একতার কণ্ঠঃ বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ঢাকা বিভাগীয় পর্যায়ে টাঙ্গাইল জেলা অনুর্ধ্ব-১৭ প্র্রমিলা ফুটবল দল ২-১ গোলে কিশোরগঞ্জ জেলা অনুর্ধ্ব-১৭ প্রমিলা ফুটবল দলকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। রোববার (২৭ জুন) বিকালে ঢাকা পল্টন মাঠে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের আয়োজনে বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়।
খেলার শুরুতে টাঙ্গাইল জেলা দলের রিতু আক্তার প্রথমে গোল করে (১-০) দলকে এগিয়ে নেয়। কিশোরগঞ্জ জেলা দল খেলায় পিছিয়ে পড়ে গোল পরিশোধের জন্য পাল্টা আক্রমন করে খেলে কিশোরগঞ্জ দলের সালমা আক্তার গোল করে (১-১) খেলায় সমতা ফিরিয়ে আনে। খেলার দ্বিতীয়ার্ধে টাঙ্গাইল জেলা দলের সুরমা খাতুন গোল করে দলকে (২-১) এগিয়ে নেয়। এরপর কিশোরগঞ্জ জেলা ফুটবল দল পাল্টা আক্রমন করে খেলেও কোন গোল করতে পারেনি। খেলায় টাঙ্গাইল জেলা অনুর্ধ্ব-১৭ ফুটবল দল ২-১ গোলে জয় লাভ করে ঢাকা বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হওযা গৌরব অর্জন করে ।
এছাড়া একই দিন সকাল ১০টায় সেমিফাইনালে টাঙ্গাইল জেলা অনুর্ধ্ব-১৭ প্রমিলা ফুটবল দল ফরিদপুর জেলা দলকে টাইব্রেকারে ৪-২ গোলে হারিয়ে ফাইনালে উঠে।
টাঙ্গাইল জেলা অনুর্ধ্ব-১৭ প্রমিলা ফুটবল দলের হয়ে যারা খেলছে তারা হলোঃ সাদিয়া আক্তার( অধিনায়ক), রিতু আক্তার, সেলিনা আক্তার, রুপা আক্তার, ইতি আক্তার, সুরমা আক্তার, দৃষ্টি আক্তার, লিজা খাতুন, মরিয়ম বিনতে হান্না, শায়লা শবনম তন্নী(গোল কিপার) আশা আক্তার, আলমিনা আক্তার ও ইউসা হালিম।
টাঙ্গাইল জেলা অনুর্ধ্ব-১৭ প্রমিলা ফুটবল দলের কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, কামরুন নাহার খান মুন্নী ও ম্যনেজার হিসেবে আছেন জাহিদ তারেক খান জুয়েল।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সরকারি মাওলানা মোহাম্মদ আলী কলেজের নতুন অধ্যক্ষ হিসেবে যোগদান করেছেন অধ্যাপক শহীদুজ্জামান মিয়া। তিনি শনিবার সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন । এসময় কলেজের শিক্ষক শিক্ষিকা, ছাত্রসংসদের নেতৃবৃন্দ ও কর্মচারীরা তাকে ফুল দিয়ে অভিনন্দন জানান।
এর আগে তিনি সরকারি টঙ্গি কলেজ, সরকারি সা’দত কলেজ, সরকারি এমএম আলী কলেজ ও বিএমটিটিআই এর উপাধ্যক্ষ এবং আইসিটির প্রকল্প পরিচালকের দায়িত্বপালন করেন।
শহীদুজ্জামান মিয়া ১৯৬৭ সালে ভ‚ঞাপুর উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের ভাদুরীর চর গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ইসলামিক ইউনিভার্সি থেকে হিসাববিজ্ঞানে ১৯৮৮ সালে বিবিএ এবং ১৯৯১ সালে এমবিএ পাশ করেন। পরে ১৪ তম বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারে হিসাববিজ্ঞানের প্রভাষক হিসেবে চাকরি জীবন শুরু করেন।
তার পিতা মৃত হাজী মোহাম্মদ আলী ও মাতা লতিফা বেগম। তারা দুই বোন তিন ভাই। স্ত্রী সহযোগী অধ্যাপক ফৌজিয়া ইয়াছমীন বর্তমানে ডিজি অফিসে বিশেষ দায়িত্বে কর্মরত আছেন। তাদের এক ছেলে এবং এক মেয়ে।
দায়িত্বগ্রহণের পর শহীদুজ্জামান মিয়া মতবিনিময় সভায় বলেন, মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী ১৯৫৭ সালের ১ জুলাই কলেজটি প্রতিষ্ঠাতা করেন। ১৯৭৫ সালের ১ ফেব্রুয়ারি জাতিক জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান জাতীয়করন করেন। কলেজটির সুনাম রয়েছে। সকলের সহযোগিতা নিয়ে শিক্ষার মান উন্নয়নসহ কলেজটিকে সব দিকে এগিয়ে নিতে চাই।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে গ্রাহকের কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় উপজেলার ফুলকী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি সারোয়ার হোসেন সবুজকে বহিস্কার করা হয়েছে। টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রলীগের সাথে পরামর্শ ক্রমে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাসাইল উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক কামরান খান বিপুল।
জানা যায়, উপজেলার ফুলকী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি সবুজের বিরুদ্ধে ডাচ্-বাংলা এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠে। এ নিয়ে গত বৃহস্পতিবার (২৪ জুন) বিভিন্ন অনলাইন ও পত্রিকায় সংবাদ প্রচার হয়। সংবাদ প্রচারের পরপরই টনক নড়ে কর্তৃপক্ষের। শুক্রবার রাতে এক জরুরী সভায় ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতির পদ থেকে সবুজকে বহিস্কার করা হয়। উপজেলা আহ্বায়ক ও যুগ্ম আহ্বায়ক স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সবুজ ডাচ্-বাংলা এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের গ্রাহকদের টাকা আত্মসাৎ, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও ছাত্রলীগের ভাবমূর্তি নষ্ট করার কারণে তাকে দল থেকে বহিস্কার করা হয়েছে।
বাসাইল উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক কামরান খান বিপুল জানান, জেলা ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দদের সাথে পরামর্শক্রমে আমরা উক্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি। সবুজকে স্থায়ী বহিস্কারের বিষয়ে আমরা জেলা কমিটিকে জানিয়েছি বলেও তিনি জানান।
সবুজের চাচাতো ভাই আরিফ সরকার বলেন, গত ১৫ দিন যাবৎ সবুজ পলাতক রয়েছে। তার কোন প্রকার খোঁজ আমরা পাচ্ছি না। যে সকল গ্রাহকদের টাকা নিয়ে সে পালিয়েছে, পারিবারিকভাবে তাদের টাকা পরিশোধ করা হচ্ছে বলেও তিনি জানান।
উল্লেখ্য, তিন বছর আগে ডাচ্-বাংলা কেন্দ্রীয় ব্যাংক উপজেলার আইসড়া বাজারে এজেন্ট ব্যাংকিং বুথ চালু করে। বাসাইলের ফুলকী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি সবুজ ব্যাংকটির এজেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেন। ব্যাংকিং কার্যক্রমের আড়ালে তিনি গ্রাহকদের কোটি টাকা আত্মসাৎ করে গাঁ ঢাকা দেয়।
একতার কণ্ঠঃ পরীমনির দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও তুহিন সিদ্দিকী অমির মুক্তির দাবিতে টাঙ্গাইলের বাসাইলে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। শনিবার (২৬ জুন) সকালে বঙ্গবন্ধুসেতু-ঢাকা মহাসড়কের বাসাইল উপজেলার হাবলা ইউনিয়নের গুল্যাহ এলাকায় ঘন্টা ব্যাপি এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।
বাসাইল উপজেলা ও হাবলা ইউনিয়নবাসির ব্যানারে আয়োজনে মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন বাসাইল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী অলিদ ইসলাম, হাবলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খোরশেদ আলম, স্থানীয় ইউপি সদস্য আকবর আলী, এলাকাবাসী হায়েত আলী, হাজেরা বেগম প্রমুখ। মানববন্ধনে বিভিন্ন এলাকার প্রায় সহস্রাধিক নারী-পুরুষ অংশ গ্রহন করে।
বক্তারা বলেন, বাসাইলের গুল্যাহ গ্রামের অমি একজন ভাল মানুষ। সে ও তার বাবা সমাজ সেবক। অনেক মসজিদ, মাদ্রাসার উন্নয়ন করেছেন। এছাড়াও করোনাকালীন সময়ে হাজার হাজার মানুষকে সার্বিক সহযোগিতা করেছেন। অমি মানব পাচারের সাথে জড়িত নয়। তাকে এই মামলা থেকে প্রত্যাহার করে মুক্তি দিতে হবে। অন্যথায় টাঙ্গাইল থেকে কঠোর আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে।
জানা যায়, গত (৯ জুন) মধ্যরাতে সাভারে অবস্থিত ঢাকা বোট ক্লাবে চিত্রনায়িকা পরীমনিকে ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যাচেষ্টা করা হয় বলে পরীমনি থানায় অভিযোগ করেন। ঘটনার চার দিন পর রোববার (১৩ জুন) রাত ৮টার দিকে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়ে এবং রাত ১১টার দিকে সংবাদ সম্মেলন করে এ ঘটনা প্রকাশ করেন নায়িকা পরীমনি। পরদিন গত (১৪ জুন) সকালে ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদ ও অমিসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে সাভার থানায় মামলা করেন তিনি। ওই দিন বিকেলে উত্তরা থেকে নাসির ও অমিসহ পাঁচজনকে আটক করা হয়। এরপর ডিবির গুলশান জোনাল টিমের এসআই মানিক কুমার সিকদার বাদী হয়ে তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেন। ওই মামলায় গত (১৫ জুন) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নিভানা খায়ের জেসি নাসির ও অমির সাতদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন ।
একতার কণ্ঠঃ বঙ্গমাতা জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল প্রতিযোগিতায় ঢাকা বিভাগীয় পর্যায়ের খেলায় টাঙ্গাইল জেলা অনুর্ধ্ব-১৭ প্রমিলা ফুটবল দল সেমিফাইনালে উঠেছে।শনিবার (২৬ জুন) দুপুরে ঢাকার “পল্টন মাঠে” অনুষ্ঠিত “খ” গ্রুপের খেলায় টাঙ্গাইল জেলা কোয়ার্টার ফাইনালে শরিয়তপুর জেলা দলকে ৯-০ গোলের বিশাল ব্যবধানে হারায়।
খেলায় টাঙ্গাইলে স্টাইকার রিতু আক্তার হ্যাটট্রিক করে। এছাড়া দলীয় অধিনায়ক সাদিয়া আক্তার ২টি, সেলিনা আক্তার ২টি ও রুপা আক্তার ১টি করে গোল করে।
অপরদিকে, বঙ্গবন্ধু জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবলের বালক বিভাগের খেলায় টাঙ্গাইল জেলা অনুর্ধ্ব-১৭ ফুটবলে টাইব্রেকারে শরিয়তপুর জেলা (অনুর্ধ্ব-১৭) বালক দলের কাছে ৫-৪ গোলে পরাজিত হয়ে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিয়েছে। নির্ধারিত সময়ে খেলায় ১-১ গোলে ড্র হলে খেলা টাইব্রেকারের গড়ায়।
টাঙ্গাইল জেলা অনুর্ধ্ব-১৭ প্রমিলা ফুটবল দলের হয়ে যারা খেলছে তারা হলোঃ সাদিয়া আক্তার( অধিনায়ক), রিতু আক্তার, সেলিনা আক্তার, রুপা আক্তার, ইতি আক্তার, সুরমা আক্তার, দৃষ্টি আক্তার, লিজা খাতুন, মরিয়ম বিনতে হান্না, শায়লা শবনম তন্নী(গোল কিপার) আশা আক্তার, আলমিনা আক্তার ও ইউসা হালিম।
টাঙ্গাইল জেলা অনুর্ধ্ব-১৭ প্রমিলা ফুটবল দলের কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, কামরুন নাহার খান মুন্নী ও ম্যনেজার হিসেবে আছেন জাহিদ তারেক খান জুয়েল।
রবিবার (২৭ জুন) সেমিফাইনালে টাঙ্গাইল জেলা দল ফরিদপুর জেলা অনুর্ধ্ব-১৭ দলের মোকাবেলা করবে।
একতার কণ্ঠঃ সারাদেশে সোমবার (২৮ জুন) থেকে এক সপ্তাহের জন্য কড়াকড়ি কঠোর লকডাউন দেবে সরকার। মানুষকে স্বাস্থ্যবিধি মানাতে কাজ করবে পুলিশ, বিজিবি। একই সঙ্গে মোতায়েন থাকতে পারে সেনাবাহিনীও।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।
তিনি বলেন, আগামীকাল প্রজ্ঞাপন জারি। এক সপ্তাহ পর পরিস্থিতি বুঝে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।কোভিড ১৯ সংক্রমণ রোধকল্পে আগামী সোমবার ২৮ জুন ২০২১ থেকে পরবর্তী নির্র্দেশ না দেয়া পর্যন্ত সারাদেশে কঠোর লকডাউন পালন করা হবে।এ সময় জরুরি পরিষেবা ছাড়া সকল সরকারি বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে।তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সুরথ কুমার সরকার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জরুরী পন্যবাহী ব্যতীত সকল প্রকার যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে। অ্যাম্বুলেন্স ও চিকিৎসা সংক্রান্ত কাজে যানবাহন শুধু চলাচল করতে পারবে।জরুরী কারণ ছাড়া বাড়ির বাইরে কেউ বের হতে পারবেন না।
গণমাধ্যম এর আওতা বহির্ভূত থাকবে।
এ বিষয়ে আরো বিস্তারিত আদেশ আগামীকাল মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা হবে।
সূত্রঃ- যুগান্তর অনলাইন নিউজ পোর্টাল
একতার কণ্ঠঃ পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সারা দেশে কঠোর লকডাউন জারি করেছে সরকার। এর আগে ৩০ জুন পর্যন্ত সাতটি জেলার কঠোর লকডাউন জারি করা হয়।শুক্রবার (২৫ জুন) রাতে সরকার এ ঘোষণা দেয়।
এ সময় জরুরি পরিষেবা ছাড়া সব সরকারি বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে।জরুরি পণ্যবাহী ব্যতীত সকল প্রকার যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে। অ্যাম্বুলেন্স ও চিকিৎসা সংক্রান্ত কাজে যানবাহন শুধু চলাচল করতে পারবে।
জরুরি কারণ ছাড়া বাড়ির বাইরে কেউ বের হতে পারবেন না।গণমাধ্যম এর আওতা বহির্ভুত থাকবে।এ বিষয়ে আরেও বিস্তারিত আদেশ আগামীকাল শনিবার(২৬ জুন) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা হবে।
সূত্রঃ- যুগান্তর অনলাইন নিউজ পোর্টাল
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার দাইন্যা ইউনিয়নের লাউজানা মৌজায় ৯০ শতাংশ সরকারি জমি অবৈধ দখলমুক্ত করা হয়েছে। শুক্রবার(২৫ জুন) সকালে টাঙ্গাইল সদর সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ খায়রুল ইসলাম এর নেতৃত্বে ওই অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান চলা কালে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিপূল সংখ্যাক সদস্য উপস্থিত ছিল।
টাঙ্গাইল সদর সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ খায়রুল ইসলাম জানান, পৌর এলাকার সন্নিকটে অবস্থিত লাউজানা মৌজায় ১ নং খাস খতিয়ান ভুক্ত এই ৯০ শতাংশ জমি প্রভাবশালীদের অবৈধ দখল থেকে মুক্ত করা হয়।এই ৯০ শতাংশ, জমির আনুমানিক মুল্য ৪ কোটি টাকা। অবৈধ দখল থেকে মুক্ত করার পর সেখানে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য ঘর নির্মাণের জন্য নির্মাণ সামগ্রী নেয়া হয়েছে ।
তিনি আরো জানান, সরকারি জমি অবৈধ দখলমুক্ত করতে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।
একতার কণ্ঠঃ করোনায় আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এবং টাঙ্গাইল রাইফেল ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এম.এ রকিব শামীম মৃত্যুবরণ করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।শুক্রবার(২৫জুন) সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। বিষয়টি টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক রফিকুল ইসলাম খান নিশ্চিত করেছেন।
সূত্র জানায়, ঠান্ডা-জ্বর, কাশি, শরীর ব্যথা অনুভব হলে গত ১৮ জুন তিনি করোনা ভাইরাসের পরীক্ষার জন্য নমুনা দেন। গত ২০ জুন রিপোর্টে জানতে পারেন তিনি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত। পরে ২২ জুন তিনি ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার সকালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। দীর্ঘদিন যাবৎ তিনি কিডনি সমস্যা ভুগছিলেন।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়েসহ অনেক গুণগ্রাহী রেখে গেছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকালে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় গোরস্থান জামে মসজিদ মাঠে এম.এ রকিব শামীমের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। তাকে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় গোরস্থানে দাফন করা হবে।
তার মৃত্যুতে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুল রহমান খান ফারুক, সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম ভিপি জোয়াহের এমপি, টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ও রাইফেল ক্লাবের সভাপতি ড. আতাউল গনি গভীর শোক প্রকাশ ও তার পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেছেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে পোল্ট্রি ফার্মে শিয়াল মারার বিদ্যুতের ফাঁদে পড়ে অজ্ঞাত এক যুবকের (৩২) মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার(২৪) দিনগত রাতের কোন এক সময়ে উপজেলার কাকড়াজান ইউনিয়নের ভাতগড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ফার্মের বেড়ায় লাগানো শিয়াল মারার ফাঁদে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, ওই গ্রামে পোল্ট্রি ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলাম তার ফার্মে কুকুর, শেয়াল ও চুরি রুখতে রাতে চারদিকে বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়ে রাখেন। গত বৃহস্পতিবার দিনগত রাতেও তিনি একই ভাবে ফার্মের বেড়ার সঙ্গে বিদ্যুতের সংযোগ দিয়ে রাখেন। রাতে কোন এক সময় অজ্ঞাত ওই যুবক ফার্মের বেড়ার স্পর্শে এলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যায়।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান তারিকুল ইসলাম বলেন, পোল্ট্রি ফার্মের মালিক বেড়ায় বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়ে রাখে এটা তার জানা ছিল না। এছাড়া যে যুবক মারা গেছে তাকেও তিনি চেনেনা। মনে হয় মৃত যুবকটি ওই ফার্মে চুরি করতে এসেছিল।
সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) একে সাইদুল হক ভূঁইয়া বলেন, প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে অজ্ঞাত ওই যুবকের মৃত্যু হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অজ্ঞাত এ লাশের এখনো কোন পরিচয় পাওয়া যায়নি। লাশ শনাক্তের জন্য পিবিআইয়ের সহযোগিতা নেওয়া হচ্ছে।
একতার কণ্ঠঃ করোনার ডেলটা প্রজাতির ভাইরাসের সামাজিক সংক্রমণ ঠেকাতে সারাদেশে সর্বাত্মকভাবে ১৪ দিনের কঠোর শাটডাউনের সুপারিশ করেছে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি।বুধবার (২৩ জুন) রাত সাড়ে ৯টায় জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির ৩৮তম সভায় আলোচনা শেষে এ সুপারিশ করা হয়। বৃহস্পতিবার (২৪ জুন) কমিটির সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ সহিদুল্লাহ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
“দেশের পঞ্চাশের অধিক জেলায় ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণ ধরা পড়েছে”
সভায় বলা হয়, কোভিড-১৯ রোগের বিশেষ ডেলটা প্রজাতির সামাজিক সংক্রমণ চিহ্নিত হয়েছে ও দেশে ইতোমধ্যেই তার প্রকোপ অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। এ প্রজাতির জীবাণুর সংক্রমণ ক্ষমতা তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বিশ্লেষণে সারা দেশেই উচ্চ সংক্রমণ ও পঞ্চাশোর্ধ জেলায় অতি উচ্চ সংক্রমণ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
সভায় আরও বলা হয়, রোগ প্রতিরোধের জন্য খণ্ড খণ্ড ভাবে গৃহীত কর্মসূচির উপযোগিতা প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে। অন্যান্য দেশ, বিশেষত পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের অভিজ্ঞতা থেকে জানা যায় কঠোর ব্যবস্থা ছাড়া এ প্রজাতির বিস্তৃতি প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়। ভারতের শীর্ষস্থানীয় বিশেষজ্ঞের সঙ্গে আলোচনা করে তাদের মতামত অনুযায়ী যে সব স্থানে পূর্ণ ‘শাটডাউন’ করা হয়েছে সেখানে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ হয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে রোগের বিস্তার নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়া ও জনগণের জীবনের ক্ষতি প্রতিরোধ করার জন্য কমিটি সর্বসম্মতিক্রমে সারা দেশে কমপক্ষে ১৪ দিন সম্পূর্ণ ‘শাটডাউন’ দেওয়ার সুপারিশ করছে।
সুপারিশে বলা হয়, শাটডাউন চলা অবস্থায় জরুরি সেবা ছাড়া যানবাহন, অফিস-আদালতসহ সবকিছু বন্ধ রাখা প্রয়োজন। এ ব্যবস্থা কঠোরভাবে পালন করতে না পারলে আমাদের যত প্রস্তুতিই থাকুক না কেনো, সংক্রমণ এভাবে বাড়তে থাকলে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা অপ্রতুল হয়ে পড়বে।
সভায় ভ্যাকসিন সংগ্রহের জন্য সর্বাত্মক উদ্যোগ নেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়। একই সঙ্গে এ রোগ থেকে পূর্ণ মুক্তির জন্য দেশের মোট জনসংখ্যার ৮০ শতাংশের ঊর্ধ্বে ভ্যাকসিনের আওতায় আনা প্রয়োজন বলেও কমিটি মতামত দিয়েছে। এ লক্ষ্যে বিদেশ থেকে টিকা সংগ্রহ, লাইসেন্সের মাধ্যমে দেশে টিকা উৎপাদন করা ও নিজস্ব টিকা তৈরির জন্য সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে গবেষণা করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রচেষ্টার প্রতি কমিটি পূর্ণ সমর্থন জানায়।
কমিটির সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ সহিদুল্লাহ বলেন, আমাদের দেশে করোনা সংক্রমণ বেড়ে গেছে। বিশেষ করে পঞ্চাশের অধিক জেলায় ডেলটা ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণ অত্যন্ত বেড়ে গেছে। আর এ সংক্রমণ সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তিনি বলেন, সংক্রমণের পাশাপাশি হাসপাতালে আক্রান্তদের ভর্তি হওয়া ও মৃত্যুর হারও বেড়ে গেছে।
অধ্যাপক সহিদুল্লাহ বলেন, আমরা যদি ভারতের সেই বিপর্যস্ত অবস্থার কথা চিন্তা করি, সেখান থেকে তারা কঠোর লকডাউনের মাধ্যমে ধীরে ধীরে উন্নতির দিকে যাচ্ছে। বিশেষ করে দিল্লি বা মুম্বাইয়ের কথা বলি, যেখানে প্রতিদিন ২৮ হাজারের উপরে মানুষ সংক্রামিত হয়েছে। হাজার হাজার মৃত্যু ঘটেছে। এরপর তারা যখন কঠোর লকডাউনের দিকে গেল বিশেষ করে দিল্লিতে, এখন সেখানে সংক্রমণের হার কোনো কোনো দিন একশর নিচে। কোনো কোনো দিন মৃত্যুও নেই।
এদিকে দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়তে থাকায় সারাদেশে সরকার ঘোষিত বিধিনিষেধ চলছে। চলতি বছর করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় গত ৫ এপ্রিল থেকে লকডাউন ঘোষণা করা হয়। ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত ঢিলেঢালা লকডাউন হলেও সংক্রমণ আরও বেড়ে যাওয়ায় ১৪ এপ্রিল থেকে ‘কঠোর লকডাউন‘ ঘোষণা দেয় সরকার। পরে সিটি করপোরেশন এলাকায় গণপরিবহন চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়। তবে দূরপাল্লার বাস, লঞ্চ এবং ট্রেন চলাচল রোজার ঈদ পর্যন্ত বন্ধ ছিল। পরে ২৪ মে থেকে গণপরিবহন চলার অনুমতি দেওয়া হয়। একই সঙ্গে হোটেল-রেস্তোরাঁগুলো আসন সংখ্যার অর্ধেক বসিয়ে খোলা রাখার অনুমতি দেওয়া হয়।
তবে করোনার সংক্রমণ বাড়তে থাকায় সারাদেশে বিধিনিষেধ কয়েক দফা বাড়ানো হয়। সর্বশেষ গত ১৬ জুন বিধিনিষেধ এক মাস বাড়িয়েছে সরকার, যা ১৫ জুলাই পর্যন্ত চলবে।
সংবাদ সূত্রঃ- সময় টিভি অনলাইন
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বাসাইল উপজেলার ফুলকী ইউনিয়নে আইসড়া বাজারে ডাচ্-বাংলা এজেন্ট ব্যাংকিং এর এজেন্ট গ্রাহকের কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে পালিয়ে গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এজেন্টের নাম সারোয়ার হোসেন সবুজ। সে বাসাইল উপজেলার ফুলকী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি।অভিযুক্ত সবুজ ফুলকী ইউনিয়নের আইসড়া গ্রামের মারিফত মিয়ার ছেলে।
এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (২৪ জুন) সকালে গ্রাহকরা তাদের টাকা ফেরতের দাবীতে আইসড়া বাজারে অবস্থিত আইসড়া ডাচ্-বাংলা এজেন্ট ব্যাংকিং বুথ ঘেরাও করে মিছিল সমাবেশ করেছে।
জানা যায়, তিন বছর আগে ডাচ্-বাংলা কেন্দ্রীয় ব্যাংক আইসড়া বাজারে এজেন্ট ব্যাংকিং বুথ চালু করে। বাসাইলের ফুলকী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি সবুজ এজেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেন। বাজারে একটি দালান ভাড়া নিয়ে এজেন্ট ব্যাংকিং শুরু করেন। আইসড়া গ্রাম তাঁত সমৃদ্ধ এবং অনেক মানুষ প্রবাসী হওয়ায় তাদের স্ত্রী এবং তাদের পরিবারকে টার্গেট করেন সবুজ। ব্যাংকিং নীতিমালা উপেক্ষা করে সাধারণ রেটের চেয়ে উচ্চ হারের রেটের প্রলোভন দেখিয়ে ব্যাংকে টাকা জমা রাখতে প্রলুব্ধ করেন। অতি মুনাফার আশায় গ্রামের অনেক মানুষ বিদেশ থেকে পাঠানো টাকা এবং আইসড়া বাজারের ব্যবসায়ীরা এজেন্ট ব্যাংকে টাকা জমা রাখেন।
অতি সম্প্রতি জমাকৃত টাকা উত্তোলন করতে গিয়েস গ্রাহকরা দেখেন তাদের জমানো টাকা ব্যাংক হিসেবে নেই। এজেন্ট সবুজের কাছে টাকা বিষয়ে জানতে চাইলে সে বিভিন্ন গ্রাহকে টাকার দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে টালবাহানা শুরু করেন এবং গ্রাহকেদের ঘুরাতে থাকেন। টাকা না পেয়ে গ্রাহকরা বিক্ষুদ্ধ হয়ে উঠেন। তাদের জমানো টাকা পাওয়ার আশায় বাজারে সালিশী বৈঠক বসান। সেখানে সবুজ টাকা ফেরত দেয়ার প্রতিশ্রতি দেন। হঠাৎ করে গত সাতদিন ধরে সবুজ এজেন্ট ব্যাংকিং বন্ধ করে পালিয়ে যান। এ ঘটনায় গ্রাহকরা বিক্ষুব্ধ হয়ে মিছিল সমাবেশ করেন।
সরেজমিন তথ্য নিয়ে জানা গেছে, গ্রাহক রুম্পা বেগমের ১৪ লাখ টাকা, আফজাল হোসেনের ৯ লাখ টাকা, রাজু আহমেদের ৭ লাখ টাকা, জলি বেগমের পৌঁনে ৪ লাখ টাকা, বাজারের চা বিক্রেতা আবুল হোসেনের ১ লাখ টাকা, ইতি খানের ৪০ হাজার টাকাসহ অসংখ্য গ্রাহকের প্রায় কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে পালিয়ে গেছে এজেন্ট সবুজ।
ক্ষুব্ধ দোকানদার রাজু বলেন, তিনি পাঁচ লাখ জমা দিয়ে প্রতারিত হয়েছেন। ডাচ্-বাংলা এজেন্ট ব্যাংকিং এর টাঙ্গাইল অফিসের কিছু অসাধু কর্মকর্তা এর পেছনে জড়িত রয়েছে। তা নাহলে সবুজ জমাকৃত কোটি টাকা নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সাহস পেত না। আত্মসাতের সাথে জড়িতদের বিচার ও টাকা ফেরতের দাবি জানান তিনি।
গ্রাহক ইতি খান অভিযোগ করে বলেন, তিনি বিশ্বাস করে ব্যাংকে টাকা রেখেছেন। সবুজ এমন প্রতারণা করবে বুঝতে পারেননি তিনি। প্রথম যখন তিনি টাকা জমা রাখতেন তখন মোবাইলে এসএমএস আসতো। পরবর্তীতে ব্যাংকে টাকা জমা দিলে এসএমএস আসতো না। এ বিষয়ে ব্যাংকে জানালে তারা বলতো সার্ভার বিকল হয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্থ আফজাল হোসেন বলেন, বিদেশে থেকে পাঠানো ৯ লাখ টাকা তার মা ও স্ত্রী জমা রেখেছে। উচ্চ হারের প্রলোভন দেখিয়ে তাদের টাকা জমা রাখতে বাধ্য করেছে। তারাও গ্রামের ছেলে হিসেবে সবুজকে বিশ্বাস করেছে। দেশে এসে টাকা উঠাতে গেলে জানতে পারেন টাকা নিয়ে পালিয়েছে সবুজ।
এ প্রসঙ্গে ফুলকী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম বাবুল বলেন, গ্রাহকের টাকা নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় তাদের অভিযোগের ভিত্তিতে গত তিন দিন আগে আইসড়া বাজারের সকল গ্রাহক, ব্যাংকের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বাজার কমিটির নেতৃবৃন্দ এবং পলাতক সবুজের বাবাকে নিয়ে সালিশী বৈঠকে বসা হয়। সবুজের বাবা তার সম্পতি বিক্রি করে গ্রাহকের টাকা পরিশোধের রাজি হন। সকলের উপস্থিতিতে ব্যাংক কর্তৃপক্ষের হিসাবের ভিত্তিতে সবুজের বাবা টাকা পরিশোধ করবেন বলে সালিশি বৈঠকে জানান।
বাসাইল উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক কামরান খান বিপুল বলেন, সবুজ ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি। সে একটি ব্যাংকের এজেন্ট ছিল। বহু গ্রাহকের টাকা নিয়ে পালিয়েছে বলে শুনেছি। এ ঘটনায় তাকে পদ থেকে অব্যহতি দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে উপজেলা ছাত্রলীগ। উপযুক্ত প্রমাণ পেলে, তাকে সংগঠন থেকে বহিস্কার ও সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
টাঙ্গাইল ডাচ্-বাংলা এজেন্ট ব্যাংকিং অফিসের ব্যবস্থাপক আব্দুর রউফ বলেন, বিষয়টি নিয়ে ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ একটি বৈঠক করেছে। স্থানীয় লোকজনকে সাথে নিয়ে গ্রাহকদের টাকা পরিশোধের চেষ্টা করা হচ্ছে।