/ হোম / অপরাধ
টাঙ্গাইলে লাইসেন্স না থাকায় ২টি ক্লিনিক সিলগালা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে লাইসেন্স না থাকায় ২টি ক্লিনিক সিলগালা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে লাইসেন্স না থাকায় ২টি ক্লিনিক সিলগালা ও মালিকদের ৪৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

রবিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পৌর শহরের দেওলা ও সাবালিয়া এলাকায় অবস্থিত ফেয়ার হসপিটাল ও রেহানা মর্ডান হসপিটালে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানটি পরিচালনা করেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেড হাসান বিন মোহাম্মদ আলী।

হাসান বিন মোহাম্মদ আলী জানান, কোন বৈধ কাগজপত্র না থাকায় শহরের নতুন দেওলা ও সাবালিয়া এলাকায় অবস্থিত ফেয়ার হসপিটাল ও রেহানা মর্ডান হসপিটাল সিলগালা করা হয়।

তিনি আরও জানান, ফেয়ার হসপিটালের তিন মালিককে ৫ হাজার টাকা করে ১৫ হাজার টাকা ও রেহানা মর্ডান হসপিটাল মালিককে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।

এসময় জেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. শরিফুল ইসলামসহ আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিল।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৬. ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ০১:০৯:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে প্রবাসীর স্ত্রীসহ দুজনের লাশ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে প্রবাসীর স্ত্রীসহ দুজনের লাশ উদ্ধার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে পৃথক ঘটনায় প্রবাসীর স্ত্রীসহ দুজনের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এরমধ্যে শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার সাগরদিঘী এলাকার হাইস্কুল সংলগ্ন একটি ভাড়া বাসা থেকে মিনা আক্তার (৩৫) নামে এক প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

নিহত মিনা আক্তার বেইলা এলাকার সৌদি আরব প্রবাসী খসরু মিয়ার স্ত্রী। সে স্থানীয় আইনউদ্দিন কাজী নামে এক ব্যক্তির বাসায় ভাড়া থাকতেন।

সাগরদিঘী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ভিক্টর ব্যানার্জী বলেন, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘর থেকে ওই গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তবে আত্মহত্যার কোনো কারণ জানা যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

অন্যদিকে, পৌরসভার খরাবর এলাকায় স্ত্রীর হাত-পা বেঁধে তার সামনেই গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন আহাদ (২৮) নামে এক যুবক। শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮ টার দিকে পৌরসভার খরাবর এলাকায় আলিম উদ্দিনের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত আহাদ নাটোর জেলার লালপুল থানার যুগাদা ইশ্বরদী গ্রামের ইউনুছ আলীর ছেলে। তিনি ‘আর এফ এল‘ কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধি এবং পৌরসভার খরাবর এলাকায় আলিম উদ্দিনের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তাদের পারিবারিক কলহের জের ধরেই শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে আহাদ তাদের থাকার ঘরে দরজা দিয়ে স্ত্রী লিমা খাতুনের হাত পা চেয়ারের সাথে বেঁধে স্ত্রীর সামনেই সিলিং ফ্যানের সাথে গলায় রশি দিয়ে ঝুলে পড়েন। এ সময় লিমা খাতুনের চিৎকারে স্থানীয়রা দরজা ভেঙ্গে আহাদকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘাটাইল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রফিকুল ইসলাম জানান, কী কারণে আহাদ আত্মহত্যা করতে পারে তা জানা যায়নি। তদন্ত করে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

উভয়ের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৫. ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ০২:০৬:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে গ্যারেজ থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে গ্যারেজ থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে নাহিদ হাসান (২৩) নামে এক গ্যারেজ মিস্ত্রীর লাশ উদ্ধার করেছে ঘাটাইল থানা পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার জামুরিয়া ইউনিয়নের বীর ঘাটাইল এলাকার একটি মোটরসাইকেল গ্যারেজ থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত নাহিদ উপজেলার দেউলাবাড়ি ইউনিয়নের পোয়াকোলাহা গ্রামের ধলা মিয়ার ছেলে। তিনি স্থানীয় মেসার্স মনির ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ নামে একটি গ্যারেজের মিস্ত্রী ছিলেন।

স্থানীয় একটি দোকানের কর্মচারী সাজ্জাদ হোসেন বলেন, সকালে ভেকুর কাজ করছিলাম। নাট খোলার জন্য একটি যন্ত্রের প্রয়োজন হয়। নাহিদের গ্যারেজ বন্ধ দেখে দোকানের কাছে গিয়ে ডাকাডাকি করি। কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে হঠাৎ খেয়াল করে দেখি গ্যারেজের একটি শার্টার সামান্য উঠানো। শার্টার পুরোটা উঠিয়ে নাহিদের কাছে গিয়ে ডাক দিলে সাড়া মেলেনি। শরীরে হাত দিয়ে ধাক্কা দিলে শরীর শক্ত লাগে। এরপর আশেপাশের লোকদের ডাক দিলে তারা এসে দেখেন নাহিদ মারা গেছেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে।

গ্যারেজ মালিক মনির হোসেন ব্যবসার কাজে চট্টগ্রামে অবস্থান করছেন। তার বড় ভাই মনসুর আলী বলেন, নাহিদ তিন মাস ধরে এই গ্যারেজে কাজ করছেন। ঘটনাস্থলে দেখা যায় মোটরসাইকেলের লুকিং গ্লাস ও নম্বর প্লেট পড়ে আছে।

স্থানীয়দের ধারণা, রাতের কোনো এক সময় চোর মোটরসাইকেল চুরি করে নেওয়ার সময় নাহিদ দেখে ফেলায় তাকে হত্যা করা হতে পারে।

ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আবু ছালাম মিয়া জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটা স্বাভাবিক মৃত্যু নয়। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৩. ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ০২:৫০:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে এসএসসি পরীক্ষায় নকল সরবরাহের চেষ্টা, দুইজনকে কারাদণ্ড - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে এসএসসি পরীক্ষায় নকল সরবরাহের চেষ্টা, দুইজনকে কারাদণ্ড

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে এসএসসি পরীক্ষায় নকল সরাবরাহের সময় হাতে নাতে ধরা পড়ায় দুইজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড প্রদান করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) এলেঙ্গা পৌরসভা এলাকায় পরীক্ষা চলাকালে কেন্দ্রের বাইরে থেকে নকল সরবরাহের চেষ্টাকালে আল আমিনকে ২১ দিন ও মহির উদ্দিনকে ৭ দিনের কারাদণ্ড প্রদান করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ সিফাত বিন সাদেক।

এ প্রসঙ্গে মোহাম্মদ সিফাত বিন সাদেক জানান, এলেঙ্গা পৌরসভা এলাকায় পরীক্ষা চলাকালে কেন্দ্রের বাইরে থেকে নকল সরবরাহের চেষ্টাকালে ওই দুইজন ব্যক্তিকে নকল সহ হাতেনাতে ধরা হয়। পরে তাদের নিকট নকল সরবরাহের উপকরণ পাওয়া যায় এবং তারা অপরাধ স্বীকার করেন। এসময় একজনকে ২১ দিন এবং অপরজনকে ৭ দিনের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, পরীক্ষায় যে কোনও ধরনের বিশৃঙ্খলা এবং অসদোপায় প্রতিরোধ ও কেন্দ্রের ভেতর এবং বাইরের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রশাসন সচেষ্ট আছে। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ০৩:৫০:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে শিক্ষক হত্যাকান্ড: আসামিদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে শিক্ষক হত্যাকান্ড: আসামিদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে পাওনা টাকা ফেরত দেওয়ার কথা বলে বাড়িতে ডেকে নিয়ে মাদ্রাসা শিক্ষক আব্দুল হক মাস্টারকে পরিকল্পিভাবে হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীন ভূঞাপুর উপজেলা শাখার উদ্যোগে উপজেলা পরিষদের সামনে ঘণ্টাব্যাপী এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।

মানববন্ধন শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও’র) মাধ্যমে জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি দেওয়া হয়। এর আগে পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিক্ষোভ ও মিছিল করে শিক্ষকরা।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন – ‘পরিকল্পিতভাবে শিক্ষক আব্দুল হক মাস্টারকে হত্যা করা হয়েছে। নৃশংস এই হত্যার ঘটনাটি ভিন্ন খাতে নেওয়ার জন্য একটি মহল পাঁয়তারা করছে। আমরা আমাদের সহকর্মী শিক্ষক আব্দুল হক মাস্টার হত্যার কঠোর শাস্তিসহ আসামিদের ফাঁসির দাবি জানাচ্ছি।’

উপজেলা মাদ্রাসা শিক্ষক সমিতির সভাপতি আফসার আলীর সভাপতিত্বে সেখানে বক্তব্য রাখেন – উপজেলা চেয়ারম্যান নার্গিস বেগম, শিক্ষক আব্দুস ছোবহান, আব্দুর রউফ তালুকদার, নূরুল হুদা, আতিকুর রহমান, শরিফুল ইসলাম, নূরুন্নবী, মাহবুব আলম ও মাজহারুল ইসলাম তালুকদার প্রমুখ।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) উপজেলার নিকড়াইল ইউনিয়নের সারপলশিয়া গ্রামের শিক্ষক আব্দুল হক মাস্টার নিখোঁজ হন। মূলত, ওই সময় আসামি জাহানারা ওরফে জয়নব বেগম ও তার স্বামীসহ কয়েকজন মিলে শিক্ষক আব্দুল হককে হত্যা করে ঘরের সামনে বালুচাপা দিয়ে রাখে।

এরপর শুক্রবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাহানারার বাড়ি থেকে ওই শিক্ষকের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় ওই রাতে শিক্ষককের স্ত্রী আয়েশা খাতুন বাদী হয়ে ভূঞাপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এ হত্যাকাণ্ডের আসামিরা হলেন – জাহানারা ওরফে জয়নব বেগম, তার স্বামী আব্দুল বারেক, প্রতিবেশী ছবুর ও জাকির।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ০৩:১৯:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ট্রাক চালক হত্যার ঘটনায় ৬ জন গ্রেপ্তার ২ জনের স্বীকারোক্তি - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ট্রাক চালক হত্যার ঘটনায় ৬ জন গ্রেপ্তার ২ জনের স্বীকারোক্তি

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে ট্রাক চালক নাজমুল ইসলাম ওরফে আজিজুল ইসলাম (৩৫) খুনের ঘটনায় ৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এদের মধ্যে সাদ্দাম হোসেন (৩৪) ও নাদিম খান (৩১) নামে দুজন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মির্জাপুর থানায় এক প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে এই তথ্য জানান অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রেজাউল করিম।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, উপজেলা সদরের বাইমহাটি মাস্টারপাড়ার আবু সাঈদ খানের ছেলে নাদিম (৩১), লতিফপুর ইউনিয়নের ত্রিমোহন বান্দরমারা গ্রামের পাষান খানের ছেলে সাদ্দাম (৩৪), বাইমহাটী গ্রামের মৃত সামাদ আলীর ছেলে মো. ইয়াসিন (২৩), বাগজান গ্রামের মৃত নুরুল হকের ছেলে লাভলু মিয়া (৩১), বাইমহাটী গ্রামের বাদশা মিয়ার ছেলে ফজল মিয়া (৩৯) সিংজুরী গ্রামের বোরহান মিয়ার ছেলে মো. সোহেল (৩২)।

প্রেস বিফংয়ে জানানো হয়, শুক্রবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ট্রাকচালক আজিজুল ও তার শ্যালক ট্রাকের হেলপার আবু তালেব নারায়ণগঞ্জ থেকে ট্রাকে ভুট্টা ভর্তি করে বগুড়ার উদ্দেশ্যে রওনা হন। পথে রাত ১টার দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের মির্জাপুর বাইপাস এলাকার মা সিএনজি স্টেশনের কাছে পৌঁছালে মহাসড়কে একটি বস্তা পড়ে থাকতে দেখেন। এসময় ট্রাক থামিয়ে চালকের সহকারী পড়ে থাকা বস্তা সরাতে গেলে ১০-১২ জন দেশীয় অস্ত্রধারী এসে তাকে ঘিরে ফেলেন। অস্ত্রধারীরা তার সঙ্গে থাকা ১৮ হাজার টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয় এবং মারপিট করেন। এসময় দৌড়ে সহায়তা পেতে চিৎকার করতে থাকেন। এদিকে অস্ত্রধারীরা ট্রাকে উঠে চালকের বুকে ছুরিকাঘাত করে। হেলপারের আত্মচিৎকারে আশপাশের লোকজন ও পুলিশের টহল দল এগিয়ে গেলে অস্ত্রধারী ডাকাতদল পালিয়ে যায়। পরে আহত চালককে উদ্ধার করে মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে তার মৃত্যু হয়।

এই ঘটনায় মির্জাপুর থানায় শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে ট্রাকের হেলপার আবু তালেব মামলা করে। মামলা নথিভূক্ত হওয়ার তিন ঘন্টার মধ্যে ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের দেয়া তথ্যে রবিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ও সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) পোষ্টকামুরী, বাইমহাটী, দেওহাটা ও মির্জাপুর বাজার এলাকা থেকে বাকি চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এদিকে গ্রেপ্তারকৃত সাদ্দাম ও নাদিম রবিার (১৮ ফেব্রয়ারী) আদালতে ট্রাকচালককে খুনের কথা স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছে। গ্রেপ্তার অন্য চারজনকে সোমবার সাতদিনের রিমান্ড আবেদন করে টাঙ্গাইল কোর্টে প্রেরন করা হয়।
এই খুনের ঘটনার সঙ্গে জড়িত সাতজনের মধ্যে ছয়জনকে গ্রেপ্তর করা হয়েছে এবং অন্য একজনকেও গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে বলে জানান তিনি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ০২:৪৫:এএম ৩ বছর আগে
অনুমোদন ছাড়াই টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল চত্বরে বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণ - Ekotar Kantho

অনুমোদন ছাড়াই টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল চত্বরে বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল চত্বরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সম্মতি ছাড়াই দোকান নির্মাণে জায়গা বরাদ্দ দিয়েছে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটি। ইতিমধ্যে একতলা ভবনের নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে। শেষ মুহূর্তে পলেস্তারার কাজ চলছে।

হাসপাতাল চত্বরে দোকান নির্মাণে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকেও অনুমোদন মেলেনি। এরপরও ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি সংসদ সদস্য আলহাজ্ব ছানোয়ার হোসেনসহ কমিটির প্রভাবশালী সদস্যরা জায়গা বরাদ্দ দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, হাসপাতাল চত্বরে দোকান নির্মাণে জায়গা বরাদ্দ দিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অনুমতি দেননি। এরপরও ব্যবস্থাপনা কমিটি অনুমতি দিয়েছে। হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক সভার কার্যবিবরণীতে স্বাক্ষরও করেননি।

তবে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন বলেন, ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় রেজল্যুশন করে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বরাদ্দ দিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের অনুমোদন লাগে না। এটা ব্যবস্থাপনা কমিটির এখতিয়ার।

হাসপাতাল সূত্র জানায়, সাড়ে ২৬ একর জমির ওপর নির্মিত টাঙ্গাইল ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল চত্বরেই শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ১৫ তলা ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। এ ছাড়া হাসপাতাল চত্বরে মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুল, নার্সিং ইনস্টিটিউটসহ স্বাস্থ্য বিভাগের বিভিন্ন স্থাপনা আছে।

ব্যবস্থাপনা কমিটির একাধিক সদস্য জানান, শিলা আনসারী নামের এক ব্যবসায়ী হাসপাতাল চত্বরে জায়গা বরাদ্দ চেয়ে ব্যবস্থাপনা কমিটির কাছে একটি আবেদন করেন। তিনি সেখানে এজেন্ট ব্যাংকের একটি শাখা, এটিএম বুথ ও স্বাস্থ্য–সম্পর্কিত পণ্যের দোকান করবেন বলে আবেদনে উল্লেখ করেন। হাসপাতালের উপপরিচালক বিষয়টি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে জানান। কিন্তু মহাপরিচালক হাসপাতালের ভেতরে দোকান করতে জায়গা বরাদ্দের অনুমতি দেননি। এরপরও গত ১৩ নভেম্বর এক সভায় শিলা আনসারীর নামে ৭৫০ বর্গফুট জায়গা বরাদ্দ দেন কমিটির সদস্যরা।

বরাদ্দের চুক্তিপত্রে দেখা যায়, বরাদ্দ পাওয়া ব্যক্তিকে ১১ লাখ ২৫ হাজার টাকার মধ্যে পাকা স্থাপনা নির্মাণ করে নিতে বলা হয়েছে। ১২ বছর মেয়াদের চুক্তিতে মাসিক ভাড়া ধরা হয়েছে ২০ হাজার টাকা। তিন বছর পরপর শতকরা ১০ ভাগ ভাড়া বাড়ানোর কথা উল্লেখ আছে। ভাড়ার শতকরা ১০ ভাগ হাসপাতাল মসজিদের উন্নয়নে, ৩০ ভাগ রোগী কল্যাণ সমিতিতে, ২০ ভাগ হাসপাতাল কর্মচারী সমিতিতে ও ৪০ ভাগ হাসপাতালের উন্নয়নে ব্যয় করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. খন্দকার সাদিকুর রহমান বলেন, ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় দোকানের জায়গা বরাদ্দ দেওয়ার প্রস্তাব এসেছিল। তখন তিনি তাঁদের জানিয়ে দেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের অনুমতি ছাড়া জায়গা বরাদ্দ দেওয়া বিধিসম্মত হবে না। এরপরও তাঁরা বরাদ্দ দিয়েছেন। এ জন্য তিনি সভার কার্যবিবরণীতে স্বাক্ষর করেননি।

ব্যবস্থাপনা কমিটির একাধিক সদস্য ও হাসপাতাল-সংশ্লিষ্ট অন্তত পাঁচজন অভিযোগ করেছেন, ওই জায়গা বরাদ্দ দিতে কমিটির কয়েকজন প্রভাবশালী সদস্যকে বড় অঙ্কের উৎকোচ দেওয়া হয়েছে। এ জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন না থাকলেও তাঁরা বিধিবহির্ভূতভাবে জায়গা বরাদ্দ দিয়েছেন।

ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনসারী বলেন, এ বিষয়ে আমি কিছুই জানি না।

আরেক সদস্য টাঙ্গাইল পৌরসভার কাউন্সিলর আসাদুজ্জামান বলেন, বরাদ্দের ব্যাপারে আমি কিছু জানি না। দিয়েছেন এমপি ও মেয়র সাহেব।

বৈধভাবে জায়গা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করে মেয়র এস.এস সিরাজুল হক আলমগীর বলেন, সবার উপস্থিতিতে রেজল্যুশন করা হয়েছে। বরাদ্দের জায়গা বুঝিয়ে দেওয়ার সময় হাসপাতালের উপ-পরিচালক, গণপূর্ত বিভাগের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। উৎকোচ গ্রহণের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, কেউ নিয়েছেন কি না, আমি জানি না।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ০৩:৩৮:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে নিখোঁজের ১৭ দিন পর প্রবাসীর মরদেহ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে নিখোঁজের ১৭ দিন পর প্রবাসীর মরদেহ উদ্ধার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে নিখোঁজের ১৭ দিন পর মকবুল হোসেন নামে এক প্রবাসীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কালিহাতী উপজেলার পারখী এলাকার একটি বিলে পুঁতে রাখা অবস্থায় প্রবাসীর মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত মকবুল হোসেন কালিহাতী উপজেলার পারখী এলাকার কিসলু মিয়ার ছেলে।

এ বিষয়ে কালিহাতী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মনিরুজ্জামান শেখ জানান, প্রবাসী মকবুল গত আড়াই মাস আগে দেশে আসেন। দেশে আসার পর মকবুলকে তার নিজ বাড়িতে থাকতে না দেওয়ায় শ্বশুরবাড়ি সখীপুরে বসবাস শুরু করেন। গত ২৬ জানুয়ারি মকবুল বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর থেকে তাকে খুঁঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না।

তিনি আরও জানান, খুঁজে না পেয়ে তার শ্বশুরবাড়ি থেকে সখীপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। সোমবার দুপুরে স্থানীয় লোকজন পারখী এলাকার একটি বিলে পুঁতে রাখা অবস্থায় এক ব্যক্তির মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করার পর স্বজনরা মকবুল হোসেনকে সনাক্ত করে।

তিনি জানান, পুলিশ মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ০২:৫২:এএম ৩ বছর আগে
অবশেষে সেই স্কুল শিক্ষিকা শিলাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ - Ekotar Kantho

অবশেষে সেই স্কুল শিক্ষিকা শিলাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

একতার কণ্ঠঃ টানা ছয় মাস অনুপস্থিত স্কুল শিক্ষিকা জেবুন নাহার শিলাকে অবশেষে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) টাঙ্গাইল জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সুব্রত কুমার বণিক ওই শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করেন।

নোটিশে আগামী ৭ কর্মদিবসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে।

নোটিশে বলা হয়েছে, জেবুন নাহার শিলা গত বছরের ১০ জুলাই থেকে ৯ অক্টোবর পর্যন্ত তিন মাসের চিকিৎসা ছুটিতে ছিলেন। একই বছরের ১০ অক্টোবর থেকে চলতি বছরের ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত পুনরায় তিন মাসের চিকিৎসা ছুটির আবেদন করেন। নিয়ম অনুযায়ী, স্বাস্থ্যগত কারণে তিন মাসের অধিক ছুটির ক্ষেত্রে মেডিকেল বোর্ডের সনদ প্রয়োজন। মেডিকেল বোর্ডের সনদের জন্য ওই শিক্ষকের আবেদনপত্র টাঙ্গাইল সিভিল সার্জন কার্যালয়ে পাঠানো হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ওই শিক্ষককে বিগত সময়ের চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ও কাগজপত্র মেডিকেল বোর্ডে পাঠাতে চিঠি দেয় সিভিল সার্জন কার্যালয়। কিন্তু প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা না দিয়ে বোর্ডে অনুপস্থিত রয়েছেন শিক্ষক জেবুন নাহার শিলা।

এরআগে সখীপুর ইউএনওর নির্দেশে গত ১৬ ও ২৯ জানুয়ারি উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ওই শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেন।

এ বিষয়ে শুক্রবার (৯ ফেব্রুয়ারি) টাঙ্গাইল জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সুব্রত কুমার বণিক জানান, ওই শিক্ষকের চিকিৎসা ছুটির আবেদন জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ে পাঠানো হয়। কিন্তু মেডিকেল বোর্ড প্রয়োজনীয় কাগজপত্র চাইলে জমা দেননি শিক্ষক শিলা। ফলে ওই শিক্ষক চিকিৎসা ছুটি পাননি। এ কারণে সিভিল সার্জন কার্যালয় কাগজপত্র ফেরত পাঠিয়েছে। বৃহস্পতিবার তাঁকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলার প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে।

উল্লেখ্য, জেবুন নাহার শিলা ২০২৩ সালের ২৪ জানুয়ারি সখীপুর উপজেলার পশ্চিম কালিদাস পানাউল্লা পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে যোগদান করেন। তিনি ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও ইডেন মহিলা কলেজ ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ০২:২৪:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বিল থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বিল থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের অলোয়া তারিনী এলাকায় নিখোঁজের একদিন পর বিল থেকে গলায় রশি পেঁচানো অবস্থায় রাসেল মিয়া (১২) নামে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

বুধবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে স্থানীয় অলোয়া বিলের ধান ক্ষেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে টাঙ্গাইল থানা পুলিশ।

রাসেল মিয়া (১২) পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের অলোয়া তারিনী এলাকার অটোরিক্সা চালক সোনা মিয়ার ছেলে।

টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) লোকমান হোসেন জানান, মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাসেল বাড়ি থেকে বের হয়। এরপর থেকে তাকে আর কোথাও খুঁজে পাওয়া যায়নি।

তিনি আরও জানান, বুধবার সকালে স্থানীয় লোকজন অলোয়া বিলের একটি ধান ক্ষেতে গলায় রশি পেঁচানো অবস্থায় রাসেলের মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

তিনি জানান, এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। ময়না তদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে। এখনও কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। আসামি গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ০৩:৩২:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ৭টি ইটভাটা বন্ধ করল পরিবেশ অধিদপ্তর, তিনটি ভাটাকে অর্থদণ্ড - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ৭টি ইটভাটা বন্ধ করল পরিবেশ অধিদপ্তর, তিনটি ভাটাকে অর্থদণ্ড

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে সাতটি অবৈধ ইটভাটার কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারি) পরিবেশ অধিদপ্তরের সদর দপ্তরের নির্বাহী পরিবেশ অধিদপ্তরের ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট সুলতানা সালেহা সুমী এ অভিযান পরিচালনা করেন।

পরিবেশ অধিদপ্তর টাঙ্গাইল জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক বিপ্লব কুমার সূত্রধর জানান, পরিবেশ ছাড়পত্রবিহীন অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩ (সংশোধিত-২০১৯) অনুযায়ী এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ঘাটাইল উপজেলার পাঁচটি পার্শ্ববর্তী কালিহাতী ও ভূঞাপুর উপজেলার দুটি ইটভাটায় অভিযান পরিচালনা করা হয়।

লাইসেন্সবিহীন সম্পূর্ণ অবৈধভাবে পরিচালিত এসব ইটভাটা মলিকদের কাছ থেকে ৩৯ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। এর মধ্যে ছয়টি ইটভাটার মালিকের প্রত্যেককে ছয় লাখ টাকা করে এবং একজন ভাটা মালিককে তিন লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এ সময় ইটভাটার কিলন ভেঙে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যদের সহায়তায় পানি দিয়ে আগুন নিভিয়ে ভাটার কার্যক্রম সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দেওয়া হয়।

অভিযান পরিচালনা করে বন্ধ করে দেওয়া ইটভাটাগুলো হলো ঘাটাইল উপজেলার সিংগুরিয়া গ্রামের সুজন ব্রিকস, সিয়াম ব্রিকস, স্বর্ণা ব্রিকস-২, মিশাল ব্রিকস ও লোকেরপাড়া গ্রামের এমএসটি ব্রিকস। কালিহাতী উপজেলার তালতলা গ্রামের একুশে ব্রিকস ও ভূঞাপুর উপজেলার ভারই গ্রামের কবির ব্রিকস।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তর টাঙ্গাইলের উপপরিচালক জমির উদ্দিন, সহকারী পরিচালক তুহিন আলম ও সহকারী পরিচালক জনাব সজীব কুমার ঘোষ প্রমুখ।

অভিযানে টাঙ্গাইল জেলার পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা উপস্থিত থেকে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেন।

জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচলক পরিচালক জমির উদ্দিন জানান, সোমবার সাতটি অবৈধ ইটভাটায় অভিযান চালিয়ে ভাটার কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পরিবেশ সুরক্ষায় টাঙ্গাইল জেলায় অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে।

এদিকে টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র না থাকায় তিনটি ইটভাটার মালিককে ১৫ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারি) জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজিয়া হোসেন ও জান্নাতুল নাঈম বিনতে আজিজের নেতৃত্বে অভিযান চালানো হয় ভাটাগুলোতে। এ সময় জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক জমির উদ্দিনসহ পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক জমির উদ্দিন জানান, পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র না থাকায় মির্জাপুরের গোড়াই সৈয়দপুর এলাকার মেসার্স আশা ব্রিকস এন্ড কোং ও মেসার্স নূরজাহান ব্রিকসকে ছয় লাখ টাকা করে এবং রানাশাল এলাকার মেসার্স হাকিম এন্টার প্রাইজকে তিন লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩ (সংশোধিত)-২০১৯ অনুযায়ী ইটভাটা পরিচালনার জন্য মালিকদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৬. ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ০৩:১৪:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে গলায় ফাঁস দিয়ে প্রবাসীর স্ত্রীর আত্মহত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে গলায় ফাঁস দিয়ে প্রবাসীর স্ত্রীর আত্মহত্যা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে গলায় ফাঁস দিয়ে এক প্রবাসীর স্ত্রীর আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার বেকড়া ইউনিয়নের বারাপুষা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

নিহতের নাম নাহার বেগম (২০)। সে ওই গ্রামের প্রবাসী মো: আলম মিয়ার স্ত্রী।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকালে নাহার বেগম গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। স্থানীয়রা বিষয়টি জানতে পেরে লাশটি উদ্ধার করে। পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. সাফিয়া আক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নাগরপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মতিউর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মেয়েটির স্বামী প্রবাসী এবং তাদের বিয়ে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে হয়েছিল। তবে প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি ‘আত্মহত্যা’ বলেই ধারণা করা হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৬. ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ০৩:০২:এএম ৩ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।