একতার কণ্ঠঃ রবিবার(২৬ ডিসেম্বর) অনুষ্ঠিত চতুর্থ ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার গালা ইউনিয়নের ৯ নং ওর্য়াডে মেম্বার নির্বাচিত হয়েছেন হাবেল তালুকদার।
জেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে বেসরকারি ফলাফলে জানা যায়, গালা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডটি গালার চর গ্রাম নিয়ে গঠিত। গালার চর কেন্দ্রের মোট ভোটার সংখ্যা ২৫৬০ জন। এদের মধ্যে ২০৬৯ ভোটার রবিার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।
প্রদত্ত ভোটের মধ্যে হাবেল তালুকদার ‘তালা’ প্রতীক নিয়ে ১৩৭৬ ভোট পান । তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধী মোঃ মাজম আলী ‘মোরগমাকার্’ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৬৯৩ ভোট।হাবেল তালুকদার তার প্রতিদ্বন্ধী প্রার্থীর চেয়ে ৬৯২ ভোট বেশি পেয়ে মেম্বার নির্বাচিত হয়েছেন।
এ প্রসঙ্গে হাবেল তালুকদার বলেন, গালা ইউনিয়নের ৯নং ওর্য়াডের গালা চরের সকল গ্রামবাসীকে আমাকে নির্বাচিত করার জন্য ধন্যবাদ। আমি গালার চরের উন্নয়নে নিজেকে সর্বদা নিয়োজিত রাখতে চাই।
প্রসঙ্গত, বেসরকারি ফলাফলে গালা ইউনিয়নে চেয়ারম্যানপদে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. নজরুল ইসলাম খান ‘মোটরসাইকেল’ মার্কা নিয়ে ১১০০৮ ভোট পেয়ে বেসরকারী ভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধী ছিলেন রাজকুমার সরকার। রাজকুমার সরকার ‘নৌক’া প্রতীক নিয়ে ৬৩৫০ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় হয়েছেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের আওয়ামী লীগের প্রার্থীর চেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থীর চেয়ারম্যান বেশি নির্বাচিত হয়েছেন। ২০টি ইউনিয়নের মধ্যে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ মনোনিত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ৯জন ও ১১জন স্বতন্ত্র প্রার্থী বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। রবিবার (২৬ ডিসেম্বর) রাতে ভোট গণনা শেষে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা ফলাফল ঘোষনা করেন।
এদিকে, একটি কেন্দ্রের ভোট গ্রহণ স্থগিত হওয়ায় ভূঞাপুরের অলোয়া ইউনিয়নের ফলাফল স্থগিত রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার দাইন্যা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ মনোনিত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আফজাল হোসেন, বাঘিল ইউনিয়নে এসএম মতিয়ার রহমান মন্টু, ঘারিন্দা ইউনিয়নে তোফায়েল আহম্মেদ,
করটিয়া ইউনিয়নে খালেকুজ্জামান মজনু; স্বতন্ত্রপ্রার্থী হিসেবে হুগড়া ইউনিয়নে নুর-ই আলম তুহিন, পোড়াবাড়ি ইউনিয়নে শাহাদত হোসেন, গালা ইউনিয়নে নজরুল ইসলাম খান ও মগড়া ইউনিয়নে মোতালেব হোসেন চেয়ারম্যান হয়েছেন।
ভূঞাপুর উপজেলার অর্জুনা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনিত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী দিদারুল আলম খান মাহবুব, ফলদা ইউনিয়নে সাইদুল ইসলাম তালুকদার, গোবিন্দাসী ইউনিয়নে দুলাল হোসেন চকদার; স্বতন্ত্রপ্রার্থী হিসেবে গাবসারা ইউনিয়নে শাহ আলম ও নিকরাইল ইউনিয়নে মাসুদুল হক মাসুদ নির্বাচিত হয়েছেন।
ঘাটাইল উপজেলার দেওলাবাড়ি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনিত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী সুজাত আলী খান, আনেহলা ইউনিয়নে তালুকদার শাজাহান; স্বতন্ত্রপ্রার্থী হিসেবে ঘাটাইল সদর ইউনিয়নে মিজানুর রহমান হীরা, লোকেরপাড়া ইউনিয়নে সহিদুল হক মিলন, দিগলকান্দি ইউনিয়নে রেজাউল করিম মটু, দিঘর ইউনিয়নে ফারুক হোসেন ফনি ও দেওপাড়া ইউনিয়নে রুহল আমীন হেপলু।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এএইচএম কামরুল ইমলাম জানান, স্থগিত কেন্দ্র ভূঞাপুর উপজেলার অলোয়া ইউনিয়নের আকালু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের ভোট গ্রহণ পঞ্চম ধাপের নির্বাচনে অনুষ্ঠিত হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে গোলাম রাব্বি (২৪) নামে এক যুবকের গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (২২ নভেম্বর) সকালে উপজেলার ভাতগ্রাম ইউনিয়নের ভাতগ্রাম পশ্চিমপাড়া এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
গোলাম রাব্বি উপজেলার জামুর্কী ইউনিয়নের পাকুল্যা পশ্চিমপাড়া গ্রামের মোকছেদ মিয়ার ছেলে।
পুলিশ জানায়, রাব্বি পেশায় অটোরিকশা চালক। মঙ্গলবার (২১ ডিসেম্বর) রাত পৌনে ৯টার দিকে পাকুল্যা বাসস্ট্যান্ড থেকে তিনজন যাত্রী নিয়ে মির্জাপুরের বরাটি গ্রামের উদ্দেশে হন। এরপর রাতে তিনি বাড়িতে ফেরেননি। সকালে ভাতগ্রাম পশ্চিমপাড়া গ্রামে রাস্তার পাশে ডোবায় একটি মরদেহ দেখতে পান এলাকাবাসী। খবর পেয়ে মির্জাপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেন। মরদেহ উদ্ধারের খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন থানায় এসে রাব্বির পরিচয় নিশ্চিত করেন। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।
মির্জাপুর থানা উপ-পরিদর্শক (এসআই) মজিবুর রহমান জানান, অটোরিকশা ছিনতাইয়ের উদ্দেশে যাত্রীবেশে তিনজন ছিনতাইকারী অটোরিকশাটি ভাড়া করে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তারা নির্জন এলাকায় তাকে হত্যার পর অটোরিকশা নিয়ে পালিয়ে যায়।
ঘটনাস্থলটি পরিদর্শন করেন মির্জাপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার এসএম মনসুর মুসা, মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ রিজাউল হক দিপু, টাঙ্গাইল জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের সদস্যরা (পিবিআই)।
মির্জাপুর থানার ওসি শেখ রিজাউল হক দিপু জানান, আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশ কাজ শুরু করেছে।
একতার কণ্ঠ: টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে নাসির গ্লাস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের আটটি ইউনিট কাজ করছে। বুধবার (১৫ ডিসেম্বর) রাত ১১টার দিকে অগ্নিকাণ্ড শুরু হলেও বৃহস্পতিবার (১৬ ডিসেম্বর) সকাল ৯টা পর্যন্তও তা নিয়ন্ত্রণে আসেনি।
টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের সহকারী পরিচালক রেজাউল করিম , ‘ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়ক সংলগ্ন মির্জাপুর উপজেলার গোড়াই ইউনিয়নের ধেরুয়ায় অবস্থিত গ্লাসওয়্যার কারখানাটিতে রাত ১১টার দিকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। খবর পেয়ে টাঙ্গাইল, মির্জাপুর, বাসাইল, সখীপুর ও কালিয়াকৈর ফায়ার সার্ভিসসহ আটটি ইউনিট কাজ করছে। আগুন এখন পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণে আসেনি। তবে আগুন যাতে ছড়িয়ে না পরে সে বিষয়ে কাজ করে যাচ্ছি।’
তিনি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে নিচতলার একটি গোডাউনে থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। হতাহতের খবর এখনও পাওয়া যায়নি।
একতার কণ্ঠ: শীতের পিঠা-পুলি খাওয়ার মজার সঙ্গে সঙ্গে কিছু অস্বস্তিকর ব্যাপারও ঘটে থাকে যেমন ত্বকের সমস্যা, জ্বর, সর্দি, কাশি ইত্যাদি। সবচেয়ে মারাত্মক ব্যাপার হল শীতের তীব্রতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে উচ্চ রক্তচাপ, হার্টের ব্যথা, হার্ট অ্যাটাক ও এর মৃত্যু ঝুঁকি অনেকাংশে বেড়ে যায়। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের তথ্য থেকে জানা যায়, প্রতিবার শীতকালে হার্ট অ্যাটাকের রোগী ৩০% থেকে ৫০% বৃদ্ধি পায়। শীতের প্রভাবে রক্তচাপের পরিমাণ ১২ থেকে ১৮ মিলিমিটার বাড়তে পারে যা গবেষণায় প্রমাণিত। শীতের প্রভাবে রক্তনালি সংকোচিত হওয়ার ফলে রক্তচাপ বৃদ্ধি ঘটে। এতে রক্তচাপের ঝুঁকি বাড়ে।
এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. এম শমশের আলী।
শীতের প্রভাবে রক্ত উপাদানে অনেক পরিবর্তন পরিলক্ষিত হয়। রক্ত জমাট বাঁধার জন্য দায়ী রক্তকনিকা, প্লাটিলেট, লোহিত কনিকা, ফিব্রিনোজেন এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি পায় ফলে রক্ত জমাট বাঁধার প্রবণতা বৃদ্ধি পায় শতকরা ২০ ভাগ পর্যন্ত। রক্ত জমাট বাঁধার প্রবণতা বৃদ্ধি পাওয়ার জন্য হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের প্রবণতা অনেক গুণে বৃদ্ধি পায়।
গবেষণায় দেখা গেছে, বেশি শীতের প্রকোপে হার্টের অনিয়মিত হৃদস্পন্দন শুরু হতে পারে যার ফলে তাৎক্ষণিক মৃত্যু ঘটাও অস্বভাবিক নয়। পেট ভরে খেয়ে ঠাণ্ডা আবহাওয়ায় হাঁটাহাঁটি করলে খুব সহজেই এনজিনার ব্যথা শুরু হয়ে যায়, যার জন্য রক্তনালির সংকোচনকেই দায়ী করা হয়। যারা সুস্থ-সবল লোকজন তারা খুব সহজে ঠাণ্ডাজনিত এসব পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে পারেন, কিন্তু যারা শারীরিকভাবে দুর্বল, বয়সের ভারে ন্যুব্জ বিভিন্ন অসুখ-বিসুখে আক্রান্ত তারা খুব সহজেই এসব পরির্বতনের ফলে আরও বেশি অসুস্থ হয়ে থাকেন। এ ধরনের সমস্যা থেকে মুক্ত থাকার জন্য আপনার প্রস্তুতি এবং সতর্কতা আপনাকে ঝুঁকিমুক্ত থাকতে সাহায্য করবে।
সতর্কতা ও করণীয়
* চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী হৃদরোগীরা নিয়মিত ওষুধ সেবন করবেন।
* শীতের শুরুতে আপনার চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ গ্রহণ করে ওষুধপত্রের মাত্রা ঠিক করে নিন।
* ঠাণ্ডা আবহাওয়ায় বাইরে যাওয়ার সময় প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র এবং কাপড় সঙ্গে রাখুন।
* বাইরে হাঁটাহাঁটি করতে যাওয়ার সময় গরম কাপড়, জুতা, ছাতা এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ সঙ্গে নিয়ে বের হবেন।
* বয়স্ক হৃদরোগীরা প্রতিদিন গোসল না করে একদিন পর পর হালকা গরম পানি দিয়ে গোসল করবেন। মনে রাখবেন, খুব বেশি গরম পানি দিয়ে গোসল আপনার স্বাস্থ্যের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়বে।
* পুষ্টিকর খাবার গ্রহণের পরিমাণ বিশেষ করে শর্করা জাতীয় খাবার ১৫% থেকে ২০% বৃদ্ধি করা উচিত। বয়স্ক হৃদরোগীর শীতকালীন বৃষ্টির সময় ঘরের বাইরে না যাওয়াই উত্তম।
* নিয়মিত আবহাওয়ার পূর্বাভাস জেনে রাখুন যাতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করতে পারেন।
সংবাদ সূত্র-যুগান্তর অনলাইন
একতার কণ্ঠঃ ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. মুরাদ হাসান। বর্তমানে পদত্যাগপত্রটি মন্ত্রণালয়ের সচিবের দপ্তরে রয়েছে। মঙ্গলবার ( ৭ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টার পর তিনি এই পদত্যাগপত্র পাঠান। মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বিষয়টি জানান।
সম্প্রতি অশ্লীল ফোনালাপ ফাঁসের পর দেশজুড়ে সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি। এরই পরিপ্রেক্ষিতে তাকে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
সোমবার (৬ ডিসেম্বর) রাতে তাকে পদত্যাগের এ নির্দেশ দেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রীকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছেও বলে জানান তিনি।
তিনি আরো বলেন, মঙ্গলবারের মধ্যে মুরাদ হাসানকে পদত্যাগ করতে বলা হয়েছে।

সম্প্রতি একটি ভার্চুয়াল টকশোতে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মেয়ে জাইমা রহমানকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেন ডা. মুরাদ। এরপর তার সমালোচনা করেন অনেকে। শুধু তাই নয়, তার পদত্যাগেরও দাবি ওঠে।
এছাড়া ডা. মুরাদ হাসান ও ঢালিউডের এক চিত্রনায়িকার মধ্যকার কথোপকথনের কল রেকর্ড ফাঁস হয়। যা ইতোমধ্যে টক অব দ্য কান্ট্রিতে পরিণত হয়েছে। অডিও ক্লিপটিতে শোনা যায়, ওই নায়িকাকে তাৎক্ষণিক তার কাছে যেতে বলছেন মুরাদ। নায়িকা এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে তাকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল ও হুমকি দেন প্রতিমন্ত্রী।
মূলত ওই কল করা হয়েছিল চিত্রনায়ক ইমনের ফোনে। ওই মুহূর্তে একটি সিনেমার বিষয়ে মিটিং করছিলেন ইমন ও সেই নায়িকা। সঙ্গে ছিলেন পরিচালক ওয়াজেদ আলী সুমনও। ফোনকল রেকর্ড নিয়ে যখন তোলপাড়, তখন স্বাভাবিকভাবেই ইমনের নামটিও উঠে আসে আলোচনায়। তবে ওই পরিস্থিতিতে মন্ত্রীকে কেবল সামাল দিতে চেয়েছিলেন বলে জানান ইমন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সন্তোষে মওলানা ভাসানীর মাজারে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন জানাতে এসে হামলার শিকার হয়েছেন গণঅধিকার পরিষদের আহ্বায়ক ড. রেজা কিবরিয়া এবং সংগঠনটির সদস্য সচিব ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর। এক পর্যায়ে রেজা কিবরায়া ও নুরুল হক নূরসহ নেতাকর্মীরা পুলিশ ভ্যানে আশ্রয় নেয়। এ ঘটনায় ৫ থেকে ৬ জন আহত হয়েছেন।
বুধবার (১৭ নভেম্বর) দুপরে বিশ্বিবদ্যালয়ের ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা তাদের ওপর এ হামলা করে বলে অভিযোগ করেন সংগঠনটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক শাকিলুজ্জামান।
তিনি বলেন, দুপুরে ১২টার দিকে মওলানা ভাসানীর মাজারের কাছাকাছি পৌঁছালে ছাত্রলীগের অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী দলীয় স্লোগান দিয়ে আমাদের ওপর হামলা চালান। এতে আমাদের আহ্বায়ক ড. রেজা কিবরিয়া ও সদস্য সচিব নুরুল হক নুরসহ বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, কয়েক দফায় দেশীয় অস্ত্র ও ইটপাটকেলসহ আমাদের ওপর হামলা চালানো হয়। প্রায় ৪০ মিনিট পর আমাদের নেতাদের পুলিশের গাড়িতে করে বের করে নেওয়ার সময় ফের হামলা চালানো হয়।

এ ঘটনার পর থেকে ভাসানীর মাজার এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা স্লোগান দিয়ে সংগঠিত মাজার এলাকায় অবস্থান নিয়েছেন। তারা কিবরিয়াও নুরবিরোধী নানা স্লোগান দেন।
মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নিবির পাল বলেন, ড. রেজা ও ভিপি নুর সরকার ও প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে স্লোগান দিচ্ছিলো। ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে তার প্রতিবাদ করায় তারা আমাদের উপর হামলা করেন। এতে ছাত্রলীগের চার সদস্য আহত হয়। এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। ছাত্রলীগ সব সময় সান্তির প্রতীক।
হামলার বিষয়ে টাঙ্গাইলের অতিরক্তি পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সরওয়ার হোসেন বলেন, গণঅধিকার পরিষদের নেতারা মওলানা ভাসানীর মাজারে কাছাকাছি পৌঁছার পর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা হামলা চালান। এক পর্যায়ে ড. কিবরিয়া ও নুরসহ গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের পুলিশি নিরাপত্তায় ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এ ঘটনায় ছাত্রলীগের বেশ কয়েক জন আহত হয়েছেন। তবে অপর পক্ষের কেউ আহত হয়েছেন কি না তা তিনি বলতে পারেননি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার আইনপুর গ্রাম থেকে রোকেয়া বেগম (৫০) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে ঘাটাইল থানার পুলিশ।মঙ্গলবার(৯ নভেম্বর) রাতে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, রোকেয়া উপজেলার দেউলাবাড়ি ইউনিয়নের আইনপুর গ্রামের বেলাল হোসেনের স্ত্রী।মঙ্গলবার স্বামী সাংসারিক কাজে বাহিরে থাকায় রোকেয়া একাই বাড়িতে ছিল। তার স্বামী সন্ধ্যায় বাড়িতে এসে বসত ঘরের ধর্নার সাথে রশি দিয়ে ফাঁস দেওয়া অবস্থায় রোকেয়ার ঝুলন্ত লাশ দেখতে পায়। পরে স্থানীয়রা ঘটনাটি পুলিশকে জানায়। খবর পেয়ে রাতে পুলিশ ঘটনাস্থলে তার লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
নিহতের মেয়ে লিপি বলেন, তার মায়ের কিছুটা মানসিক সম্যসা ছিল।তবে গলায় ফাঁস দিয়ে মা এভাবে বিদায় নিব তা কখনও ভাবি নাই।
ঘাটাইল থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) আজহারুল ইসলাম জানায়, গৃহবধূর নিজ গৃহ থেকে ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে বলা যাবে ঘটনাটি হত্যা বা আত্মহত্যা।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে চলতি ভরা মৌসুমে সারের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। এতে চরম বিপাকে পরেছেন স্থানীয় কৃষকরা।
সোমবার (৮ নভেম্বর) মির্জাপুরের বিভিন্ন হাট-বাজার, ডিলারের দোকান এবং কৃষি অফিস ঘুরে দেখা গেছে, স্থানীয় কৃষি বিভাগ, সারের ডিলার এবং হাট বাজারে চড়া দামেও সার পাচ্ছে না। সার সংকট থাকায় এ বছর মির্জাপুর উপজেলায় সরিষারসহ আলু ও শীতকালীন ফসলের আবাদ না হওয়ার আশংকা করছেন ভুক্তভোগী কৃষকরা।
উপজেলা কৃষি অফিস ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেছেন,পরিবহন ধর্মঘটসহ গোডাউনে সার বিতরণে বিভিন্ন অংসগতির কারনে ডিলারগণ সার উত্তোলন করতে পারছেন না। কৃষি অফিস থেকে কৃষকদের ডিএপি এবং এমওপি সারসহ বীজ দেওয়ার চেষ্টা চলছে।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্র জানায়, চলতি মৌসুমে মির্জাপুর উপজেলার একটি পৌরসভা ও ১৪ ইউনিয়নে ৯ হাজার ৫০০শত হেক্টর জমিতে সরিষা আবাদের লক্ষ্য মাত্রা ধরা হয়েছে। যা টাঙ্গাইল জেলার ১২ উপজেলার মধ্যে সর্বাধিক।নভেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহ হতে তৃতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত সরিষার আবাদ হয়ে থাকে। এ সময় ডিএপি এবং এমওপি সারের চাহিদা থাকে বেশী।
আগামী ১৫-২০ দিনের জন্য উপজেলায় সারের প্রয়োজন হবে ১১শ মেট্রিক টন থেকে ১৪শ মেট্রিক টন। এ বছর মৌসুমের শুরু থেকেই হঠাৎ করে সারের সংকট সৃষ্টি হয়েছে। টাঙ্গাইল, জামালপুর ও নারায়নগঞ্জ গোডাউন থেকে ওই সারের সরবরাহ করার কথা থাকলেও গত ১০-১২ দিন ধরে সরবরাহ কমে গেছে। তবে উপজেলা কৃষি অফিস থেকে চার হাজার ২১০ জন কৃষককে ২০ কেজি ডিএপি, ১০ কেজি এমওপি এবং আলু বীজ দেওয়া হচ্ছে।
স্থানীয় কৃষকরা বলেন, এখন সরিষা বপনের ভরা মৌসুম। এই মৌসুমে ডিলার ও হাট বাজারে সারের দোকানে সার পাওয়া যাচ্ছে না। চড়া দাম দিয়ে সারের কোন সন্ধান না পাওয়ায় তারা চরম বিপাকে পরেছেন। সারের অভাবে সরিষা, আলুসহ শীতকালীন ফসলের আবাদ করা সম্ভব হচ্ছে না। বিষয়টির নিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশিষ্ট কতৃপক্ষের কাছে জোর দাবী জানিয়েছেন তারা।
উপজেলা সার ডিলার মালিক সমিতির সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও ভাওড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আমজাদ হোসেন এবং ডিলার মো. আব্দুল করিম বলেন, গত বছর এই মৌসুমে সারের বরাদ্দ ছিল ৫০ টন। চলতি মৌসুমে বরাদ্দ মাত্র ১৮ টন। বরাদ্দ কম এবং কৃষি বিভাগের গাফিলতির কারনে নির্ধারিত সময়ে সার পাওয়া যাচ্ছে না। গোডাউন থেকে সার উত্তোলন সমস্যা এবং পরিবহন সংকটসহ সুষ্ঠ তদারকির অভাবে সার সরবরাহ করতে সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে।এলাকার কৃষকদের কথা বিবেচনা করে বিষয়টি তারা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন।
এবিষয়ে উপজেলা কৃষি অফিসার মোহাম্মদ মশিউর রহমান জানায়, পরিবহন সংকটসহ বিভিন্ন কারনে সরিষা মৌসুমের সময় সারের সাময়িক সংকট চলছে। তবে বিভিন্ন এলাকার কৃষকদের মধ্যে সরকারী প্রণোদনার বিনামূল্যে ৪ হাজার ২১০ জন কৃষককে ২০ কেজি হারে ডিওপি এবং১০ কেজি হারে এমওপি সারসহ বীজ দেওয়া হচ্ছে। কৃষকরা যাতে হয়রানীর শিকার না হন এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার ছিলিমপুর বাজারে একটি পাটের গুদামে সোমবার (৮ নভেম্বর) দিনগত রাতে অভিযান চালিয়ে ৭৩ বস্তা (২.২ মেট্রিক টন) সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল উদ্ধার করেছে র্যাব।এ সময় দুই জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন-টাঙ্গাইল সদর উপজেলার পোড়াবাড়ি ইউনিয়নের বড়বেলতা গ্রামের মৃত আবুল হোসেন মন্ডলের ছেলে আব্দুল আজিজ মন্ডল (৬০) ও একই উপজেলার ছিলিমপুর ইউনিয়নের চরপাড়া গ্রামের লাল মিয়ার ছেলে মো.সোহেল (২৮)।
র্যাব-১২ জানায়, গোপনে খবর পেয়ে সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের কোম্পানি কমান্ডার লে. কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুনের নেতৃত্বে একদল র্যাব দেলদুয়ার উপজেলার ছিলিমপুর বাজারে অভিযান চালায়।অভিযানে র্যাব সদস্যরা ছিলিমপুর বাজারের জনৈক সেকান্দরের পাটের গুদামের ভেতর থেকে পাচারের উদ্দেশ্যে রাখা ৩০ কেজি ওজনের ২৩ বস্তা চাল জব্দ করে। এ সময় পাচারের জন্য মিনি ট্রাকে রাখা আরো ৫০ বস্তা সহ মোট ৭৩ বস্তা খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল জব্দ করা হয়।
র্যাব-১২ আরো জানায়, অভিযানকালে সরকারি খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল পাচারের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে আব্দুল আজিজ মন্ডল ও মো. সোহেলকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে দেলদুয়ার থানায় ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলা দায়ের করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার ধলাপাড়ায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে মোটরসাইকেল আরোহী তিন স্কুলছাত্র নিহত হয়েছে। সোমবার (০৮ নভেম্বর) ধলাপাড়া চেয়ারম্যান বাড়ি মোড় এলাকায় ওই ঘটনাটি ঘটে।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ধলাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. এজাহারুল ইসলাম ভূইয়া।
নিহতরা হলেন, উপজেলার ধলাপাড়া ইউনিয়নের ঝাইপাটা গ্রামের মৃত. সমির উদ্দিনের ছেলে শরীফ, একই গ্রামের শাহজালালের ছেলে আবু বক্কর ও মৃত. রমজান আলীর ছেলে শাহীন। এরা তিনজন ধলাপাড়া এস.ইউপি উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী ছিল।
ধলাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. এজাহারুল ইসলাম ভূইয়া জানান, ওই তিন শিক্ষার্থী একটি আরটিআর মোটরসাইকেল নিয়ে ঘুরতে বেড়িয়েছিল। তাদের মোটরসাইকেলটি অভার স্পীডের কারণে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি গাছের সাথে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলে তিনজন নিহত হয়েছে। এসময় মোটরসাইকেলটি দুমড়ে মুছড়ে গেছে। পরে নিহতদের স্বজনরা এসে তাদের মরদেহ বাড়িতে নিয়ে গেছে।
একতার কণ্ঠঃ কোমা শব্দটির সঙ্গে আমরা অনেকেই পরিচিত। মূলত কোমা হচ্ছে এমন একটি পরিস্থিতি যেটি দীর্ঘস্থায়ী অচেতনতা বা অজ্ঞান হয়ে থাকার মতো অবস্থার সৃষ্টি করে। এমনটি হলে মানুষের চেতনা কাজ করে না। তাই তারা জেগেও উঠতে পারে না।
এ সমস্যাটি বিভিন্ন কারণে হতে পারে। বিশেষ করে মাথায় জোরে আঘাত পেলে, স্ট্রোক, মস্তিষ্কের টিউমার, বিভিন্ন ড্রাগ বা অ্যালকোহল গ্রহন বা নেশা, ডায়বেটিস বা বিভিন্ন অন্তর্নিহিত অসুস্থতার কারণেও এটি হতে পারে।
কোমা হচ্ছে একটি মেডিকেল ইমার্জেন্সি অবস্থা। এটি হলে তা সেরে ওঠাও অনেক কষ্টকর। আর এটি মস্তিষ্ককে অকেজো করে দেওয়া ও মৃত্যু ঘটানোর মতো পর্যায়ে যেতে পারে। তাই জীবন এবং মস্তিষ্কের কার্যকারিতা সংরক্ষণের জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।
এ জন্য নিজেকে সচেতন রাখতে জেনে নিন যেসব কারণে চলে যেতে পরেন কোমায়—
১. মস্কিষ্কে আঘাত
বেশিরভাগ কোমাই মস্তিষ্কে সজোরে আঘাত পাওয়ার কারণে হয়ে থাকে। তাই সচেতন থাকতে হবে যাতে মস্তিষ্কে আঘাত না লাগে।
২. স্ট্রোক
মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহ হ্রাস বা বাধাগ্রস্ত হলে, রক্তবাহী ধমনীর পথ সংকীর্ণ হলে বা রক্তনালী ফেটে গেলে স্ট্রোক হয়। আর এ রকম বড় ধরণের স্ট্রোকের কারণে মানুষ কোমায় চলে যেতে পারে।
৩.টিউমার
মস্তিষ্কের ভিতর অনেকের টিউমার হয়ে তাকে। আর এ ধরনের টিউমারের কারণে অনেক সময় রোগীকে কোমায় চলে যেতে হতে পারে।
৪. ডায়াবেটিস
ডায়বেটিসের সময়ে রক্তে শর্করার মাত্রা হটাৎ খুব বেশি হয়ে গেলে অথবা খুব কম হয়ে গেলে কোমা হতে পারে।
৫. অক্সিজেনের অভাব
ডুবে যাওয়া থেকে উদ্ধার করা অথবা হার্ট অ্যাটাকের পরে পুনরুজ্জীবিত হওয়া ব্যাক্তিদের মস্তিষ্কে অক্সিজেনের অভাব দেখা দিতে পারে। আর এর ফলেও কোমা হতে পারে।
৬. সংক্রমণ
এনসেফালাইটিস এবং মেনিনজাইটিসের মতো সংক্রমণের ফলে মস্তিষ্ক, মেরুদণ্ডের কর্ড বা মস্তিষ্কের চারপাশের টিস্যু ফুলে যায়। আর এমন সংক্রমণের গুরুতর ক্ষেত্রে মস্তিষ্কের বড় ক্ষতি বা কোমা হতে পারে।
৭. খিঁচুনি
খিঁচুনির মাত্রা অনেক বেড়ে গেলে বা গুরুতর হয়ে গেলে অনেকে কোমায় চলে যেতে পারেন।
৮. টক্সিন
কার্বন মনোক্সাইড বা সীসার মতো বিষাক্ত পদার্থের সংস্পর্শে মস্তিষ্কের ক্ষতি এবং এর পরিণতিতে কোমায় চলে যেতে পারেন।
৯. মাদক এবং অ্যালকোহল
বিভিন্ন ওষুধ, নেশাজাত দ্রব্য এবং অ্যালকোহল অতিরিক্ত মাত্রায় গ্রহণের কারণে অনেকে কোমায় চলে যেতে পারেন।
সংবাদ সূত্র- যুগান্তর আনলাইন