একতার কণ্ঠ: টাঙ্গাইলের নাগরপুরে জমিজমা নিয়ে বিরোধের জের ধরে সৎ ভাই সুমন মিয়াকে (২৫) হত্যা করেছেন বড় ভাই আতোয়ার মিয়া (৫৫) নামে এক ব্যক্তি।
সোমবার (৯ মে) সকালে নাগরপুর উপজেলার মোকনা ইউনিয়নের ডাকাতিপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত সুমন ও অভিযুক্ত আতোয়ার ওই গ্রামের কলিম উদ্দিনের দুই স্ত্রীর সন্তান।
নাগরপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে সকালে ছোট ভাই সুমনকে ফলা দিয়ে আঘাত করেন বড় ভাই আতোয়ার মিয়া।
এতে গুরুতর আহত হন সুমন। এ অবস্থায় তাকে মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠ: টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণের পর ধর্ষণের অভিযোগে ফারুক নামে এক ব্যক্তি ও তার সহযোগী বিশালকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।রোববার (৮ মে) ভোরে সিরাজগঞ্জ থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
জানা গেছে, গত ৫ মে (বৃহস্পতিবার) সকালে ওই ছাত্রী দাদাবাড়ি যাওয়ার পথে অপহরণের পর ধর্ষণ করে বখাটেরা। এ ঘটনায় ওই স্কুলছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে ৭ মে (শনিবার) সকালে ভূঞাপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করলে পুলিশ ফারুক ও তার সহযোগীকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারকৃত ফারুক ভূঞাপুর উপজেলার বানিয়াবাড়ি গ্রামের নাজমুল প্রধানের ছেলে এবং মো. বিশাল সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার হোসেনপুর উত্তরপাড়া গ্রামের সাইফুল ইসলামের ছেলে।
মামলা ও স্কুলছাত্রীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, মেয়েটি স্কুলে যাওয়ার আসার পথে ফারুক বিভিন্ন সময়ে প্রেমের প্রস্তাব ও নানাভাবে উত্যক্ত করত। প্রতিবাদ করলে তুলে নেওয়ার হুমকি দেওয়া হতো তাকে। গত ৫ মে (বৃহস্পতিবার) ঈদের তৃতীয় দিন সকালে সকালে স্কুলছাত্রী একা তার দাদার বাড়ি যাচ্ছিল। এ সময় তাকে প্রেমের প্রস্তাব দেয় ফারুক। সে প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ফারুক তার দলবল নিয়ে অপহরণ করে নিয়ে যায় মেয়েটিকে। এরপর নৌকাযোগে প্রথমে সিরাজগঞ্জের তার এক বন্ধুর বাসায় নিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করে ফারুক। তারপর সেখান থেকে ফারুক তার খালার বাসায় নিয়ে ফের ধর্ষণের পর শারীরিক নির্যাতন করে বিয়ের চাপ সৃষ্টি করে। এতকিছুর পরও বিয়েতে রাজি না হওয়ায় তার এক সহযোগী অপহরণকারীর বাড়িতে সন্ধ্যার দিকে স্কুলছাত্রীকে নিয়ে আসে ফারুক ও তার অন্যান্য সহযোগীরা।
এরপর এ বিষয়টি মেয়েটির বাবা জানতে পেরে ওইদিন রাতেই ফারুকের বন্ধুর বাড়ি থেকে আত্মীয়-স্বজন ও স্থানীয় মাতব্বরদের সঙ্গে নিয়ে স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করেন। পরে শনিবার সকালে মেয়েটির বাবা বাদী হয়ে ফারুককে প্রধান আসামি করে মামলা দায়ের করেন। পরে এসআই ফাহিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে সিরাজগঞ্জ থেকে প্রধান অভিযুক্ত ফারুক ও তার সহযোগী বিশালকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
এ ব্যাপারে ভূঞাপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ফাহিম ফয়সাল বলেন, অভিযুক্ত প্রধান আসামি ফারুক ও তার সহযোগী বিশালকে সিরাজগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তিকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত করেছেন চেম্বার জর্জ আদালত।
বৃহস্পতিবার (২৮ এপ্রিল) বিকেলে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের শুনানি নিয়ে আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম এ আদেশ দেন।
আদালতে মুক্তির পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন।
এর আগে (বুধবার ২৭ এপ্রিল) টাঙ্গাইলের আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তিকে জামিন দেন হাইকোর্ট। বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার কাজলের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। পরে হাইকোর্টের জামিন আদেশ স্থগিত চেয়ে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ।
গত ১০ ফেব্রুয়ারি টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা দায়রা জজ মাসুদ পারভেজ মুক্তিকে জামিন দেন। পরে ২৮ ফেব্রুয়ারি তার অন্তর্বর্তী জামিন বাতিল হয়। এরপর হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করেন মুক্তি।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি নিহত হন টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহমেদ। তার গুলিবিদ্ধ মরদেহ কলেজপাড়ার বাসার কাছ থেকে উদ্ধার হয়। এ ঘটনার তিন দিন পর তার স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন।
এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ২০১৪ সালের আগস্ট মাসে গোয়েন্দা পুলিশ আনিসুল ইসলাম রাজা ও মোহাম্মদ আলী নামে দুজনকে গ্রেপ্তার করে।
আদালতে এই দুই আসামির দেওয়া স্বীকারোক্তি অনুযায়ী হত্যার সঙ্গে জড়িত সাবেক সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানা। তার তিন ভাই টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাকন এবং ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সহসভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পার জড়িত থাকার বিষয়টি উঠে আসে।
পরে অভিযুক্তরা আত্মগোপনে চলে যান। ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে তৎকালীন সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান ও তার অপর তিন ভাইসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দেয় গোয়েন্দা পুলিশ। আমানুর রহমান খান রানা ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে আত্মসমর্পণ করেন। প্রায় তিন বছর হাজতবাসের পর তিনি জামিনে মুক্ত আছেন। তাদের অপর দুই ভাই এখনও আত্মগোপনে রয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তিকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।
বুধবার(২৭ এপ্রিল) বিকেলে বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার কাজলের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আরো পড়ুনঃ ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে ঘরমুখো মানুষের চাপ
আদালতে মুক্তির পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ ও অ্যাডভোকেট খুরশিদ আলম খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আমিনুল ইসলাম।
গত ১০ ফেব্রুয়ারি টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা দায়রা জজ মাসুদ পারভেজ মুক্তিকে জামিন দেন। পরে ২৮ ফেব্রুয়ারি তার অন্তবর্তী জামিন বাতিল হয়। এরপর হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করেন মুক্তি।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি নিহত হন টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহমেদ। তার গুলিবিদ্ধ লাশ কলেজপাড়ার বাসার কাছ থেকে উদ্ধার হয়। এ ঘটনার তিন দিন পর তার স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন।
এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ২০১৪ সালের আগস্ট মাসে গোয়েন্দা পুলিশ আনিসুল ইসলাম রাজা ও মোহাম্মদ আলী নামের দুজনকে গ্রেপ্তার করে।
আদালতে এই দুই আসামির দেওয়া স্বীকারোক্তি অনুযায়ী হত্যার সঙ্গে জড়িত সাবেক সাংসদ আমানুর রহমান খান রানা। তার তিন ভাই টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাকন এবং ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সহসভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পার জড়িত থাকার বিষয়টি উঠে আসে।
পরে অভিযুক্তরা আত্মগোপনে চলে যান। ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে তৎকালীন সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান ও তার অপর তিন ভাইসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দেয় গোয়েন্দা পুলিশ। আমানুর রহমান খান রানা ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে আত্মসমর্পণ করেন। প্রায় তিন বছর হাজতবাসের পর তিনি জামিন পেয়ে মুক্ত আছেন। তাদের অপর দুই ভাই আত্মগোপনে রয়েছেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে রাস্তা পার হতে গিয়ে মায়ের কোলে যাওয়ার সময় পিকআপের চাপায় তোয়া মনি (৫) নামে এক শিশু নিহতহ হয়েছে।
রবিবার (২৪ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার পুংলী-বালিয়াটা আঞ্চলিক সড়কে এ ঘটনা ঘটে।
তোয়া মনি উপজেলার সহেদেবপুর ইউনিয়নের বানিয়াফৈর গ্রামের খালপাড় এলাকার শহিদুল ইসলাম মেয়ে।
স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, রাস্তার পাশেই শিশুটির বাড়ি। শিশুটি মা রাস্তার ওপারে কাজ করছিল। পথিমধ্যে শিশুটি দৌঁড়ে রাস্তার উপর দিয়ে তার মায়ের কোলে যাচ্ছিল।
এসময় শিশুটি যখন তার মায়ের কাছে পৌঁছবে তখনি হঠাৎ বেপরোয়া দ্রুত গতির একটি পিকআপের নিচে চাপায় পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই শিশুটির মৃত্যু হয়।
এ বিষয়টি কালিহাতী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আনোয়ার আলী নিশ্চিত করে জানান, নিহতের ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
একতার কণ্ঠঃ রাস্তার কারণে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধুসেতু মহাসড়কে যানজট না হওয়ার কথা জানালেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব নজরুল ইসলাম। শনিবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে গোড়াইয়ে নির্মিত ফ্লাইওভার পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
নজরুল ইসলাম আরো বলেন, ঈদের আগেই ২৫ এপ্রিল ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের টাঙ্গাইলের গোড়াই ফ্লাইওভার ও সিরাজগঞ্জের নকল ব্রিজ যানবাহন চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হবে। যাতে করে ঈদযাত্রায় মহাসড়কে যানজট সহনীয় পর্যায়ে থাকে। যদিও এসব কাজের মেয়াদ এখনো শেষ হয়নি। বিশেষ বিবেচনায় ঈদের আগেই খুলে দেয়া হচ্ছে। এর ফলে এসব অংশে যানজট হওয়ার সম্ভবনা নেই। বিকল্প রাস্তাগুলোতে যদি গাড়িগুলো ডাইভার্ট করে দেয়া যায় তাহলে মহাসড়কে ট্রাফিক চাপ কমবে।
তিনি বলেন, মন্ত্রাণালয়ের পক্ষ থেকে আমাদের একটি সেন্টাল কন্টোল রুম থাকবে। বিভিন্ন পয়েন্টে সিসি ক্যামেরা থাকবে। এছাড়াও মহাসড়কে পুলিশের পক্ষ থেকেও বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। পুলিশের সাথেও আমরা কিছু কিছু বিষয় সমন্বয় করছি। ২ বছর করোনার পরিস্থিতির পরে এবার ঘরমুখো মানুষের চাপ বৃদ্ধি পাবে। এ বিষয়টি বিবেচনা করে আমরা প্রস্তত রয়েছি।
এ সময় সড়ক বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী একেএস মনির হোসেন পাঠান, সাসেকের প্রকল্প পরিচালক মো. ইসাক, সাসেক-১ এর অতিরিক্ত প্রকল্প পরিচালক নূরে আলম, টাঙ্গাইল সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শহীদুল ইসলামসহ সড়ক বিভাগেরর অন্যন্য কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, ঈদ যাত্রায় বিগত সময়ে ঢাকা-টাঙ্গাইল- মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে এলেঙ্গা থেকে বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্ব পার পর্যন্ত দুই লেন হওয়ায় এই ১৩ কিলোমিটার এলাকায় দীর্ঘ যানজট হয়। এতে চরম ভোগান্তিতে পরেন যানবাহনের চালক ও যাত্রীদের। ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে উত্তরবঙ্গসহ ২৪ জেলার যানবাহন চলাচল করে। স্বাভাবিক অবস্থায় প্রতিদিন ১২/১৩ হাজার যানবাহন সেতু পারাপার হয়। ঈদের আগে ৩৫/৪০ হাজার যানবাহন পারাপার হয়। কোন কোন সময় ৪৫ থেকে ৫০ হাজার গাড়িও পারাপার হয়। স্বাভাবিকের চেয়ে অধিক যানবাহন পারাপার হওয়ায় দুই লেনের সড়কে যানজট লেগে যায়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে সেচপাম্পের ঘর থেকে লাল মিয়া (৪৫) নামে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ এপ্রিল) রাতে উপজেলার কাউলজানী ইউনিয়নের সেহরাইল মাটির খাদ এলাকা থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
পরিবারের দাবি, সেহরাইলে মাটির খাদে ট্যাফেট্রাক্টরের চাকায় পিষ্ট হওয়ার পর লাশ গুমের উদ্দেশ্যে ওই সেচপাম্পের ঘরে রাখা হয়।
নিহত লাল মিয়া উপজেলার কাউলজানীর মহেষখালী গ্রামের গটু মিয়ার ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, উপজেলার কাউলজানী ইউনিয়নের সেহরাইল এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ভেকু দিয়ে মাটি কেটে ট্যাফেট্রাক্টরের মাধ্যমে একটি চক্র বিক্রি করে আসছে। ওই খাদে লাল মিয়া শ্রমিকের কাজে নিয়োজিত ছিল। সকাল থেকে খাদের পাশে সড়কে লাল মিয়া পানি দিচ্ছিল।
পরে দুপুর থেকে লাল মিয়া নিখোঁজ হয়। এর পর খোঁজাখুঁজি করেও তাকে পাওয়া যাচ্ছিল না। সন্ধ্যায় সেচপাম্পের শ্রমিক ঘরে গিয়ে তার লাশটি দেখতে পান। এর পর পুলিশ গিয়ে তার লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
নিহতের ছোট ভাই আব্দুল খালেক বলেন, আমার ভাই দীর্ঘদিন ধরে সেহরাইলে মাটির খাদে শ্রমিকের কাজ করছিলেন। দুপুরে সেখানে কলিয়া গ্রামের মজিবর রহমান নামে এক ব্যক্তির ট্রাফেট্রাক্টরের চাকায় পিষ্ট হয়ে আমার ভাই মারা যান। পরে লাশটি গুমের উদ্দেশ্যে তারা সেচপাম্পের ঘরে রেখে দেয়। রাত হলে হয়তো লাশটি অনত্র ফেলে দিত।
তিনি আরও বলেন, দুপুরে আমার ভাতিজা খাদে গিয়ে তাকে দেখতে পায়নি। পরে ভাতিজা সেখান থেকে বাড়িতে চলে আসে। সন্ধ্যায় সেচপাম্পের ঘরে তার লাশ পাওয়া যায়। দুপুরে এ ঘটনার পর পরই মাটির খাদটি বন্ধ করে তারা সেখান থেকে চলে যায়। এখনও ওই ট্রাফেট্রাক্টরটি সড়কের পাশে পড়ে আছে। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। আমার ভাই হত্যার বিচার চাই। এ ঘটনায় মামলা করা হবে।
বাসাইল থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, নিহতের লাশটি উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (২০ এপ্রিল) সকালে লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বিদ্যুৎস্পর্শ হয়ে লোকটি মারা যেতে পারে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে নকল জন্ম নিবন্ধন সনদ ও জাতীয় সংসদ সদস্যদের নাম ও জাল স্বাক্ষর সম্মিলিত ডিও লেটার দিয়ে প্রতারণা চালানো চক্রের এক সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১২এর সদস্যরা।
মঙ্গলবার (১৯ এপ্রিল) দিনগত রাতে টাঙ্গাইল পৌরসভার বিশ্বাস বেতকা (কুমুদিনী কলেজগেট) এলাকার নওশীন ফটোকপি এন্ড কম্পিউটার দোকান ঘরে অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত শোয়েব খান (৩০) ঘাটাইল উপজেলার নিয়ামতপুর গ্রামের মো. নাজিম উদ্দিন খানের ছেলে।
মঙ্গলবার (১৯ এপ্রিল) দুপুরে প্রেসবিজ্ঞপ্তি মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন র্যাব-১২, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইল এর কোম্পানী কমান্ডার মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান।
প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয় , গ্রেফতারকৃত আসামী বহুদিন ধরে তার তৈরী বিভিন্ন সরকারী অফিস ও অফিসের কর্মকর্তাদের সীল মোহর ও জাল স্বাক্ষর করে বিভিন্ন লোকজনদের নকল জন্ম নিবন্ধন সনদ ও জাতীয় সংসদ সদস্য মহোদয়দের নাম ও জাল স্বাক্ষর সম্মিলিত ডিও লেটার প্রদান করে প্রতারণার মাধ্যমে বিপুল টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। ২৭টি বিভিন্ন সরকারী অফিস ও অফিসের কর্মকর্তাদের সীল মোহর, জাতীয় সংসদ সদস্য মহোদয়দের নাম ও জাল স্বাক্ষর সম্মিলিত ২০টি ডিও লেটার এবং বিভিন্ন লোকজনদের ৮০টি নকল জন্ম নিবন্ধন সনদ জব্দ করা হয়।
গ্রেফতারকৃত প্রতারক সাক্ষীদের সম্মুখে জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, সে বহুদিন ধরে তার তৈরী উল্লেখিত সীল মোহর ও জাল স্বাক্ষর করে বিভিন্ন লোকজনদের নকল জন্ম নিবন্ধন সনদ ও জাতীয় সংসদ সদস্য মহোদয়দের নাম ও জাল স্বাক্ষর সম্মিলিত ডিও লেটার প্রদান করে বিভিন্ন লোকজনের নিকট হতে প্রতারনার মাধ্যমে বিপুল টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।
তার বিরুদ্ধের টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা রুজু করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে প্রবাসী স্বামীর সঙ্গে অভিমানে বীথি আক্তার (২৮) নামের এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছেন। বৃহস্পতিবার (১৪ এপ্রিল) ভোরে উপজেলার শোলা প্রতিমা গ্রামের বাবার বাড়িতে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন।
আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে ‘প্রেমিকের হাতে’ প্রবাসীর স্ত্রী খুনের অভিযোগ
নিহত বীথি আক্তার উপজেলার শোলা প্রতিমা গ্রামের তুলা মিয়ার মেয়ে এবং কৈয়ামধু গ্রামের সৌদি প্রবাসী আসরব আলীর স্ত্রী। তাঁদের ৮ বছরের একটি কন্যা সন্তানও রয়েছে।
পরিবারের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, গত বেশ কয়েক দিন ধরে মোবাইল ফোনে প্রবাসী স্বামীর সঙ্গে গৃহবধূ বীথির কথা-কাটাকাটি চলছিল। বৃহস্পতিবার ভোরে গৃহবধূর মা ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় বীথি আক্তারকে দেখতে পান। তৎক্ষণাৎ তাঁকে উদ্ধার করে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে এলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
সখীপুর থানার এসআই দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে পুলিশ ওই গৃহবধূর মরদেহটি উদ্ধার করে। পরিবারের পক্ষ থেকে কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহটি হস্তান্তর করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে কলা বোঝাই একটি ট্রাকের ধাক্কায় বীর মুক্তিযোদ্ধা ও অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আব্দুর রহমান (৭০) নিহত হয়েছেন। বুধবার (১৩ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার লক্ষিন্দর ইউনিয়নের বেইলা হাফিজিয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন বেইলা-সাগরদিঘী আঞ্চলিক সড়কে ওই দুর্ঘটনা ঘটে।
আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে ‘প্রেমিকের হাতে’ প্রবাসীর স্ত্রী খুনের অভিযোগ
নিহত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আব্দুর রহমান উপজেলার বেইলা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি আকন্দের বাইদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন। তিনি ২০০৮ সালে শিক্ষকতা থেকে অবসরে যান ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহমান বাড়ি থেকে অটোভ্যান যোগে বেইলা আঞ্চলিক সড়ক দিয়ে সাগরদিঘী বাজারে যাচ্ছিলেন। কিছু দূর গেলে বেইলা হাফেজিয়া মাদ্রাসার সামনে থেকে আসা একটি কলাবাহী ট্রাক তার অটোভ্যানটিকে ধাক্কা দেয়। এতে অটোভ্যান থেকে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন তিনি। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। সাগরদিঘী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই সুরুজ্জামান মিয়া গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে গুরুতর আহত অবস্থায় বীর মুক্তিযোদ্ধা ও অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আব্দুর রহমানকে উদ্ধার করে সাগরদিঘী বাজারে একটি ক্লিনিকে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় ঘাতক ট্রাকটি জব্দ করেছে সাগদিঘী পুলিশ ফাঁড়ি । তবে চালক পলাতক রয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার গোহালিয়াবাড়ী ইউনিয়ন একটি গুরুত্বপূর্ণ ইউনিয়ন। এই ইউনিয়নের নুরুল ইসলাম আওয়ামীলীগের একজন ত্যাগী নেতা হিসেবে সুপরিচিতি। বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধারণ করে গোহালিয়াবাড়ী ইউনিয়নে দলের ভিত মজবুত করতে দীর্ঘদিন যাবত নেতাকর্মী ও মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি । এই কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ দ্বিতীয়বারের মতো বিপুল ভোটে ইউপি সদস্য (মেম্বার)নির্বাচিত হয়েছেন।বর্তমানে তিনি প্যানেল চেয়ারম্যানের হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে ‘প্রেমিকের হাতে’ প্রবাসীর স্ত্রী খুনের অভিযোগ।
তিনি দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামীলীগের একনিষ্ঠ নিবেদিত প্রাণ কর্মী হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন। ইতিমধ্যে দলের জন্য কাজ করে স্হানীয় সংসদ সদস্য হাছান ইমাম খান সোহেল হাজারীর বিশ্বস্ততা অর্জন করেছেন । দলীয় বিভিন্ন কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ করে নেতাকর্মীদের কাছে হয়ে উঠেছেন আস্থাভাজন।
কিছুদিনের মধ্যেই গোহালিয়াবাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের কমিটি গঠন হবে।আর এই কমিটির সাধারন সম্পাদক পদে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা দিয়েছেন নরুল ইসলাম। আওয়ামীলীগের নেতাকর্মী সমর্থকরাও নুরুল ইসলামকে সাধারণ সম্পাদকের পদে দেখতে চায়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন স্হানীয় আওয়ামীলীগ নেতা বলেন, নুরুল ইসলামের জনপ্রিয়তার রয়েছে। যার কারণে তার মতো নিঃস্বার্থ আওয়ামীলীগকর্মীকে অন্য দলের তকমা লাগাতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন তার প্রতিদ্বন্দ্বীরা।
এ ব্যাপারে নুরুল ইসলাম বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরেই আওয়ামীলীগের রাজনীতি করে আসছি। বর্তমান ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক পদে প্রার্থী ঘোষণা করেছি। তৃণমূল পর্যায়ে আমার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে আমাকে নিয়ে গুটিকয়েক হীন চরিত্রের মানুষ মিথ্যা বানোয়াট তথ্য ছড়িয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা করছেন পদ পাওয়ার আশায়।
গোহালিয়াবাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাবেক তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক মাসুদ সরকার জানান, ছাত্রজীবনে নুরুল ইসলাম বিদেশ চলে যান। প্রবাসে জীবন শেষ করে এলাকায় এসে তার বড় ভাই গোহালিয়াবাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক আব্দুল বাছেদের হাত ধরে আওয়ামীলীগের কর্মী হয়ে সক্রিয় রাজনীতি শুরু করেন। তাহলে কীভাবে সে বিএনপির রাজনীতি করেছেন এটা আমার বোধগম্য নয়।
গোহালিয়াবাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি খায়রুল আলম বলেন,নুরুল ইসলামের রাজনীতির শুরুটাই আওয়ামীলীগ দিয়ে।তার মতো কর্মীকে গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন করলে দলের জন্য উপকার হবে।
উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য ও গোহালিয়াবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের তিনবারের সংরক্ষিত আসনের সদস্য মোরশেদা খানম ডলি বলেন,কয়েক যুগ ধরে আওয়ামীলীগ করি।এই ইউনিয়নে কে কোন দল করে আমি খুব ভালো করেই জানি।নুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা বানোয়াট। দলের মধ্যে এমন বিভেদ সৃষ্টি যারা করছে তারা কখনো দলের মঙ্গল চায় না।
উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মোজহারুল ইসলাম ঠান্ডু বলেন,নুরুল ইসলাম আওয়ামীলীগের একজন সক্রিয় কর্মী। গোহালিয়াবাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ রাজনীতিতে সে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে যাচ্ছে
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরের মেহেদী হাসান সজীব (২২) নামের এক যুবক প্রেমিকা ভাবীর সাথে অভিমান করে সিংগাপুরে নিজ বাসায় গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে।
আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় কলেজ ছাত্র নিহত
রবিবার (৩ এপ্রিল) বাংলাদেশ সময় রাত ৮ টার দিকে তার নিজ বাসার গোসলখানার গ্রিলের সাথে গলায় রশি বেধে ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে সে।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে সজীবের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায় সিংগাপুর পুলিশ।
নিহত মেহেদী হাসান সজীব উপজেলার বেড়বাড়ী দাখিল মাদ্রাসা এলাকার মতি মিয়ার ছেলে।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, নিহত মেহেদী হাসান সজীবের সঙ্গে প্রতিবেশী এক ভাবীর সাথে দীর্ঘদিন ধরে পরকীয়া ছিল। রবিবার তাদের মধ্যে মুঠোফোনে কথা কাটাকাটি হলে রাত ৮ টার দিকে সিংগাপুরের নিজ বাসার গোসলখানার গ্রীলের সঙ্গে গলায় রশি বেধে আত্মহত্যা করে সজীব ।
যাদবপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য দেলোয়ার হোসেন ধলা সজীবের আত্মহত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তার মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকাবাসীর মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সরকারের কাছে সন্তানের লাশ দেশে আনার সহায়তা চান নিহতের বাবা- মা।