একতার কণ্ঠঃ ‘উদ্দীপ্ত ৯’ স্লোগান নিয়ে সাম্প্রতিক দেশকাল পত্রিকার নবম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধায় টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে কেক কাটা, সংক্ষিপ্ত আলোচনা, আনন্দ-আড্ডায় ঘরোয়া পরিসরে উদযাপিত হয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী।
টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদের সভাপতিত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কাজী জাকেরুল মওলা, নিউ এইজ পত্রিকার টাঙ্গাইল প্রতিনিধি হাবিব খান, এটিএন বাংলা ও বাংলাদেশ প্রতিদিনের টাঙ্গাইল প্রতিনিধি নাসির উদ্দিন, সিনিয়র সাংবাদিক মাসুম ফেরদৌস প্রমুখ।
এছাড়াও ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের প্রতিনিধি মামুনুর রহমান, জাগো নিউজের প্রতিনিধি আরিফ উর রহমান টগর, বাংলাদেশ পোস্ট প্রতিনিধি তানজিনুল হক খান রুমন,আজকের নতুন খবর এর স্টাফ রিপোর্টার আফজাল হোসেন, সাপ্তাহিক কালের স্বর পত্রিকার শামছুজ্জামান জামান, সাংবাদিক আশিকুর রহমান পলাশ, সংবাদ প্রতিদিনের প্রতিনিধি তোফায়েল আহমেদ রনি, বাংলা ট্রিবিউনের প্রতিনিধি এনায়েত করিম বিজয়, ঢাকা ট্রিবিউনের প্রতিনিধি আব্দুল্লাহ আল নোমান,রাইজিং বিডির প্রতিনিধি আবু কাওসার আহমেদ কলকাতা টিভির প্রতিনিধি মনিরুজ্জামান মনির, সাংবাদিক আসিফ খানসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাম্প্রতিক দেশকালের টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি নওশাদ রানা সানভী।
একতার কণ্ঠঃ বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক উপদেষ্টা সদস্য, সংবিধান প্রণেতা কমিটির সদস্য, টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও সম্পাদক, মির্জা তোফাজ্জল হোসেন মুকুলকে ভাষা আন্দোলনে বিশেষ অবদান রাখায় এ বছর (২০২২) মরণোত্তর একুশে পদকের জন্য মনোনিত করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের উপ-সচিব বাবুল মিয়া স্বাক্ষরিত অনুষ্ঠান শাখার সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ওই তথ্য জানানো হয়।
জানা যায়, মির্জা তোফাজ্জল হোসেন মুকুল ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একজন প্রাক্তন রাজনীতিবিদ ও টাঙ্গাইল-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য। তিনি ৬ দফা আন্দোলন, ভাষা আন্দোলন ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণসহ তৎকালীন সকল রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। বিগত ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে তিনি পূর্ব পাকিস্তানের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি প্রবাসী মুজিবনগর সরকারের সংগঠক ছিলেন। তিনি ১৯৭২ সালে সংবিধান প্রণেতা কমিটির সদস্য ছিলেন। ১৯৭৩ সালে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসাবে টাঙ্গাইল-৫ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। মির্জা তোফাজ্জল হোসেন মুকুল জাতীয় সংসদ সদস্য হিসেবে ১৯৭৩ সাল থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও টাঙ্গাইল জেলা আইনজীবী সমিতির টাঙ্গাইল জেলা শাখার সাবেক সভাপতি ছিলেন। মির্জা তোফাজ্জল হোসেন মুকুল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ছিলেন।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মির্জা তোফাজ্জল হোসেন মুকুল (৮৭) বছর বয়সে ২০১৬ সালের (৫ এপ্রিল) সোমবার রাত পৌনে ১০টায় ঢাকা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ইন্তেকাল করেন। তার পরিবারে ৩ ছেলে, ২ মেয়ে রয়েছে। মৃত্যুর পর তার প্রথম জানাজা জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় এবং পরে তার দ্বিতীয় জানাজা নিজ গ্রাম টাঙ্গাইলের দিঘুলিয়াতে অনুষ্ঠিত হয়। প্রবীণ এই রাজনীতিকের কোমরের হাড় ভেঙ্গে যাওয়ায় মৃত্যুর দুই মাস আগে বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসার জন্য ভর্তি হন। এ সময় তিনি হৃদরোগ ও শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন।
বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর মির্জা তোফাজ্জল হোসেন মুকুল দীর্ঘ ৪০ বছর টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পরে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। তৎকালীন পাকিস্তানে ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে তিনি পূর্ব পাকিস্তানের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। আইনজীবী হিসেবে টাঙ্গাইল বারের সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছেন। ফরিদপুর-১ আসনের দুই বারের সাবেক এমপি ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বর্তমান কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান তার বড় জামাতা।
এ ছাড়া এ বছর আরো পুরস্কার পেয়েছেন ভাষা আন্দোলনে মোস্তফা এম এ মতিন (মরণোত্তর), মহান মুক্তিযুদ্ধে অবদান রাখার জন্য চারজন—বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্জ অধ্যক্ষ মো. মতিউর রহমান, সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলী (মরনোত্তর), কিউ.এ. বি. এম রহমান, আমজাদ আলী খন্দকার, শিল্পকলা’য় জিনাত বরকতউল্লাহ (নৃত্য), নজরুল ইসলাম বাবু (মরণোত্তর) (সংগীত), ইকবাল আহমেদ (সংগীত), মাহমুদুর রহমান বেণু (সংগীত), খালেদ মাহমুদ খান (খালেদ খান) (মরণোত্তর) (অভিনয়), আফজাল হোসেন (অভিনয়), মাসুম আজিজ (অভিনয়)। সাংবাদিকতায় এম এ মালেক, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে মো. আনোয়ার হোসেন, শিক্ষায় অধ্যাপক ড. গৌতম বুদ্ধ দাশগুপ্ত, সমাজ সেবায় এস. এম আব্রাহাম লিংকন ও সংঘরাজ জ্ঞানশ্রী মহাথের, ভাষা ও সাহিত্যে কবি কামাল চৌধুরী ও ঝর্ণা পুরকায়স্থ, গবেষণায় ড. মো. আব্দুস সাত্তার মণ্ডল, ড. মো. এনামুল হক (দলগত, দলনেতা), ড. সাহাজ সুলতানা (দলগত), ড. জান্নাতুল ফেরদৌস (দলগত)।
নীতিমালা অনুযায়ী, নির্বাচিত প্রত্যেককে এককালীন নগদ চার লাখ টাকাসহ ৩৫ গ্রাম ওজনের একটি স্বর্ণপদক, রেপ্লিকা ও একটি সম্মাননাপত্র দেয়া হয়। ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে চালু করা একুশে পদক সরকার প্রতিবছর বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে দিয়ে থাকে।
বাংলাদেশের বিশিষ্ট সাহিত্যিক, শিল্পী, শিক্ষাবিদ, ভাষাসৈনিক, ভাষাবিদ, গবেষক, সাংবাদিক, অর্থনীতিবিদ, দারিদ্র্যবিমোচনে অবদানকারী, সামাজিক ব্যক্তিত্ব ও প্রতিষ্ঠানকে জাতীয় পর্যায়ে অনন্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ১৯৭৬ সাল থেকে একুশে পদক দেওয়া হচ্ছে।
একতার কণ্ঠঃ বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড(বিসিবি) আয়োজিত শেখ কামাল অনুর্ধ্ব-১৮ জোনাল ক্রিকেটের সেন্টাল জোনে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে টাঙ্গাইল জেলা দল।
বৃহস্পতিবার(৩ ফেব্রয়ারি) টাঙ্গাইল জেলা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনাল খেলায় ঢাকা জেলা দলকে ৫০ রানে হারিয়ে পর পর দুই বার চ্যাম্পিয়ন হবার গৌরব অর্জন করে টাঙ্গাইল জেলা অনুর্ধ্ব-১৮ ক্রিকেট দল।
ইতিপূর্বে এ বছরের ৯ জানুয়ারি টাঙ্গাইল জেলা অনুর্ধ্ব-১৪ ক্রিকেট দল ময়মনসিংহ জেলা দলকে ২৮ রানে হারিয়ে হ্যাট্রিক চ্যাম্পিয়ন হবার গৌরর অর্জন করে।
বৃহস্পতিবার(৩ ফেব্রয়ারি) সকালে টাঙ্গাইল জেলা স্টেডিয়ামে টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় প্রথমে টসে জিতে টাঙ্গাইল জেলা দল ব্যাটিং করে ৪৯ ওভার ৪ বল খেলে সব কটি উইকেট হারিয়ে ২০৩ রান করে। টাঙ্গাইল জেলা দলের পক্ষে অল-রাউন্ডার রিফাত-আল-জাবির সর্বোচ্চ ৫৪ রান করেন। এছাড়া অলরাউন্ডার ফেরদৌস হাসান লিমন ৩৫, মাইন হোসেন সরকার ২৭ ও রিজান হোসেন ২১ রান করে। ঢাকা জেলা ক্রিকেট দলের পক্ষে বোলার তুষার ও সোহাগ যথাক্রমে ৩৪ ও ৪১ রান দিয়ে ২টি করে উইকেট দখল করে।
জবাবে ২০৪ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ঢাকা জেলা ৪১ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১১৩ রান করার পর বৃষ্টি শুরু হলে খেলা বন্ধ হয়ে যায়। পরে বৃষ্টি আইনে টাঙ্গাইল জেলা দলকে ৫০ রানে বিজয়ী ঘোষনা করা হয়। ঢাকা জেলা দলের পক্ষে ব্যাটসম্যান লৌকিক সর্বোচ্চ ৩৩ ও আদিল বক্স ২৭ রান করে। টাঙ্গাইল জেলা দলের পক্ষে অলরাউন্ডার রিজান হোসেন ২২ রানে ২টি উইকেট দখল করে।
টাঙ্গাইল জেলা দলের ফেরদৌস হাসান লিমন ম্যান অব দ্যা ফাইনাল নির্বাচিত হয়।
টাঙ্গাইল জেলা অনুর্ধ্ব-১৮ ক্রিকেট দলের খেলোয়ারগণ হলেনঃ- ইমতিয়াজ আহমেদ(অধিনায়ক) গাজী আল-দিন-হাসান মুগ্ধ(উইকেট রক্ষক) রিজান হোসেন(সহ-অধিনায়ক) ফেরদৌস হাসান লিমন, মাইন হোসেন সরকার, রিফাত আল জাবির, আলি ওমর আবির, রওনক হরিজন, জিহাদ আদনান সানি,কাউয়ূম খান, তারেক মিঞা এ ছাড়া দ্বাদশ খেলোয়ার হিসেবে ছিলেন রাসেল মিঞা।
চ্যাম্পিয়ন টাঙ্গাইল জেলা দলের কোচ হিসেবে ছিলেন রাসেল খান ও ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ভ্রমর চন্দ ঘোষ ঝোটন। খেলায় আম্পায়ার ছিলেন রবিন সরকার ও আসিফুর রহমান এবং স্কোরার হিসেবে দায়িত্ব পালন করে অরিন্দম পাল লিটন।
খেলা শেষে বিজয়ী ও বিজিত দলের হাতে ট্রফি তুলে দেন টাঙ্গাইল-৫(সদর) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ ছানোয়ার হোসেন,এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) মোঃ আমিনুল ইসলাম, ঢাকা জেলা ক্রীড়া সংস্থার অতিরিক্ত সাধারণ সম্পাদক জাকির আহমেদ, টাঙ্গাইল জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহ-সভাপতি এ হাসান ফিরোজ। জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মির্জা মঈনুল হোসেন লিন্টুর সভাপতিত্বে পুরষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন টাঙ্গাইল জেলা ক্রিকেট কোচ আরাফাত রহমান।
উল্লেখ্য, শেখ কামাল অনুর্ধ্ব-১৮ জোনাল ক্রিকেট টুর্নামেন্টে ঢাকা বিভাগের ১৭টি জেলা ৪টি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে অংশগ্রহন করে। চারটি গ্রুপ থেকে টাঙ্গাইল, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও ফরিদপুর জেলা গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে সেমিফাইনালে অংশগ্রহন করে। সেমিফাইনালে টাঙ্গাইল জেলা ফরিদপুর জেলাকে ১০ উইকেটে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছিলো।
একতার কণ্ঠঃ ২০১৮ সাল থেকে দেশে জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস পালিত হয়ে আসছে। এবারের নিরাপদ খাদ্য দিবসের মূল প্রতিপাদ্য – ‘সুস্বাস্থ্যের মূলনীতি, নিরাপদ খাদ্য ও স্বাস্থ্যবিধি’। সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন কর্তৃক টাঙ্গাইলেও নিরাপদ খাদ্য দিবস পালিত হচ্ছে।
জনতা ব্যাংক লিমিটেডের একজন কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম চাকরির পাশাপাশি অবসর সময়ে বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কর্মকান্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত রাখেন। ইভটিজিং এর বিরুদ্ধে মানববন্ধন, লৌহজং নদী দখল ও দূষণমুক্ত আন্দোলন, প্রধানমন্ত্রী প্রতিশ্রুত ঢাকা-টাঙ্গাইল ট্রেন আন্দোলন, অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কর্মকান্ড পরিচালনার লক্ষে তিনি এবছর গঠন করেছেন “জাহাঙ্গীর আলম লিটল থিঙ্কিংস” নামক একটি ছোট্ট সংগঠন।
এবারের জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবসে খাদ্যে ভেজালের বিরুদ্ধে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আজ শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে “জাহাঙ্গীর আলম লিটল থিঙ্কিংস” নামক প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে লিফলেট বিতরণ করা হয়। জাহাঙ্গীর আলম ও তার বন্ধু আরেক সমাজসেবক সাইদুল ইসলাম মিন্টু লিফলেট বিতরণে নেতৃত্বে দান করেন। এধরণের কর্মকান্ডে সাধারণ মানুষের ব্যপক সাড়া পরিলক্ষিত হয়।
আগামীদিনে টাঙ্গাইলবাসীর নানান সমস্যা ও সম্ভাবনা সামনে রেখে জনসচেতনতায় কাজ করার আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বিবেকানন্দ স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে সংবাদের নিন্দা প্রকাশ করেছেন বিবেকানন্দ স্কুল এন্ড কলেজের ৩০ জন স্বাক্ষরকারী। তারা এক বিবৃতিতে বলেন, টাঙ্গাইল জেলা সদরে অবস্থিত প্রায় শতবর্ষীয়ান শিক্ষা ও সংস্কৃতিতে অনন্য ঐতিহ্যবাহী বিবেকানন্দ স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ আনন্দ মোহন দের বিরুদ্ধে মিথ্যা, ষড়যন্ত্রমূলক ও মানহানিকর সংবাদ বিভিন্ন অনলাইন পোর্টালে ও ফেইজবুকে প্রকাশের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদন জানাই। এ বিষয়ে স্বাক্ষরকারীরা টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে একটি পত্র দেন।
গত ২০২১ সালের ২৪ নভেম্বর টাঙ্গাইল শহরের আকুর টাকুর পাড়ায় অবস্থিত শ্রী শ্রী ছোট কালিবাড়ী মন্দির কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে এক শ্রেণীর অসাধু ও হীন মানসিকতার কয়েকজন ব্যক্তি রীমা রায় নামের একজন মেয়েকে দিয়ে নানা প্রকার মানহানিকর বক্তব্য ও সাজানো অভিযোগ দায়ের করার চেষ্টা করছেন। গত ২০২১ সালের ২৫ নভেম্বর ষড়যন্ত্রকারীরা আকুর টাকুর পাড়াতে নানা প্রকার মানহানীকর কথা বার্তা প্রচার করে-বলিয়া জানা যায়। অতপর শ্রী শ্রী ছোট কালীবাড়ীর সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট অনুপম দে বাদী হয়ে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট টাঙ্গাইল সদর থানা আমলী আদালতে মানহানীর একখানা ১৪৪০/২২ নং মোকদ্দমা দায়ের করেন। উক্ত মোকদ্দমায় বিবাদীগনের বিরুদ্ধে সমনের আদেশ হয়েছে।
এতএব বিবেকানন্দ স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ আনন্দ মোহন দে একজন সম্মানী ব্যক্তিকে অসম্মান করার চেষ্টা চালাচ্ছেন। এজন্য আমরা নিন্দা জানাই ও মিথ্যা গুজব প্রকাশের বিরুদ্ধে বিবেকানন্দ স্কুল এন্ড কলেজের পক্ষ থেকে সকল পর্যায়ের শিক্ষকবৃন্দ জোর প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
প্রতিবাদপত্রে স্বাক্ষরকারীরা হলেন- আবু দাউদ প্রভাষক, প্রভাষক রুনা লায়লা, সিনিয়র শিক্ষক মনিরুল হক, বজলুর রহমান, আবু ইউছুব ছিদ্দিকী, রেজাতী হায়দার, কাকলী মজুমদার, মৃদুল কান্তি ভৌমিক, মজিবর রহমান, লক্ষী ঘোষ, সিরাজুল মনির, সুমী আক্তার, মনোয়ারা খান, শাহনাজ আক্তার, এম,এম, রাশিদা, অসীমা দাশ, স্মৃতি প্রামানিক, শফিকুল ইসলাম, আলী হায়াত, গোলাম মোস্তফা, ফয়সাল আহমেদ, মাজহারুল ইসলাম, হাবিব উল্লাহ সরকার, বাসুদেব দে, ফারুক হোসেন, শামীমা নুশরাত, ফারজানা রিমু, নাজমুল হক খান, সুজিত কর্মকার, মোঃ রবিন। প্রেসবিজ্ঞপ্তি
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল শহরের জেলা সদর রোড়ে অবস্থিত বিবেকানন্দ স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ আনন্দ মোহন দে’র বিরুদ্ধে এক নারীকে প্রাণনাশের হুমকি ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ উঠেছে।এ ঘটনায় নিরাপত্তা চেয়ে রিমা রায় (৩১) নামের ওই নারী টাঙ্গাইল সদর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।রবিবার (৩০ জানুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মীর মোশারফ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
রিমা রায় শহরের আকুর টাকুরপাড়া ছোট কালিবাড়ী এলাকার স্বপন দাসের মেয়ে।
রিমা রায়ের অভিযোগ থেকে জানা যায়, গত ২১ জানুয়ারি বিকেলে টাঙ্গাইল সার্কিট হাউজের রাস্তায় হাঁটতে বের হন রিমা রায়। এ সময় অধ্যক্ষ আনন্দ মোহন দে (৪৭) ও টুকু দেসহ (৪০) অজ্ঞাত কয়েকজন তাকে অকথ্য অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন। তারা এসিডে চেহারা বিকৃত করে দেওয়ার হুমকিও দেয় রিমা রায়কে। খুন করে ফেলা হবে বলেও হুমকি দেয়।
রিমা রায় অভিযোগে উল্লেখ করেন, বিবাদিরা যে কোন সময় তার ও তার ছেলের বড় ধরনের ক্ষতি করতে পারে।
রিমা রায় বলেন, কিছুদিন আগে শহরের ছোট কালিবাড়ি মন্দির কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। এসময় অনিয়মের মাধ্যমে মন্দির কমিটি গঠনের পেছনে আনন্দ মোহন দে’র হাত রয়েছে বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা। আমিও বক্তব্য রাখি মানববন্ধনে। আর এটাই কাল হয়ে দাঁড়ায়।
তিনি আরো বলেন, আমি তো কোন অন্যায় আচরণ করিনি। আমি শুধু বলেছিলাম- মন্দির-মসজিদ নিয়ে কেন রাজনীতি হবে। মন্দির-মসজিদ হলো প্রার্থণার জায়গা, শান্তির জায়গা। আর এ কথা বলার জন্যেই আমাকে হুমকি দিয়েছে আনন্দ মোহন দে।
এ ব্যাপারে অধ্যক্ষ আনন্দ মোহন দে বলেন, আমি শুনেছি মেয়েটি একটি লিখিত অভিযোগ নাকি দিয়েছে। সে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতায় আমার প্রতিষ্ঠানে পড়ালেখা করতো। সে আমার সরাসরি ছাত্রী ছিল। তার অভিযোগগুলো সত্য নয়। সম্পুর্ণ ভিত্তিহীন। আমিও তদন্ত সাপেক্ষে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
এ ব্যাপারে তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) সোহেল বলেন, ছোট কালিবাড়ী এলাকার একটি মন্দিরের কমিটি নিয়ে পুরাতন ও নতুন দুই পক্ষের বিরোধ চলছে। আমি এ বিষয়ে ওই এলাকায় গিয়ে খোঁজ খবর নিয়ে এসেছি। তদন্ত চলছে। তবে দুই পক্ষই একে অপরকে দোষারোপ করছে। মূলত মন্দির কমিটি নিয়েই মূল সমস্যা দেখা দিয়েছে।
টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মীর মোশারফ হোসেন জানান, ৩ দিন আগে ওই নারী বাদি হয়ে একটি লিখিত আবেদন দিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল পৌর শহরের কান্দাপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৮০ লিটার দেশীয় চোলাই মদসহ দুই জনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। শনিবার (২৯ জানুয়ারি) ভোরে ওই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- টাঙ্গাইল পৌর শহরের পারদিঘুলিয়ার আব্দুল মান্নানের ছেলে মো. জহিরুল ইসলাম (৪৩) ও সদর উপজেলার পোড়াবাড়ী ইউনিয়নের বড় বেলতা মধ্যপাড়া গ্রামের মৃত কুদ্দুসের ছেলে আব্দুল জব্বার (৪০)।
শনিবার দুপুরে র্যাব এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিকে জানায়, র্যাব-১২ সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের কোম্পানী কমান্ডার লে. কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুনের নেতৃত্বে একদল র্যাব টাঙ্গাইল পৌর শহরের বেবীস্ট্যান্ড সংলগ্ন কান্দাপাড়া এলাকায় অভিযান চালায়।এসময় অভিযানে ৮০ লিটার চোলাই মদসহ জহিরুল ও জব্বারকে গ্রেফতার করা হয়। এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল সদর থানায় তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল শহরের সন্তোষ বাগবাড়ী এলাকার ফার্নিচার ব্যবসায়ী শামসুল হকের হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন হয়েছে। বৃহস্পতিবার(২৭ জানুয়ারি) সকালে প্রেসক্লাবের সামনে বাগবাড়ী এলাকাবাসী ওই মানববন্ধনের আয়োজন করে।
এতে বক্তব্য রাখেন টাঙ্গাইল পৌরসভার কাউন্সিলর সাহিদুল হক স্বপন ও রকি হায়দার, সাবেক কাউন্সিলর মোহাম্মদ আলী , টাঙ্গাইলে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, ইউপি সদস্য দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ।
বক্তারা বলেন ,পূর্ব শত্রুতার জেরে শামসুল হককে হত্যা করা হয়েছে। এটি পরিকল্পিত হত্যাকান্ড। হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবি করছি। হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার না হলে কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারি দেওয়া হয় মানববন্ধন থেকে।
প্রসঙ্গত, গত রোববার রাত থেকে নিখোঁজ ছিলেন শামসুল হক। পরদিন সোমবার সন্ধায় তার বাড়ির সামনের পুকুর থেকে ভাসমান অবস্থায় লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে নিহতের ভাই এডভোকেট শামীম আল মামুন বাদি হয়ে অজ্ঞাতদের আসামী করে টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা দায়ের করেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে গত ২৪ ঘন্টায় ৭৫ জনের দেহে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। ২২২ জনের নমুনা পরীক্ষার রির্পোটে ৭৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়। শনাক্তের হার শতকরা ৩৩ দশমিক ৭৮ ভাগ ।বুধবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সিভিল সার্জন জানান,আক্রান্তদের মধ্যে টাঙ্গাইল সদরে ৬৭ জন, বাসাইলে ২ জন, কালিহাতীতে ২জন, ঘাটাইলে ২ জন ও ভূঞাপুর উপজেলায় ২ জন নিয়ে মোট ৭৫ জন।
তিনি আরো জানান, এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা আক্রান্তের রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৭ হাজার ৩৭৬ জন। আক্রান্তদের মধ্যে মোট সুস্থ্য হয়েছে ১৬ হাজার ৭০৬ জন। সর্বমোট মারা গেছে ২৬০ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়ে কেউ মৃত্যুবরণ করেনি।
সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান, করোনা প্রতিরোধে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি ও সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানান।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ মো. ছানোয়ার হোসেন দ্বিতীয় বারের মতো করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।সোমবার (২৪ জানুয়ারি) সংসদে নমুনা দেন তিনি।
পরদিন মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) রিপোর্ট আসলে দেখা যায় তিনি করোনায় আক্রান্ত।বর্তমানে তিনি ঢাকার বাসায় আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে ছানোয়ার হোসেন জানান, তিনি করোনাভাইরাসের বুস্টার ডোজসহ সব টিকা নিয়েছেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে মাস্ক না পরার অপরাধে ৮ জনকে অর্থদন্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) বিকেলে শহরের নিরালা মোড়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ওই ৮ জনকে মাস্ক না পরার অপরাধে ২ হাজার ১০০ টাকা অর্থদন্ড প্রদান করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রানুয়ারা খাতুন।
এসময় ৫ শতাধিক পথচারীদের মাঝে মাস্ক বিতরণ করা হয়।
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রানুয়ারা খাতুন বলেন, সরকার ঘোষিত করোনা ভাইরাসে মাস্ক ও স্বাস্থ্যবিধি মানতে কঠোর অবস্থানে প্রশাসন। সকলকে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরন করতে হবে। এই অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।
জানা যায়, দেশে ওমিক্রনে আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় স্বাস্থ্যবিধি মানতে নির্দেশনা দেয় সরকার। স্বাস্ব্য বিধি না মেনে চললে মাস্ক বিহিন চলাচল করলে ভ্র্যম্যমান আদালত পরিচালনা নির্দেশ প্রদান করেছে সরকার।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে গত ২৪ ঘন্টায় ৮৫ জনের দেহে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। ৩৪১ জনের নমুনা পরীক্ষার রির্পোটে ৮৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়। মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সিভিল সার্জন জানান,আক্রান্তদের মধ্যে টাঙ্গাইল সদরে ৫২জন, দেলদুয়ার উপজেলায় জন ১, সখীপুর ৪ জন, মির্জাপুরে ৭জন, কালিহাতী ৬ জন, ঘাটাইল ১২ জন ও গোপালপুর উপজেলায় ৩ জন নিয়ে মোট ৮৫ জন। জেলায় শনাক্তের হার শতকরা ২৪ দশমিক ৯২ শতাংশ।
তিনি আরো জানান, এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা আক্রান্তে রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৭ হাজার ৩০১ জন। আক্রান্তের মধ্যে মোট সুস্থ্য হয়ে বাড়ী ফিরেছেন ১৬ হাজার ৬৮৮ জন। জেলায় সর্বমোট মারা গেছে ২৬০ জন। তবে গত ২৪ ঘণ্টায় কেউ মারা যাননি।
অপরদিকে, টাঙ্গাইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুন্যালের তিনজন স্টাফ করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় গত সোমবার থেকে দুইদিন ধরে নারী ও শিশু আদালতের সকল বিচারিক কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পিপি আলী আহমেদ জানান, আদালতের তিনজন স্টাফ করোনায় আক্রান্ত হওয়ার গত দুইদিন সকল বিচারিক কার্যক্রম সাময়িক বন্ধ রয়েছে।