একতার কণ্ঠঃ কঠোর লকডাউনেও টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে শুক্রবার(২ জুলাই) সকাল পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়ে তিন জন ও উপসর্গ নিয়ে চার জন সহ মোট সাত জন মৃত্যুবরণ করেছে। নতুন করে জেলায় ৫২৬টি নমুনা পরীক্ষায় ২৩৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ৪৪ দশমিক ৬৭ শতাংশ।
এদিকে কঠোর লকডাউন অমান্য করে যাতায়াতকারী যানবাহন বঙ্গবন্ধুসেতু পারাপার হতে না পারে সেজন্য টোল আদায়ে সতর্ক থাকতে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষকে(বাসেক) অনুরোধ জানিয়েছেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ডক্টর মো. আতাউল গনি।
টাঙ্গাইল জেলায় করোনাভাইরাসের সংক্রমণ দ্রুতগতিতে বৃদ্ধি পাওয়ায় লকডাউন অমান্য করে বঙ্গবন্ধুসেতু-ঢাকা মহাসড়ক ব্যবহার করে গণপরিবহন যাতে টাঙ্গাইলে প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য ব্যাবস্থা নিতে পাশের গাজীপুর ও সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসককেও অনুরোধ জানানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) বিকালে জেলা প্রশাসকের সভাকক্ষে লকডাউন বাস্তবায়নে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক সমন্বয় সভা শেষে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি এ অনুরোধ করেন।
তিনি জানান, কঠোর লকডাউন অমান্য করে কেউ যেন টাঙ্গাইলে প্রবেশ না করতে পারে- সে লক্ষ্যে সিরাজগঞ্জ ও গাজীপুরের জেলা প্রশাসককে ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করা হয়েছে। বিশেষ করে সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসককে বঙ্গবন্ধুসেতুর পশ্চিমপ্রান্তে সব সময়ের জন্য মোবাইল কোর্ট রাখার অনুরোধ করা হয়েছে- যাতে বিধিনিষেধ অমান্য করে কোন গাড়ি সেতুতে উঠতে না পারে। এছাড়া টোল আদায়ে বাসেককে সতর্ক থাকতে অনুরোধ করা হয়েছে। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের একজন সদস্য(সচিব পদ মর্যাদার) জেলার করোনা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও তদারকি করছেন।
জেলা প্রশাসক জানান, কঠোর লকডাউনের প্রথম দিন বৃহস্পতিবার সকাল থেকে টাঙ্গাইলের বিভিন্ন পয়েণ্টে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে কাজ করছে সেনা সদস্যরা। এছাড়া জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে ১১৩টি চেকপোস্ট বসিয়ে লকডাউন কার্যকর করা হচ্ছে। জেলায় লকডাউন বাস্তবায়নে ২৯ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে সেনাবাহিনীর সাতটি টিম(প্রতি টিমে ৯জন সেনা সদস্য), প্রতিটিমে আট জন সদস্যের র্যাবের তিনটি পেট্রোল টিম, বিজিবি’র ২০জন সদস্য, পুলিশ এবং আনসারের আটশ’ সদস্য মাঠে রয়েছেন।
টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান শুক্রবার(২ জুলাই) সকালে জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে করোনায় আক্রান্ত হয়ে তিন জন ও উপসর্গ নিয়ে চার জনের মৃত্যু হয়েছে। এদিন নতুন করে জেলায় ৫২৬টি নমুনা পরীক্ষায় ২৩৫ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ৪৪ দশমিক ৬৭ শতাংশ। আক্রান্তদের মধ্যে টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় ১২৬ জন, মির্জাপুরে ৩০ জন, দেলদুয়ার, কালিহাতী, ঘাটাইল ও গোপালপুরে ১২ জন করে, সখীপুরে ১০ জন, মধুপুরে সাত জন, বাসাইলে ছয় জন, ভূঞাপুর ও ধনবাড়িতে তিন জন করে এবং নাগরপুর উপজেলায় দুই জন রয়েছেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে গত ২৪ ঘণ্টায় টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে সাত করোনা রোগীর মৃত্যু হয়েছে এবং করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন আরও নয় জন। বৃহস্পতিবার( ১জুলাই) সকালে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে।
টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. সাদিকুর রহমান বলেন, ‘করোনা রোগীদের মধ্যে চার জন আইসিইউতে এবং বাকিরা করোনা ডেডিকেটেড ইউনিটে ও আইসোলেশন সেন্টারে মারা গেছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘হাসপাতালে করোনা রোগী ও সন্দেহভাজন করোনা রোগীদের চাপ বেড়ে যাওয়ায় ইতোমধ্যে হাসপাতালের দুটি জেনারেল (গাইনি ও মেডিসিন) ওয়ার্ড করোনা রোগীদের জন্য ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।’
হাসপাতালে প্রযোজনীয় ডাক্তার, নার্স ও অন্যান্য জনবল সংকটের কারণে চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন তারা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘এ পরিস্থিতিতেও হাসপাতালের চিকিৎসক ও সেবাকর্মীরা সাধ্য মতো চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
এ দিকে টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মোঃ শাহাবুদ্দিন খান জানান, নতুন করে জেলায় ২৫৭ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। ৬২৮টি নমুনা পরীক্ষা করে ২৫৭ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার শতকরা ৪০ দশমিক ৯২ ভাগ।
তিনি আরো জানান,এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭ হাজার ৯৬৪ জন। আক্রান্তদের মধ্যে মোট সুস্থ্য হয়েছে ৪ হাজার ৬৮৫জন। সর্বমোট মৃত্যুবরণ করেছেন ১১৫জন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) নারী সদস্যের হাত থেকে টেন্ডার ছিনিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে আওয়ামী লীগ নেতা ও তার ছেলের বিরুদ্ধে। এ অভিযোগে তাদের দু’জনকে আসামি করে টাঙ্গাইলের সখীপুর থানায় মামলা হয়েছে।
মামলার বাদী বহেড়াতৈল ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত (৭,৮,৯) ওয়ার্ডের নির্বাচিত সদস্য রেনু আক্তার। আর আসামিরা হলেন- সখীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক নজরুল ইসলাম নবু (৫০) ও তার ছেলে লিঙ্কন আহম্মেদ (২৫)।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানায়, বহেড়াতৈল বাজার খেয়াঘাটের এক বছরের জন্য ইজারা দেয়ার লক্ষ্যে ২১ জুন(সোমবার) দরপত্র আহ্বান করা হয়। শিডিউল কেনার সর্বশেষ তারিখ নির্ধারণ করা হয় ২৮ জুন (সোমবার)। এরপর ৫০০ টাকা করে জমা দিয়ে ১০ জন শিডিউল কিনেন।
মঙ্গলবার(২৯ জুন) বেলা ১টা পর্যন্ত টেন্ডার জমা দেয়ার সময় নির্ধারণ করা হয়। সকাল ১১টায় প্রথমে উপজেলা আওয়ামী লীগের উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক নজরুল ইসলাম নবুর ছেলে ইউনিয়ন ছাত্রলীগ নেতা লিঙ্কন আহম্মেদ শিডিউল জমা দেন।
ইউপি সদস্য রেনু আক্তার বলেন, ’বেলা সাড়ে ১২টার দিকে আমি টেন্ডার জমা দেয়ার জন্য ইউএনও কার্যালয়ের সামনে এলে আসামিরা আমার হাতে থাকা দরপত্র ছিনিয়ে নেন। এ সময় আমি কান্নাকাটি করে ইউএনওকে বিষয়টি ফোনে জানাই। এরপরও ওই নেতা ও তার ছেলে আমার হাত থেকে ছিনিয়ে নেয়া টেন্ডার ও সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র নিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। এ কারণে আমি ওই দুইজনকে আসামি করে থানায় মামলা করেছি।’
অভিযোগের বিষয়ে নজরুল ইসলাম নবু বলেন, ‘ইতোপূর্বে কোনো টেন্ডার ছাড়াই এই খেয়াঘাটটি পরিচালনা করতেন ইউপি চেয়ারম্যানসহ তার লোকজন। এ বছরই প্রথম এই খেয়াঘাটটির অস্থায়ী ভিত্তিতে মাত্র তিনমাসের জন্য টেন্ডার প্রক্রিয়ায় আনা হয়। তবে টেন্ডার ছিনিয়ে নেয়ার বিষয়ে কি ঘটেছে সেটি আমার জানা নেই।’ এ নিয়ে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হচ্ছে এমনটাই দাবি করেন তিনি।
সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একে সাইদুল হক ভুঁইয়া বলেন, আওয়ামী লীগ নেতা ও তার ছেলের বিরুদ্ধে খেয়াঘাট টেন্ডারের শিডিউল ছিনতাইয়ের অভিযোগে মামলা করেছেন রেনু আক্তার নামের এক ইউপি সদস্য। আসামিদের গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে।
সখীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) চিত্রা শিকারী জানান, এ বিষয়ে ওই নারী ইউপি সদস্য সখীপুর থানায় অভিযোগ করেছেন। ওই খেয়াঘাটের ইজারা আপাতত স্থগিত করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৮৩৪টি নমুনা পরীক্ষায় ৩২০ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ দিন জেলায় শনাক্তের হার ৩৮ দশমিক ৩৬ শতাংশ।গত ২৪ ঘন্টায় জেলায় করোনাক্রান্ত হয়ে কেউ মৃত্যুবরণ করেনি।বুধবার(৩০ জুন) দুপুরে টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান জানান, এ পর্যন্ত জেলায় করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাড়াল সাত হাজার ৭০৭জন। আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ্য হয়ে বাড়ি ফিরেছে মোট চার হাজার ৬৬২জন।করোনায় মৃত্যুবরণ করেছে ১০৮জন। টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের করোনা ডেডিকেটেড ইউনিটে চিকিৎসাধীন রয়েছে ২৪ জন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলার আসামি সাবেক পৌর মেয়র সহিদুর রহমান খানের (মুক্তি) জামিন আবেদন আবারও নামঞ্জুর করেছেন আদালত।বুধবার (৩০ জুন) টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মাসুদ পারভেজ জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন। সহিদুর ফারুক হত্যা মামলার প্রধান আসামি সাবেক সাংসদ আমানুর রহমান খান রানার ভাই।
টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি মনিরুল ইসলাম খান বলেন, ফারুক হত্যা মামলায় গত বছরের ২ ডিসেম্বর আত্মসমর্পণের পর আদালত সহিদুর রহমান খানের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আরও আটবার তাঁর জামিন আবেদন আদালত নামঞ্জুর করেন। গত সোমবার সহিদুরের পক্ষে তাঁর আইনজীবী আবদুল বাকী ও আরফান আলী মোল্লা জামিন আবেদন করেন। আদালত বুধবার শুনানি শেষে জামিন নামঞ্জুর করেন। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত পিপি মনিরুল ইসলাম খান ও বাদীপক্ষের আইনজীবী রফিকুল ইসলাম জামিনের বিরোধিতা করেন।
উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহমেদের গুলিবিদ্ধ লাশ তাঁর কলেজপাড়া এলাকার বাসার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনার তিন দিন পর তাঁর স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন। এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ২০১৪ সালের আগস্ট মাসে পুলিশের গোয়েন্দা শাখা আনিসুল ইসলাম রাজা ও মোহাম্মদ আলী নামের দুজনকে গ্রেপ্তার করে।
আদালতে দুজনের দেওয়া স্বীকারোক্তিতে এই হত্যার সঙ্গে তৎকালীন সাংসদ আমানুর রহমান খান, তাঁর তিন ভাই তৎকালীন টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র সহিদুর রহমান খান, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাকন ও ছাত্রলীগের তৎকালীন কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পার জড়িত থাকার বিষয়টি উঠে আসে। এরপর অভিযুক্তরা আত্মগোপনে চলে যান। আমানুর রহমান খান রানা ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে আত্মসমর্পণ করেন। প্রায় ৩ বছর হাজতবাসের পর জামিনে মুক্তি পান। সহিদুর রহমান খান মুক্তি গত বছরের ২ ডিসেম্বর আত্মসমর্পণ করেন। তাঁর অন্য দুই ভাই এখনো পলাতক রয়েছে ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের নতুন সদস্যদের সাদরে বরণ করার উদ্দেশ্যে বুধবার(৩০ জুন) দুপুরে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে আয়োজিত বরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কাজী জাকেরুল মওলা।উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য কামনাশীষ শেখর।অনুষ্ঠানের শুরুতে নতুন সদস্যদের ফুল দিয়ে বরণ করা হয়। পরে তারা সবাই তাদের অনুভূতি ব্যক্ত করেন।
সভাপতির বক্তব্য এডভোকেট জাফর আহমেদ বলেন, এবারই প্রথম এই ১৪ জন সদস্যকে প্রেস ক্লাবে অন্তর্ভুক্তিকে সবাই একযোগে সমর্থন করেছে। কোন ধরনের বির্তকিত সদস্যকে এবার অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। আপনাদের অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সাদরে বরণ করে নেওয়া হলো। এটা আপনাদের জন্য সম্মানের। আশা করি, আপনারা সেই সম্মান ধরে রাখবেন। প্রেস ক্লাবের নতুন সদস্য হিসেবে আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি।
টাঙ্গাইল প্রেস ক্লাবের নতুন ১৪ জন সদস্যরা হলেন, দৈনিক আমাদের নতুন সময়’র জেলা প্রতিনিধি মো. আরমান কবীর, দৈনিক সকালের সময়ের টাঙ্গাইল প্রতিনিধি মো. রাশেদ খান মেনন (রাসেল), সাপ্তাহিক জাহাজমারা’র প্রধান সম্পাদক ও নিউজ-২৪’র টাঙ্গাইল প্রতিনিধি মো. আতিকুর রহমান, দি এশিয়ান এইজ’র টাঙ্গাইল প্রতিনিধি মো. মাসুদ রেজা, সাপ্তাহিক জাহাজমারা’র সম্পাদক মো. গোলাম কিবরিয়া বড়মনি, দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন’র টাঙ্গাইল প্রতিনিধি মো. তোফায়েল আহমেদ রনি, দৈনিক আজকের বিজনেস বাংলাদেশ’র টাঙ্গাইল প্রতিনিধি মো. আবু কাওছার আহমেদ, দৈনিক বণিক বার্তা’র টাঙ্গাইল প্রতিনিধি মো. পারভেজ হাসান, ঢাকা টাইমস’র স্টাফ রিপোর্টার মো. রেজাউল করিম, সাপ্তাহিক যুগধারা’র সম্পাদক মো. হাবিবুর রহমান, সাপ্তাহিক কালের স্বর’র সম্পাদক শামসুজ্জামান, দৈনিক জাগরণ’র জেলা প্রতিনিধি কাজল চন্দ্র আর্য্য ও দৈনিক টাঙ্গাইল সময়’র জেলা প্রতিনিধি মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক। এছাড়া ডিবিসি নিউজ’র টাঙ্গাইল প্রতিনিধি মো. সোহেল তালুকদার নতুন সদস্য হলেও তিনি অসুস্থতাজনিত কারণে অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে পারেননি।
উল্লেখ্য, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের গত ১১ জুন অনুষ্ঠিত কার্যনির্বাহী পরিষদের সভায় ১৪ জনকে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে বুধবার তাদের বরণ করে নেয়া হয় ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল ও মির্জাপুর পৌরসভার নবনির্বাচিত কাউন্সিলরদের ‘পৌরসভা প্রশাসন অবহিতকরণ’ শীর্ষক দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ মঙ্গলবার(২৯ জুন) বিকালে সম্পন্ন হয়েছে।
জেলা প্রশাসকের সভাকক্ষে আয়োজিত প্রশিক্ষণে কোর্স সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেন, টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ও স্থানীয় সরকারের ভারপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক আমিনুল ইসলাম।
এর আগে সোমবার(২৮ জুন) টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনির সভাপতিত্বে প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, এনআইএলজি’র মহাপরিচালক(অতিরিক্ত সচিব) সালেহ আহমেদ মোজাফফর।
এ সময় টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
প্রশিক্ষণে টাঙ্গাইল ও মির্জাপুর পৌরসভার ৩৬ জন কাউন্সিলর অংশগ্রহন করেন।
একতার কণ্ঠঃ করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায়, বুধবার (৩০ জুন) শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলছে না। দেশের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং ইবতেদায়ি ও কওমি মাদ্রাসায় চলমান ছুটি আগামী ৩১ জুলাই পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে ।
মঙ্গলবার (২৯ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ‘সারা দেশে করোনা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। লকডাউনও কার্যকর হয়েছে। শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মচারী ও অভিভাবকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও সার্বিক নিরাপত্তার বিবেচনায় এবং কোভিড ১৯ সংক্রান্ত জাতীয় পরামর্শক কমিটির সঙ্গে পরামর্শক্রমে এই ছুটি বৃদ্ধি করা হয়েছে। সর্বশেষ ঘোষণা অনুযায়ী ছুটি ছিল ৩০ জুন পর্যন্ত ।’
করোনা সংক্রমণের কারণে ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়। ক্লাস চলতে থাকে অনলাইনে। পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন বিটিভি ও সংসদ টিভিতে নেয়া হয় ক্লাস।
তবে শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশই শিক্ষণের এই প্রক্রিয়া থেকে দূরে রয়েছে বলে নানা জরিপে উঠে এসেছে। বিশেষ করে গ্রাম এলাকায় ও নিম্ন আয়ের মানুষদের সন্তানরা আদৌ পড়ালেখার মধ্যে আছে কি না, এ নিয়ে আছে প্রশ্ন। জরিপে জানা যায়, প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত প্রায় চার কোটি শিক্ষার্থী মারাত্মক সমস্যায় পড়েছে।
এছাড়া, প্রতিবছর ফেব্রুয়ারি মাসে এসএসসি ও এপ্রিলে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হলেও এ বছর করোনার কারণে এ দুটি গুরুত্বপূর্ণ পাবলিক পরীক্ষা এখনও নেয়া সম্ভব হয়নি। গত বছর এসএসসি পরীক্ষা নেয়া গেলেও এইচএসসিতে শিক্ষার্থীদের অটোপাস দেয় সরকার। পরীক্ষার নির্ধারিত সময় পেরিয়ে যাওয়ায়, শিক্ষার্থী-অভিভাবক-শিক্ষকরা পরীক্ষা নিয়ে উদ্বেগে আছেন।
এ পরিস্থিতিতে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জানিয়েছেন, শুরুতে জানিয়েছিলেন এ বছর অটোপাস দেওয়ার ইচ্ছা সরকারের নেই। কিছুদিন আগে মন্ত্রী জানান, পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব না হলে বিকল্প পদ্ধতিতে মূল্যায়নের চেষ্টা করছে সরকার।
এছাড়া, বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের সব শিক্ষার্থীকে করোনা ভাইরাসের টিকা দেয়ার পরই বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেয়ার জন্য সরকারকে সুপারিশ করবে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)।
একতার কণ্ঠঃ অবিলম্বে সব পরীক্ষা কার্যক্রম চালুর দাবিতে মানববন্ধন করেছে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা।মঙ্গলবার (২৯ জুন) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনিক ভবনের সামনে এ মানবন্ধন হয়।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন,টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শাহীন হাওলাদার, ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের মনির আহমেদ ও রসায়ন বিভাগের আহমেদ ইমতিয়াজসহ বিভিন্ন বিভাগের বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী।
বক্তারা বলেন, ইউজিসির ঘোষণা অনুযায়ী অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা নেওয়া হলেও আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে সে ধরনের কোনো কার্যক্রম নেই। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন আমাদের নিয়ে কোনো চিন্তা-ভাবনাই করছে না, আমাদের অনিশ্চয়তার মাঝে ফেলে দিয়েছে। আমরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে সব পরীক্ষা কার্যক্রম চালু করার জোড় দাবি জানাই।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলায় নতুন করে একদিনে(২৪ ঘন্টায়) সর্বোচ্চ ১৯৩ জনের দেহে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ দিন জেলায় শনাক্তের হার ৪৪ দশমিক ১৬ শতাংশ। জেলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাড়ালো ৭ হাজার ৩৮৭ জন।মঙ্গলবার (২৯ জুন) সকালে টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাব উদ্দিন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জেলা সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা গেছে, ৪৩৭ জনের নমুনা পরীক্ষা করে এই ১৯৩ জন শনাক্ত হন। এর মধ্যে রয়েছেন- টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় ৭৯ জন, ঘাটাইলে ২৬ জন, কালিহাতীতে ১৮ জন, গোপালপুরে ১৬ জন, দেলদুয়ারে ১৪ জন, ভূঞাপুরে ১৪ জন, মধুপুরে ৮ জন, ধনবাড়ীতে ৬ জন, মির্জাপুরে ৬ জন, সখীপুরে ৩ জন ও নাগরপুরে ৩ জন।
এখন পর্যন্ত জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন ১০৮জন।
সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাব উদ্দিন খান জানান, স্বাস্থ্যবিধি না মানার ফলে গত দুই সপ্তাহ যাবত টাঙ্গাইলে করোনা আক্রান্তদের সংখ্যা বাড়ছে। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে টাঙ্গাইল, কালিহাতী ও এলেঙ্গা পৌর এলাকায় সপ্তাহব্যাপি লকডাউনের ফলে দুই দিন কমলেও আবার আক্রান্তদের সংখ্যা বাড়ছে।
একতার কণ্ঠঃ দুই বছরেও পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করতে পারেনি টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলা ছাত্রলীগ। ফলে ছয় সদস্যের কমিটি দিয়েই কোনোরকম চলছে কমিটি। তবে দলীয় কার্যক্রমে সক্রিয় নন সেই ছয়জনের কয়েকজন।
২০১৯ সালের ২৪ মার্চ তৎকালীন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী স্বাক্ষরিত পত্রে এক বছর মেয়াদী উপজেলা ছাত্রলীগ কমিটি ঘোষণা করা হয়।
পত্রে উল্লেখ করা হয়, শর্ত ভঙ্গ করলে ওই কমিটি বাতিল বলে গণ্য হবে। ওই পত্রে শরীফুল ইসলাম শরীফ সভাপতি ও রাসেল আল মামুনকে সাধারণ সম্পাদক করে ছয় সদস্যের কমিটি ঘোষণা করা হয়। আগামী ৩০ দিবসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি করার শর্ত দেয়া হয়। কিন্তু দুই বছরের অধিক সময় পার হলেও টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলা ছাত্রলীগ তাদের কমিটি পূর্ণাঙ্গ করতে পারেনি।
এছাড়া উপজেলা ছাত্রলীগের সঙ্গে জেলা ছাত্রলীগ, উপজেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও স্থানীয় সংসদ সদস্যের সঙ্গে সাংগঠনিক যোগাযোগ না থাকায় ওই কমিটি অকার্যকর হয়ে পড়েছে।
কমিটির ছয় সদস্য হলেন- সভাপতি শরীফুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক রাসেল আল মামুন, সহসভাপতি-১ আল মাহমুদ প্রান্ত, সহসভাপতি-২ আব্দুল রউফ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জামিল মাহমুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক ইমরান হোসেন।
এদের মধ্যে সভাপতি শরীফুল ইসলামের গোপন বিয়ে ও পরে বিচ্ছেদের বিষয়টি ফাঁস হয়ে যাওয়ায় উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক কার্যক্রম সম্পূর্ণ নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় অকার্যকর কমিটিকে আনুষ্ঠানিক বাতিল ঘোষণা করে নতুন কমিটি গঠনের মাধ্যমে উপজেলা ছাত্রলীগকে সক্রিয় ও গতিশীল করার দাবি জানিয়েছেন মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
উপজেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি আল মাহমুদ প্রান্ত বলেন, ‘গত দুবছরে কমিটির একটি সভাও হয়নি। শরীফুল ইসলাম শরীফ সভাপতি হওয়ার পর ২০২০ সালের ১৯ জানুয়ারি রেজিস্ট্রিমূলে গোপনে বিয়ে করেন। নিয়ম অনুযায়ী বিয়ের অপরাধে তিনি অনেক আগেই বাদ পড়েছেন। এছাড়া যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জামিল মাহমুদ সরকারি চাকরি করছেন ও সাংগঠনিক সম্পাদক ইমরান হোসেন কোভিড-১৯ এর আগেই বিদেশে পাড়ি জমান। ফলে নীতিগতভাবে কমিটি এখন বিলুপ্ত।’
সরকারি মুজিব কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি খন্দকার রকিবুল হাসান বিজয় বলেন, ‘উপজেলা ছাত্রলীগ ছয় সদস্য থেকে কমে গিয়ে তিন সদস্য হয়েছে। আইনত সখীপুর ‘উপজেলা ছাত্রলীগ’ বলতে কিছুই নেই। তাই আমরা ছাত্রলীগকে গতিশীল ও কার্যকরী করতে নতুন কমিটি চাই। যাদের নেতৃত্বে উপজেলা ছাত্রলীগ সক্রিয় ও গতিশীল হবে।’
এ বিষয়ে জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক রনি আহমেদ বলেন, ‘ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্র লঙ্ঘন করে কোনো সম্মেলন ছাড়াই কেন্দ্রীয় কমিটির সঙ্গে আঁতাত করে ছয় সদস্যের একটি কমিটি অনুমোদন আনেন। কেন্দ্রীয় কমিটির শর্তানুযায়ী ওই কমিটি বাতিল বলে গণ্য হয়েছে। সেই শর্ত মোতাবেক সখীপুর উপজেলা ছাত্রলীগের কোনো কমিটি নেই। শিগগিরই সখীপুর উপজেলা ছাত্রলীগের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হবে।’
গোপনে বিয়ে করা ও সম্প্রতি বিচ্ছেদের বিষয়ে প্রশ্ন এড়িয়ে গিয়ে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শরিফুল ইসলাম শরিফ বলেন, ‘উপজেলা ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি করে অনেক আগেই বর্তমান কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে জমা দেয়া হয়েছে। করোনা পরিস্থিতির কারণে ওই কমিটি এখনো পাশ হয়নি।’
জেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান সোহেল বলেন, ‘সভাপতির বিয়ের বিষয়টি আমিও শুনেছি। যেহেতু কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ ওই উপজেলা কমিটি দিয়েছে, সে জন্য এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত কেন্দ্রীয় কমিটিই দিবে।’
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা উপসর্গ নিয়ে পাঁচ জনের মৃত্যুবরণ করেছেন।একই সময়ে জেলায় নতুন করে আরও ১৬১ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। সোমবার(২৮ জুন) জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও হাসপাতাল সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা(আরএমও) শফিকুল ইসলাম সজীব জানান, করোনা রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় হাসপাতালে ২০ শয্যার আরও একটি ওয়ার্ড চালু করা হয়েছে। ৫০ শয্যার করোনা ওয়ার্ড গত বছর চালু করা হয়।
৭০ শয্যার দুই ওয়ার্ডে এখন ৭৭ জন রোগী ভর্তি আছেন। এরমধ্যে ২২ জন করোনায় আক্রান্ত এবং ৫৫ জন করোনার উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন।
এদিকে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্র জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৫১ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১৬১ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ২৯ দশমিক ২১ শতাংশ।
তাদের মধ্যে টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় ৯৫, কালিহাতীতে ২০, বাসাইলে ১৪, মধুপুরে আট জন, দেলদুয়ার ও ঘাটাইলে ৭ জন করে, ভূঞাপুরে পাঁচ জন, মির্জাপুরে তিন জন, সখীপুর ও নাগরপুর উপজেলায় এক জন করে রয়েছেন।
এ নিয়ে সোমবার পর্যন্ত জেলায় করোনা শনাক্তের সংখ্যা ৭ হাজার ১৯৪। করোনায় এ পর্যন্ত মারা গেছেন ১০৮ জন। সুস্থ হয়েছেন চার হাজার ৫৬৯ জন