একতার কন্ঠঃ টাঙ্গাইলের কৌতুক অভিনেতা ‘ভাদাইমাখ্যাত’ আহসান আলী (৫০) মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নাইলাহি রাজিউন)।
রোববার (২২ মে) দুপুরে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।আহসান আলীর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দাইন্যা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আফজাল হোসেন।
মারা যাওয়ার সময় আহসান আলী দুই স্ত্রী, দুই ছেলে ও দুই মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তিনি টাঙ্গাইল সদর উপজেলার দাইন্যা ইউনিয়নের দাইন্যা রামপাল গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।
কৌতুক এ অভিনেতার শ্যালক জজ আলী জানান, ‘দীর্ঘদিন যাবত ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন আহসান আলী। এছাড়া তার লিভারেও পানি জমা ছিল। রোববার সকালে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে প্রথমে শহরের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে নেওয়া হয়। সেখানে থেকে পরে আহসান আলীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুরে মারা যান আহসান আলী।
ইউপি চেয়ারম্যান আফজাল হোসেন জানান, লাশ হাসপাতালে আছে। বাড়িতে আনার প্রক্রিয়া চলছে।
মরহুমের পারিবার সূত্র জানা গেছে, আহসান আলী এক সময়ে কৃষি কাজ করে সংসার চালাতেন। প্রায় দুই বছর আগে তিনি কৌতুক অভিনয় শুরু করেন। ২০ বছর আগে ক্যাসেটের মাধ্যমে তিনি ‘ভাদাইমা’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।’
একতার কন্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে এক প্রবাসীর স্ত্রীকে নিয়ে ইউপি সদস্য উধাও হয়েছেন।
গত শনিবার (২৩ এপ্রিল) উপজেলার দেওলী ইউনিয়নের ঝুনকাই গ্রামে চাঞ্চল্যকর এ ঘটনা ঘটেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দেওলী ইউনিয়ন পরিষদের ৩নং ওয়ার্ড সদস্য ও ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি মো. লিটন মন্ডল দীর্ঘ দিন যাবত ঝুনকাই গ্রামের সৌদি প্রবাসী জামাল মিয়ার স্ত্রী রোজিনার সঙ্গে পরকীয়ার সম্পর্ক গড়ে তোলেন। কিছুদিন পর জামাল মিয়া বাড়ি আসার কথা রয়েছে। কিন্তু তিনি আসার আগেই লিটন মন্ডল ওই প্রবাসীর স্ত্রীকে নিয়ে উধাও হয়ে যায়। লিটন মন্ডল ও রোজিনার মোবাইল ফোনও বন্ধ রয়েছে।
প্রবাসী জামালের মা বলেন, লিটন মন্ডল ফুঁসলিয়ে সম্পর্ক করে আমার ছেলের বউকে নিয়ে পালিয়ে গেছে। ১২ বছর বয়সের আমার নাতনি লজ্জায় ঘরের বাইরে বের হচ্ছে না, শুধু কাঁদছে।
তিনি আরো বলেন, লিটন মন্ডল এলাকায় ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে নানা অপকর্ম করে বেড়ায়। তার বিরুদ্ধে কেউ কথা বলার সাহস পায় না। আমি এর বিচার চাই।
এ ব্যপারে দেওলী ইউপি চেয়ারম্যান দেওয়ান তাহমিনা হক বলেন, এমন ঘটনায় আমরা লজ্জিত ও বিব্রত হচ্ছি। বিভিন্ন সংস্থা থেকে মোবাইল ফোনে মেম্বার লিটন সম্পর্কে জানতে চাচ্ছে।
এ ব্যাপারে দেলদুয়ার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাজ্জাদ হোসেন বলেন, আমি বিষয়টি জেনেছি। তবে এখনও কোনো অভিযোগ পায়নি, পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে জোরপূর্বক ও ভয়ভীতি দেখিয়ে ৪র্থ শ্রেণির এক শিশু ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে চাচার বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের কয়েড়া গ্রামের পশ্চিমপাড়া এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় লম্পট চাচাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
অভিযুক্ত চাচার নাম মো. আব্বাস (২৫)। তিনি পেশায় কাঠমিস্ত্রী এবং জয়নালের ছেলে।
পরিবার ও স্থানীয়রা জানান, শিশুটির মা-বাবাসহ বাড়িতে কেউ ছিল না। প্রকৃতির ডাকে মেয়েটি সাড়া দিতে বাথরুমে গেলে হঠাৎ আব্বাস বাথরুমে প্রবেশ করে জোরপূর্বক ও ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণ করে। এ সময় শিশুটির ডাক-চিৎকারে লোকজন এগিয়ে গেলে আব্বাস পালিয়ে যায়। পরে মেয়েটির মা বাড়িতে এসে ঘটনা শুনে স্থানীয় ও জনপ্রতিনিধিদের অবগত করে আব্বাসের বিরুদ্ধে মেয়েটির মা ভূঞাপুর থানায় মামলা দায়ের করেন । সম্পর্কে আব্বাস মেয়েটির চাচা।
এ ব্যাপারে ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফরিদুল ইসলাম জানান, শিশুটির মা বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার (২৮ এপ্রিল) বিকালে মামলা দায়ের করার পরেই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত আব্বাসকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তারকৃত আব্বাসকে শুক্রবার (২৯ এপ্রিল) সকালে টাঙ্গাইল জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে এবং শিশুটিকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।
একতার কণ্ঠঃ ঈদকে সামনে রেখে উত্তরবঙ্গগামী ঘরমুখো মানুষদের ভোগান্তি কমাতে বঙ্গবন্ধু সেতুতে টোল আদায়ের জন্য স্বাভাবিকের তুলনায় দ্বিগুন লেন বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি মোটর সাইকেলের জন্য আলাদা দুই লেন করা হয়েছে।
তারপরও শুক্রবার (২৯ এপ্রিল) সকাল থেকেই সেতুর পূর্ব প্রান্তের গোলচত্তর থেকে টোলপ্লাজা পর্যন্ত মোটরসাইকেলের দীর্ঘ লাইন লেগে গেছে। এতে করে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে মোটরসাইকেলের যাত্রী ও চালকদের।
টোলপ্লাজা সূত্র জানিয়েছে, স্বাভাবিক অবস্থায় বঙ্গবন্ধু সেতুতে ৩/৪টি লেন চালু রাখা হয় টোল আদায়ের জন্য। কিন্তু ঈদকে সামনে রেখে এই মহাড়কে প্রায় কয়েকগুন যানবাহন চলাচল বেড়ে যায়। তাই যানজট মুক্ত রাখতে সেতুতে বাস-ট্রাক, মাইক্রোবাসসহ অন্যান্য যানবাহনের জন্য সাতটি লেনে টোল আদায় করা হচ্ছে। এছাড়া মোটর সাইকেলের জন্য বাম দিকের রাস্তা দিয়ে আলাদা দুই লেন করা হয়েছে। তারপরও অতিরিক্ত মোটরসাইকেলের কারণে পুরোপুরি লেন দুটি বন্ধ হয়ে গেছে।
বিকেলের দিকে এই চাপ আরো বাড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
একতার কণ্ঠঃ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, রাজধানীর কলাবাগানের তেঁতুলতলা মাঠে আর কোনো ভবন নির্মাণ হবে না। মাঠ যেভাবে ছিল সেভাবেই থাকবে। বৃহস্পতিবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কলাবাগানের তেঁতুলতলা মাঠে আর কোনো নির্মাণকাজ হবে না। এ জায়গাটি যেভাবে ব্যবহার করা হতো সেভাবেই ব্যবহার হবে। তেঁতুলতলা মাঠে আর থানা হবে না। খেলার মাঠই থাকবে। বৃহস্পতিবার (২৮ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ নির্দেশ দিয়েছেন।
তিনি বলেন, ২০১৭ সালে আমরা ওই জায়গাটির জন্য আবেদন করেছি। খোঁজ নিয়ে দেখলাম ওই এলাকায় খেলার জায়গা নেই। প্রধানমন্ত্রীও পরামর্শ দিয়েছেন, যেহেতু খালি জায়গা নেই, বিনোদনের কিছু নেই সেজন্য তিনি বলেছেন পুলিশের জমি সেভাবে থাকুক। কোনো কনস্ট্রাকশন যেন না হয়। যেভাবে চলছে চলতে থাকুক।
একতার কণ্ঠঃ আসন্ন ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে ঘরমুখো মানুষের চাপ বাড়ছে। এছাড়া বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ করেছেন যাত্রীরা। বুধবার (২৭ এপ্রিল) মহাসড়কের আশেকপুর, ঘারিন্দা, কান্দিলা, রাবনা, বিক্রমহাটি, রসুলপুর, পৌলি ও এলেঙ্গাসসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়।
পুলিশ জানায়, যানজট নিরসনে সড়কে সবসময় কাজ করবে হাইওয়ে পুলিশ। ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে বিভিন্ন ধরনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। সোমবার দুপুরে গোড়াই ফ্লাইওভার খুলে দেওয়া হয়েছে। গোড়াই থেকে এলেঙ্গা পর্যন্ত তিনটি ফ্লাইওভার খুলে দেওয়ায় মহাসড়কের যাত্রীরা যানজটের কবল থেকে মুক্তি যাবে- এমনটাই ধারণা করা হচ্ছে।
যাত্রী মো. মোতালেব বলেন, আমি বাইপাইল এলাকায় কাজ করি। ঈদকে কেন্দ্র করে রংপুর গ্রামের বাড়ি যাচ্ছি। স্বাভাবিক সময়ে বাস ভাড়া ৫৫০-৬০০ টাকা নিলেও এখন এক হাজার টাকা দাবি করছে। ৮০০ টাকার নিচে হলে কাউকে বাসে নিচ্ছে না। অতিরিক্ত ভাড়া বন্ধের জন্য কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা করছি।
আরেক যাত্রী মনির হোসেন বলেন, টাঙ্গাইল থেকে সিরাজগঞ্জ মোড় পর্যন্ত ভাড়া ৫০-৬০ টাকা। আজ ১০০ টাকার নিচে কেউ নিচ্ছে না। ঈদসহ বিভিন্ন উৎসবকে কেন্দ্র করে ভাড়া বেড়ে যায়। বাড়তি ভাড়া নিয়ন্ত্রণ করা প্রয়োজন।
এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. আতোয়ার রহমান বলেন, ঈদকে কেন্দ্র করে যানবাহনের চাপ একটু বেশি। তবে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
উল্লেখ্য, উত্তর, দক্ষিণাঞ্চলসহ ২৬টি জেলার মানুষ চলাচল করে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়ক দিয়ে। ঈদে ব্যাপক পরিবহনের চাপে পড়ে মহাসড়কটি।
একতার কণ্ঠঃ রমজান মাসে রোগীদের খাদ্যব্যবস্থাপনা, ব্যায়াম, জীবনাচরণে পরিবর্তন আনতে হয়। হঠাৎ দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার কারণে শরীরে নানা জটিলতা দেখা দিতে পারে। নিয়মমাফিক চললে এসব জটিলতা এড়ানো সম্ভব।
হৃদরোগে যারা আক্রান্ত তাদের হঠাৎ রোজায় রক্তচাপ কমে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। এমতাবস্থায় করণীয় নিয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালের ক্লিনিক্যাল ও ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজিস্ট সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ উল্লাহ ফিরোজ।
যারা উচ্চ রক্তচাপ বা হৃদরোগে ভুগছেন তারাও পবিত্র রমজান মাসে রোজা রাখতে চান এবং সাধারণত জানতে চান-রোজা রাখতে পারবেন কি না, ওষুধগুলো কীভাবে খাবেন, খাদ্যাভ্যাস এবং শারীরিক পরিশ্রম কেমন হবে।
যেসব রোগীর রক্তচাপ এবং হৃদরোগ নিয়ন্ত্রণে আছে তাদের ক্ষেত্রে অধিকাংশ সময় রোজা রাখার জন্য কোনো রকম জটিলতা হয় না। যাদের হৃদরোগ নিয়ন্ত্রণে নেই বিশেষ করে হার্ট ফেইলিউরের জন্য শ্বাসকষ্ট হয় অথবা গত তিন মাসের মধ্যে হার্ট অ্যাটাক হয়েছে তাদের জন্য রোজা রাখা ঝুঁকিপূর্ণ।
হৃদরোগ এবং উচ্চ রক্তচাপের ওষুধগুলো দিনে একবার, দু’বার বা তিনবার খেতে হয়। রোজার সময় চেষ্টা করতে হবে যেসব ওষুধ দিনে একবার বা দু’বার খাওয়া যায় সেগুলো দিয়ে রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। এ ব্যাপারে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। দিনে দু’বার খাওয়া ওষুধগুলো ইফতার এবং সেহরির সময় খাবেন। দিনে একবার খাওয়া ওষুধগুলো রাতের যে কোনো সময় খেতে পারেন।
ডাইউরেটিক বা শরীরের পানি কমার ওষুধ ইফতারের সময় খাবেন। এ ধরনের ওষুধের পরিমাণ কমাতেও হতে পারে। চর্বি জাতীয় খাবার এবং অতিরিক্ত লবণ দেওয়া খাবারগুলো পরিহার করবেন। একসঙ্গে অনেক খাবার না খেয়ে অল্প করে বারবার খাবেন। রাতের বেলা প্রয়োজনমতো পানি এবং তরল জাতীয় খাবার খাবেন।
শারীরিক ব্যায়াম দিনের বেলায় না করে রাতে করার চেষ্টা করুন। খাবার পরপরই ব্যায়াম করবেন না। এ মাসের জন্য ত্রিশ মিনিট হাঁটাই ভালো ব্যায়াম।
রোজার সময়ে দিনের বেলা রক্তচাপ বেশি কমে যেতে পারে এবং শরীরে লবণের পরিমাণ কমে যেতে পারে। এ পরিস্থিতিতে অবশ্যই পানি বা তরল জাতীয় খাবার খেতে হবে এবং ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।
আপনার ওষুধ বা ওষুধের মাত্রা পরিবর্তন করতে হতে পারে। রোজার সময় কোনোরকম জটিলতা দেখা দিলে, যেমন-শ্বাসকষ্ট বা বুকে ব্যথা বা অজ্ঞান হলে বা রক্তচাপ কমে গেলে, বিলম্ব না করে নিকটস্থ হাসপাতালে যোগাযোগ করবেন।
মনে রাখবেন-সময়মতো চিকিৎসা না নিলে মৃত্যু ঝুঁকি বেড়ে যাবে। যেসব রোগীর পেসমেকার বা ভাল্ব প্রতিস্থাপন করা আছে অথবা বাইপাস অপারেশন বা এনজিওপ্লাস্টি করা আছে তারাও রোজা রাখতে পারবেন। তবে বাইপাস অপারেশন বা এনজিওপ্লাস্টি করার পর প্রথম তিন মাস রোজা রাখা কিছুটা ঝুঁকিপূর্ণ।
সংবাদ সূত্র-যুগান্তর অনলাইন
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে মধ্যরাতে ঘরে ঢুকে লিমা আক্তার (৩০) নামে এক প্রবাসীর স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (১২ এপ্রিল) দিবাগত রাতে উপজেলার কাশিল ইউনিয়নের নথখোলা উত্তরপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এই অভিযোগের তীর উঠেছে প্রতিবেশী ট্রাক চালক পরকীয়া প্রেমিক ওয়াসিমের (৩৮) দিকে। বুধবার (১৩ এপ্রিল) দুপুরে বাসাইল থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নিহত লিমা আক্তার ওই গ্রামের সৌদিপ্রবাসী জাহিদ হোসেনের (ময়নাল) স্ত্রী। অভিযুক্ত ওয়াসিম প্রতিবেশী মৃত ফজল মিয়ার ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, লিমার স্বামী জাহিদ হোসেন (ময়নাল) দীর্ঘদিন সৌদি আরব প্রবাসী। এ জন্য লিমা তার চার বছরের শিশুপুত্রকে নিয়ে একাই ঘরে থাকতেন। প্রতিদিনের মতো রাতের খাবার খেয়ে লিমা নিজ ঘরে ঘুমিয়ে পড়েন। মধ্যরাতে লিমার আত্ম চিৎকারে শ্বশুর জোয়াহের মিয়া এগিয়ে আসলে অভিযুক্ত ওয়াসিম ঘর থেকে দ্রুত বের হয়ে যান। এ সময় লিমা রক্তাক্ত অবস্থায় বিছানায় কাতরাচ্ছিলেন। স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক লিমাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
লিমার শ্বশুর জোয়াহের মিয়া বলেন, ‘ঘরে ঢুকে ওয়াসিম আমার ছেলের বউকে ইট দিয়ে মাথায় আঘাত করে হত্যা করেছে। এ সময় তার মাথায় আঘাত করা ইটটি পাশেই পড়ে ছিল। আমি লিমা হত্যার বিচার চাই।’
বাসাইল থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান জানান, ‘লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় নিহত গৃহবধূর শ্বশুর বাদী হয়ে অভিযুক্ত ওয়াসিমকে আসামি করে বাসাইল থানায় মামলা দায়ের করেছেন। হত্যার পেছনে পরকীয়া প্রেম নাকি অন্য কিছু রয়েছে এ বিষয়ে তদন্ত চলছে।’
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মো. শরফুদ্দীন জানান, আমরা এ মামলার সকল আলামত সংগ্রহ করেছি। আশা করি খুব দ্রুতই আসামিকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার নারান্দিয়া ইউনিয়নের নগরবাড়ী গ্রামের গোবিন্দ চন্দ্র আর্য্য (৪২) সোমবার (১১ এপ্রিল) সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ হয়ে যায়। রাতে আর খোঁজ না মিললেও সকালে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু রেললাইনের পাশে তার মরদেহ পাওয়া যায় । মঙ্গলবার (১২ এপ্রিল) সকালে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু রেল সড়কের কালিহাতী উপজেলার ধলাটেঙ্গর থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
নিহত গোবিন্দ চন্দ্র আর্য্য নগরবাড়ি গ্রামের সুভাষ চন্দ্র আর্য্যর ছেলে।
পারিবারিক সূত্র জানায়, সোমবার সন্ধ্যায় বাড়িতে মুঠোফোন চার্জে দিয়ে বের হন। রাতে বাড়ি না ফেরায় স্বজনরা বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেন। সকালে ঢাকা-বঙ্গবন্ধু সেতু রেল লাইনের পাশে ধলাটেংগুর এলাকায় একটি লাশ পড়ে থাকার খবর পান স্বজনরা। পরে তারা সেখানে গিয়ে গোবিন্দের লাশ শনাক্ত করেন।
আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে ঝড়ে ঘরের নিচে চাপা পড়ে নিহত ১
রেলওয়ে পুলিশের টাঙ্গাইল ফাঁড়ির উপসহকারি পরিদর্শক (এএসআই) মো. সাইফুল ইসলাম জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হচ্ছে। লাশের শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে পৃথক দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় পিকআপভ্যান চালক রফিকুল ইসলাম রফিক (২৬) এবং মোটরসাইকেল চালক স্কুলছাত্র কাউসার আহমেদ (১৬) নিহত হয়েছেন। বুধবার (৬ এপ্রিল) ভোররাতে একটি পিকআপভ্যান ঢাকা- সখীপুর সড়কের বোয়ালী পেট্রোল পাম্প এলাকায় পৌঁছলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে একটি আম গাছের সাথে ধাক্কা লাগলে ঘটনাস্থলেই পিকআপভ্যান চালক রফিকুল ইসলাম নিহত হন।
আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে পরকীয়া সিংগাপুরে আত্মহত্যা
নিহত রফিকুল ইসলাম বরিশাল জেলার আগুলজাইরা উপজেলার রাঙতা গ্রামের ফারুক মিয়ার ছেলে। এ সময় অপর আরোহী সিরাজ মিয়াকে (৪৫) গুরুতর আহত অবস্থায় সখীপুর উপজেলা স্বাস্থকমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
অপরদিকে সখীপুর থেকে মোটরসাইকেলযোগে স্কুলছাত্র কাউসার আহমেদ (১৬) তার নিজ বাড়ি উপজেলার কালিয়ান দুয়ানীপাড়া ফেরার পথে কালিয়ান খানপাড়ায় বিপরীত দিক থেকে আসা মালবাহী ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে গুরুতর হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত স্কুলছাত্র ওই গ্রামের বেলু মিয়ার ছেলে এবং কালিয়ান উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র।
একতার কণ্ঠঃ সাধারণত ডায়াবেটিসে নিউরোলজিক্যাল সমস্যাকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। একটি হচ্ছে— পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথি। পায়ে-হাতে যে সমস্যাটি হয়। আরেকটা হচ্ছে— ইন্টার্নাল অর্গানের নার্ভ যখন যুক্ত হয়, সেটাকে বলা হয় অটোনোমিক নিউরোপ্যাথি। এর ফলে দেহের ভিতরের অনেক অঙ্গপ্রত্যঙ্গের সমস্যা হতে পারে।
আরো পড়ুনঃ শিশুদেরও কি ডায়াবেটিস হয়?
এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানিয়েছেন বারডেম জেনারেল হাসপাতাল ডায়াবেটিস ও হরমোন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. ফারিয়া আফসানা।
পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথি
সাধারণত রোগীর কিছু নিউরোপ্যাথলজিক্যাল উপসর্গ (হাতে-পায়ে ঝি ঝি করা, জ্বালাপোড়া করা, ব্যথা করা, অলটার সেন্সেশন বা হেঁটে যাচ্ছেন পায়ের তলায় নরমাল একটা সেনসেশন হচ্ছে) দেখা দিতে পারে।
অটোনমিক নিউরোপ্যাথি
অটোনমিক নার্ভ আক্রান্ত হলে দেহের ভিতরের অনেক অঙ্গপ্রত্যঙ্গের সমস্যা হতে পারে। যেমন আমাদের হৃদপিণ্ড ও রক্ত পরিবহন তন্ত্র আক্রান্ত হলে হৃদপিণ্ডের গতি বেড়ে যায়। শোয়া বা বসা থেকে উঠে দাঁড়ালে রক্তচাপ কমে যায় ও মাথা ঘোরে। অনেকসময় পরিপাক তন্ত্রেরও সমস্যা হয়। ফলে মনে হয় পেটের মধ্যে খাবার জমে আছে।
তাছাড়াও যৌন ক্ষমতাও অনেক সময় কমে যায়। প্রস্রাব ও মল ত্যাগে নানারকম সমস্যা দেখা যায়। শরীরের নীচের অংশে ঘাম কম তৈরি হয়। ফলে ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। এর ফলে পা ফেটে যায় ও পায়ে আলসার হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে।
সবচেয়ে ভয়ের ব্যাপার অনেক ক্ষেত্রে অটোনোমিক নিউরোপ্যাথি রোগী হাইপোগ্লাইসেমিয়া বা রক্তে গ্লুকোজ কমে গেলে বুঝতে পারে না। যার ফলে তার গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণের সময় অত্যন্ত সতর্ক থাকতে হয়।
বিশেষ করে কার্ডিয়াক বা হার্টের সমস্যা নিয়ে, যেমন- পুসচারাল ড্রপ বা পুসচারাল হাইপারটেনশন নিয়ে প্রেজেন্ট করতে পারে।
ইউরোলজিক্যাল বা ইউরিনারি ব্লাডারের সমস্যা হলে- প্রস্রাবের কিছু সমস্যা হতে পারে। (রিটেনশন হয়ে যাওয়া, প্রস্রাব আটকে থাকা, কন্ট্রোলে না থাকা) এই ধরনের সমস্যা ডায়াবেটিসে নিউরোপ্যাথি নিয়ে আসতে পারে।
তাহলে এই নিউরোপ্যাথির উপসর্গগুলো কিন্তু আমাদের আসলে কো-রিলেট করতে হবে। ডায়াবেটিস রোগীর যখন অর্গানের জটিলতা শুরু হয়, তখন সার্চ করতে হবে অন্যান্য অর্গানের নিউরোপ্যাথি আছে কি না? সেটাও দেখে নিতে হবে। সাধারণভাবে পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথি বা হাতে-পায়ের এই উপসর্গগুলো নিয়েই কিন্তু বেশি পেশেন্ট এসে থাকে নিউরোলজিক্যাল উপসর্গ নিয়ে।
সেই ক্ষেত্রে আমরা নিউরোলজিক্যাল কিছু পরীক্ষা আছে সেটার মাধ্যমে ডায়াগনোসিস করি। রোগীর নিউরোপ্যাথি আছে কি না। আর ইন্টার্নাল অর্গানে বা অটোনোমিক নিউরোপ্যাথি যেগুলো, সেগুলো একটা অর্গানে যদি নিউরোপ্যাথি থাকে, তাহলে আমরা ধরে নেই অন্যান্য অর্গানেও নিউরোপ্যাথি হয়েছে। সেই হিসেবে সব অর্গানের চিকিৎসা করতে হবে।
ডায়াবেটিসে আরও যেসব সমস্যা হতে পারে?
ডায়াবেটিসজনিত চোখের সমস্যা বা রেটিনোপ্যাথি, ডায়াবেটিসজনিত কিডনি বা নেফ্রোপ্যাথি, এবং ডায়াবেটিসজনিত পায়ের নার্ভ বা নিউরোপ্যাথিক সমস্যা হতে পারে। এই প্রধান সমস্যাগুলো আমরা মাইক্রোভাস্কুলার কম্প্লিকেশন হিসেবে পেয়ে থাকি।
আরেকটা জটিলতা হচ্ছে ম্যাক্রোফেস্কুলার বা বড় বড় রক্তনালীগুলো যখন ইনভলভ হয়। যেমন- স্ট্রোক, হার্ট অ্যাটাক অথবা পায়েল রক্ত চলাচলে সমস্যা, পেরিফেরাল ভাস্কুলার ডিজিজ নিয়েও আসতে পারে। মোটামুটি ভাবে এইগুলোই বড় কম্প্লিকেশন।
অবশ্যই মনে রাখতে হবে, এই জটিলতাগুলো শুনে ভয় পাওয়ার কিছু নাই। যদি ডায়াবেটিস সুনিয়ন্ত্রিত থাকে অবশ্যই আমরা জটিলতা থেকে মুক্ত থাকতে পারি।
সংবাদ সূত্র-যুগান্তর অনলাইন
একতার কণ্ঠঃ সুস্থতার জন্য কিডনির সুস্থতা জরুরি। শিশুদের অনেকেই এখন কিডনি রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। আবার যে কোনো গুরুতর অসুখ অথবা ওষুধের পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়ার কারণেও শিশুদের কিডনি সহজেই ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই শিশুর কিডনির বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।
রক্তের মধ্যে জমে থাকা দূষিত পদার্থ বের করা ও প্রয়োজনীয় পদার্থ ধরে রাখা; শরীরের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করা; বিভিন্ন হরমোন তৈরি করা ও তৈরিতে সাহায্য করা; রক্তের কণিকা তৈরিতে সাহায্য ও শরীরের হাড়কে সুস্থ রাখা ইত্যাদি কাজ করে কিডনি। প্রতিটি কাজই মানব শরীরকে সুস্থ রাখার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং কিডনি সুস্থ না থাকলে এসব কাজে বিঘ্ন ঘটে ও শারীরিক বিপর্যয় দেখা দেয়। বিশেষ করে শিশুদের ঝুঁকি বেশি।
শিশুদের কিডনি সমস্যা নিয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন এভারকেয়ার হাসপাতালের পেডিয়াট্রিক্স অ্যান্ড নিউনেটোলজি ডিপার্টমেন্টের সিনিয়র কনসালটেন্ট এবং কো-অর্ডিনেটর ডা. সাবিনা সুলতানা।
শিশুর কিডনি রোগের লক্ষণ
ঘন ঘন প্রস্রাব করা, প্রস্রাবে ইনফেকশন হওয়া; ফোঁটা ফোঁটা প্রস্রাব করা, বিছানায় প্রস্রাব করা (৬ বছরের অধিক বয়সে), প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত যাওয়া, প্রস্রাবের সময় তলপেট/কোমর ব্যথা করা, শরীরে পানি আসা/ফুলে যাওয়া, প্রস্রাব কমে যাওয়া, কিডনিতে পানি জমা হওয়া, কিডনি ছোট-বড় হওয়া, উচ্চরক্তচাপ দেখা দেওয়া, কিডনিতে জম্মগত ত্রুটি থাকা- এসব লক্ষণ দেখা গেলে, পরিবারের কারও কিডনি রোগ থাকলে, শিশু সময়ের আগে জন্মগ্রহণ করলে, জন্মের পর শিশুর ওজন স্বাভাবিকের তুলনায় কম হলে দেরি না করে অবশ্যই বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হতে হবে।
শিশু যদি ক্রনিক কিডনি ডিজিজ বা সিকেডিতে আক্রান্ত হয়, কিডনি পুরোপুরি অক্ষম হয়, ডায়ালাইসিস বা কিডনি প্রতিস্থাপনের প্রয়োজন হয় তবে চিন্তার কিছু নেই। দেশেই এখন কিডনি রোগের সুচিকিৎসা সম্ভব। এছাড়া নিয়মিত ফলো-আপ, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ, সঠিক খাদ্যাভ্যাস, শারীরিক চর্চা ইত্যাদির মাধ্যমে দীর্ঘদিন সুস্থভাবে বেঁচে থাকা সম্ভব।
শিশুর জন্মগত কিডনি রোগ আলট্রাসনোগ্রাফির মাধ্যমে ধরা পড়ে। মূত্রনালি ও মূত্রাশয়ের গঠনগত সমস্যা; মূত্রপথের ভাল্বের কার্যক্রমে বাঁধা; কিডনি থাকা না থাকা; বিভিন্ন আকারে অর্থাৎ ছোট-বড় থাকা; ঠিক জায়গা মতো না থাকা; কিডনি ফোলা থাকা ইত্যাদি সমস্যা সম্পর্কে আলট্রাসনোগ্রাফির মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যায়।
শিশুর মূত্রনালির সংক্রমণ (ইউটিআই) শিশুদের অন্যতম প্রধান একটি রোগ। অনেক ক্ষেত্রেই এ রোগের সঠিক নির্ণয় ও চিকিৎসা নিয়ে অবহেলা করা হয়। ফলে বার বার সংক্রমণের দরুন শিশুর কিডনি নষ্ট হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে উচ্চরক্তচাপের ঝুঁকি বেড়ে যায়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সঠিক চিকিৎসার অভাবেই শিশুদের কিডনির কার্যকারিতা নষ্ট হয়।
এসব বিষয়ে অভিভাবকদের বেশি সচেতন থাকতে হবে। শিশুদের প্রস্রাবের সংক্রমণ অবহেলা না করে সঠিক সময়ে যথাযথ চিকিৎসা গ্রহণে কিডনির রোগ প্রতিরোধ বা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
সংবাদ সূত্র-যুগান্তর অনলাইন