একতার কণ্ঠঃ জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে এডিপিভুক্ত শতভাগ প্রকল্পের পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন নিশ্চিতকরণ সম্পর্কিত জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অযৌক্তিক আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে টাঙ্গাইলে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি), বিসিএস পাবলিক ওয়ার্ক ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের যৌথ উদ্যোগে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন টাঙ্গাইল গণপূর্ত সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শফিুকল ইসলাম, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক (প ও স সার্কেল) প্রকৌশলী ওবায়দুল ইসলাম, এলজিইডি’র নির্বাহী পরিচালক রফিকুল ইসলাম, আইইবি টাঙ্গাইল উপকেন্দ্রের সাবেক চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক খন্দকার সাইদ আল খালিদ সোপান, সড়ক বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী সজল কুমার সরকার, সহকারী প্রকৌশলী আশরাফুল ইসলাম, গণপূর্তের উপসহকারী প্রকৌশলী কাজী তাজিন প্রমুখ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমদ হত্যা মামলায় শর্ত সাপেক্ষে টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান মুক্তির অন্তবর্তী কালীন জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে প্রথম অতিরিক্ত জেলা দায়রা জজ মাসুদ পারভেজ তার জামিন মঞ্জুর করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত পিপি মনিরুল ইসলাম।
অতিরিক্ত পিপি মনিরুল ইসলাম জানান, বৃহস্পতিবার আওয়ামী লীগ নেতা ফারুক হত্যা মামলার স্বাক্ষ্য গ্রহণের দিন ছিল। ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি নেয়া চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শিউলী রাণী দাসের সাক্ষ্য গ্রহণ ছিল। তবে স্বাক্ষী আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় আসামী পক্ষের আইনজীবীরা সুচিকিৎসার দাবিতে আসামীর জামিন আবেদন করেন। পরে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত পিপি মনিরুল ইসলাম ও বাদি পক্ষের আইনজীবী রফিকুল ইসলাম জামিনের বিরোধিতা করেন। পরে বিচারক শর্ত সাপেক্ষে মুক্তিকে অন্তবর্তীকালীন জামিন মঞ্জুর করেন। জামিন মঞ্জুরের সময় মুক্তি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। এই মামলার পরবর্তী তারিখ ২৮ ফেব্রুয়ারি।
সহিদুর রহমান খান মুক্তি টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানার ভাই ও বাবা আতাউর রহমান খান একই আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য।
প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহমদের গুলিবিদ্ধ লাশ তার কলেজপাড়ার বাসার কাছ থেকে উদ্ধার হয়। এ ঘটনার তিন দিন পর তার স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদি হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন। এ হত্যাকান্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ২০১৪ সালের আগস্টে আনিসুল ইসলাম ও মোহাম্মদ আলী নামের দুজনকে গ্রেফতার করে গোয়েন্দা পুলিশ। আদালতে দেওয়া ওই দুজনের স্বীকারোক্তিতে হত্যার সঙ্গে তৎকালীন ঘাটাইল আসনের সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানা, তাঁর তিন ভাই টাঙ্গাইল পৌরসভার তৎকালীন মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাকন ও ছাত্রলীগের তৎকালীন কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পার জড়িত থাকার বিষয়টি উঠে আসে। আমানুর রহমান খান রানা ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে আত্মসমর্পণ করেন। প্রায় তিন বছর হাজতবাসের পর তিনি জামিনে মুক্তি পান। মুক্তি অভিযুক্ত হওয়ার পর দীর্ঘ ছয় বছর পলাতক থাকার পর ২০২০ সালের ২ ডিসেম্বর তিনি টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। তাঁর অন্য দুই ভাই ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাকন ও ছাত্রলীগের তৎকালীন কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পা এখনো পলাতক রয়েছেন।
একতার কণ্ঠঃ বৃহস্পতিবার(১০ ফেব্রয়ারি) টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরো এক রোগীর মৃত্যু হয়েছে। তার বাড়ী নাগরপুর উপজেলায়। এই মৃত্যু নিয়ে জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়ে সর্বমোট মৃত্যুবরণ করেছেন ২৬৩ জন।বৃহস্পতিবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান।
সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে আরো জানা গেছে, জেলায় গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে ৪৬ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। ২৯৩ জনের নমুনা পরীক্ষার রির্পোটে ৪৬ জনের করোনা সনাক্ত হয়। শনাক্তের হার শতকরা ১৫ দশমিক ৬৯ ভাগ।
এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা আক্রান্তের রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৮ হাজার ৪৬৮ জন। আক্রান্তদের মধ্যে মোট সুস্থ্য হয়ে বাড়ী ফিরেছেন ১৭ হাজার ২০৭ জন।
আক্রান্তদের মধ্যে টাঙ্গাইল সদরে ১৮ জন, দেলদুয়ারে ৪ জন, সখীপুরে ৩ জন, মির্জাপুরে ৪ জন, বাসাইলে ২ জন, কালিহাতীতে ১ জন, ঘাটাইলে ২ জন, ভুঞাপুরে ১ জন, ও গোপালপুর উপজেলায় ১১ জন সহ মোট ৪৬ জন।
টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান সকলকে করোনা প্রতিরোধে সরকারকে সহযোগিতার আহ্বান জানান। স্বাস্থ্য বিধি মেনে পথচারীদের মাস্ক পরে চলাচলের আহ্বানও জানান তিনি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে সন্ত্রাসী হামলায় মোমিনুল রহমান(৪২) নামে এক ডিস ও ইন্টারনেট ব্যবসায়ী গুরুত্বর আহত হয়ে বর্তমানে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসাধিন রয়েছে। বুধবার(৯ ফেব্রয়ারি) রাত সাড়ে নয়টার দিকে টাঙ্গাইল পৌর এলাকার বেড়াডোমা ডাইভারশন সেতুর উপর ওই হামলার শিকার হন তিনি।
মোমিনুল টাঙ্গাইল পৌর এলাকার ৪নং ওয়ার্ডের পার-দিঘুলিয়ার মৃত আজিজুর রহমান চৌধুরীর ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও আহতের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বেড়াডোমা সাবান ফ্যাক্টরির কাছে অবস্থিত ইউজার চয়েজ ক্যাবল ও ইন্টারনেট অফিস থেকে প্রতিদিনের মতো ব্যবসায়ী মোমিনুল তার পার-দিঘুলিয়ার বাসায় ফিরছিলেন। পথিমধ্যে বেড়াডোমা ডাইভারশন ব্রিজের মাঝামাঝি পৌঁছাতেই কয়েকজন মুখোশধারি সন্ত্রাসী তার উপর বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়।
হামলায় তার ডান হাত, মাথা, ডান পা ও নাক গুরুত্বর জখম হয়। তার ডান হাতের তিনটি আগুল বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এ ছাড়া কোপের আঘাতে তার নাক কেটে ঝুলে যায়।তার ডান পায়ের রানের উপর আঘাতও গুরুত্বর । গুরুত্বর আহত অবস্থা তিনি হেঁটে কোন রকমে বেড়াডোমা বেবিস্ট্যান্ডে অবস্থিত বিসমিল্লাহ মেডিসিন সপের সামনে গিয়ে পরে যায়। পরে আহতের ভাই মামুন ও মামুনের বন্ধু আলাউদ্দিন মোটরসাইকেল যোগে দ্রুত তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে অপরেশন থিয়েটারে নিয়ে জরুরী অপারেশন করা হয়। কিন্তু তার অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়।
মনিমুলের বড়বোন কামরুন্নাহার বলেন, হামলার খবর পেয়ে তার ভাই মামুন ও তার বন্ধু আলাদিন মোমিনুলকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। তবে হামলাকারিরা মুখোশ পরে থাকায় কাউকে চিনতে পারা যায়নি। ঘটনার পর হামলাকারিরা মোটরসাইকেল নিয়ে পালিয়ে গেছে বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন।
মমিনুলের বড় ভাই মাহবুব চৌধুরী মনি বলেন, ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে বুধবার রাতেই মোমিনুলের জরুরি অপারেশন করা হয়েছে।তিনি বর্তমানে হাসপাতালের পোস্ট অপারেটিভ কেয়ার ইউনিটে ভর্তি রয়েছে।মমিনুলের বর্তমান অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন। তাই তারা আইনগত কোন ব্যবস্থার দিকে যায়নি। অবস্থার উন্নতি হলে তারা আইনগত প্রক্রিয়া যাবেন।
এ প্রসঙ্গে টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার-ইন-চার্জ( ওসি) মীর মোশারফ হোসেন জানান, বুধবার রাতেই ঘটনাটি জেনে ঘটনাস্থল ও টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে গিয়ে বিষয়টি তদন্ত করেছেন। তবে আহতের পরিবার থেকে এখনো কোন লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ৩ টি উপজেলার নবনির্বাচিত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জেলাপ্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ওই তিন উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের শপথ বাক্য পাঠ করান টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ড. মোঃ আতাউল গনি।
এসময় উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল সদর উপজেলার চেয়ারম্যান শাজাহান আনসারি, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রানুয়ারা খাতুন, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি এডভোকেট জাফর আহমেদ ও টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ভাইস-চেয়ারম্যান নাজমুল হুদা নবীন প্রমুখ।
নবনির্বাচিত যেসব ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানগন শপথ গ্রহন করেন তারা হলেনঃ
টাঙ্গাইল সদর উপজেলা ১. দাইন্যা ইউপিতে আফজাল হোসেন (নৌকা) ২. হুগড়া ইউপিতে নুর ই আলম তুহিন (স্বতন্ত্র) ৩. বাঘিল ইউপিতে এস এম মতিয়ার রহমান মন্টু (নৌকা) ৪. ঘারিন্দা ইউপিতে তোফায়েল আহম্মেদ (নৌকা) ৫. করটিয়া ইউপিতে খালেকুজ্জামান মজনু (নৌকা) ৬. পোড়াবাড়ী ইউপিতে শাহাদত হোসেন (স্বতন্ত্র) ৭. গালা ইউপিতে নজরুল ইসলাম খান (স্বতন্ত্র) ৮. মগড়া ইউপিতে মোতালেব হোসেন (স্বতন্ত্র)।
ঘাটাইল উপজেলা- ১. দেওলাবাড়ি ইউপিতে সুজাত আলী খান (নৌকা) ২. ঘাটাইল সদর ইউপিতে মিজানুর রহমান হীরা (স্বতন্ত্র) ৩. লোকেরপাড়া ইউপিতে সহিদুল হক মিলন (স্বতন্ত্র) ৪. আনেহলা ইউপিতে তালুকদার শাজাহান (নৌকা) ৫. দিগলকান্দি ইউপিতে রেজাউল করিম মটু (স্বতন্ত্র) ৬. দিঘর ইউপিতে ফারুক হোসেন ফনি (স্বতন্ত্র) ৭. দেওপাড়া ইউপিতে রুহল আমীন হেপলু (স্বতন্ত্র) ৮. জামুরিয়া ইউপিতে জামুরিয়া ইউনিয়নে আওয়ামীলীগের প্রার্থী নৌকা প্রতিকে শহিদুল ইসলাম খান হেস্টিংস।
বাসাইল উপজেলা- কাউলজানী ইউনিয়নের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান আতাউল গনি হাবিব নৌকা),হাবলা ইউনিয়নের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান খোরশেদ আলম নৌকা), কাঞ্চনপুর ইউনিয়নের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান শামীম আল মামুন (স্বতন্ত্র)।ফুলকী ইউনিয়নে (স্বতন্ত্র) প্রার্থী শামছুল আলম বিজু।
একতার কণ্ঠঃ বুধবার(৯ ফেব্রয়ারি) টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এক রোগীর মৃত্যু হয়েছে। তার বাড়ী সদর উপজেলায়। এই মৃত্যু নিয়ে জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়ে সর্বমোট মৃত্যুবরণ করেছেন ২৬২ জন। বুধবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান।
সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে আরো জানা গেছে, জেলায় গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে ৭০ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। ২৭৫ জনের নমুনা পরীক্ষার রির্পোটে ৭০ জনের করোনা সনাক্ত হয়। শনাক্তের হার শতকরা ২৫ দশমিক ৪৫ ভাগ।
এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা আক্রান্তের রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৮ হাজার ৪৬৮ জন। আক্রান্তদের মধ্যে মোট সুস্থ্য হয়ে বাড়ী ফিরেছেন ১৭ হাজার ১৬৫ জন। সর্বমোট মারা গেছে ২৬২ জন।
আক্রান্তদের মধ্যে টাঙ্গাইল সদরে ৩৫ জন,ধনবাড়ীতে ১৩ জন ,নাগরপুরে ১জন, বাসাইলে ৯ জন, কালিহাতীতে ৫জন, ঘাটাইলে ৫জন ও ভূঞাপুরে ২জন নিয়ে মোট ৭০ জন।
একতার কণ্ঠঃ বহুল প্রচারিত যুগান্তর ২৩ বছরে পা রেখেছে। বর্তমানে যুগান্তরের পূর্ণ যৌবন। এই সময়ে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের ধারাবাহিকতা যুগান্তর যুগ যুগ ধরে রাখবে। ডিজিটাল বাংলাদেশের চতুর্থ বিপ্লবে একটি দেশ এবং দেশান্তরের গণজাগরণ সৃষ্টি প্রত্যয়ে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে যুগান্তর সুখী সমৃদ্ধি সোনার বাংলাদেশ বিনির্মাণে যথার্থ ভূমিকা রাখবে।
মঙ্গলবার (৮ ফেব্রয়ারি) সকালে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু ভিআইপি অডিটরিয়ামে যুগান্তরের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বক্তারা এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনের সংসদ সদস্য খান আহমেদ শুভ। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি, পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, টাঙ্গাইল পৌর মেয়র এস.এম সিরাজুল হক আলমগীর ।
যুগান্তরের স্টাফ রিপোর্টার ও টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, টাঙ্গাইল ক্রীড়া সংস্থার সহ-সভাপতি হারুন অর রশিদ, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কাজী জাকেরুল মওলা প্রমুখ।
যুগান্তর স্বজন সমাবেশের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের দপ্তর ও পাঠাগার সম্পাদক অরণ্য ইমতিয়াজ।
একতার কণ্ঠঃ স্বৈরশাসক এরশাদের শাসন আমলে ১৯৮৭ সালে বাসভাড়া বৃদ্ধির প্রতিবাদ করতে গিয়ে পুলিশের গুলিতে নিহত হন টাঙ্গাইলের ছাত্রনেতা মির্জা আবু রায়হান খান জগলু। মঙ্গলবার(৮ ফেব্রয়ারি) সকালে টাঙ্গাইলে তাঁর ৩৫তম মৃত্যুবার্ষিকী যথাযথ মর্যাদায় পালিত হয়েছে।
শহীদের পরিবার, জেলা বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা শহরের শহীদ জগলু রোড়ে ( পুরাতন আদালত রোড়) জগলুর স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পন করেন। পরে বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনায় মোনাজাত করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ভাইস-চেয়ারম্যান ও জেলার আহবায়ক অ্যাডভোকেট আহমেদ আজম খান, ঢাকা বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বেনজির আহমেদ টিটু, জেলার সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক হাসানুজ্জামিল শাহীন, সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, যুগ্ম-আহবায়ক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল, কাজী শফিকুর রহমান লিটন, অমল ব্যানার্জী, দেওয়ান শফিকুল ইসলাম প্রমুখ।
উল্লেখ্য, ১৯৮৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি স্বৈরশাসক এরশাদের আমলে বাস ভাড়া বাড়ানোর প্রতিবাদে আন্দোলনরত জনতার ওপর পুলিশ গুলিবর্ষণ করে। এ আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক তৎকালীন ছাত্রদলনেতা মির্জা আবু রায়হান জগলু নিহত হন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সন্তোষে অবস্থিত মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বরস্বতী পূজা উদযাপন নিয়ে ক্ষোভ জানিয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার(৩ ফেব্রয়ারি) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স এন্ড রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের শিক্ষার্থী মানিক শীল ফেসবুক গ্রুপ ‘এমবিএসটিউ ফ্যামিলি’-তে তার ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
রবিবার( ৬ ফেব্রয়ারি) পর্যন্ত প্রায় শতাধিক সনাতন ধর্ম্বালম্বী অন্যান্য শিক্ষার্থী তাতে কমেন্টের মাধ্যমে তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
মানিক শীল তার পোস্টে জানান, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দুই দশক পরেও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উপাসনালয় বা মন্দির নেই। কেন্দ্রীয় মন্দির না থাকার কারণে প্রতিবছরই কোন একটি জায়গা বাছাই করে পুজা করা হয়। খুব কষ্ট লেগেছে আজ এত কষ্ট করেও যখন বৃষ্টি এসে সব আয়োজন ধূলিসাৎ করে দিয়ে গেছে, বিপাকে পড়তে হয়েছে আয়োজকদের। অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মত আমাদের একটি মন্দির থাকলে এই অবস্থার সম্মুখীন হওয়া লাগতো না।গত কয়েক বছর মন্দির প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে সনাতনী শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা সাবেক ভিসি স্যারের কাছে গেলেও কেন জানি কোন কারণে অজুহাত দিয়ে তা বন্ধ করে রেখেছে। ধর্ম চর্চার জন্য, পুজার জন্য মাভাবিপ্রবিতে একটি মন্দির অত্যাবশ্যকীয় হয়ে দাড়িয়েছে এবং আমরা একটি মন্দির চাই।’
এ বিষয়ে মানিক শীল বলেন, প্রায় সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব কেন্দ্রীয় মন্দির থাকে। আমরা বারবার বিশ^বিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে মন্দির প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়েছি। আমি সনাতন ধর্মাবলম্বী সকল শিক্ষার্থীর পক্ষ থেকে বিশ^বিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অনতিবিলম্বে কেন্দ্রীয় মন্দির প্রতিষ্ঠার জোর দাবি জানাই।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ ফরহাদ হোসেন বলেন, আমি বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন দায়িত্ব পেয়েছি, অনেক কিছুই আমার অজানা। সকলের সাথে আলোচনা স্বাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি জানান।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল পৌরসভার ১৮টি ওয়ার্ডের ভোটারদের শতভাগ করোনার টিকার আওতায় আনা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এস.এম সিরাজুল হক আলমগীর সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছেন।
পৌরসভার মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে মেয়র জানান, পৌরসভার ১৮ টি ওয়ার্ডে ১ লাখ ২৪ হাজার ১৭০ জন ভোটার রয়েছে। সেখানে ১ লাখ ৬৪ হাজার ৩০০ মানুষকে করোনার টিকা প্রদান হয়েছে। টাঙ্গাইল পৌরসভার আওতায় ৪৪ হাজার ৩০০ জনকে টিকা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১৬ হাজার ৫০০ জনকে সিনোফার্মের প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ, ২৭ হাজার ৮০০ জনকে অ্যাস্ট্রাজেনেকার ১ম ডোজ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া শেখ হাসিনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কার্যালের মাধ্যমে ১ লাখ ২০ হাজার মানুষকে টিকা দেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে টাঙ্গাইল পৌরসভার শতভাগ ভোটারকে টিকার আওতায় আনা হয়েছে।
তিনি আরো জানান, অন্যদিকে ১২ থেকে ১৮ বছরের শিক্ষার্থীদেরও করোনার টিকা দেওয়া হচ্ছে।
পৌর এলাকায় শতভাগ টিকা কার্যক্রমের বিষয়টি সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খানও নিশ্চিত করেছেন।
মেয়র আরো জানান, করোনা প্রতিরোধে ১৮ টি ওয়ার্ডে জনসচেতনামূলক মাইকিং, লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়াও পৌর এলাকায় দুই লাখ মাস্ক, দুই হাজার অ্যান্টিসেপটিক সাবান, এক হাজার হ্যান্ড ওয়াশ, ১৫ হাজার হ্যান্ডস্যানিটাইজার ও শহরের গুরত্বপূর্ণ স্থানে হাসধোয়ার জন্য বেসিন স্থাপন করা হয়েছে। অপর দিকে প্রতিটি ওয়ার্ডে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে জীবাণুনাশক ওষুধ ছিটানো হচ্ছে। করোনায় কর্মহীন গরীব, দুস্থ, অসহায়, কর্মহীন প্রায় দুই লাখ মানুষের মাঝে খাবার প্যাকেট বিতরণ করা হয়েছে। চলতি শীত মৌসুমে পৌর এলাকায় ১৮ হাজার কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক কাজী জাকেরুল মওলা, প্যানেল মেয়র তানভীর ফেরদৌস নোমান, পৌরসভার সচিব শাহনেওয়াজ পারভীন, নির্বাহী প্রকৌশলী শিব্বির আহমেদ আজমী প্রমুখ।
একতার কণ্ঠঃ ‘উদ্দীপ্ত ৯’ স্লোগান নিয়ে সাম্প্রতিক দেশকাল পত্রিকার নবম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধায় টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে কেক কাটা, সংক্ষিপ্ত আলোচনা, আনন্দ-আড্ডায় ঘরোয়া পরিসরে উদযাপিত হয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী।
টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদের সভাপতিত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কাজী জাকেরুল মওলা, নিউ এইজ পত্রিকার টাঙ্গাইল প্রতিনিধি হাবিব খান, এটিএন বাংলা ও বাংলাদেশ প্রতিদিনের টাঙ্গাইল প্রতিনিধি নাসির উদ্দিন, সিনিয়র সাংবাদিক মাসুম ফেরদৌস প্রমুখ।
এছাড়াও ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের প্রতিনিধি মামুনুর রহমান, জাগো নিউজের প্রতিনিধি আরিফ উর রহমান টগর, বাংলাদেশ পোস্ট প্রতিনিধি তানজিনুল হক খান রুমন,আজকের নতুন খবর এর স্টাফ রিপোর্টার আফজাল হোসেন, সাপ্তাহিক কালের স্বর পত্রিকার শামছুজ্জামান জামান, সাংবাদিক আশিকুর রহমান পলাশ, সংবাদ প্রতিদিনের প্রতিনিধি তোফায়েল আহমেদ রনি, বাংলা ট্রিবিউনের প্রতিনিধি এনায়েত করিম বিজয়, ঢাকা ট্রিবিউনের প্রতিনিধি আব্দুল্লাহ আল নোমান,রাইজিং বিডির প্রতিনিধি আবু কাওসার আহমেদ কলকাতা টিভির প্রতিনিধি মনিরুজ্জামান মনির, সাংবাদিক আসিফ খানসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাম্প্রতিক দেশকালের টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি নওশাদ রানা সানভী।
একতার কণ্ঠঃ বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক উপদেষ্টা সদস্য, সংবিধান প্রণেতা কমিটির সদস্য, টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও সম্পাদক, মির্জা তোফাজ্জল হোসেন মুকুলকে ভাষা আন্দোলনে বিশেষ অবদান রাখায় এ বছর (২০২২) মরণোত্তর একুশে পদকের জন্য মনোনিত করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের উপ-সচিব বাবুল মিয়া স্বাক্ষরিত অনুষ্ঠান শাখার সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ওই তথ্য জানানো হয়।
জানা যায়, মির্জা তোফাজ্জল হোসেন মুকুল ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একজন প্রাক্তন রাজনীতিবিদ ও টাঙ্গাইল-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য। তিনি ৬ দফা আন্দোলন, ভাষা আন্দোলন ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণসহ তৎকালীন সকল রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। বিগত ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে তিনি পূর্ব পাকিস্তানের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি প্রবাসী মুজিবনগর সরকারের সংগঠক ছিলেন। তিনি ১৯৭২ সালে সংবিধান প্রণেতা কমিটির সদস্য ছিলেন। ১৯৭৩ সালে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসাবে টাঙ্গাইল-৫ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। মির্জা তোফাজ্জল হোসেন মুকুল জাতীয় সংসদ সদস্য হিসেবে ১৯৭৩ সাল থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও টাঙ্গাইল জেলা আইনজীবী সমিতির টাঙ্গাইল জেলা শাখার সাবেক সভাপতি ছিলেন। মির্জা তোফাজ্জল হোসেন মুকুল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ছিলেন।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মির্জা তোফাজ্জল হোসেন মুকুল (৮৭) বছর বয়সে ২০১৬ সালের (৫ এপ্রিল) সোমবার রাত পৌনে ১০টায় ঢাকা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ইন্তেকাল করেন। তার পরিবারে ৩ ছেলে, ২ মেয়ে রয়েছে। মৃত্যুর পর তার প্রথম জানাজা জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় এবং পরে তার দ্বিতীয় জানাজা নিজ গ্রাম টাঙ্গাইলের দিঘুলিয়াতে অনুষ্ঠিত হয়। প্রবীণ এই রাজনীতিকের কোমরের হাড় ভেঙ্গে যাওয়ায় মৃত্যুর দুই মাস আগে বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসার জন্য ভর্তি হন। এ সময় তিনি হৃদরোগ ও শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন।
বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর মির্জা তোফাজ্জল হোসেন মুকুল দীর্ঘ ৪০ বছর টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পরে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। তৎকালীন পাকিস্তানে ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে তিনি পূর্ব পাকিস্তানের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। আইনজীবী হিসেবে টাঙ্গাইল বারের সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছেন। ফরিদপুর-১ আসনের দুই বারের সাবেক এমপি ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বর্তমান কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান তার বড় জামাতা।
এ ছাড়া এ বছর আরো পুরস্কার পেয়েছেন ভাষা আন্দোলনে মোস্তফা এম এ মতিন (মরণোত্তর), মহান মুক্তিযুদ্ধে অবদান রাখার জন্য চারজন—বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্জ অধ্যক্ষ মো. মতিউর রহমান, সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলী (মরনোত্তর), কিউ.এ. বি. এম রহমান, আমজাদ আলী খন্দকার, শিল্পকলা’য় জিনাত বরকতউল্লাহ (নৃত্য), নজরুল ইসলাম বাবু (মরণোত্তর) (সংগীত), ইকবাল আহমেদ (সংগীত), মাহমুদুর রহমান বেণু (সংগীত), খালেদ মাহমুদ খান (খালেদ খান) (মরণোত্তর) (অভিনয়), আফজাল হোসেন (অভিনয়), মাসুম আজিজ (অভিনয়)। সাংবাদিকতায় এম এ মালেক, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে মো. আনোয়ার হোসেন, শিক্ষায় অধ্যাপক ড. গৌতম বুদ্ধ দাশগুপ্ত, সমাজ সেবায় এস. এম আব্রাহাম লিংকন ও সংঘরাজ জ্ঞানশ্রী মহাথের, ভাষা ও সাহিত্যে কবি কামাল চৌধুরী ও ঝর্ণা পুরকায়স্থ, গবেষণায় ড. মো. আব্দুস সাত্তার মণ্ডল, ড. মো. এনামুল হক (দলগত, দলনেতা), ড. সাহাজ সুলতানা (দলগত), ড. জান্নাতুল ফেরদৌস (দলগত)।
নীতিমালা অনুযায়ী, নির্বাচিত প্রত্যেককে এককালীন নগদ চার লাখ টাকাসহ ৩৫ গ্রাম ওজনের একটি স্বর্ণপদক, রেপ্লিকা ও একটি সম্মাননাপত্র দেয়া হয়। ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে চালু করা একুশে পদক সরকার প্রতিবছর বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে দিয়ে থাকে।
বাংলাদেশের বিশিষ্ট সাহিত্যিক, শিল্পী, শিক্ষাবিদ, ভাষাসৈনিক, ভাষাবিদ, গবেষক, সাংবাদিক, অর্থনীতিবিদ, দারিদ্র্যবিমোচনে অবদানকারী, সামাজিক ব্যক্তিত্ব ও প্রতিষ্ঠানকে জাতীয় পর্যায়ে অনন্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ১৯৭৬ সাল থেকে একুশে পদক দেওয়া হচ্ছে।