মোঃ আরমান কবীর সৈকত (সম্পাদক)

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার দায়িত্ব আগামী প্রজন্মের:কৃষিমন্ত্রী - Ekotar Kantho

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার দায়িত্ব আগামী প্রজন্মের:কৃষিমন্ত্রী

একতার কণ্ঠঃ কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক এমপি বলেছেন, ১৯৪৮ সালের ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ১৯৭১ সালের নয় মাসব্যাপী মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত-আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রাম একটি মহাকাব্য। আর এ মহাকাব্যের রূপকার ও মহানায়ক হলেন বঙ্গবন্ধু। বঙ্গবন্ধু এ দেশের মানুষের কল্যাণে ও মানবতার জন্য আজীবন কাজ করেছেন, নিজের জীবনকে উৎসর্গ করেছেন। আমরা মুক্তিযোদ্ধারা বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করে, মানবতাকে ভালবেসে বঙ্গবন্ধুর ডাকে মুক্তিযুদ্ধে গিয়েছিলাম। শনিবার(১৯ মার্চ) দুপুরে টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে উপজেলা পরিষদের উন্মুক্ত মঞ্চে ধনবাড়ী উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে বীরমুক্তিযোদ্ধা সমাবেশ, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

সমবেত ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দেশে কৃষিমন্ত্রী বলেন, তোমরা বড় হয়ে বঙ্গবন্ধুর জীবনী পড়বে, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ নিজেদের জীবনে ধারণ করবে এবং বাস্তবে রূপ দিবে। বঙ্গবন্ধু স্বপ্ন দেখেছিলেন ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত সমৃদ্ধ বাংলাদেশের। ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে না পারলে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণ হবে না। বঙ্গবন্ধুর এ স্বপ্ন বাস্তবায়নে তোমরা এগিয়ে আসবে। উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ, শান্তির বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার দায়িত্ব তোমাদের মতো আগামী প্রজন্মের।

বীরমুক্তিযোদ্ধা ড. আব্দুর রাজ্জাক আরো বলেন, বীরমুক্তিযোদ্ধারা এ দেশের এবং সকলের জন্য গর্বের ও অহংকারের। তাঁরা জীবনবাজি রেখে মুক্তিযুদ্ধে গিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আমরা এ দেশটি স্বাধীন করেছিলাম, তাতে মুক্তিযোদ্ধাদের বিরাট ভূমিকা রয়েছে। কাজেই, যতদিন পদ্মা, মেঘনা-যমুনা বহমান থাকবে,যতদিন চন্দ্র-সূর্য থাকবে, ততদিন মুক্তিযোদ্ধাদের নাম ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে অম্লান হয়ে থাকবে।

টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক আতাউল গণি, পুলিশ সুপার সরকার মো. কায়সার, ধনবাড়ী উপজেলা চেয়ারম্যান হারুনার রশিদ হীরা, উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসলাম হোসাইন, পৌরসভার মেয়র মনিরুজ্জামান বকল, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মীর ফারুক আহমাদ, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো. শামছুল হুদা, খন্দকার জেব-উন নাহার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে কৃষিমন্ত্রী ধনবাড়ীতে উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে এক লক্ষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও নিজেদের যুগপূর্তি উপলক্ষে টাঙ্গাইলের সবুজ পৃথিবী সংগঠনটি এ কর্মসূচির আয়োজন করে।

পরে বিকালে মন্ত্রী ধনবাড়ী সরকারি কলেজ মাঠে ‘তরুণের হাট’ এর ১৯ বছর পূর্তি উপলক্ষে তারুণ্যের উৎসবে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. মার্চ ২০২২ ০১:৪৩:এএম ৪ বছর আগে
ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস পালিত - Ekotar Kantho

ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস পালিত

একতার কণ্ঠঃ মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী, স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর ১০২ তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়। বৃহস্পতিবার (১৭ মার্চ) সূর্যোদয়ের সাথে সাথে প্রশাসনিক ভবনের সামনে জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ ফরহাদ হোসেন।

এসময় প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ আর এম সোলাইমান, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ সিরাজুল ইসলাম ও রেজিস্ট্রার ড. মোহা. তৌহিদুল ইসলাম সাথে ছিলেন।

এরপর একটি র‌্যালী ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ ফরহাদ হোসেনের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে। পরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল, শেখ রাসেল হল, কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার, শিক্ষার্থী কল্যাণ ও পরামর্শদান কেন্দ্র,শিক্ষক সমিতি, অফিসার্স এ্যাসোসিয়েশন নেতৃবৃন্দ, ৩য় শ্রেণী কর্মচারী সমিতি ও ৪র্থ শ্রেণী কর্মচারী সমিতি,বঙ্গবন্ধু পরিষদ,বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক পরিষদ, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ ও মাভাবিপ্রবি ফটোগ্রাফিক সোসাইটির পক্ষ থেকেও পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।

পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সকাল ৭ টা ৩০ মিনিটে আলোকচিত্র প্রদর্শন ও সকাল ৮ টায় কেক কাটা হয়। বাদ যোহর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে দোয়া ও মিলাদের আয়োজন করা হয়।

সকল কর্মসূচিতে বিভিন্ন অনুষদের ডিন, চেয়ারম্যান, হল প্রভোস্ট, প্রক্টর, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৮. মার্চ ২০২২ ০৩:২৬:এএম ৪ বছর আগে
নাপা সিরাপ নয়, মায়ের পরকীয়ায় প্রাণ যায় সেই দুই শিশুর - Ekotar Kantho

নাপা সিরাপ নয়, মায়ের পরকীয়ায় প্রাণ যায় সেই দুই শিশুর

একতার কণ্ঠঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ২ শিশুর মৃত্যুর ঘটনা নাটকীয় মোড় নিয়েছে। আপন মা তার পরকীয়া প্রেমিককে নিয়ে তাদের হত্যা করে বলে পুলিশ জানায়। মিষ্টির সঙ্গে বিষ খাইয়ে মারা হয় দুই শিশুকে। পরে তাদের নাপা সিরাপ খাওয়ানো হয় ঘটনা ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে।

এ ঘটনায় বুধবার (১৬ মার্চ) রাতে নিহত ২ শিশুর পিতা ইসমাইল হোসেন বাদী হয়ে স্ত্রী, তার পরকীয়া প্রেমিকসহ ৪ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন। এরপর মা লিমা বেগমকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরকীয়া প্রেমিক সফিউল্লাহসহ ৩ জন পলাতক রয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১৭ মার্চ) দুপুরে গ্রেপ্তারকৃত লিমাকে আদালতে প্রেরণ করা হয় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির জন্য।

বিষয়টি নিশ্চিত করে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোল্লা মোহাম্মদ শাহীন জানান, লিমা আশুগঞ্জের একটি চাল-কলে কাজ করেন। আর তার স্বামী কাজ করেন ইটভাটায়। চাল-কলে কাজ করার সুবাদে আরেক শ্রমিক সফিউল্লার সঙ্গে লিমার পরিচয় হয়। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। তারা বিয়ে করারও সিদ্ধান্ত নেয়।

তিনি আরও জানান, পূর্বপরিকল্পনার অংশ হিসেবে মিষ্টির সঙ্গে বিষ মিশিয়ে দুই শিশু ইয়াছিন ও মোরসালিনকে খাইয়ে হত্যা করে মা লিমা বেগম। মৃত্যুর ঘটনাটি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার জন্য নাপা সিরাপের রিঅ্যাকশন হয়েছে বলে প্রচার করে। কিন্তু লিমার আচরণে প্রথমেই পুলিশের সন্দেহ হয়। অধিকতর জিজ্ঞাসায় সে হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছে। এ ঘটনায় লিমার প্রেমিক সফিউল্লাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

এদিকে গত ১৩ মার্চ ওই দুই শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় দেশের সব পাইকারি ও খুচরা ফার্মেসি পরিদর্শন করে ওই ওষুধ পরীক্ষার নির্দেশ দিয়েছে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর। সেই সঙ্গে পরীক্ষার প্রতিবেদন ন্যাশনাল কন্ট্রোল ল্যাবরেটরিতে পাঠানোর জন্যও বলা হয়েছে।

সেই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ১২ মার্চ দেশের বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের ভিত্তিতে জানা যায় যে, দেশের অন্যতম প্রধান ফার্মাসিউটিক্যালস-এর উৎপাদিত নাপা সিরাপ (প্যারাসিটামল ১২০মিগ্রা./৫ মি.লি.) ব্যাচ নং- ৩২১১৩১২১, উৎপাদন তারিখ: ১২/২০২১, মেয়াদ উত্তীর্ণ তারিখ: ১১/২০২৩ নামীয় ওষুধটি সেবন করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জ উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামে একই পরিবারের ২ শিশু মৃত্যুবরণ করেছে।

এমতাবস্থায় ঔষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের সব বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়ে কর্মরত কর্মকর্তাকে স্ব-স্ব নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকায় অবস্থিত পাইকারি ও খুচরা ফার্মেসি পরিদর্শন করে ওই পদের নমুনা পরীক্ষা ও বিশ্লেষণ করে প্রতিবেদন ন্যাশনাল কন্ট্রোল ল্যাবরেটরিতে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হলো। পরবর্তীতে নাপা সিরাপ পরীক্ষা করে তার মধ্যে কোনো ক্ষতিকর উপাদান পায়নি ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর।

উল্লেখ্য, গত ১০ মার্চ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামের ইসমাঈল হোসেনের দুই ছেলে ইয়াছিন ও মোরসালিন নাপা সিরাপ খেয়ে মারা যায় বলে অভিযোগ তোলেন স্বজনরা।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৮. মার্চ ২০২২ ০৩:৫১:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বঙ্গবন্ধু ম্যারাথন অনুষ্ঠিত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বঙ্গবন্ধু ম্যারাথন অনুষ্ঠিত

একতার কণ্ঠঃ বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন উপলক্ষে টাঙ্গাইলের সখীপুরে ‘বঙ্গবন্ধু বাসাইল-সখীপুর হাফ ম্যারাথন’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৭ মার্চ) সকালে সখীপুর উপজেলার কোকিলাপাবর এলাকায় শহীদ মিনার চত্বর থেকে শুরু হয়ে আমতৈল ঘুরে একই জায়গায় গিয়ে এ ম্যারাথন শেষ হয়। এতে দেশের ৫ শতাধিক রানার অংশগ্রহণ করেন। কাকডাকা ভোরে পাহাড়ি জনপথের পিচঢালা রাস্তায় নারী-পুরুষ রানারদের ম্যারাথন দেখতে সড়কের দু’পাশে মানুষের ঢল নামে।

বাসাইল-সখীপুর রানার্সের উদ্যোগে এ ম্যারাথনের আয়োজন করা হয়। এতে পৃষ্টপোষকতায় ছিলেন ডেসকো বোর্ডের পরিচালক ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আতাউল মাহমুদ। সকাল সাড়ে ৬টায় তিনি ম্যারাথনটির উদ্বোধন করেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারজানা আলমের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন করটিয়া সা’দত কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর আলীম মাহমুদ, বোয়ালী ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ সাইদ আজাদ, ইঞ্জিনিয়ার আতাউল মাহমুদের সহধর্মিনী রুনা লায়লা রুমা প্রমুখ। পরে সেখানে আলোচনা সভা শেষে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

দীর্ঘদিন করোনার কারণে ঘরবন্দি থাকার পর ম্যারাথনে অংশগ্রহণ করতে পেরে খুশি রানাররা। প্রতিবছরই এ ম্যারাথন আয়োজনের দাবি তাদের।

একতার কণ্ঠ

সিলেট থেকে আসা নারী রার্নার নাছরিন বেগম বলেন, ‘আমি দেশের বিভিন্ন জায়গায় ম্যারাথন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে থাকি। এছাড়াও দেশের বাইরেও ম্যারাথনে অংশ গ্রহণ করেছি। এসব প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করে আমি একাধিকবার পুরস্কার পেয়েছি। সখীপুরের ম্যারাথনে অংশগ্রহণ করতে পেরে আমি আনন্দিত।’

ঢাকা থেকে আসা মাফিয়া ইসলাম উর্মি বলেন, ‘সখীপুরে গজারী বনের ভিতর দিয়ে এমন ম্যারাথনের আয়োজন মনোমুগ্ধকর। গতবছরও এখানে ম্যারাথনে অংশগ্রহণ করেছিলাম। ছোট বেলা থেকেই বাবা-মায়ের সঙ্গে দেশের বিভিন্ন জায়গায় ম্যারাথনে অংশ গ্রহণ করে আসছি। প্রথম হয়ে পুরষ্কারও পেয়েছি একাধিকবার। সখীপুরের পরিবেশটা অনেক সুন্দর। তাই প্রতিবছর এখানে ম্যারাথন আয়োজন করার দাবি জানাচ্ছি।

ম্যারাথনের পৃষ্টপোষক ইঞ্জিনিয়ার আতাউল মাহমুদ বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের জন্মদিনটিকে উৎসবমূখর করার জন্য এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। এ দিন ১০ কিলোমিটার ম্যারাথন অনুষ্ঠিত হয়। এর আগেও ম্যারাথনের আয়োজন করা হয়েছিল। মূলত মাদক ও সন্ত্রাস মুক্ত, দুর্নীতি, দুর্বৃত্তায়ন মুক্ত এবং বাল্যবিয়ে মুক্ত করার লক্ষে এমন আয়োজন। সকলের সহযোগিতা পেলে এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৮. মার্চ ২০২২ ০২:৩২:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ব্যতিক্রমী শিশুমেলা অনুষ্ঠিত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ব্যতিক্রমী শিশুমেলা অনুষ্ঠিত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে ব্যতিক্রমী শিশুমেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৭ মার্চ) সকালে শহরের হাতেখড়ি প্রি-প্রাইমারী স্কুল কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

জানা যায়, শহরের হাতেখড়ি প্রি-প্রাইমারী স্কুল প্রাঙ্গণে আয়োজিত মেলায় শিশুরাই ক্রেতা ও  বিক্রেতার ভূমিকায় ছিল। এই মেলায় একাধিক স্টলে শিশুরা বিভিন্ন খাবার ও খেলনা সামগ্রী নিয়ে বসে। তবে এই খাবার সামগ্রীগুলো বিনামূল্যে অন্যান্য শিশুরা সংগ্রহ করে। মেলা উপলক্ষে শিশুরা মেতে ওঠে আনন্দে-উল্লাসে। দীর্ঘদিন পর বিদ্যালয় খোলার শুরুতেই এমন আয়োজন দেখে শিশু-শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি মুগ্ধ  অভিভাবকগণ।

এদিকে, মেলায় জিলাপি, আকরি, চিনি সাঁজ, কদমা, চিতই পিঠা, তেলের পিঠা, কুলি পিঠা, খাজা, পোড়াবাড়ির চমচম, মাটির খেলনা, হাড়ি-পাতিলসহ নানান কিছুর পসরা সাজিয়ে আনন্দে দোকান করে তারা। মেলায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজনও করা হয়। তবে অনুষ্ঠানে ছিলো না কোনও বড় অতিথি অথবা শিল্পী। এদিন সব দাঁয়িত্ব ও অতিথির আসনেও বসেছিল এই শিশুরাই।

অভিভাবক সামিমা সিথি বলেন, ‘বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের এমন আয়োজনকে আমরা সাধুবাদ জানাই। দীর্ঘদিন পর বিদ্যালয় খুলেছে। শিক্ষার্থীদের মনটাও ভালো ছিল না। তারা গম্ভিরভাবে দীর্ঘদিন বাসায় আটকা ছিল। সম্প্রতি বিদ্যালয় খুলেছে। বিদ্যালয় খুলেই এমন আয়োজন দেখে শিশুরা অনেক খুশি হয়েছে। যান্ত্রিক এবং প্রতিযোগিতার বাজারে বেড়ে ওঠা শিশুদের মানসিক বিকাশে এমন আয়োজন আরও হওয়া উচিত।’

একতার কণ্ঠ

অভিভাবক সুমাইয়া পারভীন শিলা বলেন, ‘সত্যিই এটা একটা ব্যতিক্রমী আয়োজন। আর শিশুরাই আমাদের ভবিষ্যৎ। এদিন শিশুরা অনেক আনন্দে কাটিয়েছে। শিশুমেলায় উৎসবমূখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। আনন্দ-উল্লাসে মেতে ওঠে শিশুরা।’

হাতেখড়ি প্রি-প্রাইমারী স্কুলের চেয়ারম্যান সাংবাদিক নওশাদ রানা সানভী বলেন, ‘আমরা বরাবরই বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠান আয়োজন করে থাকি। এবার একটু ব্যতিক্রমী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। করোনাকালে বিদ্যালয় বন্ধ থাকায় শিশুরা তাদের বাসায় দীর্ঘদিন আটকে ছিল।

তিনি আরো বলেন,  অন্যান্য শিক্ষার্থীদের সাথে মেশার সুযোগ ছিল না। এজন্য আমরা শিশুদের মাঝে তার সহপাঠীর সঙ্গে আরও বন্ধুত্বপূর্ণ ভালোবাসা সৃষ্টির লক্ষে এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের জন্মদিন ও শিশু দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের জন্য আমরা এই শিশুমেলার আয়োজন করেছি।  এই বিশেষ দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে ও শিশুদের মাঝে আনন্দ দিতে এবং গ্রামীণ ঐতিহ্য তুলে ধরতেই আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রয়াস।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৮. মার্চ ২০২২ ০২:৫৮:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ৬৬৩ বস্তা চালসহ আটক ১ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ৬৬৩ বস্তা চালসহ আটক ১

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে অবৈধ মজুদ ও কালোবাজারীর খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি সরকারি ৬৬৩ বস্তা চাল, নগদ টাকা ও মোবাইল উদ্ধার করেছে র‌্যাব-১২, সিপিসি-৩। বৃহস্পতিবার(১৭ মার্চ) সকালে অভিযান চালিয়ে সদর উপজেলার করটিয়া বাজারস্থ জমিদার বাড়ির পাশে শরৎ চন্দ্র সূত্রধরের গুদাম ঘর থেকে উদ্ধার করা হয়।বৃহস্পতিবার দুপুরে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানিয়েছে  র‌্যাব-১২, সিপিসি-৩ ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী কমান্ডার ও সহকারী পুলিশ সুপার এরশাদুর রহমান।

এসময় খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল অবৈধ মজুদ ও কালোবাজারি করার অপরাধে শরৎ চন্দ্র সূত্রধরকে আটক করা হয় ।আটককৃত শরৎ চন্দ্র সূত্রধর(৬০) করটিয়া কলেজ পাড়া এলাকার সুবল চন্দ্র সূত্রধরের ছেলে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে র‌্যাব-১২, সিপিসি-৩ ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী কমান্ডার ও সহকারী পুলিশ সুপার এরশাদুর রহমান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সদর উপজেলার করটিয়া বাজারস্থ জমিদার বাড়ির পাশে শরৎ চন্দ্র সূত্রধরের গুদাম ঘরের ভিতরে কালোবাজারী ও মজুদধারী খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ৬৬৩ বস্তা চাউল উদ্ধার হয় এবং ওই গুদাম ঘরের মালিক শরৎ চন্দ্র সূত্রধরকে আটক করা হয়।

তিনি আরো জানান, সরকার কর্তৃক ১০ টাকা মূল্যে গরীব দরিদ্রদের জন্যে সরবরাহকৃত চাল বেশী মুনাফা লাভের আশায় অবৈধভাবে সংগ্রহ করে মজুত করে বেশী দামে বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন লোকজনের নিকট বিক্রি করে আসছিল। আটককৃতের বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল সদর থানায় ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইন এর ২৫(১)/২৫(২) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৮. মার্চ ২০২২ ০১:৪২:এএম ৪ বছর আগে
গরমে বরফ যেভাবে ত্বকের উজ্জ্বলতা ধরে রাখে - Ekotar Kantho

গরমে বরফ যেভাবে ত্বকের উজ্জ্বলতা ধরে রাখে

একতার কণ্ঠঃ গরমে ত্বকে নানান সমস্যা দেখা দেয়। অনেকের বর্ণ ওঠে। আবার রোদে পুড়ে ত্বকের উজ্জ্বলতাও নষ্ট হয়ে যায়। গরমকালে ত্বকের হারানো উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনতে বরফ বেশ কার্যকর। এ সময় বরফ বা আইসকিউবের ব্যবহার ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা থেকে দিতে পারে মুক্তি।

বরফের বিশুদ্ধ পানি আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী। বিশেষ করে ত্বকের জন্য এটি অনেক বেশি উপকারী। শরীর থেকে সব টক্সিন বের করে দিতে সাহায্য করে পানি। আইসকিউবও ঠিক একই কাজ করে ও আমাদের ত্বককে পরিষ্কার করে।

ত্বকে বরফ উপকারিতা—

১. ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়
চকচকে ও উজ্জ্বল ত্বক কে না চায়? উজ্জ্বল ত্বক পেতে প্রতিদিন আইসকিউব দিয়ে পুরো মুখ এবং গলায় বৃত্তাকারে ম্যাসাজ করতে হবে। এটি ত্বকের রক্ত সঞ্চালন বাড়াতে সাহায্য করে এবং ত্বককে করে উজ্জ্বল ও ঝকঝকে।

২. ডার্ক সার্কেল থেকে মুক্তি
নিয়মিত মুখে বরফ ব্যবহার করলে তা ডার্ক সার্কেল কমায়। তবে এ ক্ষেত্রে গোলাপজল এবং শসার রস দিয়ে তৈরি আইসকিউব ব্যবহার করলে সবচেয়ে বেশি সুফল পাওয়া যায়। এটি বানাতে কিছু গোলাপজল ফুটিয়ে তার মাঝে শসার রস মেশাতে হবে। মিশ্রণটি ডিপ ফ্রিজে রেখে বরফ বানানোর পর সেগুলো চোখের নিচে ও মুখের ত্বকে ম্যাসাজ করতে হবে। কিছু দিন এটি করলেই পাওয়া যাবে সুফল।

৩. চোখের ফোলাভাব দূর করে
অনেক সময় চোখের নিচে অতিরিক্ত তরল যাওয়ার কারণে চোখ ফোলা দেখায়। এ ফোলাভাব দূর করতে আইসকিউব অনেক কার্যকরি। চোখের চারদিকে আইসকিউব দিয়ে বৃত্তাকারভাবে ম্যাসাজ করলে চোখের ফোলা ভাব কমে যায়।

৪. রিঙ্কেলস কমায়
রিঙ্কেলস বা মুখের চামড়া কুঁচকে যাওয়া নিয়ন্ত্রণ করতে বরফ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নিয়মিত মুখে বরফ দিয়ে ম্যাসাজ করলে মুখের চামড়া কুঁচকে যাওয়ার সমস্যা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসে এবং নতুন করে রিঙ্কেলস দেখা দেয় না।

৫. ঘামাচি, চুলকানি ও ব্রণ কমায়
গরমের মাঝে ঘামাচি, চুলকানি এবং ব্রণ হওয়াটা অনেক স্বাভাবিক বিষয়। আর এগুলোর জন্য আইসকিউব অনেকটাই ম্যাজিকের মতোই কাজ করে। এটি ব্রণের ফোলা ভাব কমাতে ও ব্যথা কমাতে সাহায্য করে।

৬. ত্বকের লালচে ভাব এবং প্রদাহ কমায়
গরমে রোদের তাপের কারণে ত্বক সানবার্ন হয়ে যেতে পারে। এমনটি হলে সে জায়গাগুলোতে বরফ ঘষলে সেটি অনেক ভালো কাজ করে। রোদের কারণে ত্বকে হওয়া লালচে ভাব এবং প্রদাহ কমাতে নিয়মিত ত্বকে বরফ দিয়ে ম্যাসাজ করতে হবে।

৭. স্কিন পরিষ্কার করে
ত্বক এক্সফোলিয়েট করার জন্য বাইরের কোনো কেমিক্যালযুক্ত প্রোডাক্ট ব্যবহার করা উচিত নয়। এ ক্ষেত্রে বাড়িতেই দুধ দিয়ে তৈরি আইসকিউব বানিয়ে তা ব্যবহার করা যেতে পারে। দুধে ল্যাকটিক অ্যাসিড থাকার কারণে তা ডেড স্কিন পরিষ্কার করে, ত্বক হয় উজ্জ্বল ও মসৃণ।

সংবাদ সূত্র-যুগান্তর অনলাইন

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৭. মার্চ ২০২২ ০৩:১১:এএম ৪ বছর আগে
সুস্থতার জন্য যেসব খনিজ উপাদান অপরিহার্য - Ekotar Kantho

সুস্থতার জন্য যেসব খনিজ উপাদান অপরিহার্য

একতার কণ্ঠঃ স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিভিন্ন মিনারেল বা খনিজ উপাদানের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ যেমন- ক্যালশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম ইত্যাদি। এগুলো ছাড়া আরও কতকগুলো উপাদান আছে যেগুলো সামান্য পরিমাণে হলেও সুস্বাস্থ্যের জন্য জরুরি। শরীরের ওজনের মাত্র ০.০১% মাত্রায় বিদ্যমান এই ‘ট্রেস এলিমেন্টগুলো’ শরীরের বিভিন্ন এনজাইম, হরমোন এবং কোষকলার অংশবিশেষ হওয়ায় এগুলোও শরীরের জন্য অপরিহার্য। স্বল্প মাত্রার অথচ পুষ্টিকর এসব উপাদানকেই ‘এসেনশিয়াল ট্রেস এলিমেন্টস’ বলা হয়।

এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক প্রফেসর ড. জাকিয়া বেগম।

বিভিন্ন কারণে মিনারেল ঘাটতি দেখা দেয়ার কারণ হচ্ছে খাদ্যে অথবা সম্পূরক খাদ্যে প্রয়োজনীয় মাত্রায় এসব উপাদানের অনুপস্থিতি। এছাড়া বিভিন্ন ধরনের অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস যেমন- বেশি পরিমাণে প্রক্রিয়াজাত বা টিনজাত খাদ্য গ্রহণ, খাদ্য তালিকায় শাক-সবজি বা ফলমূলের পরিমাণ কম থাকা, কম-ক্যালরিযুক্ত বা নিয়ন্ত্রিত খাদ্য গ্রহণ, নিরামিষাশী, খাদ্য হজমজনিত কোনো রোগ, কোনো কারণে সঠিক পর্যায়ে খাদ্য শোষণে ব্যর্থতা, বিভিন্ন খাদ্যে অ্যালার্জি বা দুগ্ধশর্করায় (ল্যাকটোজ) অসহনীয়তা ইত্যাদি কারণেও এ ধরনের রোগ দেখা দিতে পারে।

লোহা : লোহা এরূপ একটি ক্ষুদ্র উপাদান যার পরিমাণ শরীরের ওজনের মাত্র ০.০০৪%। রক্তস্থ হিমোগ্লোবিন শরীরের কোষকলাগুলোতে শক্তি ধরে রাখার জন্য প্রয়োজনীয় অক্সিজেন সরবরাহ করে থাকে। শরীরে প্রয়োজনের তুলনায় কম লোহা থাকলে হিমোগ্লোবিন উৎপাদন প্রক্রিয়ায় ব্যাঘাত ঘটে। শরীরে লোহা অথবা হিমোগ্লোবিনের ঘাটতিকেই রক্তশূন্যতা বলা হয়। লোহার ঘাটতি থেকে শরীরে দুর্বলতা দেখা দেয় এবং শরীর সহজেই ক্লান্ত হয়ে পড়ে। এমনকি এ ধরনের রক্তশূন্যতার কারণে হৃদস্পন্দন বন্ধ হয়ে মৃত্যু ঘটতে পারে। স্বল্প মাত্রার লোহার ঘাটতি থেকে মস্তিষ্কের বুদ্ধিমত্তার ব্যাঘাতও সৃষ্টি হতে পারে। আমাদের দেশে রক্তশূন্যতা গর্ভকালীন মাতৃ মৃত্যুর প্রধান কারণ। পুরুষ ও বয়স্ক মহিলাদের জন্য প্রতিদিন ৮ মিলিগ্রাম এবং অল্প বয়স্ক মহিলাদের জন্য প্রতিদিন ১৮ মিলিগ্রাম লোহার প্রয়োজন হয়। মাংস, কলিজা, সীমজাতীয় সবজি, বাদাম, সম্পূর্ণ শস্যদানা যেমন; বাদামি চাল, ঝিনুক, কলা, আপেল, গাঢ় সবুজ শাক-সবজি ইত্যাদি খাদ্য থেকে আয়রন পাওয়া যায়।

জিঙ্ক বা দস্তা : এই উপাদানটি শরীরের বিভিন্ন বিপাকীয় পদ্ধতি যেমন আমিষ সংশ্লেষণ, রোগ-প্রতিরোধক কার্যাবলী, ক্ষত থেকে আরোগ্য লাভের প্রক্রিয়া, কোষ বিভাজন ও ডিএনএ সংশ্লেষণ, টেসটোসটেরন জাতীয় পুরুষ হরমোন তৈরি, মেলাটোনিন তৈরি ইত্যাদি প্রক্রিয়াগুলোকে প্রভাবিত করে থাকে। এছাড়া গর্ভাবস্থায় ভ্রূণের সঠিক বিকাশ ও বৃদ্ধি লাভের ক্ষেত্রে এবং শিশু বয়সে এবং বয়োসন্ধিকালে শরীরের বৃদ্ধি ও পূর্ণতা প্রাপ্তির ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। উপাদানটির অভাবে স্মৃতিশক্তি হ্রাস, রোগ-প্রতিরোধক ক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়ার কারণে ঘন ঘন ঠাণ্ডা লাগা, ডায়রিয়া, ঘুমের সমস্যা, খাদ্যে অরুচি এবং খাদ্যের স্বাদ ও গন্ধ অনুভবের ক্ষমতা হ্রাস পাওয়া, চুল পড়া, ত্বকের ক্ষতি ইত্যাদি সমস্যা দেখা দেয়। উপাদানটির অতিমাত্রার ঘাটতি থেকে হতবুদ্ধিতা জাতীয় মানসিক প্রতিবন্ধকতা, শারীরিক প্রতিবন্ধকতা এবং যৌন অক্ষমতা দেখা দেয়ার আশংকাও থাকে।

লাল মাংস, হাঁস-মুরগির মাংস, ঝিনুক ইত্যাদি প্রাণিজাতীয় ও দুগ্ধজাতীয় খাদ্য, ডার্ক চকলেট, বাদাম, শিম জাতীয় উদ্ভিদ ইত্যাদিতে এই উপাদানটি পাওয়া যায়। মিষ্টি কুমড়ার বিচি জিঙ্কের একটি ভালো উৎস।

আয়োডিন : থাইরয়েড থেকে নিঃসৃত এই হরমোনটি থাইরয়েড গ্রন্থির সঠিক পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয়। কোষকলার বিপাকীয় কার্যকলাপ পরিচালনা, খাদ্যকে শক্তিতে রূপান্তরিত করা, অতিরিক্ত চর্বির বিপাকীয় ব্যবহার, ইস্টোজেন জাতীয় হরমোনকে নিয়ন্ত্রণ করা, শারীরিক বৃদ্ধি ও মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা, মানসিক ক্ষিপ্রতা এবং বোধশক্তির উন্নতি সাধন ইত্যাদি ক্ষেত্রে এই হরমোনটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

সাধারণত ৫০ বছরের ঊর্ধ্বে মহিলাদের এবং গর্ভবতী মহিলাদের ক্ষেত্রে এই হরমোনটির ঘাটতি হতে দেখা যায়। গলগণ্ড রোগটি আয়োডিন ঘাটতির প্রধান লক্ষণ। দীর্ঘদিন ধরে থাইরয়েড গ্রন্থি প্রয়োজনীয় মাত্রায় আয়োডিন উৎপাদনে ব্যর্থ হলে ‘হাইপোথাইরয়েডিজম’ রোগ দেখা দেয়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে এই ধরনের ঘাটতি থেকে ‘ক্রিটেনিজম নামক’ বিপজ্জনক অবস্থার সৃষ্টি হয় যে, শিশু শারীরিক এবং মানসিক প্রতিবন্ধকতার শিকার হয়ে পড়ে। ১-৮ বছরের শিশুর প্রতিদিনের চাহিদা ৯০ মাইক্রোগ্রাম, ৯-১৩ বছর পর্যন্ত ১২০ মাইক্রোগ্রাম এবং ১৪ বছর থেকে আরম্ভ করে বয়স্কদের জন্য তা ১৫০ মাইক্রোগ্রাম। সামুদ্রিক বিভিন্ন উদ্ভিদ, মাছ ও অন্যান্য খাদ্য, ডিম, দুধ এবং আয়োডিনযুক্ত লবণ আয়োডিনের প্রধান উৎস।

সেলেনিয়াম : সেলেনিয়াম শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় অপর একটি ‘ট্রেস এলিমেন্ট’। শরীরের প্রায় দু’ডজনেরও বেশি সেলেনোপ্রোটিনের মধ্যস্থ একটি উপাদান হচ্ছে সেলেনিয়াম যে উপাদানটি প্রজনন ক্ষমতা, থাইরয়েড হরমোনের বিপাকীয় কার্যক্রম, ডিএনএ-র সংশ্লেষণজনিত প্রক্রিয়াগুলোকে প্রভাবিত করা ছাড়াও জারণ প্রক্রিয়ায় সংঘটিত কোষকলার ক্ষতি এবং রোগের সংক্রমণ রোধে ভূমিকা রাখে। উপাদানটির অভাবে হৃদপিণ্ডের সমস্যা, মানসিক প্রতিবন্ধতা, মাংসপেশীতে ব্যথা বা মাংসপেশীর দুর্বলতাও দেখা দিতে পারে। প্রতিদিনের চাহিদা ৫৫ মাইক্রো গ্রাম মাত্র। মাছ, গরু-ছাগলের মাংস, হাঁস-মুরগির মাংস এবং ডিম, শস্যদানা, বাদাম এবং বীজজাতীয় খাদ্য থেকেই প্রতিদিনের জন্য প্রয়োজনীয় মাত্রায় সেলেনিয়াম পাওয়া যায়। নখ এবং চুল বিশ্লেষণ করে শরীরে বিদ্যমান দীর্ঘমেয়াদি সেলেনিয়ামের মাত্রা বিশ্লেষণ করা যায়।

তামা : তামা বিভিন্ন প্রকার আমিষ, এনজাইম এবং শ্বাসতন্ত্র সংক্রান্ত কোষকলার মধ্যস্থ এনজাইমগুলোর একটি উপাদান যা শারীরিক বিকাশ এবং বৃদ্ধির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। উপাদানটি রক্তের হিমোগ্লোবিনের লোহা সংযুক্তিতে, ত্বকের স্বাভাবিক রং ধরে রাখতে, স্নায়ুর সংকেত আদান-প্রদানে, পরিপাকতন্ত্র, বিপাকীয় কার্যক্রম এবং রোগ-প্রতিরোধক কার্যক্রম পরিচালনায় অবদান রাখে। অপুষ্টিতে আক্রান্ত শিশুরা এবং রক্তশূন্যতায় আক্রান্তদের ক্ষেত্রে তামার স্বল্পতা দেখা যায়। উপাদানটির অভাবে রক্তে শ্বেতকণিকার স্বল্পতা, অনিয়ন্ত্রিত হৃদস্পন্দন, হাড়ের সমস্যা, রোগ-প্রতিরোধক তন্ত্রের সমস্যা এবং চুল ও নখের বৃদ্ধিতে সমস্যা দেখা দেয়। সামুদ্রিক খাদ্য, বাদাম, শিম বা মটরজাতীয় বীজ, শাক-সবজি, ফলমূল, গরু বা খাসির যকৃত ইত্যাদিতে এই উপাদানটি পাওয়া যায়। প্রতিদিনের জন্য প্রয়োজন মাত্র ৯০০ মাইক্রোগ্রাম। গর্ভবতী ও দুগ্ধদানকারী মায়েদের জন্য মাত্রাটা একটু বেশি হওয়া ভালো।

কোবাল্ট : এটি ভিটামিন বি-১২ এর একটি উপাদান হওয়ায় কোবাল্টের ঘাটতি মানে ভিটামিন বি-১২ এরই ঘাটতি। প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় মাত্রা মাত্র ০.০০০১ মিলিগ্রাম। এটি অস্থিমজ্জার কোষকলাকে উজ্জীবিত করে লোহিত রক্তকনিকা তৈরিতে সাহায্য করে, থাইরয়েড কর্তৃক আয়োডিন শোষণে বাঁধা প্রদান করে এবং বিভিন্ন ধরনের এনজাইমের সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করে। এটির অভাবে জটিল ধরনের রক্তশূন্যতা, শারীরিক ক্লান্তি ও দুর্বলতা, কোনো কোনো অঙ্গের বিশেষ করে হাত ও পায়ের দুর্বলতা ও অসাড়তা অনুভব করা, বমিভাব, মাথাব্যথা, মানসিক বিভ্রমতা, পরিপাকতন্ত্রের সমস্যা, ওজন হ্রাস, থাইরয়েড গ্রন্থি বড় হয়ে যাওয়া, হৃদযন্ত্রের সমস্যা, স্নায়বিক সমস্যা ইত্যাদি দেখা দিতে পারে। দীর্ঘদিনের ঘাটতি থেকে স্নায়বিক সমস্যা, স্মৃতিশক্তি হ্রাস ইত্যাদি সমস্যা দেখা দেয়ার আশংকা থাকে। গরু-ছাগলের যকৃতে, ঝিনুক, মাছ, ডিম, সয়া খাদ্য, সামুদ্রিক উদ্ভিদ ও মাছ ইত্যাদি কোবাল্টের ভালো উৎস। ডালজাতীয় উদ্ভিদ, বাঁধাকপি, লেটুস ইত্যাদিতে অল্প মাত্রায় কোবাল্ট পাওয়া যায়।

ম্যাংগানিজ : সুস্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন এনজাইম তৈরিতে এবং এনজাইম সংক্রান্ত বিভিন্ন বিক্রিয়া ঘটাতে এই উপাদানটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে। শর্করা, ফ্যাটি এসিড এবং আমিষের বিপাকে, রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে, রক্ত জমাট বাঁধার কাজে, হাড় তৈরি, শক্ত ও মজবুত করতে, মস্তিষ্ক, স্নায়ুতন্ত্র ও রোগ-প্রতিরোধক তন্ত্রের সঠিক পরিচালনা, মাইটোকনড্রিয়াতে বিদ্যমান সুপার অক্সাইড নামক ফ্রি রেডিকেলকে বিশ্লেষিত করে ক্ষতিকর প্রভাবমুক্ত করা ইত্যাদি কাজে এই উপাদানটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘদিন ধরে উপাদানটির স্বল্পতা হাড়কে দুর্বল ও ভঙ্গুর করে তোলে। পূর্ণ শস্যদানা, বাদাম, চা-কফি, পাতাবিশিষ্ট সবুজ শাক-সবজিতে এটি পাওয়া যায়।

ক্রোমিয়াম : শরীরের শর্করা, চর্বি এবং আমিষ জাতীয় পদার্থগুলোর বিপাকীয় কার্যক্রম পরিচালনায় এই উপাদানটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। তাই এই উপাদানটির সামান্য স্বল্পতা থেকেও ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়। এটি রক্তে এইচডিএল-এর পরিমাণ বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে। ক্রোমিয়ামের অভাবে রক্তবাহী ধমনি সরু হয়ে ওঠা, উৎকণ্ঠা বৃদ্ধি পাওয়া, শরীরের শক্তি কমে যাওয়া, মানসিক অস্থিরতা দেখা দেয়া, শিশুদের শরীরের বৃদ্ধি হ্রাস পাওয়া, সার্জারি থেকে সৃষ্ট ক্ষত বা যে কোনো ধরনের ক্ষত থেকে আরোগ্য লাভ বিলম্বিত হওয়াসহ বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। মাশরুম, ডার্ক চকলেট, পনির, বাদাম, পূর্ণ শস্যদানা, পাকা টমেটো, লেটুস, পেঁয়াজ, গোল মরিচ এবং বিভিন্ন মশলা, ডালজাতীয় শস্য ইত্যাদি থেকে এই উপাদানটি পাওয়া যায়।

ফ্লোরিন : ফ্লোরিনও শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় একটি উপাদান যা বিশেষ করে হাড় ও দাঁতের স্বাস্থ্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। উপাদানটির অভাবে দাঁত ও হাড়ের ক্ষয় বৃদ্ধি পেয়ে থাকে। পানিই ফ্লোরিনের প্রধান উৎস্য তবে সামুদ্রিক মাছ, চা এবং কফিতেও এটি বিদ্যমান। প্রতিদিনের জন্য নিরাপদ মাত্রা ১.৫ মিলিগ্রাম থেকে ৫.০ মিলিগ্রাম।

সংবাদ সূত্র-যুগান্তর অনলাইন

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৭. মার্চ ২০২২ ০২:৪২:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে ইটবোঝাই ট্রাকের চাপায় লুৎফর রহমান (৬০) নামে এক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। বুধবার (১৬ মার্চ) দুপুরে ওই দুর্ঘটনা ঘটে। এ সময় মঞ্জু মিয়া (৩৬) নামে আরও একজন আহত হয়েছেন।

নিহত লুৎফর রহমান টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের হাতিলা গ্রামের এলাহী বক্সের ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, জমি সংক্রান্ত কাজ শেষ করে লুৎফর রহমান মোটরসাইকেলে করে সখীপুর থেকে টাঙ্গাইল ফিরছিলেন। সখীপুর-গোড়াই আঞ্চলিক মহাসড়কের প্রতিমা বংকী বাজারে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা ইটবোঝাই বেপরোয়া গতির একটি ট্রাক প্রথমে সড়কের পশ্চিমপাশে থাকা একটি মোটরসাইকেলকে পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। এতে ওই মোটরসাইকেলের চালক মঞ্জু মিয়া ছিটকে পাশের খেতে পড়ে যান। পরে ট্রাকটি ডান দিকে সরে গিয়ে সড়কের পূর্বপাশে থাকা লুৎফর রহমানের মোটরসাইকেলটিকে চাপা দেয়। এ সময় লুৎফর রহমানের মাথা থেঁতলে গিয়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হন।

অপরদিকে, আহত মঞ্জু মিয়াকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার পর ট্রাকচালক তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল থেকে দৌড়ে পালিয়ে যায়। ট্রাকচালক অপ্রাপ্তবয়স্ক ছিল বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শীরা।

নিহত লুৎফর রহমানের ছোট ভাইয়ের স্ত্রী মুক্তা আক্তার  বলেন, টাঙ্গাইলের করটিয়া বাজারে ইলেকট্রনিকসের দোকান করতেন আমার ভাশুর। তাঁর দুই মেয়ে ও এক ছেলে সন্তান রয়েছে। বুধবার ভোরে পারিবারিক জমি সংক্রান্ত কাজে সখীপুর গিয়েছিলেন তিনি।

সখীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মনিরুজ্জামান জানান, ঘটনাস্থল থেকে দুর্ঘটনাকবলিত দুইটি মোটরসাইকেল ও ঘাতক ট্রাকটি জব্দ করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, নিহতের পরিবারকে খবর দেওয়া হয়েছে। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৭. মার্চ ২০২২ ০১:১২:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস পালিত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস পালিত

একতার কণ্ঠঃ “ডিজিটাল আর্থিক ব্যবস্থায় ন্যায্যতা” এই প্রতিপাদ্য নিয়ে টাঙ্গাইলে বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস পালিত হয়েছে।টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে  মঙ্গলবার (১৫ মার্চ) বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস উপলক্ষে আলোচনা ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ভিডিও চিত্র প্রদর্শিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. আমিনুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে আলোচ্য বিষয় উপস্থাপন করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর টাঙ্গাইলের সহকারী পরিচালক সৈয়দা তামান্না তাসনিম।

সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বক্তব্য রাখেন টাঙ্গাইলের ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. ফারজানা তাহের মুনমুন, টাঙ্গাইল জেলা তথ্য অফিসের সহকারী পরিচালক তাহলিমা জান্নাত, হিউম্যান রাইটস্ রিভিউ সোসাইটি টাঙ্গাইল জেলা শাখার সভাপতি মো. রাশেদ খান মেনন (রাসেল), বিসিক টাঙ্গাইলের সভাপতি, ক্যাবের সাধারণ সম্পাদক, পার্ক বাজার বণিক সমিতির সভাপতি, সম্পাদক, বটতলা বাজার সমিতির সভাপতি, বৈল্ল্যা বাজার সমিতির সভাপতি, জেলা প্রতিবন্ধী বিষয়ক কর্মকর্তা, জেলা স্যানিটারী ইন্সপেক্টর, ঘাটাইল উপজেলা পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতির সভাপতি, সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা’সহ বিভিন্ন পর্যায়ের সুধীজন।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর অধীনে অভিযোগ দায়ের এবং অপরাধ ও দণ্ডের বিধান নিয়ে আলোচনা করা হয়। ভোক্তা ও বিক্রেতাদের জ্ঞাতার্থে, আইনটিতে বর্ণিত অভিযোগ দায়ের, ভোক্তা অধিকার বিরোধী কার্য ও অপরাধ এবং দণ্ডের বিধান নিয়ে আলোচনা করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৬. মার্চ ২০২২ ০২:১২:এএম ৪ বছর আগে
ফুটবল খেলায় মেতে উঠেছে টাঙ্গাইলের প্রবীণরা - Ekotar Kantho

ফুটবল খেলায় মেতে উঠেছে টাঙ্গাইলের প্রবীণরা

একতার কণ্ঠঃ সম্প্রতি টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় ঈদগাঁয়ে ফুটবল নিয়ে অনুশীলনে ব্যস্ত এক ঝাঁক প্রবীণ ফুটবলার। সূর্যোদয়ের সাথে সাথে ফুটবল নিয়ে মাঠে নেমে পড়েছে প্রায় ৩০ জন সাবেক ফুটবলার। তারা ঘাম ঝরাচ্ছেন, হাক-ডাক করছেন, এ যেন রীতিমতো বিশ্বকাপ ফুটবলে অংশ গ্রহনের প্রস্ততি নেওয়ার মতো অবস্থা।সকালে হাটতে ও ব্যায়াম করেতে আসা লোকজন রীতিমতো অবাক। বিষয়টি কি? এতো প্রবল উত্তেজনা নিয়ে রীতিমতো কিশোরদের মতো ফুটবল অনুশীলন করছেন কেন তারা ? প্রতিটি দলের রয়েছে ম্যানেজার ও কোচ। টাঙ্গাইলের প্রবীণ ফুটবলারগণ রীতিমতো ফুটবল জ্বরে কাপঁছেন।

জানা গেছে, টাঙ্গাইল স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার(১৫ই মার্চ) সন্ধায় শুরু হচ্ছে শেখ কামাল ফ্লাড লাইট মিনি ফুটবল টুর্ণামেন্ট। ১৬ টি দলের অংশ গ্রহনে এই টুর্ণমেন্টির আয়োজক মির্জা তোফাজ্জল হোসেন মুকুল স্মৃতি ফাউন্ডেশন। মিডিয়া পার্টনার হিসেবে থাকছে টি-নিউজ বিডি ডটকম ও টিসি ভিশন। চল্লিশ উর্দ্ধ সাবেক ফুটবলাদের জন্য এই টুর্ণামেন্টের আয়োজন করা হলেও অনেকে ফুটবলার না হয়েও শখের বসে দলে নাম লিখিয়েছেন। প্রতিটি দলে পাঁচ জন করে ফুটবলার অংশগ্রহন করেতে পারবে। মিনি গোল বারে খেলা হবে। মাঠের পরিধিও কমিয়ে আনা হয়েছে।মাঠের মাপ হচ্ছে লম্বায় ৯০ ফুট ও প্রস্থে ৫৫ ফুট। প্রতিদিন ৪টি করে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। ৪০ মিনিটিরে এই খেলায় মাঝে ১০ মিনিটের বিরতি রয়েছে। উদ্ধোধনী ম্যাচে অংশ গ্রহন করবে সু-প্রভাত ক্লাব ও সৈয়দ জালাল আলী সমিতি।

অংশগ্রহনকারী ১৬ টি দল হচ্ছেঃ “ক” গ্রুপঃ- সু-প্রভাত ক্লাব, সৈয়দ জালাল আলী সমিতি, আমরা সু-প্রভাত, দেহগড়ি শরীর চর্চ্চা ক্লাব।

“খ” গ্রুপে আছে, রংধনু রাইডারর্স, সোনালী অতীত ভুঞাপুর উপজেলা, ফাইভ স্টার সু-প্রভাত, সোনালী সকাল ক্রীড়া সংঘ।“গ” গ্রুপে আছে, শুভ সকাল, নূরা পাগলা, টাঙ্গাইল ব্যাডমিন্টন ক্লাব, শতায়ু ক্লাব।এ ছাড়া “ঘ” গ্রুপে আছে, বাসাইল সোনালী অতীত ক্লাব, ফাষ্ট ডিভিশন সিকিউরিটি সার্ভিসেস লিমিটেড, কে এস পি ক্লাব ও আরামবাগ ক্লাব।এ প্রসঙ্গে শুভ সকাল ক্লাবের আব্দুর রৌফ(৬২), শতায়ু ক্লাবের আব্দুর রহমান, সু-প্রভাত ক্লাবের জাহিদ তারেক খান জুয়েল(৫৫),সোনালী সকাল ক্লাবের গোলাম ফারুক(৫৫), টাঙ্গাইল ব্যাডমিন্টন ক্লাবের মো. মোতালেব খান(৪৮) বলেন, চল্লিশ উর্দ্ধ সাবেক ফুটবলাদের জন্য মির্জা তোফাজ্জল হোসেন মুকুল স্মৃতি ফাউন্ডেশন আয়োজিত এই টুর্নামেন্ট প্রবীণ সাবেক ফুটবলারদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। বিশেষ করে যারা স্বাস্থ্য সচেতন তাদের জন্য এটা অতিরিক্ত পাওয়া ।আয়োজক কমিটিকে ধন্যবাদ, আমাদের এই ধরনের টূর্ণামেন্টে খেলার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য। আশা করি, প্রতি বছর এই টুর্ণামেন্ট আয়োজন করা হবে।

টুর্ণামেন্ট আয়োজক কমিটির সদস্য সচিব শাহ্ আজিজ তালুকদার বাপ্পী জানান, শিশু-কিশোর ও যুবকদের জন্য বিভিন্ন ধরনের ফুটবল লীগ ও টুর্ণামেন্টের আয়োজন করা হয়ে থাকে। প্রবীণদের জন্য এই ধরনের টুর্ণামেন্ট এর আয়োজন সাধারনত করা হয় না। মির্জা তোফাজ্জল হোসেন মুকুল স্মৃতি ফাউন্ডেশন প্রতি বছর এই ধরনের টুর্ণামেন্টের আয়োজন অব্যাহত রাখবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৬. মার্চ ২০২২ ০২:৫৬:এএম ৪ বছর আগে
ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক গণিত দিবস পালন - Ekotar Kantho

ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক গণিত দিবস পালন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে গণিত বিভাগের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক গণিত দিবস ২০২২ পালিত হয়েছে।সোমবার (১৪ মার্চ) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২য় একাডেমিক ভবনের সামনে এই দিবসের আয়োজন করা হয়।

বেলুন উড়িয়ে বর্ণাঢ্য র‌্যালির উদ্বোধন করেন ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. ফরহাদ হোসেন। গণিত বিভাগের সম্মেলন কক্ষে কেক কাটা হয়। এ ছাড়া, বেলা ১১টায় গণিত প্রতিযোগিতা ও বেলা ১২টায় পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

বর্ণাঢ্য এই আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ আর এম সোলাইমান, সায়েন্স অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. আনোয়ার হোসেন, রেজিস্ট্রার ড. তৌহিদুল ইসলাম, গণিত বিভাগের চেয়ারম্যান মুছা মিয়া, প্রক্টর প্রফেসর ড. মীর মোজাম্মেল হকসহ শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪. মার্চ ২০২২ ০৯:০১:পিএম ৪ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।