একতার কণ্ঠঃ কন্যাসন্তানসহ এক তৃতীয়লিঙ্গের ব্যক্তিকে আটকের প্রতিবাদে টাঙ্গাইল সদর পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা চালিয়েছে তৃতীয়লিঙ্গের লোকজন।এ সময় তাদের আক্রমণে এক পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।বুধবার (১৬ ফেব্রয়ারি) রাতে টাঙ্গাইল পৌর এলাকার এলজিইডি মোড়ে অবস্থিত সদর পুলিশ ফাঁড়িতে ওই হামলার ঘটনা ঘটে। এঘটনায় তিন তৃতীয়লিঙ্গের ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে।
আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় যুবক নিহত
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মনিকা নামের এক তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তি কন্যাসন্তান নিয়ে সন্ধায় জামালপুর থেকে বাসযোগে ঢাকা যাচ্ছিলেন। এসময় বাসে থাকা অন্যান্য যাত্রীদের সন্দেহ হলে এক যাত্রী ‘৯৯৯’ এ ফোন নিয়ে বিষয়টি অবগত করেন। পরে টাঙ্গাইল সদর পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ গিয়ে তাকে আটক করে ফাঁড়িতে নিয়ে আসে। আটকের খবরটি ছড়িয়ে পড়লে শহরের অন্যান্য তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তিরা একত্রি হয়ে ফাঁড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে। এসময় এক পুলিশ সদস্য আহত হন। এ ঘটনায় জড়িত তৃতীয় লিঙ্গের তিন ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশ। এরপর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
আটককৃত মনিকা জানান, তার বাড়ি জামালপুর জেলার মেলান্দহ উপজেলার শেহরীপূর্বপাড়া গ্রামে। তিনি আগে কামরুজ্জামান হিসেবে পরিচিত ছিলেন। ২০১০ সালে পারিবারিক ভাবে একই উপজেলার পপি খাতুন নামের এক নারীর সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের দুই বছর পর তাদের ঘরে একটি কন্যা সন্তান জন্ম নেয়। এরপর থেকেই তার শারীরিক পরিবর্তন হতে থাকে। এ কারণে তার স্ত্রী পপি খাতুন তাকে ছেড়ে তার চাচাতো ভাইকে বিয়ে করে অন্যত্র চলে যান। ২০১৮ সালে তিনি তৃতীয় লিঙ্গে পরিণত হয়ে তার নাম রাখেন মনিকা। এরপর থেকেই তিনি তার কন্যা সন্তানানকে লালন-পালন করছেন। তিনি গ্রামের বাড়ি জামালপুর থেকে তার মেয়েকে নিয়ে ঢাকায় ফিরছিলেন। এসময় টাঙ্গাইলের রাবনা বাইপাস এলাকা থেকে তাকে আটক করে পুলিশ।

টাঙ্গাইল সদর ফাঁড়ির পুলিশ পরিদর্শক শামীম হোসেন বলেন, ‘মনিকা তার মেয়েকে নিয়ে ঢাকায় ফিরছিলেন। তার কোলে সন্তান দেখে বাসে থাকা অন্যান্য যাত্রীদের সন্দেহ হয়।এরপর এক নারী যাত্রী ৯৯৯এ ফোন করে জানায়। পরে তাকে শহরের রাবনা বাইপাস মোড় থেকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে ফাঁড়িতে নিয়ে আসা হয়। এ খবর পেয়ে অন্যান্য তৃতীয়লিঙ্গের ব্যক্তিরা একত্রিত হয়ে ফাঁড়িতে হামলা চালিয়ে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ ও ভাঙচুর চালায়। এ সময় তিনজন তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তিকে আটক করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রেনে আসে।’

তিনি আরও জানান, মনিকা ওরফে কামরুজ্জামানের সাবেক স্ত্রী পপি খাতুনকে খবর দেয়া হয়েছিল। তিনি এসেছেন এবং তার সাথে কথা বলে জানা গেছে, এই সন্তান তাদেরই ঔরসজাত। তার স্বামীর শারীরিক পরিবর্তন হওয়ায় তিনি তাকে তালাক দিয়েছেন। এ কারণে তার সন্তানটি স্বামী মনিকা ওরফে কামরুজ্জামানের কাছেই থাকে। এজন্য মনিকাকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। আর আটককৃতদের বিরুদ্ধে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে বেপরোয়া গতির মোটরসাইকেলের ধাক্কায় হারাধন মন্ডল(৩৫) নামের এক যুবক নিহত হয়েছে।
আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইল সদর পুলিশ ফাঁড়িতে তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তিদের হামলা, গ্রেপ্তার ৩
বুধবার(১৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় উপজেলার বাসাইল-ভাতকুড়া সড়কের ছাপড়া ব্রিজ এলাকায় ওই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত হারাধন মন্ডল উপজেলার ভাটপাড়া এলাকার খিরত মন্ডলের ছেলে। তিনি টাঙ্গাইলে আইনজীবী সহকারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, সন্ধ্যায় বাসাইল-ভাতকুড়া সড়কের ছাপড়া ব্রিজ এলাকায় পারাপার হওয়ার সময় বেপরোয়া গতির একটি মোটরসাইকেল তাকে ধাক্কা দেয়।মোটরসাইকেলের ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
হারাধনের পাঁচ মাসের এক কন্যা সন্তান রয়েছে।
নিহতের স্ত্রী লাভনী বলেন,আমার মেয়ে কারে বাবা বলে ডাকবোরে।এই বলে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন হারাধনের স্ত্রী লাভনী।
বাসাইল থানার অফিসার- ইন-চার্জ(ওসি) হারুনুর রশিদ জানান,দুর্ঘটনার বিষয়টি জানাতে পেরেছি।এখনো কোনো অভিযোগ পাইনি।অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে জনপ্রিয় মাল্টিমিডিয়া নিউজ পোর্টাল ঢাকা পোস্টের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে। বুধবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু ভিআইপি মিলনায়তনে সম্মাননা স্মারক প্রদান, কেক কাটা ও আলোচনা সভার মাধ্যমে।
এ ছাড়া ঢাকা পোস্টের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে করোনাকালীন সমাজসেবায় অবদান রাখায় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন শিশুদের জন্য ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা মুঈদ হাসানের হাতে সম্মাননা স্মারক হিসেবে ক্রেস্ট তুলে দেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এস এম সিরাজুল হক আলমগীর।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ঢাকা পোস্টের টাঙ্গাইল প্রতিনিধি অভিজিৎ ঘোষ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এস এম সিরাজুল হক আলমগীর। টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট জাফর আহমেদের সভাপতিত্বে এবং প্রেসক্লাবের দফতর ও পাঠাগার সম্পাদক অরন্য ইমতিয়াজের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কাজী জাকেরুল মওলা, এনটিভির স্টাফ রিপোর্টার মহ্ববত হোসেন, নিউ এজের প্রতিনিধি হাবিব খান, সময় টিভির প্রতিনিধি কাদির তালুকদার, এশিয়ান টিভির শফিকুজ্জামান মোস্তফা, বাংলা নিউজের প্রতিনিধি সুমন কুমার রায়, আনন্দবাজার পত্রিকার প্রতিনিধি রেজাউল করিম।
দৈনিক জাগরণের প্রতিনিধি কাজল আর্য্য, দৈনিক বণিক বার্তার প্রতিনিধি মো. পারভেজ হাসান, আইঅন টিভি ও সাম্প্রতিক দেশকালের প্রতিনিধি নওশাদ রানা সানভী, আমাদের নতুন সময়ের প্রতিনিধি আরমান কবীর, বাংলা ট্রিবিউনের প্রতিনিধি এনায়েত করিম বিজয়, রাইজিংবিডির প্রতিনিধি কাওছার আহমেদ, সংবাদ প্রতিদিনের প্রতিনিধি তোফায়েল আহম্মেদ রনি।
ঢাকা ট্রিবিউনের প্রতিনিধি আব্দুল্লাহ আল নোমান, সময়ের কণ্ঠস্বরের প্রতিনিধি তোফাজ্জল হোসেন, বাংলাদেশ পোস্টের তানজিনুল হক রোমান, বাংলাদেশ খবর পত্রিকার প্রতিনিধি আব্দুল লতিফ তালুকদার, ঢাকা প্রকাশের প্রতিনিধি ফরমান শেখ, কলকাতা টিভির প্রতিনিধি মনিরুজ্জামান মনির প্রমুখ।
একতার কণ্ঠঃ ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) মেগা নিলামের পর্দা নেমেছে। রোববার (১৩ ফেব্রয়ারি) ব্যাঙ্গালুরুতে দুই দিনব্যাপী আইপিএল নিলাম শেষ হয়।
নিলাম থেকে মোট ২০৪ জন ক্রিকেটার দল পেয়েছেন। এর মধ্যে ৬৭ জন খেলোয়াড় ডাক পেয়েছেন বিদেশি কোটায়।
এবারের নিলামে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো মোট ৫৫১ কোটি ৭০ লাখ রুপি খরচ করেছে। সবচেয়ে বেশি ১৫ কোটি ২৫ লাখ রুপিতে বিক্রি হয়েছেন ভারতীয় উইকেটরক্ষক-ব্যাটার ঈশান কিষাণ। ভারতীয় ব্যাটারকে কিনেছে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৪ কোটি রুপিতে পেসার দীপক চাহারকে কিনেছে চেন্নাই সুপার কিংস। এছাড়া তৃতীয় সর্বোচ্চ ১২ কোটি ২৫ লাখ রুপিতে ভারতীয় ব্যাটার শ্রেয়াস আইয়ারকে কিনেছে কলকাতা নাইট রাইডার্স।
বিদেশি খেলোয়াড়দের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১১ কোটি ৫০ লাখ রুপিতে পাঞ্জাব কিংসে গেছেন ইংলিশ অলরাউন্ডার লিয়াম লিভিংস্টোন। বিদেশিদের মধ্যে লঙ্কান অলরাউন্ডার ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গাকে ১০ কোটি ৭৫ লাখ রুপিতে কিনেছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। এছাড়া একই মূল্যে ক্যারিবীয় উইকেটরক্ষক-ব্যাটার নিকোলাস পুরানকে কিনেছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ।
এক নজরে দেখে নেওয়া যাক বিক্রি হওয়া ১০ দলের স্কোয়াড (মূল্য ভারতীয় রুপিতে)।
চেন্নাই সুপার কিংস
আগের ধরে রাখা: মহেন্দ্র সিং ধোনি (১২ কোটি), রবীন্দ্র জাদেজা (১৬ কোটি), মইন আলি (৮ কোটি), রুতুরাজ গায়কোয়াড় (৬ কোটি)।
নিলামে: তুষার দেশপান্ডে (২০ লাখ), আম্বাতি রায়াড়ু (৬ কোটি ৭৫ লাখ), দীপক চাহার (১৪ কোটি), কেএম আসিফ (২০ লাখ), ডোয়াইন ব্র্যাভো (৪ কোটি ৪০ লাখ), রবীন উথাপ্পা (২ কোটি), কে ভগত বর্মা (২০ লাখ), ক্রিস জর্ডান (৩ কোটি ৬০ লাখ), এন জগদীশান (২০ লাখ), হরি নিশান্ত (২০ লাখ), প্রশান্ত সোলাঙ্কি (১ কোটি ২০ লাখ), মুকেশ চৌধুরী (২০ লাখ), শুভ্রাংশু সেনাপতি (২০ লাখ), অ্যাডাম মিলিন (১ কোটি ৯০ লাখ), মিচেল স্যান্টনার (১ কোটি ৯০ লাখ), ডোয়াইন প্রিটোরিয়াস (৫০ লাখ), ডেভন কনওয়ে (১ কোটি), সমরজিত সিং (২০ লাখ), রাজবর্ধন হাঙ্গার্গেকার (১ কোটি ৫০ লাখ), মহিশ থিকসানা (৭০ লাখ), শিবাম দুবে (৪ কোটি)।
দিল্লি ক্যাপিটালস
আগের ধরে রাখা: রিশাভ পান্ত (১৬ কোটি), আকসার প্যাটেল (৯ কোটি), পৃথ্বী শ (৭ কোটি ৫০ লাখ), আনরিক নরকিয়া (৬ কোটি ৫০ লাখ)।
নিলামে: শার্দুল ঠাকুর (১০ কোটি ৭৫ লাখ), মিচেল মার্শ (৬ কোটি ৫০ লাখ), মুস্তাফিজুর রহমান (২ কোটি), কেএস ভরত (২ কোটি), ডেভিড ওয়ার্নার (৬ কোটি ২৬ লাখ), কুলদীপ যাদব (২ কোটি), অশ্বিন হেব্বার (২০ লাখ), কমলেশ নাগারকোটি (১ কোটি ১০ লাখ), সরফরাজ খান (২০ লাখ), ভিকি ওস্তওয়াল (২০ লাখ), টিম সেফার্ত (৫০ লাখ), লুঙ্গি এনগিড়ি (৫০ লাখ), প্রবীণ দুবে (৫০ লাখ), রোভম্যান পাওয়েল (২ কোটি ৮০ লাখ), যশ ধুল (৫০ লাখ), রিপল প্যাটেল (২০ লাখ), ললিত যাদব (৬৫ লাখ), চেতন সাকারিয়া (৪ কোটি ২০ লাখ), খলিল আহমেদ (৫ কোটি ২৫ লাখ), মনদীপ সিং (১ কোটি ১০ লাখ)।
গুজরাট টাইটানস
আগের ধরে রাখা: হার্দিক পান্ডিয়া (১৫ কোটি), রশিদ খান (১৫ কোটি), শুবমান গিল (৮ কোটি।
নিলামে: নূর আহমেদ (৩০ লাখ), জেসন রয় (২ কোটি), মোহাম্মদ শামি (৬ কোটি ২৫ লাখ), রাহুল তেওয়াটিয়া (৯ কোটি), অভিনব সাদারঙ্গানি (২ কোটি ৬০ লাখ), লকি ফার্গুসন (১০ কোটি), আর সাই কিশোর (৩ কোটি), বরুণ অ্যারন (৫০ লাখ), গুরকিরাত সিং (৫০ লাখ), ম্যাথিউ ওয়েড (২ কোটি ৪০ লাখ), ঋদ্ধিমান সাহা (১ কোটি ৯০ লাখ), ডেভিড মিলার (৩ কোটি), প্রদীপ সাঙ্গওয়ান (২০ লাখ), আলজারি জোসেফ (২ কোটি ৪০ লাখ), যশ দয়াল (৩ কোটি ২০ লাখ), দর্শন নালকান্ডে (২০ লাখ), বিজয় শঙ্কর (১ কোটি ৪০ লাখ), জয়ন্ত যাদব (১ কোটি ৭০ লাখ), ডমিনিক ড্রেকস (১ কোটি ১০ লাখ)।
কলকাতা নাইট রাইডার্স
আগের ধরে রাখা: আন্দ্রে রাসেল (১২ কোটি), বরুন চক্রবর্তি (৮ কোটি), ভেঙ্কাটেশ আইয়ার (৮ কোটি), সুনিল নারাইন (৬ কোটি)।
নিলামে: শিবম মাভি (৭ কোটি ২৫ লাখ), শেল্ডন জ্যাকসন (৬০ লাখ), প্যাট কামিন্স (৭ কোটি ২৫ লাখ), শ্রেয়াস আয়ার (১২ কোটি ২৫ লাখ), নীতিশ রানা (৮ কোটি), আমান খান (২০ লাখ), উমেশ যাদব (২ কোটি), মোহম্মাদ নবি (১ কোটি), রমেশ কুমার (২০ লাখ), টিম সাউদি (১ কোটি ৫০ লাখ), অ্যালেক্স হেলস (১ কোটি ৫০ লাখ), স্যাম বিলিংস (২ কোটি), অশোক শর্মা (২০ লাখ), প্রথম সিং (২০ লাখ), অভিজিৎ তোমর (২০ লাখ), চামিকা করুণারত্নে (৫০ লাখ), বাবা ইন্দ্রজিত (২০ লাখ), রসিখ দার (২০ লাখ), অনুকুল রায় (২০ লাখ), রিঙ্কু সিং (৫৫ লাখ), আজিঙ্কা রাহানে (১ কোটি)।
লখনউ সুপার জায়ান্টস
আগের ধরে রাখা: লোকেশ রাহুল (১৭ কোটি), মার্কাস স্টয়নিস (৯ কোটি ২০ লাখ), রবি বিষ্ণই (৪ কোটি)
নিলামে: আবেশ খান (১০ কোটি), কুইন্টন ডি’কক (৬ কোটি ৭৫ লাখ), মার্ক উড (৭ কোটি ৫০ লাখ), মণীশ পান্ডে (৪ কোটি ৬০ লাখ), জেসন হোল্ডার (৮ কোটি ৭৫ লাখ), দীপক হুডা (৫ কোটি ৭৫ লাখ), ক্রুণাল পান্ডিয়া (৮ কোটি ২৫ লাখ), অঙ্কিত রাজপুত (৫০ লাখ), মায়াঙ্ক যাদব (২০ লাখ), এভিন লুইস (২ কোটি), করণ শর্মা (২০ লাখ), কাইল মায়ের্স (৫০ লাখ), আয়ূস বাদোনি (২০ লাখ), মহসিন খান (২০ লাখ), মনন ভোরা (২০ লাখ), শাহবাজ নদিম (৫০ লাখ), দুশমন্ত চামিরা (২ কোটি), কৃষ্ণাপ্পা গৌতম (৯০ লাখ)।
মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স
আগের ধরে রাখা: রোহিত শর্মা (১৬ কোটি), জাসপ্রিত বুমরাহ (১২ কোটি), সূর্যকুমার যাদব (৮ কোটি), কাইরন পোলার্ড (৬ কোটি)।
নিলামে: বাসিল থাম্পি (৩০ লাখ), মুরুগান অশ্বিন (১ কোটি ৬০ লাখ), ডেওয়াল্ড ব্রেভিস (৩ কোটি), ইশান কিষাণ (১৫ কোটি ২৫ লাখ), ফ্যাবিয়ান অ্যালেন (৭৫ লাখ), আরিয়ান জুয়াল (২০ লাখ), অর্জুন তেন্ডুলকার (৩০ লাখ), হৃত্বিক শোকিন (২০ লাখ), রাহুল বুদ্ধি (২০ লাখ), রমনদীপ সিং (২০ লাখ), আনমোলপ্রীত সিং (২০ লাখ), মোহাম্মাদ আরশাদ (২০ লাখ), রিলি মেরেডিথ (১ কোটি), টিম ডেভিড (৮ কোটি ২৫ লাখ), টাইমাল মিলস (১ কোটি ৫০ লাখ), ড্যানিয়েল স্যামস (২ কোটি ৬০ লাখ), জোফ্রা আর্চার (৮ কোটি), সঞ্জয় যাদব (৫০ লাখ), তিলক বর্মা (১ কোটি ৭০ লাখ), মায়াঙ্ক মার্কান্ডে (৬৫ লাখ), জয়দেব উনাদকাট (১ কোটি ৩০ লাখ)।
পাঞ্জাব কিংস
আগের ধরে রাখা: মায়াঙ্ক আগারওয়াল (১৪ কোটি), আর্শদিপ সিং (৪ কোটি)।
নিলামে: জিতেশ শর্মা (২০ লাখ), শাহরুখ খান (৯ কোটি), জনি বেয়ারস্টো (৬ কোটি ৭৫ লাখ), হরপ্রীত ব্রার (৩ কোটি ৮০ লাখ), শিখর ধাওয়ান (৮ কোটি ২৫ লাখ), ইশান পোড়েল (২৫ লাখ), কাগিসো রাবাদা (৯ কোটি ২৫ লাখ), রাহুল চাহার (৫ কোটি ২৫ লাখ), প্রবসিমরন সিং (৬০ লাখ), বেনি হাওয়েল (৪০ লাখ), ভানুকা রাজাপাক্ষে (৫০ লাখ), অথর্ব টাইডে (২০ লাখ), ন্যাথান এলিস (৭৫ লাখ), অংশ প্যাটেল (২০ লাখ), বলতেজ ধান্ধা (২০ লাখ), ঋত্ত্বিক চট্টোপাধ্যায় (২০ লাখ), বৈভব আরোরা (২ কোটি), প্রেরক মানকাড় (২০ লাখ), ঋষি ধাওয়ান (৫৫ লাখ), রাজ বাওয়া (২ কোটি), সন্দীপ শর্মা (৫০ লাখ), ওডিন স্মিথ (৬ কোটি), লিয়াম লিভিংস্টোন (১১ কোটি ৫০ লাখ)।
রাজস্থান রয়্যালস
আগের ধরে রাখা: সাঞ্জু স্যামসন (১৪ কোটি), জশ বাটলার (১০ কোটি), যাশাসবি জয়সওয়াল (৪ কোটি)।
নিলামে: কেসি কারিয়াপ্পা (৩০ লাখ), রিয়ান পরাগ (৩ কোটি ৮০ লাখ), ট্রেন্ট বোল্ট (৮ কোটি), রবিচন্দ্রন অশ্বিন (৫ কোটি), যুজবেন্দ্র চাহাল (৬ কোটি ৫০ লাখ), শিমরন হেটমায়ার (৮ কোটি ৫০ লাখ), প্রসিধ কৃষ্ণা (১০ কোটি), দেবদূত পাডিক্কাল (৭ কোটি ৭৫ লাখ), ডারিল মিচেল (৭৫ লাখ), রাসি ভ্যান ডার দাসেন (১ কোটি), ন্যাথান কুল্টার-নাইল (২ কোটি), জিমি নিশাম (১ কোটি ৫০ লাখ), শুভম গারওয়াল (২০ লাখ), কুলদীপ যাদব (২০ লাখ), তেজস বরোকা (২০ লাখ), ধ্রুব জুরেল (২০ লাখ), করুন নায়ার (১ কোটি ৪০ লাখ), কুলদীপ সেন (২০ লাখ), অরুনয় সিং (২০ লাখ), ওবেদ ম্যাককয় (৭৫ লাখ), নভদীপ সাইনি (২ কোটি ৬০ লাখ)।
রয়্যাল চালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু
আগের ধরে রাখা: বিরাট কোহলি (১৫ কোটি), গ্লেন ম্যাক্সওয়েল (১১ কোটি), মোহাম্মদ সিরাজ (৭ কোটি)।
নিলামে: ফ্যাফ ডু’প্লেসি (৭ কোটি), অনূজ রাওয়াত (৩ কোটি ৪০ লাখ), জোস হ্যাজেলউড (৭ কোটি ৭৫ লাখ), আকাশ দীপ (২০ লাখ), শাহবাজ আহমেদ (২ কোটি ৪০ লাখ), দীনেশ কার্তিক (৫ কোটি ৫০ লাখ), হার্ষাল প্যাটেল (১০ কোটি ৭৫ লাখ), ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা (১০ কোটি ৭৫ লাখ), ডেভিড উইলি (২ কোটি), লুবনিথ সিসোদিয়া (২০ লাখ), সিদ্ধার্থ কাউল (৭৫ লাখ), করন শর্মা (৫০ লাখ), অন্নেশ্বর গৌতম (২০ লাখ), চামা মিলিন্দ (২৫ লাখ), জেসন বেহরেনডার্ফ (৭৫ লাখ), শেরফান রাদারফোর্ড (১ কোটি), ফিন অ্যালেন (৮০ লাখ), মহিপাল লোমরোর (৯৫ লাখ)।
সানরাইজার্স হায়দারাবাদ
আগের ধরে রাখা: কেন উইলিয়ামসন (১৪ কোটি), আব্দুল সামাদ (৪ কোটি), উমরান মালিক (৪ কোটি)।
নিলামে: নিকোলাস পুরান (১০ কোটি ৭৫ লাখ), জগদীশা সূচিত (২০ লাখ), শ্রেয়াস গোপাল (৭৫ লাখ), কার্তিক তিয়াগী (৪ কোটি), ওয়াশিংটন সুন্দর (৮ কোটি ৭৫ লাখ), ভুবনেশ্বর কুমার (৪ কোটি ২০ লাখ), টি নটরাজন (৪ কোটি), প্রিয়ম গর্গ (২০ লাখ), অভিষেক শর্মা (৬ কোটি ৫০ লাখ), রাহুল ত্রিপাঠী (৮ কোটি ৫০ লাখ), ফজলহক ফারুকি (৫০ লাখ), গ্লেন ফিলিপস (১ কোটি ৫০ লাখ), বিষ্ণু বিনোদ (৫০ লাখ), সৌরভ দুবে (২০ লাখ), শশাঙ্ক সিং (২০ লাখ), আর সামর্থ (২০ লাখ), সিয়ান অ্যাবট (২ কোটি ৪০ লাখ), রোমারিও শেফার্ড (৭ কোটি ৭৫ লাখ), মারকো জানসেন (৪ কোটি ২০ লাখ), এডেন মার্করাম (২ কোটি ৬০ লাখ)।
সংবাদ সূত্র- বাংলা-নিউজ-২৪.কম
একতার কণ্ঠঃ সফল হতে চাইলেই তো আর সফল হওয়া যায় না। তবে সফল হতে গেলে যেটা সবার আগে প্রয়োজন তা হলো মানসিকভাবে শক্ত হওয়া।
পরিস্থিতি যে সব সময় আপনার অনুকূল হবে তা কিন্তু নয়। পরিস্থিতি আপনার প্রতিকূলেও যেতে পারে, এটা অবশ্যই মাথায় রাখা দরকার। সেই কথা মাথায় রেখেই যেকোনো নতুন কাজ করা উচিত।
তবে মানসিকভাবে শক্ত হওয়ার জন্য নিজের মনকেই সবার আগে স্থির করতে হবে। কিন্তু অনেকেই মনের জোড় না বাড়িয়ে নিজের ভাগ্যকেই দোষারোপ করতে থাকেন। ভাগ্যকে দোষারোপ না করে নিজের মনের জোর বাড়াতে চেষ্টা করুন।
এবার দেখে নিন কীভাবে নিজের মনের জোর বাড়িয়ে সফলতাকে আপনার সঙ্গী করবেন…
১. নিজের প্রতি দুঃখিত না হওয়া
নিজের প্রতি কখনোই দুঃখিত বোধ করবেন না। নিজেকে আহারে, বলার কোনও দরকার নেই এতে আপনার সময়ই নষ্ট হবে। আখেরে আপনার কোনো লাভ হবে না। সেখান থেকে উঠে দাঁড়ান। কাজে দেবে।
২. লক্ষ্যে স্থির হওয়া
আপনার পাশে যদি কেউ না দাঁড়ায় তাহলে ভয় পাবেন না। নিজেই নিজের সব থেকে বড় লাঠি হয়ে দাঁড়ান। যদি কেউ আপনার সঙ্গে চলতে না চায় তাহলে একাই চলুন। সাফল্য পাওয়ার পর কারোর প্রতি কৃতজ্ঞতা স্বীকার করতে হবে না।
৩. পরিবর্তনকে ভয় না পাওয়া
আপনার রোজকার জীবনে যদি কোনও পরিবর্তন ঘটে তাহলে ভয় পাবেন না। জানবেন, সব পরিবর্তন আপনার প্রতি এক একটা চ্যালেঞ্জ। তাই ভয় না পেয়ে পরিবর্তনকে আপন করে নিন।
৪. পছন্দ না হওয়া কাজ না করা
ধরুন এমন কাজ যা আপনার ঠিক পছন্দ নয়। তাই আপনি ঠিক পারবেন না। এমনকি আপনার মনে কাজের প্রতি অতটা আত্মবিশ্বাস নেই। তখন সেই কাজ না করাই ভালো। যে কাজ আপনি মন থেকে ভালোবাসেন সেই কাজ করুন।
৫. অন্যের কথার গুরুত্ব না দেওয়া
কে কী বলল তাতে আপনার কী! কারোর কথায় গুরুত্ব দেওয়া ছেড়ে দিন। নিজের জীবন কীভাবে কাটাবেন, কী কাজ করে ভালো থাকবেন, তা একান্ত আপনার সিদ্ধান্ত। আপনার জীবনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব অন্য কারোর হাতে কখনোই দেবেন না।
৬. ভাগ্যকে দোষারোপ না করা
কী হয়নি তা নিয়ে বেশি ভাবনা-চিন্তা করার দরকার নেই। কী হতে পারে, সেই নিয়ে ভাবনা-চিন্তা করুন। তাতে আপনার সময়ও বাঁচবে এবং নিজের মনোবলও বাড়বে।
৭. একই ভুল বারবার না করা
একই ভুল বারবার করার কোনও মানেই হয় না। বারবার একই ভুল করতে থাকলে আস্তে আস্তে নিজের মনোবল ভেঙে যাবে। তাই একই ভুল বারবার না করে ধীরে সুস্থে কাজ করুন।
৮. অন্যের খুশিতে খুশি হওয়া
অন্যের খুশিতে খুশি হওয়ার চেষ্টা করুন। মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো রাখুন। দেখবেন আপনার সাফল্যতে এবং খারাপ সময় অনেকের সঙ্গ পাবেন। তবে যদি অন্যের খুশিতে খুশি না হন, তাহলে আপনি ভেঙে পড়বেন।
৯. প্রথমবার সফল হতে না পেরে ভেঙে পড়া
যদি প্রথমবার সফল হতে না পারেন, তাহলে আবার চেষ্টা করুন। দেখুন, চেষ্টা না করলে কেউই কখনও সফল হতে পারে না। তাই প্রথমবার যদি কোনোভাবে সফল হতে না পারেন, তাহলে ভেঙে না পড়ে, শক্ত হয়ে উঠে দাঁড়ান।
১০. একাকীত্বকে ভয় না পাওয়া
আপনার সঙ্গে কেউ না থাকলেও একাকীত্বকে ভয় পাবেন না। যদি খারাপ সময় কেউ আপনার পাশে দাঁড়াতে না চায় তাহলে ক্ষতি কী। একাই পরিস্থিতির মোকাবিলা করুন। দেখবেন, এতে আপনার মন যেভাবে শক্ত হবে তা কখনোই ভাঙা যাবে না।
১১. ধীর স্থিরভাবে কাজ করা
যখন পরিস্থিতি আপনার অনুকূল না হবে, তখন ধীর স্থিরভাবে কাজ করুন। তাড়াহুড়ো করে কাজ করলে কিছুই হবে না। অনেক ভুল হয়ে যাবে। তাই পরিস্থিতি আপনার প্রতিকূল হলে মাথা ঠান্ডা রেখে কাজ করুন।
১২. কাজের পর নিজেকে জাহির না করা
আপনি আপনার লক্ষ্যে স্থির থাকুন। যাতে কেউ না আপনাকে লক্ষ্যভ্রষ্ট করতে পারে। সফল হওয়ার পর নিজেকে জাহির করবেন না। কারণ, নিজের ঢাক নিজে না পেটানোই ভালো। এতটা আপনার নিজের পক্ষেও খুব একটা ভালো হবে না।
সংবাদ সূত্র- যুগান্তর অনলাইন
একতার কণ্ঠঃ মহান মুক্তিযুদ্ধে কৃতিত্বপূর্ণ অবদান রাখার স্বীকৃতি স্বরূপ টাঙ্গাইলের নারী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৫ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ. ক. ম. মোজাম্মেল হক।
আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলের অগ্নি দগ্ধ গৃহবধূর মৃত্যু
মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত অনুষ্ঠানে টাঙ্গাইল প্রান্তে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান খান ফারুক, জেলা প্রশাসক ডক্টর মো. আতাউল গনি, পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, পৌরসভার মেয়র এস. এম. সিরাজুল হক আলমগীর, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, বীর মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ ও বিভিন্ন পর্যায়ের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
অনুষ্ঠানে নারী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা ক্রেস্ট, উপহার ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। এর আগে নারী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের রাষ্ট্রীয় সম্মান প্রদর্শন করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে আগুনে পুড়ে হাছিনা আক্তার (৩৫) নামের এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (১৫ ফেব্রয়ারি) ভোর সাড়ে চারটায় ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঘাটাইল থানার অফিসার-ইন-চার্জ ওসি (তদন্ত) আব্দুল হক।
এর আগে সোমবার (১৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় উপজেলার সদর ইউনিয়নের গারট্ট গ্রামে আগুনে দগ্ধ হন ওই গৃহবধূ। হাছিনা আক্তার ওই এলাকার আব্দুল বারেক মিয়ার স্ত্রী। ওই দম্পতির ২ ছেলে ও ২ মেয়ে সন্তান রয়েছে।
ওসি (তদন্ত) আব্দুল হক জানান, গৃহবধূ হাছিনা আক্তার সোমবার সন্ধ্যায় রান্না ঘরের চুলায় আগুন জ্বালিয়ে রাতের খাবার রান্না করছিলেন। এ সময় হঠাৎ অসাবধানতা বশত তাঁর শরীরে আগুন লেগে যায়। আগুনে ওই গৃহবধূ ৮৫ ভাগ দগ্ধ হয়। গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় হাছিনা বেগমকে প্রথমে কালিহাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাতেই তাকে ঢাকা শেখ হাসিনা বার্ন এন্ড প্লাস্টিক সার্জারী ইনস্টিটিউটে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার ভোরে মৃত্যু বরণ করেন তিনি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে অপহরণ হওয়া ব্যবসায়ী মো. মশিউর রহমান খান মুরাদকে (৩৫) উদ্ধার করেছে র্যাব। এ সময় অপহরণকারী চক্রের ৪ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মঙ্গলবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে টাঙ্গাইল কালেক্টরেট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় এন্ড কলেজ সংলগ্ন জেলা সদর মাঠে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। দুপুরে সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এতথ্য নিশ্চিত করেছেন র্যাব-১২-এর ৩ নম্বর কোম্পানি কমান্ডার লে. কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন টাঙ্গাইল পৌর শহরের দেওলা এলাকার মজিদ খানের ছেলে ওয়াসীম খান (৪৫), মৃত. আ. ছালামের ছেলে মো. হাবিবুল কবির জনি (৪৮), মো. শাহজাহান ফারুকের ছেলে মেহেদী হাসান শিশির (৩০) ও কোদালিয়া এলাকার শফিকুল ইসলামের ছেলে মো. জুয়েল (৩৫)।
এর আগে সোমবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাত পৌনে ১২টার দিকে মশিউর রহমানকে অপহরণ করা হয়।
আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে চোলাই মদসহ এক নারী গ্রেপ্তার
র্যাব-১২-এর ৩ নম্বর কোম্পানি কমান্ডার লে. কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, সোমবার রাতে শহরের কোদালিয়া এলাকা থেকে অস্ত্রের মুখে একদল সন্ত্রাসী মশিউর রহমাকে অপহরণ করে। পরে অপরহণকারীরা ব্যবসায়ীর পরিবারের কাছে মুক্তিপন হিসেবে দুই লাখ টাকা দাবি করে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বড় ভাই টাঙ্গাইল র্যাব অফিসে লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু করে র্যাব। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার ভোরে টাঙ্গাইল কালেক্টরেট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় এন্ড কলেজ সংলগ্ন জেলা সদর মাঠ থেকে অপহৃতকে উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে গ্রেপ্তার করা হয় অপহরণ চক্রের ৪ সদস্যকে।
তিনি আরো জানান, এ ঘটনায় মশিউর রহমান টাঙ্গাইল সদর মডেল থানায় একটি মামলা করেছেন।
একতার কণ্ঠঃ তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ ও দুই ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে বাংলাদেশে এসেছে আফগানিস্তান দল। শুক্রবার (১১ ফেব্রয়ারি) রাতে বাংলাদেশে পৌঁছানোর পর কন্ডিশনিং ক্যাম্পের জন্য সিলেটে অবস্থান করছে আফগানিস্তান বহর।সিরিজ দুটি উপলক্ষে সোমবার (১৪ ফেব্রয়ারি) দুপুরে আনুষ্ঠানিক বিবৃতির মাধ্যমে দল ঘোষণা করেছে আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড।
ওয়ানডে সিরিজের জন্য দুজনকে রিজার্ভে রেখে হাশমতউল্লাহ শহিদিকে অধিনায়ক করে ১৬ সদস্যের দল দিয়েছে এসিবি। দলে আছেন মুজিব উর রহমান ও রশিদ খানের মতো অন্যতম তারকা।
টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্য অধিনায়ক করা হয়েছে অলরাউন্ডার মোহাম্মদ নবীকে। সেখানেও ১৬ সদস্যের দল দিয়েছে এসিবি। তবে রিজার্ভ নেই।
একনজরে বাংলাদেশের বিপক্ষে আফগানিস্তানের ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি দল
ওয়ানডে দল
হাশমতউল্লাহ শহিদি (অধিনায়ক), রহমত শাহ (সহ-অধিনায়ক), আজমতউল্লাহ ওমরজাই, ফরিদ মালিক, ফজল হক ফারুকি, গুলবদীন নাঈব, ইব্রাহিম জাদরান, ইকরাম আলী খিল, মোহাম্মদ নবী, মুজিব উর রহমান, নাজিবউল্লাহ জাদরান, রহমানউল্লাহ গুরবাজ, রশিদ খান, রিয়াজ হাসান, শহিদউল্লাহ কামাল ও ইয়ামিন আহমেদজাই।
রিজার্ভ: কায়েস আহমেদ ও সেলিফ সাফি।
টি-টোয়েন্টি দল
মোহাম্মদ নবী (অধিনায়ক), আফসার জাজাই, আজমতউল্লাহ ওমরজাই, দারউইশ রাসুলি, ফরিদ আহমেদ মালিক, ফজল হক ফারুকি, হযরতউল্লাহ জাজাই, করিম জানাত, মুজিব উর রহমান, নাজিবউল্লাহ জাদরান, নিজাত মাসিদ, কাইস আহমেদ, রহমানউল্লাহ গুরবাজ, রশিদ খান, শরাফুদ্দিন আশরাফ ও উসমান ঘানি।
ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচ হবে চট্টগ্রামে ২৩ ফেব্রুয়ারিতে। আর টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথমটি হবে ৩ মার্চে ঢাকায় মিরপুরে।
একতার কণ্ঠঃ সিনেমাটিক স্টাইলে অবৈধ পথে পাচারকালে বিপুল পরিমাণ অবৈধ গজারি কাঠ জব্দ করেছে টাঙ্গাইল বন বিভাগ।রোববার (১৩ ফেব্রুয়ারি) ভোরে সদর উপজেলার ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের বাওইখোলা এলাকা থেকে ১৮০ পিস গজারি কাঠ জব্দ করে বন বিভাগ।
এ ব্যাপারে বন বিভাগের টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া স্টেশন অফিসার সোলাইমান হোসেন জানান, দিবাগত রাত ৩ টার দিকে মহাসড়ক দিয়ে ট্রাক ভর্তি কাঠ ঢাকার দিকে যাচ্ছিলো। এ সময় ট্রাকটিকে সিগনাল দিলে তারা না থামিয়ে পালানোর চেষ্টা করে। পরে তাদেরকে ধাওয়া করে মহাসড়কের বাওইখোলা এলাকা থেকে ট্রাকটিকে আটক করা হয়।
তিনি আরো জানান, এ সময় ঢাকা মেট্রো-ট ২২-২৮৪২ নাম্বার ট্রাকের চালক পালিয়ে যায়। পরে ট্রাকটি আটক করে বন বিভাগের প্র্রধান কার্যলয়ে নিয়ে আসা হয়। এ ব্যাপারে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ৭৫ লিটার দেশীয় চোলাই মদসহ এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। রোববার(১৩ ফেব্রয়ারি) রাতে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া ইউনিয়নের করটিয়া গরুর হাটের উত্তর পাশ থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।গ্রেপ্তারকৃতনারী উপজেলার করটিয়া এলাকার নরেশ রবিদাসের স্ত্রী জ্যোৎস্না রাণী দাস (৪০)।
র্যাব-১২, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইলের কোম্পানী কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জ্যোস্না রাণী দাসকে ২২ হাজার ৫০০ টাকা মূল্যের ৭৫ লিটার দেশীয় চোলাই মদ, একটি মোবাইল, একটি সিম কার্ডসহ হাতেনাতে আটক করে র্যাব।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানান হয়, সে দীর্ঘদিন যাবৎ দেশীয় চোলাই মদ অবৈধভাবে সংগ্রহ করে টাঙ্গাইল সদর থানাসহ অন্যান্য থানা এলাকায় বিক্রি করে আসছিলো। আটককৃত নারীর বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল সদর থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে পুলিশের গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের মামলায় সখীপুর উপজেলা বিএনপির ৪৯ জন নেতাকর্মীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
রবিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে টাঙ্গাইলের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (সখীপুর) আমলী আদালতে ৫৯ নেতাকর্মী আত্মসমর্পণ করেন। এ সময় বিচারক ফারজানা হাছানাত ১০ জনের জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন এবং ৪৯ নেতাকর্মীর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
আটককৃতরা হলেন— উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড বিএনপি এবং এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালে ৩০ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৮ (সখীপুর-বাসাইল) আসনে বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোট থেকে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে অংশ নেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর মেয়ে কুঁড়ি সিদ্দিকী। ওই নির্বাচনের আগে ২০ ডিসেম্বর রাতে সখীপুর উপজেলার কালিয়া ইউনিয়নের বড়চওনা এলাকায় টহলরত পুলিশের গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর করা হয়। এ সময় সখীপুর থানা পুলিশ বাদী হয়ে ১৯৬ জনের নামে মামলা দায়ের করে। পরে তদন্ত শেষে ওই মামলায় ১২৯ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে পুলিশ।
আসামিপক্ষের আইনজীবী এসএম ফায়জুর রহমান বলেন, ২০১৮ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকের নির্বাচনী প্রচারণা ঠেকাতে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত, হয়রানিমূলক, গায়েবি ও মিথ্যা মামলাটি দায়ের করা হয়।