দের পর তা ধ্বংস না করে ছেড়ে দেয়া অতীব গর্হিত কাজ। এ কাজের মাধ্যমে উচ্চ আদালতের নির্দেশনা চরমভাবে অবজ্ঞা করা হয়েছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ জানাই।

এ বিষয়ে মধুপুর ট্রান্সপোর্ট এজেন্সির ম্যানেজার মো. কায়ছার বলেন, এ বিষয়ে আমি কিছু জানি না। তবে আমাদের গাড়িতে এ ধরনের মালামাল বহন করা হয় না।
তিনজন গণমাধ্যম কর্মীর একজন বলেন, ভোর রাতে এক গণমাধ্যমকর্মীর সাথে প্রাইভেটকারযোগে মহাসড়কে চা খেতে গিয়েছিলাম। তখন ট্রাক জব্দের কথা জানতে পেরে এসআই বেলালকে অবহিত করলে তিনি অস্বীকার করেন। যে তিন লাখ টাকা লেনদেনের কথা হচ্ছে, আমি এ বিষয়সহ কোন কিছুই জানি না।

সদর থানার উপপরির্দশ (এসআই) মো. বেল্লাল হোসেন জানান, পলিথিনের ট্রাকটি আটক করে থানায় নিয়ে এসেছি। পরে আর কিছু জানি না। সব জানে ওসি স্যার। ওসির সাথে আপনারা কথা বলেন। এটা নিয়ে খুবই প্যারায় আছি।

সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. লোকমান হোসেন জানান, এধরণের কোন ট্রাক আটক বা জব্দ করা হয়নি। তবে রাতে মাটিবাহী একটি ট্রাক আটক করা হয়েছিল। থানায় চর্তুদিকে সিসি ক্যামেরা লাগানো আছে। থানায় আনার পর সেই ট্রাক ছাড়ার সুযোগ নেই। হয়ত ভুলভাবে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মো. শরফুদ্দীন জানান, সুর্নিদিষ্ট অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. মার্চ ২০২৪ ০৬:৩৬:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ছিনতাইকালে আটক ২ পুলিশ সদস্যের রিমান্ড মঞ্জুর - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ছিনতাইকালে আটক ২ পুলিশ সদস্যের রিমান্ড মঞ্জুর

একতার কণ্ঠঃ ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের মির্জাপুরে ছিনতাইকালে দুই কনস্টেবলকে গ্রেপ্তারের পর দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) সকালে তাদের আদালতে পাঠালে বিচারক দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) বিকেলে মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রেজাউল করিম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এরআগে সোমবার রাত পৌনে ১০টার দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের উপজেলার ধেরুয়া এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় ওই রাতেই তাদের দুজনকেই সাময়িক বহিষ্কার করে মানিকগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ গোলাম আজাদ খান।

গ্রেপ্তারকৃত দুই পুলিশ কনস্টেবল হলেন, সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার কোদালিয়ার ময়নাল হকের ছেলে মো. মোহসীন মিয়া এবং টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার মিরিকপুর গ্রামের কৈলা রাজবংশীর ছেলে রিপন রাজবংশী। এই দুই কনস্টেবল মানিকগঞ্জ জেলার দৌলতপুর থানায় কর্মরত আছেন। ইতোমধ্যে তাদেরকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করেছে মানিকগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ গোলাম আজাদ খান।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মহাসড়কের উপজেলার ধেরুয়া ফ্লাইওভার ব্রিজের দক্ষিণ পাশে একটি পিকআপকে থামার সিগন্যাল দেয় তারা। এ সময় চালক ও হেলপারকে গাড়ি থেকে নামিয়ে পাশেই দেওহাটা পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে গিয়ে মামলার ভয় দেখিয়ে ১১ হাজার ৫৫০ টাকা ছিনিয়ে নেয়। পরে চালক ও হেল্পারদের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে গিয়ে ওই দুই পুলিশ সদস্যদের ধরে ফেলে। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৩০ হাজার ২১০ টাকা, একটি মোটরসাইকেল, একটি হ্যান্ডকাফ, পুলিশের পোশাক ও বেল্ট উদ্ধার করা হয়।

ওই রাতেই মধুপুর উপজেলার পিকআপ চালক রানা বাদী হয়ে ওই দুই পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রেজাউল করিম জানান, এই ঘটনায় পিকআপ চালক বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। তাদেরকে আদালতে পাঠানোর পর দুই দিনের রিমান্ডে আনা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. মার্চ ২০২৪ ০২:৩৮:এএম ৩ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।