সাহান হাসান (বার্তা-সম্পাদক)

টাঙ্গাইলে ট্রাক চাপায় বাকপ্রতিবন্ধী যুবক নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ট্রাক চাপায় বাকপ্রতিবন্ধী যুবক নিহত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে কাজে যাওয়ার সময় ড্রাম ট্রাকের চাপায় মো. সোহাগ (২৫) নামে বাকপ্রতিবন্ধী এক নির্মাণ শ্রমিক নিহত হয়েছেন। এছাড়া এ ঘটনায় আরও চারজন আহত হয়েছে।

মঙ্গলবার (০৩ জানুয়ারি) সকলে ঘাটাইল পশ্চিমপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত সোহাগ উপজেলার জামুরিয়া ইউনিয়নের ছোনোটিয়া গ্রামের আসাদ মিয়ার ছেলে। তিনি রাজমিস্ত্রির সহকারি হিসেবে কাজ করতেন।

স্থানীয়রা জানান, সোহাগসহ পাঁচজন ভ্যানে করে সকালে কাজে যাচ্ছিল। তারা শিশু পার্কের সামনে পৌঁছলে অপর দিক থেকে আসা ড্রাম ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই সোহাগের মৃত্যু হয়। এছাড়া আহত অপর চারজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ঘাটাইল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. হাফিজ জানান, মরদেহের সুরতহাল করা হচ্ছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. জানুয়ারী ২০২৩ ০৫:১৮:পিএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ফেনসিডিল সহ দুই কিশোর আটক - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ফেনসিডিল সহ দুই কিশোর আটক

একতার কণ্ঠঃ বঙ্গবন্ধু সেতু-ঢাকা মহাসড়কে টাঙ্গাইল শহরের রাবনা বাইপাসে শনিবার(২৯ অক্টোবর) রাতে অভিযান চালিয়ে ১১৯ বোতল ফেনসিডিল সহ দুই কিশোরকে আটক করেছে র‌্যাব।

রবিবার (৩০ অক্টোবর) দুপুরে র‌্যাব-১২ এক প্রেসবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

আটককৃত কিশোরদ্বয় হচ্ছেন- ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুর থানার মারাধার গ্রামের এজাবুল ইসলামের ছেলে মো. বায়োজিদ(১৬) ও একই এলাকার মৃত শাহিন ইসলামের ছেলে মো. সবুজ ইসলাম(১৪)।

তারা ঠাকুরগাঁও জেলা শহরের ২ নম্বর ওয়ার্ডের আসলামপাড়া এলাকায় ভাড়া থাকতেন।

র‌্যাব-১২ জানায়, গোপনে খবর পেয়ে সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী কমান্ডার সিনিয়র এএসপি মো. এরশাদুর রহমানের নেতৃত্বে একদল র‌্যাব সদস্য শনিবার রাতে টাঙ্গাইল শহরের রাবনা বাইপাসে একটি সিএনজি পাম্পের পাশে অভিযান চালায়।

অভিযানে ১১৯ বোতল বিক্রি নিষিদ্ধ ভারতীয় ফেনসিডিল সহ উল্লেখিত কিশোরদের আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে দুইটি মোবাইলও জব্দ করা হয়।

র‌্যাব-১২ আরও জানায়, আটককৃত কিশোরদের নামে টাঙ্গাইল সদর থানায় মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. অক্টোবর ২০২২ ০৭:৫৫:পিএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে নেশা করতে বাধা দেওয়ায় খুন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে নেশা করতে বাধা দেওয়ায় খুন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে নেশা করতে বাধা দেওয়ায় সুলতান হোসেন স্বপন(৫৫) নামে এক ব্যক্তিকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছে মাদকাসক্তরা। এ ঘটনায় আজমির হোসেন(২৫) নামে আরও এক জনকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

শনিবার(২৯ অক্টোবর) দিনগত রাতে নাগরপুরের গয়হাটা ইউনিয়নের ঘুনি সিংজোড়া বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত সুলতান হোসেন স্বপন নাগরপুর উপজেলার গয়হাটা ইউনিয়নের শ্যামপুর গ্রামের মৃত আব্দুল হামিদের ছেলে।

পুলিশ জানায়, স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ে শনিবার সন্ধ্যায় স্থানীয় যুবক রানা, আলি, সোলাইমান ও আনোয়ারসহ কয়েক যুবক মিলে গাজা সেবন করছিল। বিষয়টি স্বপন তাদের আভিভাবকদের জানায়। এক পর্যায়ে স্বপন সিংজোড়া বাজারের বাসু মিয়ার চায়ের দোকানে গেলে মাদকাসক্তরা তাকে ছুরিকাঘাত করে।

এসময় ওই দোকানে থাকা আজমির বাধা দিলে তাকেও ছুরিকাঘাত করে মাদকাসক্তরা পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা তাদের দুজনকে উদ্ধার করে নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক স্বপনকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত আজমিরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) সাজ্জাদ হোসেন জানান, হত্যার ঘটনায় সুলতান হোসেন স্বপনের আত্মীয়রা মামলার প্রস্তুতি নিয়েছেন। এ ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. অক্টোবর ২০২২ ০৭:০১:পিএম ১ বছর আগে
আক্রান্তদের চোখের দিকে তাকালেই কি ‘চোখ ওঠে’? - Ekotar Kantho

আক্রান্তদের চোখের দিকে তাকালেই কি ‘চোখ ওঠে’?

একতার কণ্ঠঃ রাজধানীসহ সারা দেশে হঠাৎ করেই কনজাংটিভাইটিস রোগের প্রকোপ বেড়েছে। সাধারণ মানুষের কাছে এটি ‘চোখ ওঠা’ রোগ নামে পরিচিত। দেশের নানা প্রান্তে চোখের এ সমস্যা নিয়ে হাসপাতালগুলোতে ভিড় করছেন রোগীরা।

তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেন, করোনার এ সময় চোখ ওঠা নিয়ে আরও সতর্ক হতে হবে। কারণ করোনার সংক্রমণে কারও কারও চোখে প্রদাহ হতে দেখা যাচ্ছে। কাজেই এ সময় চোখ উঠলে করোনার অন্য উপসর্গ রয়েছে কি না, তা খেয়াল করতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে প্রয়োজনে করোনার পরীক্ষা করাতে হবে।

চোখের এই রোগ মূলত ভাইরাসজনিত একটি সমস্যা। রোগটি হলে কারও কারও কোনো চিকিৎসা ছাড়া এমনিতেই ভালো হয়ে যায়। সাধারণ চোখ ওঠা এক থেকে তিন সপ্তাহে সেরে যায়। আবার কারও চিকিৎসা প্রয়োজন হয়।

এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির দুই চোখ অথবা এক চোখ লাল বা গোলাপী হয়ে যায়। চোখে পুঁজের মতো জমা হয়, চোখ থেকে পানি ঝরে, চোখ জ্বালাপোড়া করে।

চোখ ওঠা একটি সংক্রামক রোগ। এই রোগ নিয়ে অনেকের মনে এমন একটি ধারণা রয়েছে যে, চোখ ওঠা রোগে আক্রান্ত কোনো ব্যক্তির চোখের দিকে তাকালে সুস্থ ব্যক্তিরও চোখ ওঠে।

আসলেই কি তাই? এর উত্তর দিয়েছে আমেরিকান অ্যাকাডেমি অব অপথ্যালমোলজি। প্রতিষ্ঠানটি তাদের ওয়েবসাইটে বলেছে, জীবাণু আলোকরশ্মির সাহায্যে এক ব্যক্তি থেকে আরেক ব্যক্তি পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে না। কনজাংটিভাইটিস সাধারণত আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শের মাধ্যমে ছড়ায়।

অর্থাৎ এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি তার চোখ স্পর্শ করার পর সেই হাত দিয়ে কোনো একটি জিনিস স্পর্শ করলে এবং পরবর্তীতে সে জিনিসটি যদি অন্য কেউ স্পর্শ করে ও নিজের চোখে হাত দেয়, তাহলে সুস্থ ব্যক্তিটিও এই রোগে আক্রান্ত হয়।

চোখ ওঠা মারাত্মক ছোঁয়াচে একটি রোগ। আমেরিকান অ্যাকাডেমি অব অপথ্যালমোলজির তথ্য বলছে, এই রোগের ভাইরাস হাঁচি বা কাশির মাধ্যমেও ছড়াতে পারে। রোগীর ব্যবহার্য রুমাল, তোয়ালে, বালিশ, টিস্যু অন্যরা ব্যবহার করলে তারা আক্রান্ত হতে পারে।

চোখ ওঠা ব্যক্তির চোখের দিকে তাকালে সুস্থ ব্যক্তির চোখ ওঠে বলে প্রচলিত যে ধারণা রয়েছে, তা পুরোপরি ভ্রান্ত ধারণা।

সম্প্রতি হেলথ লাইনের প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই রোগে চোখ দিয়ে পানি পড়ে ও চোখে অস্বস্তি বোধ হয়। চোখ স্পর্শ বা মোছার পরে হাত ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে। হাত না ধুয়ে কোনো কিছু স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকতে হবে। কোনোমতেই চোখ চুলকানো যাবে না। এই রোগের সময় বাইরে না যাওয়াই ভালো। বাইরে গেলে চোখে কালো চশমা পরে নিলে রোগী আরাম বোধ করবেন। বেশি অস্বস্তিবোধ করলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেন, করোনার এ সময় চোখ ওঠা নিয়ে আরও সতর্ক হতে হবে। কারণ করোনার সংক্রমণে কারও কারও চোখে প্রদাহ হতে দেখা যাচ্ছে। কাজেই এ সময় চোখ উঠলে করোনার অন্য উপসর্গ রয়েছে কি না, তা খেয়াল করতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে প্রয়োজনে করোনার পরীক্ষা করাতে হবে।

সংবাদ সূত্র – সময় টিভি

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. অক্টোবর ২০২২ ০৮:৪৩:এএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে “জিনের বাদশা” গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে “জিনের বাদশা” গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে কথিত “জিনের বাদশা” জাহাঙ্গীর হোসেন (২২) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছেন বাসাইল থানা পুলিশ।

মঙ্গলবার(২০ সেপ্টেম্বর) রাতে উপজেলার কাশিল ইউনিয়নের দাপনাজোর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত জাহাঙ্গীর হোসেন কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া এলাকার আমীর হোসেনের ছেলে।

পুলিশ জানায়,কথিত জিনের বাদশা জাহাঙ্গীর বাসাইলের এক মেয়ের কাছে থেকে প্রতারণা করে টাকা হাতিয়ে নেয়।মেয়েটির বিয়ের পর সংসার ভেঙ্গে যায়।পরে মেয়েটি অন্য একটি ছেলের সাথে সম্পর্কে জড়ায়।সেই সম্পর্কটাও ভেঙ্গে যাওয়ার পথে।এমন অবস্থায় মেয়েটির ফেইসবুক আইডিতে কবিরাজ বাড়ি নামে একটি আইডি আসে।সেখানে যোগাযোগ করে মেয়েটি।কথিত জিনের বাদশা ছেলের সাথে সম্পর্ক ঠিক করে দিবে বলে মেয়েটির কাছে থেকে প্রথমে পাঁচ হাজার টাকা নেয়।বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে টাকা নিতে থাকে। প্রতারণা করে মেয়েটির কাছে থেকে ত্রিশ হাজার টাকা নেয়।

পুলিশ আরো জানায়, কথিত জিনের বাদশা জাহাঙ্গীর মেয়েটিকে বলে প্রেমিকের সাথে সম্পর্ক ঠিক করতে হলে নগ্ন ছবি লাগবে।মেয়েটি বিশ্বাস করে কথিত জিনের বাদশা জাহাঙ্গীরকে ছবি দেয়।পুনরায় টাকার দাবি করে, মেয়েটি টাকা দিতে না চাইলে জাহাঙ্গীর বলে তোমার প্রেমিককে জিনে বান দিয়ে মেরে ফেলবে।তোমার বিয়ে হলেও কোন সন্তান হবে না বলে জিনের বাদশা।মেয়েটিকে বিভিন্ন ভাবে ভয়ভীতি দেখাতে থাকে।মেয়েটি বুঝতে পেরে বাসাইল থানা পুলিশকে জানায়।পরে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে বাসাইল থানা পুলিশ দাপনাজোর এলাকা থেকে কথিত জিনের বাদশা জাহাঙ্গীর হোসেনকে গ্রেপ্তার করে।

এ বিষয়ে বাসাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, মঙ্গলবার রাতে কথিত জিনের বাদশা জাহাঙ্গীরকে বাসাইলের দাপনাজোর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।জিনের বাদশা জাহাঙ্গীর বিভিন্ন ভাবে কম বয়সী মেয়েদের প্রলোভন দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নিতো।জাহাঙ্গীর তিন বছর প্রশিক্ষণ নিয়ে প্রতারণার কাজ শুরু করে।জিনের বাদশার মূল টার্গেট ছিল মেয়ে মানুষ।শুধু একজন মেয়ে না আরও তিন-চারজন মেয়ের কাছে থেকে বিভিন্ন কাজের নাম করে বিকাশের মাধ্যমে টাকা হাতিয়ে নেয় কথিত জিনের বাদশা।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৭:২৩:পিএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মহাসড়কে অপরাধ ঠেকাতে চেকপোষ্ট ও পুলিশি টহল জোরদার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মহাসড়কে অপরাধ ঠেকাতে চেকপোষ্ট ও পুলিশি টহল জোরদার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে যাত্রীবাহী বাসে ডাকাতি ও নারী যাত্রীকে গণধর্ষণের ঘটনার পর থেকেই নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। এ কারণে যাত্রীদের নির্বিঘ্নে গন্তব্যে পৌঁছানো নিশ্চিত করতে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের টাঙ্গাইল অংশে চারটি স্থায়ী চেকপোস্ট বসানো হয়েছে।

এছাড়া জেলার মধুপুর, ঘাটাইল, কালিহাতী, সখীপুর এবং মির্জাপুর উপজেলার ১৬টি স্থানে প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে।

জানা গেছে, টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়কের মধুপুর বনাঞ্চলের নির্জন এলাকায় গত ১৩ বছরে চারবার চলন্ত বাসে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় তিনজন ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। খুন হয়েছেন দুই নারী। এর বাইরেও ছোটখাটো অনেক ঘটনা ঘটেছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গত ২ আগস্ট কুষ্টিয়া থেকে ঈগল এক্সপ্রেস পরিবহনের একটি বাস রাত সাড়ে ৮টার দিকে ঢাকার দিকে যাত্রা শুরু করে। রাতে নির্দিষ্ট স্টপেজ ছাড়া অন্য কোনো স্থান থেকে যাত্রী ওঠানোর নিয়ম না থাকলেও রাত ১১টায় সিরাজগঞ্জ থেকে প্রথমে চারজন এবং পরে দুই বার তিনজন করে ছয়জন বাসে ওঠেন। বাসটি বঙ্গবন্ধু সেতুর টোলপ্লাজা পার হওয়ার পর ১০ জন ডাকাত অস্ত্রের মুখে বাসের ২৪ যাত্রীকে জিম্মি করে। এসময় ডাকাতরা অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে যাত্রীদের মোবাইল ফোন, স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুটে নেয়। একই সঙ্গে তারা এক নারী যাত্রীকে ধর্ষণ করে। পরে খবর পেয়ে যাত্রীদের উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় অভিযুক্ত ডাকাত দলের ১১ সদস্যকে গ্রেপ্তার করে আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্যরা।

এদিকে মহাসড়কের টাঙ্গাইল অংশে ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের অপরাধ সংঘঠিত না হয় এজন্য স্থায়ী চেকপোষ্ট ও আঞ্চলিক সড়কগুলোতে ১৬টি স্থানে যাত্রীবাহী বাস, গরু ভর্তি ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহন থামিয়ে তল্লাশি এবং ভিডিও ধারণ করে রাখা হচ্ছে।

টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মো. শরফুদ্দীন জানান, সাধারণ যাত্রীরা যাতে নির্বিঘ্নে যাতায়াত করতে পারেন সে জন্য সড়কের বিভিন্ন অংশে চেকপোষ্ট স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া নিয়মিত পুলিশ টহল জোড়দার করা হয়েছে।

তিনি আরো জানান,এর মধ্যে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের গোলচত্বর এলাকা,আনালিয়াবাড়ি, এলেঙ্গা মোড়, ভুয়াপুর লিংরোড, আশেকপুর, বাসাইল বাইপাস, পাকুল্লা, নাটিয়াপাড়া, দেওহাটা ওভার ব্রিজের পাশে, মির্জাপুর থানা মোড়, গোড়াই আন্ডারপাস সঙ্গে বাঁশতৈল হাটুভাঙ্গা রোড, মধুপুর, ঘাটাইল ও হামিদপুরে পুলিশ টহল বাড়ানো হয়েছে।

ময়মনসিংহগামী প্রান্তিক পরিবহনের যাত্রী সোলায়মান হাসান জানান, ব্যবসার জন্য সপ্তাহে অন্তত দুইদিন টাঙ্গাইল আসতে হয়। বর্তমানে সড়কের বিভিন্ন স্থানে পুলিশি টহল ও চেকপোষ্ট স্থাপন করায় আগের চেয়ে এখন বেশ নিরাপদে বাসে যাতায়াত করতে পারছেন।

বিনিময় পরিবহনের নারী যাত্রী আকলিমা আক্তার বিথী জানান, তিনি টাঙ্গাইল শহরে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। প্রতি সপ্তাহে বৃহস্পতিবার অফিসের কাজ শেষ করে তিনি গ্রামের বাড়ি ধনবাড়িতে যান। মহাসড়কের এলেঙ্গা লিংক রোডের পর পুরো রাস্তায়ই নেই কোনো সড়ক বাতি। চারিদিকে অন্ধকার। এছাড়া ছিল না কোনো পুলিশি টহল। এ কারণে আগে অনেক সময় মনের ভেতর ভয় থাকতো। এখন সেটা অনেকাংশে দূর হয়েছে।

টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার জানান, নির্দিষ্ট রুটের বাস অন্য রুটে প্রবেশ করলেই সেটি তল্লাশি করা হচ্ছে। পাশাপাশি সেই বাসটির সব যাত্রী ও চালকের ভিডিও করে রাখা হচ্ছে। যেন নির্দিষ্ট স্থান ছাড়া বাসে কোনো যাত্রী উঠানামা না করানো হয় সে জন্য বাস চালকদের সচেতন হতে হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. অগাস্ট ২০২২ ০৯:৩১:পিএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ইউএনওর হস্তক্ষেপে বাল‍্য বিয়ে বন্ধ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ইউএনওর হস্তক্ষেপে বাল‍্য বিয়ে বন্ধ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারজানা আলমের হস্তক্ষেপে সোনালী আক্তার (১৪) নামে নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর বাল্য বিয়ে বন্ধ হয়েছে। সে স্থানীয়  বংকী পাবলিক উচ্চ বিদ‍্যালয়ের শিক্ষার্থী।

জানা যায়, শুক্রবার (২৬ আগস্ট) পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ফজরচালা এলাকার সহিদ মিয়ার মেয়ের সঙ্গে উপজেলার যাদবপুর এলাকার আজাহার মিয়ার ছেলে পুলিশ সদস‍্য আলামিনের বিয়ের প্রস্তুতি চলছিলো।

গোপনসংবাদ পেয়ে ইউএনও প্রথমে স্থানীয় কাউন্সিলরকে পাঠিয়ে বিয়ের প্রস্তুতি বন্ধ করেন। ঘন্টাখানেক পরে গোপনে ফের বিয়ের কার্যক্রম শুধু করলে পরে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা বিয়ে বাড়িতে উপস্থিত হয়ে পুনরায় সতর্ক করে আসেন। পরে বিয়ে না দেওয়ার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়ে ইউএনওকে মুচলেকা দেওয়ার শর্তে বিয়ে বন্ধ করা হয়।

৯নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আবু সাঈদ মিয়া জানান, ইউএনওর নির্দেশ পেয়ে আমি ওই বাড়িতে গিয়ে দেখি রান্না-বান্নার আয়োজন চলছে। বর পক্ষের লোকজনও সেখানে উপস্থিত আছেন। ইউএনও স‍্যারের নির্দেশে বিয়ে বন্ধ করে দেই।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ফারজানা আলম জানান, প্রাপ্ত বয়স না হওয়ার আগে বিয়ে না দেওয়ার শর্তে মুচলেকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি নিয়ে বিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. অগাস্ট ২০২২ ০৭:০৯:পিএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে গলায় ফাঁস লেগে প্রথম শ্রেণীর ছাত্রীর মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে গলায় ফাঁস লেগে প্রথম শ্রেণীর ছাত্রীর মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে গামছা দিয়ে খেলতে গিয়ে গলায় ফাঁস লেগে প্রাণ গেলো ৭ বছরের শিশু ফাতিমার।

মঙ্গলবার (২৩ আগষ্ট) সন্ধ্যায় মর্মান্তিক এ ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার অলোয়া ইউনিয়নের দড়িপাড়া নিকলা গ্রামে।

ফাতিমা ওই গ্রামের দুলাল হোসেনের মেয়ে। সে স্থানীয় দড়িপাড়া নিকলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ফাতিমা ঘরের মধ্যে গামছা দিয়ে খেলছিল। এ সময় শিশুটির মা হাওয়া বেগম রান্নার কাজে ব্যস্ত ছিলেন। পরে তিনি ঘরে গিয়ে দেখেন তার মেয়ে গামছাসহ ঝুলে রয়েছে। সেখান থেকে দ্রুত নামিয়ে শিশুটিকে ভূঞাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।তিন বোনের মধ্যে ফাতিমা ছিল সবার ছোট। তার বাবা দুলাল হোসেন স্থানীয় ইটভাটার শ্রমিক। এ ঘটনায় পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

এ বিষয়ে ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম জানান, লাশ উদ্ধার করে মঙ্গলবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট হাতে পেলে মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৫. অগাস্ট ২০২২ ০১:৪৩:এএম ১ বছর আগে
সয়াবিন তেলের দাম আবারও বাড়ল - Ekotar Kantho

সয়াবিন তেলের দাম আবারও বাড়ল

একতার কণ্ঠঃ আবারও বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ৭ টাকা বাড়ানো হয়েছে। এ নিয়ে সয়াবিন তেলের দাম লিটার প্রতি দাঁড়াল ১৯২ টাকা।

মঙ্গলবার (২৩ আগস্ট) থেকে এ নতুন দাম কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে মিলমালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন।

নতুন দাম অনুযায়ী, ১ লিটার খোলা সয়াবিন তেলের দাম ৯ টাকা বেড়ে ১৭৫ টাকা, ১ লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ৭ টাকা বেড়ে ১৯২ টাকা, ৫ লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ৯৪৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে ১ লিটার খোলা পাম তেলের দাম ৭ টাকা কমিয়ে ১৪৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে গত ৩ আগস্ট সয়াবিন তেলের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছিল মিলমালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন।

দাম বাড়ানোর এ প্রস্তাব ৩ আগস্ট বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনকে (বিটিটিসি) দিয়েছে সংগঠনটি। এতে প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেলের দাম ১৮০ টাকা, এক লিটারের বোতল সয়াবিন তেলের দাম ২০৫ টাকা এবং পাঁচ লিটারের বোতল ৯৬০ টাকা করার কথা বলা হয়েছিল।

এ বছর বোতলজাত সয়াবিন তেল সর্বোচ্চ লিটারে ২০৫ টাকায় বিক্রি হয়েছিল। সম্প্রতি ভোজ্যতেলটির দাম দুই দফায় ২০ টাকা কমিয়েছে তেল কোম্পানিগুলো। এর মধ্যে সর্বশেষ গত ২১ জুলাই লিটারপ্রতি দর ১৪ টাকা কমানো হয়। সে সময়ে ১ লিটার খোলা সয়াবিন তেলের দাম ১৬৬ টাকা এবং ১ লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ১৮৫ টাকা করা হয়। ৫ লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ৯১০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। এছাড়া সেসময়েও পাম তেলের দাম ৬ টাকা কমিয়ে ১৫২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

সংবাদ সূত্র – “সময় টিভি” অনলাইন 

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৩. অগাস্ট ২০২২ ০৭:৩৯:পিএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে দুই নারীসহ চার গরুচোর আটক - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে দুই নারীসহ চার গরুচোর আটক

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে গরু চুরি করে নিয়ে পালানোর সময় গরুসহ একটি সিএনজি ও চার চোরকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে স্থানীয়রা।

সোমবার (২২ আগস্ট) বিকালে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার লক্ষিন্দর ইউনিয়নের আবেদআলী গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে।

আটককৃতরা হলেন- টাঙ্গাইল সদর উপজেলার পাথুলিয়া ভবানীপুর গ্রামের ওয়াসীম আলীর স্ত্রী নূরজাহান বেগম (৩৮), বড় দিঘুলিয়া গ্রামের আনোয়ার হোসেনর স্ত্রী সালমা বেগম (৪০), সুরুজ বড়রিয়া গ্রামের হাকিম মন্ডলের ছেলে শরীফ মন্ডল (৩২) ও তারুটিয়া গ্রামের নয়ন খানের ছেলে জহিরুল খান (২৫)।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, উপজেলার আবেদআলী গ্রামের আলাল উদ্দিনের একটি ষাড় বাছুর সড়কের পাশে বাড়ির আঙিনায় বাধা ছিল। একজন মহিলা বাছুরটির বাধন খুলে সিএনজি চালিত অটোরিকশায় তোলে নিয়ে যাওয়ার সময় এলাকাবাসীর নজরে আসে। তখন স্থানীয় জনতা সিএনজি সহ চার গরু চোরকে আটক করে। বিক্ষুব্ধ জনতা মারধর শুরু করলে ধৃতরা গরু চুরির কথা স্বীকার করেন । পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে গরু সহ তাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

ঘাটাইল সাগরদিঘি তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মুহাম্মদ দুলাল আকন্দ জানান, আটকৃত চোরদের জিজ্ঞাসা চলছে, মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৩. অগাস্ট ২০২২ ০৬:১২:পিএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে গৃহবধূর আত্মহত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে গৃহবধূর আত্মহত্যা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে বিয়ের ২৩ দিনের মাথায় ২০ বছরের এক যুবতী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।

রবিবার (২১ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার কোনাবাড়ি এলাকায় বাবার বাড়িতে ঘরের ধর্নার সাথে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেন।

নিহত গৃহবধূ আশা আক্তার (২০) ওই গ্রামের আরশেদ আলীর মেয়ে।

পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৩ দিন আগে উপজেলা সদরের দুয়াজানি গ্রামের মো. সজীব আহাম্মেদের সাথে বিয়ে হয়েছিল আশা আক্তারের । সম্প্রতি আশা তার বাবার বাড়িতে আসেন।

রবিবার দুপুরে আশার ভাই তাকে খাওয়ার জন্য ডাকতে গেলে আশার ঘরটি ভিতর থেকে বন্ধ পায়। ডাকাডাকি করে কোন সাড়া না পেয়ে এক পর্যায়ে ঘরের দরজা ভেঙ্গে ধর্নার সাথে আশাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায়।

পরে দ্রুত তাকে উদ্ধার করে নাগরপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ বিষয় নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাজ্জাদ হোসেন জানান, এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর(ইউপি) মামলা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পাওয়ার পর আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। এছাড়াও এ বিষয়ে তদন্ত চলমান রয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৩. অগাস্ট ২০২২ ০২:২৭:এএম ২ বছর আগে
টানা বসে থেকে কোমর ব্যথা, কী করবেন? - Ekotar Kantho

টানা বসে থেকে কোমর ব্যথা, কী করবেন?

একতার কণ্ঠঃ অনেকেই আছেন যারা দিনের ১২-১৪ ঘণ্টা কাটিয়ে দেন অফিসঘরে। বাংলাদেশের ব্যাংকারদের উপর পরিচালিত একটি গবেষণা জানাচ্ছে যে, যারা বেশি সময় অফিসে বসে কাজ করেন তাদের ঘাড়, কোমর, হাটু বা কাঁধ ব্যথা হবার প্রবণতা যারা কম সময় বসে থাকেন তাদের চেয়ে অনেক অনেক বেশি। এক কথায় যাকে বলা যায় অফিস সিনড্রোম।

অফিসে টানা বসে থেকে কোমর ব্যথা থেকে উপশমের উপায় নিয়ে লিখেছেন উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ফিজিওথেরাপি বিভাগীয় প্রধান ডা. মোহাম্মদ আলী।

মানুষ জন্মগত ভাবেই নড়াচড়া প্রবণ জীব। মানব সৃষ্টির শুরু থেকেই আহার সংগ্রহে মানুষ শারীরিক শ্রম দিত। একটি শিকার করতে আমাদের পূর্ব পুরুষরা বিপুল শারীরিক শক্তি ব্যয় করত। কিন্তু আমাদের আধুনিক জীবন অনেকটাই মেধা নির্ভর। চেয়ার- টেবিল বা কম্পিউটার-মোবাইলের সামনে বসেই বেশিরভাগ সময় কাটে আমাদের। ফলশ্রুতিতে হাড়-মাংসপেশিতে আসে জড়তা। বাইরে সূর্যের আলোতে কম আসাতে আমাদের শরীরে দেখা দেয় ভিটামিন-ডি’র ঘাটতি। সব মিলিয়ে স্থবির থাকতে থাকতে আমাদের শরীর ক্লান্ত হয়ে পড়ে। মাংসপেশি ও হাড়ের জড়তা প্রকাশ পায় ব্যথার মাধ্যমে। হাড়ের ক্ষয়, মাংসপেশির দূর্বলতাজনিত ব্যথা জেকে বসে আমাদের শরীরে।

একসময় ভাবা হত যারা ভারি কাজ করেন, অস্বস্থিকর ভঙ্গিমায় বসে বা দাঁড়িয়ে থাকেন কেবল তাদেরই ঘাড়-কোমর ব্যথা বেশি হয়ে থাকে। কিন্তু আধুনিক কালের গবেষণা বলছে ভিন্ন কথা; প্রকৃতপক্ষে যারা দীর্ঘ সময় একই ভংগিমায় কাজ করেন তাদেরই ব্যথাজনিত শারীরিক সমস্যা বেশি হয়। অনেকেই ভাবেন, খুব আধুনিক চেয়ারে বসে ১২-১৪ ঘণ্টা টানা কাজ করলেও ঘাড় বা কোমর ব্যথায় আক্রান্ত হবার সম্ভবনা নেই। বিষয়টি কিন্তু তেমন নয়; আসলে আপনি একই ভংগিমায় কতক্ষণ কাজ করলেন সেটাই সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ অর্থাৎ ভংগিমা যে কোন রকম হতে পারে, ব্যথামুক্ত থাকার শর্ত হলো সেই ভংগিমায় বেশিক্ষন থাকা যাবে না।

পরিত্রাণের উপায় কী?

প্রথম শর্ত হলো, একভাবে বেশিক্ষণ দাঁড়িয়ে বা বসে থাকা যাবে না। প্রতি একঘন্টায় এক মিনিটের জন্য হলেও পজিশন পরিবর্তন করতে হবে। সুযোগ থাকলে হালকা স্ট্রেচিং করা যেতে পারে। কিছু খুব সাধারণ অথচ বিশেষ ব্যায়াম আছে যা অফিসের চেয়ারে বসেই করা যায়, সেগুলো জানতে হবে। যারা ইতোমধ্যেই ব্যথায় আক্রান্ত তারা বিশেষজ্ঞের সাথে পরামর্শ করুন।

দ্বিতীয়ত, আপনার মোবিলিটি বা নাড়াচাড়া বাড়াতে হবে। একটি শ্লোগান মনে রাখা দরকার, ‘সুস্থ থাকতে হাটতে হবে’। অনেকেই অজুহাত দেন যে তাদের হাটার সময় নেই। কিন্তু আপনি চাইলেই হাটতে পারেন। যেমন ধরুন অফিস থেকে বাসায় ফিরতে যেটুকু রাস্তা রিক্সায় আসেন সেটুকু আজ থেকে হেটে আসুন অথবা সাধের প্রাইভেট কারটা গ্যারেজে রেখে হেটে অফিস করুন, দেখবেন অর্থও সাশ্রয় হচ্ছে সাথে ভালো থাকছে শরীর ও মন।

পরিশেষে, প্রায়ই বেরিয়ে পড়ুন এডভেঞ্চারে। হাতে সময় কম থাকলে আশেপাশের টুরিস্ট স্পট ভিজিট করুন। সাঁতার কাটুন, দৌড়ান বা হিল ট্রাকিং করুন। শারীরিকশ্রমের সাথে সাথে পাবেন সূর্যের ভিটামিন ডি। মনে রাখুন, আমাদের পূর্বপূরুষদের সবকিছুই ছিলো শারীরিক শ্রম নির্ভর। আপনিও এই জেনেটিক্সের বাইরের কেউ নন!

সূত্র- যুগান্তর অনলাইন

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. অগাস্ট ২০২২ ০৬:৩৯:পিএম ২ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।