একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে প্রেমিক বিয়ে করতে রাজী না হওয়ায় নবম শ্রেণির ছাত্রী রিয়া আক্তার (১৭) নামে এক কিশোরী গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে।
শুক্রবার (১১ নভেম্বর)সকালে তার নানা বাড়ী উপজেলার তক্তারচালা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত রিয়া বোয়ালী গ্রামের প্রবাসী রিপন মিয়ার মেয়ে।
জানা যায়, রিয়া আক্তার উপজেলার তক্তারচালা গ্রামে তার নানা ফয়েজ আলীর বাড়িতে থেকে স্থানীয় একটি স্কুলে নবম শ্রেণীতে লেখাপড়া করতো।
সম্প্রতি ক্লাসেরই এক ছেলের সাথে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। রিয়ার পরিবার বিষয়টি জানার পর অন্যত্র তার বিয়ে ঠিক করে। রিয়া তার প্রেমিককে বিয়ে করার জন্য চাপ দিলে ছেলেটি বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানায়। অভিমানে শুক্রবার সকালে তার ঘরের আড়ার সাথে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে।
এ ব্যাপারে সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ রেজাউল করিম জানান, এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ: টাঙ্গাইলে মাদক পাচারের দায়ে চার ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। রায়ে দণ্ডিতদের ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন মাস করে কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (০৯ নভেম্বর)দুপুরে টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ সুরুজ সরকার এ আদেশ দেন।
দণ্ডিত ব্যক্তিরা হলেন- ঢাকা মহানগরীর ছোট দিয়াবাড়ী এলাকার আব্দুল হাকিমের ছেলে মাহমুদুল হাসান ওরফে পিয়াস, সাভারের বেগুনবাড়ী এলাকার আমজাত আলীর ছেলে খোরশেদ আলম, পাবনা সদর উপজেলার শিবপুর গ্রামের মোশারফ শেখের ছেলে ইকবাল শেখ ও মনোহোরপুর গাছপাড়া গ্রামের নজরুল ইসলাম শেখের ছেলে হারুন অর রশিদ শেখ।
টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত সরকারি কৌশুলী মনিরুল ইসলাম খান জানান, ২০১৯ সালের ২৬ অক্টোবর র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) একটি দল টাঙ্গাইল শহরের বাইপাসের রাবনা মোড়ে দুটি ট্রাকে তল্লাশি চালায়। এ সময় একটি ট্রাক থেকে ৯৮৬ বোতল এবং অপর একটি ট্রাক থেকে ৯৫৭ বোতল ফেনসিডিল জব্দ করা হয়।
পরে দুই ট্রাকে থাকা চার জনকে আটক করা হয়।
এরপর জিজ্ঞাসাবাদে দণ্ডিত মাহমুদুল হাসান র্যাবকে জানান, চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনা মসজিদ সীমান্ত থেকে তারা এসব ফেনসিডিল সংগ্রহ করেন। পরে দুই ভাগে ভাগ করে দুইটি ট্রাকে লুকিয়ে ঢাকায় নিয়ে যাচ্ছিলেন।
এ ঘটনায় র্যাবের অতিরিক্ত সহকারি পরিচালক শাহিনুল আলম মিয়া বাদি হয়ে ওই দিনই টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জাকির হোসেন ২০১৬ সালের ৮ ডিসেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। মামলায় ১০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত রায় দেন।
রায় ঘোষণার সময় দণ্ডিত চার জনই আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাদের টাঙ্গাইল কারাগারে পাঠানো হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রীকে অপহরণের পর ধর্ষণের দায়ে দু’টি ধারায় আলাদাভাবে আলমগীর হোসেন (৩৬) নামে এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার (০৯ নভেম্বর) সকালে টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক খালেদা ইয়াসমিন এ রায় দেন।
সেই সঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
দণ্ডপ্রাপ্ত আলমগীর টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ভুটিয়া গ্রামের আবু হানিফের ছেলে।তিনি বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।
টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট আলী আহমেদ এবং এপিপি মোহাম্মদ আব্দুল কুদ্দুস জানান, ২০০৮ সালের ৭ সেপ্টেম্বর সকালে শিশুটি স্কুলে যায়।সেখান থেকে শিশুটিকে অপহরণ করে আলমগীর তার মামার বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ করেন। পরদিন ৮ সেপ্টেম্বর ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে আলমগীর হোসেনের নামে গোপালপুর থানায় মামলা করেন।
মামলার তদন্ত শেষে ২০০৮ সালের ১৮ ডিসেম্বর গোপালপুর থানার সেই সময়ের উপপরিদর্শক (এসআই) তাজাম্মেল হক একমাত্র আসামি আলমগীর হোসেনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী/০৩) এর ৭ ধারা এবং ৯(১) ধারায় আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।
শুনানি শেষে অভিযোগ প্রমাণ হওয়ায় বুধবার এ দু’টি ধারায় আলাদাভাবে আসামিকে সাজা দেন আদালত। তবে উভয় অপরাধের সাজা একসঙ্গে চলবে বলেও বিচারক তার রায়ে উল্লেখ করেন। আসামি হাজতবাসের পর জামিনে মুক্তি পেয়ে আত্মগোপন করেছেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ট্রেনের ধাক্কায় প্রাইমারি টিচার্স ট্রেনিং ইন্সটিটিউটের উপজেলা রিসোর্স সেন্টারের ইন্সট্রাক্টর আব্দুস ছোবাহান (৪২) নিহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (৮ নভেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ঘারিন্দা রেলস্টেশন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
তিনি প্রাইমারি টিচার্স ট্রেনিং ইন্সটিটিউটের সদর উপজেলায় রিসোর্স সেন্টারের ইন্সট্রাক্টর হিসেবে কর্মরত ছিলেন বলে জানিয়েছেন প্রাইমারি টিচার্স ট্রেনিং ইন্সটিটিউটের সুপারিন্টেনডেন্ট (চলতি দায়িত্ব) অমল চন্দ্র সরকার।
ঘারিন্দা রেলস্টেশনের স্টেশন মাস্টার নাজমুল হুদা বকুল জানান, মঙ্গলবার দুপুরে আব্দুস ছোবাহান সদর উপজেলার ঘারিন্দা রেলস্টেশনের বসে ছিলেন।সেখান থেকে উঠে চলে যাওয়ার সময় ঢাকাগামী সিল্ক সিটি ট্রেনের সঙ্গে ধাক্কা লাগে।
গুরুত্বর আহত অবস্থায় তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগে দ্বিতীয় দফায় সভাপতি হলেন ফজলুর রহমান খান ফারুক। সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের। আগামী তিন বছরের জন্য এ কমিটি গঠন করা হয়েছে।
সোমবার (৭ নভেম্বর) বিকেলে ত্রিবার্ষিক সম্মেলনের দ্বিতীয় পর্বে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক এ কমিটি ঘোষণা করেন।
সম্মেলনে সভাপতি পদে চারজন ও সাধারণ সম্পাদক পদে সাতজন প্রার্থী আবেদন করেন।
সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
বিশেষ অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শাহজান খান, আব্দুর রহমান, কামরুল ইসলাম, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ এবং শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।
সম্মেলন সঞ্চালনা করেন টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর) আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জোয়াহের ইসলাম জোয়াহের।
একতার কণ্ঠঃ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি আজ জনগণকে সরকার পতনের উস্কানি দিচ্ছে। বিএনপি নেতারা ১৩ বছরে ১৩ মিনিটও আন্দোলন করতে পারেনি। শেখ হাসিনার উদারতায় বেগম জিয়া আজ মুক্ত। আপনারা পারেননি বেগম জিয়ার জন্য একটা মিছিলও করতে।
সোমবার(৭ নভেম্বর) বিকেলে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে জেলা স্টেডিয়ামে এ কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘বিএনপি ১৩ বছরে পারেনি, এখন সরকার পরিবর্তনের আন্দোলন করবে, বিজয় মিছিল করবে। খালেদা জিয়াকে নিয়ে ১০ ডিসেম্বর নাকি বিজয় মিছিল করবে। তারেক রহমানকে নাকি বিপ্লবের মাধ্যমে হঠাৎ ঢাকায় নিয়ে আসবে। এয়ারপোর্টে দাওয়াত দিচ্ছে। তারেক রহমান মুচলেকা দিয়ে পালিয়ে গিয়েছিল আর রাজনীতি করবে না। হারানো ক্ষমতা ফিরে পেতে তারেক রহমানের নেতৃত্বে আন্দোলন চলছে। আসলে কী, হারানো হাওয়া ভবন ফিরে পেতে আজকে আন্দোলন চলছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘তারা ১০ ডিসেম্বর ডাক দিয়েছে। ঢাকা শহরে যদি আমরা ডাক দেই, বাইরের লোক লাগবে না। শেখ হাসিনা ডাক দিলে লাখ লাখ মানুষ হাজির হবে। আপনি দশ লাখ বলছেন, দশ লাখ করার ক্ষমতা আপনাদের নেই, চট্টগ্রামে প্রমাণ হয়ে গেছে। আমরাই লাখ লাখ লোকের জমায়েত করতে পারব। ঢাকা সিটির অলি-গলিও খালি থাকবে না।’
‘আমরা যদি রাজপথে অবস্থান নেই, ঢাকা শহরে বিএনপি পালাবার পথ পাবে? পালানোর দল আওয়ামী লীগ নয়। পালানোর দল হচ্ছে বিএনপি। খেলার জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে। বাঁশের লাঠিতে পতাকা বেঁধে রাস্তায় নামবেন, খবর আছে। জাতীয় পতাকা বাঁশের লাঠিতে লাগাবেন, এটা আমরা হতে দেব না,’ তিনি যোগ করেন।
সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন- আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক, প্রেসিডিয়াম সদস্য আব্দুর রহমান, সাবেক মন্ত্রী শাহজাহান খান, অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ, মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, আব্দুস সোবাহান গোলাপ, মির্জা আজম, শামছুন্নাহার চাপা।
উল্লেখ্য, সর্বশেষ টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০১৫ সালে। সেবার ফজলুর রহমান খান ফারুক এবং জোয়াহেরুল ইসলামকে সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক করা হয়। এবারও সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক পদে তাদের বহাল রাখা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের কালিহাতি উপজেলার আনালিয়াবাড়ি এলাকায় বাসচাপায় নারীসহ দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন।
রোববার (৬ নভেম্বর) রাত ৮টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে নিহতের পরিচয় পাওয়া না গেলেও ধারণা করা হচ্ছে নিহতরা স্বামী-স্ত্রী।
বঙ্গবন্ধু সেতু পুর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম জানান, রাতে মোটরসাইকেলযোগে এক নারী ও পুরুষ উত্তরবঙ্গের দিকে যাচ্ছিল। এ সময় পিছন থেকে একটি দ্রুতগতির যাত্রীবাহী বাস তাদের চাপা দিয়ে চলে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তাদের দুই জনের মৃত্যু হয়।
তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে নিহতরা স্বামী-স্ত্রী। নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। সকালে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হবে। ময়নাতদন্ত শেষে স্বজনরা এলে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ আগামী কাল সোমবার (৭ নভেম্বর)দীর্ঘ ৭ বছর পর টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
টাঙ্গাইল জেলা স্টেডিয়ামে আয়োজিত এই সম্মেলনে আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।
ইতিমধ্য সম্মেলনকে ঘিরে পদ প্রত্যাশিদের ব্যানার-ফেস্টুনে ছেয়ে গেছে টাঙ্গাইল জেলার সড়ক-মহাসড়ক, শহরের অলি-গলি, গুরুত্বপূর্ণ মোড় ও সম্মেলন স্থানের আশপাশ। শহরের প্রধান প্রধান সড়কে শোভা পাচ্ছে তোরণ।
নেতা-কর্মীদের উৎসাহ উদ্দীপনায় শহরের মুদি দোকান থেকে চা-স্টল পর্যন্ত সর্বত্রই সম্মেলন ঘিরে আলোচণা-সমালোচনার ঝড় বইছে।
কারা পাচ্ছেন জেলার নতুন নেতৃত্ব- সেই প্রশ্ন সবার মুখে মুখে। কে হচ্ছেন ক্ষমতাসীন দলের জেলা সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক। ইতোমধ্যে সভাপতি পদে তিনজন ও সাধারণ সম্পাদক পদে চার জনের নাম শোনা যাচ্ছে। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদের জন্য অনেকেই উপজেলা, জেলা ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ে তদবির করছেন।
টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি পদে বর্তমান সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খান ফারুক, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আলমগীর খান মেনু ও আতাউর রহমান খান এমপির নাম শোনা যাচ্ছে। সাধারণ সম্পাদক পদে বর্তমান সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম(ভিপি জোয়াহের) এমপি, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আশরাফুজ্জামান স্মৃতি ও নাহার আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক জামিলুর রহমান মিরনের নাম আলোচনা হচ্ছে।
তবে সভাপতি পদে বর্তমান সভাপতি একুশে পদকপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান খান ফারুক ও সাধারণ সম্পাদক পদে বর্তমান সভাপতি অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম(ভিপি জোয়াহের) এমপি পদ ধরে রাখার আপ্রাণ চেষ্টা করছেন। তারা দুজনেই উপজেলা, জেলা ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ে তদবিরে অন্যদের চাইতে অনেকটা এগিয়ে রয়েছেন।
সম্মেলনকে ঘিরে জেলায় সাজ সাজ রব বিরাজ করছে। বঙ্গবন্ধু সেতু-ঢাকা মহাসড়ক, টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক মহাসড়ক ও টাঙ্গাইল শহরের সব সড়কে শতাধিক তোরণ তৈরির কাজ চলছে। বিভিন্ন স্থানে কেন্দ্রীয় নেতাদের স্বাগত জানিয়ে তোরণ ও বিলবোর্ড লাগানো হচ্ছে। সম্মেলনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থীদের সমর্থনে স্থানীয় নেতাদের পোষ্টার, ব্যানার, ফেস্টুন সম্মেলন স্থল পর্যন্ত লাগানো হয়েছে।
নেতাকর্মীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, প্রথমে সম্মেলনে এক লাখ লোকের আগমন উপলক্ষে ব্যাপক আয়োজনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়। সে লক্ষে সকাল ১০টা থেকে দিনব্যাপী সম্মেলনের দুই পর্ব সুচারুরূপে সম্পন্ন করতে সাড়ে তিন কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়। এরমধ্যে মাথাপিছু ২৭০ টাকা হিসেবে এক লাখ নেতাকর্মীর খাবার ও তিন লাখ টাকা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ব্যয় হিসেবে বাকি টাকা মঞ্চ ও আনুষঙ্গিক খরচ হিসেবে ধরা হয়।
কিন্তু কেন্দ্রীয় নেতারা সময় দিতে না পারায় সম্মেলন সংক্ষিপ্ত করে দুপুর ২টায় সময় নির্ধারণ করা হয়। এ নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে কিছুটা উস্মা প্রকাশ করতে দেখা যায়।
তারা মনে করেন, ক্ষমতাসীন দলের সম্মেলনে সম্মানিত ডেলিগেট ও কাউন্সিলররা একবেলা খাবার পাবেন না- এটা দলের স্থানীয় নেতাদের দেউলিয়াত্বের পরিচায়ক।
এদিকে, জেলার ১২টি উপজেলা ও ইউনিয়ন-পৌরসভার সম্মেলন শেষ করা হলেও অধিকাংশ ইউনিটেরই পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়নি। উপজেলা ও ইউনিয়ন-পৌরসভার সম্মেলনে গুরুত্বপূর্ণ ৩-৪টি পদের বিপরীতে নেতাদের নাম ঘোষণা দিয়ে সম্মেলন শেষ করা হয়েছে। এজন্য দলের জেলা সম্মেলনে কাউন্সিলরদের নামের তালিকা প্রকাশ করা হয়নি। অধিকাংশ উপজেলা সম্মেলনে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন না করায় স্থানীয় নেতাদের ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা গেছে।
দলীয় সূত্রে জানাগেছে, সম্মেলনে বিশেষ অতিথি থাকবেন, আওয়ামীলীগের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য শাজাহান খান এমপি, অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম এমপি ও আব্দুর রহমান, যুগ্ম-সম্পাদক মাহবুবউল-আলম-হানিফ এমপি, ডা. দীপু মনি এমপি। প্রধান বক্তা থাকবেন আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম এমপি।
বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ডক্টর আবদুস সালাম গোলাপ এমপি, সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম কামাল হোসেন, শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক শামসুন নাহার চাঁপা, শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক মো. সিদ্দিকুর রহমান, শ্রম ও জনশক্তি বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ, কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের সদস্য ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, অ্যাডভোকেট সানজিদা খানম, সৈয়দ আব্দুল আউয়াল শামীম, ইকবাল হোসেন অপু এমপি ও আলহাজ মো. সাঈদ খোকন।
জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম জানান, ৭ নভেম্বর টাঙ্গাইল স্টেডিয়ামে জেলা আওয়ামীলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে আওয়ামী সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের উপস্থিত সম্মতি দিয়েছেন। সম্মেলন উদ্বোধন করবেন, আওয়ামীলীগের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য কৃষিমন্ত্রী ডক্টর মো. আব্দুর রাজ্জাক এমপি।
তিনি আরও জানান, ইতোমধ্যে টাঙ্গাইলের ১০টি সাংগঠনিক ইউনিটের অধীনে সব ওয়ার্ড, ইউনিয়ন, পৌরসভা ও উপজেলা সম্মেলন করা হয়েছে। যদিও ২-১টা উপজেলার সম্মেলন এখনও করা সম্ভব হয়নি- এটা জেলা সম্মেলনে কোন প্রভাব ফেলবেনা। এছাড়া সম্মেলন সফল করতে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।
সম্মেলনে জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক সভাপতিত্ব করবেন। সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম(ভিপি জোয়াহের) এমপির সঞ্চালনায় সম্মেলনে জেলা-উপজেলার নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখবেন।
সম্মেলন শেষে জাতীয় ও স্থানীয় শিল্পীদের সমন্বয়ে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল থেকে প্রকাশিত দৈনিক যুগধারা পত্রিকা’র প্রতিনিধি সম্মেলন ও আইডি কার্ড বিতরণ করা হয়েছে।
রবিবার(৬ নভেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল শহরের ভিক্টোরিয়া ফুডজোন এন্ড পার্টি সেন্টারে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
যুগধারা পত্রিকা’র সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি,টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জামিলুর রহমান মিরনের সভাপতিত্বে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আলোক হেলথ কেয়ার এন্ড ফাউন্ডেশন হাসপাতাল এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ লোকমান হোসেন, এফবিসিসিআই পরিচালক ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মোঃ আবু নাসের, আলোকিত কালিহাতী’র সভাপতি ও দৈনিক যুগধারা পত্রিকা’র নির্বাহী সম্পাদক আব্দুল আলিম।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন দৈনিক যুগধারা পত্রিকা’র সম্পাদক ও প্রকাশক সরকার হাবিব।
প্রতিনিধি সম্মেলনে সাংবাদিক রশিদ আহাম্মদ আব্বাসী, বার্তা সম্পাদক আরমান কবীর, যুগধারা পত্রিকা’র স্টাফ রিপোর্টার,উপজেলার প্রতিনিধিগণ তাদের নিজস্ব মতামত ব্যক্ত করেন।
দুপুরে প্রতিনিধিদের মধ্যাহ্ন ভোজ শেষে আইডি কার্ড বিতরণ করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ দীর্ঘ প্রায় সাত বছর পর সোমবার (৭ নভেম্বর) টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। দীর্ঘ দিন পর সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ায় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে। সম্মেলনকে ঘিরে পদ প্রত্যাশী নেতাকর্মীদের ব্যানার ফেস্টুন দিয়ে ছেয়ে গেছে পুরো শহর। শহরে প্রবেশের রাস্তায় নির্মাণ করা হয়েছে প্রায় শতাধিক তোরণ।
টাঙ্গাইল স্টেডিয়াম মাঠে সম্মেলনের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। এদিকে সম্মেলনকে ঘিরে জেলাব্যাপী দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ। প্রায় লক্ষাধিক মানুষের সমাগম ঘটানো হবে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। কে হচ্ছেন সভাপতি, আর কে হচ্ছেন সম্পাদক—এ নিয়ে জল্পনা কল্পনা চলছে দলীয় নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে।
দলীয় নেতাকর্মীরা জানান, ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন সফল ও সার্থক করতে ইতিমধ্যে উপজেলা, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ এবং সহযোগী সংগঠনগুলোর সঙ্গে প্রস্তুতি সভা করা হয়েছে। সম্মেলনকে ঘিরে বিভিন্ন উপজেলায় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, সম্মেলনে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন আওয়ামী লীগের লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন দলটির সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম।
টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান খান ফারুককে সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন আওয়ামী লীগের সভাপতি মণ্ডলীর সদস্য আব্দুর রহমান, শাহজান খান, অ্যাড. কামরুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, শিক্ষা মন্ত্রী ডা. দিপু মনি। বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক শামসুন নাহার চাঁপা, শিক্ষা ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান, শ্রম ও জনশক্তি বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ, সদস্য ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, সানজিদা খানম, সৈয়দ আব্দুল আউয়াল শামীম, ইকবাল হোসেন অপু, মোহাম্মদ সাঈদ খোকন।
জেলা আওয়ামী লীগ সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালে ফজলুর রহমান ফারুককে সভাপতি, জোয়াহের ইসলাম জোয়াহেরকে সাধারণ সম্পাদক করে তিন বছরের জন্য ১০১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়। এরপর দীর্ঘদিন অতিক্রান্ত হলেও কোনো সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়নি।
জেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক একুশে পদক পেয়েছেন। এছাড়াও তিনি আবারও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে তিনি মুরুব্বির স্থান দখল করে আছেন। তাই সভাপতি হিসেবে তার কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী নেই। এবারও তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সভাপতি হচ্ছেন এটা প্রায় নিশ্চিত।
জেলা আওয়ামী লীগের বর্তামান সাধারণ সম্পাদক জোয়াহের ইসলাম জোয়াহের ও যুগ্ম সম্পাদক খন্দকার আশরাফুজ্জামান স্মৃতি সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী হচ্ছেন।
জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আশরাফুজ্জামান স্মৃতি বলেন, “দীর্ঘ দিনের এই রাজনৈতিক পরিক্রমায় জেলার প্রত্যেক নেতাকর্মীর সঙ্গে আমার নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। গত সম্মেলনেও আমি সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী ছিলাম। এবারও প্রার্থী হয়েছি। আশা করছি দল আমার মূল্যায়ন করবে।”
জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের বলেন, “স্মরণকালের সবচেয়ে সফল সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এই সম্মেলনের মাধ্যমে জেলা আওয়ামী লীগ আরও ঐক্যবদ্ধ হবে সুসংগঠিত হবে। সাধারণ সম্পাদক হিসেবে অতীতেও দলের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ রেখে টাঙ্গাইলকে সন্ত্রাসমুক্ত রেখেছি। দলকে আরও সুসংগঠিত করে আগামী দিনে বিএনপির জ্বালাও পোড়াও আন্দোলনকে প্রতিহত করা হবে।”
একতার কণ্ঠঃ: টাঙ্গাইলের মধুপুরে কৃষি জমির মাটি লুট করে টাইলস কোম্পানিতে বিক্রি করার দায়ে এক ব্যবসায়ী, ট্রাকের দুই চালক ও এক ভ্যেকু চালককে ভ্রাম্যমাণ আদালতে বিভিন্ন মেয়াদে জেল দিয়েছেন।
শনিবার( ৫ নভেম্বর) সন্ধ্যায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামীমা ইয়াসমীন।
বিভিন্ন মেয়াদে সাজাপ্রাপ্তরা হলেন মাটি ব্যবসায়ী মধুপুর উপজেলার বিপ্রবাড়ী গ্রামের মৃত শহীদুল ইসলামের ছেলে মো. আলামিন (২৫), ভেকুর চালক ঘাটাইল উপজেলার চাঁনতারা গ্রামের খেজমত আলীর ছেলে মো. আহাম্মদ আলী (২৬), ট্রাকের ডাইভার ঘাটাইল উপজেলার উত্তর লক্ষীন্দর গ্রামের মো. মফিজ উদ্দিনের ছেলে মো. রুবেল (২৯) ও মধুপুর উপজেলার গাছাবাড়ী গ্রামের সরুজ আলী ছেলে মো. জাহাঙ্গীর আলম (২৩)। ভ্রাম্যমাণ আদালত প্রথম জনকে ৬ মাস, ২য় জনকে ১ মাস ও পরের জনকে ১৫ দিন করে জেল দিয়েছেন।
মধুুপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শামীমা ইয়াসমীন জানান, কুড়াগাছা ইউনিয়নের এ বাইদ থেকে দীর্ঘদিন ধরে মাটি ব্যবসায়ীরা কৃষি জমি নষ্ট করে টাইলস কোম্পানিতে মাটি বিক্রি করে আসছে। বারবার তাদের মাটিসহ ট্রাক, ভেকু আটক করে জরিমানা করা হয়েছে।
তিনি আরো জানান,কৃষি জমি নষ্টের ব্যাপারে সর্তক করলেও তারা গুরুত্ব দেয়নি। ৫ নভেম্বর পিরোজপুরের বলাইদ বাইদ থেকে ভেকু দিয়ে কৃষি জমি নষ্ট করে মাটি উত্তোলন করে ট্রাক ভর্তির সময় এক মাটি ব্যবসায়ী ৩ ড্রাইভার ও মাটি ভর্তি দু’টি ট্রাক আটক করা হয়। পরে বালুমহল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০ এর ৪ ধারায় অপরাধে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে বিনাশ্রম জেল প্রদান করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম বলেন, খালেদা জিয়াকে আবারও জেলে পাঠানোর কথা বলা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঠিক হয়নি। কারণ কারো উপকার করে তা বলতে হয় না। আপনার বাবা শুনলে (বঙ্গবন্ধু) রাগ করতেন, কষ্ট পেতেন।
দেশের বিভিন স্থানে বিএনপির সমাবেশে বাধা দেওয়া ও গাড়ি বন্ধ করাও ঠিক হয়নি। গাড়ি চালু থাকলে যে লোক হতো গাড়ি বন্ধ করায় পায়ে হেঁটে সমাবেশে তার চেয়ে বেশি মানুষ হয়েছে। তাই এসব করে পার পাওয়া যায় না বলেও মন্তব্য করেছেন কাদের সিদ্দিকী।
প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, আপনি দেশের মালিক নন সেবক।
শনিবার(৫ নভেম্বর) বিকেলে টাঙ্গাইলের সখীপুরে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের এক সংবর্ধনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, ২০১৮ সালের নির্বাচন কোন নির্বাচনই হয়নি। সবাই বলে সেটা ছিল ভোট চুরির নির্বাচন। আমার মেয়ে যদি নির্বাচিত হত তাহলে আমরাও হতাম ভোট চোরের দল। ঐক্যফ্রন্টের যারা নির্বাচিত হয়েছেন তারাও চুরির ভোটে নির্বাচিত।
কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বলেন, আমরা ঐক্যফ্রন্টে গিয়েছিলাম ড. কামালকে ভালো নেতা মনে করে। কিন্তু তিনি ভালো নেতা নন, ভালো মানুষ। অনেকেই ভাবছেন আমরা কোন দিকে যাব? আমাদের পথ হলো সিরাতুম মুস্তাকিম, আমরা আল্লাহর পথে আছি।
সভায় আবদুস ছবুরের সভাপতিত্বে দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমান খোকা বীর প্রতীক, নাসরিন সিদ্দিকী, ইকবাল সিদ্দিকী, শামীম আল মনসুর আজাদ সিদ্দিকী, শফিকুল ইসলাম দেলুয়ার, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম সরকার, হাবিবুন্নবী সোহেল, এ টি এম সালেক হিটলু, সানোয়ার হোসেন, আবু জাহিদ রিপন, আলমগীর সিদ্দিকী, দুলাল হোসেন প্রমুখ বক্তব্য দেন।