মোঃ আরমান কবীর সৈকত (সম্পাদক)

টাঙ্গাইলে ধর্ষণের পর হত্যার দায়ে যুবকের মৃত্যুদণ্ড - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ধর্ষণের পর হত্যার দায়ে যুবকের মৃত্যুদণ্ড

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় এক যুবকের মৃত্যুদণ্ড হয়েছে।সোমবার(১৪ মার্চ) দুপুরে জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক খালেদা ইয়াসমিন এ রায় দেন।

ধর্ষক ও হত্যাকারীর নাম মো.মাজেদুর রহমান (২৬)। সে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার মগড়া ইউনিয়নের মিরপুর মধ্য পাড়া গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০২০ সালের ৯ অক্টোবরে বিকাল অনুমানিক ৫ টার দিকে মিরপুর মধ্যপাড়া গ্রামের মাজেদুর একই গ্রামের সাদেক আলীর ১২ বছরের মেয়ে শান্তা আক্তারকে ধর্ষণ করে। শিশুটি কাঁদতে থাকে এবং এ ঘটনা তার মা-বাবাকে জানাবে বলে। ধর্ষণের ঘটনা জানাজানির ভয়ে মাজেদুর মেয়েটিকে গলা টিপে ও শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত করে হত্যা করে। পরে পাশের একটি ঝোপে তার লাশ ফেলে লতাপাতা দিয়ে ঢেকে দেয়।

এদিকে শিশু শান্তাকে না পেয়ে তার মা-বাবা খোঁজাখুঁজি করে। সন্ধ্যার দিকে ওই গ্রামের এক ছোট্ট শিশু শান্তার বাবাকে জানায়, শান্তাকে সে মাজেদুরের সঙ্গে কুশাল বাগানে যেতে দেখেছিল। পরে সেখানে গিয়ে দেখে ঝোপের মাঝে শান্তার মৃত দেহ।

টাঙ্গাইল সদর থানা পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করলে মাজেদুর জানায়, শান্তাকে সে কুশাল খেতে ধর্ষন করার পর শান্তাকে ভয় দেখায় যে বলে দিলে মেরে ফেলবে। পরে শান্তা বলে দেওয়ার কথা বললে তাকে হত্যা করে।

এ ঘটনায় ওই দিনই শান্তার বড় ভাই সানি আলম বাদী হয়ে মাজেদুর কে আসামি করে টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা করেন। জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করেন মাজেদুর ।

রায় পেয়ে মামলার বাদী সানি আলম বলেন, আমি অনেকটাই সন্তুষ্ট এ রায়ে। দ্রুত এর কার্যকর হোক সেটাই এখন প্রত্যাশা আমাদের।

এবিষয়ে নারী ও শিশু ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পিপি আলী আহম্মেদ বলেন, দুই বছরের মাথায় এ ঘৃনিত অপরাধের রায় হয়েছে। আমরা রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্টি প্রকাশ করছি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪. মার্চ ২০২২ ০৯:২৮:পিএম ৪ বছর আগে
ঘাটাইলে উপজেলা ও পৌর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন - Ekotar Kantho

ঘাটাইলে উপজেলা ও পৌর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ঘাটাইল উপজেলা ও পৌর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন দিয়েছে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আহমেদ আজম খান এবং সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু।

শনিবার (১৩ মার্চ) রাতে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নতুন আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন দেয় জেলা বিএনপি।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে নতুন আহবায়ক কমিটির অনুমোদন দেয়া হয়েছে। আশা করবো, বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠা করতে এই কমিটি বিশেষ ভূমিকা রাখবে।

ঘাটাইল উপজেলা বিএনপির ৪১ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক নির্বাচিত হয়েছেন ঘাটাইল উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক এবং টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য সিরাজুল হক সানা।

কমিটিতে সদস্য সচিব হয়েছেন ঘাটাইল পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ বেলাল হোসেন। এছাড়া কমিটিতে আবু বকর সিদ্দিক, অদুদ খান বাদল, হারুন-অর-রশিদসহ যুগ্ন আহ্বায়ক হয়েছেন ৮ জন এবং এতে ৩১ জনকে সন্মানিত সদস্য করা হয়েছে। কমিটিতে এক নম্বর সদস্য হিসেবে রয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ওবায়দুল হক নাছির।

ঘাটাইল পৌর বিএনপির ৪১ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক নির্বাচিত হয়েছেন ঘাটাইল উপজেলা ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল বাছেদ করিম।

কমিটিতে সদস্য সচিব হয়েছেন ঘাটাইল পৌরসভার সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর আনোয়ার হোসেন হেলাল। এছাড়া কমিটিতে আব্দুল লতিফ, হাবিবুর রহমান হাবিব, ইখতিয়ার মাহমুদ রুবেজসহ যুগ্ন আহ্বায়ক হয়েছেন ৮ জন এবং এতে ৩১ জনকে সন্মানিত সদস্য করা হয়েছে। কমিটিতে এক নম্বর সদস্য হিসেবে রয়েছেন পৌর বিএনপির সদ্য সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফারুক হোসেন ধলা।

আগের কমিটি বিলুপ্তি ঘোষণার ৩ মাস পর টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা ও পৌরর আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন আসলো।

প্রকাশ,  গত ৫ ডিসেম্বর টাঙ্গাইল প্রেসক্লাব অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক সভায় জেলার সকল উপজেলা ও পৌর সভার কমিটি বিলুপ্তি ঘোষণা করা হয়। ওই সভাতে নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠনের নির্দেশ দেয় জেলা আহবায়ক কমিটি।

ঘাটাইলে বিএনপির নতুন আহ্বায়ক কমিটিকে স্বাগত জানিয়েছে বিএনপির সকল সহযোগী এবং অঙ্গ সংগঠন সমুহ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪. মার্চ ২০২২ ০২:৩৬:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে চিকিৎসার নামে শারীরিক নির্যাতনে কিশোরের মৃত্যুর অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৩ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে চিকিৎসার নামে শারীরিক নির্যাতনে কিশোরের মৃত্যুর অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৩

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে মাদকাসক্ত চিকিৎসাকেন্দ্রে শারীরিক নির্যাতনের কারণে এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে তার পরিবার। উপজেলা সদরে অবস্থিত পূর্ণতা মাদকাসক্তি চিকিৎসা ও পরামর্শ কেন্দ্রের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ আনা হয়েছে।

নিহত ওই কিশোরের নাম সোহেল সিকদার (১৭)। সে উপজেলার জামুরিয়া ইউনিয়নের বীরঘাটাইল গ্রামের আব্দুল মজিদের ছেলে।

এ ঘটনায়  শনিবার (১২ মার্চ) রাতে ওই কিশোরের বড় ভাই রুবেল সিকদার বাদী হয়ে সাতজনকে আসামি করে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। রাতেই মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলো কাজী ফজলে রাব্বি মিলকী, কামরুজ্জামান শোয়েব ও খন্দকার আতিকুর রহমান। অপর চার আসামি পলাতক রয়েছে।

নিহতের পারিবার সূত্রে জানা যায়, মাদকাসক্ত সোহেলকে চিকিৎসার জন্য তার পরিবার গত ৫ মার্চ তাকে উপজেলা সদরের ‘পূর্ণতা মাদকাসক্তি চিকিৎসা ও পরামর্শ কেন্দ্রে ভর্তি করান। ছয় মাসের চিকিৎসায় পুরোপুরি সুস্থ হওয়ার নিশ্চয়তা প্রদান করেন প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা। আর সোহেলের চিকিৎসা বাবদ তারা ৪৮ হাজার টাকা দাবি করেন।

নিহতের বড় ভাই রুবেল (২৪) বলেন, গত শুক্রবার সন্ধ্যায় পূর্ণতা মাদকাসক্তি চিকিৎসা ও পরামর্শ কেন্দ্র থেকে ফোন করে ছোট ভাই সোহেলকে নিয়ে আসতে বলা হয়। রাতেই তাকে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। শনিবার সকালে তার শয়নকক্ষে সোহেলকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে পুলিশে খবর দিলে পুলিশ এসে লাশ থানায় নিয়ে যায়।

রুবেলের দাবি, তার ভাইয়ের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে ও সিগারেটের আগুনের পোড়া দাগও রয়েছে। মাদকাসক্তির চিকিৎসার নামে শারীরিক নির্যাতনের কারণেই সোহেলের মৃত্যু হয়েছে।

এদিকে পূর্ণতা মাদকাসক্তি চিকিৎসা ও পরামর্শ কেন্দ্রের পরিচালক কামরুজ্জামান শোয়েব জানান, সোহেলকে আমরা নিরাময় কেন্দ্র থেকে ছাড়পত্র দিয়ে তার পরিবারের কাছে দিয়ে দিই। বাড়িতেই তার মৃত্যু হয়। তাদের অভিযোগ সঠিক নয়।

ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) আব্দুল হক জানান, এ ব্যাপারে সাতজনকে আসামি করে থানায় মামলা হয়েছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রবিবার (১৩ মার্চ) সকালে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মামলার তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করে রবিবার আদালতে পাঠানো হয়েছে। বাকিদের গ্রেপ্তারে অভিযান ও মামলার তদন্তকাজ চলমান রয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪. মার্চ ২০২২ ০২:৫১:এএম ৪ বছর আগে
বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে তিন ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১ - Ekotar Kantho

বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে তিন ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১

একতার কণ্ঠঃ ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে বেপরোয়া তিন ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে এক ট্রাক চালক নিহত হয়েছেন।রবিবার (১৩ মার্চ) সকালে উপজেলার গোহালিয়াবাড়ী ইউনিয়নের জোকারচর এলাকায় ওই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত ট্রাক চালক শাহিন আলম(৩০) বগুড়া জেলার শেরপুর থানার মাগুরগাড়ী গ্রামের আব্দুল কদ্দুসের ছেলে।

ওই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরেক ট্রাক চালক।আহত ট্রাক চালকের নাম রফিকুল ইসলাম (৪০)। সে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার গালা ইউনিয়নের গালার গ্রামের দানেশ আলী ছেলে। তাকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সফিকুল ইসলাম জানান, নিহত ট্রাক চালক সিমেন্ট নিয়ে বগুড়ার দিকে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে ট্রাকটি জোকারচর পৌঁছলে টাঙ্গাইলগামী বালুবাহী ট্রাকের সাথে সংঘর্ষ বাঁধে।এসময় গাজীপুরগামী আরেকটি ট্রাক পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলে সিমেন্টবাহী ট্রাক চালকের মৃত্যু এবং আহত হয় বালুবাহী অপর ট্রাক চালক রফিকুল।

তিনি আরো জানান, পরে আহত ট্রাক চালকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। নিহতদের মরদেহ থানা হেফাজতে হয়েছে। পরিচয় শনাক্তের পর আইনি প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪. মার্চ ২০২২ ০২:০৬:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বনের ঝরা পাতা কুড়াতেও গুনতে হচ্ছে টাকা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বনের ঝরা পাতা কুড়াতেও গুনতে হচ্ছে টাকা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুর বনাঞ্চলে গাছের পাতার দাম এখন ৩ হাজার টাকা। শুনতে অবাক লাগলেও এমনটাই দাবি স্থানীয়দের। রীতিমতো রশিদ দিয়ে টাকা নেয়ার কথা স্বীকারও করেছেন বনকর্মীরা। তাদের দাবি, বনের দেখভালে ব্যবহার করা হয় এই অর্থ। তবে এই বিষয়ে কিছুই জানেন না টাঙ্গাইলের বন কর্মকর্তা।

ফাল্গুন-চৈত্র মাসে গাছের ঝরা পাতার স্তুপ জমে মধুপুর বনাঞ্চলে, যা কুড়িয়ে জ্বালানির কাজ চলে স্থানীয়দের। কেউ আবার কুড়ানো পাতা বিক্রি করে রোজগার করেন। কিন্তু এতে বাধ সেধেছেন রেঞ্জ কর্মকর্তারা। দোখলা রেঞ্জে শুকনো পাতার জন্য প্রতিজনের কাছ থেকে ৩ হাজার টাকা করে নিচ্ছেন তারা।

অভিযোগ বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে পাওয়া যায়নি দোখলা রেঞ্জ কর্মকর্তাকে। তবে রশিদ দিয়ে টাকা নেয়ার কথা স্বীকার করছেন এক বনকর্মী। তার দাবি, বনরক্ষায় খরচ হয় এই অর্থ।

এদিকে, অভিযোগের বিষয়ে কিছুই জানা নেই বলে দাবি বিভাগীয় বন কর্মকর্তার। টাঙ্গাইল বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো সাজ্জাদুজ্জামান বলেন, এমন কোনো অভিযোগ থাকলে এ বিষয়ে আমরা তদন্ত করবো।

প্রসঙ্গত, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে ১৯৮২ সালে বনের ৮৪ হাজার ৩৬৬ হেক্টর জায়গাকে মধুপুর ও ভাওয়াল নামে দু’টি জাতীয় উদ্যান ঘোষণা করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. মার্চ ২০২২ ০২:৪২:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে সন্ত্রাসীদের অপকর্মের বিরুদ্ধে কৃষিবিদ দুলাল মিয়ার সংবাদ সম্মেলন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সন্ত্রাসীদের অপকর্মের বিরুদ্ধে কৃষিবিদ দুলাল মিয়ার সংবাদ সম্মেলন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে সন্ত্রাসীদের অপকর্মের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার(১২ মার্চ) সকালে টাঙ্গাইল প্রেস ক্লাবে ওই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মৃত্তিকা বিজ্ঞানী ও কৃষিবিদ দুলাল মিয়া বলেন, টাংগাইলের মির্জাপুর উপজেলার সিংজুরী গ্রামের আশুতোষ সরকার, গৌড় চন্দ্র সরকার এবং নুরুল ইসলামের নেতৃত্বে স্থানীয় ভাতগ্রাম ইউপি চেয়ারম্যান আজহারুল ইসলাম ও ইউপি মেম্বার নাজিম উদ্দিন সহকারে একটি সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী চক্র গড়ে উঠেছে যা,দেশব্যাপী সাংগঠনিক আকারে বিরাজমান।এই সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী চক্রের অন্যান্য সদস্যরা হচ্ছে সিংজুরী গ্রামে দুলাল সিকদার, সানোয়ার হোসেন, রতন বিশ্বাস, রফিক মিয়া, বাচ্চু মিয়া, বাদশা মিয়া, লাভলী বেগম, বাছিরণ বেগম, শিপ্রা বিশ্বাস, সন্তোষ সরকার, সন্তোষ সরকার বিএসসি, মনীন্দ্রনাথ সরকার,দীনেশ সরকার, শদু মিয়া, পরীক্ষিত সরকার, করুনা সরকার, শামছুল আলম, চাঁন মিয়া খানসামা, বাবুল খানসামা, আব্দুর রহমান প্রমুখ।

তিনি লিখিত বক্তব্যে আরো বলেন,এই সকল সন্ত্রাসীরা নিজ নিজ ধর্ম অনুযায়ী একজন আরেকজনের সহিত আত্মীয়তার বন্ধনে আবদ্ধ, কিছু সংখ্যক আত্মীয়তার সূত্র ধরে অন্য গ্রাম থেকে সিংজুরী গ্রামে এসে স্থায়ীভাবে বসবাস করছে। সমাজ ও নৈতিকতা বিরোধী কাজের জন্য ইতোপূর্বে এদের অনেকের বিরুদ্ধে একাধিক গ্রাম্য সালিস হয়েছে, অনেকের বিরুদ্ধে হত্যাসহ বিভিন্ন ধরনের মামলা রয়েছে।

এমনকি এদের অনেকে অবৈধ ড্রেজার ব্যবসার সাথে জড়িত। এই সব ব্যক্তিগণ একাধিক অসৎ উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়ে স্থানীয় নিরীহ কৃষক ও মুদি দোকানদার মেছের আলীর জমি বেআইনীভাবে স্থানীয় রতন বিশ্বাস কে দখল বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য বাধ্য করতে মেছের আলীসহ আমাকে বিভিন্ন ভাবে হয়রানী করে আসছে। ক্রয়সূত্রে রেজিস্ট্রি দলিলমূলে বিগত ২৭ বছর যাবত ভোগদখলরত অবস্থায় মেছের আলী বাদী হয়ে ২০২১ সালে ৪ মার্চ ও ৩১ মার্চ ভূমি বিষয়ে ১৪৪ ধারা ও ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করলে বিজ্ঞ আদালত কর্তৃক দখলাবস্থা বজায় রাখার আদেশ হয় এবং ২০২১ সালের ২৪ এপ্রিল মির্জাপুর থানা কর্তৃক শান্তি শৃংখলা বজায় রাখার নোটিশ জারী করা হয়। মেছের আলীর দায়েরকৃত ১১৫/২১ নং ঘোষণামূলক মোকদ্দমায় বাদীপক্ষে মেছের আলীর দীর্ঘকাল ব্যাপী ভোগদখল বিদ্যমান মর্মে ২০২১ সালের ২৮ অক্টোম্বর তারিখে বিজ্ঞ আদালত কর্তৃক স্থিতিবস্থা আদেশ হয়। সন্ত্রাসীরা রতন বিশ্বাস কে বাদী করিয়ে ২০২১ সালের ২৪ মার্চ হুমকির একটা মিথ্যা মামলা দায়ের করায়, উক্ত মামলায় গত ১৪/০২/২০২২ ইং তারিখে মেছের আলী সহ চারজন অব্যাহতি পেয়েছে।

বিজ্ঞ আদালতের আদেশ এবং মির্জাপুর থানার নোটিশ অমান্য করে ২০২১ সালে ধারাবাহিকভাবে সন্ত্রাসীরা সংঘবদ্ধভাবে ষড়যন্ত্র, অবৈধ সমাবেশ, হুমকি, দোকান ভাংচুর ও দোকানবন্ধ, একঘরে করণ, ঈদের নামাজ ও কোরবানী নিষিদ্ধকরণ, চুরি, ডাকাতি, চাদাদাবী, হামলা, মিথ্যাচার, অপপ্রচার ও মানববন্ধনের নামে মিথ্যাচার,সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা, শতভাগ মিথ্যা তথ্য সংবাদপত্রে প্রকাশিত করা সহ বহুমুখী অপরাধ করে আসছে। বর্তমানে সন্ত্রাসীদের ষড়যন্ত্র অব্যাহত রয়েছে, তাদের অপকৌশল কিছুটা পরিবর্তিত হয়েছে। পাঁচবারের সকল তদন্তে মেছের আলীর দাবি ও অভিযোগের সত্যতা মিলে, নামজারী ও তদন্ত প্রতিবেদনসহ ভূমি বিষয়ক কর্মকর্তার চারটি প্রতিবেদন ও চারটি মামলায় বিজ্ঞ আদালতের আদেশ মেছের আলীর পক্ষে। থানার দুটি তদেেন্ত আসামীরা তাদের অপকর্মের স্বীকারোক্তি প্রদান করে আপোস মীমাংসার অজুহাতে আসামীরা ষড়যন্ত্র করে ধারাবাহিক অপরাধ করেছে।

তিনি আরো বলেন,সন্ত্রাসীদের অপকর্ম, মিথ্যাচার ও প্রকাশিত মিথ্যা সংবাদের বিরুদ্ধে গত ৩০ ডিসেম্বর, ২০২১ তারিখে টাংগাইল প্রেসক্লাবে ভূক্তভোগী পরিবারের পক্ষে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে আমি বিবৃতি প্রদান করি যার সংবাদ বিভিন্ন পত্রিকা ও টিভি চ্যানেলে প্রচারিত ও প্রকাশিত হয়। উক্ত সংবাদ সম্মেলন ও প্রকাশিত খবরের ভিত্তিতে সন্ত্রাসীরা হুমকি দেয় যে তারা মিথ্যা সংবাদ প্রচার করে পরবর্তী উচ্চ পর্যায়ে যোগাযোগ করবে। প্রয়োজনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে যাবে ২ মে, ২০২১ থেকে বন্ধ মুদি দোকানের ডিসেম্বর, ২০২১ পর্যন্ত ভাড়া পরিশোধ করেও নিরুপায় হয়ে সিংজুরী নতুন ব্রিজ সংলগ্ন ভূমিতে মেছের আলী দোকান চালু করে, গত ০৩ জানুয়ারী রাতে সন্ত্রাসীরা উক্ত দোকানে থাকা সামগ্রী ভাংচুর করে। গত ৫ জানুয়ারী র‌্যাব, মহাপরিচালক বরাবর মেছের আলী আবেদন করেন।

মেছের আলীর জমিতে যাতে কোনো কৃষি শ্রমিক, ট্রাক্টর প্রবেশ করতে না পারে সেমর্মে আসামীরা এলাকায় ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। আমিসহ মেছের আলী ও তার পরিবার, আত্মীয়স্বজন কে হয়রানী করার জন্য আসামীরা নিয়মিত ষড়যন্ত্র করছে, হুমকি প্রদান করছে, ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে। মির্জাপুর থানায় আপোস মীমাংসার মাধ্যমে রতন বিশ্বাস কে জমির দখল বুঝিয়ে দেবে, অন্যথায় হয়রানীমূলক মামলা দেওয়া হবে মর্মে সন্ত্রাসীদের পক্ষ হতে হুমকি দেয়া হচ্ছে।

মির্জাপুর থানায় মেছের আলী কর্তৃক দায়েরকৃত অভিযোগের ভিত্তিতে আসামীদের বিরুদ্ধে মির্জাপুর থানা কর্তৃক যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রয়োজন মর্মে গত ২৩ ফেব্রয়ারি দ্বিতীয় বারের মতো মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবর আবেদন করা হয়েছে।

নিরুপায় ও অসহায় হয়ে মেছের আলী এসবের প্রতিকার চেয়ে গত ২৮ ফেব্রয়ারি দ্বিতীয়বার মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশ ও মহাপরিচালক, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা অধিদপ্তর বাংলাদেশ বরাবর আবেদন করেছেন। এছাড়াও সরকারের দায়িত্বশীল সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও সংস্থা প্রধান বরাবর মেছের আলী একাধিক আবেদন করেছেন।

লিখিত বক্তব্যে তিনি আরো বলেন, এই সন্ত্রাসীরা বিশেষ অপকৌশল হিসেবে হিন্দু ইজম, হিন্দু আধিপত্য ও সংখ্যা লঘু আইনের প্রচার ঘটিয়ে সিংজুরী নাট মন্দিরে নিয়মিত মিটিং করে ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করে পারিপার্শ্বিক সব তাদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ধারাবাহিকভাবে বহুমুখী অপরাধ করেছে।

সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন, ভুক্তভোগী মেছের আলী, তার স্ত্রী আনোয়ারা বেগম ও ছেলে শুকুর আলী।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. মার্চ ২০২২ ০২:২২:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে দুই যুদ্ধাপরাধী গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে দুই যুদ্ধাপরাধী গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ একাত্তরে বুদ্ধিজীবি হত্যা এবং গণহত্যার অভিযোগে আন্তজার্তিক অপরাধ ট্রাইবুনাল বৃহস্পতিবার (৩ মার্চ) টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার দুই যুদ্ধাপরাধীকে গ্রেপ্তার করেছে।আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালের উপপরিচালক এবং তদন্তকারি কর্মকর্তা মতিউর রহমান খবরটি নিশ্চিত করেন।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন: উপজেলার ঝাওয়াইল ইউনিয়নের বেড়াডাকুরি গ্রামের মৃত সবুর মাস্টারের পুত্র মনিরুজ্জামান কোহিনূর এবং চাতুটিয়া গ্রামের মৃত শফি উদ্দীনের পুত্র আলমগীর হোসেন তালুকদার।

এদিকে ,এই দুই যুদ্ধাপরাধীকে গ্রেফতারের খবরে সর্বত্র স্বস্তির নিশ্বাস ফিরে আসে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর  kfফাঁসির দাবিতে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের উদ্যোগে গোপালপুর পৌরশহরে এক বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিল শেষে থানা ব্রীজ চত্বরে সমাবেশ অনুষ্ঠিত

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. মার্চ ২০২২ ০৮:২৫:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইল স্টেডিয়াম পরিদর্শন করলেন বিসিবি’র ওবায়েদ নিজাম - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল স্টেডিয়াম পরিদর্শন করলেন বিসিবি’র ওবায়েদ নিজাম

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা স্টেডিয়াম পরিদর্শন করলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের(বিসিবি) বয়সভিত্তিক টুর্নামেন্টের চেয়ারম্যান ওবায়েদ নিজাম। এ সময় তার সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান তানভীর হাসান টিটু, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের গ্রান্ডস কমিটির ম্যানেজার আব্দুল বাতেন ও সাবেক জাতীয় দলের ক্রিকেটার সাইফুল ইসলাম।

এর আগে শুক্রবার( ৪ মার্চ) সকালে হেলিকপ্টার যোগে টাঙ্গাইল স্টেডিয়ামে অবতরন করলে টাঙ্গাইল ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মির্জা মঈনুল হোসেন লিন্টু তাঁদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার যুগ্ম-সম্পাদক মাতিনুজ্জামান সুখন ও ইফতেখারুল অনুপম ও টাঙ্গাইল জেলা ক্রিকেট কোচ মোঃ আরাফাত রহমান।

ওবায়েদ নিজাম টাঙ্গাইল স্টেডিয়াম পরিদর্শন কালে বলেন, তিনি মাঠ ও মাঠের সুবিধা নিয়ে সন্তুষ্ট, তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচে আয়োজন বড় বাঁধা টাঙ্গাইল শহরে ভালো মানের একটা পাঁচতারা হোটেল নেই। তারপরও তিনি আশাবাদী টাঙ্গাইল স্টেডিয়ামে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচ আয়োজনের।

 তিনি আরো বলেন, দ্রুততম সময়ে টাঙ্গাইল জেলা স্টেডিয়ামকে আর্ন্তজাতিক মানের স্টেডিয়ায় করার জন্য যা দরকার তা পূরণ করা হবে। তিনি টাঙ্গাইল ক্রিকেট দলের বয়সভিত্তিক পর্যায়ে সফলতার জন্য অভিনন্দন জানান।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. মার্চ ২০২২ ০৭:১৫:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে বসত বাড়িতে হামলা ও ভাংচুর - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে বসত বাড়িতে হামলা ও ভাংচুর

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল পৌরসভার বৈল্যা এলাকায় সহোদর ভাইয়ের জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে বসতবাড়িতে হামলা ও ভাংচুরের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে। হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, পৌর এলাকার ২নং ওয়ার্ডের বৈল্যা এলাকায় মৃত হারান আলী মন্ডলের দুই ছেলে বড় ভাই বারি মিয়া ও ছোট ভাই মোকাদ্দেছ আলী বাড়ির সীমানা জটিলতা নিয়ে বাকবিতণ্ডা ও ধস্তাধস্তি হয়। ওই দিন সন্ধ্যায় ৩০ থেকে ৩৫ জন অজ্ঞাত ব্যক্তি লাঠি-সোটা সহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বারি মিঞার বসত বাড়িতে হামলা চালিয়ে বাড়ীর লোহার গেইট, প্রাইভেটকার ও বিল্ডিংয়ের জানালা ভাংচুর করে। পরে হামলাকারীরা বারী মিঞার পরিবারকে হত্যার হুমকি দেয়। এতে কমপক্ষে ২লাখ টাকার ক্ষতি সাধিত হয়।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগি বারি মিয়া বলেন, দুই ভাই মিলে একত্রে বৈল্যা এলাকায় ২৮ শতাংশ জায়গা ক্রয় করে দীর্ঘ ২০ বছর যাবত আমি ছোট ভাইয়ের জায়গা দেখভাল করে আসছি। সীমানার দেড়ফুট জায়গা নিয়ে সামান্য ভুলবোঝাবুঝি সৃস্টি হলে স্থানীয় মাতাব্বর ও বোনেরা মিলে তাৎক্ষণিক মীমাংসা করে দেয়। সেই মীমাংসা না মেনে ছোট ভাই থানায় অভিযোগ দায়ের করে।
তিনি আরো বলেন, সন্ধ্যার দিকে ৩০ থেকে ৩৫ জন লোক এসে আমার বসত বাড়িতে হামলা ও ভাংচুর করে। এসময় তারা অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও প্রাণে মারার হুমকি দেয়। এই ঘটনায় টাঙ্গাইল সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। বর্তমানে আমি আমার পরিবার নিয়ে আতংকে আছি।

ছোট ভাই মোকাদ্দেছ আলী বলেন, বড় ভাই বাবার মত, আমি তার বাসায় হামলা করবো কেন? হামলা যখন ঘটে তখন আমি গ্রামের বাড়ি কালিহাতী উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের চর হামজানিতে ছিলাম। তবে কারা এই ঘটনা ঘটাইছে তা আমি জানিনা।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল পৌরসভার ২ নং ওযার্ডের কাউন্সিলর ফরহাদ ইকবাল রুবেল জানান, বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় ভাবে আপোষ-মীমাংসা করে দিয়েছিলাম। কিন্তু বড় ভাই বারি মিঞা সিদ্ধান্ত না মানায় কথাকাটা ও ধস্তাধস্তি হয়। পরে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বড়ভাই বারি মিঞার বাড়ীতে হামলার ঘটনার বিষয়টি আমি শুনেছি। বিষয়টি স্থানীয় ভাবে মীমাংসার চেষ্টা চলছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. ফেব্রুয়ারী ২০২২ ০৯:৩২:পিএম ৪ বছর আগে
কালিহাতী প্রেসক্লাবের নতুন কমিটি গঠন - Ekotar Kantho

কালিহাতী প্রেসক্লাবের নতুন কমিটি গঠন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী প্রেসক্লাবের নতুন কার্যকরী কমিটি গঠন করা হয়েছে। নতুন কমিটিতে সভাপতি পদে মীর আনোয়ার হোসেন(সমকাল) ও সাধারণ সম্পাদক পদে দাস পবিত্রকে(বাংলা টিভি) মনোনীত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) কালিহাতী উপজেলা পরিষদের হলরুমে দুই পর্বে অনুষ্ঠিত সভার প্রথম পর্বে কালিহাতী প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক রঞ্জন কৃষ্ণ পন্ডিতের সভাপতিত্বে বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

দ্বিতীয় পর্বে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট জাফর আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় কার্যকরী কমিটি গঠন করা হয়।

টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও কালিহাতী প্রেসক্লাবের প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী জাকেরুল মওলা নতুন কমিটির সাংগঠনিক কর্মকর্তাদের নাম ঘোষণা করেন।

নবগঠিত কমিটির অন্যরা হচ্ছেন- সহ-সভাপতি কামরুল হাসান(পূর্বাকাশ), রাইসুল ইসলাম লিটন(যায়যায়দিন), যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা(বাংলাদেশ বুলেটিন), মনির হোসেন(সময়ের কাগজ), কোষাধ্যক্ষ লতিফ তালুকদার(আজকের দর্পন),

ক্রীড়া সম্পাদক নুরুন্নবী রবিন(বাংলাদেশের আলো), সাহিত্য সম্পাদক আনিসুর রহমান শেলী(দৈনিক গণমুক্তি), দপ্তর সম্পাদক মনসুর হেলাল(আজকের পত্রিকা)।

কার্যকরী কমিটির সদস্যরা হচ্ছেন- শাহ আলম(মজলুমের কণ্ঠ), রশিদ আহমদ আব্বাসী(দৈনিক জবাবদিহি), তারেক আহমেদ(যুগান্তর), মুসফিকুর রহমান মিল্টন(মানবকণ্ঠ) ও সুমন ঘোষ(ডেইলি নিউজ মেইল)।

দুই পর্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ হাছান ইমাম খান সোহেল হাজারি। বিশেষ অতিথি ছিলেন, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ইফতেখারুল অনুপম।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন, কালিহাতী প্রেসক্লাবের যুগ্ম-আহ্বায়ক কামরুল হাসান মিয়া।

প্রকাশ, এ কমিটি ২০২৩ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবে। পরে সভাপতি হিসেবে যুগান্তরের প্রতিনিধি তারেক আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মানবকণ্ঠের প্রতিনিধি মুসফিকুর রহমান মোল্লা মিল্টন দায়িত্ব পালন করবে। প্রেসক্লাবের সদস্যদের দ্বিধাবিভক্তি নিরসনে এ ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৫. ফেব্রুয়ারী ২০২২ ০১:২৭:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে পুলিশের ‘বডি ওর্ন ক্যামেরা’ চালু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে পুলিশের ‘বডি ওর্ন ক্যামেরা’ চালু

একতার কণ্ঠঃ ‘দক্ষ পুলিশ, সমৃদ্ধ দেশ, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ’ শ্লোগানকে সামনে রেখে বাংলাদেশ সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশে সংযোজিত হয়েছে অত্যাধুনিক ‘বডি ওর্ন ক্যামেরা’।

বৃহস্পতিবার(২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইল শহরের নিরালা মোড় এলাকায় পুলিশ সদস্যদের মাঝে এই ক্যামেরা বিতরণ করেন টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার।

এ প্রসঙ্গে পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার জানান, ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়ক কেন্দ্রিক সম্প্রতি সময়ে যেসকল অপরাধ সংঘটিত হয়েছে সেই সকল অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও পুলিশ সদস্যরা কীভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করছে তা পর্যালোচনা করার জন্য টাঙ্গাইলে ট্রাফিক পুলিশ ও মহাসড়ক কেন্দ্রিক যেসকল থানা রয়েছে তাদের মাঝে এ ‘বডি ওর্ন ক্যামেরা’ বিতরণ করা হয়েছে।

তিনি আরো জানান, পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে টাঙ্গাইল জেলায় ৪২টি ‘বডি ওর্ন ক্যামেরা’ সংযোজিত করা হলো। এই ক্যামেরার মাধ্যমে পুলিশ সদস্যরা যেমন কাজের জবাবদিহিতায় আসবে, তেমনিভাবে অপরাধীরা কোনো প্রকার অপরাধ করে যেনো পার না পায়, তাদেরকে আইনের আওতায় আনার জন্যই আমাদের এ আয়োজন।

‘বডি ওর্ন ক্যামেরা’ বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) কাজী নুসরাত এদীব লুনা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) জয়ব্রত পাল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মুহাম্মদ সরোয়ার হোসেন, টাঙ্গাইল সদর থানা অফিসার ইনচার্জ মীর মোশারফ হোসেনসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৫. ফেব্রুয়ারী ২০২২ ১২:০৮:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে পৃথক অভিযানে ৮ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‌্যাব - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে পৃথক অভিযানে ৮ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‌্যাব

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ৪০ কেজি গাঁজাসহ ৬ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‌্যাব। বুধবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার রাজাবাড়ী এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই  তথ্য নিশ্চিত করেছে র‌্যাব।

আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে দশম শ্রেণির স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যা

আটককৃতরা হলেনঃ- ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আখাউড়া উপজেলার বাটামাতা হাসিমপুর গ্রামের তারু মিয়ার ছেলে রাসেল মিয়া (২৪), একই উপজেলার বিজয় নগর গ্রামের সেলিম মিয়ার ছেলে রাকিবুর রহমান (১৯), একই উপজেলার শাহপুর গ্রামের আঃ মুন্নাফের ছেলে ফারুক হোসেন (৩৫), একই উপজেলার খারপাড়া গ্রামের আঃ রহমানের ছেলে খলিল মিয়া (৩২), ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলার আকাবপুর গ্রামের মন মিয়ার ছেলে জসিম উদ্দিন (২৫), কিশোরগঞ্জ জেলার তাড়াইল উপজেলার ধলা গ্রামের আঃ হাকিম মেম্বারের ছেলে পাপন হোসেন (২৮)।

এসময় ৬ লাখ টাকা মূল্যের ৪০ কেজি গাঁজা, একটি প্রাইভেটকার, ১টি মাইক্রো, ৬টি মোবাইল এবং নগদ ১৯ হাজার টাকাসহ তাদের হাতেনাতে আটক করে র‌্যাব।

অপরদিকে,  টাঙ্গাইলের সদরে ১ হাজার ৩ পিস ইয়াবাসহ ২ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‌্যাব। মঙ্গলবার(২২ ফেব্রয়ারি) দিবাগত রাতে উপজেলার রাবনা বাইপাস এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলেনঃ- পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার মানিক নগর গ্রামের দুলাল হোসেনের ছেলে মিজানুর রহমান ওরফে ছানা (৩৬) ও একই গ্রামের আবেদ আলীর ছেলে রায়হান উদ্দিন (৩৫)।

একতার কণ্ঠ

এসময় ৩ লাখ টাকা মূল্যের ১ হাজার ৩ পিস ইয়াবা, একটি প্রাইভেটকার, ৪টি মোবাইল এবং নগদ ৩ হাজার টাকাসহ তাদের হাতেনাতে আটক করা হয়।

র‌্যাব-১২, সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের কোম্পানী কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন বুধবার(২৩  ফেব্রয়ারি) দুপুরে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানান, আটককৃতরা দীর্ঘদিন যাবৎ মাদক দ্রব্য ইয়াবা ও গাঁজা অবৈধভাবে সংগ্রহ করে টাঙ্গাইল জেলার বিভিন্ন থানাসহ অন্যান্য থানা এলাকায় বিক্রির উদ্দেশ্যে সরবরাহ করে আসছিলো। তাদের বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল সদর ও কালিহাতী থানায় পৃথক পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৪. ফেব্রুয়ারী ২০২২ ০৩:৩৭:এএম ৪ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।