একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। তবে ঘাটাইলের সাগরদীঘি ইউনিয়ন ও নাগরপুরের ভাড়রা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীরা পরাজিত হয়েছেন।
জেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ মার্চ) এলেঙ্গা পৌরসভা ও ওই দুই ইউনিয়নে ইলেকট্রিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) পদ্ধতিতে ভোট গ্রহণ করা হয়।
এলেঙ্গা পৌরসভায় আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বর্তমান মেয়র নুর এ আলম সিদ্দিকী নৌকা প্রতীকে ১৩ হাজার ৬১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছে। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী শাফী খান জগ প্রতীকে পেয়েছে ৮ হাজার ৮০৫ ভোট। অপর স্বতন্ত্র প্রার্থী রেজিনা আখতার নারিকেল গাছ প্রতীকে পেয়েছেন ৪ হাজার ৬৪৯ ভোট।
শাফী খান উপজেলা বিএনপির সদস্য। দল নির্বাচনে অংশ না নিলেও তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেন। অপরদিকে রেজিনা আখতারও আওয়ামী লীগ দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র (বিদ্রোহী) প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করেন।
ঘাটাইলের সাগরদিঘি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. হাবিবুল্লাহ বাহার মোটরসাইকেল প্রতীকে চার হাজার ৪১৩ ভোট পেয়ে নির্বাচন হয়েছে। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. শহিদুল ইসলাম চশমা প্রতীকে চশমা প্রতীকে ৩ হাজার ৪৮০ ভোট পেয়েছেন। আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হেকমত সিকদার ৩ হাজার ৪৪৪ ভোট পেয়ে তৃতীয় হয়েছেন। অপর স্বতন্ত্র প্রার্থী সাহাদৎ হোসেন সিকদার আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ২ হাজার ৩৯২ ভোট।
নাগরপুরের ভাড়রা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে উপনির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আবুবকর ছিদ্দিক আনারস প্রতীক নিয়ে ৫ হাজার ৯৬৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. রিয়াজ উদ্দিন তালুকদার নৌকা প্রতীকে ৩ হাজার ৯৯৬ ভোট পেয়েছেন।
প্রসঙ্গত, গত ১৮ নভেম্বর ২০২২ ভারড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আ. কুদ্দুস মিয়া মৃত্যুবরণ করায় এ ইউনিয়নে উপ-নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে ঋণের টাকা পরিশোধের পরও এনজিও সংস্থা টিএমএসএস (ঠেঙ্গামারা মহিলা সবুজ সংঘ) -এর মামলায় রুমা নামের এক অসহায় গৃহবধূকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মঙ্গলবার(১৪ মার্চ) রাত ১০টার দিকে উপজেলার প্রতিমা বংকী দক্ষিণপাড়া এলাকা থেকে সখীপুর থানা পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। বুধবার(১৫ মার্চ) তাঁকে টাঙ্গাইল পাঠানো হয়েছে।
গৃহবধূ রুমা ওই এলাকার আবু আহম্মেদের স্ত্রী। তবে এনজিও সংস্থা টিএমএসএস এর এক কর্মকর্তার দাবি- ওই গৃহবধূ সব টাকা পরিশোধ করেননি।
গৃহবধূ রুমার পরিবার ও প্রতিবেশীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রুমা নামের ওই গৃহবধূ ২০১৯ সালের শুরুর দিকে এনজিও সংস্থা টিএমএসএস (ঠেঙ্গামারা মহিলা সবুজ সংঘ) -এর নলুয়া শাখা থেকে ৬০ হাজার টাকা ঋণ নেন। এরপর তিনি ওই ঋণের চারটি কিস্তিও পরিশোধ করেন। পরে করোনাকালীন মন্দা পরিস্থিতিতে একসময় ঋণের কিস্তি পরিশোধে অপারগতা প্রকাশ করেন রুমা। ফলে ২০২২ সালের ২০ এপ্রিল টিএমএসএস কর্তৃপক্ষ ৫০ হাজার টাকা ঋণ খেলাপি দাবি করে রুমার বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল আদালতে মামলা করে।
পরে ওই মামলাটি তুলে নেওয়ার শর্তে চলতি বছরের ৩১ জানুয়ারি অসহায় রুমা ও তাঁর পরিবার ২৫ হাজার টাকা টিএমএসএস নলুয়া শাখার কর্মকর্তা শাহীনের কাছে পরিশোধ করেন। এনজিও কর্মকর্তা শাহীন সাদা একটি কাগজের টুকরোতে সাক্ষর করে ২৫ হাজার টাকা বুঝিয়া পাইলাম মর্মে লিখিত দেন। কিন্তু তাঁদের এই সমঝোতা/লেনদেনের বিষয়টি টিএমএসএস কর্তৃপক্ষ আদালতকে অবহিত না করায় আদালত গত ১২ ফেব্রুয়ারি গৃহবধূ রুমার বিরুদ্ধে একমাস কারাদণ্ডের সাজা ঘোষণা করেন।
এদিকে সাজা ঘোষণার পরও বিষয়টি গোপন করে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি টিএমএসএস-এর ওই কর্মকর্তা খেলাপি ঋণের আরও সাত হাজার টাকা কিস্তি গ্রহণ করেন।
অন্যদিকে সাজা হওয়ার ভিত্তিতে আদালত রুমার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। ওই পরোয়ানার ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাতে সখীপুর থানা পুলিশ গৃহবধূ রুমাকে গ্রেপ্তার করে।
থানা কাস্টরিতে গৃহবধূ রুমা কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান, আমার স্বামী ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ছিলেন, কিন্তু করোনার সময় আমাদের সব শেষ হয়ে গেছে। তবুও জেল-জরিমানার ভয়ে ধার-দেনা করে এনজিও’র টাকা পরিশোধ করতেছি। ৬০ হাজার টাকা ঋণের মধ্যে চারটা কিস্তি দিছি, মামলার পর দুই কিস্তিতে ৩২ হাজার টাকা নিছে আর ওই সমিতিতে আমার কিছু সঞ্চয়ের টাকা আছে, সব বাদ দিলে আমার কাছে আর তিন-চার হাজার টাকা পাবে।
এ বিষয়ে জানতে টিএমএসএস —এর কিস্তি গ্রহণকারী ওই কর্মকর্তা শাহীনের মোবাইল ফোনে বারবার ফোন করা হলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়।
পরে টিএমএসএস -এর নলুয়া শাখার আইন বিভাগের কর্মকর্তা মশিউর রহমানের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি নিজেদের দায় এড়িয়ে বলেন, এক্ষেত্রে টিএমএসএস কর্তৃপক্ষের কোনো ভুল নেই। মূলত গৃহবধূ রুমা তাঁর আইনজীবীর সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করেন নাই। সম্ভবত কোনো হাজিরার তারিখে তিনি আদালতে উপস্থিত হননি। এই কারণে আদালত তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। এছাড়া তিনি ঋণের সব টাকা পরিশোধও করেননি।
সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রেজাউল করিম জানান, আদালতের পরোয়ানার ভিত্তিতে রুমা নামের এক গৃহবধূকে গ্রেপ্তার করে বুধবার সকালে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। থানা পুলিশ আদালতের আদেশ পালন করেছে মাত্র।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে হাত পা-বাঁধা অবস্থায় জুলহাস মিয়া (৫৫) নামে এক ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সা চালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বুধবার (১৫ মার্চ) সকালে বাসাইল পৌর এলাকার কুমারজানীর গাজীভাঙ্গা এলাকা থেকে তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত জুলহাস মিয়া টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া ইউনিয়নের বোয়ালী গ্রামের মৃত আফাজ উদ্দিনের ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়,বাসাইল-নলুয়া আঞ্চলিক সড়কের বাসাইল পৌরসভার গাজীভাঙ্গা এলাকার লোকজন রাস্তার পাশে মরদেহটি পরে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেয়। পরে বাসাইল থানা পুলিশ এসে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন।
এ প্রসঙ্গে বাসাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান জানান, নিহতের ড্রাইভিং লাইসেন্স দেখে পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানান তিনি।
তিনি আরো জানান,প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, দুর্বৃত্তরা চালককে হত্যার পর ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক ছিনিয়ে নিয়ে গেছে। পরে তারা লাশ ঘটনাস্থলে ফেলে যায়।
একতার কণ্ঠঃ : টাঙ্গাইলে আসন্ন রমজানে নিত্যপন্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বাজার মনিটরিং কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
এই উদ্দেশ্যে মঙ্গলবার (১৪ মার্চ)দুপুরে টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আইরিন আক্তারের নেতৃত্বে শহরের সবচেয়ে বড় পাইকারি বাজার পার্কবাজার পরিদর্শন করা হয়।
এ সময় বাজারের সকল ব্যবসায়ীদের মাঝে লিফলেট বিতরণসহ প্রতিটি দোকানে মুল্য তালিকা টানানো এবং অতিরিক্ত দামে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রি না করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।
বাজার মনিটরিং করার সময় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আইরিন আক্তার গণমাধ্যম কর্মীদের জানান, বাজারের ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের সচেতনতা করাসহ সকলের মাঝে লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে। ব্যবসায়ীরা যাতে মজুদ করে অতিরিক্ত দামে পণ্য বিক্রি না করে সেজন্য তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরো জানান,কেউ বিধিনিষেধ অমান্য করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল পৌর মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. আব্দুল করিম, জেলা সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা তাহলিমা জান্নাত, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ, টাঙ্গাইল ব্যবসায়ী ঐক্যজোটের সভাপতি আবুল কালাম মোস্তফা লাবু, পার্ক বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জোয়াহের আলী প্রমুখ।
একতার কণ্ঠঃ হিন্দু ধর্মের প্রশ্ন সম্বলিত ইসলাম ধর্ম পরীক্ষার প্রশ্নপত্র পেলেন এসএসসির মডেল টেস্ট পরীক্ষার্থীরা। সোমবার (১৩ মার্চ) ঘটনাটি ঘটেছে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার কাতুলী ইউনিয়নের বাগবাড়ি চৌবাড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে। প্রশ্নপত্র হাতে পেয়ে শিক্ষার্থীরা কেন্দ্রে এর প্রতিবাদ করায় পরীক্ষা স্থগিত ও পূনরায় ওই পরীক্ষা নেয়ার তারিখ নির্ধারণ করা হলেও এর কঠোর বিচার দাবি করেছেন অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা।
অন্যদিকে ঘটনাটি অনাকাঙ্খিত বলে দাবি করেছেন বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
বিদ্যালয় সুত্রে জানা যায়, ১৯৩৫ সালে স্থাপিত হয় টাঙ্গাইল সদর উপজেলার কাতুলী ইউনিয়নের বাগবাড়ি চৌবাড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয়। ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত এ উচ্চ বিদ্যালয়ের মোট শিক্ষার্থী সংখ্যা ১৪০০ জন। এর মধ্যে এসএসসি পরীক্ষার্থী ২০০জন। ৫০০ টাকা বেতনে বিদ্যালয়ের এসএসসি কোচিং শিক্ষার্থী সংখ্যা ১৫০ জন।
নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শিক্ষার্থীরা জানায়, সোমবার (১৩ মার্চ) ছিল আমাদের ইসলাম ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা পরীক্ষা। কেন্দ্রে প্রশ্ন পাওয়ার পর আমরা দেখি ইসলাম ধর্ম পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে হিন্দু ধর্মের প্রশ্ন। বিষয়টি নিয়ে আমরা প্রতিবাদ করায় পরীক্ষা নেয়া বন্ধ করেছেন কর্তৃপক্ষ। এরপর জানায় পরীক্ষাটি পরে নেয়া হবে। তবে প্রশ্নপত্র আমাদের হাতে দেয়ার আগে কর্তৃপক্ষ কেন সেটি আগে যাচাই করলেন না এমন প্রশ্ন তুলেছে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা।
কাতুলী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি মো. রিপন বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে আমি হিন্দু ধর্মের প্রশ্ন দিয়ে ইসলাম ধর্ম পরীক্ষার প্রশ্নপত্র দেয়া হয়েছে বিষয়টি জানতে পারি। আমি এলাকায় ছিলাম না, পরবর্তীতে কি হয়েছে এর বাইরে আমি আর কিছুই জানি না। তবে ক্যামেরায় কথা বলতে রাজি হননি তিনি।
কাদের, ইউসুফসহ বেশ কয়েকজন অভিভাবকের অভিযোগ, সামনেই এসএসসি পরীক্ষা দেবে আমাদের শিক্ষার্থীরা। তাদের ফলাফল ভালো হওয়ার আশ্বাস দিয়ে বিদ্যালয়ে কোচিং করানো হচ্ছে। প্রতিমাসে কোচিং ফি বাবদ টাকাও নিচ্ছেন বিদ্যালয় কর্র্তৃপক্ষ। শিক্ষার্থীদের মান যাচাই করতে বিদ্যালয় থেকে মডেল টেস্ট পরীক্ষার আয়োজন করা হয়েছে। সোমবার (১৩ মার্চ) ছিল ইসলাম ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা পরীক্ষা। ওই পরীক্ষা দিতে গিয়ে শিক্ষার্থীরা দেখে ইসলাম ধর্ম পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে হিন্দু ধর্মের প্রশ্ন। প্রশ্ন পরে শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদ করার পর প্রশ্নপত্রটি দেখেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ দায়িত্বরত শিক্ষকরা।
এ অভিযোগ পেয়ে আমরা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের সাথে সাথে দেখা করলে তিনি জানান প্রশ্নগুলো ঢাকা থেকে কিনে এনে পরীক্ষা নেয়া হচ্ছে। এ কারণে সমস্যাটি হয়েছে।
তারা বলেন, মডেল টেস্টের প্রশ্ন কেন কর্তৃপক্ষ নিজেরা না করে কিনে এনে পরীক্ষা নিচ্ছেন। তাহলে কেন বিদ্যালয়ের বেতন, পরীক্ষার ফিসহ কোচিং এর জন্য টাকা দিচ্ছি আমরা ? আমাদের শিক্ষার্থীদের কি শিক্ষা দিচ্ছেন বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এমন প্রশ্ন তুলেছেন তারা।
তারা আরও বলেন, ইসলাম ধর্ম পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে হিন্দু ধর্মের প্রশ্ন এটি সামাজিক যোগযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রচার করে উত্তেজিত শিক্ষার্থীরা। চরম দায়িত্ব অবহেলায় লিপ্ত এই বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
শিক্ষার্থীদের মডেল টেস্ট পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে এমন ভুলের বিষয়টি কি দেখেননি আমাদের জেলা প্রশাসন ও শিক্ষা বিভাগ কর্তৃপক্ষরা এমন প্রশ্ন তুলেছেন তারা।
ইসলাম ধর্ম পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে হিন্দু ধর্মের প্রশ্ন থাকার বিষয়টি স্বীকার করেছেন বাগবাড়ি চৌবাড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ছানোয়ার হোসেন।
তিনি বলেন, ঢাকার প্রশ্নঘর থেকে ২৫ টাকা দরে প্রতিসেট প্রশ্নপত্র কেনা হয়েছে। অন্যান্য পরীক্ষার প্রশ্ন ঠিক থাকলেও ইসলাম ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষার প্রশ্নপত্রে এমন ভুল হয়েছে। আগামী ২২ মার্চ পুনরায় নতুন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষাটি নেয়া হবে। বিষয়টি প্রশ্নঘর মালিক পক্ষকে জানানো হয়েছে।
বাগবাড়ি চৌবাড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদ সভাপতি নায়েব আলী সরকার বলেন, এটি একটি অনাকাঙ্খিত ভুল। পরবর্তিতে সতর্ক থাকার কথা বলা হয়েছে। এছাড়া বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানিক কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি বলেও জানান তিনি।
এ বিষয়ে টাঙ্গাইল সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রোকেয়া খাতুন জানান, বিষয়টি আমি জানিনা। আগামীকাল সকালে প্রধান শিক্ষকের সাথে কথা বলে এর বিরুদ্ধে পরবর্তি ব্যবস্থা নিব।
একতার কণ্ঠঃ বিয়ের আশ্বাসে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলায় জামিন পেয়েছেন টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার সাবেক নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মঞ্জুর হোসেন।
সোমবার (১৩ মার্চ) দুপুরে জেলা দায়রা জজ আদালতের বিচারক শেখ আব্দুল আহাদ শুনানি শেষে জামিন মঞ্জুর করেন।
এর আগে বাসাইলের সাবেক ওই ইউএনও উচ্চ আদালত থেকে ৬ সপ্তাহের জামিনে ছিলেন। সোমবার উচ্চ আদালতের দেয়া জামিনের শেষ দিনে নিম্ন আদালতে জামিন আবেদন করলে বিচারক সেই জামিন আদেশ বহাল রেখেছেন
ইউএনও মঞ্জুর হোসেন রাজবাড়ীর পাংশা থানার চরঝিকড়ী গ্রামের বাসিন্দা। বর্তমানে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ওএসডি হিসেবে সংযুক্ত আছেন তিনি।
সম্প্রতি টাঙ্গালের বাসাইলের সাবেক ইউএনও মঞ্জুর হোসেনের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্কের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন জেলার মির্জাপুর উপজেলার এক কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী।
পরে মামলাটি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) তদন্তে প্রাথমিকভাবে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ২৩ জানুয়ারি টাঙ্গাইল সদর উপজেলা আমলি আদালতের বিচারক অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মনিরা সুলতানা তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।
টাঙ্গাইলের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) এস আকবর আলী খান জানান, ইউএনও মঞ্জুর হোসেন উচ্চ আদালত থেকে ৬ সপ্তাহের জামিনে ছিলেন। সোমবার তিনি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। পরে উভয়পক্ষের বিস্তারিত শুনানি শেষে বিচারক ইউএনওর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন পর্যন্ত জামিন মঞ্জুর করেন। এর আগে গত ৬ মার্চ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন ইউএনও। উচ্চ আদালতের জামিনের মেয়াদ থাকায় বিচারক সোমবার শুনানির ধার্য করেছিলেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, মঞ্জুর হোসেন ২০২১ সালে বাসাইলে ইউএনও হিসেবে কর্মরত থাকাকালীন ফেসবুকের মাধ্যমে মির্জাপুরের এক কলেজছাত্রীর সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে মনজুর হোসেন বিভিন্ন সময় ওই কলেজছাত্রীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করেন। তাকে নিয়ে ভারতে ভ্রমণে যান। টাঙ্গাইল শহরে বাসা ভাড়া করে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে তারা একত্রে কয়েক মাস বসবাসও করেন। পরে ওই কলেজছাত্রী বিয়ের জন্য চাপ দিলে মনজুর হোসেন তার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন।
এ ঘটনায় ২০২২ সালের ২১ জুন ওই কলেজছাত্রী আদালতে মামলা করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দেন। মামলাটি তদন্ত করে ২০২২ সালের ২৯ ডিসেম্বর পিবিআই আদালতে প্রতিবেদন জমা দেয়।
একতার কণ্ঠঃ মাধ্যমিক শিক্ষা জাতীয়করণের দাবিতে টাঙ্গাইলে শিক্ষকদের মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারক লিপি প্রদান কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
সোমবার(১৩ মার্চ) দুপুরে শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি (বিটিএ) টাঙ্গাইল জেলা শাখার উদ্যেগে দুই ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।
মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি (বিটিএ) কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্টা মীর মো. আশরাফ হোসেন, সহ-সভাপতি গোলাম রাব্বানী, শিক্ষক সমিতি (বিটিএ) টাঙ্গাইল জেলা শাখার সভাপতি শামীম আল মামুন জুয়েল, সাধারণ সম্পাদক মীর মনিরুজ্জামান, সদর উপজেলা শিক্ষক সমিতির সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন প্রমুখ।
মানববন্ধনে আন্দোলনকারীদের বহন করা প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিলো এক দফা এক দাবি জাতীয়করণ কবে করবি, শিক্ষাক্ষেত্রে বৈষম্য মানিনা মানবো না, বঙ্গবন্ধুর শিক্ষাদর্শন করতে হবে জাতীয়করণ, প্রতিষ্ঠানের আয় জমা নিন জাতীয়করণ উপহার দিন, সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান একযোগে জাতীয়করণ চাই, এক দেশে দুই শিক্ষানীতি চলবে না চলবে না, আমাদের দাবি মানতে হবে জাতীয়করণ করতে হবে।
এরপর মানববন্ধন শেষে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারক লিপি প্রদান করা হয়।
এ সময় সংগঠনের বিভিন্ন উপজেলার সভাপতি- সাধারণ সম্পাদকসহ বিপুল সংখ্যক সাধারণ শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ ঘাটাইলে মেডিকেল ক্যাম্পে বিনা পয়সায় চিকিৎসা পেলেন সহস্রাধিক মানুষ। শনিবার (১১ মার্চ) দিনব্যাপি উপজেলার দেউপাড়া ইউনিয়নের ভাবনদত্ত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও গণ উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়।
এতে প্রধান অতিথি ছিলেন টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের আওয়ামীলীগের এমপি মনোনয়ন প্রত্যাশী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদের মহাসচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ডাঃ কামরুল হাসান খান।
ক্যাম্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন- ভাবনদত্ত গণ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল মোতালেব আকন্দ, টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের সাবেক উপ-পরিচালক ও জেনারেল প্র্যাক্টিশনার শিশু আর মেডিসিন বিভাগের চিকিৎসক ডাঃ মো. সদর উদ্দিন, ভাবনদত্ত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত সহকারি শিক্ষক তাহেরুজ্জামান খান তারা, ইঞ্জিনিয়ার ফারুক হোসেন, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ টাঙ্গাইল জেলা শাখার দপ্তর সম্পাদক ডাঃ সাইফুল ইসলাম, বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক আ.ন.ম বজলুর রহমান বাহাদুর, স্থানীয় মুরুব্বী হাজী আব্দুল গফুর প্রমুখ।
আয়োজিত ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে চিকিৎসা প্রদান করেন-টাঙ্গাইল ২৫০ শষ্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের সাবেক উপ-পরিচালক ও জেনারেল প্র্যাক্টিশনার শিশু ও মেডিসিন বিভাগের ডাঃ মো. সদর উদ্দিন, মেডিসিন বিশেষজ্ঞ মো. সাইফুল ইসলাম, ডাঃ সুব্রত কুমার পাল, মেডিকেল অফিসার ডাঃ নূর-ই-আলম তাহ্মিদ, অর্থোপেডিক বিশেষজ্ঞ ডাঃ আরিফুল ইসলাম, সার্জারী বিশেষজ্ঞ ডাঃ কামরুল ইসলাম কাজল, নাক-কান-গলা বিশেষজ্ঞ ডাঃ নজরুল ইসলাম ও ডাঃ শরিফুল ইসলাম।
আয়োজিত ক্যাম্পে সন্ধানী চক্ষু হাসপাতালে চক্ষু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকগণ চক্ষু সেবা দেয়ার পাশাপাশি বহিঃবিভাগে ফ্রি ডায়াবেটিক পরীক্ষা করে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকগণ পরামর্শ প্রদান করেন।
এ বিষয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদের মহাসচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ডাঃ কামরুল হাসান খান জানান, উপজেলাবাসির দোর গোড়ায় চিকিৎসা সেবা পৌছে দিতে এই ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়েছে। আজ থেকে উপজেলায় ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম শুরু করা হলো। ধারাবাহিকভাবে প্রতিটি ইউনিয়নে এ কার্যক্রম চালানো হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (মাভাবিপ্রবি) বগুড়া এ্যাসোসিয়েশন অব এমবিএসটিইউ স্টুডেন্টস এর নতুন কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
সংগঠনটির সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন অর্থনীতি বিভাগের সাদিক আহম্মেদ (২০১৬-২০১৭ সেশন) ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী জোবায়ের দৌলা রিওন (সেশন ২০১৭-১৮) ।
শনিবার (১১ মার্চ) বিকালে বগুড়া এ্যাসোসিয়েশন অব এমবিএসটিইউ স্টুডেন্টস এর দায়িত্ব গ্রহন করেন নবনিযুক্ত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক।
এ ছাড়াও সহ-সভাপতির দায়িত্বে ইএস আরএম বিভাগের জাহিদ হাসান ও অর্থনীতি বিভাগের শাওন সরকার নির্বাচিত হন। যুগ্ম সাধারন সম্পাদক পদে শাকিল আহম্মেদ (পদার্থবিজ্ঞান), আরশাফুল ইসলাম নয়ন (ব্যবসায় প্রশাসন) ও তোফায়েল আহমেদ (পরিসংখ্যান) এবং সাংগঠনিক সম্পাদক পদে জুনায়েদ হাসান (সিএসই), সাদিয়া ফেরদৌসি (বিএমবি) , হাসিবুল হাসান (ফার্মেসী) ও ওয়াসিফ শাহরিয়ার সিরাত (আইসিটি) নির্বাচিত হন।
কমিটি গঠনে সংগঠনটির প্রধান উপদেষ্টা মাভাবিপ্রবির ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো: সিরাজুল ইসলাম ও সংগঠটির সাবেক সভাপতি এস.এম ফারহান সাজ্জাদ ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. তুহিন ইসলাম সহ অন্যান্য সদস্যবৃন্দের উপস্থিত ছিলেন।
এসময়ই নতুন কার্যনির্বাহী পরিষদ (২০২২-২৩) এর একাংশ ঘোষণা করা হয়।
সংগঠনের দায়িত্ব পাওয়া সাধারণ সম্পাদক জোবায়ের দৌলা রিওন বলেন, করোনা মহামারীর প্রাদুর্ভাবে আমাদের ক্যাম্পাস অনেক দিন বন্ধ ছিল যার জন্য আমাদের ক্যাম্পাসের প্রায় সকল এ্যাসোসিয়েশনের কার্যক্রম কিছুটা বাধার সম্মুখীন হয়েছে। আমার আহবান থাকবে নতুন কমিটির নির্বাচিত সকলের প্রতি, সবাই মিলে সংগঠনটি অনেক দূরে এগিয়ে নেওয়ার। আমার বিশ্বাস বগুড়ার সকল উপদেষ্টা শিক্ষকমহল এবং শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বগুড়া এ্যাসোসিয়েশন অফ এমবিএসটিইউ স্টুডেন্টস মাভাবিপ্রবি ক্যাম্পাসে আইডল হয়ে থাকবে।
সভাপতি সাদিক আহম্মেদ বলেন, আমি প্রথমেই ধন্যবাদ জানাতে চাই বগুড়া এ্যাসোসিয়েশনের পূর্ব কার্যনির্বাহী পরিষদের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সহ সকল সদস্যদের যারা আমাকে সংগঠনের ভবিষ্যৎ কার্যপ্রণালী চালিয়ে যাবার যোগ্য মনে করেছেন এবং বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানাই এ্যাসোসিয়েশনের প্রধান উপদেষ্টা, প্র. ড. মো: সিরাজুল ইসলাম স্যারকে। একইসাথে আমি অভিবাদন জানাই নতুন কমিটির নির্বাচিত সদস্যদের যারা সংগনের সার্বিক কাজ সুষ্ঠুভাবে পরিচালনাতে আমাকে সহযোগিতা করবেন। এবং আমন্ত্রণ জানাই বগুড়ার নবীন শিক্ষার্থীদের যারা কিনা সংগঠনকে পরিপূর্ণ করবে এবং খুঁজে পাবে নিজ এলাকার সম্পৃক্ততা। বগুড়ার সকল শিক্ষার্থী ও উপদেষ্টা শিক্ষকমহলের অবদানে, বগুড়া এ্যাসোসিয়েশন অফ এমবিএসটিইউ স্টুডেন্টস মাভাবিপ্রবি ক্যাম্পাসে গুরুত্বপূর্ণ নজির রাখবে বলে আমার বিশ্বাস।
একতার কণ্ঠঃ সরকারের পদত্যাগ, সংসদ বাতিল, নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন সহ ১০ দফা এবং গ্যাস-বিদ্যুৎ-জ্বালানি-নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য কমানোর দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করেছে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি।
শনিবার(১১ মার্চ ) সকালে দেশব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে শহরের বেপারীপাড়া শান্তিকুঞ্জ মোড় এলাকায় এ মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করা হয়।
টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীনের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ভাইস-চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান।
মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট ফরহাদ ইকবাল, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজগর আলী, শহর বিএনপির সভাপতি মেহেদী হাসান আলীম, জেলা যুবদলের আহবায়ক খন্দকার রাশেদুল আলম রাশেদ, জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি একেএম মনিরুল হক মনির, জেলা তাঁতীদলের সভাপতি শাহ আলম, জেলা মহিলা দলের সভানেত্রী নিলুফার ইয়াসমিন খান, জেলা ছাত্রদলের আহবায়ক দুর্জয় হোড় শুভ।
মানববন্ধনে বিএনপি সহ দলের অন্যান্য সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আহমেদ আযম খান বলেন, দুর্নীতি রাহুগ্রাস করে ফেলেছে তার প্রতিবাদে এই সরকারের পতনের দাবিতে আমরা দীর্ঘদিন যাবত আন্দোলন সংগ্রামে মাঠে আছি। আমাদের আন্দোলন সংগ্রাম জনগনের মুক্তির জন্য, জনগনের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্যে, আমাদের সংগ্রাম জনগনের জন্যে।
আজকে চাল, ডাল, তেলসহ সকল নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য বৃদ্ধিতে জনগণ হতাশ হয়ে পরেছে। মানুষ ভোট দিতে চায়, নির্বাচন আসে নির্বাচন যায় মানুষ ভোট দিতে পারে না।
তিনি আরো বলেন,আমারা ২০১৪ তে দেখেছি নির্বাচন ছাড়া এ সরকার ক্ষমতায় এসেছে। আবার ২০১৮তে দেখেছি দিনের ভোট আগের রাতে লুট করে নিয়ে গেছে। আবার নতুন করে সরকার ষড়যন্ত্র করছে ২০২৩ এর শেষের দিকে অথবা ২০২৪ এর প্রথম দিকে যে নির্বাচন হবে কিভাবে সেই ভোটকে লুট করে জনগনের অধিকার বঞ্চিত করা যায়। সেই ষড়যন্ত্রে লিপ্ত আছে সরকার।
একতার কণ্ঠঃ এসো হে নবীন, এগিয়ে চল অবিরাম, অন্তহীন ভোরের সুর্যের প্রথম আলো, স্বপ্নডানা মেলে জয়ের অগ্নি হৃদয়ে ঢালো এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে টাঙ্গাইলের সদর উপজেলার বানিজ্যিক এলাকা করটিয়া এইচ এম স্কুল অ্যান্ড কলেজে নবীন বরণের মাধ্যমে কলেজে ভর্তি হওয়া নতুন ছাত্র-ছাত্রীদের বরণ করে নেয়া হয়েছে।
শুক্রবার (১১ মার্চ) দুপুরে স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে নতুন ছাত্র-ছাত্রীদের নানা ধরনের আনুষ্ঠানিকতায় বরণ করা হয়।
প্রতিষ্ঠানটির গভর্নিং বডির সভাপতি ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মো. আনোয়ার হোসেন তালুকদারের সভাপতিত্বে স্বাগতিক বক্তব্য রাখেন, কলেজের অধ্যক্ষ মো. আবুল কালাম আজাদ।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সাংসদ ছানোয়ার হোসেন।
বিশেষ অতিথি ছিলেন, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী,মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শামীমা আক্তার, করটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা খালেকুজ্জামান চৌধুরী মজনু, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহীম আনছারী প্রমুখ।
অনুষ্ঠান টি সঞ্চালনা করেন, কলেজের সহকারী অধ্যাপক মো. শহিদুল ইসলাম ও প্রভাষক মো. সোলায়মান দেওয়ান।
এসময় প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক মণ্ডলী, ছাত্র-ছাত্রী ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
পরে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে স্কুল অ্যান্ড কলেজের সহকারী শিক্ষক বিমল চন্দ্র সুত্র ধর সহ অনেক শিল্পী গান পরিবেশন করেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) শিক্ষার্থীরা সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ সড়কের দাবিতে রাস্তায় নেমে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন।
শনিবার (১১ মার্চ) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনের কাগমারী-চারাবাড়ী সড়ক ৩ ঘন্টা অবরোধ করে এই কর্মসূচি পালন করেন তারা।
কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীরা- কাগমারী মোড় ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রধান ফটকে পুলিশ বক্স স্থাপন, গতিরোধক ও জেব্রা ক্রসিং ব্যবস্থা, প্রধান ফটক থেকে দ্বিতীয় গেটে পর্যন্ত ফুটপাত স্থাপন ও বিশ্ববিদ্যালয় দিঘী সংলগ্ন দোকান অপসারণ এবং বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী ইমনকে ধাক্কা দেওয়া সিএনজি অটোরিকশা চালকের বিচারসহ ৫ দফা দাবি জানান তারা।
এই কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মো. ফরহাদ হোসেন সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য দেন।
তিনি বলেন, ‘আমি তোমাদের দাবির সঙ্গে একমত। আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করব। এছাড়া সিএনজি চালকসহ দুর্ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শাস্তির আওতায় আনার জন্য আইনের আশ্রয় নেব।
কর্মসূচিতে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের চেয়ারম্যান মো. মুছা মিয়া, ছাত্রলীগ নেতা মানিক শীল ও হুমায়ূন কবির।
প্রসঙ্গত, গত বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় গেটের কাছে গণিত বিভাগের প্রথম বর্ষের প্রথম সেমিস্টারের শিক্ষার্থী মো. ইমন সিএনজি অটোরিকশার চাপায় আহত হন। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করা হয়। সেখানে ইমনের মাথায় রক্তক্ষরণের অপারেশন করা হয়।