সাহান হাসান (বার্তা-সম্পাদক)

টাঙ্গাইলে ট্রাক চাপায় যুবক নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ট্রাক চাপায় যুবক নিহত

একতার কন্ঠঃ টাঙ্গাইলে বালুবাহী ট্রাকের চাপায় পিষ্ট হয়ে জুয়েল (২৬) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৯ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে টাঙ্গাইল পৌর শহরের আশেকপুর এলাকায় ওই দুর্ঘটনা ঘটে।

আরো পড়ুনঃ কালিহাতীতে ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ

নিহত জুয়েল টাঙ্গাইল সদর উপজেলার যুগির বয়ড়া গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে।নিহতের নাম ও পরিচয় নিশ্চিত করেছেন টাঙ্গাইল সদর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এস.আই) লুৎফর রহমান।

স্থানীয়রা জানান, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মোটরসাইকেল চালক আশেকপুর বাইপাস এলাকার দিকে যাচ্ছিল। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি বালুবাহী ট্রাক ওই মোটরসাইকেল চালকে চাপ দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল সদর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) লুৎফর রহমান জানান, ঘটনাস্থল থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরো জানান, ঘটনাস্থলে নিহতের সুজুকি মোটরসাইকেলটি পাওয়া গেলেও ঘাতক ট্রাক ও চালক পালিয়ে গেছে বলেও জানান তিনি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. মার্চ ২০২২ ১০:১৬:পিএম ২ বছর আগে
শিশুদেরও কি ডায়াবেটিস হয়? - Ekotar Kantho

শিশুদেরও কি ডায়াবেটিস হয়?

একতার কণ্ঠঃ ডায়াবেটিস সর্বগ্রাসী রোগ। এ রোগ একবার কারো হলে শরীরে নানা জটিলতা বাড়তে থাকে। মধ্যবয়সে সাধারণত ডায়াবেটিস ধরা পড়ে। তবে বর্তমানে তরুণ বয়সেও অনেকে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হয়। শিশুদেরও ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি আছে কিনা এমন প্রশ্ন জনে জনে।

আরো পড়ুনঃ  কিডনি রোগের লক্ষণ, প্রতিরোধে কী করবেন?

মূলত মানসিক দুশ্চিন্তা, ওজন বেড়ে যাওয়া, কায়িক শ্রমের ঘাটতি, বংশীয় কারণ, খাদ্যাভ্যাস ও জীবন পদ্ধতির পরিবর্তন এসব কারণে ডায়াবেটিস হয়ে থাকে। ডায়াবেটিস ধরা পড়ার আগেই সতর্ক থাকতে হয়।

শিশুদের ডায়াবেটিস রোগের ঝুঁকি নিয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ও পেডিয়াট্রিক কার্ডিয়াক সোসাইটি অব বাংলাদেশের অধ্যাপক ডা. মনজুর হোসেন।

শিশুদের মধ্যেও ডায়াবেটিসের প্রকোপ বাড়ছে। বেশিরভাগ শিশু শৈশবে টাইপ-১ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হয়। তবে টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছে। আগে চিকিৎসকরা জানতেন যে বাচ্চারা কেবল টাইপ-১ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হয় এবং একে দীর্ঘকাল ধরে কিশোর ডায়াবেটিস (Juvenile Diabetes) নামে নামকরণ করা হতো। শিশুদের মধ্যে টাইপ-২ ডায়াবেটিসের একক প্রধান কারণ হলো অতিরিক্ত ওজন। যখন কোনো শিশুর ওজন খুব বেশি বেড়ে যায়, তখন তাদের ডায়াবেটিস হওয়ার আশংকা দ্বিগুণ হয়।

শিশুদের টাইপ-১ ডায়াবেটিস অবস্থায় শরীরে ইনসুলিন উৎপাদনে ঘাটতি দেখা দেয়। এক্ষেত্রে বেঁচে থাকার জন্য ইনসুলিনের দরকার পড়ে। ইনসুলিনের ঘাটতি বা অভাবকে ইনসুলিন ইঞ্জেকশন বা পাম্পের মাধ্যমে পূরণ করা হয়। অগ্ন্যাশয় ইনসুলিন তৈরির ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে কারণ ইনসুলিন উৎপাদনকারী কোষগুলো ধ্বংসের কারণে এমনটি হয়। কেন এমনটি ঘটে তা সঠিকভাবে কেউ জানেন না, তবে বিজ্ঞানীরা মনে করেন এটা জিনের সঙ্গে সম্পৃক্ত। টাইপ-১ ডায়াবেটিস সম্ভবত ভাইরাসের সংক্রমণের কারণেও হয়ে থাকে। অন্যদিকে, টাইপ-২ ডায়াবেটিসে, অগ্ন্যাশয়ের ইনসুলিন তৈরিতে কোনো ব্যাঘাত হয় না। তবে শরীর এক্ষেত্রে স্বাভাবিকভাবে সাড়া দেয় না বা প্রতিক্রিয়া দেখাতে ব্যর্থ হয়। ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স্ (Insulin Resistance)-এর কারণে এ সমস্যা দেখা দেয় যখন গ্লুকোজ কোষগুলোতে প্রবেশ করতে পারে না এবং শক্তি সরবরাহ করার সক্ষমতা কমে যায়। এ কারণে রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যায়, ফলে পর্যায়ক্রমে অগ্ন্যাশয় আরও বেশি বেশি ইনসুলিন তৈরি করতে সচেষ্ট হয়। অবশেষে, এক সময় অগ্ন্যাশয় রক্তে শর্করার মাত্রা স্বাভাবিক রাখতে পর্যাপ্ত ইনসুলিন উৎপাদন করতে ধীরে ধীরে অক্ষম হয়ে পরে।

টাইপ-২ ডায়াবেটিসের জন্য বাচ্চাদের ঝুঁকির তিনটি কারণ-

* পরিবারের একজন সদস্যের টাইপ ২ ডায়াবেটিস থাকলে।

* মায়ের গর্ভকালীন ডায়াবেটিসসহ (গর্ভাবস্থায় ডায়াবেটিস) জন্ম নেওয়া শিশুদের।

* যদি সন্তানের ওজন বেশি হয় এবং ওপরের দুটি ঝুঁকির কারণ থাকে।

ডায়াবেটিসের লক্ষণ : রক্তে উচ্চমাত্রার শর্করার জন্য ঘনঘন প্রস্রাব হয় এবং খুব তৃষ্ণার্ত থাকে বিধায় প্রচুর পানি পান করতে হয়। ক্লান্তি বা অবসাদ বোধ থাকে। কারণ শরীর শক্তির জন্য গ্লুকোজ সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারে না। ডায়াবেটিসে আক্রান্ত শিশু এবং কিশোরদের ক্ষুধা বাড়তে পারে তবে ক্ষুধার্ত কোষগুলোকে জ্বালানি সরবরাহ করার প্রয়াসে শরীর পেশি ভেঙে ফ্যাট সংরক্ষণ করে যার জন্য ওজন হ্রাস পায়।

ডায়াবেটিসের চিকিৎসা : শিশুর টাইপ-১ বা টাইপ-২ ডায়াবেটিস আছে কিনা তা নির্ণয় করা আবশ্যক। কারণ ডায়াবেটিসের নিয়ন্ত্রণ এবং চিকিৎসা টাইপের ভিত্তিতে পৃথক হয়। মেটফরমিন নামে একটি ওষুধ গ্রহণের প্রয়োজন হতে পারে। এটি এবং ইনসুলিন হলো ১৮ বছরের চেয়ে কম বয়সি শিশুদের জন্য রক্তে শর্করার হ্রাসকারী দুটি ওষুধ মাত্র।

চিকিৎসা অর্থাৎ লক্ষণগুলো হ্রাস করার জন্য ভালো ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ, স্বাস্থ্য সমস্যা প্রতিরোধ এবং শিশু যাতে স্বাভাবিকভাবে তার শারীরিক, মানসিক, সংবেদনশীলতা বজায় রেখে সামাজিক বৃদ্ধি এবং বিকাশে সম্ভব হয়। আর এর জন্য, বাবা-মাকে লক্ষ রাখতে হবে শিশুর রক্তের শর্করার মাত্রা যতটা সম্ভব লক্ষ্য সীমার মধ্যে রাখা।

ডায়াবেটিসের কোনো নিরাময় নেই, ডায়াবেটিসের জন্য আজীবন চিকিৎসা প্রয়োজন। টাইপ-১ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত শিশু-কিশোররা তাদের রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে প্রতিদিন ইনসুলিন ইনজেকশন বা ইনসুলিন পাম্পের ওপর নির্ভর করে। শিশুদের মধ্যে টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ক্ষেত্রে লক্ষণ ধীরে ধীরে বিকাশ লাভ করে এবং প্রথম দিকে কোনো লক্ষণই থাকে না। কখনো নিয়মিত চেক-আপের সময় এই ব্যাধিটি শনাক্ত করা হয়।

ডায়াবেটিস থেকে জটিলতা

অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিসে ভবিষ্যতে হৃদরোগ, অন্ধত্ব দেখা দিতে পারে এবং কিডনি অকার্যকর হওয়ার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে। এমনকি অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিসে মৃত্যুঝুঁকিও বেড়ে যায়। এছাড়া ডায়াবেটিসে পরবর্তী জীবনে সরু রক্তনালি, উচ্চরক্তচাপ এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়। স্নায়ু বা নার্ভ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

প্রতিরোধ

তরুণদের মধ্যে টাইপ ২ ডায়াবেটিসের সমস্যা বাড়ছে। বাবা-মায়ের স্বাস্থ্য সচেতনতা ও জীবনধারা পরিবর্তনের মাধ্যমে এ ভয়াবহ অবস্থার প্রতিরোধ সম্ভব। স্থূলতা বা যাদের ওজন বেশি-বিশেষ করে যদি তাদের পেটের চর্বি বেশি থাকে-তাদের ইনসুলিন অকার্যকর বা প্রতিরোধ (Insulin Resistance) হওয়ার আশংকা বেশি থাকে, তাই টাইপ-২ ডায়াবেটিসের জন্য ইনসুলিন প্রতিরোধ একটি প্রধান ঝুঁকির কারণ। ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সের সাধারণত কোনো উপসর্গ থাকে না, যদিও কিছু বাচ্চার ত্বকে ঘন, গাঢ়, কাল মখমল প্যাঁচ তৈরি হয় যাকে অ্যাক্যানথোসিস নিগ্রিকানস (Acanthosis Nigracans) বলা হয়, সাধারণত ঘাড়ের পেছনে বা বগলের মতো শরীরের ক্রিজ এবং ভাঁজগুলোতে।

সংবাদ সূত্র-যুগান্তর অনলাইন

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. মার্চ ২০২২ ০৭:১৫:পিএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় সেনাবাহিনীর সার্জেন্ট নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় সেনাবাহিনীর সার্জেন্ট নিহত

একতার কন্ঠঃ টাঙ্গাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় এক সেনাবাহিনীর সদস্য নিহত হয়েছেন। শনিবার (২৬ মার্চ) গভীর রাতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের সদর উপজেলার পাঁচবিক্রমহাটি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে বাস চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

নিহত আইয়ুব আলী নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার ব্রাহ্মণপাড়া এলাকার শামসুল ইসলামের ছেলে। তিনি সেনাবাহিনীর সার্জেন্ট হিসেবে কর্মরত ছিলেন৷

এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশের ইনচার্জ আতাউর রহমান জানান, রাতে মোটরসাইকেলযোগে আইয়ুব আলী ঢাকা থেকে নিজ বাড়িতে নাটোরে যাচ্ছিলেন। পথে তিনি মহাসড়কের পাঁচবিক্রমহাটি এলাকায় পৌঁছলে অজ্ঞাত একটি গাড়ি (বাস কিংবা ট্রাক হবে) চাপা দিয়ে চলে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে পুলিশ খবর পেয়ে নিহতের লাশ উদ্ধার করে। নিহতের লাশ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরো জানান, আইয়ুব আলী যাত্রাবাড়িতে পোস্ট কলা ব্রিজের দায়িত্বে ছিলেন। তিনি প্রায় দুই মাসের ছুটিতে রয়েছেন বলেও জানান তিনি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. মার্চ ২০২২ ০৫:২৫:পিএম ২ বছর আগে
কিডনি রোগের লক্ষণ, প্রতিরোধে কী করবেন? - Ekotar Kantho

কিডনি রোগের লক্ষণ, প্রতিরোধে কী করবেন?

একতার কণ্ঠঃ ডায়াবেটিস ও কিডনি রোগ হচ্ছে নীরব ঘাতক। যাদের এ দুটোর কোনো একটি স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দেয় তাদের যাতনার শেষ নেই। চলাফেরা, জীবনযাপন ও খাদ্যাভ্যাসে ব্যাপক পরিবর্তন আনতে হয়। বিভিন্ন কারণে কিডনির কার্যকারিতা কমে গেলে একজন মানুষ নানাবিধ শারীরিক জটিলতার মুখে পড়েন। এমনকি কিডনি একেবারে অকার্যকর হয়ে গেলে মৃত্যু সুনিশ্চিত।

কিডনি রোগের লক্ষণ ও প্রতিরোধের উপায়গুলো জানা থাকলে অনেক সময় সুস্থ জীবন যাপন করা সম্ভব। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন ইনোভেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট একশনের (ক্রিডা) ডা. সুপ্রিয় পাল।

মানবদেহের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ হলো কিডনি (বাংলায় বৃক্ক বলা হয়)। কিডনি রক্তে উপস্থিত দূষিত পদার্থগুলো পরিশোধন করে এবং মূত্র তৈরি করে সেগুলো দেহ থেকে বের করে দেওয়ার ব্যবস্থা করে। একটি অসুস্থ বা অকার্যকর কিডনির কারণে একজন মানুষ দীর্ঘমেয়াদি শারীরিক জটিলতায় আক্রান্ত হয়ে ধুকে ধুকে মৃত্যুর দিকে ধাবিত হয়। এজন্য অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সুস্থ রাখার পাশাপাশি কিডনি সুস্থ রাখা অত্যন্ত জরুরি।

কিডনি রোগের উপসর্গ ও লক্ষণ

প্রাথমিক পর্যায়ে কিডনি রোগের তেমন কোনো লক্ষণ প্রকাশ পায় না। ধীরে ধীরে কিডনির কার্যক্রম ক্ষমতা কমতে থাকলে লক্ষণগুলো প্রকাশ পেতে শুরু করে। ক্ষুধামন্দা, শরীরে ওজন হ্রাস পাওয়া, শরীরের বিভিন্ন অংশে (হাত, পা, মুখ) পানি জমে ফুলে যাওয়া, প্রস্রাবের পরিমাণ হ্রাস পাওয়া বা প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত যাওয়া, শরীরে ক্লান্তিভাব আসা, ঘুম কম হওয়া, অসুস্থ বোধ করা, শরীরের বিভিন্ন অংশে চুলকানি হওয়া, মাঝে মাঝেই মাথাব্যথা হওয়া ইত্যাদি লক্ষণ ক্রনিক কিডনি ডিজিসের শেষ পর্যায়ে প্রকাশ পেতে শুরু করে।

কিডনি রোগের ঝুঁকির কারণ

ডায়াবেটিস, উচ্চরক্তচাপ, হৃদরোগ, কিডনি রোগের পারিবারিক ইতিহাস, শরীরের অতিরিক্ত ওজন, ধূমপান, কিডনির জন্য ক্ষতিকর এমন ওষুধ সেবন, জন্মগত কিডনির সমস্যা, ৬০ বছরের ঊর্ধ্ব ব্যক্তি, প্রভৃতি কিডনি রোগের ঝুঁকির জন্য অন্যতম।

প্রতিরোধে করণীয়

কিডনি রোগের অন্যতম ঝুঁকির কারণ ডায়াবেটিস এবং উচ্চ রক্তচাপ। সুতরাং যাদের দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবেটিস এবং উচ্চ রক্তচাপ আছে, তাদের নিয়মিত ডাক্তারের পরামর্শ মোতাবেক নিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন ও ওষুধ সেবন করা বাধ্যতামূলক, যেন ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ সবসময় নিয়ন্ত্রণে থাকে।

নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম করতে হবে এবং শরীরের অতিরিক্ত ওজন দ্রুত কমিয়ে ফেলতে হবে। যারা ধূমপান করে, তাদের জন্য ধূমপান ত্যাগ করার অন্যতম একটি কারণ হতে পারে। খাবার পাতে অতিরিক্ত লবণ খাওয়ার অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে। রক্তে কলস্টেরল যেন সবসময় স্বাভাবিক মাত্রায় থাকে, সেদিকে লক্ষ্য রাখা উচিত। প্রতিদিন বেশি পরিমাণে শাকসবজি ও ফলমূল খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে। তবে যাদের কিডনি রোগ আছে, তাদের ক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ না নিয়ে ফলমূল খাওয়া যাবে না। কিডনি রোগীদের ক্ষেত্রে নিয়মিত ওষুধ সেবন এবং রুটিন চেকআপ করানো আবশ্যক।

সংবাদ সূত্র-যুগান্তর অনলাইন

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৪. মার্চ ২০২২ ০৫:৩৯:পিএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় মা ও শিশুসহ নিহত ৩ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় মা ও শিশুসহ নিহত ৩

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপু‌রে পিকআপের ধাক্কায় সিএন‌জি চালিত অটোরিকশার তিন যাত্রী নিহত হ‌য়েছেন। নিহতদের মধ্যে একজন পুরুষ, একজন মহিলা ও এক শিশু রয়েছে। শুক্রবার (৭ জানুয়া‌রি) সকাল ৭টার দি‌কে মধুপুর বাসস্ট‌্যান্ড সংলগ্ন রুপালী ফি‌লিং স্টেশ‌নের কা‌ছে ওই ঘটনা ঘ‌টে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মধুপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তা‌রিক কামাল।

নিহত পুরু‌ষের বা‌ড়ি শেরপু‌রের শ্রীবরদী উপ‌জেলায়, এবং শিশু ও নারীর বা‌ড়ি জামালপু‌রের দেওয়ানগঞ্জ উপ‌জেলায়। তবে তাদের বিস্তারিত পরিচয় পাওয়া যায়নি।

মধুপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তা‌রিক কামাল  জানান, দুর্ঘটনায় শিশু ও তার মাসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। ত‌বে তা‌দের প‌রিচয় পাওয়া যায়‌নি। দুর্ঘটনা কব‌লিত প‌রিবহনগু‌লো জব্দ ক‌রে থানায় আনা হ‌য়েছে।

একতার কণ্ঠ

তিনি আরো জানান, নিহত‌দের প‌রিচয় শনা‌ক্তের চেষ্টা চলছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. জানুয়ারী ২০২২ ০৬:৩৭:পিএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ৭টিতে স্বতন্ত্র, ৬টিতে আ.লীগের জয় - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ৭টিতে স্বতন্ত্র, ৬টিতে আ.লীগের জয়

একতার কণ্ঠঃ পঞ্চম ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে টাঙ্গাইলের ১৩টি ইউনিয়নের মধ্যে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকে চেয়ারম্যান পদে ৬ জন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ৭জন।

বুধবার (৫ জানুয়ারি) রাতে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা ফল ঘোষণা করেন। এর আগে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ চলে।

জানা যায়, জেলার মির্জাপুর উপজেলার উয়ার্শী ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকে মাহবুব আলম মল্লিক, গোড়াই ইউনিয়নে হুমায়ুন কবীর, মহেড়া ইউনিয়নে বিভাস সরকার নুপুর, আনাইতারা ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু হেনা মোস্তফা কামাল, জামুর্কী ইউনিয়নে দিএ মতিন, বানাইল ইউনিয়নে আব্দুল্লাহ আল মামুন, বাশতৈল ইউনিয়নে হেলাল দেওয়ান, ভাতগ্রাম ইউনিয়নে আজহারুল ইসলাম বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। ঘাটাইল উপজেলার জামুরিয়া ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকে শহীদুল ইসলাম হেষ্টিং জয়লাভ করেন।

এদিকে, বাসাইল উপজেলার কাউলজানী ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকে আতাউল গনি হাবিব, হাবলা ইউনিয়নে খোরশেদ আলম, কাঞ্চনপুর ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী শামীম আল মামুন, ফুলকী ইউনিয়নে শামছুল আলম বিজু জয়লাভ করেছেন।

জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, জেলার ঘাটাইল, বাসাইল ও মির্জাপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ১৩টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৬৮ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এছাড়াও সংরক্ষিত ১৪৬ জন এবং সাধারণে ৪৯০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এএইচএম কামরুল হাসান জানান, অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৩টি ইউনিয়নে ১৩৪টি কেন্দ্রে ৮৮৭টি ভোট কক্ষে ভোট গ্রহণ করা হয়। এতে এক লাখ ৬৩ হাজার ৫৩৪ জন পুরুষ ও এক লাখ ৬২ হাজার ২২৬ জন নারী তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৬. জানুয়ারী ২০২২ ০৭:১৮:পিএম ২ বছর আগে
খালেদা জিয়ার মুক্তি ও চিকিৎসার অযুহাতে আন্দোলনের হুমকী দিচ্ছে বিএনপিঃকৃষিমন্ত্রী - Ekotar Kantho

খালেদা জিয়ার মুক্তি ও চিকিৎসার অযুহাতে আন্দোলনের হুমকী দিচ্ছে বিএনপিঃকৃষিমন্ত্রী

একতার কণ্ঠঃ  আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম মেম্বর ও কৃষিমন্ত্রী ড. মো.আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, দুনীর্তির মামলায় দন্ডপ্রাপ্ত খালেদার জিয়ার মুক্তি ও চিকিৎসার অযুহাতে বিএনপি আন্দোলনের হুমকী দিচ্ছে। তারা দেশে আবারো আগুন সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করতে চায়। তাদের এই অপতৎপরতা রুখতে দেশের জনগনকে সজাগ থাকতে হবে।

মন্ত্রী রোববার (২ জানুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইল শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যোনে জাতীয় সমাজসেবা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, তারা নির্বাচনে আসবে না বলে হুমকি দিচ্ছে। কেন আসবে না নির্বাচনে তাদের আসতে হবে। কেননা সংবিধান অনুযায়ি নির্বাচন হবে। নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠু সুন্দর নির্বাচনের আয়োজন করবে। সেই ক্ষেত্রে সকল দলের অংশ গ্রহণ করা উচিৎ। এরপরও যদি কোন দল নির্বাচনে অংশ গ্রহণ না করে তাহলে সেই দায় দায়িত্ব তাদের। নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব থাকবে সকল রাজনৈতিক দলের জন্য লেভেল ফিল্ড নিশ্চিত করবেন। সেনাবাহিনী, প্রশাসনসহ সব কিছুই নিয়ন্ত্রণ করবে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনকালীন সময়ে সংবিধান অনুযায়ি মাননীয় প্রধানমন্ত্রসহ কোন মন্ত্রীর কোন দায়িত্ব থাকবে না নির্বাচনের বিষয়ে।

তিনি বলেন, আমি মনে করি বিএনপিরও সুমতি ফিরে আসবে ও তারা নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করবে। দেশে একটু সুষ্ঠু সুন্দর নির্বাচন হবে। এছাড়া হুমকি দিয়ে আমাদের সংবিধানে বিধান থেকে সরাতে পারবেনা।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের বর্তমান সরকার দেশের সকল শ্রেনীর মানুষের পাশে রয়েছে। বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতাসহ বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে অসহায় মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করছে।

অনুষ্ঠানে টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর) আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম, টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন, সদও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারীসহ জেলা সমাজ সেবা কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে একটি বর্নাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়ে শহরের গুরুত্বপুর্ণ সড়কগুলো প্রদক্ষিন করে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০২. জানুয়ারী ২০২২ ১০:১১:পিএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে লাইসেন্স প্রদানসহ ৮ দফা দাবিতে অটোরিক্সা ও ইজি বাইক শ্রমিকদের বিক্ষোভ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে লাইসেন্স প্রদানসহ ৮ দফা দাবিতে অটোরিক্সা ও ইজি বাইক শ্রমিকদের বিক্ষোভ

একতার কণ্ঠঃ হাইকোর্টের অন্তবর্তীকালীন আদেশ পুনঃ বিবেচনা ও লাইসেন্সসহ ৮ দফা দাবিতে টাঙ্গাইলে সমাবেশ, মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে অটোরিক্সা চালকরা। বুধবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুরে জেলা অটো রিক্সা, মেট্রো রিক্সা, ট্যাক্সি ও অটো টেম্পু শ্রমিক ইউনিয়নের আয়োজনে শহরের শহীদ স্মৃতি পৌরউদ্যানে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এস.এম সিরাজুল হক আলমগীর, রিক্সা, ব্যাটারি রিক্সা ও ইজি বাইক চালক সংগ্রাম পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক খালেকুজ্জামান লিপন, জেলা অটো রিক্সা, ট্যাক্সি ও অটো ট্যাম্পো শ্রমিক ইউনিয়নের আহ্বায়ক আ. লতিফ মিয়া, সদস্য সচিব লুৎফুল কবির, যুগ্ম আহ্বায়ক জয়নাল আবেদীন উল্লাস প্রমুখ।

সমাবেশ বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত সহশ্রাধিক রিক্সা শ্রমিক অংশ নেয়। পরে পৌর উদ্যান থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয় শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় পৌর উদ্যানে গিয়ে শেষ হয়।

সমাবেশে বক্তারা দাবি করেন, অটো রিক্সা, মেট্রো রিক্সা বন্ধে হাইকোর্টের অন্তবর্তীকালীন আদেশ গরীবের পেটে লাথি মারা ব্যতিত কিছু নয়। এ আদেশ বাস্তবায়নে বৃদ্ধি পাবে বেকার সমস্যা। এতে চরম ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হবেন এ পেশায় লিপ্ত শ্রমিকরা। এছাড়াও এ ধরণের পরিবহনে চলাচলরত সাধারণ মানুষের বৃদ্ধি পাবে ব্যায়। সমস্যা লাঘবে হাইকোর্টের অন্তবর্তীকালীন আদেশ পুনঃ বিবেচনা ও লাইসেন্সসহ ৮ দফা দাবি জানিয়েছেন তারা।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. ডিসেম্বর ২০২১ ০৯:১০:পিএম ২ বছর আগে
গর্ভাবস্থায় দাঁতের যত্ন কেন জরুরি, কীভাবে নেবেন? - Ekotar Kantho

গর্ভাবস্থায় দাঁতের যত্ন কেন জরুরি, কীভাবে নেবেন?

একতার কণ্ঠঃ প্রেগন্যান্সি জীবনে অনেক ক্ষেত্রেই হঠাৎ করে আসে। কিংবা অনেক সময় পরিকল্পনা করে সন্তান নেওয়ারও ইচ্ছে থাকে। এ সময় সবাই চিন্তা করেন ডায়াবেটিস কীভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখবেন, থাইরয়েড কীভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখবেন। হার্টের সমস্যা থাকলে নিয়ন্ত্রণে রাখবেন। ওই সময় গর্ভবতী মায়ের জন্য দাঁতের যত্নও খুবই জরুরি।

এ ব্যাপারে ঢাকা ডেন্টাল কলেজের (বিডিএস, এমএস, অর্থোডন্টিক্স) ডা. ফারিয়া তাবাসসুম তন্বী জানিয়েছেন বিস্তারিত তথ্য।

তিনি বলেন, কেউ যদি সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনা করেন, আপনারা একজন ডেন্টিস্টকে দাঁত দেখিয়ে নেবেন। কারণ, প্রেগন্যান্সিতে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা তৈরি হয়।

অনেকের ক্ষেত্রে দেখা যায়, প্রেগন্যান্সিতে অনেক বেশি দাঁত ব্যথা হয়। অনেকের ক্ষেত্রে হয়তো আগে কম ছিল, প্রেগন্যান্সিতে বাড়ে।

প্রেগন্যান্সিতে রক্ত চলাচল বাড়ে। হরমোনের কার্যক্ষমতা বাড়ে। দাঁতের মাড়িতে রক্ত চলাচল বাড়ে। অনেকের ক্ষেত্রে মাড়ি দিয়ে রক্ত বের হয়। অনেক মা প্রেগন্যান্সির সময় রাতে দুধ খেয়ে ঠিকমতো কুলি না করে ঘুমিয়ে পড়েন।

এতে দাঁতের গোড়ার দিক থেকে আস্তে আস্তে নষ্ট হতে শুরু করে। দাঁতের বাইরের আবরণ নষ্ট হতে শুরু করে। অনেকের এমনটা হয়- বাচ্চা হওয়ার কিছুদিন আগে বা কিছুদিন পরে তীব্র ব্যথা নিয়ে আসেন আমাদের কাছে।

এজন্যই আমরা বলবো- প্রেগন্যান্সির আগেই একজন ডেন্টাল সার্জনকে দিয়ে একটা রেগুলার চেকআপ করিয়ে নেবেন। সাধারণত আমাদের বছরে দুইবার ডেন্টাল ফলোআপে থাকা দরকার। ফলে দাঁতের যে সমস্যাটি তৈরি হওয়ার তা অল্পতেই ঠিক হয়ে যায়। যেমন- স্কেলিং করিয়ে রাখতে পারেন। কোনো দাঁতে যদি ছোটখাটো গর্ত থাকে, ফিলিং করিয়ে নিতে পারেন।

এছাড়াও প্রেগন্যান্সিতে অনেক সময় মায়েরা ঠিকমতো দাঁত ব্রাশ করতে চান না। অনেক বেশি বমি হয় এসময়। এছাড়াও অ্যাসিডিটি বাড়ে। এ অবস্থার কারণে দাঁতের অবস্থা আরও খারাপ হতে থাকে।

প্রেগন্যান্সির প্রথম তিন মাস এবং শেষের তিন মাস চাইলেও দাঁত ফেলা যায় না। চাইলেও যেকোনো ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া যায় না। চাইলেও যেকোনো ধরনের ব্যথার ওষুধ খাওয়া যায় না। কেননা দাঁতের ব্যথা তীব্র ব্যথা হয়। শুধু প্যারাসিটামল খেলে ব্যথা যায় না। চিকিৎসকরা বেশি কোনো ওষুধ দিতে পারেন না।

অনেকের ক্ষেত্রে দেখা যায়, ব্যথা হচ্ছে। তখন আমাদের জিজ্ঞেস করেন, কী ওষুধ খাবেন। আবার অনেকেই জিজ্ঞেস না করে ওষুধ খান। দয়া করে এই ভুল কাজটি করবেন না। এক্ষেত্রে যদি আপনার কোনো ব্যথার ওষুধ বা অ্যান্টিবায়োটিক খেতে হয়, অবশ্যই আপনার যে গাইনি চিকিৎসকের কাছে ফলোআপ করাচ্ছেন, তার পরামর্শ নিতে হবে।

সংবাদ সূত্র-যুগান্তর অনলাইন

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. ডিসেম্বর ২০২১ ০৮:১৭:পিএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বিনামূল্যের ১০ হাজার পাঠ্যবই গায়েব - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বিনামূল্যের ১০ হাজার পাঠ্যবই গায়েব

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১০ হাজার বিনামূল্যের পাঠ্যবই গায়েব হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ফলে অনেক শিক্ষার্থী পহেলা জানুয়ারি ‘বই উৎসব’ থেকে বঞ্চিত হবেন বলে শিক্ষকরা মনে করছেন।

পাঠ্যপুস্তক গায়েব হওয়ার অভিযোগে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মর্জিনা পারভীনকে গত ২৩ ডিসেম্বর শো’কজ করেন টাঙ্গাইল জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. আব্দুল আজিজ।

জানা যায়, উপজেলার ৬১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেনি পর্যন্ত ৩৫ হাজার পাঠ্যবইয়ের চাহিদা পাঠানো হয়। গত ৮ ডিসেম্বর পরিবহন ঠিকাদার সোহেল রানা গোপালপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মর্জিনা পারভীনকে চালানমূলে ওই সব বই বুঝিয়ে দেন। কিন্তু শিক্ষা অফিসার গ্রহনকৃত বই উপজেলা পরিষদের স্টোর রুমে না রেখে নিজ দায়িত্বে স্থানীয় সূতি সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে রেখে দেন।

সেখানে রাতের বেলা কোনো পাহারার ব্যবস্থা ছিলনা। গত ২২ ডিসেম্বর সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে প্রয়োজনীয় সংখ্যক বই বুঝিয়ে দেওয়ার সময় বই গায়েব হওয়ার ঘটনাটি ধরা পড়ে। দেখা যায় পঞ্চম শ্রেনির প্রাথমিক বিজ্ঞান ৪ হাজার ৯৫০ কপি এবং ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা ৫ হাজার ৫০ সহ মোট ১০ হাজার কপি বই গায়েব হয়ে গেছে।

গোপালপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক কল্যাণ সমিতির সভাপতি আব্দুল করিম জানান, সকল পাঠ্যবই চালানমূলে ঠিকাদারের কাছ থেকে বুঝে নেন প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মর্জিনা পারভীন। বই সংরক্ষণ রাখার কক্ষের চাবিও ছিল তার নিকট। তাহলে এসব পাঠ্য বই কিভাবে হাওয়া হয়ে গেলো তা নিয়ে তিনি এখন ধোঁয়াশা সৃষ্টি করছেন। বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার জন্য স্থানীয় প্রশাসনসহ এমনকি থানা পুলিশকেও জানানো হয়নি।

পাঠ্যসপুস্তক গায়েব হওয়া নিয়ে পরিবহন ঠিকাদার সোহেল রানাজানান, চালানে স্বাক্ষর নিয়ে সকল পাঠ্যবই উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। নিজেরা বই গায়েব করে এখন তাকে দোষারোপ করা হচ্ছে।

উপজেলা শিক্ষা অফিসার মর্জিনা পারভীন জানান, ঠিকাদার বই কম দিয়েছে। অতগুলো বই এক সঙ্গে গুণে নেওয়া তার পক্ষে সম্ভব ছিলনা। চালান বুঝে নেওয়ার সময় তিনি তড়িঘড়ি দস্তখত করেছেন। জানতেন না ঠিকাদার ফাঁকি দিচ্ছেন। এখন বিকল্পভাবে নানাস্থান থেকে এসব বই সংগ্রহের চেষ্টা চালাচ্ছেন ।

গোপালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশারফ হোসেন জানান, বই গায়েব হওয়ার মতো চাঞ্চল্যকর ঘটনায় উপজেলা শিক্ষা অফিস তাদের কিছুই জানায়নি। পুলিশ নিজ উদ্যোগে বিষয়টি তদন্ত করে দেখবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পারভেজ মল্লিক জানান, বই গায়েব হওয়ার খবরটি তিনি সোমবার (২৭ ডিসেম্বর) শুনেছেন। খোঁজ খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক ডক্টর মো. আতাউল গনি বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. ডিসেম্বর ২০২১ ০৮:৫২:পিএম ২ বছর আগে
গালা ইউনিয়নের ৯নং ওর্য়াডে মেম্বার নির্বাচিত হলেন হাবেল - Ekotar Kantho

গালা ইউনিয়নের ৯নং ওর্য়াডে মেম্বার নির্বাচিত হলেন হাবেল

একতার কণ্ঠঃ রবিবার(২৬ ডিসেম্বর) অনুষ্ঠিত চতুর্থ ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার গালা ইউনিয়নের ৯ নং ওর্য়াডে মেম্বার নির্বাচিত হয়েছেন হাবেল তালুকদার।

জেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে বেসরকারি ফলাফলে জানা যায়, গালা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডটি গালার চর গ্রাম নিয়ে গঠিত। গালার চর কেন্দ্রের মোট ভোটার সংখ্যা ২৫৬০ জন। এদের মধ্যে ২০৬৯ ভোটার রবিার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।

প্রদত্ত ভোটের মধ্যে হাবেল তালুকদার ‘তালা’ প্রতীক নিয়ে ১৩৭৬ ভোট পান । তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধী মোঃ মাজম আলী ‘মোরগমাকার্’ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৬৯৩ ভোট।হাবেল তালুকদার তার প্রতিদ্বন্ধী প্রার্থীর চেয়ে ৬৯২ ভোট বেশি পেয়ে মেম্বার নির্বাচিত হয়েছেন।

এ প্রসঙ্গে হাবেল তালুকদার বলেন, গালা ইউনিয়নের ৯নং ওর্য়াডের গালা চরের সকল গ্রামবাসীকে আমাকে নির্বাচিত করার জন্য ধন্যবাদ। আমি গালার চরের উন্নয়নে নিজেকে সর্বদা নিয়োজিত রাখতে চাই।

প্রসঙ্গত, বেসরকারি ফলাফলে গালা ইউনিয়নে চেয়ারম্যানপদে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. নজরুল ইসলাম খান ‘মোটরসাইকেল’ মার্কা নিয়ে ১১০০৮ ভোট পেয়ে বেসরকারী ভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধী ছিলেন রাজকুমার সরকার। রাজকুমার সরকার ‘নৌক’া প্রতীক নিয়ে ৬৩৫০ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় হয়েছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. ডিসেম্বর ২০২১ ০৮:০৮:পিএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ৯ ইউপিতে আ.লীগ ও ১১টিতে স্বতন্ত্র প্রার্থীর জয় - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ৯ ইউপিতে আ.লীগ ও ১১টিতে স্বতন্ত্র প্রার্থীর জয়

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের আওয়ামী লীগের প্রার্থীর চেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থীর চেয়ারম্যান বেশি নির্বাচিত হয়েছেন। ২০টি ইউনিয়নের মধ্যে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ মনোনিত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ৯জন ও ১১জন স্বতন্ত্র প্রার্থী বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। রবিবার (২৬ ডিসেম্বর) রাতে ভোট গণনা শেষে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা ফলাফল ঘোষনা করেন।

এদিকে, একটি কেন্দ্রের ভোট গ্রহণ স্থগিত হওয়ায় ভূঞাপুরের অলোয়া ইউনিয়নের ফলাফল স্থগিত রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার দাইন্যা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ মনোনিত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আফজাল হোসেন, বাঘিল ইউনিয়নে এসএম মতিয়ার রহমান মন্টু, ঘারিন্দা ইউনিয়নে তোফায়েল আহম্মেদ,
করটিয়া ইউনিয়নে খালেকুজ্জামান মজনু; স্বতন্ত্রপ্রার্থী হিসেবে হুগড়া ইউনিয়নে নুর-ই আলম তুহিন, পোড়াবাড়ি ইউনিয়নে শাহাদত হোসেন, গালা ইউনিয়নে নজরুল ইসলাম খান ও মগড়া ইউনিয়নে মোতালেব হোসেন চেয়ারম্যান হয়েছেন।

ভূঞাপুর উপজেলার অর্জুনা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনিত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী দিদারুল আলম খান মাহবুব, ফলদা ইউনিয়নে সাইদুল ইসলাম তালুকদার, গোবিন্দাসী ইউনিয়নে দুলাল হোসেন চকদার; স্বতন্ত্রপ্রার্থী হিসেবে গাবসারা ইউনিয়নে শাহ আলম ও নিকরাইল ইউনিয়নে মাসুদুল হক মাসুদ নির্বাচিত হয়েছেন।

ঘাটাইল উপজেলার দেওলাবাড়ি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনিত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী সুজাত আলী খান, আনেহলা ইউনিয়নে তালুকদার শাজাহান; স্বতন্ত্রপ্রার্থী হিসেবে ঘাটাইল সদর ইউনিয়নে মিজানুর রহমান হীরা, লোকেরপাড়া ইউনিয়নে সহিদুল হক মিলন, দিগলকান্দি ইউনিয়নে রেজাউল করিম মটু, দিঘর ইউনিয়নে ফারুক হোসেন ফনি ও দেওপাড়া ইউনিয়নে রুহল আমীন হেপলু।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এএইচএম কামরুল ইমলাম জানান, স্থগিত কেন্দ্র ভূঞাপুর উপজেলার অলোয়া ইউনিয়নের আকালু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের ভোট গ্রহণ পঞ্চম ধাপের নির্বাচনে অনুষ্ঠিত হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. ডিসেম্বর ২০২১ ০৮:২৮:পিএম ২ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।