একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী পরিবহন বাসে ছাত্রীকে ইভটিজিং ও অশোভন আচরন করায় টাঙ্গাইল পৌর এলাকার আদালত পাড়ার মোঃ আব্দুল কাদের খানের ছেলে মোঃ ইব্রাহিম (২৫) কে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদলত।
টাঙ্গাইল সদরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সেকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. খাইরুল ইসলাম ১৮৬০ সনের ৫০৯ ধারায় ওই আদেশ দেন। এ ছাড়া জামিল হোসেন (১৯) নামে আর এক ১০ শ্রেনীর ছাত্রের কাছ থেকে একই ঘটনায় মুচলেকা নিয়ে তাকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
মঙ্গলবার (৭ ডিসেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে টাঙ্গাইল শহরের বটতলায় এলাকায় ওই ইভটিজিং এর ঘটনাটি ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থীরা জানান, দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২টি বাস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বটতলা স্থানে পৌঁছালে ২ জন বখাটে প্রথম বাসে উঠে। একপর্যায়ে তাদের অসৌজন্যমূলক আচরণে সন্দেহ হলে শিক্ষার্থীরা তাদের নামিয়ে দিলে তারা দ্বিতীয় বাসে উঠে এবং কিছু দূর গিয়ে বাস থেকে নামার সময় গালাগালি করায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জিজ্ঞাসাবাদে জামিল হোসেন (১৯) জানায়, সে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নয়। সে ১০ম শ্রেনীতে পড়ে। এ সময় আরেকজন বখাটে পালিয়ে যায়। শিক্ষার্থীরা জামিলকে আটক করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অফিসে নিয়ে আসে।পরে পলাতক রাশেদুল ইসলাম (২১) কে হাজির করা হয়।
টাঙ্গাইল সদরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যজিস্ট্রেট মো. খাইরুল ইসলাম উপস্থিত থেকে রাশেদুল ইসলাম (২১) কে ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড ও জামিল হোসেন (১৯) কাছে থেকে মুলচেকা নিয়ে রাত ৮টায় পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেন।
এ বিষয়ে মাভাবিপ্রবি প্রক্টর প্রফেসর ড. মীর মো. মোজাম্মেল হক বলেন, বিষয়টি জানার সাথে সাথেই শিক্ষার্থীদের দ্বারা আটককৃত বখাটেকে আমার অফিসে নিয়ে আসতে বলি। এ বিষয়ে পুলিশকে জানালে তারা এসে জিজ্জাসাবাদে সে পলাতক বখাটের পরিচয় জানায় এবং বলে পলাতক রাশেদুল ইসলামের (২১) পৃষ্ঠপোষকতায় সে ওই কাজ করেছে। এরপর রাশেদুল এবং উভয়ের অভিভাবককে অভিযুক্তের পরিচয়পত্রসহ হাজির করা হয়। পরবর্তীতে ইউএনও কে জানালে, ম্যাজিস্ট্রেট এসে শাস্তি মূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের তিনটি উপজেলার ২১টি ইউনিয়নে আগামী ২৬ ডিসেম্বর চতুর্থ ধাপে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া দেলদুয়ার উপজেলায় মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে অংশ গ্রহণকারী প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার( ৭ ডিসেম্বর) সকাল থেকে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের রিটার্নিং ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তারা চেয়ারম্যান, মেম্বার ও সংরক্ষিত মহিলা মেম্বার প্রার্থীদের মাঝে নির্বাচনী প্রতীক তুলে দেন।
প্রতীক হাতে পাবার পর শুরু হয়েছে নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচার-প্রচারণা। প্রার্থীরা কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে নেমে পরেছেন ভোটের প্রচার-প্রচারনায়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা শ্রমিক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রেজাউল করিম ওরফে রেজা হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত দুই আসামিসহ পাঁচজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। সোমবার( ৬ ডিসেম্বর) দুপুরে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. শামসুল আলম ওই রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে রোববার(৫ ডিসেম্বর) ভোরে ঢাকার মিরপুর ও মোহাম্মদপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওই পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে টাঙ্গাইল জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- মামলার এজাহারভুক্ত আসামি টাঙ্গাইল শহরের আকুরটাকুরপাড়ার আনোয়ার হোসেনের ছেলে রবিন মিয়া ও কোদালিয়া এলাকার আবদুল হামিদের ছেলে পাভেল।
এ ছাড়া ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে সাবালিয়া এলাকার মঞ্জুর হোসেনের ছেলে মাজাহার হোসেন, আকুরটাকুরপাড়ার রকিবের ছেলে রোবায়েদ আল শিবলী ও নাগরপুরের ধলাই গ্রামের মুকুল মিয়ার ছেলে আবদুল খালেককে গ্রেপ্তার করা হয়।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আহসানুজ্জামান জানান, রবিবার রাতে গ্রেপ্তার হওয়া পাঁচজনকে আদালতে হাজির করে সাত দিন করে রিমান্ড চাওয়া হয়েছিল। তবে আদালত প্রত্যেকের চার দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।
এর আগে রেজাউল করিম হত্যার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ফিরোজ হোসেন ও শাকিল খানকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
আহসানুজ্জামান আরো জানান, ফিরোজ ও শাকিলকে আরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিন করে রিমান্ড চাওয়া হয়েছে। ৮ ডিসেম্বর রিমান্ড আবেদনের শুনানির দিন ধার্য করেছেন আদালত।
প্রসঙ্গত ,গত ২১ নভেম্বর রাতে টাঙ্গাইল শহরের নতুন বাস টার্মিনাল এলাকায় সন্ত্রাসী হামলার শিকার হন রেজাউল করিম। এ সময় তাঁর হাত–পা, মেরুদণ্ডসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। পরদিন বিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। পরে ২৬ নভেম্বর রাতে নিহতের ভাই রাশেদুল ইসলাম বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় হত্যা মামলা করেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বাবার ইচ্ছে পূরণ করতে বিয়ে করে হেলিকপ্টারে বউ নিয়ে ফিরেছেন কৃষক ছেলে।এই ব্যতিক্রম বিয়েকে কেন্দ্র করে বিয়ে বাড়িসহ আশপাশের গ্রামজুড়ে ছিল উৎসব মুখর পরিবেশ। ছিল বাদ্যের ঝংকার, হরেক রকম খাবারের আয়োজন।
রোববার (৫ ডিসেম্বর) বিকেলে এমনই এক ব্যতিক্রমী ঘটনা ঘটেছে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার পোড়াবাড়ী ইউনিয়নের প্রত্যন্ত অঞ্চল বাউসাইদ গ্রামে। কৃষক মহির উদ্দিনের এক মাত্র ছেলে রাসেল মিয়া তার নববধূ মিতু আক্তারকে নিয়ে হেলিকপ্টারে চড়ে বাড়িতে নিয়ে আসেন। তবে বিষয়টি প্রতিবেশি ও আত্মীয় স্বজনরা শোনার পর বিশ্বাস না করলেও বাস্তবে দেখে সবাই হতবাক।
জানা যায়, বাউসাইদ গ্রামের কৃষক মহির উদ্দিনের এক মাত্র ছেলে রাসেল মিয়ার সাথে ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার বাটাজোর গ্রামের মুন্নু খার মেয়ে মিতু আক্তারের সাথে আড়াই মাস আগে কাবিন হয়। রাসেল মিয়াও কৃষি কাজ করেন।
বরযাত্রীরা দুটি প্রাইভেটকার ও বাসে চড়ে কনে বাড়ি গেলেও বর যায় হেলিকপ্টারে চড়ে। প্রত্যন্ত গ্রামে হেলিকপ্টার আসাকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই ছিল উৎসব মুখর পরিবেশ। এই আয়োজনে কোনো কমতি রাখেনি বাবা। যা প্রশংসা কুড়িয়েছে আগত সকলের। ব্যতিক্রমধর্মী এই আয়োজন সামাল দিতে উপস্থিত ছিলেন পুলিশের একটি টিম।
৮০ বছরের বৃদ্ধ জিন্নত আলী বলেন, আমার বয়সেও এমন বিয়ে দেখিনি যে হেলিকপ্টারে করে বউ আনে।এটা প্রথম দেখলাম। রাসেল এলাকায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
কনে মিতু আক্তার বলেন, আমি কখনও কল্পনাও করিনি আমার স্বামীর পরিবার আমাকে হেলিকপ্টারে করে নিয়ে আসবে। এতে আমি খুব খুশি।
বর রাসেল মিয়া বলেন, বাবার ইচ্ছা পূরণ করতেই হেলিকপ্টারটি ভাড়া আনা হয়। টাঙ্গাইল থেকে রওনা দিয়ে ময়মনসিংহের ববাটাজোর থেকে নববধূকে নিয়ে ফিরে এসেছি।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. মুসা দেওয়ান বলেন, হেলিকপ্টারে চড়ে এই বিয়েকে কেন্দ্র করে আমাদের গ্রামে সকাল থেকেই উৎসব মুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। বড় বড় অনুষ্ঠানেও এতো লোকজন আসে না।
নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা টাঙ্গাইল সদর থানার উপ পুলিশ পরিদর্শক মো. মনিরুজ্জামান মুন্সি বলেন, বর পক্ষ নিরাপত্তার জন্য এক সপ্তাহ আগে আবেদন করেছিলো । সেই প্রেক্ষিতে নিরাপত্তা দেয়া হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ দেশের ইলেকট্রনিক্স জায়ান্ট ওয়ালটনের সহযোগিতায় টাঙ্গাইলে নির্মাণ করা হচ্ছে “বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি কেন্দ্র”। এ প্রকল্পে ব্যয় হবে ৬ কোটি টাকার বেশি। এটি বাস্তবায়ন করছে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসন।
স্মৃতি কেন্দ্র নির্মাণের লক্ষ্যে রোববার (৫ ডিসেম্বর) সকালে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কেন্দ্রে সংশ্লিষ্টদের কাছে ১ কোটি টাকার চেক হস্তান্তর করেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. হুমায়ুন কবীর।
চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আমিনুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) শরিফুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আব্দুল করিম, টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এস এম সিরাজুল ইসলাম, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহ-সভাপতি হারুন অর রশিদ এবং কৃষিবিদ রুমানা আক্তার।
প্রসঙ্গত, গত ৮ মার্চ এ স্মৃতি কেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক। এ সময় ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান এস এম নুরুল আলম রেজভী উপস্থিত ছিলেন।আগামী মাসে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি কেন্দ্রের নির্মাণকাজ শুরু হবে বলে জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।
একতার কণ্ঠঃ বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির আহবায়ক অ্যাডভোকেট আহমেদ আজম খান বলেছেন বিএনপি মুক্তিযোদ্ধাদের দল। কারণ বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান রনাঙ্গণের একজন বীর সৈনিক ছিলেন। তিনি স্বাধীনতার ঘোষক এবং বীরউত্তম খেতাবপ্রাপ্তদের তালিকায় প্রথমে তার নাম। বিজয়ের মাসে আমাদের কেন্দ্রীয় এবং জেলা উপজেলায় বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি রবিবার(৫ ডিসেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সাথে জেলা বিএনপির নবগঠিত আহবায়ক কমিটির মতবিনিময় সভায় ওই সব কথা বলেন।
আহমেদ আজম খান আরো বলেন, বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর দাবিতে আমরা অনড়। দেশনত্রী নিশ্চিত মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন। অথচ সরকারের খেয়াল নেই। আমাদের কর্মসূচিতে সরকার অনুমতি দেয় না। আরো বাঁধা সৃষ্টি করে। কারন এ সরকার জনগনের ভোটের সরকার নয়। আমরা ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য জনগনকে সাথে নিয়ে আন্দোলন গড়ে তুলবো।
মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় বিএনপির শিশু বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী ও কেন্দ্রীয় যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু প্রমুখ। মতবিনিময় সভাটি সঞ্চালনা করেন নব গঠিত আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু।
এসময় বিএনপির কেন্দ্রীয় সদস্য ওবায়দুল হক নাছির, জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক হাসানুজ্জামিল শাহীন, যুগ্ম আহবায়ক কাজী শফিকুর রহামান লিটন, আমল ব্যানার্জী, দেওয়ান শফিকুল ইসলাম ও সিনিয়র সদস্য বেনজির আহমেদ টিটুসহ অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মতবিনিময় সভায় টাঙ্গাইল প্রেস ক্লাবের সভাপতি এডভোকেট জাফর আহমেদ, সাধারন সম্পাদক কাজী জাকেরুল মওলা সহ জেলায় কর্মরত ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।
পরে বিকেলে আহ্বায়ক কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় অঙ্গ সহযোগি সংগঠনসহ বিএনপির বিভিন্ন ইউনিটের কমিটি ভেঙে নতুন কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। যতদূত সম্ভব সকল ইউনিটের সম্মেলন শেষে জেলা বিএনপির সম্মেলনের মধ্য দিয়ে নতুন নেতৃত্ব বাছায়ের সিদ্ধান্ত হয।
একতার কণ্ঠঃ কৃষিমন্ত্রী ডক্টর মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, স্বাধীনতা বিরোধী চক্র এখনও তৎপর। তারা বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে দেখতে চায়না। বাংলাদেশকে তারা পাকিস্থানের অঙ্গরাজ্য করতে চায়। বিএনপি একটি নির্বাচিত সরকারকে ক্ষমতাচুত্য করতে চায়।
তিনি আরো বলেন, তাদের সে চেষ্টা কখনও সফল হবে না। কারন, দেশের মানুষ এখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ। দেশের উন্নয়নের উগ্রযাত্রা আরো বহুদুর এগিয়ে যাবে। কেউ এটাকে প্রতিরোধ করতে পারবে না। দেশকে আমরা আর অস্থীতিশীল করতে দেবো না।
শনিবার(৪ ডিসেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে জেলা ছাত্রলীগের সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য মন্ত্রী এই সব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধ বাঙ্গালী জাতীর সবচেয়ে বড় অর্জন। এই অর্জনে মুল ভুমিকা রেখেছে ছাত্রলীগ। সম্মেলনের মাধ্যমে ছাত্রলীগে নতুন নেতৃত্ব সৃষ্টি করা হচ্ছে। এই নতুন নেতৃত্বই আগামী দিনে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।
জেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক মোস্তাফিজুর রহমান সোহেলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক সংসদ সদস্য জোয়াহেরুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম বাবুসহ টাঙ্গাইল জেলার সংসদ সদস্যবৃন্দ, কেন্দ্রীয় যুবলীগের প্রেসিডিয়াম মেম্বার মামুনুর রশীদ মামুন, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়, সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্রাচার্য্য বক্তব্য রাখেন।
সম্মেলনে জেলা ছাত্রলীগের বিভিন্ন ইউনিটের নেতা-কর্মীসহ আওয়ামী লীগ ও অন্যান্য সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বাস ও কাভার্ডভ্যানের সংঘর্ষে কাভার্ডভ্যানের চালক নিহত হয়েছেন। শনিবার (৪ ডিসেম্বর) সকালে সদর উপজেলার ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের নগর জলফৈ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত আরাফাত শেখ (৩২) রংপুরের বদরগঞ্জের পালিপাড়া গ্রামের আকবর আলীর ছেলে।
এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইয়াসির আরাফাত বলেন, ‘ন্যাশনাল ট্রাভেলসের ঢাকাগামী বাসের সাথে ওয়ালটনের কাভার্ডভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। বাসটির সামনের অংশ ধুমচেমুচড়ে যায়। আর কাভার্ডভ্যানটি সড়কে উল্টে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই কাভার্ডভ্যানের চালক মারা যান। এসময় কয়েকজন আহত হয়েছেন।
একতার কণ্ঠঃ সোহানুর রহমান সোহানকে সভাপতি ও ইলিয়াস হাসানকে সাধারণ সম্পাদক করে এক বছরের জন্য টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রলীগের কমিটি গঠন করা হয়েছে। শনিবার (৪ ডিসেম্বর) রাতে টাঙ্গাইল সার্কিট হাউজে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য এই কমিটির ঘোষণা করেন।নব ঘোষিত ছাত্রলীগের কমিটি নিয়ে জেলায় ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীদের মাঝে ক্ষোভের সৃস্টি হয়েছে।
কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের দলীয় প্যাডে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের স্বাক্ষরিত প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী এক বছরের জন্য বাংলাদেশ ছাত্রলীগ টাঙ্গাইল জেলা শাখার আংশিক কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহবায়ক শফিউল আলম মুকুলকে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সদস্য করা হয়।
সোহানুর রহমান সোহান জেলা ছাত্রলীগের বিলুপ্ত আহবায়ক কমিটির সদস্য ও গোপালপুর উপজেলা ছাত্রলীগের বর্তমান যুগ্ম আহবায়ক। তার বাড়ি গোপালপুর পৌরসভার সুন্দর গ্রামে। ইলিয়াস হাসান জেলা ছাত্রলীগের বিলুপ্ত আহবায়ক কমিটির সদস্য ও করটিয়া সাদত কলেজের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক ছিলেন। তার বাড়ি সখিপুর উপজেলার বহেড়াতৈল গ্রামে।
প্রসঙ্গত, নব ঘোষিত ছাত্রলীগের এই কমিটি নিয়ে জেলায় ছাত্রলীগ নেতাদের মাঝে ক্ষোভের সৃস্টি হয়েছে। বিশেষ করে জেলা সদরের কোন ছাত্রলীগ নেতা এই কমিটিতে না থাকায় কমী-সমর্থদের মাঝে ওই ক্ষোভের সৃস্টি হয়। তাদের দাবী দ্রুত এই কমিটি পরিবর্তন করে জেলা শহর থেকে সভাপতি অথবা সাধারন সম্পাদক নির্বাচন করা হোক। দীর্ঘ প্রায় একযুগ পর টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রলীগের সম্মেলনের মাধ্যমে কমিটি গঠন করা হলেও ছাত্রলীগের আন্দোলন সংগ্রমে পরিক্ষীত নেতারা তাদের কাঙ্খিত পদ পায়নি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল ১৩০ টাকায় পুলিশের চাকরি পেলো ৭৫ জন।তাদের মধ্যে ছেলে ৬৪ জন ও মেয়ে ১১ জন। জেলায় পুলিশের ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল পদে আবেদন করেছিলো ৩ হাজার জন। ঘুষ-তদবির ছাড়াই বিভিন্ন ধাপের পরিক্ষায় উত্তীর্ণ হয় ৭৫ জন। এরা ১৩০ টাকার বিনিময়ে চাকরি পেয়েছে।
শুক্রবার(২৬ নভেম্বর) রাতে সকল পরীক্ষা শেষে উত্তীর্ণ দের তালিকা প্রকাশের পর জেলা পুলিশ লাইন্স মাঠে আবেগ ঘন পরিবেশ তৈরি হয়।
পুলিশের চাকরি পাওয়া গোপালপুর উপজেলার নান্দুটিয়ান গ্রামের কৃষক শফি ইসলামের মেয়ে তানিয়া ইসলাম বলেন, আমি ১৩০ টাকায় চাকরি পাবো কখনো কল্পনাও করতে পারিনি।চাকরি পেয়ে আমার পরিবারের অনেক উপকার হয়েছে।এখন আমি পরিবারের পাশে দাড়াতে পারবো বাবাকে আর কষ্ট করতে হবেনা।
ভুয়াপুর উপজেলার মাটিকাটা গ্রামের আব্দুল বাছেদের ছেলে সিরাজুল ইসলাম বলেন, আমার বাবা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। চাকরি পেয়ে অনেক আনন্দিত।
জেলা পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার বলেন, কনস্টেবল নিয়োগ পক্রিয়া স্বচ্ছ রাখতে সব প্রস্ততি নিয়েছি এবং সততার সাথে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পর্ন্ন করেছি। পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগ সম্পূর্ণ স্বচ্ছ করার লক্ষ্যে মাননীয় আইজিপি মহোদয়ের উদ্যোগে সম্পূর্ণ নতুন নিয়মে কনস্টেবল নিয়োগ পরীক্ষাটি সম্পন্ন হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, আমরা টাঙ্গাইল জেলাবাসীকে কথা দিয়েছিলাম একটি স্বচ্ছ ও সুন্দর নিয়োগ উপহার দেওয়ার, আমরা আমাদের কথা রেখেছি। বাংলাদেশ পুলিশের ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে নিয়োগ পরীক্ষা-২০২১ এর টাঙ্গাইল জেলার প্রাথমিক ভাবে যারা নির্বাচিত হয়েছে তারা সম্পূর্ণ মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে নির্বাচিত হয়েছে।
এ সময় নিয়োগ বোর্ডের সদস্য সহ টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের সকল পর্যায়ের পুলিশ সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ শেষ মুহূর্তে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার দু’টি ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পরিবর্তন করা হয়েছে। ইউনিয়ন দু’টি হচ্ছে ঘারিন্দা ও দাইন্যা।
জেলা আওয়ামী লীগ সূত্র জানায়, গত মঙ্গলবার (২৩ নভেম্বর) টাঙ্গাইল সদর উপজেলার আটটি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করে দলের কেন্দ্রীয় মনোনয়ন বোর্ড।
এতে ঘারিন্দা ইউনিয়নে হোসাইন ছাদাব অন্তুকে এবং দাইন্যা ইউনিয়নে সোলায়মান হোসেন মিন্টুকে মনোনয়ন দেওয়া হয়।
দলীয় মনোনয়নের চিঠি পেয়ে তারা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেন। পরে বুধবার (২৪ নভেম্বর) শেষ মুহূর্তে দলের মনোনয়ন বোর্ড এ দুই ইউনিয়নের মনোনয়ন পরিবর্তন করা হয়।
ঘারিন্দা ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান তোফায়েল আহমেদ এবং দাইন্যা ইউনিয়নে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আফজাল হোসেনকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়।
বিকেলেই নতুন মনোনয়ন পাওয়া দু’জন রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে দলীয় মনোনয়নের চিঠি জমা দেন।
একতার কণ্ঠ: টাঙ্গাইলে খাবার হোটেলে দাম বেশি রাখায় এবং অপরিচ্ছন্নভাবে খাবার তৈরি করায় পাঁচ হোটেল মালিককে ১৮ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বৃহস্পতিবার (২৫ নভেম্বর) দুপুরে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রানুয়ারা খাতুনের নেতৃত্বে শহরের নিরালা মোড়, মিষ্টিপট্টি ও নতুন বাস টার্মিনাল এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওই জরিমানা আদায় করা হয়।
টাঙ্গাইল সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রানুয়ারা খাতুন জানান, শহরের হোটেল গুলোতে অপরিচ্ছন্নভাবে খাবার তৈরি ও খাবারের দামের বিষয়ে অভিযোগ আসছিলো। তারই প্রেক্ষিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।এ সময় ভোক্তা সংরক্ষণ অধিকার আইন ২০০৯ ধারা অনুযায়ী শহরের ‘কিছুক্ষণ’ হোটেলকে পাঁচ হাজার, পিয়াসী হোটেলকে দুই হাজার, টিপটপ হোটেলকে পাঁচ হাজার, ফাইলার হোটেল ও সুরুতী হোটেলকে তিন হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।
তিনি আরো বলেন, এধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে।