একতার কণ্ঠঃ বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ) টাঙ্গাইল সার্কেলের আয়োজনে পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। টাঙ্গাইল শিশু একাডেমি মিলনায়তনে সোমবার (২৮ মার্চ) দিন ব্যাপী ওই প্রশিক্ষন অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার এর প্রতিনিধি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সহকারী পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল ইমরান।
আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে কালচার অফিসার রেদওয়ানা’র হত্যাকারীর ফাঁসি দাবী
বিআরটিএ টাঙ্গাইল সার্কেলের সহকারী পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মো. আলতাব হোসেন এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শরিফুল ইসলাম ও সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. আহসান হাবিব চৌধুরি (বিপিএম)।
প্রশিক্ষনে প্রথম পর্বে পরিবেশ সংরক্ষণ, শব্দদূষণ, যানবাহনের ধূমপান সংশ্লিষ্ট বিধি নিষেধ সম্পর্কে আলোচনা ওপরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা, স্বাস্থ্য ঝুঁকি ও প্রাথমিক চিকিৎসা বিষয়ে আলোচনা করেন সিভিল সার্জন এর প্রতিনিধি ডাঃ শিমু দেবনাথ।
এর পর, ট্রাফিক সাইন সিগন্যাল ও রোড মার্কিং সম্পর্কে ধারণা প্রদান ও গাড়ি চালানোর নিয়মাবলী নিয়ে আলোচনা করেন বিআরটিএ টাঙ্গাইলের মোটরযান পরিদর্শক বশির উদ্দিন আহমেদ ও নাফিজা টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টারের পরিচালক নাদিম আহমেদ।
অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন লৌহজং ট্রেনিং স্কুলের পরিচালক মাসুদুল হক। এরপর অতিথিদের ফুল ও ক্রেস্ট দিয়ে বরণ করে নেয়া হয়।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী মো. রাশেদ খান মেনন (রাসেল)।
প্রশিক্ষন কর্মশালায় বাস, ট্রাক, মাইক্রোবাস’সহ বিভিন্ন যানবাহনের ১৬১ জন পেশাদর চালক অংশ নেয়। চালকদের ট্রাফিক আইন, দুর্ঘটনার পর প্রাথমিক চিকিৎসা, সচেতনতা, দায়িত্ব কর্তব্য ও দক্ষতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। সেইসাথে নিরাপদ সড়কের গুরুত্ব সড়ক দুর্ঘটনার কারণ ও প্রতিকার নিয়ে আলোচনা করা হয়।
এছাড়াও ড্রাইভিং লাইসেন্স ইস্যু ও নবায়ন এবং গাড়ির ফিটনেস নবায়ন সম্পর্কে আলোচনা করা হয়। প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারী পেশাদার গাড়িচালকদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে জমকালো আয়োজনের মধ্যেদিয়ে দৈনিক আমাদের সময় পত্রিকার ১৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে। সোমবার (২৮ মার্চ) সকালে এ উপলক্ষে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু অডিটরিয়ামে কেক কাটা ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি।
আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে কালচার অফিসার রেদওয়ানা’র হত্যাকারীর ফাঁসি দাবী
টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট জাফর আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, কেন্দ্রীয় আওয়ামী যুবলীগের সিনিয়ার প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট মামুনুর রশিদ মামুন, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন সংযোগ কর্মকর্তা শামসুল আলম শিবলী, জেলা তথ্য অফিসার তাহলিমা জান্নাত, প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি ছাত্তার উকিল, র্যাব-১২-এর পুলিশ পরিদর্শক মো. সবুজ মিয়া, প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক সোলায়মান হাসান, প্রথম আলোর প্রতিনিধি কামনাশীষ শেখর,এনটিভির প্রতিনিধি মহব্বত হোসেন, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের দফতর ও পাঠাগার সম্পাদক অরণ্য ইমতিয়াজ, ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের প্রতিনিধি মামুনুর রহমান, যমুনা টিভির প্রতিনিধি শামীম আল মামুন, দৈনিক আমাদের সময়ের সখীপুর প্রতিনিধি ফজলুল হক বাপ্পা, ভূঞাপুর প্রতিনিধি কিসলু, নাগরপুর প্রতিনিধি রাম কৃষ্ণ সাহা প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন আমাদের সময়ের টাঙ্গাইল প্রতিনিধি মো. আবু জুবায়ের উজ্জল।
বক্তারা বলেন, দৈনিক আমাদের সময় পত্রিকাটি জন্মলগ্ন থেকেই বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করে আসছে। পাঠকদের মনও জয় করেছে। আমরা চাই পত্রিকাটি তার ধারাবাহিকতা বজায় রাখুক।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলায় গতবারের তুলনায় এবছর ডায়রিয়ার প্রকোপ বৃদ্ধি পেয়েছে। রোগী সংখ্যা বেশি হওয়ায় সিট পূর্ণ হয়ে অনেকে হাসপাতালের মেঝেতে চিকিৎসা নিচ্ছেন। শিশু ও মহিলা রোগীর সংখ্যাই বেশি। অবশ্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে রোগীর সংখ্যা ধীরে ধীরে কমছে।
২৫০ শয্যা বিশিষ্ট টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ডে সরেজমিনে দেখা যায় সিট পূর্ণ হয়ে ভর্তি রোগীরা মেঝেতে শুয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। দূরদুরান্ত থেকে আসা মহিলা ও শিশু রোগীই বেশি।তবে এখন পর্যন্ত কোন রোগী মৃত্যুবরণ করেনি।
আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে কালচার অফিসার রেদওয়ানা’র হত্যাকারীর ফাঁসি দাবী
ডায়রিয়া ওয়ার্ডে দায়িত্বরত সিনিয়র নার্স সালমা ইয়াসমিন বলেন, অন্য বছর এ সময়ে হাসপাতালে ডায়রিয়ার রোগী কম ছিল। কিন্তু এবার অনেক বেশি। রোগীদের মধ্যে শিশুই বেশি। এখানে একদিনে সবোর্চ্চ ৮২ জন ডায়রিয়া রোগী ভর্তি হয়েছিলেন। চলতি মাসের ২৩ মার্চ ৫২ জন, ২৪ মার্চ ৫০ জন এবং ২৫ মার্চ ৪৩ জন রোগী ভর্তি হয়।
কালিহাতী উপজেলার সল্লা থেকে আসা জুলিয়া বেগম বলেন, আমার ছোট্র ছেলে জুনায়েদকে নিয়ে হাসপাতালে ৫ দিন যাবত ভর্তি আছি। আগের থেকে ওর অবস্থা অনেক ভাল। বাসাইল থেকে আসা শাহনাজ বেগমের শিশু কন্যা হাবিবা ডায়রিয়া আক্রান্ত হয়ে ২ দিন ধরে চিকিৎসাধীন আছে।
কয়েকজন রোগী ও রোগীর স্বজন ডায়রিয়া ওয়ার্ডের পরিচ্ছন্নতা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তারা জানান, এখানকার পরিবেশ তেমনটা ভাল নয়। আরো পরিষ্কার থাকা দরকার।
টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের সহাকরি পরিচালক ও তত্ত্বাবধায়ক ডা: খন্দকার সাদিকুর রহমান জানান, গত সপ্তাহের তুলনায় হাসপাতালে ডায়রিয়া রোগী কমে আসছে। কোন মৃত্যু নেই। তবে গত বছরের তুলনায় এবার রোগী সংখ্যা বেশি। আমরা সাধ্যমতো চিকিৎসা দেওয়ার চেষ্টা করছি।
তিনি আরো বলেন, আশাকরি সবাই সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরবেন।
একতার কণ্ঠঃ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য এডভোকেট খন্দকার আহসান হাবীব শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। তিনি শনিবার (২৬ মার্চ) সকালে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী সাথে নিয়ে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানান।
আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় সেনাবাহিনীর সার্জেন্ট নিহত
এসময় তার সাথে অংশগ্রহণ করেন আইনজীবী ফোরামের নেতা এডভোকেট রাকিবুল ইসলাম, এডভোকেট শাহীন মিয়া, এডভোকেট জহুরুল ইসলাম, এডভোকেট ইকবাল হোসেন, এডভোকেট জাহাঙ্গীর হোসেন, বিএনপি নেতা শাহ আলম মিয়া, বাবুল খান, খন্দকার শাহ ফরিদ, আসাদুজ্জামান আদম, বায়োজিদ হোসেন, সফিকুর রহমান, লালু মিয়া, মুক্তা খান, খন্দকার আবু নাছের স্বপন, রুবেল মিয়া, বিপ্লব খান ও হীরন খানসহ কয়েক শতাধিক নেতাকর্মী।
তিনি নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, জাতীয়তাবাদে উদ্বুদ্ধ হয়ে আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। দেশ ও জাতির স্বার্থে কোন আপোষ নয়। আমি আপনাদের সাথে ছিলাম, আছি ও থাকবো।
প্রকাশ, টাঙ্গাইল পৌরসভার জনপ্রিয় সাবেক কাউন্সিলর খন্দকার আহসান হাবীব বর্তমানে ঢাকায় আইন পেশায় নিয়োজিত আছেন।
একতার কন্ঠঃ টাঙ্গাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় এক সেনাবাহিনীর সদস্য নিহত হয়েছেন। শনিবার (২৬ মার্চ) গভীর রাতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের সদর উপজেলার পাঁচবিক্রমহাটি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে বাস চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
নিহত আইয়ুব আলী নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার ব্রাহ্মণপাড়া এলাকার শামসুল ইসলামের ছেলে। তিনি সেনাবাহিনীর সার্জেন্ট হিসেবে কর্মরত ছিলেন৷
এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশের ইনচার্জ আতাউর রহমান জানান, রাতে মোটরসাইকেলযোগে আইয়ুব আলী ঢাকা থেকে নিজ বাড়িতে নাটোরে যাচ্ছিলেন। পথে তিনি মহাসড়কের পাঁচবিক্রমহাটি এলাকায় পৌঁছলে অজ্ঞাত একটি গাড়ি (বাস কিংবা ট্রাক হবে) চাপা দিয়ে চলে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে পুলিশ খবর পেয়ে নিহতের লাশ উদ্ধার করে। নিহতের লাশ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরো জানান, আইয়ুব আলী যাত্রাবাড়িতে পোস্ট কলা ব্রিজের দায়িত্বে ছিলেন। তিনি প্রায় দুই মাসের ছুটিতে রয়েছেন বলেও জানান তিনি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বঙ্গবন্ধু টেক্সটাইল কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সাব্বির হোসেনের ওপর হামলার ঘটনায় মিনহাজ উদ্দিন (৫০) নামের এক পোস্টমাস্টারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শনিবার (২৬ মার্চ) দুপুরে মামলার আইও টাঙ্গাইল সদর থানার এসআই মোরাদুজ্জামান এ তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন। এরআগে শুক্রবার (২৫ মার্চ) তাকে গ্রেফতার করা হয়।
আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে স্কুলছাত্র রাহাত হত্যার রহস্য উদঘাটন
গ্রেপ্তারকৃত মিনহাজ উদ্দিন টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া এলাকার হাবিবুর রহমানের ছেলে। তিনি বাসাইল উপজেলা পোস্টমাস্টার হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। এরআগে একই মামলায় গত ২৩ মার্চ করটিয়া বেপারীপাড়া এলাকার দুলাল মিয়ার ছেলে মিরাজ (২০) কে গ্রেফতার করে পুলিশ। বর্তমানে দুইজনেই কারাগারে রয়েছে।
আহত ছাত্রলীগ নেতা সাব্বির হোসেন টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ঢেলিকরটিয়া গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের ছেলে।
মামলা ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বঙ্গবন্ধু টেক্সটাইল কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সাব্বির হোসেন একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি করেন। গত ১৫ মার্চ প্রতিদিনের ন্যায় সকালে সাব্বির হোসেন অফিসে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়ে ঢেলিকরটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কাছে পৌঁছালে এলাকার একদল দুর্বৃত্ত দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সাব্বিরের ওপর এলোপাথাড়িভাবে আঘাত করে। এসময় তার মাথায়, হাত এবং পায়ে দেশীয় অস্ত্রের কোপের আঘাতে গুরুতর আহত হয়। তিনি রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তার ওপর পড়ে যায়। সাব্বিরের ডাক-চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে ওই দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। পরে সাব্বিরকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এ ঘটনায় ছাত্রলীগ নেতা সাব্বির হোসেনের মা সাফিয়া বেগম বাদি হয়ে ২১ মার্চ ১৩ জনকে আসামী করে টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা দায়ের করেন।
এদিকে, এ হামলার ঘটনার প্রতিবাদ ও অপরাধীদের গ্রেফতারের দাবিতে গত মঙ্গলবার (২২ মার্চ) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচির পালন করা হয়।
সাব্বির হোসেনের মা সাফিয়া বেগম বলেন, ‘আমার ছেলের ওপর বর্বরোচিত হামলার উপযুক্ত বিচার চাই। আমার ছেলেটি বিছানায় মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে।’
টাঙ্গাইল সদর থানার এসআই মোরাদুজ্জামান বলেন, ‘এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ হামলা হয়েছে। আহত সাব্বিরের মা বাদী হয়ে ১৩ জনকে আসামী করে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। এঘটনায় দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
টাঙ্গাইলের ডেপুটি পোস্টমাস্টার (জেনারেল) মোহাম্মদ ওমর ফারুক জানান ‘বাসাইল উপজেলা পোস্টমাস্টারকে গ্রেফতারের বিষয়টি শুনেছি। যদি কোনও কর্মচারি মামলাতেই পুলিশ কর্তৃক গ্রেফতার হয়, তাহলে সরকারি আইনে তাকে সাসপেন্ড করা হয়। অফিস খুললে তথ্য সংগ্রহ করে তাকে সাসপেন্ড করা হবে।’
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় শনিবার(২৬ মার্চ) মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন করা হয়েছে।
আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে স্কুলছাত্র রাহাত হত্যার রহস্য উদঘাটন
কর্মসূচির মধ্যে ছিল- প্রত্যুষে ৩১বার তোপধ্বনি, জাতীয় পতাকা উত্তোলন, জেলা সদরের শহীদ মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভ ও শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে পুস্পস্তবক অর্পন, আলোকসজ্জা, কুচকাওয়াজ, খেলাধূলা, আলোচনা সভা, বীরমুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা, বিশেষ মোনাজাত ও প্রার্থণা, বিভিন্ন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ইত্যাদি।
শনিবার দুপুরে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে টাঙ্গাইল শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন, জেলা প্রশাসক ডক্টর মো. আতাউল গনি।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন- জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি একুশে পদকপ্রাপ্ত বীরমুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান খান ফারুক। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. ছানোয়ার হোসেন, পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদকায়সার,পৌর মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান আনছারী, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার মো. ফজলুল হক বীরপ্রতীক, সাবেক কমান্ডার খন্দকার জহুরুল হক ডিপটি, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট জাফর আহমেদ প্রমুখ।
একতার কণ্ঠঃ ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে চাকা ফেটে উল্টে গেছে উত্তরবঙ্গগামী সয়াবিন তেলবাহী ট্রাক। বৃহস্পতিবার (২৪ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা টাঙ্গাইল বঙ্গবন্ধু মহাসড়কের আশেকপুর বাইপাস এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে। তবে দূর্ঘটনায় কোনো হতাহত না হলেও ট্রাকে থাকা সয়াবিন তেল মহাসড়কে পরে যান চলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে।
ট্রাক চালক আতোয়ার বলেন, চট্টগ্রাম থেকে নওগাঁ যাওয়ার পথে টাঙ্গাইল বঙ্গবন্ধু সেতুু মহাসড়কের আশেকপুর বাইপাস এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ ট্রাকের সামনের চাকা ফেটে যায়। এ সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রাকটি মহাসড়কের আইল্যান্ডের উপর উঠে গিয়ে উল্টে যায়। ট্রাকে সাড়ে ১১টন সয়াবিন তেল ছিল বলেও জানান তিনি।
এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) বিল্লাল হোসেন জানান, দূর্ঘটনা কবলিত ট্রাকটিকে দ্রুত সড়িয়ে নেয়ার ব্যবস্থা হচ্ছে। যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে মহাসড়কের যে টুকু অংশে তেল ছড়িয়ে পরেছে সেখানে দ্রুতই বালু দেয়া হবে। এছাড়া, মহাসড়ক যানজটমুক্ত রাখতে ঢাকা থেকে উত্তরবঙ্গগামী সকল পরিবহনকে আপাতত থ্রি হুইলারের যাতায়াতে ব্যবহৃত আন্ডারপাস ব্যবহারের সুযোগ দেয়া হয়েছে। দূর্ঘটনার কারণে মহাসড়কের কোনো যানজটের সৃষ্টি হয়নি বলেও জানান তিনি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ১২টি উপজেলায় ১ লাখ ৬৮ হাজার ৭১১টি নিম্ন আয়ের পরিবারকে প্রথম দফায় ভর্তুকিতে কম মূল্যে সরকারি সংস্থা ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) এর মাধ্যমে পণ্য বিতরণ শুরু হয়েছে।
আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে গৃহবধূকে হত্যার পর লাশ ঝুলিয়ে রাখার অভিযোগ
রবিবার (২০ মার্চ) সকালে টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় করটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সামনে টিসিবি’র পণ্য বিক্রি কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন, টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের এমপি মো. ছানোয়ার হোসেন।এ সময় সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ শাহজাহান আনছারী, উপজেলা নির্বাহী অফিসার রানুয়ারা খাতুন, ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা খালেকুজ্জামান চৌধুরী মজনু উপস্থিত ছিলেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জেলার ১ লাখ ৬৮ হাজার ৭১১টি নিম্ন আয়ের পরিবার ৩ লাখ ৩৭ হাজার ৪২২ লিটার তেল, ৩ লাখ ৩৭ হাজার ৪২২ কেজি চিনি এবং ৩ লাখ ৩৭ হাজার ৪২২ কেজি মশুর ডাল পাবেন।
প্রথম দফায় একজন ক্রেতা ৫৫ টাকা কেজি দরে সর্বোচ্চ ২ কেজি চিনি, ৬৫ টাকা কেজি দরে ২ কেজি মসুর ডাল, ১১০ টাকা দরে ২ লিটার ভোজ্যতেল তেল পাচ্ছেন। ৩ টি আইটেম ৪৬০ টাকা দিয়ে কিনতে পারবেন। তারমধ্যে ৪৩০ টাকা ডিলার সরকারের কাছে জমা দিবে। আর ৩০টাকা ডিলারের লাভ থাকবে।
এসব পণ্য সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত ১২টি উপজেলায় ফ্যামেলি কার্ডের ভিত্তিতে ভ্রাম্যমাণ ট্রাকের মাধ্যমে নির্দিষ্টস্থানে টিসিবি’র পণ্য বিক্রি করা হচ্ছে। স্বল্পমূল্যে রোজার আগে তেল, চিনি ও ডাল কিনতে পেরে নিম্ন-আয়ের লোকজনও খুশি।
এদিকে, জেলায় ১২টি উপজেলায় টিসিবি’র পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী অফিসার অথোরাইজড অফিসার হিসেবে কাজ করছেন। এ লক্ষে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সমন্বয়ে মনিরটিং টিম গঠন করা হয়েছে।
এছাড়া প্রতিটি উপজেলায় ট্যাগ অফিসার মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। তারা প্রতিটি ডিলারের পণ্য বিক্রি কার্যক্রম পরিদর্শন ও মনিটরিং করছেন।
একতার কণ্ঠঃ কৃষিমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক এমপি বলেছেন, আগামী দুই বছর পর নির্বাচন। এ নির্বাচনকে সামনে রেখে সরকার বিরোধী দল নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। তারা নানা ধরনের মিথ্যাচার করছে।এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবেলা করার জন্য আমাদেরকে রাজনৈতিকভাবে প্রস্তুত হতে হবে।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, করোনা মহামারির কারনে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম কিছুটা বেড়েছে। কিন্তু এ নিয়ে দেশে এমন কোন কিছু তৈরি হয়নি যে এটা নিয়ে দেশে হাহাকার, দেশে একটি হৈ-চৈ সৃষ্টি হয়েছে এমন কিছু নয়। বিএনপির পায়ের নিচে মাটি নেই। তারা যদি মনে করে দ্রব্যমূল্যের সামান্য কিছু উর্ধ্বগতির জন্য দেশের একটা অরাজকতা সৃষ্টি করবে, রাজনৈতিকভাবে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করবে। তাহলে তারা সেই পরিস্থিতি তৈরি করতে পারবে না। এই সরকার অত্যন্ত সচেতন। জননেত্রী শেখ হাসিনা মানুষের দুঃখ-কষ্টে সব সময় মানুষের পাশে ছিল। সরকার টিসিবির মাধ্যমে দেশের এক কোটি মানুষকে স্বল্পমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য দিচ্ছে। এই ধারা অব্যাহত থাকবে।
তিনি আরো বলেন, দেশে কোন হাহাকার হবে না, তারা কোন অরাজকতা সৃষ্টি করতে পারবে না।প্রয়োজনে আরো খাদ্য ও অনান্য সাহায্য নিয়ে আমরা সাধারন মানুষের পাশে দাড়াঁবো।
মন্ত্রী বলেন, এই নির্বাচন কমিশন একটি নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠ নির্বাচন করবে। আওয়ামী লীগের দায়িত্ব নির্বাচনকে সহযোগিতা করা। যারা দেশ নিয়ে ষড়যন্ত্র করতে চায়, দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃস্টি করতে চায় তাদের আমরা রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলা করবো।
তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, আমাদের প্রিন্ট ও ইলেক্টনিক মিডিয়া তারা যেভাবে কাজ করছে তাদের এই স্বাধীনতা অব্যাহত থাকবে। তারা স্বাধীনভাবে তাদের মতামত দিতে পারবে। সুশীল সমাজ তাদের স্বাধীনভাবে মতামত দিতে পারবে।রোববার(২০ মার্চ) দুপুরে টাঙ্গাইল শহরের শহীদ স্মৃতি পৌরউদ্যানে বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগ টাঙ্গাইল জেলা শাখার ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে সাবেক সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি ও সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক মিসেস মনোয়ারা বেগমের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন একুশে পদক প্রাপ্ত টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান খান ফারুক।
অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন, বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদা বেগম। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম, ছানোয়ার হোসেন, তানভীর হাসান ছোট মনির এমপি সহ জেলার অনান্য নেতাকর্মীরা।
একতার কণ্ঠঃ মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী, স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর ১০২ তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়। বৃহস্পতিবার (১৭ মার্চ) সূর্যোদয়ের সাথে সাথে প্রশাসনিক ভবনের সামনে জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ ফরহাদ হোসেন।
এসময় প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ আর এম সোলাইমান, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ সিরাজুল ইসলাম ও রেজিস্ট্রার ড. মোহা. তৌহিদুল ইসলাম সাথে ছিলেন।
এরপর একটি র্যালী ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ ফরহাদ হোসেনের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে। পরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল, শেখ রাসেল হল, কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার, শিক্ষার্থী কল্যাণ ও পরামর্শদান কেন্দ্র,শিক্ষক সমিতি, অফিসার্স এ্যাসোসিয়েশন নেতৃবৃন্দ, ৩য় শ্রেণী কর্মচারী সমিতি ও ৪র্থ শ্রেণী কর্মচারী সমিতি,বঙ্গবন্ধু পরিষদ,বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক পরিষদ, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ ও মাভাবিপ্রবি ফটোগ্রাফিক সোসাইটির পক্ষ থেকেও পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।
পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সকাল ৭ টা ৩০ মিনিটে আলোকচিত্র প্রদর্শন ও সকাল ৮ টায় কেক কাটা হয়। বাদ যোহর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে দোয়া ও মিলাদের আয়োজন করা হয়।

সকল কর্মসূচিতে বিভিন্ন অনুষদের ডিন, চেয়ারম্যান, হল প্রভোস্ট, প্রক্টর, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে ব্যতিক্রমী শিশুমেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৭ মার্চ) সকালে শহরের হাতেখড়ি প্রি-প্রাইমারী স্কুল কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
জানা যায়, শহরের হাতেখড়ি প্রি-প্রাইমারী স্কুল প্রাঙ্গণে আয়োজিত মেলায় শিশুরাই ক্রেতা ও বিক্রেতার ভূমিকায় ছিল। এই মেলায় একাধিক স্টলে শিশুরা বিভিন্ন খাবার ও খেলনা সামগ্রী নিয়ে বসে। তবে এই খাবার সামগ্রীগুলো বিনামূল্যে অন্যান্য শিশুরা সংগ্রহ করে। মেলা উপলক্ষে শিশুরা মেতে ওঠে আনন্দে-উল্লাসে। দীর্ঘদিন পর বিদ্যালয় খোলার শুরুতেই এমন আয়োজন দেখে শিশু-শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি মুগ্ধ অভিভাবকগণ।
এদিকে, মেলায় জিলাপি, আকরি, চিনি সাঁজ, কদমা, চিতই পিঠা, তেলের পিঠা, কুলি পিঠা, খাজা, পোড়াবাড়ির চমচম, মাটির খেলনা, হাড়ি-পাতিলসহ নানান কিছুর পসরা সাজিয়ে আনন্দে দোকান করে তারা। মেলায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজনও করা হয়। তবে অনুষ্ঠানে ছিলো না কোনও বড় অতিথি অথবা শিল্পী। এদিন সব দাঁয়িত্ব ও অতিথির আসনেও বসেছিল এই শিশুরাই।
অভিভাবক সামিমা সিথি বলেন, ‘বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের এমন আয়োজনকে আমরা সাধুবাদ জানাই। দীর্ঘদিন পর বিদ্যালয় খুলেছে। শিক্ষার্থীদের মনটাও ভালো ছিল না। তারা গম্ভিরভাবে দীর্ঘদিন বাসায় আটকা ছিল। সম্প্রতি বিদ্যালয় খুলেছে। বিদ্যালয় খুলেই এমন আয়োজন দেখে শিশুরা অনেক খুশি হয়েছে। যান্ত্রিক এবং প্রতিযোগিতার বাজারে বেড়ে ওঠা শিশুদের মানসিক বিকাশে এমন আয়োজন আরও হওয়া উচিত।’

অভিভাবক সুমাইয়া পারভীন শিলা বলেন, ‘সত্যিই এটা একটা ব্যতিক্রমী আয়োজন। আর শিশুরাই আমাদের ভবিষ্যৎ। এদিন শিশুরা অনেক আনন্দে কাটিয়েছে। শিশুমেলায় উৎসবমূখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। আনন্দ-উল্লাসে মেতে ওঠে শিশুরা।’
হাতেখড়ি প্রি-প্রাইমারী স্কুলের চেয়ারম্যান সাংবাদিক নওশাদ রানা সানভী বলেন, ‘আমরা বরাবরই বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠান আয়োজন করে থাকি। এবার একটু ব্যতিক্রমী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। করোনাকালে বিদ্যালয় বন্ধ থাকায় শিশুরা তাদের বাসায় দীর্ঘদিন আটকে ছিল।
তিনি আরো বলেন, অন্যান্য শিক্ষার্থীদের সাথে মেশার সুযোগ ছিল না। এজন্য আমরা শিশুদের মাঝে তার সহপাঠীর সঙ্গে আরও বন্ধুত্বপূর্ণ ভালোবাসা সৃষ্টির লক্ষে এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের জন্মদিন ও শিশু দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের জন্য আমরা এই শিশুমেলার আয়োজন করেছি। এই বিশেষ দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে ও শিশুদের মাঝে আনন্দ দিতে এবং গ্রামীণ ঐতিহ্য তুলে ধরতেই আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রয়াস।