একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলা হুগড়া ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে পদে চেয়ারম্যান প্রার্থীর কর্মী সমর্থকদের উপর হামলা ও নির্যাতন করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে নৌকা প্রার্থীর বিরুদ্ধে।
রবিবার (১৯ ডিসেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করা হয়। হুগড়া ইউনিয়নবাসীর ব্যানারে এ সংবাদ সম্মেলন করা হয়।
সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ওই ইউনিয়নের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. নূর এ আলম তুহিন। তিনি জানান, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অপর নৌকার চেয়ারম্যান প্রার্থী ও বর্তমান চেয়ারম্যান তোফাজ্জল হোসেন খান তোফা নিজে নেতৃত্ব দিয়ে তার কর্মী সমর্থকদের উপর বিভিন্ন সময় হামলা, নির্যাতন করছেন। তার হামলার শিকার হয়ে অন্তত আটজন গুরুতর আহত হয়েছেন। মৈশা গ্রামের তোফাজ্জলকে বেধড়ক পিটিয়ে হাত-পা ভেঙে দেয়া হয়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তিনি এখন ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। হামলার শিকার হয়ে আরেকজনের মাথার খুলি ভেঙ্গে ভেতরে ঢুকে পড়েছিল। তাকেও ঢাকায় চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। তিনি এখন চোখে দেখতে পান না এবং তার স্মৃতিশক্তি নষ্ট হয়ে গেছে।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৫ ডিসেম্বর চরহুগড়া গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছয় বছরের শিশুপুত্রকে লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করা হয়। এতে তার মাথা ফেটে যায়। এছাড়াও আরো অনেককে নানাভাবে হুমকি দেয়া হচ্ছে। এভাবে ভোটারদের মধ্যে ভয়-ভীতি সৃষ্টি করা হচ্ছে।
এসব অভিযোগ জানিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য টাঙ্গাইল সদর মডেল থানায় ও নির্বাচন অফিসে লিখিত আবেদন করা হয়েছে বলে জানান মো. নূর এ আলম তুহিন। একই সাথে নির্বাচনকে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করার জন্য পরিবেশ সৃষ্টি করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ারও সহায়তা চেয়েছেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন হুগড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোর্শেদ আলম দুলাল, শেরপুর মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ (অবঃ) আব্দুর রাজ্জাক, সরকারি এম এম আলী কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক শামসুল হুদা, টাঙ্গাইল জেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও হাবিব কাদের উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শামীম আল মামুন জুয়েল, টাঙ্গাইল পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মির্জা রনি আহম্মেদ রিংকু, ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মৈশা গ্রামের তোফাজ্জলের মা নূর জাহানসহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী পরিষদের নির্বাচনে সভাপতি পদে এ্যাডভোকেট জাফর জাফর আহমেদ (যুগান্তর), সাধারণ সম্পাদক পদে কাজী জাকেরুল মওলা (আরটিভি) প্যানেলের বিজয়ী হয়েছে।
শুক্রবার (১৭ ডিসেম্বর)অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিজয়ী অন্যান্যরা হলেন, সহ-সভাপতি এম এ ছাত্তার উকিল (মৌবাজার) ও একরামুল হক খান তুহিন (মাছরাঙা টিভি), যুগ্ম সম্পাদক মো. নাসির উদ্দিন (বাংলাদেশ প্রতিদিন) ও ইফতেখারুল অনুপম (জনকণ্ঠ), ক্রীড়া সম্পাদক খন্দকার মাসুদুল আলম (মজলুমের কণ্ঠ), সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক কাজী তাজ উদ্দিন রিপন (একুশে টিভি), দপ্তর ও পাঠাগার সম্পাদক অরণ্য ইমতিয়াজ (কালেরকণ্ঠ),কোষাধ্যক্ষ পদে আব্দুর রহিম(সমকাল)কার্যনির্বাহীর সদস্যরা হলেন, ড. মো. কামরুজ্জামান (নিউনেশন), শামীম আলম মামুন (যমুনা টিভি), মামুনুর রহমান মিয়া (ইন্ডিপেনডেন্ট টিভি), কাজী হেমায়েত হোসেন হিমু (সময় তরঙ্গ) ও সাহাবউদ্দিন মানিক (দি ফিনাশিয়াল এক্সপ্রেস)।
নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বি করেন কাজী জাকেরুল মওলা (আরটিভি) ও মহব্বত হোসেন (এনটিভি)। এতে ৩৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন কাজী জাকেরুল মওলা (আরটিভি) আর মহব্বত হোসেন পেয়েছেন ২১ ভোট। যুগ্ম সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন মো. নাসির উদ্দিন (বাংলাদেশ প্রতিদিন), ইফতেখারুল অনুপম (জনকণ্ঠ) ও মহিউদ্দিন সুমন (জিটিভি)। এ উভয়ে ৩৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন মো. নাসির উদ্দিন (বাংলাদেশ প্রতিদিন) ও ইফতেখারুল অনুপম (জনকণ্ঠ)। সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে ৩৩ ভোট পেয়ে বিজয় হয়েছেন কাজী তাজ উদ্দিন রিপন (একুশে টিভি)।

টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত পরিষদ
তার প্রতিদ্বন্দ্বি শফিকুজ্জামান খান মোস্তফা পেয়েছেন ২৩ ভোট। এছাড়াও কার্যনির্বাহী সদস্য পদে ৬ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এ পদে ৫জন বিজয়ী হয়েছেন। এর মধ্যে ৪৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন ড. মো. কামরুজ্জামান (নিউনেশন), শামীম আলম মামুন (যমুনা টিভি) পেয়েছেন ৪৯ ভোট, মামুনুর রহমান মিয়া (ইন্ডিপেনডেন্ট টিভি) পেয়েছেন ৪৫ ভোট, কাজী হেমায়েত হোসেন হিমু (সময় তরঙ্গ) পেয়েছেন ৪৩ ভোট আর সাহাবউদ্দিন মানিক (দি ফিনাশিয়াল এক্সপ্রেস) পেয়েছেন ৩৬ ভোট।
এর আগে সভাপতি পদে এ্যাডভোকেট জাফর জাফর আহমেদ (যুগান্তর), সহ-সভাপতি এম এ ছাত্তার উকিল (মৌবাজার) ও একরামুল হক খান তুহিন (মাছরাঙা টিভি), ক্রীড়া সম্পাদক খন্দকার মাসুদুল আলম (মজলুমের কণ্ঠ), দপ্তর ও পাঠাগার সম্পাদক অরণ্য ইমতিয়াজ (কালেরকণ্ঠ) বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হন।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন মো. হারুন-অর-রশিদ আর কমিশনার পাবলিক প্রসিকিউটর এস আকবর খান ও অধ্যক্ষ আনন্দ মোহন দে।
এর আগে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে বিকেল ৩টা থেকে ৫টা পর্যন্ত চলে এর ভোট গ্রহণ। নির্বাচনে ৬৭ টি ভোটের ৬৩ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। এর মধ্যে চারটি ভোট বাতিল করে নির্বাচন কমিশন।
একতার কণ্ঠঃ বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্যে দিয়ে টাঙ্গাইলে বিজয় দিবস উদযাপন করা হয়েছে। স্বাধীনতার ৫০ বছরের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে শহর জুড়ে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার (১৬ ডিসেম্বর) সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে ৫০ বার তোপধ্বনির মধ্য দিয়ে শুরু হয় দিনের কর্মসূচী। পরে জেলা সদরে অবস্থিত “শহীদ বেদীতে” ফুল দিয়ে ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদের প্রতি শ্রদ্ধ জানান জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি।
এরপর জেলা পুলিশের পক্ষে পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষে সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান, টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এস.এম সিরাজুল হক আলমগীর, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রানুয়ারা খাতুনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক সংগঠন ও সর্বস্তরের জনগণ ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয় শহরের জেলা সদর রোড়ে অবস্থিত শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানের শহীদ বেদীতেও।
সকাল ৮টায় জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে টাঙ্গাইল জেলা স্টেডিয়ামে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এ সময় বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের নিয়ে বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়। পরে অংশগ্রহণকারী এবং বিজয়ীদের মধ্যে পুরষ্কার বিতরণ করা হয়েছে।
অপরদিকে,সকাল ১১টায় মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। দিনব্যাপী ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, মসজিদ-মন্দিরে বিশেষ মোনাজাত ও প্রার্থনা, জেলখানা, হাসপাতাল, এতিমখানায় উন্নতমানের খাবার পরিবেশন, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র প্রদর্শন, আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে কারাবন্দি ৯৭৬ জনকে করোনাভাইরাসের টিকা দেওয়া হয়েছে। বুধবার (১৫ ডিসেম্বর) সকালে ওই টিকা প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক ডক্টর মো. আতাউল গনি।
টাঙ্গাইল জেলা কারাগারের জেল সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুনের সভাপতিত্বে এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান প্রমুখ।
জেল সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, টাঙ্গাইল কারাগারে ৫২ জন নারীসহ ১ হাজার ২৪৬ জন বন্দি আছেন। এদের মধ্যে বুধবার ৯৭৩ জনকে করোনার টিকা দেওয়া হয়। টিকা প্রাপ্তদের মধ্যে ৩৬ জন নারী ও ৯৩৭ জন পুরুষ রয়েছেন। স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে আসা আ্যাস্ট্রোজেনিকা ও সিনোফার্মার টিকা দেওয়া হয়েছে বন্দিদের। বাকি যারা আছেন তাদের মধ্যে কয়েকজন মর্ডানা ও ফাইজারের প্রথম ডোজ নিয়েছেন। তাদেরকে সেই সব প্রতিষ্ঠানের টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।
সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান জানান, সবাইকে ভ্যাকসিন কার্যক্রমের আওতায় আনার লক্ষ্যে আমরা কারাবন্দিদেরকেও ভ্যাকসিন দিচ্ছি। কয়েকজন বন্দি ফাইজারের প্রথম ডোজ নিয়েছে। আমরা তাদের একই কোম্পানির দ্বিতীয় ডোজ টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।
একতার কণ্ঠঃ ওয়ালটন গ্রুপের অর্থায়নে টাঙ্গাইলে জেলা সদর পানির ট্যাংকের বধ্যভূমির পাশে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিকেন্দ্রের নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে।বুধবার (১৫ ডিসেম্বর) সকালে নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি, পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আমিনুল ইসলাম, টাঙ্গাইল পৌরভার মেয়র এস. এম সিরাজুল হক আলমগীর, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়্যারম্যান শাহজাহান আনছারী প্রমুখ।
জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি জানান, এই স্মৃতি কেন্দ্রে বঙ্গবন্ধু ও টাঙ্গাইলের সকল মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, অডিও-ভিডিও, যুদ্ধকালীন ছবি ও দেশি-বিদেশি পত্রিকা সংরক্ষণ করা হবে। এই ভবণের চতুর্থ তলায় কনফারেন্স রুম থাকবে।
তিনি আরো জানান, ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ ও ৫২ এর ভাষা আন্দোলনকে সম্মান জানিয়ে চারতলা এই স্মৃতি কেন্দ্রে চারটি স্তম্ভে চার জাতীয় নেতা এবং মাঝখানে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল থাকবে। বঙ্গবন্ধু ও টাঙ্গাইলের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সম্পর্কে দেশি-বিদেশি পর্যটক ও শিক্ষার্থীরা ধারণা পাবে।
প্রকাশ, মুক্তিযোদ্ধাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসন ও ওয়ালটনের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। এর আগে গত ৮ মার্চ এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক এমপি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল যথাযথ মর্যাদায় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন করা হয়েছে।মঙ্গলবার (১৪ ডিসেম্বর) সূর্যোদয়ের সাথে সাথে জেলা সদরে অবস্থিত “শহীদ বেদীতে” প্রথমে জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
এরপর জেলা পুলিশের পক্ষে পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষে সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান, টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এস এম সিরাজুল হক আলমগীর, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রানুয়ারা খাতুন শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
পরে জেলা সদর রোডে অবস্থিত শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে শহীদ বেদীতে শ্রদ্ধা জানানো হয়।
শেষে শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করা হয়। এ সময় জেলা প্রশাসক কার্যালয়সহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বাসা ভাড়া পরিশোধ করার পরও এক কলেজছাত্রীকে জিম্মি করে রেখেছিলেন বাসার মালিক কামরুল হাসান। পরে ভুক্তভোগী ওই কলেজছাত্রী জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করলে পুলিশ গিয়ে তাকে জিম্মিদশা থেকে উদ্ধার করে।
সোমবার (১৩ ডিসেম্বর) বিকেলে পৌরসভার বেতকার মুন্সিপাড়ার কামরুল হাসান ঠান্ডু বাড়তি ১০ মাসের ভাড়া দাবি করে ওই ছাত্রীকে বাসায় জিম্মি করে রাখেন
ভুক্তভোগী ওই কলেজ ছাত্রী সরকারি কুমুদিনী কলেজের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।
জানা যায়, টাঙ্গাইল পৌরসভার বেতকা মুন্সিপাড়ার কাউন্সিলর মোর্শেদের বাসা সংলগ্ন এলাকার কামরুল হাসান ঠান্ডুর বাসায় গত চার মাস আগে মেস ভাড়া নেন কুমুদিনী কলেজের ওই শিক্ষার্থী। চলতি মাসের ভাড়া পরিশোধ করে বাসা ছেড়ে দেওয়ার কথা জানান মালিককে। কিন্তু একমাসের ভাড়া অতিরিক্ত দিলেও বাসার মালিক অগ্রিম আরও দশ মাসের ভাড়া অতিরিক্ত দাবি করে ওই ছাত্রীকে জিম্মি করে রাখে। বাসা ছেড়ে দিতে চাইলে তাকে হুমকি দেওয়াসহ অশ্লীল ভাষায় বকাবকি করে। পরে তাকে বাসায় জিম্মি করে রাখ।
বিপদ বুঝতে পেরে ওই শিক্ষার্থী জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করে। পরে টাঙ্গাইল সদর থানার এএসআই আয়নুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে। এর আগে বাসার মালিকের ক্যাডার বাহিনী জাহাঙ্গীরের নেতৃত্বে পুুলিশের উপস্থিতিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলার চেষ্টা করে।
ওই কলেজছাত্রী জানান, চলতি মাসের ভাড়া পরিশোধ করে বাসা ছাড়তে চাইলে বাসার মালিক অতিরিক্ত আরও দশমাসের ভাড়া দাবি করে জিম্মি করে রাখেন আমাকে। এ ছাড়া অশ্লীল ভাষাসহ বিভিন্ন হুমকি দিতে থাকে। পরে বিপদের কথা চিন্তা করে জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করলে পুলিশ এসে উদ্ধার করে।

বাসার মালিক কামরুল হাসান ঠান্ডু বলেন, বাসা ছেড়ে দিলেও দশমাসের ভাড়া বাড়তি ভাড়া দিতে হবে। না হলে নতুন ভাড়াটিয়া খুঁজতে দেরি হবে। আইন-টাইন বুঝি না, আমাকের বাড়তি টাকা দিয়ে ওই ছাত্রীকে বাসা ছাড়তে হবে। জিম্মি ঘটনার কথা বলতেই সাংবাদিকদের দেখে নেওয়ার হুমকি দেন তিনি।
টাঙ্গাইল সদর থানা পুলিশের এএসআই আয়নুল ইসলাম বলেন, জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়। তবে বাসার মালিক কামরুল হাসান উগ্র প্রকৃতির মানুষ। ওই ছাত্রীকে জিম্মি করে বাড়তি টাকা আদায়ের চেষ্টা করেন তিনি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর ১৪১তম জন্মবার্ষিকী বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে উদযাপন করা হয়েছে। রবিবার(১২ ডিসেম্বর) সকাল ১০ টা ৩০ মিনিটে সন্তোষে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর ড. এ আর এম সোলাইমান-এর নেতৃত্বে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ ভাসানীর মাজারে পুস্পস্তবক অর্পণ ও জিয়ারত করেন।
এরপর মওলানা ভাসানীর পরিবার বর্গ, ভাসানী পরিষদ, বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ, বাংলাদেশ যুব অধিকার পরিষদ, বিশ^বিদ্যালয় ছাত্রলীগ, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ ভাসানী), বাংলা ভাষা বিশ্ব শিশু সংগঠন, মাওলানা ভাসানী স্মৃতিসৌধ ব্যবস্থাপনা কমিটি, বিশ্ববিদ্যালয় ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণী কর্মচারী সমিতি, বঙ্গবন্ধু পরিষদ এবং বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসস্থ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকেও পৃথক পৃথকভাবে পুস্পস্তবক অর্পণ ও মাজার জিয়ারত করা হয়।
এছাড়া সকাল ১১ টায় ক্যাম্পাসস্থ দরবার হলে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসনের সহায়তায় বিশ্ববিদ্যালয় ও মাওলানা ভাসানী স্মৃতিসৌধ ব্যবস্থাপনা কমিটির আয়োজনে আলোচনা সভা ও দুস্থদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।
বাদ যোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
দুপুরে মওলানা ভাসানী ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শহরের সাধারণ গ্রন্থাগারে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে মওলানা ভাসানী ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান খন্দকার নাজিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা হারুন অর রশিদ, মহাসচিব মাহমুদুল হক সানু, টাঙ্গাইল সকাল পরিষদের সভাপতি নূরুল ইসলাম বাদল, নজরুল সাহিত্য পরিষদের সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল রুহি প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ফাউন্ডেশনের নেতা নুরুল ইসলাম। এসময় যুব ফাউন্ডেশন ও ছাত্র ফাউন্ডেশনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ ‘নারী নির্যাতন বন্ধ করি, কমলা রঙের বিশ্ব গড়ি’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে টাঙ্গাইলে বেগম রোকেয়া দিবস ও আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সময় ১০ জয়িতাকে সম্মাননা দেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার (৯ ডিসেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকের সভা কক্ষে জেলা প্রশাসন ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জয়ব্রত পাল, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রানুয়ারা খাতুন, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত) মেহেরুন্নেছা মনি প্রমুখ।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা খন্দকার নিপুণ হোসাইন। পরে বিভিন্ন ক্যাটারিতে জেলা থেকে পাঁচজন ও উপজেলা জেলা থেকে পাঁচজনকে সম্মাননা দেওয়া হয়।
একতার কণ্ঠঃ মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির (মাভাবিপ্রবিসাস) আগামী এক বছরের জন্য ২০২১-২২ মেয়াদের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। নবগঠিত কমিটিতে সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন ডেইলি বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি শুভ দে এবং সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক অধিকার ও দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি মোঃ নূর এ আলম নুহাশ।
মঙ্গলবার (৭ ডিসেম্বর) সাংবাদিক সমিতির কার্যালয়ে নির্বাচিত ১৫ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়।
১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন, সহ-সভাপতি নিউজ টাঙ্গাইলের ফারজানা মাসুম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডেইলি বাংলাদেশ বার্তার আবুল হাশেম খান, দপ্তর সম্পাদক সাপ্তাহিক সময়ের তরঙ্গের তানভীর আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক নূর-ই-জান্নাত, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোঃ খাইরুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ মাহযাবীন লুৎফা রিতু, কার্যকরী সদস্য রওশন জামিল, মাহবুব জুবায়ের, তাসনিম আলম, রাসেল চৌধুরী, শেখ সায়মন পারভেজ, রুকসানা খাতুন এবং অনিক ইসলাম অপু।
আগামী এক বছর এই কমিটির দায়িত্ব পালন করবেন।
উল্লেখ্য, মাভাবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতির প্রধান পৃষ্ঠপোষক হলেন মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর ড. এ আর এম সোলাইমান এবং উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মীর মোঃ মোজাম্মেল হক।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী পরিষদের নির্বাচনে সভাপতি পদে একক প্রার্থী বর্তমান সভাপতি জাফর আহমেদসহ ২২ জন প্রার্থী বিভিন্ন পদে মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছেন। বুধবার( ৮ ডিসেম্বর) সন্ধায় টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের নির্বাচন কমিশনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার হারুন অর রশিদের কাছে প্রার্থীরা ওই সব মনোনয়ন পত্র জমা দেন। এসময় নির্বাচন কমিশনার অ্যাডভোকেট এসআকবর খান ও অধ্যক্ষ আনন্দ মোহন দে উপস্থিত ছিলেন।
নির্বাচনে অংশ নিতে সহ-সভাপতি পদে এম এ ছাত্তার উকিল ও একরামুল হক খান তুহিন, সাধারণ সম্পাদক পদে কাজী জাকেরুল মওলা ও মহব্বত হোসেন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক পদে নাসির উদ্দিন, ইফতেখারুল অনুপম, ও মহিউদ্দিন সুমন, কোষাধ্যক্ষ পদে আব্দুর রহিম ও মহিউদ্দিন সুমন, ক্রীড়া সম্পাদক পদে খন্দকার মাসুদুল আলম ও মোস্তাক হোসেন, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে কাজী তাজউদ্দিন রিপন ও শফিকুজ্জামান খান মোস্তফা, দপ্তর ও পাঠাগার সম্পাদক পদে অরণ্য ইমতিয়াজ, কার্যকরী সদস্য পদে ড. মো. কামরুজ্জামান, সাহাবউদ্দিন মানিক, হেমায়েত হোসেন হিমু, মো. মামুনুর রহমান মিয়া, শামীম আল মামুন, শফিকুজ্জামান খান মোস্তফা ও মোস্তাক হোসেন মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন।
৩০ নভেম্বর টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের কার্যকরী পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ি গত মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৫ টা হতে ৬ টা পর্যন্ত মনোনয়ন পত্র বিক্রয় করা হয়। বুধবার সন্ধ্যা ৬ টা হতে রাত ৮ টা পর্যন্ত মনোনয়ন পত্র দাখিল করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭ টায় মনোনয়ন পত্র বাছাই, আপত্তি গ্রহণ, নিষ্পত্তি ও খসড়া প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে। শুক্রবার মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার ও চুড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে।
আগামী ১৭ ডিসেম্বর শুক্রবার বিকেল ৩ টা হতে সন্ধ্যা ৫ টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ শেষে ভোট গণনা করে ফলাফল ঘোষণা করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সমিতির নব-গঠিত কমিটি বাতিল চেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর বরাবর লিখিত আবেদন করা হয়েছে। বুধবার (৮ ডিসেম্বর) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের কার্যালয়ে লিখিত আবেদন জানিয়েছে পূর্ববর্তী কমিটির সাধারন সম্পাদক তনিমা ইসলাম। এ ছাড়া অন্য দুই সাংবাদিক পৃথকভাবে লিখিত আবেদন জমা দেন।
এর আগে মঙ্গলবার (৭ ডিসেম্বর) শুভ দে’কে সভাপতি ও মো. নুর এ আলম নুহাশকে সাধারণ সম্পাদক করে ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কার্যকরী কমিটির অনুমোদন দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর ড. মীর মো. মোজাম্মেল হক।
পূর্ববর্তী কমিটির সাধারন সম্পাদক তনিমা ইসলাম তার লিখিত আবেদনে জানান, কমিটির সাধারণ সম্পাদক হওয়া সত্ত্বেও তাকে অবহিত না করেই কমিটি গঠন করা হয়েছে। যা যে কোন সংগঠনের কমিটি গঠনের নিয়মের পরিপন্থী। এছাড়া কমিটির উপদেষ্টা মন্ডলীতে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার, জনসংযোগ, তথ্য ও প্রকাশনা বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত/জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা, সাংবাদিক সমিতির সাবেক একজন সদস্যের অন্তর্ভুক্তির বিধান থাকলেও তা করা হয়নি, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। এছাড়াও কমিটিতে সেচ্ছাচারিতামূলকভাবে নতুন সদস্য সংযোজন ও পুরাতন সদস্য বিয়োজন করা হয়েছে।
দেশের কথা ও ক্যাম্পাস লাইভ ২৪.কম এর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স এন্ড রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের শিক্ষার্থী মো. এনামুল হক লিখিত আবেদনে জানান, ২০১৯ সালের ১৪ অক্টোবর ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির পক্ষ থেকে সভাপতি সাইফুল মজুমদার স্বাক্ষরিত ‘সাংবাদিকতায় কাজ করার সুযোগ দিচ্ছে মাভাবিপ্রবিসাস’ এক বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে সাংবাদিক সমিতিতে ৫০ টাকা দিয়ে সদস্য পদের ফরম জমা দেন। দুই বছর পেড়িয়ে গেলেও তাকে সদস্য পদে অন্তর্ভুক্ত না করে অনেকেই যারা কখনই সাংবাদিকতা করেনি তাদেরকে কমিটিতে রাখা হয়েছে। এমনকি নব-গঠিত কমিটিতে সরকার ঘোষিত নিবন্ধন বাতিলকৃত অনলাইন পত্রিকা ‘আই নিউজ বিডি’ এর সাংবাদিকও রয়েছে। যা সাংবাদিক সমিতির ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করে।
নবযুগান্তর ও টাঙ্গাইল প্রতিদিনের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি ও রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী সোলাইমান মিঞা লিখিত আবেদনে মো. এনামুল হকের মত একই ধরনের অভিযোগ এনে আরও জানান নব-গঠিত কমিটির সভাপতি ‘শুভ দে’ নিজেও আমার কাছে কমিটি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর ড. মীর মো. মোজাম্মেল হক বলেন, এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাপার। এ নিয়ে কোন মন্তব্য করতে রাজি নয়।